/ হোম / রাজনীতি
টাঙ্গাইলে ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস পালিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস পালিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সন্তোষে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৭তম ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ দিবস পালিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (১৬ মে) সকালে ভাসানী পরিষদ, পীর শাহজামান বাজার কমিটি ও ন্যাপ ভাসানীর পক্ষ থেকে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে মাজারে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

এ সময় ন্যাপ ভাসানী ও খোদা-ই-খেদমতগারের সভাপতি ও পীর শাহজামান বাজার কমিটির আহবায়ক হাসরত খান ভাসানী, ভাসানী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য-সচিব আজাদ খান ভাসানী, বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিক হোসেন বিএসসি, বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশনের সভাপতি ও মাভাবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম মজনু, মাভাবিপ্রবি ভাসানী পরিষদের সভাপতি মুহাম্মদ ইপিয়ার হোসেন ও কার্যকরী সভাপতি মোহাম্মদ কামরুজ্জামান খানসহ অন্যান্য নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ফারাক্কা বাঁধের ফলে পদ্মা নদীর নাব্যতা হারানোর আশঙ্কায় ও পানির নায্য হিসসার দাবিতে ১৯৭৬ সালের এই দিনে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়।

রাজশাহীর মাদ্রাসা ময়দান থেকে ফারাক্কা বাঁধ অভিমুখে লাখো জনতার সেই লংমার্চ রওনা হয় ফারাক্কা বাঁধ অভিমুখে। লংমার্চ শেষে কানসাট হাই স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত বিশাল সমাবেশে বক্তব্য দেন মজলুম জননেতা। সেই থেকে ১৬ মে ফারাক্কা দিবস নামে পরিচিতি লাভ করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. মে ২০২৩ ০৩:৩৪:এএম ৩ বছর আগে
ষড়যন্ত্র করলে আগুন জ্বল‌বে: ছোট মনির এমপি - Ekotar Kantho

ষড়যন্ত্র করলে আগুন জ্বল‌বে: ছোট মনির এমপি

একতার কণ্ঠঃ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিলে ভূঞাপুর ও গোপালপুরে আগুন জ্বল‌বে বলে প্রতিপক্ষকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর- গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির।

তিনি বলেন, ঢাকা ক্লাবে বসে বসে আপনারা আসবেন আর ষড়যন্ত্র করবেন। শেখ হাসিনা আমাকে এ আসনে মনোনয়ন দিয়েছিলেন। এমপি হওয়ার পর এলাকায় অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছি। সুতরাং এ আসনে মনোনয়ন পাওয়া নিয়ে আমি কোনো চিন্তাই করি না। যারা মনোনয়ন প্রত্যাশী রয়েছেন তাদেরকেও প্রতিযোগী হিসেবে সমকক্ষ মনে করি না।

সোমবার (১৫ মে) রাত ৯টায় টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজ মাঠে সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। পরে তার ওই বক্তব্য মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে বিভক্ত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এবং ফেসবুক ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন মন্তব্য করছেন।

ছোট মনির বলেন, আজকে তারা নোংরা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। এ ষড়যন্ত্রের জবাব তারা পাবে। আমরাও বসে থাকব না। আমি একটা পরিবর্তনের ডাক নিয়ে এসেছি। সেখানে কোনো মারামারি, কাটাকাটি হবে না। একটা পরিবর্তন করতে এসেছি, কারও মাথায় বাড়ি দিয়ে জমি নেয়ার জন্য নয়। কারও ক্ষতি করার জন্য নয়। তারা ভেবেছে আমরা কানা হয়ে গেছি।

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আপনারা সাবধান হয়ে যান। মানুষকে সম্মান করলে মানুষ সম্মান করবে। যারা দল করে না, দলের আদর্শ বিশ্বাস করে না তারাই এসব কার্যকলাপ করে।

এদিকে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন মনোনয়ন প্রত্যাশী হওয়ায় কোন্দল শুরু হয়েছে। এতে প্রকাশ্যে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে নেতাকর্মীরা। এছাড়া এমপি ছোট মনিরের বড় ভাই টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনিরের বিরুদ্ধে কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় ভূঞাপুরে পক্ষে-বিপক্ষে মিছিল ও সমাবেশ হচ্ছে।

এ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য ছাড়াও ঢাকা ক্লাবের সভাপতি ও সাবেক এমপি খন্দকার আসাদুজ্জামানের ছেলে খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল, ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মাসুদুল হক মাসুদ, গোপালপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুসহ কয়েকজন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী রয়েছে।

প্রতিদিনই এসব মনোনয়ন প্রত্যাশীরা গণসংযোগ করছেন নিজেদের সমর্থন আদায়ে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. মে ২০২৩ ০৬:৪৪:পিএম ৩ বছর আগে
বাসাইল পৌর ছাত্রলীগ সভাপতির বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা - Ekotar Kantho

বাসাইল পৌর ছাত্রলীগ সভাপতির বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব মিয়ার (২৪) বিরুদ্ধে ঘরে ঢুকে এক নববধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১৬ মে) দুপুরে ওই গৃহবধূ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে সাকিব ও তার আরও দুই সহযোগির বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার আসামি সাবিক মিয়া উপজেলার বাসাইল দক্ষিণপাড়া গ্রামের মনু মিয়ার ছেলে। মামলায় অন্য দুই আসামী হচ্ছেন, বাসাইল দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত হাকিম মিয়ার ছেলে সাইদুল মিয়া (৩০) ও একই গ্রামের জুয়েল মিয়ার ছেলে মো. শাহেদ (২৫)।

মামলা ও ভিকটিম সূত্রে জানা যায়, রবিবার (১৪ মে) দিবাগত রাতের খাবার খেয়ে ওই গৃহবধূ ও তার স্বামী ঘুমিয়ে পড়েন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব ও তার দুইজন বন্ধু ওই গৃহবধূর স্বামীকে ডাক দেন। এসময় সাকিব জানায় তার এক স্বজন অসুস্থ তাকে দেখতে যেতে হবে। এজন্য সাকিব ওই গৃহবধূর স্বামীর মোটরসাইকেলটি চেয়ে নেন। পার্শ্ববর্তী বাড়ি হওয়ায় সরল বিশ্বাসে গৃহবধূর স্বামী ঘর থেকে মোটরসাইকেলটি বের করে দেন। পরে মোটরসাইকেলটি কিছুদূর নিয়ে যাওয়ার পর পুনরায় তার স্বামীকে ডাকতে থাকেন এবং মোটরসাইকেলটি স্টার্ট করে দিতে বলেন। এসময় তার স্বামী মোটরসাইকেলটি স্টার্ট দিতে গেলে কৌশলে সাকিব ঘরে ঢুকে তার স্ত্রীকে ওড়না দিয়ে মুখ বেধে ধর্ষণ করতে থাকে। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে মুখের বাধন খুলে গেলে তিনি চিৎকার শুরু করেন। এসময় তার স্বামী ও আশপাশের লোকজন এসে সাকিবকে হাতেনাতে আটক করে। খবর পেয়ে তার অন্য সহযোগিরা অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সাকিবকে ছিনিয়ে নিয়ে চলে যায়। এ বিষয়ে কাউকে জানালে বা মামলা করলে হত্যারও হুমকি দেওয়া তাদের।

এদিকে, এ ঘটনায় ওই গৃহবধূ বাসাইল থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি বলেও আদালতে দায়ের করা মামলায় উল্লেখ করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, ওই মেয়ের মাত্র তিন মাস আগে বিয়ে হয়েছে। এই সময়ে বখাটে সাকিব এরকম ঘটনা ঘটিয়েছে। সাকিব উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মতিয়ার রহমান গাউসের ভাতিজা হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পাচ্ছে না। এঘটনায় ভিকটিমের পরিবার চরম আতঙ্কে রয়েছেন।

উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক কামরান খান বিপুল বলেন, ঘটনায় ছাত্রলীগের সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা নের্তৃবৃন্দের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মতিয়ার রহমান গাউস জানান, এই ধর্ষণের ঘটনাটি সম্পূর্ণ সাজানো নাটক। পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ ওই গৃহবধূকে দিয়ে এই ধর্ষণ মামলাটি করিয়েছে।

এঘটনায় অভিযুক্ত সাকিব মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

ভূক্তভোগি নববধূর মামলা না নেওয়ার বিষয়ে বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, কেউ ধর্ষণের ঘটনায় মামলা করতে থানায় আসেনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. মে ২০২৩ ০২:২৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ধর্ষণ মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা বড়মনি কারাগারে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ধর্ষণ মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা বড়মনি কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ কিশোরী ধর্ষণ মামলায় টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড়মনিকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৫ মে)দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রূপম কুমার দাস তার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে আওয়ামী লীগ নেতা বড় মনি কিশোরী ধর্ষণ মামলায় জামিন নিতে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে আদালতে হাজির হন। বড়মনি টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরের বড় ভাই।

টাঙ্গাইলের আদালত পরিদর্শক তানবীর আহমেদ জানান, আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া বড়মনি কিশোরী ধর্ষণ মামলায় হাইকোর্ট থেকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। কিন্তু গত ৩০ এপ্রিল চেম্বার জজ আদালত চার সপ্তাহের জামিন স্থগিত করে ২ সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেন। গত রোববার ছিল ২ সপ্তাহের শেষ দিন। টাঙ্গাইল আদালতের একজন আইনজীবীর মৃত্যুর কারণে গত রোববার কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সোমবার দুপুরে আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল আদালতের সরকারি কৌঁশুলী (পিপি) এস আকবর খান জানান, সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে বড়মনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থণা করেন। এসময় অর্ধ শতাধিক আইনজীবী তার জামিন শুনানিতে অংশ নেন। বাদী পক্ষের আইনজীবীরা জামিনের বিরোধীতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

উল্লেখ্য,গত ৫ এপ্রিল রাতে এক কিশোরী বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় গোলাম কিবরিয়া বড়মনির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন। মামলায় গোলাম কিবরিয়ার স্ত্রী নিগার আফতাবকেও মারধর ও ধর্ষণে সহযোগিতা করার জন্য আসামি করা হয়। মামলায় ওই কিশোরী (১৭) অভিযোগ করেন, গোলাম কিবরিয়া তার পূর্বপরিচিত। গত ১৭ ডিসেম্বর তাকে শহরের আদালত পাড়ায় নিজের বাড়ির পাশের একটি ভবনে ডেকে নেন। সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন ও আপত্তিকর ছবি তুলে রাখেন। পরে আপত্তিকর ওই ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে ওই কিশোরী মামলায় উল্লেখ করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, একপর্যায়ে ওই কিশোরী অন্তসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি গোলাম কিবরিয়া জানার পর সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ দিতে থাকেন। তবে কিশোরী রাজি না হওয়ায় গত ২৯ মার্চ তাকে শহরের আদালত পাড়ায় গোলাম কিবরিয়ার শ্বশুরবাড়িতে নেয়া হয়। সেখানে একটি কক্ষে ওই কিশোরীকে আবার ধর্ষণ করেন তিনি। এরপর ওই কিশোরী গত ৬ এপ্রিল বেলা তিনটার দিকে আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দেন। আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেসকে জান্নাত রিপা ওই কিশোরীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। পরে কিশোরীকে তার এক আত্মীয় শামীমা আক্তারের কাছে জিম্মায় দেন আদালত। ওই সময় ডাক্তারী পরীক্ষায় ওই কিশোরী ২৫ সপ্তাহের অন্তঃস্বত্তা বলে জানান টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ সাদেকুর রহমান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. মে ২০২৩ ১০:২০:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আ’লীগ নেতার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন এক ব্যবসায়ী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আ’লীগ নেতার ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন এক ব্যবসায়ী

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন খান তোফার বিরুদ্ধে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীকে হত্যাসহ বিভিন্ন হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ আতঙ্কে ব্যবসায়ী ও তার পরিবার গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

মঙ্গলবার (৯ মে) দুপুরে সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের মৈশা গ্রামে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আর এস এস প্লাস্টিক ডোর ফ্যাক্টরি প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ওই ব্যবসায়ী মো.শাহীন আলম এ অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ব্যবসায়ী মো. শাহীন আলম বলেন, ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসের ৯ তারিখে সাবেক চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন তোফা তার পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত মৈশা মৌজার সাড়ে ৪৬ শতাংশ চাষের জমি আমার নিকট বিক্রির প্রস্তাব করে। যাহার বিক্রি মুল্যে নির্ধারিত হয় ৫ লাখ ৭৭ হাজার সাত শত টাকা। ওই দিনই ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা নগদ পরিশোধ করিয়া ও ৫২ হাজার ৭’শ টাকা বাকি রাখিয়া স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মজনু সরকার ও সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার পঞ্চতারা বেগমের স্বাক্ষীতে উক্ত জমির বায়না পত্র সম্পন্ন করি। উক্ত জমির বায়না সম্পন্ন হওয়ায় ওই জমির উপর আর এস এস প্লাস্টিক ডোর ফ্যাক্টরি স্থাপন করি। বর্তমানে এই ফ্যাক্টরিতে ৩০ জন শ্রমিকের কর্মরত আছে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ ৭ বছরেও তোফাজ্জল হোসেন তোফা তার বায়নাকৃত সম্পত্তি আমাকে রেজিস্ট্রি দলিল না করিয়া দিয়া, নানান তালবাহানা করে আসছে। উপরন্ত জমি রেজিস্ট্রির জন্য চাপ দিলে গত ২৫ শে ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় তোফাজ্জল হোসেন তোফা তার ক্যাডার বাহিনীর প্রধান ফরিদসহ বেশকিছু সন্ত্রাসী আমার প্রতিষ্ঠানে আসিয়া প্রাণনাশ ও গুম করিয়া ফেলার হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে বাঁশের খাম দিয়া সন্ত্রাসী ফরিদ আমাকে মারতে উদ্যত হয়। আমার ডাক চিৎকারে লোকজন এগিয়ে আসলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তারা চলে যায়। পরে উক্ত জমি রক্ষায় গত ৫ মার্চ টাঙ্গাইল চীফ জুডিশিয়ায়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। এছাড়া টাঙ্গাইল সদর থানায় জীবন রক্ষার্থে একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি)করতে গেলে আওয়ামী লীগ নেতার প্রভাবে উক্ত জিডিটি গ্রহন করেননি।

তিনি বলেন, আমার ওই ফ্যাক্টরিটি ব্যাংক ও ব্যাক্তিগত পর্যায়ে ৫০ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে স্থাপন করেছি।বর্তমানে ওই আ’লীগ নেতার ভয়ে আমি ও আমার পরিবার এলাকা ছাড়া হওয়ার ফ্যাক্টরিটি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এছাড়া জীবনের নিরাপত্তাহীনতার কারণে পরিবার পরিজন নিয়ে পালিয়ে থাকায় ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়েছি। সংবাদ সম্মেলনে তার প্রতিষ্ঠান ও পরিবারের জীবন রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে ইউপি সদস্য মো. শওকত আলী, স্থানীয় মাতাব্বর আজিবর দেওয়ান, তায়েজ উদ্দিন, সামাদ মিঞা, আবু হানিফ ,আব্দুল মান্নানসহ শতাধিক গ্রামবাসী উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. মে ২০২৩ ০২:২৯:এএম ৩ বছর আগে
কৃষকের ধান কেটে দিলেন টাঙ্গাইল যুবলীগের সম্পাদক প্রার্থী রাজিব - Ekotar Kantho

কৃষকের ধান কেটে দিলেন টাঙ্গাইল যুবলীগের সম্পাদক প্রার্থী রাজিব

একতার কণ্ঠঃ দেশব্যাপী অসহায় কৃষকের সহায়তায় ধানকাটা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ। এরই ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইলে অসহায় এক কৃষকের ধান কেটে দিলেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ইসতিয়াক আহমেদ রাজিব।

সোমবার (৮ মে) দুপুরে সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের বাসা-খানপুরের কৃষক মো.মহর উদ্দিনের দুই বিঘা জমির ধান কেটে ঘড়ে তুলে দেন তিনি।

কৃষক মো.মহর উদ্দিন বলেন,ধান কাটার কামলার যে দাম। এ কারণে কামলা নিয়ে ধান কেটে ঘড়ে নেয়া আমার জন্য অসম্ভব হয়ে উঠেছিল। ফেসবুকে আমার ছেলের সাথে রাজিব ভাইয়ের কথা হয়। পরে আমার ছেলে বলে বাবা চিন্তা করো না। ব্যবস্থা একটা হবে। সোমবার রাজিব ভাই তার নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে আমার দুই বিঘা জমির ধান কেটে ঘড়ে তুলে দিয়েছেন। আল্লাহ্তালা যেন তার ভালো করেন।

এ বিষয়ে ইসতিয়াক আহমেদ রাজিব বলেন, ধানের বাম্পার ফলন হলেও তীব্র গরম, শ্রমিক ও আর্থিক সংকট,অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের শঙ্কায় ধান কাটা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন অনেক কৃষক।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। কৃষিই বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকা শক্তি। অসহায় কৃষকের পাশে দাঁড়াতে বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নির্দেশে অসহায় কৃষকের ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তুলে দেওয়ার জন্য দেশব্যাপী যুবলীগের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামছ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো.মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন সৈনিক হয়ে অসহায় কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দিতে পেরে আমি আনন্দিত।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. মে ২০২৩ ০২:০৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্বাস আলীর উপর সন্ত্রাসী হামলা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্বাস আলীর উপর সন্ত্রাসী হামলা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা শ্রমিক লীগের সহ সভাপতি আব্বাস আলীর উপর সন্ত্রাসী হামলা চালানো ঘটনা ঘটেছে।

সদর উপজেলার কাতুলি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সুমন দেওয়ান ও স্থানীয় সন্ত্রাসী আজাদ দেওয়ান হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্বাস আলী (৪৮)।

মঙ্গলবার (২ মে) বিকেল চারটার দিকে সদর উপজেলার কাতুলি ইউনিয়নের এস ডি এস এলাকায় চায়না প্রজেক্টের কাজ দেখতে গিয়ে তিনি এ হামলার শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় ভাইস চেয়ারম্যানকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সুমন দেওয়ান ও আজাদ দেওয়ান এস.ডি.এস ও ধলেশ্বরী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল, অবৈধভাবে বালু ও মাটি কাটায় বাঁধা প্রদান করায় ভাইস চেয়ারম্যানের ওপর এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে।
হামলার শিকার সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আহত আব্বাস আলী জানান, অবৈধভাবে মাটি কাটা ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষায় মানববন্ধন করা হয়। এ কারণে সাবেক চেয়ারম্যান সুমন দেওয়ানের সঙ্গে শ্রমিক নেতা আব্বাস আলীর দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। মঙ্গলবার মাটি কাটার বিষয়ে বাঁধা প্রদান করলে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। বিকেল চারটার দিকে আমার সাথে লোকজন না থাকায় প্রতিপক্ষ সুমন দেওয়ান ও আজাদ দেওয়ান তার লোকজন নিয়ে আমার উপর আতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমি ও গাড়ী চালক জহুরুল ইসলাম (৩৪), সোলায়মান হাসান আইয়ুব (৩৮)সহ তিনজন আহত হয়েছি। বর্তমানে তিনজনই টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছি।

অভিযুক্ত সাবেক কাতুলী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সুমন দেওয়ান জানান, হামলার ঘটনাটি আমি জানিনা। এছাড়া হামলার ঘটনায় আমি ছিলামও না। আব্বাস ও তার বাহামভুক্তরা দৈনিক এলাকায় বিচারের নামে চাঁদাবাজি করে। এ ক্ষোভে মহিলারা তাকে ধাওয়া দিয়েছে বলে আমি শুনেছি। আমার নাম অহেতুক জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ছালাম জানান, হামলার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এখনও অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. মে ২০২৩ ০৩:৪৪:এএম ৩ বছর আগে
মে দিবসে টাঙ্গাইলে আ’লীগের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি - Ekotar Kantho

মে দিবসে টাঙ্গাইলে আ’লীগের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি

একতার কণ্ঠঃ ‘দুনিয়ার মজদুর “এক হও, এক হও” এই স্লোগানকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলে মহান মে দিবস পালিত হয়েছে।

সোমবার (১ মে) সকালে টাঙ্গাইল জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের উদ্যোগে শহরের পৌর উদ্যানে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক।

জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বালা মিয়ার সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভুঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট মামুনুর রশিদ।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক থানা আ’লীগ সভাপতি ও সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ওলিউজ্জামান, সাবেক পৌর মেয়র জামিলুর রহমান মিরন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ।

এসময় বিভিন্ন স্তরের শ্রমিক নেতৃবৃন্দ ও তাদের কর্মী সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।

অপরদিকে, স্থানীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ‘পৌর এলাকার সর্বস্তরের শ্রমিকবৃন্দ’ ব্যানারে আয়োজিত সমাবেশে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, পৌরসভার মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম সিরাজুল হক বক্তব্য দেন। সমাবেশে জেলা আওয়ামী লীগের বিগত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুজ্জামান সোহেল, দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খান, ক্রীড়া সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেনসহ পদবঞ্চিত অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া টাঙ্গাইলের বহুল আলোচিত খান পরিবারের অনুসারী হিসেবে পরিচিত শ্রমিক লীগের সহসভাপতি আব্বাস আলী, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইসতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে তাঁদের অনুসারীরা অংশ নেন। মেয়রের সঙ্গে কয়েকজন পৌর কাউন্সিলরও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি পালন নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক জানান, টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে অনুষ্ঠিত সমাবেশটিই গ্রহণযোগ্য। এখানে সরকারি কর্মকর্তাসহ সকল শ্রমিক নেতাই অনুষ্ঠানে যোগদান করেছেন। এ সময় বিক্ষিপ্তভাবে শহরের প্রাণকেন্দ্রে আরেকটি র‍্যালি বা সমাবেশ কোনভাবেই কাম্য নয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. মে ২০২৩ ০২:২১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে যুবলীগের সম্পাদক পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করলেন ইঞ্জি. কামাল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যুবলীগের সম্পাদক পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করলেন ইঞ্জি. কামাল

একতার কণ্ঠঃ আসন্ন টাঙ্গাইল জেলা যুবলীগের সম্মেলন উপলক্ষে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করলেন ইঞ্জিনিয়ার মো. কামাল আহমেদ। শুক্রবার (২৮ এপ্রিল)বিকেলে শহরের আইনজীবী সহকারি সমিতির কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ প্রার্থীতা ঘোষণা করেন। কামাল আহমেদ বর্তমানে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

মত বিনিময়কালে কামাল আহমেদ বলেন, আমি আওয়ামী পরিবারের সন্তান। সেই ১৯৯৩ সালে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে যোগদান করি। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি। ১৯৯৯ সালে ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্রলীগের সভাপতি ও বাংলাদেশ কারিগরি ছাত্র পরিষদের (বাকাছাপ) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। ২০০০ সালে সততার সাথে দিঘলকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের আহŸায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। ২০০১ সালে ঘাটাইল উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলাম। ২০০৬ সালে ঘাটাইল উপজেলা যুবলীগের সদস্য ছিলাম। এছাড়া গত জেলা পরিষদ নির্বাচনে কালিহাতী আসনে সাধারণ সদস্য পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করে অল্প কিছু ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হই।

ইঞ্জিনিয়ার কামাল আরও বলেন, ছোট বেলায় ছাত্রলীগ করলেও পরবর্তীতে যুবলীগের দায়িত্ব পালন করেছি। সেই থেকে যুবলীগের সাথে আমার প্রেমের সম্পর্ক হয়। যুবলীগকে ভালবেসে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম এমপির হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হয়েছি। যুবলীগের শহর থেকে তৃণমুল পর্যালের সকল কাউন্সিলর ও ডেলিগেটেরদের সাথে আমার সুসম্পর্ক রয়েছে। আমি যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হতে পারলে উপজেলা, শহর ও ওয়ার্ড পর্যায়ের যুবলীগের পুর্ণাঙ্গ কমিটি করা হবে। আর এসব কমিটি প্রবীণ ও ত্যাগীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। অপর দিকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিটি আসনে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে দিন-রাত জনগনের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরবো।

তিনি বলেন, যদি আমাকে দায়িত্ব দেয়া হয় তাহলে সকলকে সাথে নিয়ে বর্তমান যে যুবলীগের কমিটি রয়েছে তার চেয়ে গ্রহণযোগ্য গতিশীল কমিটি করে টাঙ্গাইল জেলাবাসীকে উপহার দেবো। সকলের দোয়া ও সহযোগিতা চেয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকায় ভোট চান তিনি।

ইঞ্জিনিয়ার মো. কামাল আহমেদ টাঙ্গাইল শহরের দেওলা এলাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তিনি কালিহাতীর পৌরসভা সালেঙ্কা এলাকার মৃত মতিউর রহমানের ছেলে। তিনি ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট থেকে ২০০১ সালে ডিপ্লোমা ইন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন। ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর বাজার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছে। কামাল আহমেদ বর্তমানে ঠিকাদারি ও একাধিক ব্যবসার সাথে জড়িত।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. এপ্রিল ২০২৩ ১১:১৩:পিএম ৩ বছর আগে
করটিয়া’য় ওয়াজেদ আলী খান পন্নীর ৮৭তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত - Ekotar Kantho

করটিয়া’য় ওয়াজেদ আলী খান পন্নীর ৮৭তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়ায় উপমহাদেশের বিখ্যাত জমিদার আটিয়ার চাঁদ খ্যাত ওয়াজেদ আলী খান পন্নী ওরফে চাঁদ মিয়ার ৮৭তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার(২৫ এপ্রিল) দিনব্যপী নানা কর্মসুচীর মধ্যে দিয়ে এ মৃত্যুবার্ষিকী পালন করেন করটিয়াবাসী। দিনের কর্মসুচীর মধ্যে ছিলো শোকর‌্যালী, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও হাজার-হাজার ভক্তদের মাঝে তোবারক বিতরণ।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার সকাল থেকে করটিয়ার বিভিন্ন সংগঠন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যানার নিয়ে চাঁদ মিয়ার মাজারে আসতে শুরু করে নানাশ্রেনী পেশার লোকজন। মাজারে এসে তারা ওয়াজেদ আলী খান পন্নীর রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন। পরে প্রয়াত জমিদার চাঁদ মিয়ার স্বরণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শোকর‌্যালী ও আলোচনা সভায় সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান আনসারীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন,সা’দত কলেজের অধ্যক্ষ সুব্রত নন্দী, সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আলীম মাহমুদ, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু, চাঁদ মিয়া পরিবারের সদস্য ও করটিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোর্শেদ আলী খান পন্নী ওরফে টিপু পন্নী, করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ মাজেদুল আলম নাঈম, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম আনছারী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর সিকদার, ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি এমদাদুল হক এনামুল, সা’দত বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. ইউসুফ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক সাইমন তালুকদার রাজীব, ছাত্রলীগ নেতা মো. রতন মিয়া মমিতুল ইসলাম প্রমি ও রিফাত খান রানা প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা করটিয়ার জমিদার ওয়াজেদ আলী খান পন্নী ওরফে চাঁদ মিয়ার বর্ণাঢ্য কর্মজীবন নিয়ে আলোচনা করেন। বক্তারা বলেন, চাঁদ মিয়া এই অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারে ১৯২৬ সালে তার পিতামহ সা’দত আলী খান পন্নীর নাম অনুসারে সা’দত কলেজ স্থাপন করেন। ১৯১৯ সালে করটিয়া হাফেজ মাহমুদ আলী খান হাইস্কুল ও তার স্ত্রীর নাম অনুসারে রোকেয়া আলিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি তার জমিদারী ২০ শতাংশ আয় শিক্ষা বিস্তার ও জনকল্যাণমুলক কাজের জন্য ব্যায় করতেন। আটিয়ার চাঁদ খ্যাত এই জমিদার ১৯৩৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

এছাড়াও বাদ জোহর করটিয়া জমিদার বাড়ী জামে মসজিদসহ বিভিন্ন মসজিদে মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপস্থিত সকলের মাঝে তোবারক বিতরণ করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. এপ্রিল ২০২৩ ০২:১৩:এএম ৩ বছর আগে
নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী: কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ কৃষি মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, সম্প্রতি ঢাকায় কয়েকটি ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে এটা খুব দুঃখ জনক ও বেদনা দায়ক। এটি নিয়ে মানুষের মনে শঙ্কাও সৃষ্টি হয়েছে।

অনেকেই বলছেন, এ বিষয়টি উদ্দেশ্য প্রনোদিত। এ বিষয়টি আমাদের মনে হয় পরীক্ষা করতে হবে। এ বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে, তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে বিএনপি যাই বলুক। নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী। সংবিধানকে পরিবর্তন করতে পারবে না। এ সংবিধান পরির্তন না করা পর্যন্ত যে সরকার দায়িত্বে ক্ষমতায় রযেছে একটি নির্বাচিত সরকার। তারাই সরকার পরিচালনা করবে। সরকারে থাকবে তারাই। নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন। কাজেই যে নির্বাচন কমিশন করা হয়েছে,তা আইন অনুযায়ী করা হয়েছে।
এ নির্বাচন কমিশন দেশে একটি সুন্দর সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিবে। এটাই দেশবাসীর কাম্য।

সোমবার (২৪ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইলের মধুপুরে রানী ভবানী সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮৪ বছরের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন কৃষি মন্ত্রী।

আলোচনা সভায় পুনর্মিলনী উদযাপন কমিটির আহবায়ক শেখ আব্দুল জলিলের সভাপতিত্বে এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মধুপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা ইয়াসমীন, মধুপুর পৌরসভার মেয়র ছিদ্দিক হোসেন খান, রানী ভবানী সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুল বাছেদ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবু হাদী নূর আলী খান, শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যক্ষ বজলুর রশীদ খান চুন্নু, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ডা. মীর ফরহাদুল আলম মনি, মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

“শৈশব ফিরুক সবার প্রাণে স্কুলের বাঁধন জাগুক মনে” এ শ্লোগান নিয়ে সকাল থেকে বিদ্যালয়ের নানা বয়সী সতীর্থরা তাদের প্রাণের বিদ্যাপিঠে পুনর্মিলনীতে যোগ দেয়। আলোচনা সভা, স্মৃতি চারণ, সাংস্কৃতিক উৎসবসহ নানা আয়োজনে প্রাণের সেতু বন্ধন তৈরি হয়। শৈশবের সতীর্থদের স্মৃতি চারণে মেতে উঠে সবাই। বর্নীল আয়োজনে সাজানো হয়েছে বিদ্যালয় ক্যাম্পাস কে।

নিজের আজকে শৈশবে ফিরা যাওয়া কে ধরে রাখতে মুঠো ফোনে সেলফি তোলে রাখছেন অনেকে।

রাতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করবে কন্ঠ শিল্পী কোনাল। পুরো বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস জুড়ে প্রাণের উচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. এপ্রিল ২০২৩ ১০:০৮:পিএম ৩ বছর আগে
ন্যাপ ভাসানী ও খোদাই খেদমতগারের ঈদ উপহার বিতরণ  - Ekotar Kantho

ন্যাপ ভাসানী ও খোদাই খেদমতগারের ঈদ উপহার বিতরণ 

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ ভাসানী) ওখোদা-ই-খেদমতগারের উদ্যোগে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার(১৮ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় সন্তোষে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজারের সামনে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ ও শাহ নাসির উদ্দিন বোগদাদি এতিমখানায় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় ।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ন্যাপ ভাসানী ও খোদা-ই-খেদমতগারের চেয়ারম্যান হাসরত খান ভাসানী।

এ সময় খোদা-ই-খেদমতগারের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিক হোসেন বি.এস.সি, মোঃ আলাউদ্দিন, হাফেজ মোহাম্মদ আলীসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. এপ্রিল ২০২৩ ০৪:৩৪:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।