/ মূলপাতা / ঘাটাইল
টাঙ্গাইলে কাভার্ডভ্যান-মোটরসাইকে‌লের মু‌খোমু‌খি সংঘ‌র্ষে নিহত ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কাভার্ডভ্যান-মোটরসাইকে‌লের মু‌খোমু‌খি সংঘ‌র্ষে নিহত ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে কাভার্ডভ্যান ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময় গুরুত্বর আহত হয়েছেন আরও একজন।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) সকালে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উপজেলার কদমতলী এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ঘাটাইল থানা পুলিশ জানায়, উপজেলার টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কদমতলী বাজারের উত্তর পাশে মেসার্স জামাল কয়েল এন্ড লাকড়ি মিলের পশ্চিম পাশে সড়কের উপর মধুপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি মিনি কাভার্ডভ্যান (ঢাকা মেট্রো ১-১১-৩২০৮) ও কদমতলী থেকে ঘাটাইলের দিকে যাওয়া একটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ঘাটাইল থানা পুলিশ ঘটনার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে গুরুত্বর আহত মোটরসাইকেল আরোহী তিনজনের দুইজনকে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।

এদের মধ্যে কর্তব্যরত চিকিৎসক আলমগীর হোসেন বাদশাকে (৪৮) মৃত ঘোষণা করে। ‌

নিহত বাদশা উপজেলার গারট্ট গ্রামের মৃত জুলহাস উদ্দিনের ছেলে।

মোটরসাইকেলের অপর আরোহী জুয়েলকে (৪৫) কালিহাতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করে।

নিহত জুয়েল ঘাটাইল উপজেলার কাশতলা গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে। তিনি উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা হিসেবে গোপালপুরে কর্মরত ছিলেন।

দুর্ঘটনায় গুরুত্বর আহত মোটরসাইকেল আরোহী শামসুজ্জামান আদিলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস ছালাম মিয়া জানান, মরদেহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। চালককে আটক করাসহ ঘাতক কাভার্ডভ্যানটি আটক করে থানায় আনা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. জুন ২০২৪ ০৩:৫৬:এএম ৭ দিন আগে
একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রস্তুত-সেনা প্রধান - Ekotar Kantho

একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রস্তুত-সেনা প্রধান

একতার কণ্ঠঃ সেনা বাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে জাতির গর্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত রাখার দৃঢ় প্রত্যয়ে সকলকে সম্মিলিত ভাবে কাজ করায় সন্তুষ্ট প্রকাশ করছি। এর পাশাপাশি, আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অগ্রগতি অব্যাহত রাখার জন্য সকলের প্রতি আহবান করছি।

বুধবার (১২ জুন) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল শহীদ সালাউদ্দিন সেনানিবাসে পরিদর্শন ও সেনাবাহিনী প্রধানের বিদায়ী দরবারে বক্তব্যের সময় তিনি এসব কথা বলেন।এসময় সেনা বাহিনী প্রধান বক্তব্য দেওয়ার সময় অশ্রু সিক্ত হয়ে পড়েন।

সেনাবাহিনী প্রধানকে স্বাগত জানায় ১৯ পদাতিক ডিভিশন এবং শহীদ সালাউদ্দিন সেনানিবাসের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল হুসাইন মুহাম্মদ মাসীহুর রহমান, এসজিপি, এসপিপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি।

এরপর সেনাবাহিনী প্রধান ১৯ পদাতিক ডিভিশন এবং ঘাটাইল এরিয়ার সকল সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে বিদায়ী দরবার নেন।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ সহ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. জুন ২০২৪ ০৯:৪২:পিএম ১ সপ্তাহ আগে
টাঙ্গাইলে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ দুই মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ দুই মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে শান্তা আক্তার (১৯) নামে এক অন্তঃসত্ত্বা নারী ও জিয়াউর রহমান (৪৪) নামে এক রং মিস্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে ঘাটাইল থানা পুলিশ।

বুধবার (২২ মে) সকালে ও দুপুরে উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের কাশতলা দক্ষিণপাড়া গ্রাম ও দেওপাড়া ইউনিয়নের চৌরাশা গ্রাম থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের চৌরাশা গ্রাম থেকে শান্তা আক্তার নামে অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শান্তা উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের সাত্তার পাঠানের মেয়ে ও দেওপাড়া ইউনিয়নের চৌরাশা গ্রামের অটো চালক মামুনের স্ত্রী। বুধবার সকাল ১০টায় গৃহবধূ শান্তা আক্তার বাপের বাড়িতে যেতে চান। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। মামুন তার স্ত্রীকে পরদিন নিয়ে যাবে বলে বাড়ি থেকে ভ্যান নিয়ে বের হয়ে যান।

স্থানীয়রা আরও জানান, এরপর প্রতিবেশী এক মহিলা দুপুরে ওই বাড়িতে যান। এসময় তিনি শান্তাকে না দেখতে পেয়ে ডাক-চিৎকার করলে কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে জানালা দিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে খবর দিলে ঘাটাইল থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান।

অপরদিকে, বুধবার ভোর ৫ টায় উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের কাশতলা দক্ষিণ পাড়া গ্রামের জিয়াউর রহমান নামে এক রং মিস্ত্রি রান্নাঘরের ধন্নার সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। গত এক সপ্তাহ আগেও তিনি বিষ পান করেছিলেন। পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে তিনি বাড়ি ফিরে আসেন। কিছুদিন যাবৎ তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন‌ বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, অন্তঃসত্ত্বা নারী আত্মহত্যা করেছেন নাকি হত্যা সেটি ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর জানা যাবে। এ বিষয়ে থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হবে।

তিনি আরও জানান, মানসিক ভারসাম্যহীন জিয়াউর রহমানের পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে লাশ ময়না তদন্ত ছাড়াই দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. মে ২০২৪ ০৪:১৫:এএম ৪ সপ্তাহ আগে
টাঙ্গাইলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার হাটকয়েড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহরাব হোসাইনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দূর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও অর্থ আত্মাসাতের অভিযোগ উঠেছে।

আর প্রধান শিক্ষকের এসব কর্মকান্ডের ফলে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বিঘ্নিত হচ্ছে। ফলে অভিভাকরা ক্রমাগত তাদের সন্তানদের পার্শ্ববর্তী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করায় বিদ্যালয়টি প্রায় শিক্ষার্থী শূন্য হয়ে পরার উপক্রম হয়েছে।

স্থানীয় গ্রামবাসী ও অভিভাবকদের মতে প্রধান শিক্ষকের স্বেচ্ছাচারিতায় বিদ্যালয়টি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাড়িয়েছে। ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের অভিযোগ প্রধান শিক্ষক আসবাবপত্র ক্রয় ও মেরামতের নামে প্রতিষ্ঠানের লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও অভিভাবকরা জানান, গত ২০১১ সালের ২৭ মার্চ ঘাটাইল উপজেলার হাটকয়েড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন মো. সোহরাব হোসাইন। পার্শ্ববর্তী গ্রামে তার বসবাস হওয়ার কারণে স্থানীয় প্রভাবে যোগদানের পর থেকে নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন তিনি। বিদ্যালয়ের বিভিন্ন আসবাবপত্র ক্রয়ে রয়েছে ব্যাপক অনিয়ম। এছাড়া প্রতি বছর স্লীপ ফান্ডের অর্থ কোথায় কিভাবে ব্যয় করেন এ ব্যাপারে কমিটির অন্যরা কিছুই জানেন না।

ওই গ্রামের বাসিন্দা ও ওয়ার্ড আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী জানান, প্রধান শিক্ষক সোহরাব হোসাইন যোগদানের সময় ওই বিদ্যালয়ে বিভিন্ন ক্লাসে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় আড়াইশ। বর্তমানে ওই বিদ্যালয়ে প্রকৃত শিক্ষার্থীর সংখ্যা শতকের নীচে।

সরেজমিনে ওই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য মাহমুদুল হাসান মুকুল, কামরুল হাসান, অভিভাবক আবুল কালাম, গিয়াস উদ্দিন, নিতাই সুত্রধর সহ অনেকেই জানান, বিদ্যালয়ে পড়াশুনার কোন পরিবেশ নেই। প্রধান শিক্ষক নিজে চারজন সহকারী শিক্ষিকা নিয়ে অফিস রুমে প্রায়ই টাঙ্গাইলের কৌতুক অভিনেতা আহসানের ভাদাইমা নাটক দেখে সময় কাটান। এছাড়াও তিনি দাম্ভিকতার সাথে বলেন সরকারি চাকুরি করেন। এ স্কুলে শিক্ষার্থী না থাকলেও তার চাকুরি যাবেনা।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শামীম আল মামুন জানান, তিনি সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে প্রধান শিক্ষক কোন মাসিক প্রতিবেদনে স্বাক্ষর নেয়নি। এছাড়া বিদ্যালয়ের ভাউচারের বিপরীতে তার স্বাক্ষর জাল করে প্রধান শিক্ষক টাকা উত্তোলন করেছেন। বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও শিক্ষার মানোন্নয়ন হয়নি। বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ লাইন থাকলেও দীর্ঘদিন যাবত তা বিচ্ছিন্ন। বিদ্যালয়ের একমাত্র নলকূপটি অকেজো হয়ে পড়ে আছে।

ঘাটাইল উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাজমুল হোসাইন জানান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে নিয়ে নানা অভিযোগ রয়েছে। তবে তিনি অন্যত্র বদলীর জন্য অফ লাইনে চেষ্টা করছেন।

টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুব্রত কুমার বণিক জানান, তিনি এ বিষয়ে অবগত নন। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. মে ২০২৪ ০২:২০:এএম ১ মাস আগে
টাঙ্গাইলে নেশাগ্রস্ত ছেলের ধাক্কায় বাবা নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নেশাগ্রস্ত ছেলের ধাক্কায় বাবা নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নেশাগ্রস্ত ছেলের ধাক্কায় তপন সাহা (৫৫) নামে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার হামিদপুর সাহাপাড়া গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

নিহত তপন সাহা একই গ্রামের মৃত অনুদাস সাহার ছেলে। তার হামিদপুর বাজারে একটি মুদি দোকান ছিল।

স্থানীয়রা জানায়, নিহতের ছেলে তন্ময় সাহা (২৫) একজন মাদকসেবি। মঙ্গলবার দুপুরে তার বাবা দোকান বন্ধ করে বাসায় আসেন খাওয়ার জন্য। এ সময় বাড়িতে টাকার জন্য বাবার সাথে মাতলামি করে তর্কে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে ছেলে বাবাকে ধাক্কা ও কিলঘুসি দিলে বাবা ঘরের মেঝেতেই লুটিয়ে পড়ে সাথে সাথেই মারা যান। তবে পরিবারের দাবি, তিনি আগে থেকেই অসুস্থ ও হার্টের রোগী ছিলেন।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ করা হয়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. এপ্রিল ২০২৪ ০৪:২৬:এএম ২ মাস আগে
টাঙ্গাইলে স্বামীর মোটরসাইকেল থেকে পড়ে স্ত্রী নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বামীর মোটরসাইকেল থেকে পড়ে স্ত্রী নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে স্বামীর মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে স্ত্রী নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় গুরুত্বর আহত হয়েছেন তার স্বামী।

শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহতের পরিবার।

নিহতের নাম পাপিয়া বেগম (৪৫)। সে ঘাটাইল উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের পাঞ্জানা গ্রামের আনিছুর রহমানের স্ত্রী।

নিহতের ভাতিজা ফারুক হোসেন জানান, তার চাচা আনিছুর রহমান ঘাটাইল উপজেলা সহকারি মৎস কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। তার গ্রামের বাড়ি ঘাটাইল উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের পাঞ্জানা গ্রামে। তিনি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বাসা ভাড়া করে পাশ্ববর্তী উপজেলা কালিহাতীতে থাকতেন। শুক্রবার সকালে কালিহাতী থেকে মোটরসাইকেল যোগে স্ত্রী পাপিয়াকে নিয়ে তিনি গ্রামের বাড়ি ফিরছিলেন। সকাল ৮ টার দিকে বাড়ির কাছাকাছি বানিয়াপাড়া এলাকায় পৌঁছলে তার স্ত্রী মোটরসাইকেলের পেছন থেকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আনিসুর রহমান নিজেও মহাসড়কে পড়ে যান।

তিনি আরও জানান, স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠালে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান পাপিয়া বেগম। চিকিৎসকের বরাদ দিয়ে ফারুক জানান, বর্তমানে তার চাচা আনিছ শঙ্কামুক্ত আছেন।

ঘাটাইল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সজল খান জানান, ঘটনাটি আমরা শুনেছি। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশকে এ ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. এপ্রিল ২০২৪ ০৪:২১:এএম ২ মাস আগে
টাঙ্গাইলে দীর্ঘদিন পর সিদ্দিক ও খান পরিবার এক মঞ্চে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দীর্ঘদিন পর সিদ্দিক ও খান পরিবার এক মঞ্চে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের রাজনীতিতে খান পরিবার ও সিদ্দিক পরিবার নিয়ে রয়েছে নানা আলোচনা সমালোচনা। সব আলোচনা উপেক্ষা করে ৯০ দশকের পর এই প্রথম এক মঞ্চে বসলেন দুই পরিবার।

শনিবার (২ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সিদ্দিখালী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে শামসুর রহমান খান শাহজাহান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণীর আলোচনা সভায় তারা এক মঞ্চে বসেন।

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতি) আসনের সংসদ সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, এই পরিবারের সাথে আমার অনেক আগে থেকে সু-সম্পর্ক ছিল। কিন্তু মাঝখানে কিছু বিষয় নিয়ে সমস্যা দেখা দিলেও এখন আর নেই। রানা ও তার ভাইয়েরা যদি মনে করে যে আমাকে তারা মেনে চলবে তাহলে তাদের সাথে চলতে কোন বাঁধা নেই।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা বলেন, লতিফ চাচা আমাদের অভিভাবক তাই তার সাথে চলতে কোন বাঁধা নেই। আমরা চাই এক সাথে এক সঙ্গে রাজনীতি করতে।

এসময় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইরতেজা হাসান, ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস ছালাম মিয়া প্রমূখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. মার্চ ২০২৪ ০২:১৯:এএম ৪ মাস আগে
টাঙ্গাইলে খালাতো ভাই সেজে ওয়ার্কসপ কর্মচারীকে হত্যা, মা-ছেলেসহ গ্রেপ্তার ৫ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে খালাতো ভাই সেজে ওয়ার্কসপ কর্মচারীকে হত্যা, মা-ছেলেসহ গ্রেপ্তার ৫

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ওয়ার্কসপ কর্মচারীকে হত্যা মামলায় ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে আসামিদের বিভিন্ন জায়গা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, জেলার ঘাটাইল উপজেলার কামারচালা গ্রামের সোহাগ (১৫), উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের নাজমুল (২০), উপজেলার কামারচালা গ্রামের প্রধান আসামী সোহাগের মা খাদিজা (৩৩), উপজেলার নলমা গ্রামের সালমান জাহান জান্নাত (২১) ও জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তরুনীআটা গ্রামের সাব্বির তালুকদার জীবন (১৭)। এ সময় লুন্ঠিত মোটরসাইকেলটিও উদ্ধার করা হয়।

সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শরফুদ্দীন প্রেস ব্রিফ্রিংয়ে এ তথ্য জানান।

অতিরিক্তি পুলিশ সুপার শরফুদ্দীন বলেন, গত ২২ ফেব্রুয়ারি ঘাটাইল উপজেলায় মনির ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপের ভিতর থেকে নাহিদ হাসান (১৬) নামের এক ওয়ার্কসপ কর্মচারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এসময় হত্যাকারীরা একটি মোটরসাইকেল লুন্ঠন করে নিয়ে যান। পরে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার প্রধান আসামি হত্যার সাথে সরাসরি জড়িত সোহাগকে ঢাকার কদমতলী এলাকা থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও জানান, তার তথ্য মতে অপর আসামী নাজমুলকে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার পোড়াবাড়ীর বাস স্টেশন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। নাজমুলের দেওয়া তথ্য মতে খাদিজাকে গ্রেপ্তার করা হয়। খাদিজার দেওয়া তথ্য মতে অন্য দুই আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোহাগ লুন্ঠিত মোটরসাইকেলের জন্য নাহিদকে হত্যা করে। এই হত্যা মামলার আসামী সোহাগ ছিল নাহিদের দু-সর্ম্পকের খালাতো ভাই। ঘটনার দিন তাদের ওয়ার্কসপের সামনে ঘুরাঘুরি করতে দেখা যায় তাকে। আশেপাশের যারা শ্রমিক ছিল তারা জিজ্ঞেস করলে সোহাগ বলে আমি নাহিদের খালাতো ভাই হই। সোহাগ রাতে নাহিদের সাথে ছিল।

সোহাগকে জিজ্ঞেসাবাদ করা হলে সে জানায়, মোটরসাইকেলের জন্য তারা ওয়ার্কসপ কর্মচারীকে হত্যা করে। তার মূল পরিকল্পনা ছিল এই মোটরসাইকেল সে নিবে। পূর্ব পরিকল্পনাভাবে নাহিদকে হত্যা করে মোটরসাইকেল নিয়ে যায়। এই মোটরসাইকেল সরানোর জন্য সহযোগিতা করেছে সোহাগের মা খাদিজা। খাদিজা অপর দুজন সালমান ও সাব্বিরকে ২০ হাজার টাকা দেয়। তারা দুজন মোটরসাইলে নিয়ে জামালপুর রেখে আসে। হত্যার আগে আসামিরা নাহিদকে নেশা খাইয়েছে। নাহিদ নেশা খেয়ে যখন ঢোলে পরে। তারপর নাহিদকে কম্বল চাপা দিয়ে হত্যা করে। এ কথা আসামীরা স্বীকার করেছে। আসামীরা চারজন শ্রমিক তারা বিভিন্ন জায়গায় কাজ করে।

তিনি জানান, আসামীদের জিজ্ঞোসাবাদের জন্য আদালতে সাত দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে। এ ঘটনার সাথে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:১৩:এএম ৪ মাস আগে
টাঙ্গাইলে প্রবাসীর স্ত্রীসহ দুজনের লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রবাসীর স্ত্রীসহ দুজনের লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পৃথক ঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রীসহ দুজনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এরমধ্যে শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সাগরদিঘী এলাকার হাইস্কুল সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসা থেকে মিনা আক্তার (৩৫) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত মিনা আক্তার বেইলা এলাকার সৌদি আরব প্রবাসী খসরু মিয়ার স্ত্রী। সে স্থানীয় আইনউদ্দিন কাজী নামে এক ব্যক্তির বাসায় ভাড়া থাকতেন।

সাগরদিঘী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ভিক্টর ব্যানার্জী বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ঘর থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে আত্মহত্যার কোনো কারণ জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে, পৌরসভার খরাবর এলাকায় স্ত্রীর হাত-পা বেঁধে তার সামনেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন আহাদ (২৮) নামে এক যুবক। শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮ টার দিকে পৌরসভার খরাবর এলাকায় আলিম উদ্দিনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আহাদ নাটোর জেলার লালপুল থানার যুগাদা ইশ্বরদী গ্রামের ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি ‘আর এফ এল‘ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি এবং পৌরসভার খরাবর এলাকায় আলিম উদ্দিনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাদের পারিবারিক কলহের জের ধরেই শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে আহাদ তাদের থাকার ঘরে দরজা দিয়ে স্ত্রী লিমা খাতুনের হাত পা চেয়ারের সাথে বেঁধে স্ত্রীর সামনেই সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় রশি দিয়ে ঝুলে পড়েন। এ সময় লিমা খাতুনের চিৎকারে স্থানীয়রা দরজা ভেঙ্গে আহাদকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘাটাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম জানান, কী কারণে আহাদ আত্মহত্যা করতে পারে তা জানা যায়নি। তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

উভয়ের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:০৬:এএম ৪ মাস আগে
টাঙ্গাইলে গ্যারেজ থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গ্যারেজ থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নাহিদ হাসান (২৩) নামে এক গ্যারেজ মিস্ত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে ঘাটাইল থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের বীর ঘাটাইল এলাকার একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত নাহিদ উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের পোয়াকোলাহা গ্রামের ধলা মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয় মেসার্স মনির ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ নামে একটি গ্যারেজের মিস্ত্রী ছিলেন।

স্থানীয় একটি দোকানের কর্মচারী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, সকালে ভেকুর কাজ করছিলাম। নাট খোলার জন্য একটি যন্ত্রের প্রয়োজন হয়। নাহিদের গ্যারেজ বন্ধ দেখে দোকানের কাছে গিয়ে ডাকাডাকি করি। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে হঠাৎ খেয়াল করে দেখি গ্যারেজের একটি শার্টার সামান্য উঠানো। শার্টার পুরোটা উঠিয়ে নাহিদের কাছে গিয়ে ডাক দিলে সাড়া মেলেনি। শরীরে হাত দিয়ে ধাক্কা দিলে শরীর শক্ত লাগে। এরপর আশেপাশের লোকদের ডাক দিলে তারা এসে দেখেন নাহিদ মারা গেছেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।

গ্যারেজ মালিক মনির হোসেন ব্যবসার কাজে চট্টগ্রামে অবস্থান করছেন। তার বড় ভাই মনসুর আলী বলেন, নাহিদ তিন মাস ধরে এই গ্যারেজে কাজ করছেন। ঘটনাস্থলে দেখা যায় মোটরসাইকেলের লুকিং গ্লাস ও নম্বর প্লেট পড়ে আছে।

স্থানীয়দের ধারণা, রাতের কোনো এক সময় চোর মোটরসাইকেল চুরি করে নেওয়ার সময় নাহিদ দেখে ফেলায় তাকে হত্যা করা হতে পারে।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটা স্বাভাবিক মৃত্যু নয়। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:৫০:এএম ৪ মাস আগে
টাঙ্গাইলে ফজরের নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরা হলো না বজলুর রশিদের - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ফজরের নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরা হলো না বজলুর রশিদের

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মসজিদে ফজরের নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বজলুর রশিদ (৬০) নামে এক ব্যবসায়ী নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উপজেলার আঠারদানা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় দিগড় ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন ফনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত বজলুর রশিদ উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের আঠারদানা দক্ষিনপাড়া এলাকার মৃত আমীর উদ্দিনের ছেলে। তিনি রাইস মিলের ব্যবসা করতনে।

স্থানীয়রা জানান, তিনি প্রতিদিন ভোরে বাড়ি থেকে একা বের হয়ে মসজিদে জামায়াতে নামাজ আদায় করতেন। বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরার পথে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উপজেলার আঠারদানা এলাকায় পৌঁছালে পেছন দিক থেকে যাত্রীবাহী একটি অটোভ্যান তাকে চাপা দেয় । এতে তার মাথা ফেটে যায় এবং গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নিকটবর্তী কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তার প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। জেনারেল হাসপাতালে তার অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে তার পরিবার তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

ঘাটাইল উপজেলার দিগড় ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন ফনি জানান, মসজিদে নামাজে পড়তে যাওয়ার পথে এভাবে সড়ক দুর্ঘটনায় ব্যবসায়ী বজলুর রশিদের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:১৪:এএম ৪ মাস আগে
টাঙ্গাইলে ৭টি ইটভাটা বন্ধ করল পরিবেশ অধিদপ্তর, তিনটি ভাটাকে অর্থদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৭টি ইটভাটা বন্ধ করল পরিবেশ অধিদপ্তর, তিনটি ভাটাকে অর্থদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সাতটি অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) পরিবেশ অধিদপ্তরের সদর দপ্তরের নির্বাহী পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট সুলতানা সালেহা সুমী এ অভিযান পরিচালনা করেন।

পরিবেশ অধিদপ্তর টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক বিপ্লব কুমার সূত্রধর জানান, পরিবেশ ছাড়পত্রবিহীন অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত-২০১৯) অনুযায়ী এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঘাটাইল উপজেলার পাঁচটি পার্শ্ববর্তী কালিহাতী ও ভূঞাপুর উপজেলার দুটি ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

লাইসেন্সবিহীন সম্পূর্ণ অবৈধভাবে পরিচালিত এসব ইটভাটা মলিকদের কাছ থেকে ৩৯ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এর মধ্যে ছয়টি ইটভাটার মালিকের প্রত্যেককে ছয় লাখ টাকা করে এবং একজন ভাটা মালিককে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় ইটভাটার কিলন ভেঙে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের সহায়তায় পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ভাটার কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

অভিযান পরিচালনা করে বন্ধ করে দেওয়া ইটভাটাগুলো হলো ঘাটাইল উপজেলার সিংগুরিয়া গ্রামের সুজন ব্রিকস, সিয়াম ব্রিকস, স্বর্ণা ব্রিকস-২, মিশাল ব্রিকস ও লোকেরপাড়া গ্রামের এমএসটি ব্রিকস। কালিহাতী উপজেলার তালতলা গ্রামের একুশে ব্রিকস ও ভূঞাপুর উপজেলার ভারই গ্রামের কবির ব্রিকস।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের উপপরিচালক জমির উদ্দিন, সহকারী পরিচালক তুহিন আলম ও সহকারী পরিচালক জনাব সজীব কুমার ঘোষ প্রমুখ।

অভিযানে টাঙ্গাইল জেলার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।

জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচলক পরিচালক জমির উদ্দিন জানান, সোমবার সাতটি অবৈধ ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে ভাটার কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ সুরক্ষায় টাঙ্গাইল জেলায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

এদিকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকায় তিনটি ইটভাটার মালিককে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজিয়া হোসেন ও জান্নাতুল নাঈম বিনতে আজিজের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয় ভাটাগুলোতে। এ সময় জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জমির উদ্দিনসহ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জমির উদ্দিন জানান, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকায় মির্জাপুরের গোড়াই সৈয়দপুর এলাকার মেসার্স আশা ব্রিকস এন্ড কোং ও মেসার্স নূরজাহান ব্রিকসকে ছয় লাখ টাকা করে এবং রানাশাল এলাকার মেসার্স হাকিম এন্টার প্রাইজকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত)-২০১৯ অনুযায়ী ইটভাটা পরিচালনার জন্য মালিকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৩:১৪:এএম ৫ মাস আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।