শিক্ষাজীবন শেষে চাকরি নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু    - Ekotar Kantho

শিক্ষাজীবন শেষে চাকরি নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী টুকু  

আরমান কবীর: শিক্ষাজীবন শেষ করেই একজন শিক্ষার্থী যাতে চাকরি পেতে পারে, সেই লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, ‘ক্যারিয়ার ও চাকরি মেলা অত্যন্ত ভালো ও মহৎ উদ্যোগ। এর মাধ্যমে অনেকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। বাংলাদেশকে বুকে ধারণ করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। দেশের ২০ কোটি মানুষ যদি যোগ্য হয়ে ওঠে, তাহলে বাংলাদেশকে বিশ্বের অন্যতম দেশে পরিণত করা সম্ভব।’ মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত ক্যারিয়ার ও চাকরি মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এবং পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি দেশকে এগিয়ে নিতে সরকার ও রাষ্ট্রকে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে দিতে হয়। প্রধানমন্ত্রী সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর কর্মকাণ্ডকে সহযোগিতা করতে হলে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তাহলেই দেশ স্বাবলম্বী হবে। তিনি বলেন, একটি দল বা গোষ্ঠী বিভিন্নভাবে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে। জনগণের আন্দোলনের মুখে বিদায় নেওয়া ফ্যাসিবাদী শক্তি এখন বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু দেশের মানুষ শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ চায়। তাই তাদের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, সব ধরনের ষড়যন্ত্র ও অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। এ জন্য নিজেদের সুসংগঠিত করতে হবে এবং যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে। শিক্ষার মানোন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন। টাঙ্গাইলের শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে তিনি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করবেন। তিনি আরও বলেন, টাঙ্গাইলের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হবে। শিক্ষার দিক থেকে টাঙ্গাইলকে দেশের শীর্ষস্থানীয় জেলাগুলোর মধ্যে নিয়ে যেতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম শহীদুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. আনিসুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল-মামুন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার এবং ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ আলী। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ফিতা কেটে এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ক্যারিয়ার ও চাকরি মেলার উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা।

আমাদের টাঙ্গাইল ১৯ ঘন্টা আগে

ফেসবুকে আমরা

টাঙ্গাইলে শহীদ ফারুক চেয়ারম্যান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শহীদ ফারুক চেয়ারম্যান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলে উৎসবমুখর পরিবেশে শহীদ রফিকুল ইসলাম ফারুক চেয়ারম্যান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের বাসাখানপুর মিনি স্টেডিয়ামে ফারুক চেয়ারম্যান স্মৃতি সংসদ ও বাসাখানপুর স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে এই ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনালে যমুনা এক্সপ্রেস ফুটবল ক্লাব এবং আইয়ান বার্থা ফুটবল ক্লাব মুখোমুখি হয়। খেলায় দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে আইয়ান বার্থা ফুটবল ক্লাব ৩–০ গোলের ব্যবধানে যমুনা এক্সপ্রেস ফুটবল ক্লাবকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। অনুষ্ঠানে দাইন্যা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. লাভু মিয়া লাভুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপি'র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি—এই সদর উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামের নাম যেন শহীদ ফারুক স্টেডিয়াম করা হয়। আগামীদিনে জনগণের ভোটে বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে স্টেডিয়ামটির নাম শহীদ ফারুক স্টেডিয়াম করা হবে। এখানে যেকোনো খেলার আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা আমরা করব। বিশেষ করে মা–বোনেরা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে খেলা উপভোগ করতে পারেন, এজন্য অতিরিক্ত আরও একটি গ্যালারি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, একসময় টাঙ্গাইলকে ক্রীড়া নগরী বলা হতো। এখানকার ৮ থেকে ৯ জন ফুটবলার নিয়মিত ঢাকার মাঠে খেলতেন। আগামীদিনে আমরা মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত ও কিশোর গ্যাং–মুক্ত একটি নিরাপদ টাঙ্গাইল গড়ে তুলতে চাই। এ লক্ষ্য পূরণে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি'র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি আজগর আলী, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, সদর থানা বিএনপি'র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আজিম উদ্দিন বিপ্লব, জেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মনিরুজ্জামান জুয়েল, জেলা মহিলাদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মমতাজ করিম প্রমুখ। ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে মাঠে কয়েক হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে পুরো এলাকায় এক উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। খেলা শেষে বিজয়ী ও বিজীত দলের মধ্যে ট্রফি ও ব্যক্তিগত পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।