/ মূলপাতা / গোপালপুর
আ’লীগ নেতা বড় মনিরের বিরুদ্ধে আবারও ধর্ষনের অভিযোগ - Ekotar Kantho

আ’লীগ নেতা বড় মনিরের বিরুদ্ধে আবারও ধর্ষনের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ এবার অস্ত্রের মুখে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া ওরফে বড় মনির বিরুদ্ধে। পরে ভুক্তভোগী ওই তরুণী বাদী হয়ে রাজধানীর তুরাগ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মোস্তফা আনোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন।

এরআগে শুক্রবার (২৯ মার্চ ) রাতে জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এ কল পেয়ে পুলিশ রাজধানীর তুরাগ থানায় প্রিয়াংকা সিটি আবাসিক এলাকায় বড় মনিরের ফ্ল্যাট থেকে ওই কলেজছাত্রীকে উদ্ধার করে। তাকে জোর করে ওই বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী।

পুলিশের ভাষ্য, বড় মনির ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছেন।

ওই শিক্ষার্থী মামলায় অভিযোগ করেন, ফেসবুকে বড় মনিরের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। প্রথম পর্যায়ে হাই-হ্যালো হতো। এক পর্যায়ে বড় মনির ভুক্তভোগীকে ছোট বোন বলে সম্বোধন করে। এরপর তার সঙ্গে ছাত্রীর হোয়াটসঅ্যাপে অডিও-ভিডিওতে কথা হতো।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) ইফতারের পর বড় মনির ভুক্তভোগী ছাত্রীকে মেসেজ দিয়ে জমজম টাওয়ারের সঙ্গে এপেক্স শোরুমের সামনে থাকতে বলেন। সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটের সময় এপেক্স শো-রুমের সামনে অপেক্ষা করি। এর ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর বড় মনির রিকশা নিয়ে আসে এবং রিকশায় উঠতে বলে। ভুক্তভোগী ছাত্রী তার সঙ্গে রিকশায় ওঠেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে তুরাগের প্রিয়াংকাসিটির ৬ নম্বর রোডের ৭ নম্বর বাসার পশ্চিম পাশের ফ্ল্যাটের তৃতীয় তলার উত্তর-পশ্চিম পাশের রুমের ভেতর নিয়ে যান। এরপর রুমের দরজা বন্ধ করে ধর্ষণ করেন।

এরপর ভুক্তভোগী ছাত্রী তার বাবাকে ফোন দেন। তার বাবা ঘটনা শুনে ৯৯৯ এ ফোন দেন। পরে তুরাগ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

উল্লেখ্য, বড় মনির জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব এবং টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনিরের বড় ভাই। এর আগেও টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বড় মনিরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা রয়েছে। ওই মামলায় বর্তমানে জামিনে আছেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. মার্চ ২০২৪ ০৪:৩৯:এএম ২ সপ্তাহ আগে
শপথ নিলেন টাঙ্গাইলের সংরক্ষিত নারী আসনের ৩ এমপি - Ekotar Kantho

শপথ নিলেন টাঙ্গাইলের সংরক্ষিত নারী আসনের ৩ এমপি

একতার কণ্ঠঃ শপথ গ্রহণ করলেন টাঙ্গাইলের সংরক্ষিত নারী আসনের ৩ এমপি। বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টায় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

তারা হলেন, সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট তারানা হালিম, বর্তমান সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি অপরাজিতা হক ও শামসুন্নাহার চাঁপা।

প্রসঙ্গত, সংরক্ষিত নারী আসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) মুনিরুজ্জামান তালুকদার গত ২৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনী আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৫০ জন প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করেন।

নির্বাচনের বিধি অনুযায়ী, সরাসরি ভোটে জয়ী দলগুলোর আসন সংখ্যার অনুপাতে নারী আসন বণ্টন করা হয়।

জোট শরিক ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমর্থনে ৪৮টি সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী মনোনয়ন দেয় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। বিরোধী দল জাতীয় পার্টি মনোনয়ন দিয়েছিল ২টি আসনে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০৩:০০:এএম ১ মাস আগে
টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা; স্বামী কারাগারে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা; স্বামী কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগে স্বামী ফজলু তালুকদারকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (২০ জানুয়ারি) রাতে পৌরসভার সুন্দর পশ্চিম পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত গৃহবধূর নাম আসমা বেগম (৩৫)। তিনি উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের পঞ্চাশ গ্রামের আরশেদ আলীর মেয়ে। গ্রেপ্তারকৃত ফজলু সুন্দর গ্রামের নুরুল ইসলাম তালুকদারের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুই সন্তান নিয়ে রাজমিস্ত্রি স্বামী ফজলু ও আসমা বেগমের সংসার। দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ নিয়ে তাদের দ্বন্দ্ব চলছিল। শনিবার রাতের খাবার খেয়ে স্ত্রী ও সন্তানরা ঘুমিয়ে পড়লে মেয়ের ওড়না দিয়ে ফজলু আসমা বেগমের গলা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে মেয়ে চিৎকার করে বাড়ির সবাইকে এ ঘটনা জানায়। স্থানীয়রা রাতেই ফজলুকে আটক করে পুলিশে দেয়।

গোপালপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মামুন ভূঁইয়া জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার অভিযোগে স্বামীকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। থানায় হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. জানুয়ারী ২০২৪ ০১:২৫:এএম ৩ মাস আগে
টাঙ্গাইলে ব্যালট বক্সে আগুন; ৫ রাউন্ড গুলি, দু্ই আনসার সদস্য আহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ব্যালট বক্সে আগুন; ৫ রাউন্ড গুলি, দু্ই আনসার সদস্য আহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ভোটকেন্দ্র থেকে ভোটের পেপারসহ ব্যালট বাক্সে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ৫ রাউন্ড গুলি করেন। এই ঘটনায় দুইজন আনসার সদস্য আহত হয়েছে।

রবিবার (৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের কাহেতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে স্বতন্ত্র ঈগল প্রতীকের প্রার্থী ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু ভোট বর্জন করেছেন।

কাহেতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মাজহারুল হক বলেন, দুর্বৃত্তরা আতর্কিতভাবে কেন্দ্রে প্রবেশ করে পুরুষ ওয়ার্ডের তিন নম্বর কক্ষ থেকে একটি ভোটের পেপার ভর্তি ব্যালট পেপার বাইরে নিয়ে তাৎক্ষনিক আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ব্যালট বাক্স পুড়ে গেছে। ব্যালট বাক্সে প্রায় তিনশ ভোটের পেপার ছিল। পরে সেখানে থাকা আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা সদস্যরা ব্যালট উদ্ধারে ৫ রাউন্ড গুলি করেন। এ ঘটনায় দুইজন আনসার সদস্য আহত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। ঘটনার পর কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করার পর কেন্দ্রের বাকি বালটবাক্সসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম নিয়ে দায়িত্বরতরা কেন্দ্র ত্যাগ করে।

গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব বলেন, ঘটনা নিয়স্ত্রণে ৫ রাউন্ড গুলি করা হয়েছে। এই ঘটনায় দুইজন আনসার সদস্য আহত হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রকাশ, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে নৌকার প্রার্থী সংসদস সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির। তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছে ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী পদত্যাগকারী গোপালপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু। এ আসনের অন্য প্রার্থীরা হলেন গণফ্রন্টের গোলাম সরোয়ার (মাছ), বাংলাদেশ কংগ্রেসের মোহাম্মদ রেজাউল করিম (ডাব), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির সাইফুল ইসলাম (আম) ও জাতীয় পার্টির হুমায়ুন কবীর তালুকদার (লাঙ্গল)।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. জানুয়ারী ২০২৪ ১১:৪৩:পিএম ৩ মাস আগে
টাঙ্গাইলে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ১

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও গাড়িসহ মনির (২৫) নামের এক মাইক্রোবাসের চালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার (২০ ডিসেম্বর) রাত ৯টার দিকে গোপালপুর থানা সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত মাইক্রোবাসের চালক মনির উপজেলার সমেশপুর গ্রামের লোকমানের ছেলে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ম্যাজিস্ট্রেট আবু বক্কর সরকারের নেতৃত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গোপালপুর পৌরসভার থানা সংলগ্ন এলাকায় তল্লাশি চালায়। এ সময় দেশীয় অস্ত্রবহনকারী মাইক্রোবাসটিকে থামানোর জন্য সিগনাল দেওয়া হয়। সিগনাল দিলে গাড়িতে থাকা দুইজন পালিয়ে যায়। পরে অস্ত্রসহ চালককে গ্রেপ্তার করা হয়।

গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল মোর্শেদ জানান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাজমুল হাসান এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ম্যাজিস্ট্রেট আবু বক্কর সরকার ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে র‌্যাব ও পুলিশের সহায়তায় ওই মাইক্রোবাস চালককে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেন। পরে তাকে র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আসামিকে এখনো পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়নি।

বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে র‌্যাব-১৪ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কম্পানি অধিনায়ক মেজর মনজুর মেহেদী ইসলাম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারকৃত মনিরকে গোপালপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:৩৪:এএম ৪ মাস আগে
টাঙ্গাইলে দুই এমপি প্রার্থীকে শোকজ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুই এমপি প্রার্থীকে শোকজ

একতার কণ্ঠঃ আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত ‘নৌকা’ প্রতীকের প্রার্থী তানভীর হাসান ছোট মনির ও স্বতন্ত্র ‘ঈগল’ প্রতীকের প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছেন ওই আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু তার নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ করার জন্য ভূঞাপুর পৌর শহরের দারোগ আলী সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় ডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্স কার্যালয়ে সৌজন্যে সাক্ষাতের জন্য বসেন। এসময় তার প্রচারণার সংবাদ শুনে আওয়ামী লীগ মনোনীত ‘নৌকা’ প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থিত কর্মীরা ওই কার্যালয়ে হামলা চালায় এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে অফিসের জানালার গ্লাস ভেঙে যায়। এছাড়াও অফিসের নিচে থাকা মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার দিন বিকালেই প্রধান নির্বাচন কমিশন টাঙ্গাইল বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু। তার অভিযোগ আমলে নিয়ে নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ছোট মনিরকে বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা ৩০মিনিটে নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি টাঙ্গাইল কার্যালয়ে স্বশরীরে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

অপরদিকে, গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন লিখিত অভিযোগ করেন যে- মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুর সমর্থিতরা ঝাওয়াইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অফিসে প্রবেশ করে বঙ্গবন্ধুর ছবি, আসবাবপত্র ভাঙচুর ও কেন্দ্র খরচের টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেন। এই অভিযোগ আমলে নিয়ে বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি টাঙ্গাইল কার্যালয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুকে স্বশরীরে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম বলেন, গোপালপুর ভূঞাপুরে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী তানভীর হাসান ছোট মনির ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু এই দুই প্রার্থীর কাছে ব্যাখা চেয়ে বৃহস্পতিবার তলব করা হয়েছে। এই নির্বাচনী এলাকায় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ ও র‌্যাব মোতায়েন করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:০৫:এএম ৪ মাস আগে
মনোনয়ন বৈধ, ভোটের মাঠে লড়বেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ঠান্ডু - Ekotar Kantho

মনোনয়ন বৈধ, ভোটের মাঠে লড়বেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ঠান্ডু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-২(ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুর মনোনয়নপত্র আপিলে বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

রবিবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে আপিলের শুনানিতে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু বিকালে নিজেই এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আপিলে মনোনয়নপত্র বৈধ বলে প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছি। কোনো ষড়যন্ত্র কাজে আসেনি। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হলে জয়লাভ করব। ভূঞাপুর-গোপালপুর উপজেলার জনগণ আমার পাশে রয়েছে।

গত ২ ডিসেম্বর টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে স্বাক্ষর জটিলতার কারণ দেখিয়ে ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম। পরে নিয়মানুযায়ী নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন তিনি। সেই আপিলেই তার মনোনয়নকে বৈধ ঘোষণা দিল নির্বাচন কমিশন।

গত ৩০ নভেম্বর ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. বেলাল হোসেনের কাছে টাঙ্গাইল-২ আসনে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি।

প্রকাশ, ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও উপজেলা পরিষদের ৩ বারের নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান। তিনি টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসন থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নের আশায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর গোপালপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের বরাবর আবেদন করেন। পরে ৩ অক্টোবর স্থানীয় সরকার বিভাগ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ শূন্য ঘোষণা করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:৪৭:এএম ৪ মাস আগে
টাঙ্গাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে আটকে রেখে মনোনয়ন বাতিলের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে আটকে রেখে মনোনয়ন বাতিলের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ সমর্থককে আটকে রেখে মনোনয়ন বাতিলের অভিযোগ তুলেছেন টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু।

ঘটনার সত্যতা যাচাই ও তদন্ত চেয়ে শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন তিনি। তবে লিখিত অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে না দেখে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে তার মনোনয়ন পত্রটি বাতিল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

জানা যায়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ১২ (৩ ক) দফা ২ এর উপদফা (ক) অনুযায়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীকে মনোনয়ন পত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন সম্বলিত স্বাক্ষর যুক্ত তালিকা সংযুক্ত করার বিধান রয়েছে। টাঙ্গাইল-২ নির্বাচনী আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩,৯৫,২৪৮। যার ১ শতাংশ ভোটার ৩৯৫২ এবং তিনি উক্ত তালিকা দাখিল করেছেন।

তার মনোনয়ন পত্রের সাথে সংযুক্ত ভোটারের স্বাক্ষর যুক্ত তালিকা হতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এর স্মারক নং ১১৭০০০০০০৩৪৩৬০১৮২৩৭৩৮, তারিখ- ২০ নভেম্বর ২০২৩ এর পত্র অনুযায়ী দৈবচয়নের ভিত্তিতে ১০ জন ভোটারের স্বাক্ষর সম্বলিত তালিকা সরজমিনে যাচাই বাছাই করা হয়েছে। যাচাই বাছাই ও তদন্তকালে ৩৯৫২ ভোটারের মধ্যে দাখিলকৃত সমর্থনযুক্ত তালিকার ক্রমিক নং যথাক্রমে ২১১৫, ৩২২৩, ৮৭২, ২২৮৬, ১৫৭৪, ৭৫১, ৫৪৩, ২১৫৩, ২৩৮৮ মোট নয় জনের স্বাক্ষরের বিষয়টি সত্যতা পাওয়া গেলেও ৩৪২৬ ক্রমিকে অন্তর্ভূক্ত ভোটার আরফান আলী শেখ, পিতা- খোরশেদ আলী, ভোটার নম্বর- ৯৩১৩১৩৭৯০৬৯৪, গ্রাম- মাদারিয়া ভূঞাপুর টাঙ্গাইলের বাড়িতে বিগত ১ ডিসেম্বর আনুমানিক সকাল সাড়ে ১১টার সময় তদন্তকারী কর্মকর্তাগণ গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে, মো. আরফান আলী শেখ সমর্থন সম্বলিত তালিকায় প্রদত্ত টিপসহি নিজের নয় বলে উল্লেখ করেন।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ১২ (৩ ক) দফা ২ এর উপদফা (ক) এর শর্ত লঙ্ঘিত হওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী (প্রার্থীতার পক্ষে সমর্থন যাচাই) বিধিমালা ২০১১ এর ৫ বিধির আলোকে এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ১৪ (৩) (গ) এর বিধান অনুসারে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদারের দাখিলকৃত মনোনয়ন পত্রটি বাতিল যোগ্য হওয়ায় বাতিল ঘোষনা করা হয়।

অন্যদিকে, গত ১ ডিসেম্বর প্রার্থীর সমর্থক ভূঞাপুরের মাদারিয়া গ্রামের খোরশেদ আলীর ছেলে তালিকার ৩৪২৬ ক্রমিকে অন্তর্ভূক্ত ভোটার আরফান আলী শেখের নিখোঁজের বিষয়টি উল্লেখ করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়।

নিখোঁজ সমর্থককে মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইয়ের দিন ভূঞাপুরের ফলদা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াররম্যান মো. সাইদুল ইসলাম তালুকদার দুদুর ব্যক্তিগত গাড়িতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আসা যাওয়ার বিষয়টি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। সত্যতা যাচাই ও নির্বাচনের পরিবেশ অবাধ ও সুষ্ঠু রাখতে জেলা প্রশাসনের অধিকতর তদন্ত প্রয়োজন বলে মত প্রকাশ করেছেন প্রার্থী ও তার সমর্থকরা।

নিখোঁজ আরফান আলী শেখ বলেন, আমি কারো পক্ষে কোথাও কোন স্বাক্ষর দেইনি। এছাড়া নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি এড়িয়ে যান তিনি।

ফলদা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. সাইদুল ইসলাম তালুকদার দুদু বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর কোন সমর্থক নিখোঁজের বিষয়টি জানেন না। আরফান আমার প্রতিবেশী ও আমার ইউনিয়নের বাসিন্দা। সেই হিসেবে আমি তাকে সাথে নিয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়েছিলাম।

স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু বলেন, আমি ১ ডিসেম্বর সমর্থক নিখোঁজের বিষয়টি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। অভিযোগের কোন ব্যবস্থা না নিয়ে আমার মনোনয়ন পত্রটি বাতিল করা হয়েছে। আমি নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছি, আমার বিশ্বাস আমি ন্যায় বিচার পাবো।

এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম জানান, সমর্থক নিখোঁজের অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বতন্ত্র প্রার্থীর একজন ভোটার স্বাক্ষর দেননি বলে দাবি করায় নিয়মানুযায়ী ওই মনোনয়ন পত্রটি বাতিল করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:২১:এএম ৪ মাস আগে
টাঙ্গাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঠান্ডুর মনোনয়নপত্র বাতিল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঠান্ডুর মনোনয়নপত্র বাতিল

একতার কণ্ঠঃ ভোটারের স্বাক্ষর জালিয়াতি করার অভিযোগে টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও পদত্যাগকারী উপজেলা চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।

শনিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন।

জানা যায়, ঠান্ডু মনোনয়নপত্রে ভোটারের স্বাক্ষরে ভূঞাপুর উপজেলার মাদারিয়া পূর্বপাড়া গ্রামের আরফান আলী সেকের স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। তবে আরফান আলী সেক স্বাক্ষরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু বলেন, ওই ব্যক্তি স্বাক্ষর দেওয়ার পর অস্বীকার করছেন। তবে তার বাড়িতে তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। এ বিষয়ে আমি আপিল করবো।

আরফান আলী সেক বলেন, আমি কোথাও স্বাক্ষর দেই নাই। তবে আমার স্বাক্ষর জালিয়াতি করা হয়েছে। আমি এটার সুষ্ঠু বিচার চাই।

জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম জানান, ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুর আবেদনে এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর করে জমা দিয়েছেন। সেখান থেকে ১০ ভোটারের স্বাক্ষর ও তথ্য যাচাই বাছাই করার জন্য অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। সেখানে ৯টি ভোটারের তথ্য সঠিক পাওয়া যায়।

তিনি আরও জানান, তবে একটি ভোটারের তথ্য সঠিক পাওয়া যায়নি। ফলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থন যাচাই বিধিমালা ২০১১ এর ৫ বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে। পরে আইন অনুযায়ী তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। তিনি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:৩০:এএম ৪ মাস আগে
টাঙ্গাইলে বেপরোয়া মোটরসাইকেলের গতি; প্রাণ গেল আরও এক যুবকের - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বেপরোয়া মোটরসাইকেলের গতি; প্রাণ গেল আরও এক যুবকের

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বালুবাহী ট্রাকের ধাক্কা লেগে আশিক মিয়া (২০) নামে এক যুবককের নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গোপালপুর পৌর শহরের ভূঞারপাড়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আশিক পৌর শহরের উত্তর গোপালপুর এলাকার আমির হোসেনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে আশিক মোটরসাইকেলটি দ্রুত গতিতে চালিয়ে নবগ্রামের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কাছে পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি হাইড্রোলিক ট্রাকের পেছনে ধাক্কা লেগে ছিটকে পড়েন ও গুরুতর আঘাত পায়। এরপর স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

পরে ঢাকা নেয়ার পথে আশিকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে পথিমধ্যে রোগীর স্বজনরা টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আলিম আল রাজী জানান, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় আশিক নামে এক আরোহীকে নিয়ে আসে স্থানীয়রা। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

এ ব্যাপারে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউল মোর্শেদ জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। এ ব্যাপারে কেউ অভিযোগ করেনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. নভেম্বর ২০২৩ ০২:৩১:এএম ৫ মাস আগে
গোপালপুরে আ’লীগের উন্নয়ন সমাবেশ অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

গোপালপুরে আ’লীগের উন্নয়ন সমাবেশ অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ:টাঙ্গাইলের গোপালপুরে সরকারের উন্নয়ন সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর)বিকালে গোপালপুরের সূতি ভি.এম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

একই সাথে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় স্থানীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- টাঙ্গাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখর প্রমুখ।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল মোমিনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আনিসুর রহমান আনিস, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রউফ চান মিয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার সুরুজ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহানুর রহমান সোহানসহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের সময় এতোটা উন্নয়ন হয়েছে যে সাধারণ মানুষ এখন আবার শেখ হাসিনা সরকারকে ক্ষমতায় চায় হরতাল অবরোধের নামে বিএনপি ও জামায়াত দেশ জুড়ে অগ্নিসন্ত্রাস, জ্বালাও পোড়াও, নৈরাজ্য এবং খুনখারাপি শুরু করেছে। সরকার গণতন্ত্র তথা নির্বাচন কার্যক্রমকে যেমন এগিয়ে নিয়ে যাবে তেমনি এ সব অপশক্তিকে শক্ত হাতে দমন করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি স্বচ্ছ ও অংশগ্রহনমূলক নির্বাচন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে আবার সরকার গঠন করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. নভেম্বর ২০২৩ ০৭:৪৭:পিএম ৫ মাস আগে
টাঙ্গাইলে মেধা যাচাইয়ে বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিল শিশুসহ সাড়ে ১২’শ শিক্ষার্থী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মেধা যাচাইয়ে বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিল শিশুসহ সাড়ে ১২’শ শিক্ষার্থী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মেধা যাচাইয়ে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে অংশ নেন- জেলার ভূঞাপুর, গোপালপুর, ঘাটাইল ও কালিহাতী উপজেলার ১৩০টি সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রথম শ্রেণি থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত ১ হাজার ২৬০ জন শিক্ষার্থী। এই বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরে ব্যাপক উচ্ছ্বসিত হাজারো শিক্ষার্থী।

শুক্রবার (২৭ অক্টোবর) বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করেন- সামাজিক সেবামূলক সংগঠন ‘প্রতিভা ছাত্র সংগঠন’। ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও ভূঞাপুর পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে এ বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা শুরু হয় সকাল ১০ টায় এবং বেলা ১২ টায় শেষ হয়।

বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়া চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী মোছা: রওশনরা খাতুন বলেন, আমি এবারই প্রথম এই বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছি। বৃত্তি পাওয়াটা বড় কথা নয়, অংশ গ্রহণ করাটাই সবচেয়ে বড় বিষয়। আশা করছি পরীক্ষা ভালো হলে সফলতা অর্জন করতে পারব। আয়োজনকদের ধন্যবাদ।

৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী সুমাইয়া খাতুন, মর্জিনা আক্তার, রুবেল মিয়া ও তৌহিদ হাসান বলেন, আমরা এবারই বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছি। করোনার কারণে এরআগে অংশ নিতে পারেনি। প্রতিভা ছাত্র সংগঠন বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ভাল লাগছে। প্রতি বছরই সংগঠনটি এমন আয়োজন করুক এমনটাই প্রত্যাশা।

এসময় পরীক্ষার হল পরিদর্শন করেন- ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মহীউদ্দিন, ভূঞাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান বাবু, ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহ আলম প্রামাণিক, ফলদা শরিফুননেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সন্তোষ কুমার দত্ত প্রমুখ।

প্রতিভা ছাত্র সংগঠনের সভাপতি মো: রেজওয়ানুল করিম রানা বলেন, প্রতিভা ছাত্র সংগঠনের উদ্যোগে বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হয় ২০১৯ সালে। করোনার প্রকোপ কাটিয়ে দুই বছর পর ফের পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। এবার ভূঞাপুরসহ পাশ্ববর্তী তিন উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিশুসহ ১ হাজার ২৬০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. অক্টোবর ২০২৩ ০২:৫৫:এএম ৬ মাস আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।