টাঙ্গাইলে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় মামলার ১২ ঘণ্টার মধ্যে আসামি গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় মামলার ১২ ঘণ্টার মধ্যে আসামি গ্রেপ্তার

আরমান কবীর:টাঙ্গাইলে সাড়ে ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, হত্যাচেষ্টার ঘটনায় দায়ের করা মামলার ১২ ঘণ্টার মাথায় অভিযুক্ত মো. বিপ্লবকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (১ নভেম্বর) বেলা ১২টার দিকে শহরের কলেজপাড়া পার্ক বাজার মোড়ের গৌর ঘোষ মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার বিপ্লব টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পূর্বআদালতপাড়া (চৌধুরী বাজার) এলাকার আব্দুল করিমের ছেলে। টাঙ্গাইল সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এইচ এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী জানান, ঘটনার পর থেকেই পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছিলেন। রোববার বেলা ১২টার দিকে পুলিশের সোর্স প্রথমে আসামিকে শনাক্ত করে আটক করেন। এ সময় বিপ্লব হাত কামড়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে আটক রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে। টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার বলেন, শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে সদর থানায় আনা হয়েছে। মামলার পর পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপে ১২ ঘণ্টার মধ্যেই তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। এদিকে, ঘটনার পর থেকেই শিশুটির চিকিৎসা ও অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে সার্বিক খোঁজখবর রাখছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এর আগে শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাত ১২টার দিকে ঢাকা থেকে সরাসরি টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে নির্যাতনের শিকার শিশুটিকে দেখেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় শিশুটির মা ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চিকিৎসার খোঁজখবর নেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী শিশুটির উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন এবং চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয়ভার বহনের দায়িত্ব নেন। প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য শিশুটিকে ঢাকায় নেওয়ার ব্যবস্থাও করা হবে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশকে নির্দেশ দেন। উল্লেখ্য, শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের কেন্দ্রীয় কালীবাড়ি এলাকার একটি ভবনে শিশুটির ওপর ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে। পরিবারের অভিযোগ, এ সময় শিশুটি বাধা দিলে অভিযুক্ত ইট দিয়ে তার মুখ ও নাকে আঘাত করেন। এতে শিশুটি গুরুতর আহত হয়। পরে এক রিকশাচালক তাকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে শনিবার রাতে অভিযুক্ত বিপ্লবের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা, হত্যাচেষ্টা ও গুরুতর জখমের অভিযোগে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(৪)(খ) ধারাসহ দণ্ডবিধির ৩২৩, ৩২৪, ৩২৫ ও ৩০৭ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে। মামলার নম্বর ৬৬।

অপরাধ ৩১ মিনিট আগে

ফেসবুকে আমরা

টাঙ্গাইলে শহীদ ফারুক চেয়ারম্যান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শহীদ ফারুক চেয়ারম্যান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলে উৎসবমুখর পরিবেশে শহীদ রফিকুল ইসলাম ফারুক চেয়ারম্যান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের বাসাখানপুর মিনি স্টেডিয়ামে ফারুক চেয়ারম্যান স্মৃতি সংসদ ও বাসাখানপুর স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে এই ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনালে যমুনা এক্সপ্রেস ফুটবল ক্লাব এবং আইয়ান বার্থা ফুটবল ক্লাব মুখোমুখি হয়। খেলায় দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে আইয়ান বার্থা ফুটবল ক্লাব ৩–০ গোলের ব্যবধানে যমুনা এক্সপ্রেস ফুটবল ক্লাবকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। অনুষ্ঠানে দাইন্যা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. লাভু মিয়া লাভুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপি'র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি—এই সদর উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামের নাম যেন শহীদ ফারুক স্টেডিয়াম করা হয়। আগামীদিনে জনগণের ভোটে বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে স্টেডিয়ামটির নাম শহীদ ফারুক স্টেডিয়াম করা হবে। এখানে যেকোনো খেলার আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা আমরা করব। বিশেষ করে মা–বোনেরা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে খেলা উপভোগ করতে পারেন, এজন্য অতিরিক্ত আরও একটি গ্যালারি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, একসময় টাঙ্গাইলকে ক্রীড়া নগরী বলা হতো। এখানকার ৮ থেকে ৯ জন ফুটবলার নিয়মিত ঢাকার মাঠে খেলতেন। আগামীদিনে আমরা মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত ও কিশোর গ্যাং–মুক্ত একটি নিরাপদ টাঙ্গাইল গড়ে তুলতে চাই। এ লক্ষ্য পূরণে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি'র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি আজগর আলী, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, সদর থানা বিএনপি'র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আজিম উদ্দিন বিপ্লব, জেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মনিরুজ্জামান জুয়েল, জেলা মহিলাদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মমতাজ করিম প্রমুখ। ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে মাঠে কয়েক হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে পুরো এলাকায় এক উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। খেলা শেষে বিজয়ী ও বিজীত দলের মধ্যে ট্রফি ও ব্যক্তিগত পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।