আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের মেধাবী শিক্ষার্থী যারিন সুবাহ মেঘলা উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমাচ্ছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলিনার ক্লেমসন ইউনিভার্সিটির বায়োলজিক্যাল সাইন্স বিভাগে ফুলব্রাইট স্কলারশিপসহ স্নাতকোত্তর (পোস্টগ্রাজুয়েট) করার সুযোগ পেয়েছেন। আগামী জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। এসময় তিনি টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ সুবিধাও পাবেন।
মেঘলা ঢাকার শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিসারিজ ও মেরিন সাইন্স বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন।
তিনি টাঙ্গাইল শহরের ভিক্টোরিয়া রোড ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা রকিবউদ্দীন বাবুল এবং তাহমিনা আক্তার দম্পতির জ্যেষ্ঠ কন্যা। তার ছোট ভাই আহনাফ উদ্দিন অর্ক বর্তমানে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিউপি)-এর ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে অধ্যয়নরত।
শিক্ষাজীবনে মেঘলা সবসময়ই মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং সরকারি কুমুদিনী মহিলা কলেজ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ফিসারিজ ও মেরিন সাইন্স বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
এ বিষয়ে মেঘলার বাবা রকিবউদ্দীন বাবুল বলেন, “মেয়ের এই অর্জনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। সে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর পিএইচডি করার ইচ্ছা পোষণ করেছে। আল্লাহ যেন তার সেই স্বপ্ন পূরণ করেন। আমি টাঙ্গাইলবাসীর কাছে তার জন্য দোয়া কামনা করছি।”
উল্লেখ্য, ফুলব্রাইট স্কলারশিপ যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের অর্থায়নে পরিচালিত একটি মর্যাদাপূর্ণ ও সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি। এর মাধ্যমে বিশ্বের মেধাবী শিক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি করার সুযোগ পেয়ে থাকেন।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার(২ এপ্রিল) ভোর রাতে শিশুটি মারা যায়। তার নাম সাইফাল। বয়স ৮ মাস। সে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের হাতিলা গ্রামের সোহেল রানার ছেলে।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সাদিকুর রহমান জানান, গত কয়েকদিনে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ১৪ জন শিশু ভর্তি হয়। সাইফাল নামের ওই শিশুটিকে বুধবার বিকেল ৪টার সময় ভর্তি করা হয়। রাত তিনটার দিকে সে মারা যায়। আমরা ধারণা বা (সন্দেহ) করছি, হামের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু আমরা তার পরীক্ষা নিরীক্ষা করাতে পারেনি। আরও ১৩ জন শিশু ভর্তি রয়েছে। আমরা তাদের চিকিৎসার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।
তিনি আরও জানান, ডায়রিয়া ওয়ার্ডের কয়েকটি রুম খালি করে হামে আক্রান্ত শিশুদের ভর্তি করা হয়েছে। প্রায় ২০ শয্যাবিশিষ্ট একটি আইসোলেশন ওয়ার্ড তৈরি করা হয়েছে।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, অনেক অভিভাবক তাদের শিশুদের টিকা দিতে অনীহা প্রকাশ করেন। যারা টিকা দেননি সেই সব শিশুদের হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হতে হচ্ছে। জ্বর, শরীর ফুলে যাওয়া, চোখ লাল হওয়া এসব দেখলেই শিশুদের দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হবে। উপজেলার প্রতিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা দিতে আইসোলেশন সেন্টার খোলা হচ্ছে। গত এক বছরে হামের টিকার ব্যাপক ক্রাইসিস ছিল। মাঝখানে টিকা পাওয়া গেলেও তা ছিল খুবই অপ্রতুল। এখন জেলায় মাত্র তিনদিনে টিকা রয়েছে। যা ৭ হাজার ১২৫ জন শিশুকে দেওয়া যাবে। আগামী রোববার থেকে ছয় থেকে ১০ বছর বয়সি শিশুদের টিকা দেওয়া হবে। যেসব শিশুকে টিকা দেওয়া হয়নি তাদের নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এসে টিকা নেওয়া অনুরোধ জানান।
আরমান কবীরঃ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘সবুজ পৃথিবী’র উদ্যোগে টাঙ্গাইলে সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ)সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের শহরের নগরজলফৈ বাইপাস এলাকায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার অঙ্গীকার নিয়ে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডঃ আজিজুল হক, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইব্রাহিম খাঁ সরকারী কলেজের অধ্যাপক অনিক রহমান বুলবুল, শাপলা ইউনিভার্সাল সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক আমির হোসেন বাবু, সবুজ পৃথিবীর উপদেষ্টা দিলআরা বেগম মিনা, সেবক সংস্থার নির্বাহী পরিচালক নাজমুজ সালেহীন, সবুজ পৃথিবীর পরিচালক শারমিন আলম, সংগঠক নাদিয়া ইসলাম, জান্নাতুল ফেরদৌস জলি প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সবুজ পৃথিবীর সাধারণ সম্পাদক সহিদ মাহমুদ।
বৃক্ষরোপণকালে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। স্বাধীনতা দিবসের এই ঐতিহাসিক ক্ষণে দেশকে সবুজে শ্যামলে ভরিয়ে তোলার শপথ নিয়ে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। তারা কেবল গাছ রোপণই নয়, বরং রোপিত গাছের সঠিক পরিচর্যার ওপরও বিশেষ জোর দেন।
দিনব্যাপী এই কর্মসূচিতে মহাসড়কের নগরজলফৈ বাইপাস সংলগ্ন খালি জায়গায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।
এ সময় সংগঠনের অন্যান্য কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং পরিবেশকর্মী ও তরুণ শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার(২৬ মার্চ) সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ৩১ বার তোপধ্বনি ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির সূচনা করা হয়।
জেলা সদরের জনসেবা চত্বরে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে প্রথমে রাষ্ট্রের পক্ষে জেলা প্রশাসক শরীফা হক এবং জেলা পরিষদের পক্ষে প্রশাসক এসএম ওবায়দুল হক নাসির পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। পরে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা ও আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এক মিনিট নিরবতা পালন ও দোয়া করা হয়।
অন্যদিকে, শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে সকাল ৮টায় মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড, বিএনপি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, রেড ক্রিসেন্ট, শ্রমিক, নাট্য, নৃত্য, ব্যাংক-বীমা, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করে।
অপরদিকে, দিনটি উপলক্ষে সকাল ৮টায় শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের সমাবেশ, কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে প্রদর্শণ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে দিবসের আলোচনা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, জেলা প্রশাসক শরীফা হক। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার অ্যাডভোকেট আব্দুল খালেক মন্ডল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীন মিয়া প্রমুখ। পরে বীরমুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে অনুমোদনহীন একটি ‘মিনি পেট্রোল পাম্প’-এর কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
রোববার(৮ মার্চ) বিকেলে সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের বাসাখানপুর বাজারে অভিযান চালিয়ে পাম্পটি বন্ধের পাশাপাশি মালিককে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল শহর সংলগ্ন বাসাখানপুর বাজারে আব্দুর রাজ্জাক নামে এক ব্যক্তি গত কয়েক মাস ধরে ‘এআর ট্রেডার্স’ নামক এই মিনি পেট্রোল পাম্পটি পরিচালনা করছিলেন। পাম্পটি পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় কোনো বৈধ কাগজপত্র ছিল না। এছাড়া চলমান সংকটকালীন সময়ে এই পাম্পে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে পেট্রোল বিক্রি করা হচ্ছিল এবং প্রতিটি মোটরসাইকেলে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকার বেশি তেল দেওয়া হচ্ছিল না।
সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল জানান, বাজার তদারকির অংশ হিসেবে আমরা নিয়মিত কাজ করছি। সদর উপজেলার বাসাখানপুর বাজারে অনুমোদনহীনভাবে পাম্প গড়ে তুলে বেশি দামে পেট্রোল বিক্রির অপরাধে এআর ট্রেডার্সের মালিক আব্দুর রাজ্জাককে নগদ ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একইসাথে পাম্পটির পেট্রোল বিক্রি কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
অভিযান চলাকালে টাঙ্গাইলের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শাহিদা আক্তার এবং কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু জুবায়ের উজ্জলসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
রোববার বিকেলে সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের বাসাখানপুর বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল শহরের ৩ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম আকুর টাকুর এলাকার লৌহজং নদীর পাড় থেকে সামনা বেগম (৫৫) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সে শহরের পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়া এলাকার আবুল কাশেমের স্ত্রী।
শনিবার (৭ মার্চ) সকালে শহরের লৌহজং নদীর পাড়ে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নিহতের স্বজনরা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় সামনা বেগমের ভাগিনা শাওন তাকে মোবাইল ফোনে ডেকে নেন। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরদিন সকালে নদীর পারে তার মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানায়।
স্থানীয়রা জানান, মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে নিহত সামনা বেগমের সঙ্গে তার ভাগিনা শাওনের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধ ছিল।
এ বিরোধের জেরেই তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন অনেকে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের দেহের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরমান কবীরঃ: টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলামের (ভিপি জোয়াহের) জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে সখীপুর উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের বেরবাড়ি গ্রামে তাকে দাফন করা হয়।এর আগে সোমবার ভোরে ভারত থেকে সাবেক এই এমপির মরদেহ টাঙ্গাইলে এসে পৌঁছায়।
গত শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭০ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। রবিবার রাতে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে তার মরদেহ বাংলাদেশে আনা হয়।
সোমবার দুপুর ১২টায় টাঙ্গাইল জেলা সদর হেলিপ্যাডে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বেলা ৩টায় সখীপুরের বেরবাড়ি জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজা শেষে স্থানীয় সামাজিক গোরস্থানে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়। জানাজায় বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম, জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা ও মাল্টি অর্গান ফেইলিওরসহ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান। মৃত্যুর তিন দিন আগে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন থেকে প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পাওয়ার পর তার মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়।
অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম টাঙ্গাইল আদালতের একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ছিলেন। তিনি করটিয়া সরকারি সা’দত কলেজ ছাত্র সংসদের দু’বারের নির্বাচিত ভিপি এবং জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি টাঙ্গাইল-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তিনি ভারতে চলে যান। তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাধিক মামলা রয়েছে
আরমান কবীরঃ জেলা পর্যায়ে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মুরগির মাংসসহ বিভিন্ন প্রোটিনসমৃদ্ধ খাদ্যসামগ্রী বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার।এরই অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলে এই বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
শনিবার ( ২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন,কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
এ সময় তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন,সারাদেশে প্রায় ১০ লাখ মানুষকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, রমজানকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে প্রোটিনজাতীয় খাদ্য পৌঁছে দিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। কোনোভাবেই কৃত্রিম সংকট বা অতিরিক্ত মূল্য আদায় বরদাস্ত করা হবে না।
এছাড়াও তিনি জানান, পোলট্রি শিল্প যেন টিকে থাকতে পারে সেজন্য খামারিদের সাথে বসে তাদের সমস্যাগুলো শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ সময় টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক সহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
আরমান কবীরঃ খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের কোনো ঘাটতি নেই। পর্যাপ্ত মজুত আছে বলে জানিয়েছেন কৃষি, খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা যেভাবে দেখছি, আল্লাহর রহমতে সবকিছু ঠিকভাবেই আছে, কোনো ঘাটতি নেই। ইনশাআল্লাহ, আমরা তদারকির মাধ্যমে এগুলো সুন্দরভাবে ম্যানেজ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
পবিত্র মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধকল্পে তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে বাজার মনিটরিং সেল করা হয়েছে। যারা বাজারের নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে রয়েছেন, তারা কাজ করে যাচ্ছেন। আজকের মিটিংয়ে তারা বিস্তারিত উপস্থাপন করেছে। আশা করি, মনিটরিং এবং তদারকির মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধান সম্ভব হবে।’
সভায় জেলা প্রশাসক শরিফা হক সভাপতিত্বে ছিলেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক সঞ্জয় কুমার মহন্ত এবং জেলা পর্যায়ের সকল দপ্তরের কর্মকর্তারা।
আরমান কবীরঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণার শেষ দিনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর বিশাল ‘আখেরি মিছিল’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পৌর উদ্যানে এসে শেষ হয়। মিছিলটির নেতৃত্ব দেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
এর আগে বেলা সাড়ে ৩টা থেকেই পৌর উদ্যানে নেতাকর্মীদের জমায়েত শুরু হয়। পরে টুকুর নেতৃত্বে মিছিলটি নিরালা মোড়, মেইন রোড, থানার সামনে, বড় কালিবাড়ি, পুরান বাসস্ট্যান্ড ও রেজিস্ট্রিপাড়া ঘুরে পৌর উদ্যানে এসে শেষ হয়।
মিছিলে জেলা বিএনপি, মহিলা দল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল ও তাঁতী দলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন। দলীয় পতাকা, ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে নেতাকর্মীদের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে শহরের প্রধান সড়কগুলো। পুরো আয়োজনকে ঘিরে পুরো শহর উৎসবের নগরে পরিণত হয়।
মিছিলের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন। পরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, সারা টাঙ্গাইলের মানুষ আমাকে যেভাবে সমর্থন দিয়েছেন, তাতে আমি সবার কাছে চিরকৃতজ্ঞ। আজ থেকে আমি আমার এই জীবন টাঙ্গাইল সদরবাসীর জন্য উৎসর্গ করে দিলাম।
তিনি বলেন, আজকের উপস্থিতি প্রমাণ করে টাঙ্গাইলে ধানের শীষের বিকল্প কেউ নেই। টাঙ্গাইলের উন্নয়নের জন্য তিনি যে সাত দফা দাবি উত্থাপন করেছেন, জনগণের ভোটে বিএনপি নির্বাচিত হলে সেগুলো বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
টুকু বলেন, ১৪, ১৮ ও ২৪ সালে আমরা ভোট দিতে পারিনি। ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াসহ অসংখ্য নেতাকর্মী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আমি নিজেও পাঁচ বছরের বেশি সময় কারাগারে থেকেছি, রিমান্ডে অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়েছি। এত শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা আজ একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের সামনে দাঁড়িয়ে আছি।
দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করার অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, তিনি কখনো অন্যায়কে প্রশ্রয় দেবেন না এবং নিজেও কোনো অন্যায় করবেন না। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন, ধানের শীষ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের প্রতীকই নয়, এটি দেশের মানুষের প্রতীক। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষের বিজয় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবালের শেষ নির্বাচনী প্রচারণা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌরউদ্যান টাঙ্গাইল সদরের বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে নির্বাচনী প্রচারণা মিছিল এসে পৌর উদ্যানে সমাবেত হয়।
পরে একটি বিশাল ও বর্ণাঢ্য মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পৌরউদ্যানে এসে শেষ হয়।
মিছিল পূর্ব সমাবেশে অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল বলেন,টাঙ্গাইলবাসীর ভালোবাসা ও সমর্থনে আমি অভিভূত। টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ও পৌর সভার ১৮টি ওয়ার্ড থেকে থেকে আপনারা আখেরী মিছিলে অংশ নিতে এসেছেন—এ জন্য আপনাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।
তিনি আরও বলেন,আপনাদের ভোটে নির্বাচিত হতে পারলে টাঙ্গাইলকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দখলদারমুক্ত একটি শান্তিপূর্ণ শহর হিসেবে গড়ে তুলবো, ইনশাআল্লাহ।
এসময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, একটি স্বার্থান্বেষী পক্ষ বহিরাগতদের টাঙ্গাইলে প্রবেশ করিয়ে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
ফরহাদ ইকবাল বলেন,আমার নেতাকর্মীদের নানাভাবে ভয়ভীতি ও হয়রানি করা হচ্ছে। তবে কেউ ভয় পাবেন না। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমেই জনগণ এসব অপশক্তির জবাব দেবে।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শহর বিএনপির সাবেক সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম, সদর থানা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি হাদিউজ্জামান সোহেল সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে টাঙ্গাইলে এমনভাবে পর্যটনশিল্প গড়ে তোলা হবে, যাতে আর চট্টগ্রাম বা কক্সবাজার যেতে না হয়; বরং পর্যটকরাই টাঙ্গাইলে আসবেন।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সদর উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের খোলাবাড়ি মাদরাসা মাঠ প্রাঙ্গণে ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আগামী দিনে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে দেশ গড়ে তুলতে হবে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ‘ভোট দেব ধানের শীষে, দেশ গড়ব মিলেমিশে’ স্লোগান বাস্তবায়নে তিনি কাজ করবেন। তিনি জানান, সম্প্রতি টাঙ্গাইলে নির্বাচনী সমাবেশে তারেক রহমানের কাছে টাঙ্গাইলের উন্নয়নে কয়েকটি দাবি তুলে ধরা হয়েছে। তারেক রহমানও সব দাবি পুরণের আশ্বাস দিয়েছেন।
তিনি বলেন, টাঙ্গাইল সদরের একজন মানুষও যাতে বেকার না থাকে, সেভাবেই পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। টাঙ্গাইলে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা গেলে দেড় থেকে দুই লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। এর অন্তত অর্ধেক চাকরি সদর উপজেলার মানুষের হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। এতে প্রায় প্রতিটি পরিবারেই কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
চরাঞ্চলের উন্নয়ন প্রসঙ্গে টুকু বলেন, যমুনা তীরবর্তী এলাকায় স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের পর সেখানে একটি সুন্দর পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। এতে অতিরিক্ত ২০ থেকে ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। তখন চরের মানুষকে আর চট্টগ্রাম বা কক্সবাজার যেতে হবে না; বরং বাইরের মানুষই টাঙ্গাইলে ভ্রমণে আসবে।
বিএনপি সরকার গঠন করলে এসব দাবি বাস্তবায়ন করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মায়েদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড এবং সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হেলথ কার্ড চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে টুকু বলেন, গতকাল একটি দলের প্রধান টাঙ্গাইলে এসেছিলেন, যাদের নাম জামায়াতে ইসলাম। কিন্তু টাঙ্গাইলের উন্নয়ন নিয়ে একটি কথাও বলেননি। জনগণের জন্য কী করতে চান, সেটাও স্পষ্ট করেননি তারা।
তিনি বলেন, মা-বোনদের কোরআন হাতে দিয়ে তারা ভোট চাইছে। ইমানদার লোক কখনো এমন করতে পারে না। এরা স্বাধীনতাবিরোধী, তাদের কর্মকাণ্ডও ইসলামবিরোধী। মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী বলেছেন, নীল নদের পানি যেমন নীল নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়।
টুকু আরও বলেন, টাঙ্গাইলকে সন্ত্রাস, কিশোরগ্যাং ও মাদকমুক্ত একটি নিরাপদ নগরে পরিণত করতে তিনি কাজ করবেন। যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং সবাইকে নিয়ে একটি নিরাপদ টাঙ্গাইল গড়ে তোলা হবে বলে তিনি অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।