আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল পৌরসভায় এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন একটি সিসি উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ না করেই অর্থ উত্তোলনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার, সাবেক কাউন্সিলর ও প্রকৌশলীদের যোগসাজশে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে প্রায় ৩ লাখ ৬৭ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
সূত্র জানায়, টাঙ্গাইল পৌরসভার বেড়াবুচনা এলাকার একটি সিসি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের অনুমোদন দেওয়া হলে, প্রস্তাবিত কাজটি শাকিল এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়।
এই কাজের তদারকির দায়িত্বে ছিলেন সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল আলীম। অনুমোদন থাকলেও বাস্তবে ওই এলাকায় এই ধরনের কোনো সিসি কাজের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কাগজে-কলমে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে বিল উত্তোলন করা হয়েছে। বাস্তবে কোনো কাজ না হওয়ায় জনগণের করের টাকার অপচয় ও লুটপাট করা হয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই এলাকায় কোনো উন্নয়ন কাজ হতে দেখেননি। অথচ কাগজপত্রে প্রকল্পটি সম্পন্ন দেখানো হয়েছে, যা সুস্পষ্টভাবে দুর্নীতির প্রমাণ।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্প পরিদর্শনের দায়িত্বে থাকা পৌরসভার প্রকৌশলী শামীম আল মামুন ও প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম সরেজমিনে কাজ না দেখেই কাজ সম্পন্নের ছাড়পত্র দেন। ফলে সংশ্লিষ্টরা সহজেই অনিয়মের সুযোগ পেয়েছে এবং দুর্নীতি আরও বেড়েছে।
অভিযুক্ত সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল আলীম মুঠোফোনে জানান, ওই জায়গায় দেয়াল থাকায় তখন কাজ করা সম্ভব হয়নি। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যেই কাজটি করে দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাজাহান মিয়া মুঠোফোনে জানান, তিনি বর্তমানে অসুস্থ। এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানেনা তিনি।
স্থানীয় সচেতন মহল এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা অনতিবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
আরমান কবীর:ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮(বাসাইল-সখীপুর) আসনে বিএনপি প্রার্থী আহমেদ আযম খানের বিরুদ্ধে নির্বাচনি আচরনবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠেছে। একই অভিযোগ উঠেছে সখীপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) টাঙ্গাইলের নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আশরাফুল আলম তাদেরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন।
জানা যায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ সংসদীয় আসনের বিএনপির প্রার্থী আহমেদ আযম খান নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে ভোট প্রার্থনা ও অনুদান ঘোষণা করছিলেন। এ অভিযোগ পেয়ে ওই আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের গত ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠান।
নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আশরাফুল আলম লিখিত অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত ভিডিও ও ছবি পর্যালোচনা করে দেখতে পান, একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে আপনি অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বক্তব্যে বলেছেন, ‘১২ বার তো ভোট দিয়েছেন এবার ১৩ বার এর নির্বাচনে হিসেব করে ভোট দেন। আমি ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছি। আমার দল বিএনপি ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছে আগামি নির্বাচনে বিএনপি পাস করলে দুই কোটি ফ্যামিলি কার্ড দিবে।’ এছাড়া তিনি নির্বাচনের প্রথম বছরে দুইটি রাস্তা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত ভিডিও যাচাই করে সত্যতা পাওয়ায় আহমেদ আযম খানের রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর বিধান লঙ্ঘনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়।
অপরদিকে, একই সংসদীয় আসনে সখীপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. শরিফুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে একজন প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত ছবিসমূহ পর্যালোচনায় অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। ফলে তাদের দুজনকে টাঙ্গাইলের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনে স্থাপিত নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আদালতের কাছে কারণ দর্শাতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে রিয়াদ খান (২৫) নামে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক এক কর্মীকে আটক করেছে থানা পুলিশ।
সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নের মল্লিক মার্কেট এলাকার একটি রেস্টুরেন্ট থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক রিয়াদ খান উয়ার্শী গ্রামের শহীদুজ্জামান খানের ছেলে। সে উয়ার্শী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক কর্মী ছিলেন বলে জানা গেছে।
মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক হাদিউজ্জামান জানান, রিয়াদ নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মী। তার নামে এর আগেও একটি মারামারি মামলা রয়েছে। সেই মামলায় তিনি জামিনে রয়েছেন। কোন মামলায় তাকে আটক করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের কুইজবাড়ী গ্রামে বসতভিটার সীমানা বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা ও প্রাণনাশের হুমকিতে বাদী পরিবার বর্তমানে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ১০ ডিসেম্বর( বুধবার) বিকেলে কুইজবাড়ী গ্রামের বাদীর বাড়িতে তাদের শরিক অভিযুক্ত জাহিদ, শহিদ, তাদের পিতা হামেদ আলীসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩–৪ জন সংঘবদ্ধ হয়ে বাদীর মা অনামিকা বেগমকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। এ সময় অনামিকা বেগম প্রতিবাদ করলে বিবাদীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে তাড়া করে বসতঘরে ঢুকে জোরপূর্বক টেনে-হেঁচড়ে বাড়ির উঠানে নিয়ে আসে এবং এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও তলপেটে লাথি মারতে থাকে।
একপর্যায়ে অভিযুক্ত জাহিদ অনামিকা বেগমের তলপেটে সজোরে লাথি দিলে তার পূর্বের সিজারিয়ান অপারেশনের সেলাই ছিঁড়ে গুরুতর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। এ সময় বিবাদীরা তার পরনের কাপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটায়।
অনামিকা বেগমের চিৎকারে তার স্বামী জাহিদুর রহমান এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয়। অভিযুক্ত জাহিদ ও শহিদ তার ডান চোখে আঘাত করে চোখ নষ্ট করার চেষ্টা করলে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। চার দিন চিকিৎসা শেষে আহতদের ছেলে রাব্বি বাদী টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ দায়েরের পর বিবাদীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে বাদী পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে। এতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে বাদী পরিবার, ঘরবাড়ি ছেড়ে কালিহাতী উপজেলার চিনামুড়া এলাকায় আশ্রয় নেয়।
আহত জাহিদুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, হামলার একপর্যায়ে অভিযুক্ত জাহিদ বসতঘরে ঢুকে ট্রাংক ভেঙে নগদ ৮০ হাজার টাকা লুট করে এবং অভিযুক্ত শহিদ তার স্ত্রীর গলায় থাকা ১২ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়।
অনামিকা বেগম বলেন, হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পরও বিবাদীরা আমাদের ক্রমাগত প্রাণনাশের হুমকি দেয়। তারা এলাকায় অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ায় আমরা বর্তমানে বাড়িছাড়া।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ফরহাদ হোসেন জানান, বিষয়টি তিনি অবগত আছেন এবং গ্রাম্য শালিসে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চলছে। বর্তমানে বাদী পরিবার এলাকা ছাড়া রয়েছে এবং তাদের নিরাপদে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (উপপরিদর্শক) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিন তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমীন বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরমান কবীর: টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে খেজুরের রস খেয়ে বাড়ি ফেরার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তাওহীদ নামে ৮ম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্র মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২ জন।
রবিবার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের পাকুটিয়া বেইলী ব্রিজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত তাওহীদ উপজেলার বল্লা ইউনিয়নের রামপুর দরগাবাড়ি গ্রামের প্রবাসী হারুনের ছেলে। এ ঘটনায় আহত দুইজন একই গ্রামের জিহাদ ও হাসান।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, তিন মোটরসাইকেলে ৯ জন কালিহাতীর ধানগড়া গ্রামে রবিবার ভোরে খেজুরের রস খেতে যান। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে পাকুটিয়া এলাকায় দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি বেইলি ব্রীজের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই তাওহীদের মৃত্যু হয়। এ সময় দুইজন গুরুত্বর আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কতব্যরত চিকিৎসক জিহাদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে ।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, গুরুত্বর আহত জিহাদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। আহত হাসানকে হাসপাতালের ভর্তি করা হয়েছে।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, নিহত তাওহীদের মরদেহ কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে এক স্কুল ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার(২ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বেতুয়া গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয় বলে জানান সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূঞা ।
মৃত জিহাদ(১০) ওই এলাকার প্রবাসী আনিস মিয়ার ছেলে এবং স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
মৃতের চাচাত ভাই জনি বলেন, “সন্ধ্যার পর বাড়িতে একই বয়সের চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে জিহাদের ঝগড়া হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জিহাদের মা তাকে বকাঝকা করেন। এরপর সে দৌড়ে নিজের ঘরে চলে যায়।
“রাত ৮টার দিকে ওই ঘরে ঢুকে জিহাদকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।”
স্থানীয় আরিফুর রহমান বলেন, “ঘটনাটি মর্মান্তিক, তবে বর্তমান সময়ে যারা বাবা-মা আছেন তাদের জন্য শিক্ষণীয়। শিশুর প্রতি কেমন আচরণ করতে হবে, এ বিষয়ে আমাদের শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে।”
সখিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূঞা বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে প্রথমে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে পরিবারের দাবিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই তা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে নিজের বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলেকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।দীর্ঘ তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ঘটে যাওয়া আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের রায় ঘোষণা করা হয়েছে।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের জেলা ও দায়রা জজ মো: হাফিজুর রহমান এ দণ্ডাদেশ দেন।
দণ্ডিত আসামি হলো- টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার দড়িপাড়া পশ্চিমপাড়া এলাকার আব্দুস সামাদের ছেলে ওয়াহেদুজ্জামান।
টাঙ্গাইলে সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, গত বছর ২৫ ফেব্রুয়ারি পারিবারিক কলহের জের ধরে নিজ বাড়িতে বাবা আব্দুস সামাদকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে পালিয়ে যায় তার ছেলে ওয়াহেদুজ্জামান। পরে নিহতের ভাই আবদুর রশিদ সখিপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করলে আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বিচার শেষে রোববার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। মৃত্যুদণ্ড ছাড়াও আসামিকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। আসামি গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই জেলহাজতে আটক রয়েছে।
আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন রাষ্ট্র কর্তৃক নিয়োজিত আইনজীবী অ্যাডভোকেট গোলাম মোস্তফা মিয়া।রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, এই রায়ে হত্যার বিচারে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা আরও সুদৃঢ় হলো।
এই রায়ে আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত বিচার প্রার্থীদের মধ্যে স্বস্তির সঞ্চার হয়।
আরমান কবীরঃ নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের লক ডাউন চলা কালে টাঙ্গাইল বাসাইলে আলোচিত দাহ্য পদার্থ দিয়ে যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বাসযাত্রী সদ্য বিবাহিত তরুণী মিম (২২) হত্যা মামলায় জড়িত সহ একাধিক মামলার পলাতক আসামী মোঃ নজরুল ইসলাম (৬০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার চরপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃত নজরুল উপজেলার বাঐখোলা গ্রামের মৃত আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে।
শুক্রবার(২৮ নভেম্বর)সকালে র্যাব-১৪,সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল ক্যাম্প হতে দেয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
র্যাব-১৪, সিপিসি-৩ এর টাঙ্গাইল ক্যাম্পের অধিনায়কের পক্ষে সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া অফিসার) লুৎফা বেগম প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গত ১৩ নভেম্বর রাত আনুমানিক ১২টা ১০ মিনিটের সময় আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠন) ডাকা লক ডাউন সফল করার উদ্দেশ্যে ঢাকা-যমুনাসেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল উপজেলার বাঐখোলা স্টেট ফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিস অফিসের সামনে যমুনা সেতুগামী লেনের উপর অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতিকারী সন্ত্রাসীরা নারায়ণগঞ্জ হতে ছেড়ে আসা পাবনাগামী “বাংলা স্টার” নামক যাত্রীবাহী বাসে দাহ্য পদার্থ ব্যবহার করলে আগুন লাগিয়ে দেয়। ফলে বাসে থাকা যাত্রীরা জীবন বাঁচানোর জন্য দ্রুত বাস থেকে নেমে গেলেও মহিলা যাত্রী তরুণী মিম (২২) আগুনে দগ্ধ হয় এবং ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। উক্ত ঘটনায় ১৩ নভেম্বর বাসাইল থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা হয়। উক্ত মামলা রুজু হওয়ার পর র্যাব-১৪,সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্প ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে তৎপর হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১৪ টাঙ্গাইল এর একটি চৌকস আভিযানিক দল ধৃত আসামীর বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত হয়ে বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার চরপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত মামলায় জড়িতসহ একাধিক মামলার পলাতক আসামী মোঃ নজরুল ইসলাম (৬০) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
ধৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাসাইল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কার্যত্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা সুলতান মিয়ার টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার(২৬নভেম্বর)রাতে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে তার বুকে ব্যথা অনুভব করলে রাতে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন জেলার মুহাম্মদ জাহেদুল আলম।
নিহত সুলতান মিয়া গোড়াই হরিরপাড়া গ্রামের মৃত আজমত আলীর ছেলে। সে উপজেলার গোড়াই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের (পূর্ব) ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিল।
গত বছর ৪ আগস্ট ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সংলগ্ন গোড়াই হাইওয়ে থানার সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে পুলিশের ছররা গুলিতে গোড়াই ইউনিয়নের লালবাড়ি গ্রামের হিমেলের দুই চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ঘটনার পর হিমেলের মা নাছিমা বেগম টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মির্জাপুর আমলি আদালতে পুলিশ, সাংবাদিক ও আওয়ামী লীগ নেতাসহ ১০০ জনের নাম উল্লেখ এবং ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেন। ওই মামলার এজাহারভূক্ত আসামি হিসেবে গত ২৮ অক্টোবর আওয়ামী লীগ নেতা সুলতান মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত প্রায় এক মাস ধরে তিনি টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে আটক ছিলেন।
মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, টাঙ্গাইল কারাগারে হাজতির মৃত্যুর খবর পেয়েছি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে কারা কর্তৃপক্ষই লাশ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করবে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি হত্যচেষ্টা মামলায় সাবেক (অপসারণকৃত) ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ নেতা শামীম খানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় মির্জাপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের পাহাড়পুর নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত শামীম খান মির্জাপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিলো বলে জানিয়েছেন মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রাশেদ ফজল।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৫ আগস্ট শহীদ ভবানী প্রসাদ সাহা সরকারি কলেজে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ছাত্রলীগের কয়েকজনসহ ৩৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১০০ থেকে ১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জোবায়েদ ইসলাম নিঝুম। ওই মামলায় এজাহারভুক্ত আসামী ছিলেন শামীম খান।
মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে গ্রেপ্তারকৃত শামীমকে মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর অন্তবর্তীকালীন সরকার প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে দেশের সকল পৌরসভার কাউন্সিলরদের অপসারণ করলে শামীম কাউন্সিলরশীপ হারান।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে বিগত তিন বছর যাবৎ জীবিকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বন অটোরিকশা চুরির বিচার ও প্রতিকার চেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন মো. মাজেদুর রহমান নামে এক অসহায় অটোচালক।
অটোরিকশা চোর চক্রটি তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় থাকায় তিনি টাঙ্গাইল সদর থানায় অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাননি। বরং প্রতি পদে পদে তাকে সহ্য করতে হয়েছে অবজ্ঞা ও দুর্ব্যবহার। এখন মাজেদুর একটি মুদির দোকানে কাজ করেন। মুদির দোকানের অল্প আয়ে সে কোনরকমে দুই মেয়ে, এক ছেলে ও স্ত্রী নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অটোরিকশা চালিয়ে তিনি তার বড় মেয়েকে বিয়ে দিতে পারলেও বর্তমানে তিনি মুদির দোকানের সল্প আয়ে দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে পড়ালেখা করাতে হিমশিম খাচ্ছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের আগস্ট মাসের ২৪ তারিখ সকালে তিনি তার অটোরিকশা নিয়ে প্রতিদিনের মতো জীবিকা নির্বাহের জন্য বের হন। সেদিন রাত ১০ টার সময় শহরের বড় কালিবাড়ী এলাকা থেকে একটি সাদা রংয়ের পাজেরো জিপ তাকে ফলো করে টাঙ্গাইল আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন সাব পোস্ট অফিসের সামনে তার অটোরিকশার গতি রোধ করে এবং অটোর চাবি ছিনিয়ে নেয়। তিনি তাতে বাধা দিলে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে তাকে আহত করে অটোরিকশা থেকে ফেলে দেয়। এসময় তার বুক পকেটে থাকা নগদ ১৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। তার ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা ঘটনাস্থল থেকে অটোটি নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। তার অটোরিকশাটি পৌরসভার লাইসেন্স ভুক্ত যার নাম্বার – ১৫৩৬। পরে মাজেদুর রহমান বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় পাঁচজনকে আসামি করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযুক্তরা হলেন, টাঙ্গাইল পৌরসভার থানাপাড়া এলাকার মৃত মাখন মিয়ার ছেলে মো. মেহেদী (৪৫), মৃত কমল মিয়ার ছেলে তানজিল (৩০), লাল মিয়ার ছেলে সাজ্জাদ (৩০), আশিক (২৫) (পিতা অজ্ঞাত), মমিন মিয়া (৪০) (পিতা অজ্ঞাত)।
অভিযুক্তরা সবাই তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকায় তৎকালীন টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোশাররফ হোসেন ও তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মুরাদ হোসেন অভিযোগের ভিত্তিতে কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ না করেই উল্টো মাজেদুরকে বিভিন্ন ধরনের ঘুমকি-ধামকি দিতে থাকে। তাকে অভিযোগ প্রত্যাহারের জন্যও চাপ প্রয়োগ করে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটলে মাজেদুর পুনরায় টাঙ্গাইল সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ তাকে কোন ধরনের অভিযোগ দায়েরের সুযোগ না দিয়ে বলেন, এটি অনেক পুরোনো ঘটনা ও আসামিরা সবাই পলাতক। ফলে পুনরায় আইনের ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হন অসহায় মাজেদুর।
মাজেদুর উপার্জনের একমাত্র সম্বল অটোরিকশাটি হারিয়ে বর্তমানে একটি মুদির দোকানে কাজ করে স্ত্রী সন্তান নিয়ে কোন রকমে দিন পার করছেন।
মাজেদুর জানান, তিনি দিনমজুর ও অসহায় হওয়ায় শহরের প্রাণকেন্দ্র থেকে প্রকাশ্যে তার অটোরিকশাটি ছিনতাই করে নিয়ে গেলেও থানায় অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাননি। গত তিন বছর যাবত তিনি থানাসহ বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন প্রতিকার পাওয়ার আশায় কিন্তু সবাই তাকে অবহেলা ও অবজ্ঞা করেছে।
তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর তিনি আশা করেছিলেন হয়তোবা এবার সুবিচার পাবেন কিন্তু তিনি এবারো নিরাশ হয়েছেন। তিনি জানান, গরিবের জন্য শুধু আল্লাহ তায়ালাই রয়েছেন। আমি তার বিচারের আশায় রয়েছি।
সদ্য বদলিকৃত টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিষয়টি তিন বছর আগের, এছাড়া অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা ও তৎকালীন অফিসার ইনচার্জ বদলি হওয়াতে এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি মানবিক হলেও আইনগত প্রক্রিয়ার কারণে এগোনো সম্ভব হচ্ছে না।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে বাসি-পচা মাংস দিয়ে খাবার প্রস্তুত ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্নার অভিযোগে জহিরুল ইসলাম নামে এক রান্নাঘর মালিককে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইল।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকালে পৌরসভার কান্দাপাড়া রোডে জেলা ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রোমেলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ওই রান্নাঘরে প্রস্তুত খাবার স্থানীয় কাচ্চি খাদক, হাজী বিরিয়ানি ও হানিফ বিরিয়ানিতে সরবরাহ করা হতো।
অভিযান প্রসঙ্গে আসাদুজ্জামান রোমেল বলেন, রান্নাঘরজুড়ে নোংরা পরিবেশ ও দুর্গন্ধ বিরাজ করছিল, প্রতিদিনই আগের দিনের বাসি খাবার এখানে গরম করে পুনরায় কাচ্চি খাদক, হাজী বিরিয়ানি ও হানিফ বিরিয়ানিতে সরবরাহ করা হতো।
যা ভোক্তার জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ। খাদ্য নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের দায়ে তাৎক্ষণিক জরিমানা আদায় করা হয় ও রান্নাঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযানে সেনাবাহিনী, পুলিশ সদস্য ও পৌর স্যানিটারি ইন্সপেক্টর উপস্থিত ছিলেন।