/ মূলপাতা / খেলাধুলা
সরকারি সা’দত কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

সরকারি সা’দত কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ দীর্ঘদিন পর টাঙ্গাইলের করটিয়া সরকারি সা’দত কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে করটিয়া সরকারি সা’দত কলেজ প্রাঙ্গণে ওই কলেজের উদ্যোগে এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন।

করটিয়া সরকারি সা’দত কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সুব্রত নন্দীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সরকারি সা’দত কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর সুলতান আহম্মেদ, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আহবায়ক প্রফেসর শফিকুল ইসলাম ভূঁইঞা প্রমুখ।

এসময় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পরিচালনা করেন পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সাব্বির হাসান পল, অধ্যাপক ইমরুল কায়েস, ক্রীড়া শিক্ষক আব্দুস সাত্তার।

সা’দত কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সুব্রত নন্দীর প্রচেষ্টায় দীর্ঘদিন পর সরকারি সা’দত কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হওয়াতে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দরা আনন্দিত।

১৮টি ইভেন্টে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরে অতিথিরা বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:৪৮:এএম ৪ মাস আগে
মার্শাল আর্টে স্বর্ণপদক জয়ী টাঙ্গাইলের হাফিজুরকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান - Ekotar Kantho

মার্শাল আর্টে স্বর্ণপদক জয়ী টাঙ্গাইলের হাফিজুরকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান

একতার কণ্ঠঃ মিক্সড মার্শাল আর্ট প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জয়ী টাঙ্গাইলের মো. হাফিজুর রহমানকে আর্থিক সহযোগিতা করলেন জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম।

রবিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নিজ কার্যালয়ে বিজয়ীর হাতে উপহারটি তুলে দেন জেলা প্রশাসক।

স্বর্ণপদক জয়ী মো. হাফিজুর রহমান টাঙ্গাইলের ধনবাড়ি উপজেলার পানকাতরা গ্রামের মো. আমির আলীর ছেলে। সে ধনবাড়ি সরকারি কলেজের এইচ.এস.সি (মানবিক বিভাগ) এর দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

সম্প্রতি হাফিজুর ঢাকার মিরপুর স্টেডিয়ামে রয়েল বেঙ্গল ফাইটিং চ্যাম্পিয়শীপ প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জয় এবং শেখ কামাল স্মৃতি মার্শাল আর্ট প্রতিযোগিতা ও হাবিব’স এম এম এ একাডেমি ক্লাব ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশীপ প্রতিযোগিতায় মিক্সড মার্শাল আর্টে স্বর্ণপদক জয় করেন। ঢাকায় উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম হাফিজুরকে এই আর্থিক সহযোগিতা দিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০১:১৮:এএম ৪ মাস আগে
কালিহাতীতে ক্রিকেট টূর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

কালিহাতীতে ক্রিকেট টূর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে চক খিলদা ক্রিকেট টূর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। চক খিলদা নবজাগরণ ক্রীড়াঙ্গন ক্লাবের আয়োজনে বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্থানীয় বিলবরনী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

খেলায় ফুলতলা ক্রিকেট একাদশকে ৫ উইকেটে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছে পালিমার নাবিল ক্রিকেট একাদশ । খেলাটি উদ্বোধন করেন বাংড়া ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফি।

খিলদা নবজাগরণ ক্লাবের সভাপতি আরশেদ মন্ডলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন মোল্লা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মোতালেব হোসেন, সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, দপ্তর সম্পাদক সাকের আহমেদ প্রমূখ।

খেলাটি পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন হাফেজ মো. আসাদুজ্জামান আসাদ।

ফাইনাল খেলায় বিপুল সংখ্যক দর্শক উপস্থিতি ছিলো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:১৮:এএম ৪ মাস আগে
টাঙ্গাইলে সংকুচিত হয়ে আসছে খেলার মাঠ, শিশু-কিশোররা ঝুঁকছে অনৈতিক কাজে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সংকুচিত হয়ে আসছে খেলার মাঠ, শিশু-কিশোররা ঝুঁকছে অনৈতিক কাজে

একতার কণ্ঠঃ ১৩৬ বছরের প্রাচীন ২৯.৪৩ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডে ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে খেলার মাঠ। বিগত ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যেই পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে হারিয়ে গেছে ১৬টি খেলার মাঠ। আরও বেশ কয়েকটি খেলার মাঠ হারাতে বসেছে। বর্তমানে বিভিন্ন ওয়ার্ডের শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য সচেতন পৌর বাসিন্দাদের খেলাধুলা ও শরীর চর্চা করার মাঠগুলোতে গড়ে উঠেছে বড় বড় আকাশচুম্বী অট্টালিকা। কোন কোন মাঠে কাঁচা বাজার বসানো হয়েছে। আবার অনেক মাঠের জায়গার মালিকেরা প্লট আকারে বিক্রি করে দিয়েছেন তাঁদের ব্যক্তিগত জায়গা।

আবার কোন মাঠে বছর জুড়ে বানিজ্য মেলাসহ রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানেই ব্যস্ত থাকে। যে কারণে উঠতি বয়সী ছেলে মেয়েরা খেলাধুলার সুযোগ পাচ্ছে না। এতে অভিভাবকরা যেমন আতঙ্কিত তেমনি সুশীল সমাজের নাগরিকেরাও শংকিত। আর এসবের জন্য বিশেষজ্ঞরা দায়ী করছেন বর্তমান সমাজ ব্যবস্থাকে।

এছাড়া পৌর শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে যে কয়টি খেলার মাঠ এখনো রয়েছে সেগুলোও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ধীরে ধীরে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) তাঁদের গবেষণায় বলছে, শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য প্রতিদিন ন্যূনতম ১ ঘন্টা করে খেলাধুলা ও শারীরিক সক্রিয় কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত থাকা প্রয়োজন।

টেকসই নগরায়ন-সংক্রান্ত জাতিসংঘের সংস্থা ইউএন-হ্যাবিটেটের মতে, হাঁটার দূরত্বে খেলার মাঠ থাকা উচিত। অতিঘন নগর এলাকায় প্রতি অর্ধবর্গ কিলোমিটারে জনসংখ্যা বিবেচনায় ন্যূনতম একটি করে খেলার মাঠ থাকা প্রয়োজন।

পর্যাপ্ত মাঠ না থাকায় টাঙ্গাইল পৌর শহরের উঠতি বয়সের শিশু-কিশোর ও যুবকেরা খেলাধুলার সুযোগ না পেয়ে ধীরে ধীরে ঝুঁকে পড়ছে মোবাইল গেমসহ বিভিন্ন ধরনের অনলাইন জুয়ায়। এলাকাভিত্তিক রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় তৈরি হচ্ছে কিশোরগ্যাং। বাড়ছে পৌর এলাকায় অপরাধমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড।

জেলা প্রশাসন, পৌর পিতাসহ টাঙ্গাইলের সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের এ বিষয়ে নেই কোন মাথাব্যথা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ১৩নং ওয়ার্ডে সবচেয়ে বেশি খেলার মাঠের জায়গায় বসতভিটা গড়ে উঠেছে। এই ওয়ার্ডের থানাপাড়া এলাকার রেঞ্জার মাঠ, সবুজ সেনা মাঠ, থানাপাড়া ইস্টার্ন ক্লাব মাঠের (বাবুর্চির মাঠ) জায়গায় ইতিমধ্যে বসতি গড়ে উঠেছে। ব্যক্তি মালিকানাধীন এইসব মাঠগুলোর এখন আর অস্তিত্ব নেই। ঘনবসতিপূর্ণ এই ওয়ার্ডে ৩টি খেলাধুলার ক্লাব থাকলেও তাদের কোন খেলার মাঠ নেই।

২নং ওয়ার্ডের ঠাকুর বাড়ির মাঠটি মালিকানা দ্বন্দ্বে এলাকার শিশু-কিশোরদের ওই মাঠে খেলাধুলা প্রায় বন্ধ। স্থানীয়দের আন্দোলনের মুখে, বর্তমানে শিশু-কিশোররা ওই মাঠে খেলাধুলার সুযোগ পাচ্ছে। তবে ভবিষ্যতে ওই মাঠের জায়গা প্লট আকারে বিক্রির আলোচনা চলছে।

৩নং ওয়ার্ডের মির্জা মাঠ ও হাউজিং মাঠে নিকট অতীতে ওই এলাকার শিশু-কিশোররা খেলাধুলা করতো। এছাড়া সকাল ও বিকালে স্বাস্থ্য সচেতন লোকজন শরীরচর্চা করতো এই মাঠ দুটিতে। বর্তমানে মাঠ গুলোতে বসতি গড়ে উঠেছে।

৬নং ওয়ার্ডের কলেজ পাড়ার বালুর মাঠে গড়ে উঠেছে বিশাল বিশাল ইমারত। একই এলাকার পানির ট্যাংকের মাঠে এখন আর শিশু-কিশোরদের প্রবেশ অধিকার নেই। দক্ষিণ কলেজ পাড়ার বড় বড় চক গুলোতে এক সময় ওই এলাকার শিশু-কিশোররা খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকতো। বর্তমানে সেখানে গড়ে উঠেছে বসতি।

১১নং ওয়ার্ডের খালপাড় মাঠে এখন গড়ে উঠেছে বসতি। ফলে শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার জন্য পর্যাপ্ত মাঠ নেই এই ওয়ার্ডে।

টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ১৬নং ওয়ার্ডের ছোট কালিবাড়ী খেলার মাঠ ও কেওছার মাঠের এখন আর অস্তিত্ব নেই। এছাড়া নজরুল সেনা মাঠের জায়গায় গড়ে উঠেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান। এই ওয়ার্ডের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ মাঠে এক সময় টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন এলাকার শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ সকাল থেকে সন্ধ্যা অবধি খেলাধুলা ও শরীরচর্চায় ব্যস্ত থাকতো। বর্তমানে এই মাঠের অধিকাংশ জায়গা জুড়ে বসেছে ট্রাকস্ট্যান্ড। ফলে শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন বয়সের লোকজন শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত এই মাঠটি খেলাধুলা ও শরীরচর্চার জন্য এখন আর ব্যবহার করতে পারছে না। এই ওয়ার্ডের আউটার স্টেডিয়ামে ৮টি কংক্রিটের ক্রিকেট পিচ রয়েছে। কিন্তু বছরের প্রায় সময়ই এই জায়গায় বাণিজ্য মেলাসহ বিভিন্ন ধরনের মেলার আয়োজন করা হয়। ফলে বছরের অধিকাংশ সময় জেলা টিমের ক্রিকেটারসহ বিভিন্ন বয়সের ক্রিকেটারগণ অনুশীলনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত থাকেন।

১৭নং ওয়ার্ডের শিমুলতলী এলাকার বালুর মাঠে এখন গড়ে উঠেছে বসতি ও বিভিন্ন ধরনের ফল ও গাছের বাগান।

১৮নং ওয়ার্ডের কোদালিয়া মাঠটি এখন শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একাডেমিক ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া একই ওয়ার্ডের সাবালিয়া এলাকার ফুলকুঁড়ি মাঠটি অনেক আগেই তার অস্তিত্ব হারিয়েছে।

শহরের নামকরা একটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণীর ছাত্র জিসান আহমেদের (ছদ্মনাম) সাথে এই প্রতিবেদকের কথা হয় শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে। জিসান জানান, বিকেল থেকে অনেক রাত পর্যন্ত বন্ধুদের সাথে পৌর উদ্যানে আড্ডা দেন তিনি। এক সময় তার ওয়ার্ডে ৩টি খেলার মাঠ থাকলেও বর্তমানে কোন খেলার মাঠ নেই। ফলে খেলাধুলার ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেকটা বাধ্য হয়েই পৌর উদ্যানে এসে আড্ডা দেন তিনি।

শহরের আরেকটি স্বনামধন্য বেসরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র রাতিন খানের (ছদ্মনাম) সাথে এই প্রতিবেদকের কথা হয় টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ মাঠে অবস্থিত বাঁশ বাজারে । রাতিন বলেন, তিনি একাদশ শ্রেণীতে পড়া অবস্থায় মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। তার এলাকায় মাঠ না থাকায় কোন ধরনের খেলাধুলার সুযোগ পাননি তিনি। মাদকাসক্তির পাশাপাশি তিনি অনলাইন জুয়ায় (ক্রিকেট বেটিং) আসক্ত হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে তিনি অনেক টাকা ঋণগ্রস্ত হয়ে হতাশায় ভুগছেন। তিনি আফসোস করে বলেন, তার এলাকায় খেলাধুলার মাঠ অথবা খেলাধুলার কোন ক্লাব থাকলে তিনি হয়তো এসবের মধ্যে নিজেকে জড়াতেন না।

সরকারি সৈয়দ মহাব্বত আলী কলেজর সহকারী অধ্যাপক মো. শাহজাহান মিয়া একতার কণ্ঠকে বলেন, পৌর শহরে পর্যাপ্ত খেলার মাঠ না থাকার ফলে শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তারা ধীরে ধীরে ঝুঁকে পড়ছে বিভিন্ন ধরনের অনলাইন গেম ও জুয়াতে।

তিনি আরও বলেন, এছাড়া একশ্রেণীর উঠতি বয়সী শিশু-কিশোর মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। এদের এসবের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য পৌর এলাকায় শিশু-পার্ক ও খেলার মাঠের কোন বিকল্প নেই। পৌর শহরে যে কয়টি খেলার মাঠ এখনো অবশিষ্ট আছে সেগুলো রক্ষা করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এস,এম সিরাজুল হক আলমগীর একতার কণ্ঠকে বলেন, ব্যক্তি মালিকানাধীন মাঠগুলোর ব্যাপারে পৌর কর্তৃপক্ষের করণীয় কিছু নেই। তবে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্, জেলা পরিষদ মাঠ ও শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে পৌরসভার উন্নয়নমূলক কাজের জন্য কিছু জিনিসপত্র রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আগামী ১ মাসের মধ্যেই মাঠগুলো পরিষ্কার করে আবার খেলাধুলার উপযোগী করা হবে। এছাড়া ৩নং ওয়ার্ডের হাউজিং স্টেটে শিশু-কিশোরদের জন্য একটি খেলার মাঠ তৈরি করার সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেন একতার কণ্ঠকে বলেন, পৌরসভার নিয়ন্ত্রণাধীন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ মাঠ, জেলা পরিষদ মাঠ, কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজ মাঠ ও জেলখানার পাশে যে মাঠটি রয়েছে আমাদের সর্বাত্মক চেষ্টা হচ্ছে মাঠগুলোতে শিশু-কিশোরদের খেলাধুলার উপযুক্ত করে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা। বিশেষ করে শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ মাঠটি শুধুমাত্র শিশু-কিশোরাই খেলাধুলা করে না। এখানে স্বাস্থ্য সচেতন বিভিন্ন বয়সের লোকজন সকাল বিকাল শরীর চর্চা করে থাকেন। ঈদগাহ্ মাঠকে যত দ্রুত সম্ভব খেলাধুলার উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে। ইতিমধ্যে আমি এ বিষয়ে পৌর মেয়রের সাথে আলোচনা করেছি।

তিনি আরও বলেন, শিশু-কিশোরদের খেলাধুলা ও মানসিক বিকাশের জন্য টাঙ্গাইল পৌর শহরের অদূরে দাইন্যা ইউনিয়নের বাসাখানপুরে নির্মিত হচ্ছে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন বলেই দেশের প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মিনি স্টেডিয়াম তৈরীর প্রকল্প হাতে নিয়েছেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অক্টোবর ২০২৩ ০২:২৭:এএম ৮ মাস আগে
টাঙ্গাইলে বিভাগীয় কমিশনার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিভাগীয় কমিশনার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু

একতার কণ্ঠঃ বঙ্গোপসাগরের ঢেউয়ের মতো বার বার গাজীপুরের অতন্দ্র প্রহরী গোলরক্ষক মাহফুজের গায়ে টাঙ্গাইল জেলার আক্রমণ আচঁড়ে পড়লেও অটল মাহফুজকে পরাস্ত করতে পারেনি। উল্টো ৩৭ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে গোল হজম করা টাঙ্গাইলের পরাজয় দেখলো ক্রীড়ামোদী হাজারো দর্শক।

শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকালে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে বিভাগীয় কমিশনার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে গাজীপুর জেলা ফুটবল দলের কাছে ১-০ গোলে পরাজিত হলো টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল দল।

শুরুতে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে বিভাগীয় কমিশনার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার সাবিরুল ইসলাম।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে এসময় ১১টি জেলার জেলা প্রশাসক, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ওলিউজ্জামান, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেনসহ ১২টি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদকবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

খেলার শুরু থেকে টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল দলের খেলোয়াড়গণ আক্রমণ করে খেলতে থাকে। দক্ষ স্টাইকারের অভাবে টাঙ্গাইল জেলা কাঙ্খিত গোল করে এগিয়ে যেতে পারেনি। উল্টো পাল্টা আক্রমণ থেকে ৩৭ মিনিটের সময় গাজীপুর জেলা দলের রানা আহমেদ গোল করে ১-০ গোলে দলকে এগিয়ে নেয়।

খেলায় পিছিয়ে পড়ে টাঙ্গাইল জেলা বার আক্রমণ করে খেলতে থাকে। কিন্তু গোল করে খেলায় সমতা আনতে ব্যর্থ হয়। দ্বিতীয়ার্ধের পুরো সময় টাঙ্গাইল একচেটিয়া আক্রমণ করে খেললেও গাজীপুরের গোলরক্ষক মাহফুজকে পরাস্ত করে গোল করতে পারেনি। গাজীপুরের গোলরক্ষক মাহফুজ টাঙ্গাইল জেলা দলের হেড কিংবা শট অসামান্য দক্ষতা ও ক্ষীপ্ততায় নিশ্চিত ৫টি গোল রক্ষা করেছেন।

টুর্নামেন্টে ঢাকা বিভাগের ১২টি জেলা “যমুনা”ও “পদ্মা” ২টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে গোল্ডকাপ চ্যাম্পিনশীপে অংশগ্রহণ করছে।

কমিশনার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের “যমুনা” গ্রুপের জেলা ফুটবল দলগুলো হলো ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও স্বাগতিক টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল দল।

শরিয়তপুর স্টেডিয়ামে “পদ্মা” গ্রুপের দল গুলো হলো নারায়ানগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজবাড়ী ও স্বাগতিক শরিয়তপুর জেলা ফুটবল দল।

যমুনা ও পদ্মা গ্রুপ থেকে গ্রুপ ফাইনাল খেলে বিজয়ী দুটি জেলা শরিয়তপুর স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়নের জন্য ফাইনাল খেলায় মুখোমুখি হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. অক্টোবর ২০২৩ ০১:০২:এএম ৯ মাস আগে
টাঙ্গাইল ডিএফএ এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান জামিলের স্মরণে শোকসভা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল ডিএফএ এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান জামিলের স্মরণে শোকসভা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের(ডিএফএ ) সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলার বিশিষ্ট ফুটবল কোচ প্রয়াত আতিকুর রহমান খান জামিলের(জামিল বস) অকাল প্রয়াণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের(ডিএফএ) উদ্যোগে শহরের জেলা পরিষদ মিলনায়তনে ওই সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মো. কায়ছারুল ইসলাম।

টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের(ডিএফএ) সভাপতি একুশে পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার ফরহাদ হোসেন, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, প্রয়াত জামিলের মা টাঙ্গাইলের সাবেক সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ারা বেগম, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমূখ।

সভায় বক্তারা প্রয়াত আতিকুর রহমান জামিলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা ও রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।

শোকসভায় জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তা, সাবেক ও বর্তমান খেলোয়াড়, প্রয়াত জামিলের স্বজন সহবিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইলে ফুটবলার তৈরির কারিগর, টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল এসোসিয়েশন (ডিএফএ) এর সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান জামিল (জামিল বস) গত ৩ সেপ্টেম্বর(রবিবার )দুপুরে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন ।দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনি সংক্রান্ত জটিল রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৪:১২:এএম ৯ মাস আগে
বিবেকানন্দ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপ পেলো দুর্মর-২২ - Ekotar Kantho

বিবেকানন্দ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপ পেলো দুর্মর-২২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ‘বিবেকানন্দ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৩’ এ ‘দুর্মর-২২’ শিরোপা জিতেছে। শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত ম্যাচে তারা জলন্ত-২৪ দলকে পরাজিত করে।

খেলার প্রথমআর্ধে জলন্ত-২৪ দলের রিয়াদ একটি গোল করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। দ্বিতীআর্ধে দুর্মর-২২ এর গিয়াস গোল পরিশোধ করে খেলায় সমতা ফিরিয়ে আনেন। এরপর কোন পক্ষই গোল করতে পারেনি। পরে ট্রাইব্রেকারে দুর্মর-২২ পাঁচ গোল এবং জলন্ত-২৪ তিন গোল করে।

এতে প্রধান অতিথি হিসেব বিজয়ী দলকে ট্রফি প্রদান করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশীদ মামুন।

অনুষ্ঠানে বিবেকানন্দ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে, আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান কামনাশীষ শেখর বক্তৃতা করেন। এসময় প্রাক্তন কৃতি ফুটবল খেলোয়াররা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অনিক রহমান বুুলবুল।

প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইল শহরের বিবেকানন্দ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রাক্তন বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে ‘বিবেকানন্দ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৩’ আয়োজন করা হয়। এতে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন ১৪টি ব্যাচ অংশ নেয়। শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে ম্যাচের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন। এর আগে গত বুধবার বিবেকানন্দ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর জার্সি উন্মোচন করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০২:৩৬:এএম ৯ মাস আগে
টাঙ্গাইলে বিবেকানন্দ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপের উদ্বোধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিবেকানন্দ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপের উদ্বোধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ‘বিবেকানন্দ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপের (ভিএফসি)’ উদ্বোধন হয়েছে। বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের বিবেকানন্দ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে এর উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম।

বিবেকানন্দ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে’র সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আব্দুর রহিম সুজন, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিবেকানন্দ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপের চেয়ারম্যান কামনাশীষ শেখর।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ।

পরে জেলা প্রশাসক বিবেকানন্দ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপের জার্সি উন্মোচন করেন।

এর আগে বেলুন উড়িয়ে বিবেকানন্দ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপের উদ্বোধন করা হয়। এ সময় বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার সকালে বিবেকানন্দ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এই টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া দল গুলো এবং সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করে।

শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় কলেজ ক্যাম্পাসে এসে শেষ হয়। এ উপলক্ষে দিনব্যাপী ব্যান্ড সঙ্গীত পরিবেশিত হয়।

আয়োজকরা জানান, বিবেকানন্দ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা এই ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপের আয়োজন করেছে। এতে প্রাক্তন ছাত্রদের ১৪টি দল অংশ গ্রহণ করছে। আগামী শনিবার টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে এ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৩:৩৯:এএম ১০ মাস আগে
বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক আতিকুর রহমান জামিলের দাফন সম্পন্ন - Ekotar Kantho

বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক আতিকুর রহমান জামিলের দাফন সম্পন্ন

একতার কণ্ঠঃ বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক, টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (ডিএফএ) সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান জামিলের (জামিল বস) দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বাদ এশা তার জানাজার নামাজ টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থান মসজিদ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাকে টাংগাইল বেবিস্ট্যান্ড কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়।

তার জানাজার নামাজে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান আনসারী, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মির্জা মইনুল হোসেন লিন্টু, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আলমগীর খান মেনু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদ সাইদুজ্জামান সোহেল, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এলেন মল্লিক, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সোলায়মান  হাসান, টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বালা মিয়া, কাতুলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল মিয়া প্রমূখ।

এর পূর্বে রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় তার মরদেহ ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে আনা হয়। সেখানে টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মইনুল হোসেন লিন্টু তার কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে। এ সময় জেলা ক্রীড়া সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক সাবেক ও বর্তমান খেলোয়ারগণ উপস্থিত হয়ে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইলে ফুটবলার তৈরির কারিগর, টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ডিএফএ) এর সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান জামিল (জামিল বস) রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানী ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনি সংক্রান্ত জটিল রোগে ভুগছিলেন।

মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই কণ্যা সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও কৃতি ফুটবলার রেখে গেছেন।

তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন, টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক। এছাড়া টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোঃ কায়ছারুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক মির্জা মইনুল হোসেন লিন্টু তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৪:৫৮:এএম ১০ মাস আগে
নারীদের সর্বোচ্চ সম্মাননা পদক পেলেন টাঙ্গাইলের ফুটবলার কৃষ্ণা রাণী - Ekotar Kantho

নারীদের সর্বোচ্চ সম্মাননা পদক পেলেন টাঙ্গাইলের ফুটবলার কৃষ্ণা রাণী

একতার কণ্ঠঃ নারীদের জন্য দেশের সর্বোচ্চ সম্মাননা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক পেলেন টাঙ্গাইলের গর্ব, বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের স্ট্রাইকার কৃষ্ণা রাণী সরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট হতে এই পুরস্কার গ্রহণ করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় ঢাকা ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় নারী ফুটবল দলের সকল খেলোয়াড়কে এ পুরস্কার তুলে দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পদক পাওয়ার পর কৃষ্ণা রাণী সরকার বলেন, নারীদের জন্য সর্বোচ্চ পদক বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক পেয়ে অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পদকের পাশাপাশি জাতীয় দলের সকল খেলোয়াড়কে ১ লাখ টাকা করে প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

কৃষ্ণা রাণী সরকারের মা নমিতা রানী জানান, আমার মেয়ে নারীদের সর্বোচ্চ সম্মাননা পদক পাওয়ায় আমি গর্বিত।

পদক পাওয়ার সংবাদে উচ্ছ্বসিত কৃষ্ণা রাণী সরকারের বাবা বাসুদেব সরকার জানান, আমার মেয়ে আগেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট হতে পুরস্কার পেয়েছে। বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক মেয়ের সেরা প্রাপ্তি। কৃষ্ণা বারবার দেশের জন্য সম্মান বয়ে নিয়ে আসবে, এটাই সবসময় আশির্বাদ করি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অগাস্ট ২০২৩ ০৪:৪০:এএম ১১ মাস আগে
তীব্র তাপদাহে শিশুদের খেলাধুলার আয়োজন করা ঠিক হয়নি: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

তীব্র তাপদাহে শিশুদের খেলাধুলার আয়োজন করা ঠিক হয়নি: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ শিশুরা খুবই স্পর্শকাতর। স্বাভাবিক গরম বা ঠান্ডায় শিশুদের শরীরে সহনীয় পর্যায়ে থাকে। কিন্তু প্রচন্ড গরমে তারা নানা অস্বস্তিতে পড়েছে। তাই তীব্র তাপদাহের মধ্যে শিশুদের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে খেলাধুলার আয়োজন করা মোটেও ঠিক হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ হাসান রাসেল।

রোববার (৪ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর, ঘাটাইল ও সখীপুরে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের আগে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পছন্দের প্রকল্প হচ্ছে ‘শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্প’। এরই ধাবাহিকতায় সারাদেশে প্রথম পর্যায়ে ১২৬টি ও বর্তমানে ১৮৬টি শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম নির্মানের জন্য প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। দেশের প্রত্যেকটি উপজেলাতেই একটি করে মিনি স্টেডিয়াম নির্মান করা হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল সদর আসনের এমপি ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো: জসীম উদ্দিন হায়দার, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কাউছার প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত (৩০ মে) টাঙ্গাইলের কালিহাতীর সহদেবপুর ইউনিয়নের দ্বীমুখা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলতে গিয়ে ছুনটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী রিয়া আক্তার মৃত্যুবরণ করে। এছাড়া একই দিন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আরও এক শিশু শিক্ষার্থী মাঠে মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. জুন ২০২৩ ০৩:২৪:এএম ১ বছর আগে
আন্তঃজেলা ভলিবল প্রতিযোগিতায় আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়ন টাঙ্গাইল - Ekotar Kantho

আন্তঃজেলা ভলিবল প্রতিযোগিতায় আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়ন টাঙ্গাইল

একতার কণ্ঠঃ তীব্র প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ণ মিনিষ্টার আন্তঃ জেলা ভলিবল প্রতিযোগিতার ফাইনালে টাঙ্গাইল জেলা ৩-২ সেটে কিশোরগঞ্জ জেলাকে হারিয়ে আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

বৃহস্পতিবার (১ জুন) বিকেলে টাঙ্গাইল আউটার স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে এই আন্তঃ জেলা ভলিবল প্রতিযোগিতার ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

খেলার শুরুতে টাঙ্গাইল জেলা ভলিবল দল প্রথম সেটে ২৫-১৯ পয়েন্টে জয়লাভ করে।

দ্বিতীয় সেটে কিশোরগঞ্জ জেলা ২৫-২০ সেটে টাঙ্গাইল জেলাকে হারিয়ে খেলায় সমতা আনে।

তৃতীয় সেটে টাঙ্গাইল জেলা ২৫-১৭ সেটে কিশোরগঞ্জ জেলাকে হারিয়ে আবারও এগিয়ে গেলে ৪র্থ সেটে কিশোরগঞ্জ ২৫-২০ সেটে টাঙ্গাইল জেলাকে হারিয়ে ২-২ সেটে সমতা আনে।

শিরোপা নির্ধারনী ৫ম সেটে টাঙ্গাইল জেলা ১৫-১১ পয়েন্টে কিশোরগঞ্জ জেলাকে হারিয়ে ৩-২ সেটে জয়লাভ করে প্রতিযোগিতায় আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

খেলা শেষে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দিন হায়দার প্রধান অতিথি হিসেবে খেলোয়াড়দের মাঝে পুরষ্কার বিতরন করেন।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ওলিউজ্জামানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ভলিবল ফেডারেশনের যুগ্ম-সম্পাদক এড. ফজলে রাব্বী বাবুল, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ হাসান ফিরোজ এবং নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট দীপ ভৌমিক।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার ভলিবল উপ-কমিটির সভাপতি হারুন-অর-রশীদ ও সাধারণ সম্পাদক ইফতেখারুল অনুপম।

চ্যাম্পিয়ন টাঙ্গাইল ভলিবল দলের খেলোয়ারগণ হচ্ছেন, সাইদুল ইসলাম খান রিন্টু (অধিনায়ক), রাজিম খান, মেহেদী হাসান, শাহরিয়ার খান রমিম, আরাফাত রায়হান সিয়াম, জাহিদুল ইসলাম, আব্দুস সাত্তার, মো. আঃ রাজ্জাক, আদিল, হাসিব ও পলাশ।

টাঙ্গাইল জেলা দলের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইফতেখারুল অনুপম ও কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিপ্লব দাস।

আঞ্চলিক পর্বের এই প্রতিযোগিতায় কিশোরগঞ্জ জেলা, মানিকগঞ্জ জেলা, ময়মনসিংহ জেলা ও স্বাগতিক টাঙ্গাইল জেলা অংশগ্রহন করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. জুন ২০২৩ ০৪:৪২:এএম ১ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।