একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জাতীয়তাবাদী মহিলাদলের ৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর র্যালীতে বাঁধা দিয়েছে পুলিশ।
শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের কোর্ট চত্তর থেকে একটি বিশাল র্যালী বের হয়ে বটতলা বাজার এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ তাতে বাধাঁ দেয়। পরে সেখানেই বিক্ষোভ করে মহিলা দলের নেত্রীবৃন্দরা। বিক্ষোভ শেষে সেখানেই সংক্ষিপ্ত পথসভার আয়োজন করা হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন ও সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।
জেলা মহিলাদলের সাধারন সম্পাদক এডভোকেট রক্সি মেহেদীর সঞ্চালনায় ও সভানেত্রী নিলুফার ইয়াছমিন এর সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা মহিলাদলের সহসভাপতি রেবেকা পারভীন, যুগ্ম সম্পাদক খালেদা আক্তার স্বপ্না, সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতানা বিলকিস লতা প্রমূখ।
এছাড়াও জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের মহিলাদলের নেত্রীরা এই র্যালী ও পথসভায় অংশগ্রহন করেন।
একতার কণ্ঠঃ ঢাকার পুরোনো বাণিজ্য মেলা মাঠে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন প্রচার ও সুধি সমাবেশে গাজীপুরের কাপাসিয়া থেকে কৃষকলীগের হাজারো নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেছেন।
বাংলাদেশ কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা মোতাহার হোসেন মোল্লা ও আলম আহমেদের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা উৎসবমুখর পরিবেশে শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সমাবেশে উপস্থিত হন।
রাজধানীর হোটেল হলিডে ইন থেকে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে বর্নাঢ্য শোভাযাত্রাটি বের হয়।
এতে অংশগ্রহণ করেন গাজীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও কৃষকলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা মোতাহার হোসেন মোল্লা, জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান আরিফ, গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুর রশিদ সরকার, উপজেলা কৃষকলীগের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আইন উদ্দিন, কৃষকলীগ নেতা শাহ জানি আলম কনকসহ অসংখ্য নেতাকর্মী।
শেখ হাসিনা সরকার বারবার দরকার ও শেখ হাসিনা ভয় নেই রাজপথ ছাড়ি নাই এসব স্লোগানে স্লোগানে রাজপথ মুখরিত করেন নেতাকর্মীরা।
একতার কণ্ঠঃ বিএনপি’র ৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করেছে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে শুক্রবার। (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের ঈদগাঁ মাঠ থেকে একটি বিশাল শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বেপাড়ীপাড়া এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে নেতাকর্মীরা।
এসময় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি
হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জিয়াউল হক শাহিন, আবুল কাশেম, জেলা শ্রমিকদলের সাধারন সম্পাদক একেএম মনিরুল হক মনির, সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলী, সাধারন সম্পাদক আব্দুর রৌফ, শহর বিএনপি’র সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি তারিকুল ইসলাম ঝলক, তাঁতীদলের সভাপতি শাহ-আলম, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দূর্জয় হোড় শুভ, সদস্য সচিব আব্দুল বাতেনসহ বিএনপি’র অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
একতার কণ্ঠঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শোক সভার আয়োজন করে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ।
বুধবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় সা’দত বাজার মসজিদ রোডে এ শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শোক সভায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ মাজেদুল আলম নাঈমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম আনছারীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম।
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল -৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা নবীন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন তোফা, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু প্রমুখ।
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. মমিন হোসেন খান পাপন, মো. আকবর হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী দোয়েল, ছিলিমপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন, করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর সিকদার, আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি এমদাদুল হক এনামুল উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, আওয়ামী যুবলীগ ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শোক সভায় অংশ নেন।
পরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টে সকল শহীদদের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেছেন, রক্ত দিয়ে যে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছি, সেই বাংলাদেশকে পাকিস্তান হতে দেওয়া যাবেনা। বিএনপি’র কাছে বাংলাদেশ ভালো না পাকিস্তান ভালো লাগে। বিএনপি’র, মির্জা ফখরুল বলেছে পাকিস্তান ভালো, তাই মনে করি পাকিস্তানে চলে যাওয়া উচিত। যদি পাকিস্তান ভালো লাগে তাহলে মির্জা ফখরুল পাকিস্তান চলে যান।
বুধবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর শাহাদত বার্ষিকী ও শোক সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
তিনি আরো বলেন, যদি শেখ হাসিনা আরো ১০ বছর ক্ষমতায় থাকে থাকুক তাও পাকিস্তান সমর্থক কারী বিএনপিকে চাই না, এই বাংলাদেশকে আর পাকিস্তান বানাতে দেওয়া হবে না।
প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, নেত্রীর সাথে কথা হয়েছে, তিনি নানা সমস্যার মধ্যে রয়েছে, তার সাথে চারিদিকে যারা থাকে তাদের চাইলেই লাথি দিয়ে ফেলে দিতে পারে না।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রধান সহায়তাকারী ছিলেন জিয়াউর রহমান, যদি সেনাবাহিনীদেরকে জিয়াউর রহমান আশ্রয় না দিতেন তাহলে এই সাহস পেতো না।
অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সদস্য এ এইচ এম আব্দুল হাই’র সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন , সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী (কায়সার চৌধুরী), কেন্দ্রীয় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা বীর প্রতিক, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, সদস্য শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী, বাসাইল পৌরসভার মেয়র রাহাত হাসান টিপু প্রমুখ।
এ সময় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা জামায়াতের আমীর খন্দকার আব্দুর রহিমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে ঘাটাইলের আনেহলা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন জানান, মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে উপজেলার আনেহলা থেকে আব্দুর রহিমকে গ্রেফতার করা হয়। ৭ থেকে ৮ মাস আগের একটি নাশকতার মামলায় তদন্তে প্রাপ্ত আসামি তিনি।
তিনি আরও জানান, বুধবার (৩০ আগস্ট) তাকে কোর্টে চালান করে দেয়া হবে। আব্দুর রহিমের সাথে আরো কয়েকজন ছিলেন। অভিযানের সময় টের পেয়ে তারা পালিয়ে যান।
জামায়াতে ইসালামী টাঙ্গাইল জেলা শাখার আমীর আহসান হাবীব মাসুদ জানান, আব্দুর রহিম একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক। তিনি স্কুলে তার অফিসে কাজ করছিলেন। শুধুমাত্র হয়রানী করার উদ্দেশে বিনা ওয়ারেন্টে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তাকে দ্রুত মুক্তির দাবি জানান তিনি।
একতার কণ্ঠঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে গোপালপুর উপজেলা পরিষদ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সূতী ভিএম পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে সমাবেশে মিলিত হয়৷
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল মোমেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশিদ মামুন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আনিসুর রহমান আনিস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা, গোপালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শামছুল আলম, ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাহেরুল ইসলাম তােতা, জেলা যুবলীগের সভাপতি মাসুদ পারভেজ, সাধারণ সম্পাদক আবু সাইম তালুকদার বিপ্লব, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান প্রমুখ।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার সুরুজ।
সমাবেশে সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলো জিয়াউর রহমান। গ্রেনেড হামলারও পরিকল্পনাকারী ছিলো জিয়াউর রহমানের ছেলে তারেক রহমান৷ আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব শূন্য করার জন্য এ হামলা করা হয়। আজকে টাঙ্গাইলসহ দেশবাসী জেগে উঠেছে সেই ৭৫ সালের হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী জিয়ার রহমানের মরণোত্তর বিচারের দাবিতে৷ একই সাথে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি করছি৷ বিএনপি আবারও সন্ত্রাসী কার্যক্রম করছে৷ আমরা এসব সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবো৷
এ সময় জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের কয়েক হাজার নেতা-কমীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে জনপ্রতিনিধি ও পুলিশের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন এক নারী। তিনি বর্তমানে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
ওই নারীর দাবি, জেলার ছাত্রলীগ নেতা সোহেল খান ফাহাদ তার স্বামী। তিন বছর আগে তাকে বিয়ে করেছেন। সম্প্রতি স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে তিনি ফাহাদের বাসায় গেলে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে তিনি সখীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
সোহেল খান ফাহাদ সখীপুর শহর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও পৌর শহরের হুমায়ুন খানের ছেলে। তিনি বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য নানা টালবাহানা করেছেন বলে অভিযোগ ওই নারীর।
ভুক্তভোগী নারীর ভাষ্যমতে, চার বছর আগে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে তিনি নার্সের চাকরি করতেন। ফাহাদ ওই সময় তার এক আত্মীয়কে সিজার করাতে ওই ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখান থেকে ফাহাদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০২১ সালের ১১ জানুয়ারি তারা আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করেন। ফাহাদ সরকারি চাকরি করবেন, তাই বিষয়টি কাউকে না জানাতে ওই নারীকে অনুরোধ করেন।
বিয়ের পর তারা মির্জাপুরের গোড়াই ও হাঁটুভাঙ্গা এলাকায় খবির উদ্দিন ও আলম সিকদারের বাসায় ভাড়া থাকতেন। ফাহাদ পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে অস্থায়ীভাবে চাকরি করতেন। দুই মাস আগে তারা খবির উদ্দিনের বাসা থেকে চলে যান। পরে ওই নারী তার বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেন। বিষয়টি ফাহাদের মাকে জানালে তিনি ওই নারীর গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে বলেন। সন্তান নষ্ট না করায় ফাহাদের মা বিষয়টি মেনে নেননি।
পরবর্তী সময়ে ফাহাদও যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। শনিবার (২৬ আগস্ট) ফাহাদের বাড়িতে গেলে ওই নারীকে বেধড়ক মারধর করেন ফাহাদের মা ও তার পরিবারের সদস্যরা। পরে তিনি সখীপুর থানায় অভিযোগ করেন। বিষয়টি কয়েকজন জনপ্রতিনিধিকেও জানানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, আদালতে বিয়ের সময় ফাহাদ তার নাম পুরোপুরি লেখেননি। এছাড়া তার বাবার নাম ভুল দিয়েছেন। পরবর্তী সময়ে কাগজটি ঠিক করলেও তিনি তার কাছে জমা দেননি।
হাঁটুভাঙা এলাকার বাসার মালিক খবির উদ্দিন বলেন, তারা প্রায় পাঁচ মাস আমার বাসায় ভাড়া থাকতেন। দুই মাস আগে তারা চলে যান। এরপর থেকে আমার সঙ্গে তাদের আর কোনো যোগাযোগ নেই।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সোহেল খান ফাহাদ বলেন, আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। আমাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতে বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
সখীপুর উপজেলার বড়চওনা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার শেখ মোহাম্মদ লিটন বলেন, ঘটনা সত্য। মেয়েটি খুবই অসহায়। মেয়ে ও তার সন্তানের অধিকার আদায়ের দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।
একতার কণ্ঠঃ গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব মিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মাহাবুবুর রহমান এ আদেশ দেন।
সাকিব মিয়া বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাসাইল দক্ষিণপাড়া গ্রামের মনু মিয়ার ছেলে।
জানা যায়, চলতি বছরের ১৪ মে দিবাগত রাতে ওই গৃহবধূ ও তার স্বামী ঘুমিয়ে পড়েন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব মিয়া একজন অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাবে বলে ওই গৃহবধূর স্বামীর মোটরসাইকেল নিতে আসে। মোটরসাইকেল নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই গৃহবধূর স্বামীকে মোটরসাইকেল ত্রুটির কথা বলে ডেকে নেন। এরই ফাঁকে তার সহযোগি সাইদুল মিয়া ও শাহেদ মিয়ার সহযোগিতায় সাকিব মিয়া ওই গৃহবধূকে কৌশলে ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় গত ১৬মে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সাকিব ও তার দুই সহযোগী সাইদুল ও শাহেদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এরপর তারা উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জন্য জামিন নেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় সাকিব মিয়া আদালতে হাজির হন। পরে আদালতের বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বাদিপক্ষের আইনজীবী জিনিয়া বখশ বলেন, মামলার প্রধান আসামি সাকিব মিয়া আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। পরে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরআগে মামলার বাকি দুই আসামি সাইদুল ও শাহেদ ১৫দিন কারাভোগের পর নিম্ন আদালত থেকে ২৩ জুলাই ফের জামিন পান।
একতার কণ্ঠঃ নারায়নগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একে এম শামীম ওসমান বলেছেন, খেলা হবে এদেশের সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে, খেলা হবে স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তির বিরুদ্ধে, খেলা হবে বিএনপি-জামায়াতের আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে।
২০০৪ সালে ২১ আগস্ট তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের জনসভায় বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলা চালিয়ে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ ও শাস্তির দাবিতে টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগ ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যৌথ আয়োজনে সোমবার (২১ আগস্ট)বিকালে শহরের শহীদস্মৃতি পৌর উদ্যানে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন তিনি।
শামীম ওসমান এমপি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু আপনার আমার ভবিষ্যত নয়, আমার-আপনার সন্তানদেরও ভষিষ্যত। শেখ হাসিনা দিনরাত পরিশ্রম করে কিসে এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হবে, কিসে এদেশের মানুষের ভালো হবে সেই চিন্তায় করে। শেখ হাসিনা হাসলে এদেশের মানুষ হাসে। সারা দেশে যে উন্নয়ন হয়েছে তা চোখে পরার মতো। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী বলেই তা আজ সম্ভব হয়েছে।
টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র সিরাজুল হক আলমগীরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখিপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভুঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির, টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আতোয়ার রহমান, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ মামুন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আশরাফ উজ্জামান স্মৃতি, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ রৌফ ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন তোফা।
এ সময় আওয়ামী লীগ, আওয়ামী যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের ভাতৃপ্রতিম সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে স্বাধীনতার মহান স্থপতি বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৮ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও গণভোজের আয়োজন করা হয়েছে।
রবিবার (২০ আগষ্ট) বিকেলে গোপালপুর পৌরসভার সূতী পলাশ গ্রামবাসীর আয়োজনে অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-২ (ভুঞাপুর-গোপালপুর) আসনের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-২ (ভুঞাপুর-গোপালপুর) আসনের আওয়ামী লীগের আরেকজন মনোনয়ন প্রত্যাশী ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র বীরমুক্তিযোদ্ধা মাসুদুল হক মাসুদ। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালপুর পৌরসভার মেয়র মো. রকিবুল হক ছানা।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর ইসলাম তরফদার বাদল, গোপালপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান, মীর রেজাউল হক, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম আক্তার মুক্তা, ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাব আলিফ নূর মিনি, গোপালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন মনির, ভূঞাপুর পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আব্দুল বাছেদ মন্ডল, ভূঞাপুর পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য খায়রুল ইসলাম তালুকদার বাবলু, গোপালপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহমান বিমান, গোপালপুর সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস ওয়াহিদুজ্জামান রিপন, ঝাওয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান তালুকদার, অর্জুনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আইয়ুব আলী মোল্লা, অলোয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম বাদল, গোবিন্দাসী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম আমিন, গাবসারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল বাছেদ আকন্দ বাদশাহ, ভূঞাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইউসুফ চকদারসহ গোপালপুর ও ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, সেচ্ছাসেবক লীগ এবং অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
একতার কণ্ঠঃ বিএনপির চেয়ারপর্সন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসা এবং নির্দলীয় তত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে টাঙ্গাইলে জেলা বিএনপি পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার(১৯ আগষ্ট )সকালে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে বিএনপির নেতাকর্মীরা খন্ড-খন্ড মিছিল নিয়ে জমায়েত হয়।
পরে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত পথসভার আয়োজন করে দলটির নেতারা। পথসভা শেষে একটি বিশাল পদযাত্রা মিছিল বের করা হয়। পদযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শান্তিকুঞ্জের মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
এ পদযাত্রা ও পথসভা কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন,সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল,জেলা যুবদলের আহবায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ,সদর থানা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী,শহর বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম,জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক একেএম মনিরুল হক মনির,জেলা তাঁতীদলের সভাপতি শাহ আলম,জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভ , সদস্য সচিব আব্দুল বাতেন প্রমুখ।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদল,ছাত্রদল,মহিলাদল,তাঁতীদল,শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ও জেলার বিভিন্ন উপজেলা বিএনপির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বিএনপির এই পদযাত্রা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক মোড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয় ।