সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলে উৎসবমুখর পরিবেশে শহীদ রফিকুল ইসলাম ফারুক চেয়ারম্যান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের বাসাখানপুর মিনি স্টেডিয়ামে ফারুক চেয়ারম্যান স্মৃতি সংসদ ও বাসাখানপুর স্পোর্টিং ক্লাবের আয়োজনে এই ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
ফাইনালে যমুনা এক্সপ্রেস ফুটবল ক্লাব এবং আইয়ান বার্থা ফুটবল ক্লাব মুখোমুখি হয়।
খেলায় দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে আইয়ান বার্থা ফুটবল ক্লাব ৩–০ গোলের ব্যবধানে যমুনা এক্সপ্রেস ফুটবল ক্লাবকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।
অনুষ্ঠানে দাইন্যা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. লাভু মিয়া লাভুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি—এই সদর উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামের নাম যেন শহীদ ফারুক স্টেডিয়াম করা হয়। আগামীদিনে জনগণের ভোটে বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে স্টেডিয়ামটির নাম শহীদ ফারুক স্টেডিয়াম করা হবে। এখানে যেকোনো খেলার আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা আমরা করব। বিশেষ করে মা–বোনেরা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে খেলা উপভোগ করতে পারেন, এজন্য অতিরিক্ত আরও একটি গ্যালারি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, একসময় টাঙ্গাইলকে ক্রীড়া নগরী বলা হতো। এখানকার ৮ থেকে ৯ জন ফুটবলার নিয়মিত ঢাকার মাঠে খেলতেন। আগামীদিনে আমরা মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত ও কিশোর গ্যাং–মুক্ত একটি নিরাপদ টাঙ্গাইল গড়ে তুলতে চাই। এ লক্ষ্য পূরণে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলী,
জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, সদর থানা বিএনপি’র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আজিম উদ্দিন বিপ্লব, জেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মনিরুজ্জামান জুয়েল, জেলা মহিলাদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মমতাজ করিম প্রমুখ।
ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে মাঠে কয়েক হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে পুরো এলাকায় এক উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। খেলা শেষে বিজয়ী ও বিজীত দলের মধ্যে ট্রফি ও ব্যক্তিগত পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
আরমান কবীরঃ খেলাধুলার মাধ্যমে মাদকসহ সমাজের অশুভ কাজ থেকে বেড়িয়ে আসা সম্ভব বলে মনে করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
শনিবার (৯ আগস্ট) সকালে নাটোর শহরের কানাইখালী মিনি স্টেডিয়ামসহ দেশের ১৪টি মিনি স্টেডিয়াম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
নবনির্মিত স্টেডিয়ামগুলোর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে ক্রীড়া উপদেস্টা বলেন, মাঠগুলোতে ক্রীড়াবিদরা যেনো নিয়মিত খেলাধুলা করতে পারেন। উপজেলা পর্যায়ে মাঠগুলো ব্যবহার হলে জাতীয় ও আর্ন্তজাতিক মানের খেলোয়ার পাওয়া সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, উপজেলা পর্যায়ে যেসব মাঠ নির্মাণাধীন রয়েছে, সেগুলোর নির্মাণ কাজ দ্রুত শেষ হবে। পাশাপাশি দেশের যেসব উপজেলায় স্টেডিয়াম নেই, সেই উপজেলা গুলোতে স্টেডিয়াম তৈরী করা হবে।
জুমের মাধ্যমে টাঙ্গাইল সদর প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আব্দুল্যাহ আল মামুন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাহিদা আক্তার , সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মকবুল হোসেন।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ, দাইন্যা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আবু সাঈদসহ উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তর প্রধানগণ, এলাকার বিভিন্ন গণ্যমান্য এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে উদীয়মান ক্রিকেটারদের পাওয়ার হিটিং দক্ষতা বৃদ্ধিতে গলফ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৬ জুলাই) সকালে টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে অর্ধদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার
এ্যাডহক কমিটির অন্যতম সদস্য ক্রিকেট বিশ্লেষক সৈয়দ আবিদ হোসেন সামি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম, এ্যাডহক কমিটির সদস্য ও সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার সাজ্জাদ কাদির, ক্রিকেট কোচ ইসলাম খান, মহিলা ফুটবল কোচ কামরুন্নাহার খান মুন্নী, আব্দুল্লাহ আল মামুন ও জেলা সমন্বয়ক রাসেল খান প্রমূখ।
এই অর্ধদিনব্যাপী প্রশিক্ষণে জেলার প্রায় ৫০জন উদীয়মান ক্রিকেটার অংশগ্রহণ করেন।
পরে স্কাইবাই এর পক্ষ থেকে টাঙ্গাইলের উদীয়মান ক্রিকেটারদের জন্য জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে ৫০টি ক্রিকেট বল উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়।
আরমান কবীরঃ বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেট মর্যাদা প্রাপ্তির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইলে দিনব্যাপী অনূর্ধ্ব-১২ বয়সী ক্রিকেটারদের নিয়ে সিক্স এ সাইড ক্রিকেট ম্যাচ, ক্যাসিং ও উইকেট থ্রো প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২০০০ সালের ২৬ জুন আইসিসির দশম সদস্য হিসেবে টেস্ট মর্যাদা লাভ করে বাংলাদেশ। ২৫ বছরে পা রাখার এই মাহেন্দ্রক্ষণ স্মরণীয় করে রাখতে অনূর্ধ্ব-১২ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ও ক্রিকেট কার্নিভালসহ নানা আয়োজনে দিনব্যাপী মুখর ছিল টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়াম।
রবিবার (২৯ জুন) সকালে জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সার্বিক সহযোগিতায় টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে এই উৎসবের উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আব্দুল্যাহ আল মামুন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম, টাঙ্গাইল ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ, জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য আব্বাস উদ্দিন, ক্রিকেট কোচ ইসলাম খান, মহিলা ফুটবল কোচ কামরুন্নাহার মুন্নী, সিনিয়র ক্রিকেটার শাহানুর ইসলাম খান, আব্দুল্লাহ আল মামুন, অধ্যাপক ও ধারাভাষ্যকার অনীক রহমান বুলবুল, সাবেক ক্রিকেটার কৌশিক চন্দ টোকন প্রমুখ।
এই উৎসবকে ঘিরে রবিবার সকাল থেকে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে ভিড় করেন শতাধিক ক্ষুদে ক্রিকেটার, ক্রিকেট কর্মকর্তা, কোচসহ সাবেক ক্রিকেটারগণ। এছাড়া এই উৎসবে অনেক অভিভাবকও অংশ নেয়। পরে সকলের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে এসে শেষ হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আব্দুল্যাহ আল মামুন বলেন, তরুণ প্রজম্মের মধ্যে টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে বিসিবি কাজ করে যাচ্ছে। সেই কাজের প্রথম ধাপে অনূর্ধ্ব-১২ বছর বয়সী ক্রিকেটারদের নিয়ে সিক্স এ সাইড ক্রিকেট ম্যাচ, ক্যাসিং ও উইকেট থ্রো প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০০০ সালের ২৬ জুন আইসিসির দশম সদস্য হিসেবে টেস্ট মর্যাদা লাভ করে বাংলাদেশ। ২৫ বছরে পা রাখার এই মাহেন্দ্রক্ষণ স্মরণীয় করে রাখতে অনূর্ধ্ব-১২ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ও ক্রিকেট কার্নিভালসহ নানা আয়োজনে দিনব্যাপী মুখর ছিল টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়াম।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান প্রয়াত সামসুল হকের স্মরণে শামসুল হক স্মৃতি মিনি ফ্লাট লাইট ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শুক্রবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে শামছুল হক স্মৃতি সংসদের আয়োজনে ও জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের (ডিএফএ) সার্বিক সহযোগিতায় টুর্নামেন্টির প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন, জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল ডিএফএ এর সভাপতি এডভোকেট আলী ইমাম তপন, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলি, জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মমতাজ করিম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন টাঙ্গাইল জেলা কমিটির আহ্বায়ক আল-আমিন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, শামসুল হক স্মৃতি মিনি ফ্লাট লাইট ফুটবল টুর্নামেন্টের আহবায়ক ও জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু।
এই উদ্বোধনী খেলায় অংশগ্রহণ করেন, সুপ্রভাত রাইডার্স বনাম হেলিপ্যাড লায়ন’স ও ভাসানী ক্লাব বনাম টাইগার সুলতানা স্পোর্টিং ক্লাব।
এই টুর্নামেন্টে চারটি গ্রুপে মোট ১৭টি দল অংশগ্রহণ করছে। আগামী ৮ জুলাই টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।
এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী দলগুলো হচ্ছে, গ্রুপ-ক : শতায়ু অঙ্গন ক্লাব, সোনালী সকাল ক্রীড়া সংঘ, আরামবাগ ক্লাব, শুভ সকাল ক্লাব।
গ্রুপ-খ : সুপ্রভাত রাইডার্স, হেলিপ্যাড লায়ন্স, হেলিপ্যাড টাইগার’স, ফতেপুর পল্লীমা সংস্কৃতিক সংসদ।
গ্রুপ-গ: দেহঘড়ি শরীর চর্চা ক্লাব, নুরা পরিবার ক্লাব, সু-প্রভাত জুনিয়র, পার্ক বাজার সমবায় সমিতি লিমিটেড।
গ্রুপ-ঘ : ভাসানী ক্লাব, টাইগার সুলতানা স্পোর্টিং ক্লাব, সৈয়দ জালাল ক্লাব, সুপ্রভাত কিংস, অফিসার্স ক্লাব টাঙ্গাইল।
উল্লেখ্য, মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর জামাতা শামসুল হক টাঙ্গাইল পৌরসভার দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ১৯৮৪ থেকে ১৯৯০ সাল ও ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত টাঙ্গাইল পৌরসভার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০৮ সালের ৫ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। মরহুম সামসুল হক টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুর পিতা।
আরমান কবীর: টাঙ্গাইলে জমকালো আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বিবেকানন্দ হাই স্কুল এন্ড কলেজের (ভিএফসি) ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (১১ জুন) রাতে টাঙ্গাইল শহরের প্রাণকেন্দ্র শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ভিএফসির চেয়ারম্যান ও বিএনপি’র কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, যুবদলের আহবায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, সিনিয়র- যুগ্ম আহবায়ক জাহিদ হাসান মালা।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই এই ফুটবল টুর্নামেন্ট অংশগ্রহণকারী সকল দলের জার্সি উন্মোচন করা হয়। একই সাথে টুর্নামেন্টের ট্রফি উন্মোচন করেন অতিথিবৃন্দ।
পরে বিবেকানন্দ স্কুলের শিক্ষার্থী, টাঙ্গাইল ক্লাব রোড ব্যান্ড ও জনপ্রিয় ব্যান্ড দল ‘ওয়ারফেজ’ সঙ্গীত পরিবেশন করে।
এই জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি বিদ্যালয়টির সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে পৌর উদ্যানকে মুখরিত করে তোলে।
আরমান কবীরঃ ‘কবিতা, তুমি স্বপ্নচারিণী হয়ে খবর নিও না’, ‘দিওয়ানা দিওয়ানা তোমার প্রেমের দিওয়ানা’, ‘গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া’ ‘দশ মাস দশ দিন ধরে গর্ভে ধারণ’ ‘আসবার কালে আসলাম একা’, ‘দুষ্ট ছেলের দল’, ‘বিজলী চলে যেওনা’, ‘মীরা বাঈ’, ‘পাগলা হাওয়ার তোড়ে’, ‘না জানি কোহি’সহ জনপ্রিয় অনেক গান গেয়ে টাঙ্গাইল মাতালেন নগর বাউল জেমস।
মঙ্গলবার (১৩ মে) রাতে টাঙ্গাইলের শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৫ (বিবিএফসি) উপলক্ষে আয়োজিত ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠানে লক্ষাধিক দর্শককে মাতালেন এই রকস্টার।
দর্শক-শ্রোতাদের উল্লাসে নিজেও মেতে উঠেন তিনি। গানে গানে ট্রফি উন্মোচন অনুষ্ঠান রঙিন করে তুলেন জেমস। এছাড়াও পারফর্ম করেন টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্যান্ড শিল্পীরা। বিকাল থেকেই শুরু হওয়া কনসার্ট চলে রাত পর্যন্ত।
এর আগে দুপুর থেকে টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলাসহ আশপাশের জেলা থেকে জেমসের ভক্তরা স্টেডিয়ামে উপস্থিত হওয়া শুরু করেন।
আয়োজক কমিটি জানায়, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন করা হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপস্থিত ছিলেন চ্যাম্পিয়নশিপের চেয়ারম্যান কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুসহ বিএনপি ও আয়োজক কমিটির নেতারা।
টাঙ্গাইল শহরের কলেজ পাড়ার মারুফ হাসান বলেন, মঞ্চে জেমস মানেই যেন অন্যরকম উন্মাদনা। দর্শকদের পাগলামো আর হৈ-হুল্লোড়ের সঙ্গে সঙ্গে এই রকস্টারও মেতে উঠেন।
শহরের আকুর-টাকুর পাড়ার বাসিন্দা ষাটোর্ধ আজগর আলী বলেন, ইতোপূর্বে টাঙ্গাইলে এত দর্শক নিয়ে কেউ প্রোগ্রাম করতে পারেনি। মঙ্গলবার শহিদ মারুফ স্টেডিয়াম ও আশপাশের এলাকায় তিলধারণের ঠাঁই ছিল না। সব মিলিয়ে লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতি ছিল।
কলেজছাত্র সুমাইয়া রহমান বলেন, অনুষ্ঠানে আসতে অনেক বেগ পোহাতে হয়েছে। গুরু জেমসের গান শুনে তা পূরণ হয়েছে। জেমস টাঙ্গাইলে এসে এক নতুন ইতিহাস তৈরি করলেন।
চ্যাম্পিয়নশিপের চেয়ারম্যান কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের শিল্পীদের ব্যান্ডিং করার জন্য বিভিন্ন প্রোগ্রাম আমরা হাতে নিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় বিন্দুবাসিনী চ্যাম্পিয়নশিপে আমরা সর্বোচ্চ সহযোগিতা করেছি। আমাদের প্রথমেই লক্ষ্য রাখতে হবে- সবার আগে বাংলাদেশ।
তিনি আরও বলেন, ১৭ বছর পরে ফ্যাসিবাদ বিদায় নিয়েছে। তারেক রহমানের নির্দেশে ফ্যাসিবাদ বিদায়ের জন্য সকলে মিলে ভূমিকা পালন করেছে। সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সন্ত্রাস, মাদকমুক্ত ও কিশোর গ্যাংমুক্ত আদর্শিক টাঙ্গাইল গড়ে তুলতে চাই। সবার সহযোগিতায় অনুষ্ঠানটি সফল হয়েছে।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ বলেন, পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন ছিল। দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়েছে।
আরমান কবীর: টাঙ্গাইলে দ্রুত বিচার আইনে দায়ের করা হয়রানি ও ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সাবেক খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংগঠকদের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩ মে ) সকাল ১১টায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, বাসাইল উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক ফুটবলার শামীম আল মামুন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২৪ এপ্রিল খোকন আহমেদ নামের এক ব্যক্তি বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এই মামলায় আমাকে ২০নং আসামি করা হয়েছে। এছাড়া সাবেক খেলোয়াড় ও সংগঠক মো: উজ্জল মিয়া, ইসলাম খান ও এনামুল হক রৌফকে এই মামলায় আসামি করা হয়েছে। মামলায় উল্লেখিত আমরা ৪ জন টাঙ্গাইল জেলা দলের হয়ে ক্রিকেট ও ফুটবল খেলেছি। আমরা কেউ রাজনীতির সাথে জড়িত নই। আমি ও আমার স্ত্রীসহ গত বছরের জুলাই মাসের ২০ তারিখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাইয়ের উদ্দেশ্যে হযরত শাহ্জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বহির্গমন করি এবং একই মাসের ২৭ তারিখে চিকিৎসা শেষে পুনরায় দেশে ফিরে আছি। যার প্রমাণ আমার পাসপোর্টের ভিসা, ইমিগ্রেশনে বহির্গমন, অন্তগমন সিল।
আর মামলার নথিতে ঘটনার বিবরণীতে বলা হয়েছে, অপরাধ সংগঠিত হয়েছে গত বছরের জুলাই মাসের ২০ তারিখ সকাল ১০ টা ৩০ মিনিট থেকে ১১টার মধ্যে। যেখানে আমি দেশেই উপস্থিত ছিলাম না, আমি কিভাবে এই অপরাধ সংগঠিত করি। একই অবস্থা মামলার ১১০নং আসমি মো: উজ্জল মিয়ার। তিনিও উন্নত চিকিৎসার জন্য উল্লেখিত সময় চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। যার প্রমাণ আমরা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করেছি।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, মামলার ১৮নং আসামি সাবেক ক্রিকেটার ও ক্রিক্রেট কোচ ইসলাম খান বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে সক্রিয় ছিলেন। তিনি ও তার ক্রিকেট একাডেমির ছাত্ররা আন্দোলনের প্রতিটি মিছিল মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেছে। যার প্রমাণ স্বরূপ আন্দোলনে অংশগ্রহণের ছবি আপনাদেরকে দেখানো হয়েছে। মামলার ৮৮নং আসামি টাঙ্গাইলের সাবেক কৃতি ফুটবলার এনামুল হক রৌফ তার দু’বছর আগে ওপেন হার্ট সার্জারি হয়েছে। তিনি ঘটনার দিন অসুস্থ অবস্থায় বাড়িতে ছিলেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শামীম আল মামুন জানান, টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আলী ইমাম তপন ও বিসিবি নিয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ মো. আরাফাত রহমান এই মিথ্যা মামলার মূল কারিগর। তারা জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে বর্তমানে কুক্ষিগত করে রেখেছে। তাদের হাত থেকে জেলা ক্রীড়া সংস্থাকে সকলের জন্য উন্মুক্ত করার চেষ্টা করায় আমাদের এই ৪ জন সাবেক খেলোয়াড় ও সংগঠককে মিথ্যা ও হয়রানি মূলক এই মামলায় জড়ানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে দ্রুত বিচার আইনে দায়ের করা এই মিথ্যা, হয়রানি ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দ্রুত প্রত্যাহারের দাবী জানানো হয়। অন্যথায় এর বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল জেলার বর্তমান ও সাবেক খেলোয়ারদের নিয়ে একটি দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি জানানো হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, ইসলাম খান, মো. হামিদুর রহমান, মেহেদী ভূঁইয়া, নজরুল ইসলাম, এনামুল হক, রাশেদুল আলম মনি, মো. উজ্জ্বল মিয়া প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলাম।
এর পূর্বে সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে একই দাবিতে ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার প্রায় ২ শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করে।
আরমান কবীর/সাহান হাসানঃ আগামী ৩১মে (শনিবার) টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে বিন্দুবাসিনী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ-২৫ (বিবিএফসি) এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গান গেয়ে দর্শকদের মাতাবেন নগর বাউল ব্র্যান্ডের রক তারকা জেমস।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে টুর্নামেন্ট উপলক্ষে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এই তথ্য জানান, বিন্দুবাসিনী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৫ এর চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সভাপতিত্বে মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক মিয়া।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান খান, জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি এডভোকেট আলী ইমাম তপন, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদ হক সানু, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন দুরন্ত-১৬ ব্যাচের অসিফ তুষার।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, ২০১৬ সালে বিন্দুবাসিনীর ২০০৮ সালের এসএসসি ব্যাচের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো এই বিন্দুবাসিনী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন শুরু করা হয়। এ বছর এই চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজক হচ্ছে দুরন্ত-১৬ (এসএসসি ব্যাচ-২০১৬)। এবারের আসরে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাচের মোট ২৫টি দল অংশগ্রহণ করবে।
লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, আগামী ৩১মে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্য দিয়ে বিবিএফসি-২০২৫ এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে । ঈদুল আজহার পরবর্তী তিনদিনব্যাপী এই টুর্নামেন্ট চলবে। টুর্নামেন্টের সমাপ্তি হবে চূড়ান্ত পর্ব ও জমকলো সমাপ্তি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।
মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বিপুল সংখ্যক গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সর্ব বৃহৎ পাইকারী বাজার পার্ক বাজারের ব্যবসায়ীদের সংগঠন মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান চাঁদ বাজার(পার্ক বাজার) দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির উদ্যোগে এক জাঁকজমক প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছে।
শনিবার(২৮ ডিসেম্বর) বিকালে টাঙ্গাইল আউটার স্টেডিয়ামে এই ফুটবল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।

মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান চাঁদ বাজার(পার্ক বাজার) দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মো. বাবলু মিয়ার সভাপতিত্বে ও আমির হামজা রুবেলের সঞ্চলনায় প্রীতি ফুটবল ম্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. আজগর আলী।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা সমবায় অফিসার ওয়াজেদ আলী, বিআরডিপির চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম বাদল, পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মালেক সরকার, দৈনিক মজলুমের কন্ঠ পত্রিকার সহ-সম্পাদক এস এম আওয়াল মিয়া, জেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নুরুল ইসলাম, জেলা জাসাসের যুগ্ম আহবায়ক মাহবুবুর রহমান সুমন, পৌর মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ফিরোজ বেপারী, আলহাজ্ব এছাক আলী, মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান চাঁদ বাজার (পার্ক বাজার) দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক জয় সাহা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. শাহাজাদা হোসেন, ব্যবসায়ী ফিরোজুর রহমান ফিরোজ, মো. হাবিবুর রহমান হাবু, আবুল কালাম আজাদ, আব্দুল আলীম, আজিবর রহমান, ও মো. রকিসহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।
এরআগে কবুতর ও বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন ও পার্ক বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. বাবুল মিয়া।
পরে পার্ক বাজারে কর্মরত ব্যবসায়ীরা লাল ও নীল দলে বিভক্ত হয়ে একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচে অংশ গ্রহন করে। খেলায় সবুজ দল ৪-১ গোলে লাল দলকে হারিয়েছে।
এ সময় বিপুল সংখ্যক দর্শক প্রীতি ফুটবল ম্যাচটি উপভোগ করেন।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের গেইম ডেভেলপমেন্ট কমিটির আয়োজনে ও টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় ইয়ং টাইগার্স অনূর্ধ্ব-১৮ জাতীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৪-২৫ সিজনে ঢাকা বিভাগ উত্তরের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৮ দল।
মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) টাঙ্গাইল শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে টুর্নামেন্টের ফাইনালে টাঙ্গাইল জেলা অনুর্ধ্ব-১৮ ক্রিকেট দল ১১ রানের ব্যবধানে কিশোরগঞ্জ জেলা অনুর্ধ্ব-১৮ ক্রিকেট দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই খেলায় ম্যান অব দ্যা ফাইনাল হবার গৌরব অর্জন করে টাঙ্গাইল জেলা দলের বোলার মুনতাসির রহমান।
সকালে টস জয়ী টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট দল প্রথমে ব্যাটিং করে ২৯ ওভারে ১০ উইকেট হারিয়ে ১৩৩ রান করে। দলের পক্ষে সামিউল আলম ৫০ বলে সর্বোচ্চ ৩৬ রান করে। এছাড়া আবিদ হোসেন ২২ রান করে।
বোলিংয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা ক্রিকেট দলের রোমান ও বাদশা যথাক্রমে ১৮ ও ২৫ রান দিয়ে ৩টি করে উইকেট লাভ করে।
জবাবে কিশোরগঞ্জ জেলা ক্রিকেট দল- ৪১ওভার ২ বলে ১০ উইকেটে ১২২ রান করে অলআউট হয়। ফলে টাঙ্গাইল জেলা ১১ রানে জয়লাভ করে। কিশোরগঞ্জ জেলা দলের পক্ষে তামিম ভূঁইয়া সাকিব ৭৬ বলে সর্বোচ্চ ৩৫ রান করে। এছাড়া ইমরান মিয়া ও বাদশা দু’জনেই ২১ করে রান করে।
বিজয়ী টাঙ্গাইল জেলা দলের মুনতাসির রহমান ১০ ওভার বল করে ৩৪ রানে বিনিময়ে ৩টি উইকেট দখল করে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয়।
খেলায় আম্পায়ার ছিলেন বজলুর রহমান ও আসিফুর রহমান।সাথে স্কোরার ছিলেন ভ্রমর চন্দ্র ঘোষ ঝোটন।
খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,টাঙ্গাইলের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ শিহাব রায়হান।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) জিয়াউল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ফাহিম শাহরিয়া, জেলা ক্রীড়া অফিসার আফাজ উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ জেলা ক্রীড়া অফিসার মাছুদ রানা।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করে,টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ আরাফাত রহমান। ।
উল্লেখ্য,টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার দুই ভেন্যুতে ২টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে ৮টি জেলা অংশগ্রহন করেছিলো। টাঙ্গাইল ভেন্যুতে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অনুর্ধ্ব-১৮ জাতীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (১ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সার্বিক সহযোগীতায় অনুর্ধ্ব-১৮ জাতীয় ক্রীকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জিয়াউল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাহিদা আক্তার।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা বিভাগীয় সহকারী ক্রিকেট কোচ (ঢাকা উওর) ও টুর্নামেন্টের সিলেক্টর মো. আরাফাত রহমান, টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেটার কল্যান সমিতির সভাপতি আবু নাসের মানিক, টাঙ্গাইল জেলা অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের ম্যানেজার শাহ আজিজ তালুকদার বাপ্পি প্রমূখ। এসময় জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চাণা করেন টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. আফাজ উদ্দিন।
উল্লেখ্য, উদ্বোধনী খেলায় কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহ জেলা অংশগ্রহন করেন। এই টুর্নামেন্টে ৫ টি জেলা অংশগ্রহন করবে। জেলা গুলো হলো, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ , নেত্রকোনা, গাজীপুর ও নরসিংদী জেলা দল।