সাহান হাসানঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের দুটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে বিএনপি’র মনোনীত দুই এমপি পদপ্রার্থী সহোদর দুই ভাই একসঙ্গে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি মেনেই তারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। টাঙ্গাইল সদরকে ঐক্যবদ্ধ করে উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাই তার লক্ষ্য।
টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর–ভূঞাপুর) আসনে সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান আবদুস সালাম পিন্টু এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে তার ছোট ভাই কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।
রবিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয় থেকে তারা নিজ নিজ মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।
এ সময় তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. হাসানুজ্জামিল শাহীন, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক সভাপতি আহমেদুল হক শাতিল, যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক কাজী শফিকুর রহমান লিটন, সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. আজগর আলী, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি মেনেই তারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। টাঙ্গাইল সদরকে ঐক্যবদ্ধ করে উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাই তার লক্ষ্য।
উল্লেখ্য, আবদুস সালাম পিন্টু টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক। তিনি ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে তিনি শিক্ষা উপমন্ত্রী এবং ২০০৩ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান। আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে তিনি দীর্ঘ ১৭ বছর কারাভোগ করেছেন।
অন্যদিকে, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবারই প্রথম টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ও যুবদলের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘদিন নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। বর্তমানে তিনি বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
দলীয় সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর বিরুদ্ধে প্রায় ৩৫০টি মামলা হয়। তিনি একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে ১২ দফা কারাভোগ করেন। তিনি প্রায় পাঁচ বছর কারাগারে ছিলেন। এছাড়া টানা ৪৬ দিন রিমান্ডেও থাকতে হয় তাকে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা নির্বাচন কমিশনার কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর ও কর্মকর্তাদের মারধরের ঘটনায় বিএনপির ১২০ নেতাকর্মীর নামে মামলা হয়েছে।
সোমবার (১০ নভেম্বর) বিকালে গোপালপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন বলে জানিয়েছেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান।
মামলায় গোপালপুর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক কাজী লিয়াকত আলী, পৌর বিএনপি’র সভাপতি খালিদ হাসান উত্থান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. লিটন, যুগ্ম সম্পাদক মহির উদ্দিন, যুবদল নেতা কামরুল ইসলাম এবং পৌর ছাত্রদলের সভাপতি মো. তুহিনের নাম উল্লেখ মামলা করা হয়েছে। বাকিরা অজ্ঞাত পরিচয়।
মামলায় বলা হয়েছে, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে খালিদ হাসান ও কাজী লিয়াকতের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান। তাদের কি সেবা দিতে হবে জানতে চাইলে কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বিএনপির নেতাকর্মীরা বলেন, ‘তোরা আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতেছিস’। পরে তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়।
প্রতিবাদ করলে নির্বাচন কর্মকর্তার ওপর হামলা ও কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়। এ সময় কয়েকজন মোবাইলে ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাদের ফোন ছিনিয়ে নিয়ে গালিগালাজ করা হয়। হামলায় অন্তত ৮০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম, সহকারী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবু রায়হান, ডাটা এট্রি অপারেটর আমজাদ হোসেনসহ বেশ কয়েকজন আহত হন বলে মামলায় বলা হয়েছে।
ভাঙচুরের খবর পেয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা তাজুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ডাটা এন্ট্রি অপারেটর আমজাদ হোসেন বলেন, “আমরা শুধু ফেরাতে গিয়েছিলাম। কাউকে কোনো কিছু বলিনি। আওয়ামী লীগের ট্যাগ দিয়ে আমাদের বেদম মারধর করা হয়েছে। “এখনো জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়নি, তার আগেই নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, “তারা (বিএনপি নেতারা) বিভিন্ন সময় কাজে আসেন। সোমবার এসেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ আওয়ামী লীগ ট্যাগ দেওয়া শুরু করেন। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমাদের অফিসে নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি করছি।”
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন টাঙ্গাইল জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা মো. তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, “বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি। তাদের কাছে জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে নিরাপত্তার জোরদারের দাবি করেছি। “এ ঘটনায় যারা জড়িত তাদের শাস্তি দাবি করছি। জাতীয় নির্বাচনের আগে এমন হামলা হবে, তা আমরা কখনও কল্পনাও করিনি।”
পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, “তাদের কোনো ভুল থাকলে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসককে অবগত করতে পারত। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর নির্বাচন অফিসে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এতে নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তাসহ তিনজন আহত হয়েছেন। সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে উপজেলা নির্বাচন অফিসে এ ঘটনা ঘটে।
হামলায় আহতরা হলেন, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ডেটা এন্টি অপারেটর আমজাদ হোসেন ও স্ক্যানিং অপারেটর সুমন।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানা যায়, সোমবার সকালে হঠাৎ করে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের ৩০ থেকে ৪০ জন নেতাকর্মী উপজেলা নির্বাচন অফিসে এসে নির্বাচন কর্মকর্তার ওপর হামলা করেন। পরে অফিসের আরো দুজন স্টাফকেও মারধর করা হয়। এ সময় নির্বাচন অফিস ভাঙচুর এবং অফিসের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে।
গোপালপুর উপজেলা সহকারী নির্বাচন কর্মকর্তা আবু রায়হান বলেন, ‘উপজেলা নির্বাচন অফিসারসহ তিনজন আহত হয়েছেন। অফিসের কিছু দালাল চক্র সুবিধা করতে পারছিল না। এজন্য হামলা হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি জানান।
সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সরকারি অফিস ভাঙচুর ও সরকারি কর্মকর্তার শরীরে আঘাত করার কারণে একটি মামলা দায়ের করা হবে। মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক কাজি লিয়াকত বলেন, নির্বাচন কর্মকর্তা নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপকর্মের সঙ্গে জড়িত। এ বিষয়ে অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা ভুক্তভোগীদের নিয়ে নির্বাচন কর্মকর্তার অফিসে গেলে তিনি চরম দুর্ব্যহার করেন। তবে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগটি মিথ্যা।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।সরকারি অফিস ভাঙচুর এবং কর্মকর্তাদের শরীরে আঘাত করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে নিখোঁজের একদিন পর আব্দুল্লাহ (৫) নামে এক শিশুর মরদেহ বাড়ীর পাশের ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর)সকালে উপজেলার আলমনগর ইউনিয়নের নবগ্রাম উত্তর পাড়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আব্দুল্লাহ নবগ্রাম উত্তরপাড়ার হাবিবুর রহমানের একমাত্র ছেলে। এর আগে মঙ্গলবার সকালে নানীকে খুঁজতে গিয়ে শিশুটি নিখোঁজ হয় বলে জানা গেছে।
জানা যায়, শিশু আব্দুল্লাহকে নানা আজাদের কাছে গ্রামে রেখে জীবিকার অন্বেষণে তার পিতা হাবিবুর রহমান সস্ত্রীক ঢাকায় থাকেন। আজাদের স্ত্রী রোজ সকালে হাঁসের খাবার শামুক আনতে বাড়ীর পাশে ডোবায় যায়। মাঝে মাঝে আব্দুল্লাহ নানীর সাথে ডোবার পাড়ে গিয়ে বসে থাকে। মঙ্গলবার নানী তার নাতীনকে রেখে একাই শামুক খুঁজতে বের হয়। সকালে নানীকে না পেয়ে আব্দুল্লাহ সবার অগোচরে ডোবার পাড়ে গিয়ে নিখোঁজ হয়।
এদিকে দিনভর স্বজনরা অনেক খোঁজাখুঁজির পর শিশুটির সন্ধান না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেন। স্থানীয়রা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছবিসহ হারানো বিজ্ঞপ্তি দেন। পরদিন সকালে বাড়ীর পাশে একটি ডোবায় শিশুর লাশ ভাসতে দেখে পরিবারের লোকজন লাশটি উদ্ধার করে সনাক্ত করেন।
গোপালপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মামুন ভূঞা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ট্রাকের চাপায় পিষ্ট হয়ে জহিরুল ইসলাম রাসেল নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (৬ জুলাই) বিকালে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার দেউলাবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রাসেল নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলার মুক্তারবাড়ি চাঁদপুর গ্রামের জসিম উল্যার ছেলে।
পুলিশ জানায়, জেলার গোপালপুরে ২০১ গম্বুজ মসজিদ পরিদর্শন শেষে ধনবাড়ি হয়ে লক্ষীপুর ফেরার সময় দেউলাবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে লিংক রোড থেকে আসা একটি নছিমন মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দিলে চালক রাসেল রাস্তায় পড়ে যায়। এ সময় অপরদিক থেকে আসা একটি ট্রাক চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই সে মৃত্যুবরণ করেন।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশাররফ হোসেন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।
সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় হত্যা, চাঁদাবাজিসহ প্রায় দেড় ডজন মামলার আসামি জাহাঙ্গীর মণ্ডল ওরফে চাকমা জাহাঙ্গীর (৪৫) নিহত হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ১৮টি মামলা রয়েছে।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাত ৮ টার দিকে উপজেলার নলিন বাজারে ফেরার পথে শাখারিয়া স্লুইস গেট এলাকায় প্রতিপক্ষের হামলায় তিনি নিহত হন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের ধারণা, মূলত মাদক, বালু ব্যবসা এবং চাঁদাবাজির টাকা ভাগবাটোয়ারার দ্বন্দ্বে তাকে খুন করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে গোপালপুর, ভূঞাপুর ও মির্জাপুর থানায় মাদক, চাঁদাবাজি, নারী নির্যাতন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ১৮ টি মামলা রয়েছে।
নিহত জাহাঙ্গীর মণ্ডল ওরফে চাকমা জাহাঙ্গীর গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের মধ্য শাখারিয়া গ্রামের নাজিম উদ্দীনের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাতে চাকমা জাহাঙ্গীর অজ্ঞাত স্থান থেকে ঝাওয়াইল ইউনিয়নের সোনামুই বাজারে আসে। সেখান থেকে নলিন বাজারের ফেরার পথে শাখারিয়া স্লুইস গেট এলাকায় তারপর ওপর হামলা চালায় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। এসময় কুপিয়ে তাকে মারাত্মক জখম করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান স্থানীয়রা। সংকটাপন্ন অবস্থায় সেখান থেকে তাকে নেওয়া হয় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহাঙ্গীরকে মৃত ঘোষণা করেন ।
হেমনগর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ উমর আলী জানান, জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অন্তত দেড় ডজন মামলা রয়েছে। তাছাড়া যমুনার ঘাটে অবৈধ বালু ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ, মাদক ব্যবসা, ছিনতাই, সড়ক পথে ডাকাতি, নারী নির্যাতন ও চাঁদাবাজির সংঘবদ্ধ একটি গ্যাং চালাতো চাকমা জাহাঙ্গীর। এদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য টাঙ্গাইল ও জামালপুরের যমুনা তীরের জনপদ অশান্ত হয়ে উঠেছিল।
গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)গোলাম মুক্তাদির আশরাফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বহু মামলার আসামি সন্ত্রাসী চাকমা জাহাঙ্গীরের নাগাল পাচ্ছিল না পুলিশ। পরে প্রতিপক্ষের হাতে তিনি খুন হন। তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ করেনি।
আরমান কবীরঃ বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু বলেছেন, স্বৈরাচার হাসিনা সরকার আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে দীর্ঘ ১৭ বছর কারারুদ্ধ করে রেখেছিলো। ভেবেছিলাম মৃত্যু অবধারিত। আর আমার প্রাণপ্রিয় গোপালপুরবাসীর কাছে আসতে পারব না। তবে আল্লাহর অশেষ রহমতে আর আপনাদের দোয়া ভালবাসায় আবার ফিরে এসেছি। অনেক ত্যাগী নেতাকর্মীরা প্রয়াত হয়েছেন। যাদের সাথে আর কোনদিন দেখা হবে না। আমি কথা দিচ্ছি আপনাদের সুখে-দুখে সব সময় পাশে থাকবো।
শুক্রবার (১৩ জুন) বিকেলে জেলার গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের হেমনগর গ্রামের প্রয়াত বিএনপি নেতা আলী আকবর মোল্লার কবর জিয়ারত শেষে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রয়োজনে দ্রুত একটি সুষ্ঠু নির্বাচন প্রয়োজন। জনগণ তাদের ভোট দিয়ে পছন্দের প্রার্থী ও সরকার নির্বাচিত করবে। তবেই গনতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, গোপালপুর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম রুবেল, কার্যকরি সদস্য মারুফ তালুকদার রাহীম, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম তালুকদার লেলিন, হেমনগর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি গোলাম রোজ তালুকদার ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম খান, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সদস্য সেলিম হোসেন মুন্না আকন্দ, হেমনগর ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম তালুকদার ও সদস্য সচিব গিয়াস উদ্দিন প্রমুখ।
উল্লেখ্য, আলী আকবর মোল্লা গোপালপুর উপজেলা
প্রতিষ্ঠাতা বিএনপি সদস্য ও মমিনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তিনি ২০১৫ সালে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে স্ত্রী রোকেয়া বেগম, দুই মেয়ে আফরোজা আক্তার আঁখি ও জাকিয়া সুলতানা শিল্পী এবং একছেলে রাশেদুল ইসলাম রোকন মোল্লাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
আরমান কবীরঃ স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ও তার চাঁদাবাজ অসংখ্য রাঘব-বোয়ালরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও দেশে নব্য চাঁদাবাজদের আধিপত্য বেড়ে গেছে। এসব চাঁদাবাজদের কারণে ব্যবসায়ীরা ভালোভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারছে না। ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে দিন পার করছে। এই নব্য চাঁদাবাজদের প্রতিহত করতে না পারলে গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে না। গণঅধিকার পরিষদ আগামীতে ৩০০ আসনে প্রার্থী দিবে। সে লক্ষে গণঅধিকার পরিষদ পাড়া-মহল্লায় কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর সদস্য ও দলটির দপ্তর সম্পাদক শাকিল উজ্জামান।
শাকিল উজ্জামান বলেন, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময়ও কারাগারে থাকা অবস্থায় রিমান্ড শেষে বলেছিল— আওয়ামী লীগের ৯০% পড়ে গেছে আর ১০% ধাক্কা দেন। আপনারাই সেই ১০% ধাক্কা দিয়েছিলেন। বিগত সময়ে ফ্যাসিবাদ বিরোধী লড়াইয়ে এক আপোষহীন চরিত্রের নাম নুরুল হক নুরু। এই নুর কোন সময়ে আপোষ করে নাই, ভবিষ্যতেও আপোষ করবে না।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের গোপালপুর পৌর শহরের বাজার এলাকায় গণঅধিকার পরিষদের ২১ দফা ঘোষণাপত্র দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে শাকিল উজ্জামান বলেন, গণঅধিকার পরিষদের গণজোয়ার তৈরি হয়েছে। গণঅধিকার পরিষদের নেতৃত্বে চাঁদাবাজ, দূর্নীতিবাজ ও মাদকের বিরুদ্ধে আমরা ছাত্র, শ্রমিক জনতাকে সাথে নিয়ে গণআন্দোলন শুরু করছি। যুব সমাজকে মাদক মুক্ত রাখার জন্য গণঅধিকার পরিষদ কাজ করে যাচ্ছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন—টাঙ্গাইল জেলা গণঅধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি রুবেল খান, শামছুল হক সুজন, জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক এসএম সিহাব, জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি সজিব, উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নসিম উদ্দিন, জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নবাব আলী, সিনিয়র সহ-সভাপতি সজিব, সহ-সভাপতি রেজাউল হান্নান, সাংগঠনিক সম্পাদক রনি প্রমুখ।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ড্রাম-ট্রাকের সাথে একটি বেপোরোয়া গতির মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে এক স্কুলছাত্র নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় গুরুত্বর আহত হয়েছেন মোটরসাইকেল আরোহী তার সহপাঠী তুহিন।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের উদ্যমপুর বর্ণি নির্মাণাধীন ব্রীজের পশ্চিমপাশের সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত স্কুল ছাত্রের নাম রিয়াদ হোসেন (১৪)। সে উপজেলার আলমনগর ইউনিয়নের নবগ্রাম এলাকার সুরুজ্জামালের ছেলে। রিয়াদ স্থানীয় নবগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে নিহত রিয়াদ ও তার বন্ধু তুহিন এক আত্মীয়ের মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয়। ঘুরাঘুরি শেষে বাড়ি ফেরার পথে উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের উদ্যমপুর বর্ণি নির্মাণাধীন ব্রীজের পশ্চিমপাশের সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ড্রাম-ট্রাকের পেছনে তাদের বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাকের সাথে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেল চালক রিয়াদের মাথার মস্তক বের হয়ে যায়। সে ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করে। তার বন্ধু তুহিন পেছন থেকে ছিটকে পড়ে গুরুত্বর আহত হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। বর্তমানে সে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) মো. মামুন ভূঞা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল করা হয়েছে। আইনগতভাবে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে নিখোঁজের ১৬ দিন পর জয়নাল আবেদীন (৪৫) নামে এক কৃষকের গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের নলিন সুইচগেট সংলগ্ন যমুনার শাখা নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত জয়নাল আবেদীন উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের ছোট শাখারিয়া গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে।
জানা গেছে, ১৬ দিন পূর্বে যমুনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয় জয়নাল। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তার পরিবারের সদস্যরা সে সময় নদীতে ডুবুরী নামিয়ে অনেক খুঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায়নি। সোমবার দুপুরের দিকে এলাকাবাসী নদীর তীরে কচুরিপানার সাথে একটি অর্ধগলিত মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে। খবর পেয়ে তার পরিবারের সদস্যরা লাশটি সনাক্ত করেন।
হেমনগর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ওমর আলী জানান, গলিত মরদেহর বিষয়ে ভূঞাপুর থানা পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে।
অপরদিকে, গোপালপুরে আলতাফ হোসেন (৬২) নামে এক সাবেক ইউপি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার ভোরে বাদে মাকুল্লা গ্রামে তার নিজ বাড়ীর পাশে জামগাছে রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়।
নিহত আলতাফ উপজেলার নগদা-শিমলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য ও দলিল লেখক ছিলেন। সে বাদে মাকুল্লা গ্রামের মৃত মতিয়ার রহমানের ছেলে।
গোপালপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মোঃ আব্দুল্লাহ আকন্দঃ “আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম”
(কুল্লিল্লাহুম্মা মালিকাল মুলকি তু’তিল মুলকা মানতাশাউ, ওয়া তানযিউল মুলকা মিম্মান তাশাউ, ওয়া তু’যিয্যু মান তাশাউ, ওয়া তুযিল্লু মান তাশাউ, বিইয়াদিকাল খাইর, ইন্নাকা আলা কুল্লি শাইইন ক্বাদির।)
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া মহান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস নবী (সা:) এর আদর্শকে ধারণ করে লালন করা গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায় বিচারের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠা করা রাজনৈতিক দলের নাম, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেদিন ঘাতকের বুলেটে শহীদ হন, সেদিন গণমাধ্যমের তথ্যমতে উনার ব্যাগ এন্ড ব্যাগেজে ছিল একটি জায়নামাজ, একটি টুপি ও একটি তসবি। উনার বাসা থেকেও হাজার হাজার কোটি টাকা, সম্পদ, স্বর্ণ অলংকার, গাড়ি-বাড়ি এমন কিছুই খুঁজে পাওয়া যায়নি। তিনি ছিলেন দুর্নীতিমুক্ত, মিতব্যয়ি, ধর্মভীরু, বিচক্ষণ স্বাধীন বাংলাদেশের এযাবৎকালের সবচাইতে জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রনায়ক। তার সততা ও জনপ্রিয়তায় মুগ্ধ হয়ে পরবর্তী সরকার তার পরিবারকে একটি বাড়ি উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন।
আমরা যারা বিএনপিকে ভালোবাসি বা বিএনপি করি আমরা মূলত জিয়াউর রহমানের আদর্শ তথা নবী (সা:) এর আদর্শকে ধারণ বা লালন করি। যাহারা বলেন, বিএনপি ও আওয়ামী লীগ একই মুদ্রার এপিঠ–ওপিঠ, অথবা একদল খেয়েছে, অন্য দল খাওয়ার জন্য রেডি হয়ে আছে, তাহারা মূলত ভুল বলেছেন।
দাড়িওয়ালা-টুপিওয়ালা-জুব্বা পরা লোক যারা একজন ইসলামিক স্কলার, মিজানুর রহমান আজহারির মত লোককে হ*ত্যা করতে চায় তাহারা যেমন মুসলমান হতে পারে না, অন্যদিকে বিএনপি’র লেবাসধারি আমরা যারা বিএনপিকে ব্যবহার করে দুর্নীতির প্রশ্রয় নিয়ে আওয়ামি কায়দায় হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক বনে যেতে চাই, মূলত আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের বিএনপি হতে পারি নাই।
আমরা যে যত বড় নেতাই হইনা কেন আগামীর রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক জিয়া আমাদের বিরুদ্ধে এমন কিছু দেখলে কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবেন, ইনশাল্লাহ।

বিনীত,
মোঃ আব্দুল্লাহ আকন্দ
কোনাবাড়ি বাজার, গোপালপুর, টাঙ্গাইল।
মোবাইল: 01718593754
আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইত্বনির রাজিম, বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানীর নাম শুনেননি বা তার সম্পর্কে জানেন না, বিশ্বের ইতিহাসে এমন লোক খুব কমই আছে। তার পিতা ছিলেন একজন ধর্মভীরু, আল্লাহ ওয়ালা, পরহেজগার, একজন বড় মাপের আল্লাহ প্রেমিক লোক। তার মাতাও ছিলেন একজন পরহেজগার, দ্বীনদার, পর্দাশীল, ১৮ সিপারার কোরআনের হাফেজ, আরও অনেক গুণে গুণান্বিত। বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী মায়ের গর্ভে থেকেই ছিলেন ১৮ সিপারার কোরআনের হাফেজ। পরবর্তী আমৃত্যু পর্যন্ত তার জীবন ছিল ঐতিহাসিক সোনালী জীবন।
অন্যদিকে, বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন নবী (সাঃ) এর আদর্শের অনুসারী, মিতব্যয়ী, দুর্নীতিমুক্ত, বিচক্ষণ, ন্যায়পরায়ণ রাষ্ট্রনায়ক। তার সহধর্মিনী বেগম খালেদা জিয়াও একজন সকল ক্ষেত্রে দুর্নীতিমুক্ত গণমানুষের মা জননী নামে স্বনামধন্য রাষ্ট্রেনায়ক ছিলেন। মহান আল্লাহ তায়ালা যদি সহায় হোন আগামী দিনের রাষ্ট্রনায়ক হবেন জনাব তারেক জিয়া। যার বাবা ও মা উভয়জনই ছিলেন বিশ্বখ্যাতি সম্পন্ন সফল রাষ্ট্রনায়ক। তাদের গর্ভের সন্তান জনাব তারেক জিয়া জন্মসূত্রেই ১৮ সিপারার রাজনীতির হাফেজ।
পরবর্তী ১৮ বছর প্রবাস জীবনে শুধু রাজনীতি নিয়েই গভীর গবেষণায় মগ্ন আছেন। গনতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় পিতা-মাতা-সন্তান জনগণের ভোটের দ্বারা রাষ্ট্রনায়ক হয়েছেন এমন ঐতিহাসিক নজির আমার জানা নেই। যারা জনাব তারেক জিয়াকে একজন অল্পবয়স্ক ও অনভিজ্ঞ মনে করেন তারা বোকার স্বর্গে বাস করছে।
বর্তমানে ওনার ভার্চুয়াল বক্তব্যে বোঝা যায় তারেক জিয়া একজন দুর্নীতিমুক্ত বিচক্ষণ দেশপ্রেমিক আপসহীন রাষ্ট্রনায়ক হবেন। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে ওনার মা-বাবার চাইতেও দূরদর্শিতার পরিচয় দিবেন। সুদূর লন্ডন থেকে ওনার চোখ যেন সমগ্র বাংলাদেশের সিসিটিভি ক্যামেরার মত পর্যবেক্ষণ করছে। আমরা যারা বিএনপিকে ভালোবাসি বা বিএনপি করি আমাদের কোন প্রকার অপকর্মের দ্বারা যদি বিএনপির গায়ে কালিমা লেগে যায় আমরা যে যত বড় নেতাই হই না কেন, জনাব তারেক জিয়ার আপসহীন নেতৃত্বের বলে নিজেরাই দল থেকে ছিটকে পড়ে যাব এবং কঠিন বিচারের সম্মুখীন হবো। সে কারণে আমাদের সকলেরই সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।

বিনীত,
মোঃ আব্দুল্লাহ আকন্দ
কোনাবাড়ি বাজার, গোপালপুর, টাঙ্গাইল।
মোবাইল: 01718593754