/ হোম / জাতীয়
টাঙ্গাইলের মেয়ে মেঘলার ফুলব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যাত্রা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের মেয়ে মেঘলার ফুলব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যাত্রা

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের মেধাবী শিক্ষার্থী যারিন সুবাহ মেঘলা উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমাচ্ছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলিনার ক্লেমসন ইউনিভার্সিটির বায়োলজিক্যাল সাইন্স বিভাগে ফুলব্রাইট স্কলারশিপসহ স্নাতকোত্তর (পোস্টগ্রাজুয়েট) করার সুযোগ পেয়েছেন। আগামী জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। এসময় তিনি টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ সুবিধাও পাবেন।

মেঘলা ঢাকার শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিসারিজ ও মেরিন সাইন্স বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন।

তিনি টাঙ্গাইল শহরের ভিক্টোরিয়া রোড ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা রকিবউদ্দীন বাবুল এবং তাহমিনা আক্তার দম্পতির জ্যেষ্ঠ কন্যা। তার ছোট ভাই আহনাফ উদ্দিন অর্ক বর্তমানে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিউপি)-এর ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে অধ্যয়নরত।

শিক্ষাজীবনে মেঘলা সবসময়ই মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং সরকারি কুমুদিনী মহিলা কলেজ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ফিসারিজ ও মেরিন সাইন্স বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

এ বিষয়ে মেঘলার বাবা রকিবউদ্দীন বাবুল বলেন, “মেয়ের এই অর্জনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। সে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর পিএইচডি করার ইচ্ছা পোষণ করেছে। আল্লাহ যেন তার সেই স্বপ্ন পূরণ করেন। আমি টাঙ্গাইলবাসীর কাছে তার জন্য দোয়া কামনা করছি।”

উল্লেখ্য, ফুলব্রাইট স্কলারশিপ যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অর্থায়নে পরিচালিত একটি মর্যাদাপূর্ণ ও সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি। এর মাধ্যমে বিশ্বের মেধাবী শিক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি করার সুযোগ পেয়ে থাকেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. এপ্রিল ২০২৬ ০২:১৮:এএম ২ সপ্তাহ আগে
টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার(২৬ মার্চ) সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনি ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির সূচনা করা হয়।

জেলা সদরের জনসেবা চত্বরে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে প্রথমে রাষ্ট্রের পক্ষে জেলা প্রশাসক শরীফা হক এবং জেলা পরিষদের পক্ষে প্রশাসক এসএম ওবায়দুল হক নাসির পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। পরে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এক মিনিট নিরবতা পালন ও দোয়া করা হয়।

অন্যদিকে, শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে সকাল ৮টায় মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড, বিএনপি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, রেড ক্রিসেন্ট, শ্রমিক, নাট্য, নৃত্য, ব্যাংক-বীমা, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

অপরদিকে, দিনটি উপলক্ষে সকাল ৮টায় শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের সমাবেশ, কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে প্রদর্শণ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে দিবসের আলোচনা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রশাসক শরীফা হক। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার অ্যাডভোকেট আব্দুল খালেক মন্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীন মিয়া প্রমুখ। পরে বীরমুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মার্চ ২০২৬ ১২:০৭:এএম ৩ সপ্তাহ আগে
সৌদিতে মিসাইল হামলায় নিহত মোশাররফের পরিবারে শোকের মাতম   - Ekotar Kantho

সৌদিতে মিসাইল হামলায় নিহত মোশাররফের পরিবারে শোকের মাতম  

আরমান কবীরঃ প্রায় ৮ বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি দিয়েছিলেন টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কীর্ত্তনখোলা গ্রামের মোশাররফ হোসেন (৪০)।

তিনি আল খারিজ শহরের পাশে একটি কোম্পানিতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীর কাজ করতেন । কর্মরত অবস্থায় ইরানের মিসাইল হামলায় থেমে গেল তার জীবন সংগ্রাম।

রোববার (৮ মার্চ) সৌদি আরবের আল-খারিজ এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে দেশটির সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি জানিয়েছে।

নিহত মোশাররফ হোসেন জেলার সখীপুর উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের কীর্ত্তনখোলা গ্রামের সূর্যত আলীর ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, নিহতের পরিবারে রয়েছে দুই ছোট ছেলে। বড় ছেলে মাহিম স্থানীয় একটি স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র এবং ছোট ছেলে মিহান প্রথম শ্রেণিতে পড়ে। তিন বছর আগে মাত্র তিন মাসের জন্য ছুটিতে দেশে এসেছিলেন তিনি। এরপর আবার ফিরে গিয়েছিলেন সংসারের হাল ধরতে। গতকালও মুঠোফোনে পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছিল তার।

স্ত্রী কবরী আক্তার বলেন, রাতে আমার সাথে কথা হয়েছিল। বলেছিলেন ঈদের জন্য টাকা পাঠাবেন, ছেলেদের জন্য কিছু কেনার জন্য। কিন্তু কে জানতো সেই কথাই হবে শেষ কথা। রাত প্রায় ৩টার দিকে খবর আসে— আমার স্বামী আর নেই।

মৃত্যুর সংবাদ শোনার পর থেকেই শোকে ভেঙে পড়েছে পুরো পরিবার। মা জহুরা বেগম বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। ছোট ছেলে মিহান নানার কোলে বসে অবাক দৃষ্টিতে চারপাশের মানুষের কান্না দেখছে, হয়তো এখনো বুঝে উঠতে পারেনি,তার বাবা আর কোনো দিন ফিরবেন না।

এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও )আব্দুল্লাহ আল রনী। এ সময় তিনি বলেন, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাথে যোগাযোগ করে দ্রুত মরদেহ দেশে আনার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. মার্চ ২০২৬ ১০:০৫:পিএম ১ মাস আগে
বিমানবন্দর, রেলওয়ে স্টেশনে ফ্রি ওয়াফাই জোন হবে : প্রযুক্তি মন্ত্রী - Ekotar Kantho

বিমানবন্দর, রেলওয়ে স্টেশনে ফ্রি ওয়াফাই জোন হবে : প্রযুক্তি মন্ত্রী

আরমান কবীরঃ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, বর্তমান যুগে আইসিটি সব চেয়ে বড় গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর। আইটি সেক্টর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর অনেক পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা অনেক জব ক্রিয়েট করতে চাই এবং ইন্টারনেট সকলের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে চাই। প্রধানমন্ত্রী আমাদের নিদের্শনা দিয়েছেন বিমানবন্দর, রেলওয়ে স্টেশন এমনকি হাইস্পিড গাড়িগুলোকে ফ্রি ওয়াফাই ব্যবস্থা করার জন্য।

শুক্রবার(২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জেলা পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভার প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের নিদের্শনা দিয়েছেন তিনটি বড় বড় টেকপার্কে কিভাবে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। আমরা চেষ্টা করছি বিদেশ থেকে বিনিয়োগ করার জন্য। আমরা ধাপে ধাপে এগিয়ে যাবো। জনবান্ধব সরকার হতে চাই।

তিনি বলেন, টাঙ্গাইলেও আমরা কিছু চাই। জেলার প্রতিটি উপজেলায় আইসিটি পার্ক করার কথা চিন্তা করতে পারি আমরা।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্তসহ সরকারি দপ্তরের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ০১:৪৪:এএম ২ মাস আগে
টাঙ্গাইলে সুলভ মূল্যে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্য সামগ্রী বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সুলভ মূল্যে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্য সামগ্রী বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন 

আরমান কবীরঃ জেলা পর্যায়ে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মুরগির মাংসসহ বিভিন্ন প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্যসামগ্রী বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার।এরই অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলে এই বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

শনিবার ( ২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন,কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এ সময় তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন,সারাদেশে প্রায় ১০ লাখ মানুষকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, রমজানকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে প্রোটিনজাতীয় খাদ্য পৌঁছে দিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। কোনোভাবেই কৃত্রিম সংকট বা অতিরিক্ত মূল্য আদায় বরদাস্ত করা হবে না।

এছাড়াও তিনি জানান, পোলট্রি শিল্প যেন টিকে থাকতে পারে সেজন্য খামারিদের সাথে বসে তাদের সমস্যাগুলো শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ সময় টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক সহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১১:৫৪:পিএম ২ মাস আগে
খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের কোনো ঘাটতি নেই : সালাউদ্দিন টুকু - Ekotar Kantho

খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের কোনো ঘাটতি নেই : সালাউদ্দিন টুকু

আরমান কবীরঃ খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের কোনো ঘাটতি নেই। পর্যাপ্ত মজুত আছে বলে জানিয়েছেন কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা যেভাবে দেখছি, আল্লাহর রহমতে সবকিছু ঠিকভাবেই আছে, কোনো ঘাটতি নেই। ইনশাআল্লাহ, আমরা তদারকির মাধ্যমে এগুলো সুন্দরভাবে ম্যানেজ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধকল্পে তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে বাজার মনিটরিং সেল করা হয়েছে। যারা বাজারের নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে রয়েছেন, তারা কাজ করে যাচ্ছেন। আজকের মিটিংয়ে তারা বিস্তারিত উপস্থাপন করেছে। আশা করি, মনিটরিং এবং তদারকির মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধান সম্ভব হবে।’

সভায় জেলা প্রশাসক শরিফা হক সভাপতিত্বে ছিলেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক সঞ্জয় কুমার মহন্ত এবং জেলা পর্যায়ের সকল দপ্তরের কর্মকর্তারা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ০১:০৫:এএম ২ মাস আগে
আমার জীবন টাঙ্গাইলবাসীর জন্য উৎসর্গ করে দিলাম: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু - Ekotar Kantho

আমার জীবন টাঙ্গাইলবাসীর জন্য উৎসর্গ করে দিলাম: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

আরমান কবীরঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণার শেষ দিনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর বিশাল ‘আখেরি মিছিল’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পৌর উদ্যানে এসে শেষ হয়। মিছিলটির নেতৃত্ব দেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এর আগে বেলা সাড়ে ৩টা থেকেই পৌর উদ্যানে নেতাকর্মীদের জমায়েত শুরু হয়। পরে টুকুর নেতৃত্বে মিছিলটি নিরালা মোড়, মেইন রোড, থানার সামনে, বড় কালিবাড়ি, পুরান বাসস্ট্যান্ড ও রেজিস্ট্রিপাড়া ঘুরে পৌর উদ্যানে এসে শেষ হয়।

মিছিলে জেলা বিএনপি, মহিলা দল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল ও তাঁতী দলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন। দলীয় পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে শহরের প্রধান সড়কগুলো। পুরো আয়োজনকে ঘিরে পুরো শহর উৎসবের নগরে পরিণত হয়।

মিছিলের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন। পরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, সারা টাঙ্গাইলের মানুষ আমাকে যেভাবে সমর্থন দিয়েছেন, তাতে আমি সবার কাছে চিরকৃতজ্ঞ। আজ থেকে আমি আমার এই জীবন টাঙ্গাইল সদরবাসীর জন্য উৎসর্গ করে দিলাম।

তিনি বলেন, আজকের উপস্থিতি প্রমাণ করে টাঙ্গাইলে ধানের শীষের বিকল্প কেউ নেই। টাঙ্গাইলের উন্নয়নের জন্য তিনি যে সাত দফা দাবি উত্থাপন করেছেন, জনগণের ভোটে বিএনপি নির্বাচিত হলে সেগুলো বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

 

টুকু বলেন, ১৪, ১৮ ও ২৪ সালে আমরা ভোট দিতে পারিনি। ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াসহ অসংখ্য নেতাকর্মী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আমি নিজেও পাঁচ বছরের বেশি সময় কারাগারে থেকেছি, রিমান্ডে অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়েছি। এত শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা আজ একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের সামনে দাঁড়িয়ে আছি।

দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, তিনি কখনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেবেন না এবং নিজেও কোনো অন্যায় করবেন না। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন, ধানের শীষ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতীকই নয়, এটি দেশের মানুষের প্রতীক। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষের বিজয় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ০৪:৩৫:এএম ২ মাস আগে
টাঙ্গাইলে এমন পর্যটনশিল্প গড়ে তুলব, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার যেতে হবে না: টুকু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে এমন পর্যটনশিল্প গড়ে তুলব, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার যেতে হবে না: টুকু

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে টাঙ্গাইলে এমনভাবে পর্যটনশিল্প গড়ে তোলা হবে, যাতে আর চট্টগ্রাম বা কক্সবাজার যেতে না হয়; বরং পর্যটকরাই টাঙ্গাইলে আসবেন।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সদর উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের খোলাবাড়ি মাদরাসা মাঠ প্রাঙ্গণে ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আগামী দিনে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়ে তুলতে হবে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ‘ভোট দেব ধানের শীষে, দেশ গড়ব মিলেমিশে’ স্লোগান বাস্তবায়নে তিনি কাজ করবেন। তিনি জানান, সম্প্রতি টাঙ্গাইলে নির্বাচনী সমাবেশে তারেক রহমানের কাছে টাঙ্গাইলের উন্নয়নে কয়েকটি দাবি তুলে ধরা হয়েছে। তারেক রহমানও সব দাবি পুরণের আশ্বাস দিয়েছেন।

তিনি বলেন, টাঙ্গাইল সদরের একজন মানুষও যাতে বেকার না থাকে, সেভাবেই পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। টাঙ্গাইলে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা গেলে দেড় থেকে দুই লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। এর অন্তত অর্ধেক চাকরি সদর উপজেলার মানুষের হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এতে প্রায় প্রতিটি পরিবারেই কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

চরাঞ্চলের উন্নয়ন প্রসঙ্গে টুকু বলেন, যমুনা তীরবর্তী এলাকায় স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের পর সেখানে একটি সুন্দর পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। এতে অতিরিক্ত ২০ থেকে ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তখন চরের মানুষকে আর চট্টগ্রাম বা কক্সবাজার যেতে হবে না; বরং বাইরের মানুষই টাঙ্গাইলে ভ্রমণে আসবে।

বিএনপি সরকার গঠন করলে এসব দাবি বাস্তবায়ন করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মায়েদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড এবং সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হেলথ কার্ড চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে টুকু বলেন, গতকাল একটি দলের প্রধান টাঙ্গাইলে এসেছিলেন, যাদের নাম জামায়াতে ইসলাম। কিন্তু টাঙ্গাইলের উন্নয়ন নিয়ে একটি কথাও বলেননি। জনগণের জন্য কী করতে চান, সেটাও স্পষ্ট করেননি তারা।

তিনি বলেন, মা-বোনদের কোরআন হাতে দিয়ে তারা ভোট চাইছে। ইমানদার লোক কখনো এমন করতে পারে না। এরা স্বাধীনতাবিরোধী, তাদের কর্মকাণ্ডও ইসলামবিরোধী। মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী বলেছেন, নীল নদের পানি যেমন নীল নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়।

টুকু আরও বলেন, টাঙ্গাইলকে সন্ত্রাস, কিশোরগ্যাং ও মাদকমুক্ত একটি নিরাপদ নগরে পরিণত করতে তিনি কাজ করবেন। যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং সবাইকে নিয়ে একটি নিরাপদ টাঙ্গাইল গড়ে তোলা হবে বলে তিনি অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ০৯:৫৮:পিএম ২ মাস আগে
‘মডেল টাঙ্গাইল জেলা’ গড়তে টুকুর ২৩ দফা উন্নয়ন অঙ্গীকার - Ekotar Kantho

‘মডেল টাঙ্গাইল জেলা’ গড়তে টুকুর ২৩ দফা উন্নয়ন অঙ্গীকার

আরমান কবীরঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল–৫ (সদর) আসনে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা। আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রার্থীরা ব্যস্ত সময় পার করছেন ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগে। উঠান বৈঠক মতবিনিময় সভা সৌজন্য সাক্ষাৎ ও গণসংযোগে অংশ নিয়ে ভোটারদের নানা সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা শুনছেন তারা।এই আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা সাংগঠনিক সক্ষমতা ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তার দিক থেকে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

তার প্রচারণাকে ঘিরে পুরো আসনজুড়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে ব্যাপক রাজনৈতিক তৎপরতা।এ প্রেক্ষাপটে বিএনপির ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা বাস্তবায়নের পাশাপাশি টাঙ্গাইলের সার্বিক উন্নয়ন ও রূপান্তরের লক্ষ্যে নিজের ২৩ দফা উন্নয়ন অঙ্গীকার জনগণের সামনে তুলে ধরেছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। সম্প্রতি এসব অঙ্গীকার প্রকাশের পর ভোটারদের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ড ও সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নকে নিরাপদ মাদকমুক্ত,চাঁদাবাজমুক্ত ও আধুনিক একটি ‘মডেল টাঙ্গাইল’হিসেবে গড়ে তোলাই তার প্রধান লক্ষ্য। জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার অঙ্গীকার করেন তিনি।তার ঘোষিত ২৩ দফা উন্নয়ন পরিকল্পনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো যমুনা নদীর স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে নদীভাঙন রোধ মাহমুদনগরে গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ টাঙ্গাইলকে সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত জেলা হিসেবে গড়ে তোলা এবং টাঙ্গাইলকে শিক্ষার নগরীতে রূপান্তর।এর আগে এক নির্বাচনী জনসভায় টাঙ্গাইল সদরের উন্নয়নে সাত দফা দাবি উত্থাপন করেন টুকু। ওই জনসভায় বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান এসব দাবি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাত দফা দাবির সঙ্গে ২৩ দফা উন্নয়ন অঙ্গীকার যুক্ত হওয়ায় টাঙ্গাইলের উন্নয়ন ইস্যু নতুন মাত্রা পেয়েছে।

স্বাস্থ্য খাতে আমূল পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে টুকু বলেন, সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর মানোন্নয়ন আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণ এবং শহর ও গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন তার অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে।যুব সমাজকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তিনি জানান যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি আইটি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ভাষা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করা হবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তা এবং ব্যবসা সহজীকরণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের বিষয়ে তিনি বলেন নারীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে সবুজ পরিবেশ গড়ে তোলা খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর জোর দেন তিনি।বিএনপির ৩১ দফার আলোকে দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালু, ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সরকারি ভাতা প্রদান সবার জন্য ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করা এবং নাগরিক সেবা সহজ করতে ওয়ান কল সার্ভিস চালুর অঙ্গীকারও করেন এই বিএনপি নেতা।চাঁদাবাজমুক্ত টাঙ্গাইল গড়ে তোলা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন জনগণের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে টাঙ্গাইলকে একটি আধুনিক নিরাপদ ও উন্নত জনপদে রূপান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ০২:৩৩:এএম ২ মাস আগে
আমরা মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই : ডা. শফিকুর রহমান - Ekotar Kantho

আমরা মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই : ডা. শফিকুর রহমান

আরমান কবীরঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিগত ৫৪ বছরে অনেক নির্বাচন হয়েছে, অনেক ওয়াদা দেওয়া হয়েছে; কিন্তু ওয়াদা ওয়াদার জায়গায় রয়ে গেছে। জুলাই যুদ্ধে যুবকরা একটা দাবি করতেন : ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। আমরা এমন বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে ইনসাফ থাকবে, যেখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকবে, নিরাপত্তা থাকবে। আমরা আগামীতে মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশব্যাপী প্রচারণার অংশ হিসেবে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যজোটের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা বসন্তের কোকিল নই। ইতিপূর্বে অনেক জুলুম-নির্যাতন সহ্য করার পরও দেশ ছাড়ি নাই, এই মাটি ছেড়ে যাই নাই। আমরা দুঃখের সময় আপনাদের সঙ্গে ছিলাম, সুখের সময়ও আপনাদের সঙ্গে থাকব। আমরা জাতিকে পিছিয়ে নিতে চাই না, আমরা জাতিকে এগিয়ে নিতে চাই। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সুষ্ঠু নির্বাচন জাতি আদায় করে ছাড়বে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটা কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়, এটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচন। দেড় হাজারের বেশি জুলাই যোদ্ধাদের রক্তের বিনিময়ে এবারের নির্বাচন।’ জুলাই যোদ্ধাদের সম্মানে ‘হ্যা’ ভোটের আহ্বান জানান তিনি। এ সময় তিনি ঐক্যজোটের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সামনে টাঙ্গাইলের আটটি আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যজোট মনোনীত প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাদের জন্য ভোট প্রার্থনা করেন।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের ১১ দলীয় জোটের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমীর আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জামায়াতের ঢাকা উত্তরাঞ্চলের সদস্য মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, জামায়াতের কর্ম পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান মাদানী, জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য সাইফুল ইসলাম ও খেলাফত মজলিশের সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার শাহাবুদ্দিন প্রমুখ।

জনসভাকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন সড়কে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে জনস্রোত পরিলক্ষিত হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ০১:৩৮:এএম ২ মাস আগে
ন্যাশনাল টেক অ্যাওয়ার্ডে উদ্যোক্তা ক্যাটাগরিতে দেশসেরা টাঙ্গাইলের আমিনুর রহমান  - Ekotar Kantho

ন্যাশনাল টেক অ্যাওয়ার্ডে উদ্যোক্তা ক্যাটাগরিতে দেশসেরা টাঙ্গাইলের আমিনুর রহমান 

আরমান কবীরঃ One Way School আয়োজিত National Tech Award 3.0 – 2026-এ টাঙ্গাইলের Zayn Builders & Developer Ltd–এর Managing Director আমিনুর রহমান (আমিন) “Entrepreneur”(উদ্যোক্তা) ক্যাটাগরিতে দেশসেরা নির্বাচিত হয়েছেন।

শুক্রবার রাতে রাজধানীর IDEB ভবনে আয়োজিত এই মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে তাঁর এই অর্জন বাংলাদেশের উদ্যোক্তা অঙ্গনে এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই সাফল্য শুধু একটি ব্যক্তিগত স্বীকৃতি নয়; বরং এটি দেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য এক শক্তিশালী অনুপ্রেরণার বার্তা বহন করে বলে জানিয়েছেন এই আয়োজনের উদ্যোক্তারা।

জানা গেছে,আমিনুর রহমান (আমিন) দীর্ঘদিন ধরে রিয়েল এস্টেট ও কনস্ট্রাকশন খাতে সততা, দক্ষতা এবং আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে কাজ করে আসছেন। Zayn Builders & Developer Ltd–এর নেতৃত্বে তিনি গুণগত মানসম্পন্ন আবাসন নিশ্চিতকরণ, সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে একটি বিশ্বাসযোগ্য ও টেকসই ব্র্যান্ড গড়ে তুলেছেন। তাঁর উদ্যোক্তা যাত্রায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সুপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন দর্শন বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা জানান,National Tech Award 2026-এর “Entrepreneur” ক্যাটাগরিতে এই স্বীকৃতি প্রমাণ করে যে, উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায় থেকেই জাতীয় পর্যায়ে সাফল্য অর্জন সম্ভব। এই অর্জনের মধ্যে দিয়ে আমিনুর রহমান দেখিয়েছেন—সফল উদ্যোক্তা হতে হলে শুধু মূলধন যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন দূরদর্শী নেতৃত্ব, নিরলস পরিশ্রম, সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং সমাজের জন্য মূল্য সংযোজনের মানসিকতা।

এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, এই সাফল্য টাঙ্গাইল জেলার তরুণদের জন্য এক অনন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। অনেক তরুণ ধারণা করে যে বড় সাফল্য অর্জনের জন্য রাজধানীকেন্দ্রিক সুযোগ-সুবিধা অপরিহার্য। কিন্তু আমিনুর রহমানের এই অর্জন প্রমাণ করে—নিজ জেলা থেকেই বড় স্বপ্ন দেখা যায় এবং কঠোর পরিশ্রম ও সঠিক দিকনির্দেশনা থাকলে দেশসেরা হওয়াও সম্ভব। তাঁর এই বিজয় তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার সাহস জোগাবে এবং নিজ নিজ ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেওয়ার মানসিকতা গড়ে তুলবে।

এ প্রসঙ্গে আমিনুর রহমান (আমিন) জানান এই সম্মান আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে—বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম কেবল চাকরির সন্ধানেই সীমাবদ্ধ নয়; তারা উদ্যোক্তা হয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে, প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান দিতে পারে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম। One Way School আয়োজিত National Tech Award-এর মতো উদ্যোগগুলো সেই সম্ভাবনাকে সামনে আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

তিনি আরও জানান,এই অর্জন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং সমাজ—সব পর্যায়েই ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এটি নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য এক শক্তিশালী দিকনির্দেশনা, তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস এবং বাংলাদেশের উদ্যোক্তা সংস্কৃতির জন্য এক গর্বের অধ্যায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ০১:৫৭:এএম ৩ মাস আগে
৩১ জানুয়ারি টাঙ্গাইল আসছেন বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমান - Ekotar Kantho

৩১ জানুয়ারি টাঙ্গাইল আসছেন বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমান

আরমান কবীরঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী শনিবার (৩১ জানুয়ারি) টাঙ্গাইল সফরে আসছেন বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এদিন ঢাকা-যমুনাসেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল শহর বাইপাসের দরুন চরজানা এলাকায় জেলা বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন তিনি।

এ দিকে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে জনসভার প্রস্তুতি ও সমাবেশস্থল পরিদর্শন করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে দরুন চরজানা বাইপাস এলাকাকে জনসভাস্থল হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়।

এ সময় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমাননের নিরাপত্তা বাহিনী (সিএসএফ)-এর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, নির্বাচনী জনসভার সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ভেন্যু পরিদর্শন সম্পন্ন হয়েছে। টাঙ্গাইলে যেভাবে ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তাতে এই জনসভা স্মরণকালের জনসমাগমে পরিণত হবে বলে আমরা আশাবাদী। টাঙ্গাইলের জনগণ অধীর আগ্রহে আমাদের নেতা তারেক রহমানকে এক নজর দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন। তিনি আগামী দিনের বাংলাদেশ কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন। ইনশাআল্লাহ, এই জনসভা থেকেই নির্বাচনে বিজয়ের পথ আরও সুদৃঢ় হবে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে ২৯ জানুয়ারি রাজশাহী সফরের পর উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা ঘুরে ৩১ জানুয়ারি টাঙ্গাইল সফরে আসবেন তারেক রহমান। সফরের দিন দুপুর ২টায় জেলা বিএনপির আয়োজনে দরুন বাইপাস এলাকায় অনুষ্ঠিত জনসভায় তিনি বক্তব্য রাখবেন।

তার আগমনকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। জনসভা সফল করতে মঞ্চ নির্মাণ, জনসমাগম ব্যবস্থাপনা, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিকল্পনাসহ সব ধরনের কাজ চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তারেক রহমানের এই জনসভাকে ঘিরে বুধবার সকাল থেকেই টাঙ্গাইল বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলার আটটি সংসদীয় আসনের নেতাকর্মীরাও এই সফরকে ঘিরে ব্যাপক আনন্দ ও উদ্দীপনা প্রকাশ করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. জানুয়ারী ২০২৬ ০২:৫৪:এএম ৩ মাস আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।