আরমান কবীর: টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই যুবদল নেতা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও একজন।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার শালিয়াবহ-জাঙ্গালিয়া আঞ্চলিক সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোকছেদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত দুজন হলেন- উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের ঘোড়ারটেকি গ্রামের আলম হোসেনের ছেলে আবুল কাশেম (৪০) ও লক্ষিন্দর ইউনিয়নের কাজলা গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে হামিদুজ্জামান হামিদ (৩২)।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন একই এলাকার একাব্বর আলীর ছেলে কবির হোসেন (৩০)।
নিহত দুজনই উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য বলে নিশ্চিত করেছেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক আনোয়ার হোসেন। আগামী ১৫ ডিসেম্বর তাদের দু’জনেরই সিঙ্গাপুর যাওয়ার কথা ছিল।
স্থানীয়রা জানান, বুধবার সন্ধ্যায় তিন বন্ধু মোটরসাইকেল নিয়ে উপজেলার শালিয়াবহ চৌরাস্তা থেকে ঘোড়ারটেকি এলাকায় যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
এ সময় ঘটনাস্থলেই কাশেম ও হামিদুজ্জামান মারা যায়। স্থানীয়রা গুরুতর আহত কবিরকে (৩০) উদ্ধার করে টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোকছেদুর রহমান জানান, মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুজন যুবক নিহত হয়েছেন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
খবর পেয়ে নিহত দুই যুবদল নেতাকে দেখতে ও পরিবারকে সমবেদনা জানাতে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এসএম ওবায়দুল হক নাসির।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ব্যাটারিচালিত অটোগাড়ির সাথে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে আসিফ (১৮) নামে এক কলেজছাত্র নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে আরও এক জন।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাগরদীঘি-ঘাটাইল আঞ্চলিক সড়কের সাগরদীঘি আসলাম মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আসিফ উপজেলার সাগরদীঘি ইউনিয়নের পাহাড়িয়াপাড়া এলাকার আব্দুল জলিল মিয়ার ছেলে এবং সাগরদীঘি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিল।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শুক্রবার বিকেলে দুই বন্ধু বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে সাগরদীঘি বাজারের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় মোটরসাইকেলটি সাগরদীঘি বাজারের পাশে আসলাম মার্কেট এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোগাড়ির সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলচালক আসিফ মাথা থেতলে নিহত হন। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত মোটরসাইকেল আরোহী উজ্জলকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশাররফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মোটরসাইকেলের সাথে একটি অটোগাড়ির সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ছেলে জামিলের (২০) বিরুদ্ধে বাবা রাশিদুল হক খান সুমনকে (৪৭) অতিমাত্রায় ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার এক সপ্তাহ পর স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেছে জামিল। পরে তাকে গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ আগস্ট রাতে উপজেলার চকপাড়া গ্রামে বাবা সুমন ও তার ছেলে জামিল একই ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন। ওই সময় অসুস্থ বাবাকে ওষুধ দেওয়ার অজুহাতে অতিরিক্ত ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে দেন জামিল। এতে মৃত্যু নিশ্চিত হয় সুমনের।
পরদিন সকালে জামিল প্রতিবেশিদের জানায়, তার বাবার মৃত্যু হার্ট অ্যাটাকে হয়েছে। স্থানীয়রা মরদেহ দেখে সন্দেহ প্রকাশ করলেও সেদিনই সন্ধ্যায় দাফন সম্পন্ন হয়।
এলাকাবাসীর দাবি, হত্যাকাণ্ডটি ছিল পূর্ব পরিকল্পিত। কারণ ঘটনার তিন দিন আগে জামিল বাড়ির পেছনে একটি গর্ত খুঁড়ে খড়কুটো দিয়ে ঢেকে রেখেছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সুমনের মরদেহ গুম করার জন্যই এই পরিকল্পনা ছিল। তবে সাহস করে মরদেহ গোপন করতে না পেরে সে হার্ট অ্যাটাকের গল্প সাজায়। কিন্তু ৭ দিন পর গর্তের বিষয়টি প্রতিবেশিদের নজরে আসে। একই সঙ্গে সুমনের মরদেহের অবস্থাও সন্দেহ তৈরি করে। এতে স্থানীয়রা জামিলকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে একপর্যায়ে সে স্বীকার করে, সে তার বাবাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা করেছে এবং গর্ত খুঁড়ে মরদেহ গোপনের চেষ্টাও করেছিল। হত্যাকারি জামিলের স্বীকারোক্তি শুনে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। ঘাটাইল থানা পুলিশ জামিলকে গ্রেপ্তার করে।
নিহতের বাবা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হক খান জানান, ‘সুমন আমার ছেলে, আর জামিল আমার নাতি। কেন আমার নাতি নিজের বাবাকে হত্যা করল, তা বুঝতে পারছি না। সুমন গ্রামের পাশেই ধলাপাড়া বাজারে ওষুধের ফার্মেসি ব্যবসা করতো। সুমনের স্ত্রীর (জামিলের মা) সঙ্গে বছর চারেক আগে বিচ্ছেদ হয়েছিল। এরপর থেকেই সংসারে অশান্তি চলছিল। আমি এই নৃশংস হত্যার সঠিক বিচার চাই।’
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন বলেন, ‘অভিযোগ পেয়ে সুমনকে প্রথমে আটক করা হয়। পরে গত বুধবার রাতে নিহতের বাবা থানায় মামলা করে। সেই মামলায় বুধবার পিতা হত্যার দায়ে জামিলকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে চালান দেওয়া হয়েছে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দাড়িয়ে থাকা ট্রাকে পিছন দিক থেকে আম ভর্তি একটি পিকআপ ধাক্কা দিলে শুভ (২০) নামে এক আম ব্যবসায়ী নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (১৪ জুলাই) সকালে উপজেলার বানিয়াপাড়া নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন।
নিহত আম ব্যবসায়ী শুভ শেরপুর জেলার খোয়ারজ গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকায় একটি মালভর্তি ট্রাক রাস্তায় দাড়ানো ছিল। আম ভর্তি একটি শেরপুরগামী পিকআপ দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে পিছন দিক থেকে ধাক্কা দেয়। এতে পিকআপটি দুমড়ে মোচড়ে যায়। ব্যবসায়ী শুভ ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। দুর্ঘটনা কবলিত পিকআপের চালক পালিয়ে যায়।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, নিহতের পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় মামলা গ্রহণ করা হয়নি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ট্রাকের চাপায় পিষ্ট হয়ে জহিরুল ইসলাম রাসেল নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (৬ জুলাই) বিকালে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার দেউলাবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রাসেল নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলার মুক্তারবাড়ি চাঁদপুর গ্রামের জসিম উল্যার ছেলে।
পুলিশ জানায়, জেলার গোপালপুরে ২০১ গম্বুজ মসজিদ পরিদর্শন শেষে ধনবাড়ি হয়ে লক্ষীপুর ফেরার সময় দেউলাবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে লিংক রোড থেকে আসা একটি নছিমন মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দিলে চালক রাসেল রাস্তায় পড়ে যায়। এ সময় অপরদিক থেকে আসা একটি ট্রাক চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই সে মৃত্যুবরণ করেন।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশাররফ হোসেন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দুটি অবৈধ সীসা তৈরির কারখানা উচ্ছেদ করে দিয়েছে প্রশাসন।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) বিকেলে উপজেলার সাগরদীঘি ইউনিয়নের কামালপুর পাহাড়ি এলাকার গজারি বনের ভেতর এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবু সাঈদ।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু সাঈদ বলেন, উপজেলার সাগরদীঘি ইউনিয়নের কামালপুর পাহাড়ি এলাকার গজারি বনের ভেতর কারখানা স্থাপন করে একটি চক্র পুরনো ব্যাটারি আগুনে পুড়িয়ে সীসা তৈরি ও বিক্রি করে আসছিল। যা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ও হুমকি স্বরূপ। একপর্যায়ে এলাকাবাসী বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানালে মঙ্গলবার বিকেলে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের নির্দেশে অবৈধ সীসা কারখানায় এই অভিযান চালানো হয়। এ সময় কারখানা দুটি এস্কেভেটর (ভেকু) দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
তিনি আরও জানান, বন ও পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এই উচ্ছেদ অভিযানে সহায়তা করেন, টাঙ্গাইল জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সঞ্জীব কুমার ঘোষ ও পরিদর্শক বিপ্লব কুমার সূত্রধর।
এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও বন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে হনুফা বেগম (৬৫) নামে এক বৃদ্ধাকে গলাকেটে হত্যার পর লুট করা হয়েছে শরীরে থাকা স্বর্ণালংকার।
শুক্রবার (২০ জুন) রাতে উপজেলার মানাজী শিকদার বাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
শনিবার (২১ জুন) সকালে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
নিহত হনুফা বেগম ওই গ্রামের আব্দুল গফুরের স্ত্রী।
নিহতের পরিবার জানায়, প্রতিদিনের মতো শুক্রবার রাতে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন হনুফা বেগম। শনিবার ভোরে ঘর থেকে বের না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা তার খোঁজ নিতে যান।
এ সময় ঘরের দরজা ভেতর থেকে খোলা ছিল। পরে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন তারা। হনুফার গলায় তিন ভরি স্বর্ণালংকার ছিল। সেই স্বর্ণের চেইনটি পাওয়া যায়নি। বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট করা হয়েছে। নিহতের গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, এছাড়া স্বর্ণালংকার লুটের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিএনপি অফিসে চেয়ারে বসে টেবিলে পা তুলে সিগারেট খাচ্ছেন হারুন আর রশিদ নামে আওয়ামী লীগের এক কর্মী।
রবিবার (২৫ মে) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ ছবি ভাইরাল হয়। ওই আ.লীগ কর্মী রাত-দিন অফিসে আড্ডা দেন।
‘জিয়ার সৈনিক’ নামে ফেসবুক আইডি থেকে হারুন অর রশিদের টেবিলে পা তোলা ও হাতে জ্বলন্ত সিগারেটের ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখা হয়েছে ‘বাহ্! আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সভাপতি কুখ্যাত ভূমিদস্যু একাব্বর চেয়ারম্যানের ছেলে ইয়াবা ব্যবসায়ী হারুন বলে কথা ‘
বিএনপির অফিসে হাতে সিগারেট আর টেবিলে পা তুলে বসে থাকা সাধারণ জনগণকে মোটেও অবাক করেনি। কারণ এই এলাকায় স্বজনপ্রীতি রাজনৈতিক হালচাল। কিন্তু প্রশ্ন হলো আওয়ামী লীগের সময় এ স্বজনগুলো কোথায় ছিল?
জানা গেছে, ওই অফিসে উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা বসেন। তবে এটি ২নং ওয়ার্ড বিএনপির অফিস। অফিসটি উপজেলার গারোবাজরে অবস্থিত।
আর হারুন ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রার্থী। তার বাড়ি সিংহচালা গ্রামে। তার বাবা একাব্বর আলী ছিলেন বৃহত্তর রসুলপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এবং বর্তমানে লক্ষিন্দর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও ওই ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের পর হারুন পালিয়ে ভারতে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ঢাকা থেকে ফেরত আসেন। পরবর্তীতে বিএনপির নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় প্রকাশ্যে আসেন হারুন। বিএনপির নেতাদের সঙ্গে গড়ে তোলেন সখ্যতা। এর ফলেই তিনি পৌঁছে যান বিএনপির অফিস পর্যন্ত। ওই অফিসে দিন-রাত আড্ডা দেন তিনি।’
স্থানীয়রা জানান, তিন মাস আগে বিএনপির এই অফিস উদ্বোধন করা হয়। ১৫ দিন না যেতেই হারুন ওই অফিসে যাতায়াত শুরু করেন। সঙ্গে নিয়ে যান আওয়ামী লীগের আরও অনেক নেতাকর্মী। রাত-দিন অফিসে আড্ডা দেন।
উপজেলা বিএনপির সদস্য ও লক্ষিন্দর বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আক্কাস আলী আকন্দ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নেতার দোষ কম। আমাদের নেতৃত্বে যারা আছেন, তারা এই অফিস পরিচালনা করেন। অর্থাৎ সিনিয়ররা আওয়ামী লীগদের সঙ্গে নিয়ে অফিসে বসেন। বিএনপির সিনিয়ররা আওয়ামী লীগ ছাড়া চলতে পারেন না। জুলাই বিপ্লবের পর দেশ ছেড়ে পালাতে চেয়েছিলেন হারুন। কিন্তু আমাদের কিছু লোক অভয় দিয়ে এলাকায় রাখার ব্যবস্থা করেছে হারুনকে। মনে হয় অফিসটা আমাদের না, আওয়ামী লীগের অফিস।’
এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হয় হারুন আর রশিদের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘এটা আসলে বিএনপির অফিস না। এটা খেলাঘর। কারণে-অকারণে ওই ঘরে যাওয়া হয়। ওই ঘরটি উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ইকবাল তালুকদারের ভাই খোরশেদ তালুকদারের। সম্পর্কে ইকবাল তালুকদার আমার মামা। ছবিটি যে রাতে তোলা হয়েছে সেই রাতে ওই ঘরে আড্ডায় আমার সঙ্গে ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ও শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম।’
লক্ষিন্দর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জসিম চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। গারোবাজারের ওই অফিসটা ইউনিয়ন বিএনপির না, ওইটা ২নং ওয়ার্ড বিএনপির অফিস। ওইখানে বসেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ইকবাল তালুকদার।’
ইকবাল তালুকদার বলেন, ‘লক্ষিন্দর ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা এ অফিসে বসেন। হারুন আমার বোনের দেবরের ছেলে। সম্পর্কে ভাগনে। কখন সে এই অফিসে এসে এ কাজ করেছে আমি জানি না।’
এ ব্যাপারে ঘাটাইল উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিনুর রহমান শাহিন বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকে যদি কেউ আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়, এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে থাকে তবে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ও সখীপুর উপজেলায় সাপের কামড়ে এক স্কুল ছাত্রী ও এক বৃদ্ধার মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ।
শুক্রবার (৯ মে) রাত ১টায় ঘাটাইলের দেওপাড়া ইউনিয়নের যুগিয়া টেঙ্গর এলাকা ও শনিবার (১০ মে ) সকালে সখীপুর উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের কালমেঘা দক্ষিণপাড়া এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, স্কুলছাত্রী মোছা. আঁখি আক্তার (১৪) ও বৃদ্ধা কাজলী বেগম (৬০)।
আঁখি ঘাটাইল উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের কালিকাপুর উত্তর পাড়া গ্রামের আয়েজ উদ্দিনের মেয়ে এবং কাজলী বেগম সখীপুর উপজেলার কালমেঘা দক্ষিণপাড়া এলাকার শহিদুল ইসলামের স্ত্রী।
দেওপাড়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ইব্রাহিম মিয়া বলেন, আঁখি মেধাবী ছাত্রী ছিল। রাতে সে পড়তে বসেছিল, এর মধ্যে টেবিলের নিচে থাকা একটি সাপ তার পায়ে কামড় দেয়। তীব্র ব্যথায় আঁখি চিৎকার করলে রাতেই তাকে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। কিন্তু সেখানে অ্যান্টিভেমন না থাকায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠান চিকিৎসক। কিন্তু পথেই মেয়েটির মৃত্যু হয়।
চিকিৎসকের বরাতে ইউপি সদস্য ইব্রাহিম মিয়া বলেন, আঁখির পায়ে বিষধর সাপের কামড়ের দাগ ছিল।
এদিকে, কাজলী বেগমের ছেলে হোসেন আলী জানান, তার মা সকালে পানি আনতে ঘরের পাশে নলকূপে যান। সেখানে একটি সাপ তার বাঁ হাতে ছোবল দেয়। এতে তার দুই আঙুলে সাপের দাঁতের দাগ বসে যায়। এ সময় তিনি চিৎকার করে বিষয়টি ছেলেকে জানান।
ছেলে হোসেন আলী আরও জানান, মার চিৎকার শুনে দৌড়ে গিয়ে আমি সাপ দেখতে পারি নাই। কিন্তু হাতে সাপের কামড়ের দাগ দেখে দ্রুত তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। তারপরও মাকে বাঁচাতে পারলাম না।
তিনি জানান, সাপে কামড়ের দেড় ঘণ্টার মধ্যে মাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে জরুরি বিভাগে চিকিৎসক মনিরুল ইসলাম পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তার মাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসক মনিরুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই ওই নারী মারা গেছেন। তার বা হাতের দুটি আঙুলে ক্ষতচিহ্ন দেখে বিষধর সাপের কামড় বলেই মনে হয়েছে। বিষয়টি থানায় জানিয়ে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান এই চিকিৎসক।
আরমান কবীরঃ নাজির উদ্দিনকে প্যাকেজিং কোম্পানিতে চাকরির কথা বলে নেওয়া হয় রাশিয়ায়। কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর পাঠানো হয় সামরিক প্রশিক্ষণে। ১৪ দিন প্রশিক্ষণ দেওয়ার পর পাঠানো হয় রণাঙ্গনে। ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে যাওয়ার পর থেকে বাড়ির সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই নাজিরের। চিন্তায় অস্থির তাঁর বাবা, নাওয়া-খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন স্ত্রী। শিশুসন্তান আছে বাবার অপেক্ষায়।
৩৭ বছর বয়সী নাজির উদ্দিনের বাড়ি টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার কুরমুশী গ্রামে। অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক ফয়েজ উদ্দিনের একমাত্র সন্তান তিনি।
পরিবারের সদস্যরা বলেন, ২০১৭ সালে নাজির ইরাকে গিয়েছিলেন। তিন বছর সেখানে চাকরি করে দেশে ফিরে আসেন। নিজ এলাকায় ব্যবসা-বাণিজ্য করার উদ্যোগ নেন, কিন্তু সফল হননি। তাই আবার বিদেশে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর সঙ্গে ঢাকার মিরপুর এলাকার এসপি গ্লোবাল নামের একটি জনশক্তি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ হয়। ওই প্রতিষ্ঠানের মামুন নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে রাশিয়ায় যাওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়।
পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১২ লাখ ২০ হাজার টাকায় গত ১৫ ডিসেম্বর রাশিয়ার উদ্দেশে রওনা হন নাজির উদ্দিন। দুবাই হয়ে রাশিয়ায় পৌঁছান তিনি। তারপর তাঁকে একটি ক্যাম্পে কয়েক দিন রাখা হয়। কিছুদিন পর সেখান থেকে বিমানে আরেক জায়গায় নেওয়া হয়। ওই জায়গায় ১৪ দিনের সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে আরও কয়েকজনের সঙ্গে ইউক্রেন সীমান্তে নেওয়া হয়।
১৬ এপ্রিল সকালে নাজির টেলিফোনে কান্নাকাটি করে বাবা ও স্ত্রীকে জানান, তাঁদের ইউক্রেনের সম্মুখযুদ্ধে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সেদিনের পর থেকে বাড়ির সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই নাজিরের।
সরেজমিনে ঘাটাইলের কুরমুশী গ্রামে নাজিরদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, ছেলের চিন্তায় উদ্বিগ্ন বাবা ফয়েজ উদ্দিন। ছেলের খবরের আশায় প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করছেন।
ছেলেকে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে বাংলাদেশ সরকার ও রুশ দূতাবাসের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ফয়েদ উদ্দিন বলেন, আমার ছেলে প্যাকেজিং কোম্পানিতে চাকরির আশা নিয়ে রাশিয়ায় গেছে। তাকে কেন যুদ্ধে পাঠানো হলো? তাকে যারা চাকরি দেওয়ার মিথ্যা কথা বলে রাশিয়ায় নিয়ে যুদ্ধে পাঠিয়েছে, তাদের বিচার চাই।
চিন্তায় অস্থির নাজিরের স্ত্রী কুলসুম বলেন, পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি নাজির। রাশিয়ায় যাওয়ার পর যখন যুদ্ধের প্রশিক্ষণে পাঠানোর কথা জানতে পারেন, তখন থেকে নাজির প্রতিদিন টেলিফোন করে কান্নাকাটি করতেন। ১৬ এপ্রিলের পর থেকে তাঁর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। তিনি বেঁচে আছেন নাকি মরে গেছেন, এ বিষয়ে কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
কুলসুম বেগম আরও বলেন, আমার একমাত্র মেয়ের বয়স মাত্র সাড়ে তিন বছর। সেও প্রতিদিন বাবার খবরের আশায় মোবাইল ফোনের দিকে তাকিয়ে থাকে। সরকারপ্রধানের কাছে আমার দাবি, আমার স্বামীকে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হোক।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত আদম ব্যবসায়ী মামুনের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রকিবুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগীর বাবা এসেছিলেন। তাকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, থানা থেকে যেকোনো সহযোগিতা করা হবে।
সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ৩২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৪), সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল।
শনিবার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার সাগরদীঘি বাজার থেকে ৩২ কেজি গাঁজাসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, চট্রগ্রামের বুজপুর উপজেলার উদিয়া পাথর গ্রামের মৃত নুর ইসলামের ছেলে ইব্রাহিম খলিল (৩৫) ও জোড়ারগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম সোনাই গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে বেলাল হোসেন (২৮)।
র্যাব-১৪ টাঙ্গাইল অফিস সুত্রে জানা যায়, র্যাবের একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সন্ধ্যায় ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী-ভালুকা-ঘাটাইল আঞ্চলিক সড়কের পাশে অবস্থিত মেসার্স হাজী থাই এ্যালুমিনিয়াম এন্ড টাইলস হাউজের সামনে পাকা রাস্তার উপর হতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৩২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করে । উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক বাজার মূল্য ৯,৬০,০০০/-(নয় লাখ ষাট হাজার টাকা)। এ সময় ৩২ কেজি গাঁজা ও মাদকদ্রব্য গাঁজা বহনের কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাক এবং গাড়িতে রক্ষিত ১৪ টন সরিষাসহ আটক করা হয়।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১৪, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মো. কাওসার বাঁধন জানান, এ ঘটনায় ঘাটাইল থানায় মামলা দায়েরর্পূবক আসামী ও আলামত হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ৩ দিন পর সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে আব্দুল আলিম (১৯) নামের এক কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে কালিহাতী পৌরসভার সাতুটিয়া দক্ষিণ পাড়া থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আলিম ঘাটাইল উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের চানতারা গ্রামের সৌদিপ্রবাসী জহুরুল ইসলামের ছেলে।
নিহত আলিমের মা আকলিমা আক্তার জানান, আলীম কালিহাতী শাজাহান সিরাজ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
সে গত ১২ এপ্রিল(শনিবার )সকালে কালিহাতীতে প্রাইভেট পড়ার কথা বলে একটি সুজকি মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। ওই দিন দুপুর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তার পর থেকেই সে নিখোঁজ ছিল। বাড়ি ফিরে না আসায় এ বিষয়ে ঘাটাইল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
গত তিন ধরে খোঁজাখুঁজি করে তার সন্ধান কোথাও পাওয়া যাচ্ছিল না।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার(১৪ এপ্রিল) দুপুরে কালিহাতী উপজেলার সাতুটিয়া দক্ষিণ পাড়া এলাকার জামাল বাদশা বসতঘরের পেছনে টয়লেটের সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে তারা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় লাশটি উদ্ধার করে।
খবর পেয়ে আলিমের মা আকলিমা আক্তার কালিহাতী থানায় গিয়ে লাশের পরনের পোশাক দেখে লাশটি আলিমের বলে তার শনাক্ত করেন
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) আদিবুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।