অবৈধভাবে খাল দখলকারীদের উৎখাত করতে হবে: সালাম পিন্টু - Ekotar Kantho

অবৈধভাবে খাল দখলকারীদের উৎখাত করতে হবে: সালাম পিন্টু

আরমান কবীরঃ খাল দখল হওয়া প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল-২(ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে খালের প্রবাহ উন্মুক্ত করেনি। খালগুলো বেশি ভাগই ময়লা আবর্জনায় সয়লাভ এবং দখল হয়ে গেছে। গোবিন্দাসীর এই খালটির বিষয়ে বাজারের সবার সাথে আলোচনা করে দখলসহ ভরাট হওয়া খালটি পুনঃখনন করা হবে। সেই সঙ্গে দখলকারীদের উৎখাত করতে হবে। ইতোমধ্যে এই গোবিন্দাসী বাজারের খালটি পুনঃসংস্কারের প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। রোববার (৩ মে) সকালে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী বাজারস্থ খালটি ময়লা আবর্জনায় ভরাট ও দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সরকারের আমলে আমি যখন শিক্ষা উপমন্ত্রী ছিলাম সে সময় টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী বাজারের এই খালটি প্রশস্তকরণ করা হয়েছিল। তার পাশেই যমুনা নদীর সাথে সংযোগস্থল স্থাপন করার ফলে এলাকার কৃষকরা এ খালটির যথাযথ সুফল ভোগ করেছিল। এখন খালটি সংস্কারের জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। এর আগে, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের ভারই এলাকার খাল ও গোবিন্দাসী ইউনিয়নের খুপিবাড়ী এলাকায় হতদরিদ্রের কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় পুনঃ খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। যমুনা সেতু পূর্ব ভূঞাপুরে বেগম খালেদা জিয়া বহুমুখী বিশ্ববিদ্যালয় ও অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য সালম পিন্টু আরও বলেন, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। যমুনা সেতু পূর্বপাড়ে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল করার জন্যে। কেননা নদী ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষের অনেক ক্ষতি হয়েছে, বাড়ি-ঘর নষ্ট হয়েছে। অর্থনৈতিক অঞ্চল হলে এলাকার নানা শ্রেণি- পেশার মানুষদের কর্মসংস্থানের হবে। দেশনেত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া এটি করার জন্য চেষ্টা করেছিলেন। আমি আশা করি যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)মো. মাহবুব হাসান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সাখাওয়াত হোসেন, ভূঞাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাব্বির রহমান, উপজেলা বিএনপি সিনিয়র সহ-সভাপতি ফরহাদুল ইসলাম শাপলা, গোবিন্দাসী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান শাহীন, সাধারণ সম্পাদক মাকসুদুর রহমান জামিল (মিন্টু), ইউনিয়ন যুবদল নেতা মাসুদ রানা, ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা মিজানুর রহমান প্রমুখসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আমাদের টাঙ্গাইল ২০ ঘন্টা আগে

ফেসবুকে আমরা

টাঙ্গাইলে শহীদ ফারুক চেয়ারম্যান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শহীদ ফারুক চেয়ারম্যান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলে উৎসবমুখর পরিবেশে শহীদ রফিকুল ইসলাম ফারুক চেয়ারম্যান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের বাসাখানপুর মিনি স্টেডিয়ামে ফারুক চেয়ারম্যান স্মৃতি সংসদ ও বাসাখানপুর স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে এই ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনালে যমুনা এক্সপ্রেস ফুটবল ক্লাব এবং আইয়ান বার্থা ফুটবল ক্লাব মুখোমুখি হয়। খেলায় দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে আইয়ান বার্থা ফুটবল ক্লাব ৩–০ গোলের ব্যবধানে যমুনা এক্সপ্রেস ফুটবল ক্লাবকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। অনুষ্ঠানে দাইন্যা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. লাভু মিয়া লাভুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপি'র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি—এই সদর উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামের নাম যেন শহীদ ফারুক স্টেডিয়াম করা হয়। আগামীদিনে জনগণের ভোটে বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে স্টেডিয়ামটির নাম শহীদ ফারুক স্টেডিয়াম করা হবে। এখানে যেকোনো খেলার আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা আমরা করব। বিশেষ করে মা–বোনেরা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে খেলা উপভোগ করতে পারেন, এজন্য অতিরিক্ত আরও একটি গ্যালারি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, একসময় টাঙ্গাইলকে ক্রীড়া নগরী বলা হতো। এখানকার ৮ থেকে ৯ জন ফুটবলার নিয়মিত ঢাকার মাঠে খেলতেন। আগামীদিনে আমরা মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত ও কিশোর গ্যাং–মুক্ত একটি নিরাপদ টাঙ্গাইল গড়ে তুলতে চাই। এ লক্ষ্য পূরণে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি'র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি আজগর আলী, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, সদর থানা বিএনপি'র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আজিম উদ্দিন বিপ্লব, জেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মনিরুজ্জামান জুয়েল, জেলা মহিলাদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মমতাজ করিম প্রমুখ। ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে মাঠে কয়েক হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে পুরো এলাকায় এক উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। খেলা শেষে বিজয়ী ও বিজীত দলের মধ্যে ট্রফি ও ব্যক্তিগত পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।