সাহান হাসানঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের দুটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিএনপি’র মনোনীত দুই এমপি পদপ্রার্থী সহোদর দুই ভাই একসঙ্গে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি মেনেই তারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। টাঙ্গাইল সদরকে ঐক্যবদ্ধ করে উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাই তার লক্ষ্য।
টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর–ভূঞাপুর) আসনে সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম পিন্টু এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে তার ছোট ভাই কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।
রবিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয় থেকে তারা নিজ নিজ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।
এ সময় তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. হাসানুজ্জামিল শাহীন, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক সভাপতি আহমেদুল হক শাতিল, যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক কাজী শফিকুর রহমান লিটন, সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. আজগর আলী, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি মেনেই তারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। টাঙ্গাইল সদরকে ঐক্যবদ্ধ করে উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাই তার লক্ষ্য।
উল্লেখ্য, আবদুস সালাম পিন্টু টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক। তিনি ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে তিনি শিক্ষা উপমন্ত্রী এবং ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান। আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর কারাভোগ করেছেন।
অন্যদিকে, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবারই প্রথম টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ও যুবদলের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। বর্তমানে তিনি বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
দলীয় সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর বিরুদ্ধে প্রায় ৩৫০টি মামলা হয়। তিনি একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে ১২ দফা কারাভোগ করেন। তিনি প্রায় পাঁচ বছর কারাগারে ছিলেন। এছাড়া টানা ৪৬ দিন রিমান্ডেও থাকতে হয় তাকে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলকে ময়মনসিংহ বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবনার প্রতিবাদে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের পূর্ব গোলচত্বর এলাকায় সড়ক অবরোধ করেছে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ।
এতে মহাসড়কের উভয় পাশে অন্তত ছয় কিলোমিটার এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। বর্তমানে এই সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা মহাসড়কের যমুনা সেতু পূর্ব গোলচত্বর অংশে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ শুরু করে।
তারা জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টাঙ্গাইলকে ময়মনসিংহ বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এ সিদ্ধান্ত তারা মেনে নেবেন না।
আন্দোলনকারীরা বলেন, টাঙ্গাইল নিয়ে টানাহেঁচড়া চলবে না। টাঙ্গাইল যদি ঢাকা বিভাগে না থাকে, তাহলে একে স্বাধীন বিভাগ হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। অন্যথায় আরও কঠোর আন্দোলনের হুমকি দেন তারা।
অবরোধের কারণে ঢাকাগামী ও উত্তরবঙ্গগামী শত শত যানবাহন ঘণ্টাব্যাপী আটকে পড়ে। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও আলোচনা শেষে দেড় ঘণ্টা পর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ তুলে নেন এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম জানান, টাঙ্গাইল জেলাকে ময়মনসিংহ বিভাগে প্রস্তাবনার বিষয়টি আমরা লিখিত কোনো চিঠি বা এধরনের কোন তথ্য আমরা সরকারিভাবে পাইনি। আন্দোলনকারীদের যৌক্তিক দাবি গুলো লিখিতভাবে জমার আহ্বান করা হয়েছে। তাদের লিখিত দাবি গুলোর বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হবে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহকে দেশের অষ্টম বিভাগ হিসেবে ঘোষণার সময়ই টাঙ্গাইলকে ওই বিভাগে যুক্ত করার প্রস্তাব ছিল। সে সময়ও টাঙ্গাইলের মানুষ গণস্বাক্ষর, মানববন্ধন ও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে এর প্রতিবাদ করেন।
বর্তমানে প্রস্তাবের বিষয়টি আবার আলোচনায় আসায় জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এবং টাঙ্গাইলের প্রশাসনিক অবস্থান অপরিবর্তিত রাখার দাবি জানাচ্ছেন।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে এক গৃহবধূর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার গোবিন্দাসি ইউনিয়নের খানুর বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত গৃহবধু খুশি খানুর বাড়ি এলাকার মো. ওসমান গনির ছেলে নাজমুল ইসলামের স্ত্রী। নিহতের বাবার বাড়ি খুলনায় বলে জানা গেছে।
নিহতের শশুর ওসমান গনি জানান, নিহত গৃহবধূর বাবার বাড়ি খুলনা। গত আড়াই বছর যাবৎ নাজমুলের সাথে তার বিয়ে হয়েছে। রবিবার সকালে ওসমান গনি জীবিকার তাগিদে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। পরে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানতে পারেন বাড়িতে তার ছেলের সাথে পুত্রবধু খুশির ঝগড়া হয়েছে। বাড়িতে আসার পর ছেলেকে বাড়িতে না পেয়ে পুত্রবধুকে ডাকাডাকি করলে সে ঘরের ভেতর থেকে সাড়া না দেয়ায় দরজা ভেঙে ফেলেন তিনি।
তিনি আরও জানান, এ সময় তার দেহ দড়িতে ঝুলছিল। নিজ হাতে সেখান থেকে নামিয়ে প্রাণ বাঁচাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম রেজাউল করিম জানান, আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে এবং তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে আব্দুল জলিল (৮০) এক বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ৩৭ আপ ময়মনসিংহ মেইল ট্রেনে কাটা পড়ে তার মৃত্যু হয়।
নিহত আব্দুল জলিলের বাড়ি উপজেলার টেঁপিবাড়ি গ্রামে।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকাল ১০ টার দিকে আব্দুল জলিল ধান ক্ষেতে সার দিতে যাচ্ছিলেন। এসময় চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ভূঞাপুরগামী ৩৭ আপ ময়মনসিংহ মেইল ট্রেনটি টেঁপিবাড়ি এলাকায় পৌঁছলে তার নিচে কাটা পড়ে সে। এতে ঘটনাস্থলেই আব্দুল জলিলের মৃত্যু হয়। পরে খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ বাড়িতে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে ভূঞাপুর স্টেশনের স্টেশন মাস্টার আব্দুল কাদের জানান, শনিবার সকালে ট্রেনে কাটা পড়ে এক বৃদ্ধের নিহত হওয়ার খবর শুনেছি। তবে কেউ কোন অভিযোগ করেনি।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে টাকা লুটের অভিযোগে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিভাগের আরও এক কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বুধবার (৯জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবুল হোসেন।
বরখাস্তকৃত কর্মকর্তা হলো, সহকারী উপ-পরিদর্শক শামীম আল আজাদ।
বরখাস্তকৃত এই ৪জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, গত ১৮ জুন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিভাগের কর্মকর্তারা ভূঞাপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর সালেহা বেগমের বাড়িতে অভিযানে গিয়ে সাড়ে ৮ লাখ টাকা লুট করেছেন তারা।
উপ-পরিচালক আবুল হোসেন বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত করা হয়েছে। তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তাদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। দোষী প্রমাণ হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সালেহা বেগম তার অভিযোগে বলেছেন, কর্মকর্তারা তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে কোনো মাদকদ্রব্য না পেয়ে গাড়ির জ্বালানি খরচ বাবদ ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। তিনি তাদের ১০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। পরে তারা ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর শুরু করে। সে সময় তারা ঘরে থাকা প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
উল্লেখ্য, এর আগে মঙ্গলবার (৮ জুলাই) তিন কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তকৃত কর্মকর্তারা হলেন, পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম, উপ-পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান ও সহকারী উপ-পরিদর্শক জিয়াউর রহমান।
টাঙ্গাইলে মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে টাকা লুটের অভিযোগ, ৩ কর্মকর্তা বরখাস্ত
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে টাকা লুটের অভিযোগে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিভাগের তিন কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বরখাস্ত কর্মকর্তারা হলেন, পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম, উপ-পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান ও সহকারী উপ-পরিদর্শক জিয়াউর রহমান।
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবুল হোসেন মঙ্গলবার (৮ জুলাই) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ওই তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, গত ১৮ জুন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিভাগের কর্মকর্তারা সাবেক কাউন্সিলর সালেহা বেগমের বাড়িতে অভিযানে গিয়ে সাড়ে ৮ লাখ টাকা লুট করেছেন।
উপ-পরিচালক আবুল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত করা হয়েছে। তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তাদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। দোষী প্রমাণ হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সালেহা বেগম তার অভিযোগে বলেছেন, কর্মকর্তারা তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে কোনো মাদকদ্রব্য না পেয়ে গাড়ির জ্বালানি খরচ বাবদ ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। তিনি তাদের ১০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। পরে তারা ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর শুরু করে। সে সময় তারা ঘরে থাকা প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে আপত্তিকর অবস্থায় পরকীয়া প্রেমিকসহ মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী রেহানা পারভীন (৩৮) জনতার হাতে আটক হয়েছেন। বর্তমানে তার প্রেমিকসহ তিনি ভূঞাপুর থানা হেফাজতে রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) ভূঞাপুর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটক আওয়ামী লীগ নেত্রী রেহানা পারভীন উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি পলশিয়া গ্রামের শাহ আলমের স্ত্রী এবং তার পরকীয়া প্রেমিকের নাম বাবলু মিয়া (৪৫)।
বাবলু একই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। বাবলু মিয়া ৪ ছেলে ও এক মেয়ে সন্তানের বাবা এবং রেহেনা পারভীন ৩ সন্তানের মা। গত বুধবার রাতে উপজেলার সিরাজকান্দি গ্রামে ওই নারী নেত্রী রেহানার নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসীরা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে নিকরাইল ইউনিয়ন নারী নেত্রী রেহানা পারভীন এবং বাবলুর মধ্যে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। প্রায়ই বাবলু রেহানার বাড়িতে আসা-যাওয়া করতো।
বুধবার রাতে রেহানার বাড়িতে তারা একত্রিত হলে, অপেক্ষায় থাকা স্থানীয় কিছু ব্যক্তি তাদের আটক করে। এ সময় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং কিছু মানুষ উত্তেজিত হয়ে তাদের মারধরও করেন। পরে খবর পেয়ে ভূঞাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদেরকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
রেহেনা পারভীনের ছেলে আব্দুল্লাহ জানায়, বাবলু মিয়ার সাথে তাদের পারিবারিক এবং ধারদেনা সম্পর্ক রয়েছে। এর বাইরে কোনো সম্পর্ক নেই, এটি ষড়যন্ত্র।
ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম রেজাউল করিম বলেন, স্থানীয়রা তাদের আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে তাদেরকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে আনা হয়। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের যমুনা সেতুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ হাজার ৫৬৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৮৬ লাখ ৬৩ হাজার ৯০০ টাকা।
বুধবার (৪ জুন) সকালে যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গত সোমবার রাত ১২টা থেকে মঙ্গলবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ হাজার ৫৬৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। তার মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ১৭ হাজার ৫৬৭টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪৪ লাখ ৮২ হাজার ৮৫০ টাকা।
অপরদিকে, ঢাকাগামী ১৫ হাজার ৯০৭টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪১ লাখ ৮১ হাজার ৫০ টাকা।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ডামি নির্বাচন ও ভোট চুরির অভিযোগে করা মামলাটি বাদি নিজেই প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তবে প্রত্যাহার বিষয়ে পরবর্তী তারিখে আদেশ দিবেন আদালত।
বুধবার (২১ মে) নানামুখী চাপ ও নিরাপত্তাহীনতার কারণ দেখিয়ে মামলা করার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে তা প্রত্যাহারের আবেদন করেন মামলার বাদী।
মামলার বাদি কামরুল হাসান (৫৫) টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার ভারই গ্রামের মরহুম মমতাজ উদ্দিন আহম্মেদের ছেলে। তিনি ভূঞাপুরের অলোয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি।
বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবু রায়হান খান বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে মোট ১৯৩ জনের বিরুদ্ধে গত সোমবার এ মামলা করা হয়। বিজ্ঞ আদালত ভূঞাপুর থানার ওসিকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। এ অবস্থায় বুধবার বাদি আদালতে এসে মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন। বিজ্ঞ বিচারক রুমেলিয়া সিরাজাম বাদির জবানবন্দি নিয়ে রেখেছেন। আগামী ১৩ আগস্ট মামলার পরবর্তী ধার্য তারিখে প্রত্যাহার বিষয়ে আদেশ দিবেন আদালত।
মামলায় উল্লেখিত বাদি কামরুল হাসানের ফোন নাম্বারে বারবার কল দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে বাদির বরাত দিয়ে অ্যাডভোকেট আবু রায়হান খান নয়া বলেন, ‘মামলার পর বাদি কামরুল হাসান পারিবারিক চাপসহ নানামুখী চাপে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এছাড়া তিনি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এজন্য মামলা পরিচালনা করতে অপারগতা জানিয়ে তিনি তা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।’
গত সোমবার মামলা দায়েরের পর সর্বত্র ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। তবে মামলার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বাদি কেন তা প্রত্যাহার করে নিলেন। এ নিয়েও চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
বিএনপির একটি সূত্র জানায়, মামলার পর ঢাকার উত্তরায় বিএনপির এক নেতার বাসায় মঙ্গলবার কয়েক দফা বৈঠক হয়। সেখানেই মামলাটি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২৪ সালে ৭ জানুয়ারি ডামি নির্বাচনের আয়োজন এবং ভোট চুরির অভিযোগে কামরুল হাসান গত সোমবার এ মামলা করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী আব্দুল আওয়ালসহ ১৯৩ জনকে আসামি করা হয়।
এছাড়া অজ্ঞাত আসামি করা হয় আরো ২০০ জনকে। মামলায় পাঁচজন সাংবাদিক ও একজন আইনজীবীর নামও রয়েছে তালিকায়। এছাড়া পুলিশ ও প্রিজাইডিং অফিসার, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়।
আরমান কবীরঃ পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২৪ সালে ডামি নির্বাচনের আয়োজন এবং ভোট চুরির মাধ্যমে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীকে এমপি নির্বাচিত করার অভিযোগে টাঙ্গাইলে সেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (১৯ মে) টাঙ্গাইলের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভূঞাপুর থানা আমলী আদালতে কামরুল হাসান নামে এক ব্যক্তি মামলাটি দায়ের করেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট রুমেলিয়া সিরাজাম মামলাটি আমলে নিয়ে ভূঞাপুর থানার ওসিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
মামলার বাদি কামরুল হাসান (৫৫) টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার ভারই গ্রামের মৃত মমতাজ উদ্দিন আহম্মেদের ছেলে।
মামলায় আসামির তালিকায় শেখ হাসিনাসহ ১৯৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরো ১৫০ থেকে ২০০ জনকে।
শেখ হাসিনা ছাড়াও উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সাবেক এমপি তানভীর হাসান ছোট মনির, প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী আব্দুল আওয়াল, তৎকালীন আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন ও টাঙ্গাইলের সাবেক জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
এছাড়া পুলিশ ও প্রিজাইডিং অফিসারসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে।
বাদি মামলায় উল্লেখ করেন, ‘আমাদের শত্রু রাষ্ট্র ভারতের নির্দেশক্রমে শেখ হাসিনা অন্য আসামিদের সাথে যোগসাজশ করে বিগত ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি একটি ডামি নির্বাচনের আয়োজন করেন। বাদি কামরুল হাসান ভূঞাপুরের অলোয়া ইউনিয়নের ভারই উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটার ছিলেন। তিনি অন্য ভোটারদের সাথে ওই কেন্দ্রে ভোট দিতে গেলে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। আসামিরা তাকে মারপিট করে এবং হত্যার হুমকি দেয়। নির্বাচনে পুলিশ ও প্রিসাইডিং অফিসারের সহায়তায় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা ভোটকেন্দ্র দখল করে জোরপূর্বক নৌকা মার্কায় সিল মেরে বাক্স ভর্তি করে। এভাবে অন্যের ভোট চুরি করে টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী তানভীর হাসান ছোট মনিরকে এমপি পদে নির্বাচিত করা হয়। এতে দেশ ও জনগণের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।’
বাদিপক্ষের আইনজীবী টাঙ্গাইল বার সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবু রায়হান খান বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে মোট ১৯৩ জনের বিরুদ্ধে এই মামলা রুজু করা হয়েছে। বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে বাদির জবানবন্দি গ্রহণ করেন। পরে ভূঞাপুর থানার ওসিকে মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। সেইসাথে আগামী ১৩ আগস্ট মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন আদালত। আশা করি আদালতে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।’
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের সহযোগী নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।
শনিবার (১৭ মে) বিকালে গ্রেপ্তারকৃত ৪ জনের মধ্যে তিনজনকে টাঙ্গাইল সদর থানায় সোপর্দ করে ভূঞাপুর থানা পুলিশ। অপরজনকে মির্জাপুর থানায় সোপর্দ করা হয়।
শুক্রবার (১৬ মে) রাতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের পাথাইলকান্দি এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ দুইজন আসামিকে তাদের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি ও আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সাগর আলী (২৭), ছাত্রলীগের সক্রিয়কর্মী ও আব্দুস ছাত্তার ফকিরের ছেলে সুমন ফকির (৩২) এবং অপরজন চর পাথাইলকান্দি গ্রামের শাহ আলম প্রামাণিকের ছেলে মামুন প্রামাণিক (৩০)।
অন্যদিকে, মির্জাপুরে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হত্যা মামলায় এজাহার ভুক্ত আসামি নিষিদ্ধ সংগঠনের যুবলীগ নেতা পাকের আলীকে একইদিন রাতে নিজ এলাকা থেকে আটক করে ভূঞাপুর থানা পুলিশ। পরে তাকে রাতেই সংশ্লিষ্ট থানায় প্রেরণ করা হয়। তিনি উপজেলা পৌর শহরের বীরহাটি গ্রামের বেলায়েত হোসেনের ছেলে।
এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম জানান, গত ১৪ এপ্রিল বুধবার রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে মশাল মিছিলে অংশ নেয়ার জন্য গ্রেপ্তারকৃতদের নির্দেশ দেয় টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সাবেক এমপি ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হত্যা মামলার আসামি তানভীর হাসান ছোট মনির। জিজ্ঞাসাবাদে এ বিষয়টি স্বীকার করে গ্রেপ্তারকৃত পাকের আলী, সাগর আলী ও সুমন। মামুন তাদের সহযোগী ছিল। পরে তাদের শনিবার বিকালে সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। মিছিলে আরও যারা অংশ নেন তাদেরকেও শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরও জানান, গত রোজার ঈদে ছোট মনির টাঙ্গাইলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি ও মিছিল-মিটিংয়ের জন্য গ্রেপ্তারকৃত সাগরকে বিকাশে ৫০ হাজার টাকা পাঠায়। সেই টাকা তিনি তার সহকর্মীদের সাথে নিয়ে কৌশলে নেতাকর্মীদের বিভিন্ন সময়ে প্রদান করতেন বলেও জানায় সাগর আলী।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহাম্মেদ জানান, আমরা গ্রেপ্তারকৃত দুইজন আসামিকে বুঝে পেয়েছি। ৩ জনের মধ্যে একজন আসমিকে ভূঞাপুর থানা পুলিশ গ্রেপ্তার দেখিয়ে টাঙ্গাইল কোর্টে চালান করে দিয়েছে।
তিনি আরও জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের গত ১৪ এপ্রিল (বুধবার) টাঙ্গাইলে মশাল মিছিল করার অভিযোগে এপর্যন্ত ১২ জন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে গ্রেপ্তার আতঙ্কে বড় ভাইয়ের জানাজায় অংশ নিতে পারেননি রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনির এবং তার ভাই জাহিদুল ইসলাম খোকা।
মনির ভূঞাপুর উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সভাপতি। তার ভাই জাহিদুল ইসলাম খোকা ইতালি প্রবাস ফেরত এবং তিনিও এই দলের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন।
রবিবার (১১ মে) দুপুরে উপজেলার জিগাতলা ঈদগাহ্ মাঠে তাদের বড় ভাই নাজমুল হক ওরফে তারা মেম্বারের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে কুকাদাইর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। তবে জানাজায় মনিরুজ্জামান মনির ও জাহিদুল ইসলাম খোকাকে দেখা যায়নি।
জানা গেছে, গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর নিষিদ্ধ ঘোষিত এই দলের অধিকাংশ নেতাকর্মী আত্মগোপনে চলে যান। ডেভিল হান্ট নামক অভিযানে নাশকতার মামলায় দলের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হন। সেই আতঙ্কে মনির ও খোকাও আত্মগোপনে রয়েছেন।
শনিবার (১০ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাজমুল হক তারা মেম্বার মৃত্যুবরণ করেন। রবিবার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। যদিও স্থানীয় মুসল্লিদের অনেকেই জানাজায় অংশ নেন, তবে আত্মগোপনে থাকা দুই ভাই জানাজায় আসেননি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাজমুল হকের ছেলে অ্যাডভোকেট শাহাদত হোসেন বাবু জানান, গ্রেপ্তার আতঙ্কের কারণে তার দুই চাচা—সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনির ও ইতালি প্রবাস ফেরত জাহিদুল ইসলাম খোকা জানাজায় অংশ নিতে পারেননি। তিনি তার বাবার আত্মার মাগফিরাত কামনায় সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।