আরমান কবীরঃ ‘কবিতা, তুমি স্বপ্নচারিণী হয়ে খবর নিও না’, ‘দিওয়ানা দিওয়ানা তোমার প্রেমের দিওয়ানা’, ‘গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া’ ‘দশ মাস দশ দিন ধরে গর্ভে ধারণ’ ‘আসবার কালে আসলাম একা’, ‘দুষ্ট ছেলের দল’, ‘বিজলী চলে যেওনা’, ‘মীরা বাঈ’, ‘পাগলা হাওয়ার তোড়ে’, ‘না জানি কোহি’সহ জনপ্রিয় অনেক গান গেয়ে টাঙ্গাইল মাতালেন নগর বাউল জেমস।
মঙ্গলবার (১৩ মে) রাতে টাঙ্গাইলের শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৫ (বিবিএফসি) উপলক্ষে আয়োজিত ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানে লক্ষাধিক দর্শককে মাতালেন এই রকস্টার।
দর্শক-শ্রোতাদের উল্লাসে নিজেও মেতে উঠেন তিনি। গানে গানে ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠান রঙিন করে তুলেন জেমস। এছাড়াও পারফর্ম করেন টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্যান্ড শিল্পীরা। বিকাল থেকেই শুরু হওয়া কনসার্ট চলে রাত পর্যন্ত।
এর আগে দুপুর থেকে টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলাসহ আশপাশের জেলা থেকে জেমসের ভক্তরা স্টেডিয়ামে উপস্থিত হওয়া শুরু করেন।
আয়োজক কমিটি জানায়, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন করা হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপস্থিত ছিলেন চ্যাম্পিয়নশিপের চেয়ারম্যান কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুসহ বিএনপি ও আয়োজক কমিটির নেতারা।
টাঙ্গাইল শহরের কলেজ পাড়ার মারুফ হাসান বলেন, মঞ্চে জেমস মানেই যেন অন্যরকম উন্মাদনা। দর্শকদের পাগলামো আর হৈ-হুল্লোড়ের সঙ্গে সঙ্গে এই রকস্টারও মেতে উঠেন।
শহরের আকুর-টাকুর পাড়ার বাসিন্দা ষাটোর্ধ আজগর আলী বলেন, ইতোপূর্বে টাঙ্গাইলে এত দর্শক নিয়ে কেউ প্রোগ্রাম করতে পারেনি। মঙ্গলবার শহিদ মারুফ স্টেডিয়াম ও আশপাশের এলাকায় তিলধারণের ঠাঁই ছিল না। সব মিলিয়ে লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতি ছিল।
কলেজছাত্র সুমাইয়া রহমান বলেন, অনুষ্ঠানে আসতে অনেক বেগ পোহাতে হয়েছে। গুরু জেমসের গান শুনে তা পূরণ হয়েছে। জেমস টাঙ্গাইলে এসে এক নতুন ইতিহাস তৈরি করলেন।
চ্যাম্পিয়নশিপের চেয়ারম্যান কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের শিল্পীদের ব্যান্ডিং করার জন্য বিভিন্ন প্রোগ্রাম আমরা হাতে নিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় বিন্দুবাসিনী চ্যাম্পিয়নশিপে আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছি। আমাদের প্রথমেই লক্ষ্য রাখতে হবে- সবার আগে বাংলাদেশ।
তিনি আরও বলেন, ১৭ বছর পরে ফ্যাসিবাদ বিদায় নিয়েছে। তারেক রহমানের নির্দেশে ফ্যাসিবাদ বিদায়ের জন্য সকলে মিলে ভূমিকা পালন করেছে। সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সন্ত্রাস, মাদকমুক্ত ও কিশোর গ্যাংমুক্ত আদর্শিক টাঙ্গাইল গড়ে তুলতে চাই। সবার সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি সফল হয়েছে।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ বলেন, পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন ছিল। দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়েছে।
আরমান কবীরঃ: টাঙ্গাইলের কালিহাতীর এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে একটি প্রসাধনসামগ্রীর শোরুম উদ্বোধনে বাধা পাওয়ায় ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চিত্রনায়িকা পরীমণি। তিনি বলেন,এমন স্বাধীন দেশে নিরাপদ নই কেন আমরা ‘।
শনিবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় পরীমণি তার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে এক পোস্টের মাধ্যমে এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ফেসবুক প্রোফাইলে তিনি লিখেন, ‘এতো চুপ করে থাকা যায় নাকি!!! পরাধীন মনে হচ্ছে। শিল্পীদের এতো বাধা কেন আসবে!? Insecure feel হচ্ছে ! এমন স্বাধীন দেশে নিরাপদ নই কেন আমরা ‘
তিনি আরও লিখেন, ‘মেহজাবীন, পরশী এর আগে এমন হেনস্থার শিকার হয়েছেন! ধর্মের দোহাই দিয়ে কি প্রমাণ করতে চলেছেন তারা!? কি বলার আছে আর ….এ দেশে সিনেমা/ বিনোদন সব বন্ধ করে দেয়া হোক তাহলে !’
সবশেষে পরীমণি লিখেন, ‘তাহলে কি আমরা ধরে নেব, আমরা ইমোশনালি ব্যবহার হয়েছিলাম তখন! নাকি এখন হচ্ছি? কোনটা ??? এই দায়ভার কিন্তু আমাদের সবার নিতে হবে।’
উল্লেখ্য, শনিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে কালিহাতি উপজেলার এলেঙ্গার টিন মার্কেটে “অথেনটিক প্রোডাক্ট হারল্যানে স্টোর” উদ্বোধনের জন্য চিত্রনায়িকা পরীমণির টাঙ্গাইলে আগমনের কথা ছিল।
এই খবর তার ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। তবে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষদের মধ্যে এ নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা। হেফাজতে ইসলামসহ বেশকিছু স্থানীয় সংগঠন পরীমণির আগমন ঠেকানোর জন্য প্রচারণা শুরু করেন। একপর্যায়ে চাপের মুখে শোরুমের মালিক মীর মাসুদ রানা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি স্থগিত করতে বাধ্য হন।
শোরুমের মালিক মীর মাসুদ রানা জানান,“পরীমণি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আসার কথা ছিল, কিন্তু হেফাজতে ইসলাম আন্দোলন শুরু করেছিল। তারা জানান, পরীমণি আসলে সমস্যার হবে। মসজিদে-মসজিদে এই নিয়ে আলোচনা হয়েছে। হেফাজতে ইসলামের এক নেতা ফোন করে বিষয়টি জানায়। পুলিশের পক্ষ থেকে নিষেধ করা হয়। আমি কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা করে তাদের সম্মানে অনুষ্ঠানটি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখার যুব-বিষয়ক সম্পাদক মুফতি সুলাইমান হাবিব তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে শোরুম উদ্বোধনের জন্য পরীমণি আসার কথা ছিল, তবে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষদের মধ্যে ব্যাপক বিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় আমি শোরুমের মালিক মাসুদ ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলে অনুষ্ঠানটি স্থগিত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছি। আমরা তার এই উদ্যোগের জন্য কৃতজ্ঞ।”
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলায় “অথেনটিক প্রোডাক্ট হারল্যানে স্টোর” উদ্বোধনের জন্য চিত্রনায়িকা পরীমণির আগমনের কথা ছিল। এই খবর তার ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। তবেস্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষদের মধ্যে এ নিয়ে শুরু হয় সমালোচনা। হেফাজতে ইসলামসহ বেশকিছু স্থানীয় সংগঠন পরীমণির আগমন ঠেকানোর জন্য প্রচারণা শুরু করেন। একপর্যায়ে চাপের মুখে শোরুমের মালিক মীর মাসুদ রানা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি স্থগিত করতে বাধ্য হন।
শনিবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে কালিহাতি উপজেলার এলেঙ্গার টিন মার্কেটের শোরুমটির উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
স্থানীয়রা জানান, গত ১৫ দিন ধরে শোরুম কর্তৃপক্ষ মাইকিং করে জানাচ্ছিলেন যে, পরীমণি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। তবে গত ২-৩ দিন ধরে হেফাজতে ইসলামসহ স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লীরা পরীমণির আগমন ঠেকাতে নানা কর্মসূচির ঘোষণা দেন এবং আন্দোলনসহ অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। এতে চাপের মুখে শোরুম কর্তৃপক্ষ অনুষ্ঠানটি স্থগিত করেন।
শোরুমের মালিক মীর মাসুদ রানা জানান,“পরীমণি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আসার কথা ছিল, কিন্তু হেফাজতে ইসলাম আন্দোলন শুরু করেছিল। তারা জানান, পরীমণি আসলে সমস্যার হবে। মসজিদে-মসজিদে এই নিয়ে আলোচনা হয়েছে। হেফাজতে ইসলামের এক নেতা ফোন করে বিষয়টি জানায়। পুলিশের পক্ষ থেকে নিষেধ করা হয়। আমি কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা করে তাদের সম্মানে অনুষ্ঠানটি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখার যুব-বিষয়ক সম্পাদক মুফতি সুলাইমান হাবিব তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, “এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে শোরুম উদ্বোধনের জন্য পরীমণি আসার কথা ছিল, তবে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষদের মধ্যে ব্যাপক বিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় আমি শোরুমের মালিক মাসুদ ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলে অনুষ্ঠানটি স্থগিত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছি। আমরা তার এই উদ্যোগের জন্য কৃতজ্ঞ।”
কালিহাতি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঁইয়া বলেন, “হুজুররা কিছু সমস্যার সৃষ্টি করেছিল, পরে কর্তৃপক্ষ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি স্থগিত করেছে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহাদাত হুসেইন বলেন, “স্টোর কর্তৃপক্ষ আমার কাছে অনুমতি নিতে এসেছিল। আমি তাদের কিছু শর্ত দিয়েছিলাম, যেন কোনো ধরনের যানজট বা জনদুর্ভোগ না হয়। তারা রাজি হয়েছিল, তবে অনুষ্ঠানের শেষ অবস্থা সম্পর্কে আমি নিশ্চিত নই। এসিল্যান্ড এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবেন।”
একতার কণ্ঠঃ রাজধানী ঢাকার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে (এফডিসি) দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন পালন করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ১১টায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের আয়োজনে প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় মানববন্ধনে উপস্থিত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিকেরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দাসহ দোষীদের দ্রুত আইনের আওতা এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এসময় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাজী তাজ উদ্দিন রিপন, কার্যকরী কমিটির সদস্য শামীম আল মামুন, মামুনুর রহমান প্রমূখ।
মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন এখন টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি কাওসার আহমেদ, আনন্দ টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি মেহেদী হাসান চৌধুরী, খবরের কাগজের জুয়েল রানা, আজকের বসুন্ধরার রাহিদ রানা, শেয়ার বিজের সোহেল রানা, সাম্প্রতিক দেশকালের নওশাদ রানা সানভীসহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সংবাদকর্মীগণ।
এসময় বক্তারা বলেন, এফডিসির ভিতরে সাংবাদিকদের দাওয়াত দিয়ে নিয়ে যে অপমান করেছে তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা টাঙ্গাইল থেকেই বলতে চাই যে যদি এই হামলার বিচার না হয় সেক্ষেত্রে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। ২২ সাংবাদিকদের উপর হামলাকারী শিবা শানু, জয় চৌধুরী ও আলেকজেন্ডার বো’র কঠিন বিচার করতে হবে। এছাড়াও হামলাকারীদের এফডিসি থেকে বহিস্কার করতে হবে।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত ‘মুজিব একটি জাতির রূপকার’ চলচ্চিত্র টাঙ্গাইলে বিনামূল্যে দেখার সুযোগ পেলো শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এ চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় টাঙ্গাইল কালেক্টরেট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রথমে বিনামূল্যে চলচ্চিত্রটি উপভোগ করেন। এরপর দুপুর দেড়টায় বিবেকানন্দ হাই স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা চলচ্চিত্রটি দেখেন। আগামী ২৯ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং দুপুর দেড়টায় মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ মহাবিদ্যালয়; ৩০ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় টাঙ্গাইল কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং দুপুর দেড়টায় পুলিশ লাইনস আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়; ৩১ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় কুমুদিনী সরকারি কলেজ এবং দুপুর দেড়টায় বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়; ১ নভেম্বর সরকারি শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজ এবং দুপুর দেড়টায় নার্সিং মিডওয়াইফারি কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে চলচ্চিত্রটি দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ওলিউজ্জামান, জেলা কালচারাল অফিসার এরশাদ হাসান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এলেন মল্লিক প্রমুখ।
এ সময় জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থী ছাড়াও জেলা পর্যায়ে সকল সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকদের জন্য বিনামূল্যে ‘মুজিব একটি জাতির রূপকার’ চলচ্চিত্র দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই সিনেমাটি দেখে বঙ্গবন্ধুর জীবন নীতি আর্দশকে দর্শকদের হৃদয়ে লালন করতে পারবো। মুজিব একটি জাতির রূপকার’ সিনেমাটি দেখার জন্য পর্যায়ক্রমে উপজেলাগুলোতে বিনা টিকিটে দেখার জন্য সুযোগ করে দেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে নিজ জন্মভূমিতে জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশোকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। নিশো অভিনীত প্রথম “সুড়ঙ্গ” ছবিটি ভূঞাপুর স্বাধীনতা কমপ্লেক্সে অস্থায়ী হল তৈরি করে সেখানে ভক্তদের দেখার আয়োজন করে স্থানীয় কয়েকজন যুবক।
আয়োজকদের আমন্ত্রণে নিশো তার ছবির পুরো টিম নিয়ে মঙ্গলবার(১১ জুলাই )রাতে আসেন ভূঞাপুরে। এসময় “সুড়ঙ্গ” ছবির নায়িকা তমা মির্জা, পরিচালক রায়হান রাফীসহ টিমের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র মাসুদুল হক মাসুদ। এছাড়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সাহিনুল ইসলাম তরফদার বাদল, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম বাবু, জেলা পরিষদের সদস্য খায়রুজ্জামান তালুকদার বাবলু প্রমুখ।

এরআগে ভূঞাপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সংবর্ধনা ও “সুড়ঙ্গ” ছবি দেখানোর আয়োজন করা হয়। এসময় মাঠ কানায় কানায় পূর্ন হয়ে যায় নিশোর আগমনের খবরে। গেল ঈদের দিন থেকে শুরু হয় আফরান নিশো অভিনীত সিনেমা “সুড়ঙ্গ” অস্থায়ী হলে চালানো হয়।
এসময় অভিনেতা আফরান নিশো বলেন, জন্মভূমির শেকড়টা ভুলতে চাই না কখনো। টাঙ্গাইলে আসলেই আমার ভাষা টাঙ্গাইলের মত হয়ে যায়। এছাড়া আমার কাজের মধ্যেও এই ভাষাটা দেয়ার চেষ্টা করি। “সুড়ঙ্গ” সিনেমাটিতে মাসুদের যে চরিত্রের গেটআপ সেটা অনেকটা আমার বাবার মত। এটা কাউকে বলা হয়নি। আমার বাবাকে মাথায় রেখে তিনি দেখতেও অনেকটা ওইরকম ছিলেন। আমার মা বলেছেন যে তোমাকে দেখতে একদম তোমার বাবার মত লাগতেছে। ভূঞাপুর আমার জন্মস্থান। সব সময় এখানে আসতাম। তবে মাঝে মাঝে গভীররাতে বাবার কথা মনে হলেই গাড়ি চালিয়ে গ্রামে গিয়ে বাবার কবর জিয়ারত করে চলে যাই। তবে কাউকে বলি না।
নিশো আরও বলেন, ভূঞাপুরে দুইটা সিনেমা হল ছিল এক সময়। কিন্তু বর্তমানে একটাও নেই। তারপরও আমার জন্মস্থানে আমার ভক্তরা অস্থায়ী সিনেমা হল বানিয়ে সিনেমা দেখার সুযোগ করে দিয়েছে তার জন্য আমি সারা জীবন কৃতজ্ঞ থাকবো। কোথাও আগে শুনিনি যে এইভাবে অস্থায়ী সিনেমা হল তৈরি করেছে। আমার এলাকাবাসী আমার জন্য করেছে। আজকে বড় পর্দায় কাজ করছি কিন্তু আজকে আমার বাবা জীবিত থাকলে অন্যরকম হতো। সে যে কত খুশি হত।
আফরান নিশো বলেন, আমি ছোট থেকেই আস্তে আস্তে কাজ করতে করতে নিজের যোগ্যতায় একটা জায়গায় এসেছি, এখন অনেকেই চিনে আমার নাম। আমি বিভিন্ন চরিত্রে কাজ করতে পছন্দ করি। ভূঞাপুরে সিনেমা হল নির্মাণে সব্বোর্চ চেষ্টা করা হবে। যেখানে যেখানে যাওয়া দরকার যাবো। সিনেমা হল আমরা বানাইয়া ছাড়বো।
“সুড়ঙ্গ” সিনেমার পরিচালক রায়হান রাফী বলেন, যখন শুনলাম ভূঞাপুরে নিশোর গ্রামের বাড়ি সেখানে কয়েকজন যুবক মিলে হল বানাচ্ছে। এতে আমরা অবাক হয়েছিলাম। সাধারণত এটা হয় না কোথাও। আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাই।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র মাসুদুল হক মাসুদ বলেন, আমি ও ভোলা ভাই যে অভিনেতা আফরান নিশোর বাবা একসাথে রাজনীতি ও মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম। আজকে ভোলা ভাই থাকলে আরো শান্তি পেতেন তার ছেলের সাফল্য দেখে। নিশো তার কর্ম দিয়ে সারা বাংলাদেশের মানুষের হৃদয় জয় করুক।
একতার কণ্ঠঃ পুত্রসন্তানের মা হলেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) দিনগত রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাহিয়া মাহির স্বামী রাকিব সরকার।
রাকিব সরকার বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাহির শারীরিক অবস্থা কিছুটা খারাপ হয়। পরে তাকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক অস্ত্রোপচার (সিজার) করার পরামর্শ দেন। এরপর অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে রাত ১১টা ২০ মিনিটে ফুটফুটে এক পুত্রসন্তানের জন্ম দেন মাহি। মা ও ছেলে দুজনেই সুস্থ আছেন। সবার কাছে দোয়া চাই আমাদের ছেলের জন্য।

গত ১২ সেপ্টেম্বর মাহিয়া মাহি ফেসবুক স্ট্যাটাসে জানান, মা হতে চলেছেন তিনি। মা হওয়ার খবরটি যখন জানান, তখন মাহি দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে গাজীপুরের ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান সরকার রকিবের সঙ্গে ঘর বাঁধেন মাহি। সেই বিয়ের খবর জানিয়ে ছিলেন ফেসবুকে।
একতার কণ্ঠঃ ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম বুবলী। ক্যারিয়ারের শুরুতেই সিনেমায় সঙ্গী হিসেবে পেয়েছেন ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানকে। এর পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি বুবলীকে। তার পর দর্শকদের কয়েকটি সুপারহিট সিনেমা উপহার দেন তিনি।
পর্দায় শাকিব-বুবলীর রসায়নে দর্শকরা মুগ্ধ হয়ে পড়েন। তবে পর্দার রসায়ন থেকে একসময় বাস্তবজীবনেও জুটি বাঁধেন তারা। ২০১৮ সালের ২০ জুলাই চিত্রনায়কের সঙ্গে বিয়ে হয়। এর পর ২০২০ সালের ২১ মার্চ ছেলে শেহজাদ খান বীরের জন্ম হয় বলে জানান বুবলী।
এদিকে গত বছর অক্টোবরে শাকিবের সঙ্গে বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনার পর থেকে তাদের সম্পর্ক নিয়ে শুরু হয় ধোঁয়াশা। তারা এখনো স্বামী-স্ত্রী সম্পর্কে রয়েছেন, না বিচ্ছেদ হয়েছে সেটি এখনো স্পষ্ট নয়। এ নিয়ে শাকিব-বুবলীর কেউ অবশ্য স্পষ্ট কিছু বলেননি।
তবে বাবা হিসেবে চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসের ছেলে আব্রাম খান জয় এবং শবনম বুবলীর ছেলে বীরের সঙ্গে প্রায়ই সময় কাটিয়ে থাকেন শাকিব। কখনো বড় ছেলে, আবার কখনো ছোট ছেলের সঙ্গে সময় কাটানোর সেসব ছবি মাঝে মাঝে সামাজিকমাধ্যমে শেয়ারও করে থাকেন শাকিব-অপু-বুবলী।
এবার বুবলী তার ছেলের সঙ্গে শাকিবের একটি ছবি পোস্ট করেছেন ফেসবুক ভেরিফায়েড পেজে। বৃহস্পতিবার রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে অভিনেত্রীর পোস্ট করা ছবিতে দেখা যায়, শাকিবের কোলে বসে আছেন ছেলে বীর। অভিনেতা মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে তাকিয়ে আছেন, আর ছোট্ট বীরের দৃষ্টি সামনে থাকা ল্যাপটপে।
বুবলী ছবিটি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন, ‘একজন রাজা সবসময়ই একজন রাজা। একজন সুপারস্টার সবসময়ই একজন সুপারস্টার।’
এর পরই এ নায়িকা লেখেন, ‘বাবা ও ছেলের পোশাক যখন মিলে যায়।’ আর প্রতিটি বাক্যের শেষে হার্টের ইমোটিকন জুড়ে দিয়েছেন নায়িকা।
একতার কণ্ঠঃ সব বাধা পেরিয়ে অবশেষে ঢাকায় এলেন বলিউড অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। উইমেন লিডারশিপ করপোরেশনের আমন্ত্রণে ঢাকায় এসেছেন তিনি।
শুক্রবার(১৮ নভেম্বর) দুপুর ১টা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন এ অভিনেত্রী। সন্ধ্যায় অংশ নেবেন উইমেন লিডারশিপ করপোরেশন আয়োজিত গ্লোবাল অ্যাচিভার্স অ্যাওয়ার্ড ২০২২-এ।
ডকুমেন্টারির শুটেও অংশ নেবেন নোরা ফাতেহি। ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) অনুষ্ঠানটি শুরু হবে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়। তবে দর্শকের জন্য গেট ওপেন হবে বিকাল ৪টায়।
অনুষ্ঠানে অংশ নিতে চাইলে অন স্পট রেজিস্ট্রেশন করেও দর্শক অনুষ্ঠানটি উপভোগ করতে পারবেন। এতে অংশ নেবেন বাংলাদেশের সেলিব্রিটিরাও।
ঢাকায় অবস্থানকালে তিনি রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে থাকবেন। নির্ধারিত প্রোগ্রাম শেষ করে শনিবার বিকেলে বাংলাদেশ ছাড়বেন বলিউডের আইটেম গার্ল নোরা ফাতেহি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর শহরের ৬ নং ওয়ার্ডের প্যাড়াডাইস পাড়া সার্বজনীন শারদীয়া দুর্গোৎসব উদযাপনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১২ আগস্ট) সন্ধায় প্যাড়াডাইস পাড়া খালপাড় রোডস্থ শ্রীশ্রী দুর্গা মন্দিরে এই সাধারণ সভার আয়োজন করা হয়।
প্যাড়াডাইস পাড়া সার্বজনীন পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাবু ভ্রমর চন্দ্র ঘোষ ঝোটনের সভাপতিত্বে সভায় বিগত বছরের পূজার আয়-ব্যায়ের হিসাব উপস্থাপন করেন সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ গৌড়(গৌতম) ও
অভিষেক সাহা( জয়)।
সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এ বছর প্যারাডাইস পাড়ার দুর্গা পূজার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশসেরা শিল্পী দিয়ে বড় পরিসরে প্রতিমা নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া একই সাথে আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোকসজ্জা,আতোশ বাজীসহ বিভিন্ন জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
সভায় প্যাড়াডাইস পাড়া শ্রীশ্রী দুর্গা মন্দির কমিটির সভাপতি ড. পিনাকী দে, স্বপন সাহা, সুবোধ পাল, জে সাহা জয়,উত্তম কুমার গৌড়, অনন্ত রায়, কেশব রায়, উৎপল পাল, পিন্টু সাহা, কৌশিক সাহা শঙ্কু বাদল বাগচী, প্রদীপ শংকর পাল সহ এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর সারা দেশে পঞ্চমী পূজার মধ্যদিয়ে শারদীয়া দুর্গোৎসব শুরু হবে। ৫ অক্টোবর দশমী পূজার মধ্যদিয়ে শেষ হবে এ বছরের শারদীয়া দুর্গোৎসব।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) নাটকের শ্যুটিং করতে এসে বখাটেদের হামলার শিকার হয়েছেন এক্সিকিউটিভ প্রযোজক সৌরভ ইশতিয়াক।
অভিনেতা মুশফিক ফারহান ও অভিনেত্রী তানজিন তিশা অভিনীত নাটকের শ্যুটিং ১১ জুন থেকে ১৩ জুন মাভাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল, একাডেমিক ভবন, ক্যাফেটেরিয়া, মুক্তমঞ্চসহ বিভিন্ন পয়েন্টে শ্যুটিং হয়। তবে শ্যুটিংয়ের শেষ মুহূর্তে বহিরাগত কিছু বখাটেদের সাথে বাগবিতণ্ডার জেরে আক্রমণ ও মারধরের শিকার হন সৌরভ।
এ বিষয়ে প্রডিউসার সৌরভ মুঠোফোনে জানান, ১০/১২ জন যুবককে শ্যুটিং স্থান থেকে সরে যেতে বললে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে খারাপ ব্যবহার করে।
একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভারতীয় জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী এ আর রহমানের ‘বারসো রে মেগা মেগা’ হিন্দি গানে নেচে ভাইরাল হলেন এ বিশ্ববিদ্যালয়েরই ৬ ছাত্রী।
নাচের ভিডিওটি রোকসানা রহমান রিমি নামের ফেসবুক আইডি থেকে সম্প্রতি ভাইরাল হয়।
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গঠিত ড্যান্স ক্লাব নৃত্যধারার সদস্যদের আয়োজন ও অংশগ্রহণে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন লোকেশনে ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছে।
লেখাপড়ার পাশাপাশি নাচের এমন চর্চা নিয়ে জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গণে বেশ প্রশংসা কুড়াচ্ছেন ওই শিক্ষার্থীরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নৃত্যধারার ড্যান্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা রোকসানা রহমান রিমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্রী। তিনি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আব্দুর রহমানের মেয়ে।
ওই নাচে অংশ নেওয়া অন্যান্যরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্রী শাহনাজ সুলতানা রুবি, ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ছাত্রী মাইমুনা জীবন একান্ত, পরিসংখ্যান দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ছাত্রী শাওলী ইসরাত, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ছাত্রী ইসরাত ফারজানা অপু, গণিত বিভাগের প্রথম বর্ষ ও প্রথম সেমিস্টারের ছাত্রী সুমাইয়া খান
রোববার (১২ জুন) সন্ধ্যায় এ বিষয়ে নৃত্যধারা ড্যান্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী রোকসানা রহমান রিমি জানান ছোট বেলা থেকেই নাচ তার ফ্যাশন ছিল। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন ড্যান্স ক্লাব ছিল না। এ কারণে তিনি উদ্যোগ নিয়ে ২০১৯ সালে ১৫ জানুয়ারি নৃত্যধারা ড্যান্স ক্লাবটি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে ক্লাবের সদস্য সংখ্যা ৫৪জন।
তিনি বলেন, তিনি বেশ কয়েকটি ন্যাশনাল ড্যান্স কমপিটিশনে অংশগ্রহণ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পরিচিতি বৃদ্ধির লক্ষে তারা ভারতীয় জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী এ আর রহমানের ‘বর্ষারে ভিগা ভিগা’ হিন্দি গানে নেচে প্রচার করেছেন। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চার বিষয়টিও প্রকাশ পাবে।