/ মূলপাতা / নাগরপুর
দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে মা ঘরে তুললেন নাবিক সাব্বিরকে - Ekotar Kantho

দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে মা ঘরে তুললেন নাবিক সাব্বিরকে

একতার কণ্ঠঃ সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে জিম্মি টাঙ্গাইলের নাবিক সাব্বিরের বাড়িতে যেন ঈদের আনন্দ। জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্ত হওয়ার পর থেকেই তাঁকে কাছে পাওয়ার অপেক্ষা করছিল সাব্বিরের বৃদ্ধ মা-বাবা, বোন বন্ধুসহ স্বজনরা।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বৃহস্পতিবার (১৬ মে) সকালে টাঙ্গাইল শহরের আদালত পাড়া তার বোনের বাড়িতে পৌঁছালে সাব্বিরকে দুধ দিয়ে গোসল করিয়ে ঘরে তুলে নেন তাঁর মাসহ পরিবারের সদস্যরা।

সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে জিম্মি হওয়ার ৬৫ দিন পর বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ি ফিরেন সাব্বির।

সাব্বির বলেন, যখন জলদস্যুরা আমাদের জাহাজ তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়, তখন থেকে আমরা তাদের কাছে বন্দি ছিলাম। তবে জাহাজে আমরা যে যার কাজ ঠিকঠাক মতো করেছি, রোজা রেখেছি, নামাজও পড়েছি।

সাব্বির আরও বলেন, ‘ছাড়া পেয়ে সেই ঈদের আনন্দটাই আল্লাহ যেন এখন দিয়েছে। আমাদের ফিরিয়ে আনতে সিও স্যারসহ যারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমকিা রেখেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

পরিবারে সাব্বিরকে ফিরে পেয়ে তাদের মধ্যে ঈদের আমেজ বিরাজ করছে। তাঁর ফিরে আসার খবর ছড়িয়ে পড়লে আত্মীয়স্বজন, বন্ধু ও প্রতিবেশীরা তাঁকে এক নজর দেখার জন্য বাড়িতে ভিড় জমায়।

সাব্বিরের বোন মিতু আক্তার বলেন, এখন আমার ভাই ফিরে এসেছে, আমরা অনেক খুশি।

প্রকাশ, গত (১৪ এপ্রিল) ভোরে জলদস্যুদের কবল থেকে মুক্ত হয় এম ভি আব্দুল্লাহ জাহাজসহ ২৩ নাবিক। এরপর জাহাজটি পৌঁছে দুবাই এর আল হামরিয়া বন্দরে। সেখান থেকে মিনা সাকার নামের আরেকটি বন্দরে চুনা পাথর ভর্তি করার পর চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয়। সব মিলিয়ে ৬৫ দিন পর মুক্ত হয়ে নাবিকরা বাংলাদেশে এসে স্বজনদের কাছে ফিরলেন।

সোমালিয়ান জলদস্যুদের হাতে ভারত মহাসাগর থেকে জিম্মি হন বাংলাদেশি জাহাজ এম ভি আব্দুল্লাহর ২৩ নাবিক। এদের মধ্যে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজলোর সহবতপুর ইউনিয়নের ডাঙা ধলাপাড়া গ্রামের হারুন অর রশিদের ছেলে সাব্বিরও ছিলেন। শহরের কাগমারি সরকারি এম এম আলী কলেজ থেকে ২০১৬ সালে এইচএসসি পাস করে ভর্তি হন চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমিতে। সেখান থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে পাস করে সর্বশেষ ২০২২ সালের জুন মাসে এম ভি আব্দুল্লাহ নামক পণ্য বহনকারী একটি জাহাজে মার্চেন্ট কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি নেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. মে ২০২৪ ০৩:৩১:এএম ২ দিন আগে
টাঙ্গাইলের ২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাস করেনি কেউ! - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের ২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাস করেনি কেউ!

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী ও নাগরপুর উপজেলার ২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৩০ জন এবছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও কেউ পাস করতে পারেনি।

প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- কালিহাতী উপজেলার সোমজানি উচ্চ বিদ্যালয় ও নাগরপুর উপজেলার ইসলামাবাদ দারুচ্ছুন্নাহ আলিম মাদ্রাসা।

জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানাগেছে, সোমজানি উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থী ছিল ৩ জন ও নাগরপুরের ইসলামাবাদ দারুচ্ছুন্নাহ আলিম মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল ২৭ জন। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া এসব শিক্ষার্থীর কেউ পাস করতে পারেনি।

স্থানীয়রা জানায়, ২০০৪ সালে সোমজানি গ্রামের ডা. ক্যাপ্টেন আব্দুল বাসেত তার নিজ নামে ‘ডা. ক্যাপ্টেন আব্দুল বাসেত ইবনে আইনউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠা করেন। শুরুতে এটি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছিল। পরে উচ্চ বিদ্যালয় করা হয়। প্রতিষ্ঠার পর ৭ জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘ দিনেও এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষকরা নিয়মিত স্কুলে আসা বন্ধ করে দেন।

স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতা বিরোধী ভূমিকা পালন করেছেন- এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১২ সালে তার নাম স্কুল থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। নামকরণ করা হয় ‘সোমজানি উচ্চ বিদ্যালয়’। স্থানীয়দের ভাষায়, স্কুলে নিয়মিত ক্লাস হয় না। দুই চারজন শিক্ষার্থী এলেও শিক্ষকরা আসেন না।

স্কুলের শিক্ষক মো. মুছা মিয়া জানান, এমপিওভুক্ত না হওয়ায় কোনো শিক্ষক স্কুলে যান না। কাগজে কলমে তারা ওই স্কুলের শিক্ষক। কিন্তু বাস্তবে করোনাকালীন সময়ের পর থেকে কেউ স্কুলে যান না। মাঝে মধ্যে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক গিয়ে খোঁজ-খবর নেন।

তিনি আরও জানান, নিজে রতনগঞ্জ বাজারে ওষুধের দোকান করেন। অন্য শিক্ষকরা কেউ কোচিং সেন্টার অথবা অন্য কোনো ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়েছেন।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রজ্জাক জানান, বিনা বেতনে শিক্ষকরা থাকতে চান না। এবার যে তিনজন এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল তারা কর্মজীবী। তাই ভালো ফলাফল করতে পারেনি।

জেলা শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, এবার জেলায় এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৮২ দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং শতভাগ পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৪০টি। মাদ্রাসায় পাশের হার ৭৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবং শতভাগ পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২২টি।

এছাড়া টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার নরিল্যা আ. খা. মহিলা দাখিল মাদ্রাসা এবং গাড়াখালি বালিকা দাখিল মাদ্রাসার একজন শিক্ষার্থীও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেনি।

নাগরপুর উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাদির আহমদ জানান, ইসলামাবাদ দারুচ্ছুন্নাহ আলিম মাদ্রাসার ২৭ শিক্ষার্থীর একজনও কেন পাস করলো না এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। যেহেতু তিনি নতুন যোগদান করেছেন- তাই প্রতিষ্ঠানের বিগত ফলাফলের বিষয়ে অবগত নন। প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যাখ্যা পাওয়ার পরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. মে ২০২৪ ০৩:৪৩:এএম ৪ দিন আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। শুক্রবার (১০ মে) সকালে উপজেলার বেকড়া ইউনিয়নের কাঠুরী গ্রামের এক ধান ক্ষেতের আইল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড নাকি নিছক দুর্ঘটনা এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত গৃহবধূর নাম অঞ্জনা বেগম (৪২)। সে উপজেলার বেকড়া ইউনিয়নের বারাপুষা গ্রামের মো. নজরুল ইসলামের স্ত্রী।

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচএম জসীমউদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী বাহাদুর মিয়া জানান, শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে তার ধান ক্ষেতে পানি দেওয়ার জন্য শ্যালো মেশিন ঘরে যাওয়ার পথে ক্ষেতের আইলে একজন মহিলার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। পরে স্থানীয়দের খবর দিলে, তারা এসে পুলিশকে খবর দেয়।

নিহতের ছোট ছেলের স্ত্রী প্রিয়া আক্তার বলেন, বৃহস্পতিবার (৯ মে) সকাল ১০টার দিকে বাবার বাড়ি যাওয়ার জন্য বেকড়া গ্রামের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন তার শাশুড়ি। শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে খবর পান কাঠুরী গ্রামের নিজামুদ্দিনের বাড়ির পশ্চিম পাশের একটি ধান ক্ষেতের আইলে এক মহিলার মরদেহ পড়ে আছে। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পান আর শাশুড়ি মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন।

নিহতের স্বামী মো. নজরুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে তিনি কাজে চলে যান। সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে তার ছেলের বউয়ের কাছে তার শাশুড়ি কোথায় জানতে চাইলে বলে, অঞ্জনা (তার স্ত্রী) বাবার বাড়ি গেছেন। শুক্রবার সকালে খবর পাই আমরা স্ত্রীর মরদেহ ধান ক্ষেতের আইলে পড়ে আছে।

নিহত অঞ্জনা বেগমের পিতা মো. গনি মিয়া বলেন, আমার মেয়ে অঞ্জনা বৃহস্পতিবার তার বাড়ি বেকড়া গ্রামে যায়নি। শুক্রবার সকালে তার মৃত্যুর খবর পেয়ে ছুটে এসেছি।

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচএম জসীমউদ্দীন জানান, স্থানীয়ভাবে খবর পেয়ে নিহত গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. মে ২০২৪ ০২:৫০:এএম ১ সপ্তাহ আগে
নাগরপুরে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন - Ekotar Kantho

নাগরপুরে দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন

একতার কণ্ঠঃ”রুখবো দুর্নীতি, গরবো দেশ, হবে সোনার বাংলাদেশ” এই স্লোগানে টাঙ্গাইলের নাগরপুরে দুর্নীতি দমন কমিশন ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির যৌথ আয়োজনে এক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৬ মে) সকালে স্থানীয় নয়ানখান মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে এই বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও সাবেক উপজেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সুজায়েত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. নুর আলম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নাদির আহম্মদ প্রমূখ।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক খোরশেদুন নাহার ভূইয়া, সদস্য জাহানারা আক্তার, মো. সালাউদ্দিন।

বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার কামরুল হাসান, উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নুরুলহুদা।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা নাগরপুর উপজেলা কমিটির সভাপতি এস.এম আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক বাবু।

উল্লেখ্য, বির্তক প্রতিযোগিতায় চুড়ান্ত রাউন্ডে নয়ানখান মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় ও শহীদ শামছুল হক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হিসেবে বিচারকগণ শহীদ শামছুল হক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়কে ঘোষনা করেন। পরে বিজয়ীদের মধ্যে ক্রেস্ট, সনদ ও শিক্ষা উপকরন বিতরন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. মে ২০২৪ ০২:০৫:এএম ২ সপ্তাহ আগে
টাঙ্গাইলে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৫ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৫

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে রাজীব নামে এক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (২ মে) সকালে উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের ভাদ্রা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচএম জসিম উদ্দিন।

নিহত রাজীব হোসেন (৩০) উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের ভাদ্রা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আলম মিয়ার ছেলে। সে ভাদ্রা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ভাদ্রা গ্রামের আজাহার ও রাজীবের মধ্যে জমির সীমানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বৃহস্পতিবার সকালে ওই বিরোধের জের ধরে বিরোধপূর্ণ জমিতে একটি বেল গাছ থেকে বেল পাড়া নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। পরে আজাহার ও তার পরিবারের লোকজন ধারালো দেশিও অস্ত্র দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রাজীবকে কোপাতে থাকে। এ সময় তার পরিবারের লোকজন বাঁধা দিতে গেলে তাদেরও কুপিয়ে আহত করা হয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাজিবকে মৃত ঘোষণা করেন।

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচএম জসিম উদ্দিন জানান, এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে ৫ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিহত রাজীবের ময়নাতদন্ত মানিকগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে সম্পন্ন হওয়ার পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. মে ২০২৪ ০২:০৩:এএম ২ সপ্তাহ আগে
টাঙ্গাইলে প্রবাসীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রবাসীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, গ্রেপ্তার ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে মো. লুৎফর রহমান (৩২) নামে এক প্রবাসীকে ছুরিকাঘাত ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ২ জন।

রবিবার (২৮ এপ্রিল) রাতে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের সহবতপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত প্রবাসী লুৎফর রহমান উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের সহবতপুর পূর্বপাড়া গ্রামের মো. আশরাফ আলীর ছেলে।

আহত দু’জন হলেন, ওই ইউনিয়নের চরডাঙ্গা গ্রামের আব্দুর রশিদ দেওয়ানের ছেলে আব্দুল মতিন (২৬) ও মো. আজম মিয়ার ছেলে আব্দুল বাতেন (৪২)। তাদের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে।

এঘটনায় পুলিশ দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, সহবতপুর ইউনিয়নের লালটু মিয়ার ছেলে মো. যুবায়ের (২৭) ও বদ্দু মিয়ার ছেলে মো. আকাশ (২২)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচএম জসিম উদ্দিন।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, সহবতপুর ইউনিয়নের শালিয়ারা গ্রামের ময়নাল সিকদার কাঠ ব্যবসায়ী বাকাইয়ের কাছে একটি আম গাছ বিক্রি করেন। রবিবার সকালে ওই ব্যবসায়ী ৩ জন গাছ কাটার লেবার (গাইছা) কে গাছ কাটতে পাঠান। গাছ কাটার সময় ঘরের চালের উপর ডাল যেন না পড়ে এ নিয়ে লেবারদের গাছ কাটতে বাঁধা দেয় ময়নালের ছেলে নজরুল। এ নিয়ে লেবারদের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে নজরুল ও তার ছোট ভাই মিলে একজনক লেবারকে মারধর করে ও অপর জনকে গাছের সাথে বেঁধে রাখে।

খরব পেয়ে কাঠ ব্যবসায়ী বাকাই এলাকাবাসীর সহযোগীতায় তাদেরকে সেখান থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন। পরে ওই দিন সন্ধায় লেবার করিমের ভাতিজা বাতেন লুৎফর ও মতিনকে সাথে নিয়ে নজরুলের বাবা ময়নালের সাথে কথা বলার জন্য সহবতপুর বাজারে যায়। ময়নালের সাথে কথা বলার সময় নজরুলের নেতৃত্বে ৭ থেকে ৮ জনের একটি দল দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত ভাবে তাদের উপর হামলা করে। মুমুর্ষ অবস্থায় লুৎফরকে উদ্ধার করে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নয়ন মন্ডল তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

গুরুতর আহত বাতেন ও মতিনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে মতিনের অবস্থার অবনতি হওয়ায় ওই রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

নিহতের চাচাতো ভাই আনোয়ার হোসেন বলেন, গাছ কাটা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধের মিমাংসার উদ্দেশ্যে বাতেন, লুৎফর ও মতিন সহবতপুর বাজারে ময়নালের কাছে যায়। এসময় ময়নালের ছেলে নজরুল দলবল নিয়ে তাদের উপর হামলা করলে হতাহতের ঘটনাটি ঘটে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নয়ন মন্ডল জানান, নিহত লুৎফরের বুকের বা পাশে ছুরিকাঘাতের কারনে হার্টে ইনজুরি হয়ে লুৎফরের মৃত্যু হতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে।

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচএম জসিম উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় নাগরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু করা হয়েছে। হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২জন কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকীদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. এপ্রিল ২০২৪ ০২:২০:এএম ৩ সপ্তাহ আগে
সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় টাঙ্গাইল দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিহত - Ekotar Kantho

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় টাঙ্গাইল দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিহত

একতার কণ্ঠঃ সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় টাঙ্গাইল দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা হাবিবুল্লাহ মেসবাহ (৪৪) নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় মদিনায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত হাবিবুল্লাহ মেসবাহ জেলার নাগরপুর উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নের বনগ্রামের মাওলানা মো. আবদুল হাইয়ের ছেলে।

নিহত হাবিবুল্লাহ মেসবাহ টাঙ্গাইল দারুল উলুম কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ও টাঙ্গাইল থানা মসজিদের পেশ ইমাম হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, মাওলানা মো. হাবিবুল্লাহ মেসবাহ শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় মক্কা থেকে মদিনা যাওয়ার পথে মদিনা থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে এক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। সে সময় তিনি এক হজ্জ কাফেলার মোয়াল্লিম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার স্ত্রী, ২ ছেলে ও এক কন্যা সন্তান রয়েছে।

নিহতের পরিবার সূত্রে আরও জানা গেছে, তার মরদেহ দেশে আনার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। তবে তার মরদেহ কবে দেশে আনা যাবে সেটা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।

তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূঁইয়া, বামাশিস’র কেন্দ্রীয় ও জেলার নেতৃবৃন্দ ও টাঙ্গাইল জেলা ইমাম মোয়াজ্জেম সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. এপ্রিল ২০২৪ ০২:৪৮:এএম ৪ সপ্তাহ আগে
ঈদের প্রস্তুতি নেই জিম্মি নাবিক সাব্বিরের পরিবারে - Ekotar Kantho

ঈদের প্রস্তুতি নেই জিম্মি নাবিক সাব্বিরের পরিবারে

একতার কণ্ঠঃ সোমালিয়ান জলদস্যুদের হাতে জিম্মি নাবিক টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের ডাঙা গ্রামের সাব্বিরের বাড়িতে নেই ঈদের প্রস্তুতি। অপহৃত হওয়ার পর থেকেই ছেলের মুক্তির সংবাদের অপেক্ষায় সময় পার করছেন সাব্বিরের বৃদ্ধ মা-বাবা।

বাড়িতে বসে নামাজ আদায় করে তাদের সন্তানকে ফিরে পেতে আল্লাহর নিকট দোয়া করে সময় পার করছেন তারা। আর মাঝে মধ্যেই ছেলের ছবি এবং মোবাইলে কোনো সংবাদ এলো কিনা তা দেখছেন। অপেক্ষার প্রহর যেন তাদের শেষ হচ্ছেই না। তারা চান ঈদের আগেই যেন তাদের সন্তানের মুক্তি মেলে।

গতবছরও পরিবারের সাথে ঈদ পালন করেছেন সাব্বির। কিন্তু এ বছর জাহাজ ছিনতাই হওয়ার পর সাব্বিরের ভাগ্যে কী ঘটছে সেই শঙ্কায় ঈদের আনন্দ নেই তার পরিবারের মাঝে। সোমালিয়ান জলদস্যুদের হাতে ভারত মহাসাগর থেকে জিম্মি হন বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আব্দুল্লাহর ২৩ জন নাবিক। এদের মধ্যে অন্যতম টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের ডাঙা ধলাপাড়া গ্রামের হারুন অর রশিদের ছেলে সাব্বির। জাহাজটি অপহরণের পর থেকে বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা-মা ছেলের অপেক্ষায় পথের দিকে তাকিয়ে আছেন। ঈদের আগেই সরকার বা জাহাজ মালিকদের পক্ষ থেকে সু-সংবাদের অপেক্ষায় বন্দি নাবিক সাব্বিরের বাবা-মা।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, সাব্বির জেলার নাগরপুরের সহবতপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৪ সালে এসএসসি পাস করে। পরে টাঙ্গাইল শহরের কাগমারির সরকারি এম এম আলী কলেজ থেকে ২০১৬ সালে এইচএসএসসি পাস করে ভর্তি হন চট্রগ্রাম মেরিন একাডেমিতে। সেখান থেকে কৃতিত্বের সাথে পাস করে সর্বশেষ গত বছরের ২০২২ সালের জুন মাসে এমভি আব্দুল্লাহ নামক পণ্য বহনকারী একটি জাহাজে মার্চেন্ট কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন তিনি।

সাব্বিরের পরিবারের সাথে কথা বলে জানা যায়, প্রতিবছর ছেলেই ঈদের কেনাকাটা করলেও এবার কিছুই হয়নি তাদের। ছেলের সুস্থতা আর নিরাপদে ফিরে আসার অপেক্ষা করছে তার বাবা-মা। জলদস্যুরা কথায় কথায় মাথায় বন্দুক ধরে, জাহাজে খাবার সংকট, পানি সংকটসহ এমন নানা দুশ্চিন্তায় আরও ভেঙে পড়েছেন তারা। সন্তানের ভালো সংবাদের অপেক্ষা আর শেষ হচ্ছে না তাদের।

সাব্বিরের বাবা হারুন অর রশিদ বলেন, জলদস্যুদের হাতে জিম্মি হওয়ার পর একদিন ছেলের সাথে কথা বলেছিল। তারপর আর কথা হয়নি। আমি ও আমার স্ত্রী ফোন হাতে নিয়ে বসে থাকি কখন সাব্বির কল দিয়ে বলবে ভালো আছি চিন্তা করো না তোমরা। আমার ছেলের সাথে গতবছর এক সাথে ঈদ করেছি। এবারও আশায় আছি, জানি না করতে পারবো কি না। সরকারের কাছে দাবি অতি দ্রুত আমার ছেলেসহ সবাই বাবা-মায়ের কোলে ফিরে আসুক।

সাব্বিরের মা সালেহা বেগম বলেন, গতবার আমার ছেলে আমাদের সাথে ঈদ করেছিল। এবার আমার ছেলে ঈদ করতে পারবে কি না আমাদের সাথে জানি না। এ বলেই কান্না করতে করতে বলেন, আমরা কোন কিছু চাই না আমার ছেলেকে চাই। আমরা ছেলের সাথে ঈদ করতে চাই। ছেলে বাড়ি না আসলে আমাদের আর ঈদ করা হবে না। সরকারের কাছে আবেদন ঈদের আগেই যেন আমার ছেলেসহ সবাইকে ছাড়িয়ে আনে।

সাব্বিরের বোন মিতু আক্তার বলেন, যখন তারা দস্যুদের কবলে আটক হয় তখন বলেছিল ২০ থেকে ২২ দিনের খাবার আছে। তারপর আর কথা হয়নি আমার ভাইয়ের সাথে। কেমন আছে তাও বলতে পারবো না। সারাক্ষণ চিন্তায় থাকি আমরা। সরকারের কাছে দাবি আমার ভাইকে ঈদের আগে ফিরিয়ে আনার হোক।

নাগরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধান বলেন, সাব্বিরের পরিবারের সাথে খোঁজ খবর রাখছি। ঈদ উপলক্ষে তাদের বাড়িতে ঈদ উপহার পাঠানো হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. এপ্রিল ২০২৪ ০৩:৪২:এএম ১ মাস আগে
নাগরপুরে আলোচিত কিশোরগ্যাং ‘বেজী গ্রুপের’ প্রধান বুলেট মাদকসহ গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

নাগরপুরে আলোচিত কিশোরগ্যাং ‘বেজী গ্রুপের’ প্রধান বুলেট মাদকসহ গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরের বহুল আলোচিত কিশোরগ্যাং “বেজী গ্রুপের” প্রধান ও মাদক ব্যবসায়ী মো. রাহাত হোসেন বুলেটকে (৩২) ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ। রবিবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের বটতলা মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত বুলেট উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নের আগত গয়হাটা গ্রামের মৃত. ইসমাইল হোসেন মন্টু মিয়ার ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাহাত হোসেন বুলেট দীর্ঘদিন ধরে গোপনে নাগরপুর উপজেলাসহ আশপাশের উপজেলায় ইয়াবা ও গাজাঁসহ বিভিন্ন মাদক বিক্রি করে আসছিল। সে কিশোরদের দিয়ে বিভিন্ন উপজেলায় মাদকের নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার সন্ধ্যায় এসআই আ. আলিম ও এসআই মো. মামুন মিয়া অভিযান চালিয়ে উপজেলা সদরের বটতলা মোড় এলাকার বাবুল মিয়ার দোকানের সামনে থেকে ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ তাকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় বুলেটের সাথে থাকা সুমন নামে এক কিশোর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি ) এইচ এম জসিম উদ্দিন জানান, কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী ‘বেজী গ্রুপের’ প্রধান মো. রাহাত হোসেন বুলেটকে ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই আ. আলিম ও এসআই মো. মামুন মিয়া সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে আটক করে। তার বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নাগরপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সোমবার (২৫ মার্চ) সকালে রিমান্ড চেয়ে টাঙ্গাইলে বিজ্ঞ আদালতে মো. রাহাত হোসেন বুলেটকে প্রেরণ করা হয়। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. মার্চ ২০২৪ ০১:৫০:এএম ২ মাস আগে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে দেশের কোন মানুষ খাদ্য সংকটে নেই: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে দেশের কোন মানুষ খাদ্য সংকটে নেই: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে দেশের কোন মানুষ খাদ্য সংকটে নেই। সরকার টিসিবি’র মাধ্যমে সারাদেশে এক কোটি নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে সল্প মূল্যে খাদ্য পণ্য বিক্রি করছে। এছাড়াও সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় খাদ্য পণ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। এছাড়া বাজারেও কোন পণ্যের সরবরাহে ঘাটতি নেই।

বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহে কাব স্কাউটিং সম্প্রসারণ (৪র্থ) প্রকল্পের অর্থায়নে ৭০টি বিদ্যালয়ের মাঝে ড্রামসেট বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা চেষ্টা করছি বর্তমান বাজার ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর। একদিকে যেমন আমরা পণ্যের সরবরাহ বাড়াবো এতে দেশীয় উৎপাদন বাড়াবে। তেমনি যে শস্য আমদানি করতে হয় সেগুলোরো উৎপাদন বাড়াবো।যতক্ষণ পর্যন্ত আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ না হতে পারতেছি ডাল ও তেল আমরা আমদানি করি এটারও টিসিবি’র মাধ্যমে আমদানি করায় ন্যায্য মূল্যে দিতে পারছি। সাধারণ মানুষ ও যারা শিক্ষক আছে তারাও যেন ভর্তুকি মূল্যে না, ন্যায্য মূল্যে কিনতে পারে। সেজন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা ব্যবস্থা করবো। আমাদের সেই কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কৃষি পণ্য যেন কৃষক সমবায়ের মাধ্যমে সরাসরি ঢাকায় বাজারজাত করতে পারে সেই ব্যাপারে একটা কর্পোরেট তৈরি করে নিতে আমরা পরিবহনের ব্যবস্থা করে নিবো। যাতে তারা মধ্যস্বত্বার মধ্যে না পরে সরাসরি অধিক দামে বিক্রি করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী আমাদের সু-স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন আমরা যে প্রকল্পগুলো হাতে নেবো তা যেন জনকল্যাণে হয়। আমাদের লক্ষ্য একটাই, আমরা যে কাজ গুলো করবো তা যেন জনস্বার্থে হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাকিলা পারভীন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান, ভাইস চেয়ারম্যান এস.এম এহসানুল হক সুমন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুল হক, সাধারণ সম্পাদক এম. শিবলী সাদিক প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মার্চ ২০২৪ ০২:০৮:এএম ২ মাস আগে
বাজারে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী রাখা হবে না: বানিজ্য প্রতিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

বাজারে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী রাখা হবে না: বানিজ্য প্রতিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ বানিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি বলেছেন, উৎপাদক থেকে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের জন্য অ্যাপস দেওয়া হচ্ছে। কোন মধ্যস্বত্ব ভোগী রাখা হবেনা। যাতে করে সাধারণ ক্রেতারা হয়রানি না হয়। কে মাল হোলসেল করলো আর কে কিনলো, শিগগিরই এ জন্য অ্যাপস দেওয়া হবে ।

মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) দুপুরে মন্ত্রী টাঙ্গাইল শহরের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার ‘পার্ক বাজারে’ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মনিটরিং শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা সারাদেশে যে মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছি, সে অনুযায়ী বাজারের ব্যবসায়ীরা বিক্রি করছে। কয়েকটা জায়গায় কম মূল্যও বিক্রি করা হচ্ছে। চিনি ১৪০ টাকার জায়গায় ১৩৮ টাকাও বিক্রি করছে। তৈলও আমরা ১৬৩ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছি। কিন্তু খুচরা তারা ১৫৮ টাকা বিক্রি করছে। রমজান মাস উপলক্ষে সব কিছুর ঘাটতি থাকার কথা থাকলেও এখন কিন্তু বাজারে কোন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের ঘাটতি নাই। রমজানে বাজারে পর্যাপ্ত পরিমানে পণ্যের সরবরাহ রয়েছে। লেবুসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস সব কিছুই বাজারে পর্যাপ্ত পরিমানে রয়েছে ৷ টাঙ্গাইলে লোকাল প্রশাসন যথাযথভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে ৷

তিনি বলেন, আমাদের কাজ হলো সাশ্রয়ী মূল্যে সাধারণ মানুষকে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের সরবরাহ নিশ্চিত করা ৷

এসময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মারুফসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃদন্দ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. মার্চ ২০২৪ ০১:৩৮:এএম ২ মাস আগে
টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হাসান খান ওরফে ঝলককে (২৬) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

সোমবার (১৮ মার্চ) রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার সলিমাবাদ ইউনিয়নের সলিমাবাদ মধ্যপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ। এ ঘটনার পর নিহতের পিতা সোমবার রাতেই বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ গ্রামের মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে রানা মিয়া (২২), তার ভাই জিয়াদ (১৯) ও একই গ্রামের জয়ের উদ্দিনের ছেলে ইমন (১৯)।

নিহত জাহিদ সলিমাবাদ গ্রামের ছামিনুর রহমান খানের ছেলে। তিনি টাঙ্গাইল শহরের কাগমারীতে অবস্থিত সরকারি এম এম আলী কলেজের স্নাতকের শিক্ষার্থী ছিলেন।

এ প্রসঙ্গে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচ এম জসিম উদ্দিন জানান, সোমবার রাতে জাহিদ তারাবিহর নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় মাঠের কাছে ফাঁকা একটি জায়গায় এলে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে আশপাশের লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

নাগরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাসান জাহিদ জানান, রাতেই নিহত জাহিদের বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ রাতেই মামলার আসামি জিয়াদ, ইমন ও রানাকে গ্রেপ্তার করেছে। নিহত জাহিদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নাগরপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আজিম হোসেন বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. মার্চ ২০২৪ ০৮:০৭:পিএম ২ মাস আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।