/ হোম / টাঙ্গাইলে
টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রী সামিয়া হত্যা মামলার রায়: আসামি সাব্বিরের মৃত্যুদণ্ড  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রী সামিয়া হত্যা মামলার রায়: আসামি সাব্বিরের মৃত্যুদণ্ড 

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী সামিয়া আক্তারকে মুক্তিপণের আশায় অপহরণের পর হত্যা ও লাশ গুমের চেষ্টার মামলায় এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ. ন. ম. ইলিয়াস এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডিত আসামি সাব্বির মিয়া টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর উত্তরপাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে। আসামির উপস্থিতিতেই রায় পড়ে শোনান বিচারক। পরে আসামিকে টাঙ্গাইল কারাগারে পাঠানো হয়।

টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. ওমরাও খান দীপু জানান, সখিপুরের দাড়িয়াপুর গ্রামের রনজু মিয়ার মেয়ে সামিয়া আক্তার (৯) দাড়িয়াপুর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

২০২৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে প্রতিদিনের মতো সে প্রাইভেট পড়তে যায়। প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে আসামি সাব্বির পেছন থেকে মুখ চেপে ধরে সামিয়াকে অপহরণ করে পাশের একটি জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে সামিয়া নিজেকে ছাড়িয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে আসামি।

পরে লাশ গুমের উদ্দেশ্যে পাশের একটি ধানক্ষেতের ড্রেনে কাঁদামাটি দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। এরপর আসামি সাব্বির নিজের পরিচয় গোপন রেখে একটি ইমু আইডি থেকে ভয়েস এসএমএস-এর মাধ্যমে সামিয়ার বাবার কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।

এ ঘটনায় পরদিন ৭ সেপ্টেম্বর সামিয়ার বাবা রনজু মিয়া সখিপুর থানায় মামলা করেন। মামলার এক দিন পর ৮ সেপ্টেম্বর সেই ধানক্ষেতের ড্রেন থেকে সামিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর সাব্বিরকে পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে সাব্বির নিজের দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। ২০২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। মোট ১৮ জন সাক্ষী এ মামলায় সাক্ষ্য প্রদান করেন।

আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, স্টেট ডিফেন্স।

রায়ের পর সামিয়ার পরিবার ও এলাকাবাসী আদালতের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, এমন নৃশংস হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়ায় সমাজে অপরাধ কমবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. জুলাই ২০২৬ ১২:১৬:এএম ৩ দিন আগে
টানা বৃষ্টিতে টাঙ্গাইলে বিপর্যস্ত জনজীবন - Ekotar Kantho

টানা বৃষ্টিতে টাঙ্গাইলে বিপর্যস্ত জনজীবন

আরমান কবীর:গত তিন দিনের টানা বৃষ্টিতে টাঙ্গাইল জেলার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। টানা বর্ষণ ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় শহরের নিচু এলাকাগুলোতে বৃষ্টির পানি জমে অস্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও যানজট। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শহরের কর্মজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষ।

তবে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে, জেলার সব নদ-নদীর পানি বিপদ সীমার নিচে রয়েছে। আপাতত জেলায় বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

শুক্রবার থেকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত টানা বৃষ্টিতে টাঙ্গাইল পৌরসভার পার্ক বাজার, আকুর-টাকুর পাড়া, দক্ষিণ থানাপাড়া, বিশ্বাস বেতকা, সাবালিয়া, কোদালিয়া ও কান্দাপাড়াসহ বেশ কিছু এলাকার রাস্তা-ঘাট হাঁটু সমান পানিতে ডুবে গেছে।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার প্রধান সড়কগুলোতেও পানি জমে থাকায় রোগী ও অ্যাম্বুলেন্স চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

বিশ্বাস বেতকার বাসিন্দা নাজমুল মিয়া বলেন, “একটু বৃষ্টি হলেই আমাদের ঘরে পানি ওঠে। খালগুলো দখল হয়ে যাওয়ায় পানি নামার কোনো জায়গা নেই। এর মাঝে কারেন্টও নেই। বাচ্চা নিয়ে খুব কষ্টে আছি।”

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টাঙ্গাইল শহরে কাগজ-কলমে ২৭টি খাল থাকলেও বাস্তবে বেশিরভাগ খাল প্রভাবশালীদের দখলে। খাল ভরাট করে মার্কেট, বাসা-বাড়ি ও রাস্তা নির্মাণ করায় শহরের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।

টাঙ্গাইল সচেতন নাগরিক সমাজের সভাপতি আকিবুর রহমান ইকবাল বলেন, “সাবালিয়া খাল, শ্যামা বাবুর খাল, কচুয়াডাঙ্গা খালসহ শহরের প্রধান খালগুলো উদ্ধার না করলে প্রতি বছরই এমন জলাবদ্ধতা হবে। এখনই খাল উদ্ধারে জেলা প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে।”

টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে টাঙ্গাইল-ঢাকা ও টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কে যান চলাচল ধীরগতিতে চলছে। শহরের অটো, রিকশা ও সিএনজি চালকরা যাত্রী পেলেও পানির কারণে ভাড়া দ্বিগুণ আদায় করছেন।

পার্ক বাজারের ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, “দোকানে পানি ঢুকে মালামাল নষ্ট হয়েছে। ক্রেতাও নেই। গত ৩ দিনে বিক্রি একদম নেই বললেই চলে।”

প্যারাডাইস পাড়ার চা দোকানদার গনেশ চৌহান বলেন, “টানা বৃষ্টিতে দোকানে কাস্টমার নেই বললেই চলে। ফলে আমাদের জীবনযাপন স্থবির হওয়ার পথে।”

বৃষ্টির কারণে শহরের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং ও ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবাও বিঘ্নিত হচ্ছে।

বৈরী আবহাওয়ার কারণে মাধ্যমিক স্কুল ও মাদ্রাসায় পরীক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

টাঙ্গাইল পৌরসভার পক্ষ থেকে জলাবদ্ধ এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার ও পানি নিষ্কাশনের কাজ চলছে বলে জানানো হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মনিটরিং করা হচ্ছে।

টাঙ্গাইল আবহাওয়া অফিসের জামাল উদ্দিন জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘন্টায় টাঙ্গাইলে ৫৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। আগামী ২৪ ঘন্টায় টাঙ্গাইলে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাইনুদ্দিন জানান, টাঙ্গাইলের কোনো নদ-নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেনি। আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত টাঙ্গাইলে বন্যা হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে টানা বৃষ্টিতে জেলার কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। যমুনার তীরে ভাঙ্গন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরি ভিত্তিতে কাজ করছে।

টানা বৃষ্টি প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলেও টাঙ্গাইল শহরের জলাবদ্ধতা অনেকাংশেই মানবসৃষ্ট। খাল দখল, ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বলতা ও অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে প্রতি বছরই এমন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে নগরবাসীকে। খাল উদ্ধার ও টেকসই ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত টাঙ্গাইলবাসীর এই দুর্ভোগ চলতেই থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. জুলাই ২০২৬ ০৬:৩৬:পিএম ৬ দিন আগে
মুঘল প্রেমের ঐতিহ্যের খাবার বাকরখানি এখন টাঙ্গাইলে - Ekotar Kantho

মুঘল প্রেমের ঐতিহ্যের খাবার বাকরখানি এখন টাঙ্গাইলে

আরমান কবীর:বাকরখানি শুধু একটা রুটি না, এটা মুঘল আমলের একটা প্রেম-কাহিনী আর ঐতিহ্য। সেই ঐতিহ্যবাহী ঢাকার বাকরখানি এখন তৈরি হচ্ছে টাঙ্গাইল শহরেই।

শহরের পার্ক বাজারের ব্যস্ততম এলাকা শনির আখড়ার সামনে ৩৭ বছরের অভিজ্ঞ কারিগর সোহেল মিয়া তৈরি করছেন বাকরখানি। তার হাত ধরেই মুঘল আমলের স্বাদ এখন টাঙ্গাইলবাসীর ঘরে ঘরে পৌঁছে যাচ্ছে।

সোহেল মিয়ার দোকানে মিষ্টি ও নোনতা দুই ধরনের বাকরখানি পাওয়া যায়।

দাম প্রতি কেজি মিষ্টি বাকরখানি ২২০ টাকা, নোনতা ২০০ টাকা। প্রতি পিস ১০ টাকা। কেজিতে গড়ে ২৪টি বাকরখানি ধরে।

সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাকরখানির মিষ্টি সুগন্ধ পুরো এলাকায় এক ধরনের আবেশ তৈরি করছে। দিনে গড়ে ৪ হাজার টাকার বাকরখানি বিক্রি হচ্ছে এখানে। ভাগিনা শাহিন মিয়া মামাকে সাহায্য করেন। পরিবার নিয়ে তারা থাকেন শহরের আদালত পাড়া এলাকায়।

সোহেল মিয়ার আদি বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামে। প্রায় ২৫ বছর আগে তিনি ঢাকার কেরানীগঞ্জে এসে বাকরখানি তৈরির কাজ শেখেন। দীর্ঘ ৩৭ বছর ধরে এই পেশায় আছেন।

দুই বছর হলো টাঙ্গাইলে এসেছেন। পার্ক বাজারে মির্জা বাহরুলের দোকান ভাড়া নিয়ে ব্যবসা করছেন।

তিনি বলেন, “আগে লাকড়ি বা কয়লার চুলায় বাকরখানি তৈরি হতো। এখন মাইক্রোওভেনে বানাই। টাঙ্গাইলের মানুষ এখনও পুরোপুরি বাকরখানি খাওয়া শেখেনি। তবে ধীরে ধীরে বিক্রি বাড়ছে।”

তিনি আরো বলেন,ঘি, ময়দা, চিনি, দুধ, তিল – এগুলোই বাকরখানির মূল উপাদান।

কোদালিয়া এলাকার নাজমুল আহসান ঢাকার লালবাগে থাকতেন। সেখান থেকেই সকালের চায়ের সাথে বাকরখানি খাওয়ার অভ্যাস। তিনি বলেন, “পরিবারের জন্য ২ কেজি নোনতা বাকরখানি নিলাম। সকাল-সন্ধ্যার চায়ের সাথে খাব।”

স্কুলপড়ুয়া ছেলে মাহিনকে নিয়ে আসা মিলি বেগম বলেন, “ছেলের পছন্দ মিষ্টি বাকরখানি। তাই ১ কেজি ২২০ টাকা দিয়ে কিনলাম। এখানকার স্বাদ ও মান দুইটাই ভালো। বাজার করার ফাঁকে মাঝে মাঝে কিনে নিয়ে যাই।”

জানা গেছে,বাকরখানির জন্ম ১৭ শতকে মুঘল আমলের ঢাকায়। মুঘল সুবেদার ও নবাবরা সকালের নাস্তা ও চায়ের সাথে এটা খেতেন কারণ এটি সহজে নষ্ট হয় না।

নামকরণের পেছনে আছে করুণ প্রেম কাহিনী। মুঘল আমলে ঢাকার নায়েবে নাজিম মির্জা বাকর খান প্রেমে পড়েন নর্তকী খানি বেগমের। রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে তাদের মিলন হয়নি। শোকে বাকর খানের জন্য রাঁধুনি যে শক্ত রুটি বানিয়েছিলেন তার নাম হয় বাকর + খানি = বাকরখানি।

আদিতে এই সুস্বাদু খাদ্য ২ প্রকার ছিল, গায়ে গায়ে বাকরখানি: পাতলা, খাস্তা। চায়ে ভিজিয়ে খাওয়া হতো। চাল্লা বাকরখানি: মোটা, নরম। উপরে তিল-পোস্ত দেওয়া থাকতো।পরে যোগ হয় মিষ্টি, নোনতা, চিনি ও মাওয়া বাকরখানি। ব্রিটিশরা একে “Bengal Biscuit” বলতো। পুরান ঢাকার লালবাগ, নাজিরাবাজার, চকবাজার ছিল এর মূল কেন্দ্র। দেশভাগের পর এটি সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়ে।

মুঘল আমলের সেই প্রেম আর ঐতিহ্যের বাকরখানি এখন টাঙ্গাইলের পার্ক বাজারে নতুন করে প্রাণ পাচ্ছে। সোহেল মিয়ার মতো কারিগরদের হাত ধরে ঐতিহ্য টিকে থাকুক – এমনটাই প্রত্যাশা টাঙ্গাইলবাসীর।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জুলাই ২০২৬ ১১:৩২:পিএম ১ সপ্তাহ আগে
টাঙ্গাইলে মধু মাস: রঙে-রসে পরিপূর্ণ ফলের বাজার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মধু মাস: রঙে-রসে পরিপূর্ণ ফলের বাজার

আরমান কবীরঃ জ্যৈষ্ঠের শেষ থেকে আষাঢ়ের শুরু — বাঙালির ‘মধু মাস’। আর এই মাস মানেই টাঙ্গাইলের বাজারজুড়ে আম-জাম-কাঁঠাল, লটকন, জামরুলের উৎসব। গ্রীষ্মের কড়া রোদের মাঝে রসালো ফলের সমাহারে এখন টইটম্বুর পৌরশহরের প্রতিটি ফলপট্টি।

ক্রেতা-বিক্রেতার কোলাহলে প্রাণ ফিরে পেয়েছে শহরের পার্ক বাজার, ছয় আনি বাজার, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, জগলু রোডের ফলপট্টিসহ বিভিন্ন ফলের বাজার। সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত টাঙ্গাইলের ফলের বাজারগুলোতে এখন ক্রেতার ঢল। ঝুড়ি ভর্তি আম, কাঁঠাল, লটকন, জামরুল নিয়ে ভ্যান-রিকশা থেকে শুরু করে দোকানে দোকানে বিক্রির মহোৎসব চলছে শহরে। গৃহিণী থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী — সবাই ছুটছেন মধু মাসের স্বাদ নিতে। আর দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় ক্রেতার মুখে সন্তুষ্টির হাসি।

বর্তমানে বাজারের প্রধান আকর্ষণ দেশি-বিদেশি জাতের আম। বাজারে পাওয়া যাচ্ছে সুরমা ফজলি ৪৫ টাকা কেজি, হাঁড়ি ভাঙ্গা ৭০ টাকা কেজি, ব্যানানা ম্যাংগো ১২০ টাকা, বারি-৪ ৭০ টাকা ও আম্রপালি ৮০ টাকা কেজি দরে। ইতিপূর্বে বিক্রি হয়েছে রাজশাহীর ল্যাংড়া, সাতক্ষীরার গোপালভোগ ও হিমসাগর।

নতুন মৌসুমের লটকন ১০০ টাকা কেজি, জামরুল ১২০ টাকা কেজি। কাঁঠাল আকারভেদে ৭০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়াও বাজারে উঠেছে আতাফল, জাম্বুরা ও বেল। দাবদাহের কারণে বেলের শরবতের চাহিদা এখন তুঙ্গে।

পার্ক বাজারের আড়তদার মোহাম্মদ আনোয়ার, আলমগীর, মনির, আব্দুল হক ও রফিক মিয়া জানান, “মধু মাস মানেই আমাদের কাছে বছরের সেরা মাস। জেলায় প্রতিদিন রাজশাহী, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রংপুর থেকে ১৫-২০টি ট্রাক ফল আসছে। গত বছরের তুলনায় এবার ফলের ফলন ভালো হওয়ায় দামও কম। যে কারণে ফলের দোকানগুলোতে ক্রেতার ভিড় অনেক বেশি এবং পরিমাণেও বেশি কিনছেন তাঁরা।”

শুধু বড় আড়ত না, শহরের অলিগলিতেও এখন ফলের ভ্রাম্যমাণ দোকান বসেছে। জগলু রোডের তরুণ উদ্যোক্তা সাদিকুর রহমান জানান, “অনার্সে পড়ার পাশাপাশি এই ব্যবসা করছি। প্রতিদিন ৩০-৪০ কেজি আম বিক্রি হয়। মানুষ এখন সরাসরি বাগান থেকে আনা পাকা ফল কিনতে চায়।”

শহরের প্যারাডাইস পাড়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ আব্দুল আলীম পরিবার নিয়ে ফল কিনতে এসেছেন। তিনি বলেন, “বছরের এই তিন মাস ছাড়া আর ফলের আসল স্বাদ পাওয়া যায় না। তাই বাচ্চাদের নিয়ে প্রতিদিনই কিছু না কিছু ফল কিনছি।” তিনি ৪৫ টাকা কেজি দরে ৪ কেজি সুরমা ফজলি কিনেছেন।

আরেক ক্রেতা ব্যবসায়ী নাজমুল হাসান জানান, তিনি ৭০ টাকা কেজি দরে ৫ কেজি হাঁড়িভাঙ্গা আম কিনেছেন। “বলতে গেলে প্রায় প্রতিদিনই আম কিনছি।” বাজারে আমের দরে তিনি খুশি।

পুষ্টি বিশেষজ্ঞ ডা. ফারহানা সুলতানা বলেন, “কার্বাইড মিশ্রিত ফল খেলে পেটের পীড়া, মাথাব্যথা এমনকি দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকে। তাই ফল কেনার পর কমপক্ষে ৩০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে, ভালোভাবে ধুয়ে খাওয়া উচিত।”

এদিকে ভেজাল রোধে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বাজার মনিটরিং জোরদার করেছে। জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আসাদুজ্জামান রোমেল জানান, “এখন আমের পূর্ণ মৌসুম। যে কারণে ফল পাকাতে ব্যবসায়ীরা কোনো ধরনের কেমিক্যাল ব্যবহার করছেন না। প্রাকৃতিক নিয়মেই বর্তমানে আম পাকানো হচ্ছে, তাই ভোক্তারা নির্দ্বিধায় আম কিনে খেতে পারেন।”

মধু মাস শুধু ব্যবসা না, টাঙ্গাইলের গ্রামীণ অর্থনীতির জন্যও বড় সময়। বিশেষ করে মির্জাপুর, সখীপুর, ঘাটাইলের হাজারো কৃষক এই সময় কাঁঠাল বিক্রি করে সারা বছরের খরচ মেটান। অন্যদিকে শহরের মানুষের কাছে এটি আবেগের বিষয়। আম কাটা, জাম খাওয়া আর কাঁঠালের কোয়া ভাগাভাগি — মধু মাস মানেই উৎসব।

রোদ-গরমের এই দিনে টাঙ্গাইলের বাজার এখন প্রকৃতির দেওয়া শ্রেষ্ঠ উপহারে ভরা। ফলের মিষ্টি গন্ধে ভরে উঠুক টাঙ্গাইলের প্রতিটি ঘর।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. জুলাই ২০২৬ ০১:৩৯:এএম ২ সপ্তাহ আগে
টাঙ্গাইলে অধ্যক্ষের দুর্নীতির অভিযোগে তদন্তে দুদক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অধ্যক্ষের দুর্নীতির অভিযোগে তদন্তে দুদক

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের নারান্দিয়া টি. আর. কে. এন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে ৩৮ লাখ ৭২ হাজার ৫৪৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তদন্ত শুরু করেছে জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার(৩০ জুন )দিনব্যাপী টাঙ্গাইল জেলা দুদকের উপ-পরিচালকের নেতৃত্বে একটি তদন্ত দল প্রতিষ্ঠানে গিয়ে অভিযোগের বিষয়ে নথিপত্র যাচাই, সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের বক্তব্য গ্রহণ এবং বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন।

এছাড়া ক্ষমতার অপব্যবহার, সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতি ও চরম স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। অভিযোগ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে চাননি অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা।

বুধবার সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, নারান্দিয়া টি.আর.কে.এন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম তালুকদারের সঙ্গে আঁতাত করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে গোলাম মোস্তফা আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের চাকরির বিষয় গোপন করে এবং ভূঞাপুর লোকমান ফকির ডিগ্রী কলেজের নিয়োগ যোগদান পত্রের তারিখে অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি করে ২০১৪ সালে অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন।

অভিযোগ রয়েছে, যোগাদানের পর থেকে আওয়ামী লীগ সরকার সময় কালে দুর্নীতিতে জড়িয়ে নারান্দিয়া স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ২১ টি খাত থেকে মোট ৩৮ লক্ষ ৭২ হাজার ৫ শত ৪৮ টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি।

তবে প্রতিষ্ঠানের বেশ কয়েকজন শিক্ষক অভিযোগ করে জানান ,দুর্নীতির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র সম্পূর্ণভাবে যাচাই না করেই তদন্ত দল ফিরে গেছে। এতে তারা সন্তুষ্ট নন। তাদের দাবি, অভিযোগের প্রতিটি বিষয় নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

অভিযোগকারি সহকারি অধ্যাপক আব্দুল সালাম তালুকদার বলেন, ২০১৪ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ২১ টি খাতে তার আত্মসাৎকৃত টাকার পরিমান ৩৮ লক্ষ ৭২ হাজার ৫ শত ৪৮ টাকা। দুদকে অভিযোগ দেয়ার পর দুদকের উপ পরিচালক তদন্তে আসেন।

কলেজের সহকারি অধ্যাপক আশরাফুল ইসলাম বলেন, ৫ আগষ্টের পর অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা পালিয়ে যাবার পর সকল শিক্ষক কর্মচারি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তি মিলে আমাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়। আমি গত ১১ মাস দ্বায়িত্ব পালনের পর তিনি আবার স্বপদে বহাল হয়ে আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে বেতন-ভাতা বন্ধ করে দেয়। গত ১০ মাস যাবৎ আমার বেতন বন্ধ রয়েছে।

একই কলেজের সহকারি অধ্যাপক সুমির কুমার মোদক অভিযোগ করে বলেন, অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফার দূর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলায় আমার বেতন বন্ধ করে দেয়। আমি এখনো সে বেতন পাই নাই। বেতন বন্ধ করলেও আমি পিছপা হবো না। আমি প্রতিবাদ চালিয়ে যাব। দুদকের তদন্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেন এই শিক্ষক।

তিনি বলেন, অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফা ২০১৪ সালে আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের চাকরির বিষয় তথ্য গোপন করেন এবং ভূঞাপুর লোকমান ফকির ডিগ্রী কলেজের নিয়োগ যোগদান পত্রের তারিখ অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন।

তিনি আরও বলেন,এর আগে অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে চাকরিতে বয়স জালিয়াতি, ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ, টিউশন ফি’র টাকা আত্মসাৎ, ক্রয় সংক্রান্ত অনিয়মসহ বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগে শিক্ষা অধিদপ্তরও পৃথকভাবে তদন্ত করে।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ গোলাম মোস্তফার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি জানান, তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে। তদন্তাধীন বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে চাই না।

টাঙ্গাইল জেলা দুদকের উপ পরিচালক ফখরুল ইসলাম বলেন. মঙ্গলবার সকাল ১১ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করা হয়েছে। বর্তমানে তদন্ত চলমান রয়েছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. জুলাই ২০২৬ ০১:০৭:এএম ২ সপ্তাহ আগে
টাঙ্গাইলে নিখোঁজের চারদিন পর যুবদল নেতার মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের চারদিন পর যুবদল নেতার মরদেহ উদ্ধার, আটক ৫

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার নিখোঁজের চার দিন পর সাবেক যুবদল নেতার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে আটক করা হয়েছে পাঁচজনকে।

বুধবার রাত ১২টার দিকে উপজেলার কাউটেনগর মাছুয়া বিল থেকে কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে রাখা অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয় বলে ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোকছেদুর রহমান জানিয়েছেন।

নিহত আমিনুল ইসলাম খান মিন্টু(৩০) উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়নের ছনখোলা আমুয়াবাইদ এলাকার আব্দুল মজিদ মাস্টারের ছেলে। তিনি সংগ্রামপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তার বড় ভাই আব্দুল মান্নান ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

মিন্টু গাজীপুরের টঙ্গী পাগার এলাকায় অবস্থিত ‘জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেবিক্স লিমিটেড’ কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। কোরবানি ঈদের ছুটিতে তিনি গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন।

পুলিশ জানায়, রোববার রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চাপড়ী বাজার থেকে মিন্টু নিখোঁজ হন। এ নিয়ে সোমবার তার বড় ভাই আব্দুল মান্নান ঘাটাইল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

ঘটনার তদন্তে পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে সোহেল রানাকে (৩৫) আটক করে এবং তার তথ্যানুযায়ী পরে আরো চারজনকে আটক করলে হত্যার প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসে। তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে মাইচা বিলের প্রায় পানিশূন্য একটি খালের মধ্যে কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে রাখা অবস্থায় মিন্টুর লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের বড় ভাই আব্দুল মান্নান অভিযোগ করে বলেন, “আমার ভাইকে সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে হত্যা করে লাশ গুম করার চেষ্টা করেছিল। আমি আমার ভাই হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মোকছেদুর রহমান বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তিনি আরোও জানান, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্থানীয় পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। তবে তদন্ত ও আসামি গ্রেপ্তারের স্বার্থে এখনই তাদের নাম পরিচয় প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না।

এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

নিহত আমিনুল ইসলাম খান মিন্টু(৩০)

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. জুন ২০২৬ ১২:৫৩:এএম ১ মাস আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাকের ধাক্কায় তাবলিগ জামায়তের আমির নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাকের ধাক্কায় তাবলিগ জামায়তের আমির নিহত

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে রাস্তা পার হওয়ার সময় ডাম্প ট্রাকের ধাক্কায় মো. নুরুল ইসলাম নূরু (৬৫) নামে এক তাবলিগ জামায়তের আমির নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে ঘাটাইল কলেজ মোড়ে কৃষি ব্যাংক সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোকছেদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত নুরুল ইসলাম উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের কাজলা গ্রামের বাসিন্দা ও বৃহত্তর রসুলপুর ইউনিয়নের প্রয়াত তাজ উদ্দিন চেয়ারম্যানের ভাতিজা। তিনি উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের তাবলিগ জামায়তের আমির ছিলেন।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, নুরুল ইসলামের ছেলে সিঙ্গাপুর প্রবাসী ইয়াকুব আলী (৩৩) সম্প্রতি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সিঙ্গাপুরে মারা গেছেন। সেই বিষয়ে মঙ্গলবার সকালে তিনি টাঙ্গাইল প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকে কাজ শেষে বাড়িতে ফেরার সময় ঘাটাইল কলেজ মোড় চত্বরে কৃষি ব্যাংকের সামনে রাস্তা পারাপারের সময় তেলবাহী একটি ডাম্প ট্রাকের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিলে হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোকছেদুর রহমান বলেন, তেলবাহী ডাম্প ট্রাকের আঘাতে নুরুল ইসলাম নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ বিষয়ে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ নেই।

এ দিকে ছেলের মৃত্যুর পর পিতার মৃত্যুতে নিহতের পরিবারে শোকের মাতম চলছে। বাদ এশা কাজলা গ্রামে নুরুল ইসলামের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

নিহত নুরুল ইসলাম

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. জুন ২০২৬ ০২:০৬:এএম ২ মাস আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৩ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৩

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখী সংঘর্ষে স্কুলছাত্র তিন বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে|

রবিবার (২৪ মে) বেলা ১১টার দিকে বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের উপজেলার বাংড়া কালিমন্দির এলাকায় এ ঘটনা ঘটে|

নিহতরা হলেন- উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের বাংড়া গ্রামের প্রবাসী রফিক মিয়ার ছেলে তাকবির মিয়া (১৫), একই গ্রামের শওকত আলীর ছেলে মো. লিমন (১৪) ও সোলাইমানের ছেলে মো. সায়মন (১৪)| তারা মোটরসাইকেল আরোহী ছিল|

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, স্কুলছাত্র তিন বন্ধু মিলে মোটরসাইকেল নিয়ে বাসাইল উপজেলা সদরের দিকে যাচ্ছিল| মোটরসাইকেলটি বাংড়া কালিমন্দির এলাকায় পৌছালে অপরদিক থেকে আসা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সাথে মুখোমুখী সংঘর্ষ হয়| এসময় ঘটনাস্থলেই তাকবির মিয়া নামের একজনের মৃত্যু হয়| গুরুতর আহতাবস্থায় মোটরসাইলে আরোহী লিমন ও সায়মনকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়| সেখানে লিমনের মৃত্যু হয়| আর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে সায়মনের মৃত্যু হয়|

বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর কবির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মোটরসাইকেল ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষের ঘটনায় তিন স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে| এদের মধ্যে একজন ঘটনাস্থলে ও বাকি দুইজনের মধ্যে একজন টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল এবং অপরজনকে ঢাকায় নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়| আইনী প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে|’

নিহতের বাড়িতে স্বজনদের ভিড়

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. মে ২০২৬ ১২:৪৩:এএম ২ মাস আগে
টাঙ্গাইলে যমুনার ভাঙন ঠেকাতে স্থায়ী বেড়িবাঁধের ঘোষণা পানিসম্পদমন্ত্রীর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যমুনার ভাঙন ঠেকাতে স্থায়ী বেড়িবাঁধের ঘোষণা পানিসম্পদমন্ত্রীর

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার যমুনা নদীর ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে অতি দ্রুত স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এমপি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

শুক্রবার (২২ মে) বেলা ১২টার দিকে সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের চরপৌলি এলাকার নদীভাঙন কবলিত স্থান পরিদর্শন করেন মন্ত্রীদ্বয়। পরে নদীর তীরবর্তী মিন্টু মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ভাঙনকবলিত মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তারা।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ এবং জনগণের স্বার্থে আগামী অর্থবছর থেকেই যমুনা নদীর ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে।

তিনি বলেন, যমুনা নদীর ভাঙনে প্রতি বছর নদীপাড়ের অসংখ্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ দুর্ভোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। টাঙ্গাইলের যমুনা নদীভাঙন কবলিত এলাকাগুলো সুরক্ষায় প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং আগামী অর্থবছরেই এর কার্যক্রম শুরু হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। যমুনার ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যেই নিজে সরেজমিনে পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসেছেন বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আমরা যা বলি, তাই করি।নির্বাচনের আগে যমুনার ভাঙন রোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সরকার তা বাস্তবায়নে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের পাশাপাশি এ অঞ্চলের উন্নয়নে সড়ক নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করা হবে এবং স্থানীয় মানুষের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. শাহজাহান সিরাজসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, জেলা যুবদল ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি খন্দকার আহমেদুল হক সাতিল, সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজিম উদ্দিন বিপ্লবসহ দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

এ ছাড়া জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দলীয় নেতাকর্মী এবং ভাঙনকবলিত এলাকার বিপুল সংখ্যক মানুষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. মে ২০২৬ ০১:৫৬:এএম ২ মাস আগে
টাঙ্গাইলে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে হাফেজ রেজাউল হান্নান নামে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হলে পালিয়ে যান অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক।

রোববার (৩ মে) ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের ছোট শাখারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

স্থানীয়রা জানান, হাফেজ রেজাউল হান্নান বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বিদ্যালয়টি ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এর আগেই বিদ্যালয় থেকে পালিয়ে যান প্রধান শিক্ষক রেজাউল হান্নান।

এ বিষয়ে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন জানান, শিশুটি এবং তার পরিবার বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। তারা অভিযোগ করলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. মে ২০২৬ ০১:৪২:এএম ৩ মাস আগে
টাঙ্গাইলে লৌহজং নদী পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে লৌহজং নদী পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ধলেশ্বরী ও লৌহজং নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে এবং টাঙ্গাইল পৌর এলাকার নদী তীরবর্তী জনপদ রক্ষায় মেগা প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার(২ মে) সকালে সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের ক্ষুদিরামপুর এলাকায় লৌহজং নদীপুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আঙুল থেকে ভোটের কালি না শুকাতেই বিএনপি সরকার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে ‘টাঙ্গাইল জেলার ধলেশ্বরী ও লৌহজং নদী পুনঃখনন এবং টাঙ্গাইল পৌর এলাকায় নদীতীর প্রতিরক্ষা’ প্রকল্পের উদ্বোধন করা হলো।

তিনি বলেন, নদী বাঁচলে টাঙ্গাইল বাঁচবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে একদিকে যেমন মৎস্য সম্পদের উন্নয়ন ঘটবে, অন্যদিকে টাঙ্গাইল পৌরসভা ভাঙন ও বন্যা থেকে রক্ষা পাবে। বর্তমান সরকার জলাশয় ও নদী রক্ষায় বদ্ধপরিকর।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘদিনের পলি জমে ভরাট এবং দখল-দূষণের শিকার হওয়া ধলেশ্বরী ও লৌহজং নদী খনন করার ফলে এই অঞ্চলের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হবে এবং কৃষি ও পরিবেশের আমূল পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে টাঙ্গাইল পৌর এলাকায় নদীতীর প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের ফলে শহরের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাঈন উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীন মিয়া।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা যুবদল ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি খন্দকার আহমেদুল হক সাতিল, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দলীয় নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. মে ২০২৬ ০৮:৩২:পিএম ৩ মাস আগে
টাঙ্গাইলে জ্বালানি তেল পরিমাপে কম দেওয়ায় ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জ্বালানি তেল পরিমাপে কম দেওয়ায় ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে জ্বালানি তেল পরিমাপে কম দেওয়ার অভিযোগে একটি ফিলিং স্টেশন মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, টাঙ্গাইল।

মঙ্গলবার(২৮ এপ্রিলে) দুপুরে শহরের আমিন বাজার এলাকায় মেসার্স রাসেল এলপিজি এন্ড ফিলিং স্টেশনে অভিযান চালিয়ে এই জরিমানা করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল।

এসময় তিনি জানান, মেসার্স রাসেল এলপিজি এন্ড ফিলিং স্টেশনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দেখা যায়, ডিজেল ও পেট্রোল প্রতি ৫ লিটারে প্রায় ৩৩০ মিলি লিটার পরিমানে কম দেওয়া হচ্ছে। পরে ওই প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

তিনি আরো জানান, ফিলিং স্টেশনের মেশিনের ত্রুটি ঠিক না করা পর্যন্ত এই পাম্পে তেল বিক্রি সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছে।

অভিযানে বিপুল সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার শহরের আমিন বাজার এলাকায় মেসার্স রাসেল এলপিজি এন্ড ফিলিং স্টেশনে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. এপ্রিল ২০২৬ ০২:১৮:এএম ৩ মাস আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।