একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের ‘শান্তি’ সমাবেশের কারণে টাঙ্গাইলে নির্ধারিত সমাবেশ করতে পারেনি গণতন্ত্র মঞ্চের রোডমার্চের বহর। রোববার(৪ জুন) বিকেল চারটায় ঢাকা-টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের বাসাইল উপজেলার করাতিপাড়ায় গণতন্ত্র মঞ্চের সমাবেশ করার কথা ছিল।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ একই সময়ে করাতিপাড়ায় ‘শান্তি’ সমাবেশ করায় রোডমার্চের বহর সেখানে না থেমে বিকেল সোয়া চারটার দিকে ওই এলাকা অতিক্রম করে। পরে তারা শহরের অদূরে সন্তোষে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এ সময় সেখানেও ছাত্রলীগ কর্মীদের মহড়া দিতে দেখা যায়।
মাওলানা ভাসানীর কবরে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম শরিক দল গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেন, ‘আমরা রোডমার্চ করছি গণতন্ত্র মঞ্চের ১৪ দফা মানুষের সামনে তুলে ধরার জন্য। সরকারের পদত্যাগ, অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচন, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর—এসব ব্যাপারে মানুষ যে ঐক্যবদ্ধ, সেটা সরকার বুঝতে পারছে। তাই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে ভয় পাচ্ছে। নানাভাবে কর্মসূচিতে বাধার সৃষ্টি করছে।’
জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘আমরা একটি রোডমার্চে আছি। আমরা সফরকারী। সফরে থাকতে আমরা একটা কর্মসূচির জায়গা ঠিক করেছি। পুলিশের দায়িত্ব আমাদের সেই জায়গায় নিরাপত্তা দেওয়া। কিন্তু আওয়ামী লীগ সেখানে “শান্তি” সমাবেশ ঘোষণা করে। সেখানে পুলিশ তাদের সহযোগী ছিল। আমরা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। অন্যত্র তারা স্থান ঠিক করে দিক। পুলিশ সে বিষয়ে কোনো সহযোগিতা করেনি।’
জোনায়েদ সাকি আরও বলেন, ‘আমাদের কর্মসূচি ছিল ভাসানীর মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদনের। সেটা করেছি। সেখানেও দেখেছি, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি হয়েছে। নানা দিক থেকে একটা হুমকির পরিস্থিতি তৈরি করে রাখা হয়েছে। যেহেতু মওলানা ভাসানীর কবর জিয়ারত, দোয়া ও শ্রদ্ধা নিবেদনের বিষয়। তাই ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখার বিষয়ে আমরা সচেতন ছিলাম।’
একতার কণ্ঠঃ ভারতের নতুন সংসদ ভবনের মানচিত্র যদি কু-মতলবে করা হয়ে থাকে তাহলে ভারতকে এ জন্য খেসারত দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী (বীরউত্তম)।
শনিবার (৩ জুন) বিকেলে সখীপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘মুক্তিযুদ্ধে কাদেরিয়া বাহিনীর ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। কাদেরিয়া বাহিনী’ ৭১ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, ‘ভারতের নতুন সংসদ ভবনের মানচিত্র কু-মতলবে করে থাকলে, ভারতকে এর খেসারত দিতে হবে। এটা যদি অবুঝের মতো করে থাকে তাহলে এক রকম কথা, আর যদি শতবর্ষ আগের মহাভারতের মহান ভারতের ইতিহাস তুলে ধরার জন্য করে থাকে, তবে তা ভিন্ন কথা।’
শঙ্কা প্রকাশ করে বীরউত্তম কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘কত বছর পরে কি হবে জানি না, সম্প্রতি ভারতে একটি নতুন সংসদ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। তা দেখতে অনেকটাই খ্রিষ্টানদের লাশ বহন করে নিয়ে যাওয়ার বাক্সের মতো। সেখানেও একটি ভারতের মানচিত্র দেওয়া হয়েছে। সেই মানচিত্রের মধ্যে নেপাল, ভুটান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশও আছে। তাহলে ওটা কি মহাভারতের মানচিত্র? নাকি আজকের ভারতের মানচিত্র?’
পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। তিলাওয়াত শেষে মাওলানা ‘জয় বাংলা’ বলে মাইক্রোফোন রাখেন। বক্তৃতায় এ প্রসঙ্গ তুলে বীরউত্তম কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘জয় বাংলার সঙ্গে কোরআন তিলাওয়াতের কোনো সম্পর্ক নেই। আমি জয় বাংলার পাগল, জয় বাংলা আমাদের দ্বারাই সৃষ্টি হয়েছে। যদিও এই স্লোগানটি তৈরি করেছিলেন বিপ্লবী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। আমরা সেখান থেকেই নিয়েছিলাম। জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে আমরা বাংলাদেশ স্বাধীন করেছি, এখন পশ্চিমবঙ্গরা সব সময় জয়বাংলা বলে।’
বঙ্গবীর বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় পতাকার মধ্যে আমরা দেশের মানচিত্র দিয়েছিলাম। আমরা ওই মানচিত্র না দিলে ভারত আমাদের এত সমর্থন দিত কি না জানি না। মানচিত্র না দিলে ভারত হয়তো ভাবতে পারত, তাদের সীমানা নিয়েও বাংলাদেশ টানাটানি করতে পারে। তাই ওই সময় পতাকায় মানচিত্র দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছিল।’
সম্প্রতি আমেরিকার ভিসা ইস্যু নিয়ে বঙ্গবীর বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বলছে, বিএনপিকে জাত করার জন্য পাসপোর্টের এই হুমকি। অন্যদিকে বিএনপি বলছে, আওয়ামী লীগকে সোজা করার জন্যই এই হুমকি। কিন্তু আমি মনে করি পাসপোর্টের এই হুমকি দেওয়া বাংলাদেশের জন্য লজ্জাকর এবং অপমানের।’
কাদেরিয়া বাহিনীর স্বাস্থ্য বিভাগীয় প্রধান বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম আমজাদ হোসেনের রচিত গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস সিকদার সভাপতিত্ব করেন। এ সময় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা বীরপ্রতীক, বীর মুক্তিযোদ্ধা এসএম আমজাদ হোসেন বিএসসি, পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু হানিফ আজাদ, কাদের সিদ্দিকীর সহোদর শামীম আল মুনসুর আজাদ সিদ্দিকী, দলটির টাঙ্গাইল জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা এমও গণি, প্রফেসর আলীম মাহমুদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, এই বছরের বাজেটে কৃষিকে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছি। বিনামূল্যে না হলেও অনেক সহযোগিতা দিয়ে কৃষির বিভিন্ন যন্ত্রপাতি কম্বাইন হারভেস্টার আমরা দিচ্ছি। গ্রামীণ ও পল্লী বাংলাদেশের মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন করার জন্য এই বাজেটকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২ জুন)দুপুরে টাঙ্গাইলের মধুপুর রাণী ভবানী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাজেট বিষয়ে বিএনপির নেতা কর্মীরা গত ১৪ বছর যাবতই বলেন এটা উচ্চ বিলাসী বাজেট, অবাস্তব বাজেট, কল্পনা ভিত্তিক বাজেট। কল্পনা ভিত্তিক বাজেট হলে পাঁচ লাখেরও কম চার লাখ ৮৪ হাজার কোটি টাকা জাতীয় আয় ৪৪ লাখ হতো না। এটাই প্রমাণ প্রতি বছরই আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ ও আধুনিক বাংলাদেশ করার লক্ষ্য নিয়ে বাজেট দিয়েছি। সেই লক্ষ্যে অদম্য গতিতে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। বিদেশি বিভিন্ন পত্র পত্রিকা বলে অদম্য বাংলাদেশ। সেই অদম্য বাংলাদেশে অপ্রতিরোধ্য গতি। আমরা উন্নয়নের মহাসড়কে। এই গতিকে আমরা আরও বেগবান করবো। এই বাজেটের মাধ্যমে উন্নয়নকে আর গতিময় করবো।
বিরোধী দলকে উদ্দেশ্য করে কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিরোধী দল বলে উচ্চ বিলাসী, শেখ হাসিনা উচ্চ বিলাসী। বাংলাদেশের মানুষকে আরও উন্নত করতে চায়। আমরা বলছি, এই বাজেট বাস্তব সম্মত। অতিতেও আমরা সফল হয়েছি। আগামী দিনেও এই বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সফল হবো। আগে বাংলাদেশ চার লাখ ৮৪ কোটি টাকা ছিলো মোট আয়। সেটা বেড়ে হয়েছে ৪৪ লাখ। আগামী বছর আরও বেশি হবে। বাংলাদেশের আয় আমরা নয় গুণ বৃদ্ধি করেছি। এই বাজেট প্রণয়ন হলে এটি আরও বৃদ্ধি হবে।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামী লীগ মোটেই বিচলিত নয়, কোন স্যাংশন দিয়ে এ উন্নয়ন ব্যাহত করতে পারেব না। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে ব্যাহত করতে পারবে না। আপনারা যত ধরনের স্যাংশনই দেন তা মোকাবেলা করার মতো যোগ্যতা বাংলাদেশের আছে।
মধুপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফি উদ্দিন মনি, সাবেক পৌর মেয়র মাসুদ পারভেজ প্রমুখ।
ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পে ১০০ জন ডাক্তার দিন ব্যাপী প্রায় ১০ সহস্রাধিক রোগীদেরকে সেবা প্রদান করবেন।
একতার কণ্ঠঃ আগামী তিন বছরের জন্য টাঙ্গাইল জেলা যুবলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
মো. মাসুদ পারভেজকে সভাপতি এবং আবু সাইম তালুকদার বিপ্লবকে সাধারণ সম্পাদক করে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটি ঘোষণা করেন যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল।
বুধবার(৩১ মে) যুবলীগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কমিটিতে মো. মনিরুজ্জামান খান মিন্টুকে সহসভাপতি, নুর মোহাম্মদ সিকদার মানিককে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও মো. মোস্তাফিজুর রহমান সোহেলকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টাঙ্গাইল জেলা যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের মাধ্যমে কাউন্সিলরদের মতামতের ভিত্তিতে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে কেন্দ্র বরাবর জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত শনিবার (২৭ মে) টাঙ্গাইল জেলা যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে আওয়ামী যুবলীগ নেতা আক্তারুজ্জামান সেলিমকে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় আরও দুইজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
হামলার শিকার আক্তারুজ্জামান সেলিম উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
আহত দুইজনের মধ্যে একজন হলেন, ভূঞাপুর পৌরসভার ঘাটান্দি এলাকার আলতাফ হোসেনের ছেলে রতন তালুকদার। অপরজনের পরিচয় জানা যায়নি।
মঙ্গলবার (৩০ মে) রাত ৮ টার দিকে ভূঞাপুর-বঙ্গবন্ধু সেতু আঞ্চলিক মহাসড়কের ভূঞাপুর পৌরসভার ফসলান্দি মোড়ের কলেজ গেট নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, মঙ্গলবার (৩০ মে) বিকালে রেললাইন ক্রসিংয়ের পাশে ভূঞাপুর লিংকরোড বাইপাস সড়ক উদ্বোধন অনুষ্ঠান ছিল। সেই অনুষ্ঠান থেকে রাতে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান সেলিম ফেরার পথে হামলার শিকার হন ও কুপিয়ে জখম করা হয় তাকে।
এসময় বাধা দেওয়ায় তার সাথে থাকা রতন সহ আরও একজনকে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক আক্তারুজ্জামান সেলিমকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
এ ঘটনায় ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, দুর্বৃত্তদের হামলায় উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সেলিম আহত হয়েছে জানতে পেরেছি এবং চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কারা এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে তাৎক্ষণিক জানা যায়নি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির উদ্যোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার(৩০ মে) দুপুরে এ উপলক্ষে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে দুস্থদের মাঝে তবারক বিতরণ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
কর্মসূচিতে জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল, সাবেক সহ-সভাপতি আতাউর রহমান জিন্নাহ, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক কাজী শফিকুর রহমান লিটন, আবুল কাশেম, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান আলীম, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব তৌহিদুল ইসলাম বাবু, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক রফিকুল ইসলাম স্বপন উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় জেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া দিনটি উপলক্ষে জেলা বিএনপির উদ্যোগে শহরের বিভিন্ন মসজিদে বাদ যোহর দোয়া মাহফিল ও পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণভোজের আয়োজন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়ায় ইউনিয়ন যুবদলের উদ্যোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ মে) দুপুরে করটিয়া মসজিদ রোড জমিদার বাড়ি প্রাঙ্গণে দোয়া মাহফিল ও গণভোজ আয়োজনের মাধ্যমে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
করটিয়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মীর তানভীর আহমেদ তুষারের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব টিপু তালুকদারের সঞ্চালনায় এই দোয়া ও গণভোজে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা বিভাগীয় যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার রাশেদুল হাসান রাশেদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক অ্যাডভোকেট আলী ইমাম তপন, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক দেওয়ান শফিকুল ইসলাম, সাবেক দপ্তর সম্পাদক মির্জা শাহীন,সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মমিনুল হক নিক্সন, জেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আশরাফ পহেলী, সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক শফিকুর রহমান রঞ্জু, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ মনিরুজ্জামান জুয়েল, জেলা মহিলা দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদ অ্যাডভোকেট মমতাজ করিম, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভ প্রমুখ।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, করটিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মনির, করটিয়া সা’দত কলেজ শাখার ছাএদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম মেসবাহ উদ্দিন, সাবেক ছাত্রদল নেতা সেলিমুজ্জামান বাবুল, হাসনাত জামিল, আমিনুল ইসলাম, সাদাত বাজার ব্যবসায়িক কল্যাণ সমিতির ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ সজিব মিয়া প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন জেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক আশরাফ পাহেলী। পরে ৩ শতাধিক বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের মধ্যে তবারক বিতরণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রাপ্তির ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৮ মে) সকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় ।
জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একুশে পদক প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৫(সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ ছানোয়ার হোসেন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ওলিউজ্জামান,পৌর মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ক্রাইম) শরফ উদ্দীন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) হাসান বীন মুহাম্মদ আলী, প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ ।
সভায় বঙ্গবন্ধুর পদক প্রাপ্তির প্রসঙ্গ তুলে ধরে আলোচনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ওলিউজ্জামান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ছানোয়ার হোসেন এমপি উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে করে বলেন, তোমাদের মত বয়স থেকেই বঙ্গবন্ধু সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করতেন। দেশের স্বার্থে বঙ্গবন্ধু ১৪ টি বছর কারাগারে কাটিয়েছেন। এমন নিঃস্বার্থ রাজনীবিদ বর্তমানে বিরল। তোমরা বঙ্গবন্ধুর জীবন থেকে শিক্ষা নিবে।
তিনি আরও বলেন, শান্তি পরিষদের তৎকালিন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি পদক প্রদান করেন। বিশ্বের শান্তির জন্য সর্বোচ্চ পদক হল জুলিও কুরি পদক। এই পদক বিশ্বের বরেণ্য ব্যাক্তিরাই পেয়ে থাকেন।
উল্লেখ, ১৯৭৩ সালের ২৩ মে বিশ্ব শান্তি পরিষদের পক্ষ থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করা হয়।
বঙ্গবন্ধু এই পদকপ্রাপ্তির আগে কিউবার বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রো, ভিয়েতনামের সংগ্রামী নেতা হো চি মিন, চিলির গণ-আন্দোলনের নেতা সালভেদর আলেন্দে, ফিলিস্তিনের জনদরদি নেতা ইয়াসির আরাফাত প্রমুখ এই পদকপ্রাপ্ত হয়েছেন। মূলত, সাম্রাজ্যবাদ ও ফ্যাসিবাদ বিরোধিতা এবং মানবতার ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় যাঁরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন, তাঁরা এই পদকে ভূষিত হয়ে আসছিলেন ১৯৫০ সাল থেকে।
একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বিএনপি আন্দোলন করে নির্বাচনকে ব্যহত করতে পারবেনা। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। দেশি-বিদেশি শক্তির কেউ আগামী সংসদ নির্বাচন প্রভাবিত করতে পারবে না। সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে তারা সহযোগিতা করবে।
শনিবার (২৭ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জেলা যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে আওয়ামী লীগ বিচলিত নয়।
গাজীপুরের নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনে কোনো প্রভাব ফেলবে না। সিটি করপোরেশন, পৌরসভার মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ফলাফলে অনেক ফ্যাক্ট কাজ করে। গাজীপুরে সুষ্ঠ সুন্দর ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন হয়েছে, আমরা সেটিই চেয়েছিলাম। আমরা আগের মতো আবারও জাতিকে দেখিয়েছি বর্তমান সরকারের অধীনে অবাধ-সুষ্ঠ, সুন্দর ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন সম্ভব।
আন্দোলন করে আগামী নির্বাচনকে বিএনপি ব্যাহত করতে পারবে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি আন্দোলন করে কোনভাবেই বৈধ সরকারের পতন ঘটাতে পারবে না, আগামী নির্বাচনকেও ব্যাহত করতে পারবে না।’
কৃষিমন্ত্রী বলেন,আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু, সুন্দর ও গ্রহনযোগ্য হবে। তারপরও বিএনপি যদি ষড়যন্ত্র করে অসাংবিধানিক সরকারকে ক্ষমতায় আনতে চায়, নির্বাচন বানচাল করতে চায়, তাহলে এ দেশের প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তা মোকাবিলা করবে। আর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি নিয়ে হতাশ ও উদ্বিগ্ন হওয়ারও কিছু নেই জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন,এটি যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নিষেধাজ্ঞা নয়। আমরা যেটি চাই দেশে একটি সুষ্ঠ নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে নির্বাচন, সেটিই যুক্তরাষ্ট্র আগামী নির্বাচনে দেখতে চায়। এক্ষেত্রে বিএনপিই মূল বাধা। আন্দোলন করে, সন্ত্রাস করে বিএনপি নির্বাচনকে ব্যাহত করতে চায়, বানচাল করতে চায়। বিএনপি ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনকে বানচালের চেষ্টা করেছিল। সেরকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে, সেজন্যই যুক্তরাষ্ট্র নতুন ভিসা নীতি ঘোষণা করেছে।
সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, কেন্দ্রীয় যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশীদ মামুন, সাবেক টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট তারানা হালিম, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি, টাঙ্গাইল -৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-৪( কালিহাতী) আসনের সংসদ সদস্য হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভুঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরসহ যুবলীগের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন।
একতার কণ্ঠঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা আওয়ামী লীগ।
সোমবার(২২ মে) বিকালে বিক্ষোভ মিছিল শেষে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে সমাবেশ করা হয়।
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম(ভিডি জোয়াহের) এমপি’র নেতৃত্বে শহীদ মিনারের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।
বিক্ষোভ মিছিলে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আনিছুর রহমান আনিছ, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাস চন্দ্র সাহা, জামিলুর রহমান মিরন, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদদক এমএ রৌফ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা নবীন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার প্রমুখ অংশ নেন।
এ সময় জেলা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিএনপি-জামায়াত অশুভ শক্তির অগ্নি সন্ত্রাস নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রমূলক অপরাজনীতির বিরুদ্ধে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে শান্তি সমাবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ মে) বিকেলে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
টাঙ্গাইল-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল-৫ আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির, টাঙ্গাইল-৭ আসনের সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশিদ মামুন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাস চন্দ্র সাহাসহ জেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে আরোও উপস্থিত ছিলেন, কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজাহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু, ঘাটাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম লেবু প্রমূখ।
পরে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের এমপির নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মধুপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবুকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ মে) সন্ধ্যায় মধুপুর পৌর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে মধুপুর পৌর আওয়ামী লীগ আয়োজিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়।
স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মধুপুর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মধুুপুর পৌরসভার মেয়র মো. সিদ্দিক হোসেন খান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও শোলাকুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইয়াকুব আলী।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ও কুড়াগাছা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফজলুল হক সরকার, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ আহমেদ নাসির, কুড়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, আলোকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ খান সিদ্দিক, মহিষমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহি উদ্দিন মহির, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইসতিয়াক আহমেদ সজীবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
সন্ধ্যায় সভাপতির বক্তব্য দেন মধুপুর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান। তিনি মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবুর দেওয়া টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপিকে জড়িয়ে অসম্মানজনক কথা বলার তীব্র সমালোচনা করেন।
সিদ্দিক হোসেন খান বলেন, মধুপুর-ধনবাড়ীর এমপি ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক একজন বড় মাপের মানুষ। তিনি শান্তশিষ্ট মানুষ। ভদ্র মানুষ। তিনি কখনো সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করেন নাই। মধুপুরের বিএনপি জামাতও বলতে পারবেনা তিনি সন্ত্রাসী। সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করেন তিনি (ছরোয়ার আলম খান আবু) আর দোষ চাপাতে চান অন্য জনের কাধে।
সিদ্দিক হোসেন খান আরোও বলেন, ছরোয়ার আলম খান টেলিভিশন সাক্ষাতকারে বলেছেন, তিনি (ড. রাজ্জাক) বারবার নির্বাচিত হয়ে মধুপুর ও ধনবাড়ীকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দিয়েছে। এই জন্য নাকি মধুপুরের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে তার পিছন থেকে সরে গিয়েছে। তার এমন মিথ্যা বানোয়াট এই কথাগুলো বলার প্রেক্ষিতে এবং দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে আজকের এই সভা থেকে তাকে (ছরোয়ার আলম খান আবু) মধুপুরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করলাম। এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অনুরোধ করবো তাকে দল থেকে বহিষ্কার করার জন্য। আজ থেকে তার আর দল করার এখতিয়ার নেই।
সভা শেষে মধুপুর-ধনবাড়ীর এমপি কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাকের পক্ষে একটি বিশাল মটরসাইকেল শোভাযাত্রা নিয়ে আলোকদিয়া ইউনিয়ন, মহিষমারা ইউনিয়ন, কুড়ালিয়া ইউনিয়ন ও আউশনারা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করেন এবং পৃথক পৃথক সমাবেশ করেন।