/ হোম / রাজনীতি
বিএনপির প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করার দাবী হাস্যকর:কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

বিএনপির প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করার দাবী হাস্যকর:কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ আমরা বাংলাদেশকে শান্ত রাখতে চাই, স্থিতিশীল রাখতে চাই, একটি নির্বাচিত সরকার সেই সরকারের বিরুদ্ধে এক দাবী করেছে বিএনপি পদত্যাগ, এটি হাস্যকর বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি মন্ত্রী ড.আব্দুর রাজ্জাক।

শনিবার (১৫ জুলাই )সকালে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে একদিনে ১লক্ষ গাছ রোপন ও পৌর উদ্যানে বৃক্ষ মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি আরও বলেন, বিএনপিসহ অন্য বিরোধী দল যারা বলছে এই সরকার পদত্যাগ করবে তাদের স্বপ্ন দু:স্বপ্নে পরিনত হবে। একটি নির্বাচিত সরকার কোন দিনই কারো দাবীতে পদত্যাগ করবে না। ২০১৪ ও ১৫ তে তাদের সন্ত্রাস আমরা দেখেছি। সন্ত্রাসকে এই দেশের মানুষ মোকাবেলা করতে পেরেছে। ইনশাআল্লাহ যারা এই পদত্যাগের দাবী করছে তাদের দাবী কোনদিনো পূরন হবে না। এটি একটি হাস্যকর বিষয়। অতএব, তারা সহযোগিতা করতে পারে কিভাবে নির্বাচন সুষ্ঠু করা যায়।

এসময় টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দিন হায়দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পৌর মেয়র সিরাজুল হক আলমগীর, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমূখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. জুলাই ২০২৩ ০৮:০২:পিএম ৩ বছর আগে
কালিহাতীতে ইউপি নির্বাচনী সহিংসতায় প্রধান শিক্ষককে কুপিয়ে আহত - Ekotar Kantho

কালিহাতীতে ইউপি নির্বাচনী সহিংসতায় প্রধান শিক্ষককে কুপিয়ে আহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর সমর্থক এক প্রধান শিক্ষককে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে নৌকা পার্থীর কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এ ছাড়াও ওই স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারনা অফিস ও গাড়ী ভাংচুর করে প্রচারনায় বাঁধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (১২ জুলাই ) সন্ধ্যায় উপজেলার বীরবাসিন্দা ইউনিয়নের কস্তুরী পাড়া জামে মসজিদের সামনে ও বৃহস্পতিবার (১৩ জুলাই ) দুপুরে রাজাফৈর বাজার এলাকায় এ ঘটনা দুটি ঘটে।

এ ঘটনায় গুরুতর আহত আরিফুর রহমান লিটন (৫০) কস্তুরী পাড়া গ্রামের মজিবর সিকদারের ছেলে। তিনি কস্তুরী পাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসাবে কর্মরত রয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বীরবাসিন্দা ইউপি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সোহরাব হোসেনের (মটরসাইকেল প্রতীক) প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন আরিফুর রহমান লিটন। তিনি বুধবার স্থানীয় কস্তুরী পাড়া বাজার এলাকায় দিনব্যাপী নির্বাচনী প্রচারনায় অংশ নেন। এক পর্যায়ে মাগরিবের নামাজের সময় হলে পাশের একটি মসজিদে নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হয়ে তিনি বাজারের আবুখার ওষুধের দোকানের সামনে আসলে পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা ১০ থেকে ১৫ জন সন্ত্রাসী তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এ সময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে।

এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী মো. হান্নান, আকরব হোসেন, আব্দুল হাই বলেন, আমরা বাজারে নির্বাচনী প্রচারনা চালাচ্ছিলাম। অতর্কিত ভাবে বাজারের উত্তর দিক থেকে এসে অজ্ঞাত ১০/১৫ জন নৌকার সমর্থকরা লিটন মাষ্টারের মাথায় কোপ দিলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাকে এলোপাথারি কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এ সময় তারা বলেন, শালা নৌকার বিরুদ্ধে নির্বাচন করার পরিনতি। তার ডাক চিকৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার দুপুরে মাইক নিয়ে একটি ব্যটারি চালিত অটোরিকশা যোগে মোটরসাইকেল প্রতিকের প্রচারনা চালানোকালে কয়েকজন সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে গাড়ি ও মাইক ভাংচুর করে।

স্বতন্ত্রপ্রার্থী সোহরাব আলী বলেন, এ ঘটনায় আমি জেলা নির্বাচন অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছি। তিনি আমাকে নিরেপেক্ষ নির্বাচনের আশ্বাস দিয়েছেন।

বীরবাসিন্দা ইউনিয়নের নৌকা প্রতিকের প্রার্থী মো. আব্দুল খালেক মুঠোফোনে বলেন, ‘আমি নির্বাচনী প্রচারনায় ব্যস্ত রয়েছি, লিটন মাষ্টারের উপর হামলার বিষয়ে আমি পরে কথা বলবো’।

এ বিষয়ে জানতে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমানকে বার বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনটি।

এ প্রসঙ্গে কালিহাতী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. শরিফুল হক বলেন, সামনে আমাদের জাতীয় নির্বাচন। আমরা যে কোন নির্বাচনী সহিংসতাকে খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। তবে এ বিষয়ে এখনো কেউ কোন প্রকার লিখিত অভিযোগ করেননি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. জুলাই ২০২৩ ০৩:২৮:এএম ৩ বছর আগে
ঢাকা সমাবেশে যাওয়ার পথে টাঙ্গাইলে বিএনপির নেতাকর্মীর উপর হামলা - Ekotar Kantho

ঢাকা সমাবেশে যাওয়ার পথে টাঙ্গাইলে বিএনপির নেতাকর্মীর উপর হামলা

একতার কণ্ঠঃ ঢাকায় বিএনপির সমাবেশে যাওয়ার পথে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠন ছাত্রদল নেতাকর্মীদের উপর অতর্কিতভাবে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ১২ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (১১ জুলাই) রাত ২টার দিকে গোলপালপুর উপজেলার নগদা শিমলা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

হামলার শিকার আহতরা হলেন- ধনবাড়ী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহেদুল ইসলাম মহব্বত, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক শরীফ হোসেন, সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক বিজয় সরকার, বানিয়াজান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি অন্তর হাসান, যদুনাথপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম সুমন, সাধারণ সম্পাদক মামুন খান।

এছাড়াও বলিভদ্র ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ এম এ আজিজুর রহমানের ছেলে মির্জা হাবিব হাসান, মুশুদ্দি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি স্বাধীন, বীরতারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সোহান হাসান ও মাইক্রোবাসের চালকসহ কমপক্ষে ১৩ জন আহত হয়।

জানা গেছে, ধনবাড়ী উপজেলা বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতকর্মীরা নয়াপল্টনে দলীয় সমাবেশে যোগদানের জন্যে মঙ্গলবার রাতে একটি মাইক্রোবাসযোগে রওনা হয়। রাত আনুমানিক দুইটার দিকে মাইক্রোবাসটি গোপালপুর উপজেলার শিমলা বাজারের কাছে পৌঁছলে দেশীও অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে তাদের উরপর হামলা চালায় দৃস্কৃতকারীরা।

এ ঘটনায় এলোপাথারি কুপিয়ে ও লাঠির আঘাতে ১২ জনকেই আহত করা হয়। সেখান থেকে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স নেওয়া হয়। অবস্থা আশঙ্ককাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্যে তাদেরকে রাতেই ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ ব্যাপারে ধনবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল আজিজুর রহমান বলেন, বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা গোপালপুর শিমলা বাজারে পৌছলে সরকারদলীয় নেতাকর্মীরা মাইক্রোবাস থামিয়ে অতর্কিত হামলা চালায় । এতে মাইক্রোবাসের ১২ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্ককাজনক।

এ ঘটনায় গোপালপুর থানার (ওসি) মোশারফ হোসেন জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি। তবে কারা কি কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এছাড়া কারো অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. জুলাই ২০২৩ ০৮:৪৩:পিএম ৩ বছর আগে
কথা রক্ষা করতে না পারলে গদি থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে: বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

কথা রক্ষা করতে না পারলে গদি থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে: বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী

একতার কণ্ঠঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশনার আমাকে কথা দিয়েছেন, নিরপেক্ষ ভোট হবে, সরকারি প্রভাবমুক্ত ভোট হবে, তিনি যদি সেই কথা রক্ষা করতে না পারেন, তবে তাঁকে গদি থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে।’

রবিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার হাতীবান্ধা টেকিপাড়ায় এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বলেছেন, আমি ভোট চুরি পছন্দ করি না, আমি তাঁর কথা বিশ্বাস করেছি। কিন্তু এখানকার ফাঁউ নেতারা যদি ভোট চুরি করে শেখ হাসিনার মুখ কালো করতে চায়, তাহলে আমাদের কি করার আছে। তবে আমি বিশ্বাস করি, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা জাল ভোট চান না।’

স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সতর্ক করে তিনি বলেন, ‘পুলিশকে টাকা–পয়সা দিয়ে ব্যালটে সিল মারবেন? তা হবে না, হবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘কেউ জল ভোট দিতে চাইলে গলায় গামছা পেঁচিয়ে তাকে ধরে ফেলবেন, তারপর পুলিশের হাতে তুলে দেবেন, পুলিশ তাকে গ্রহণ না করলে সে বিষয়টি আমি দেখব।’

দলীয় নেতা কর্মীদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ‘গত কয়েক দিন আগে বাসাইল পৌরসভায় সুষ্ঠু ভোট হয়েছে। সেখানে আমাদের প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে।’

হাতীবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনী পথসভায় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী বিধূ ভূষণ সরকারসহ দলটির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান খোকা বীরপ্রতীক, সখীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সানোয়ার হোসেন সজীবসহ দলীয় নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, আগামী ১৭ জুলাই সখীপুর উপজেলার চারটি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে তিনটি ইউনিয়নে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ দলীয় প্রার্থী দিয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. জুলাই ২০২৩ ০৩:৪৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আ’লীগ নেতার উপর হামলা; প্রতিবাদে সমাবেশ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আ’লীগ নেতার উপর হামলা; প্রতিবাদে সমাবেশ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাজমুল হক তপনের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে উপজেলা আওয়ামী লীগ।

নাগরপুর উপজেলা আ’লীগের সভাপতি জাকিরুল ইসলাম উইলিয়াম’র নেতৃত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. কুদরত আলীর উপস্থিতিতে রবিবার ( ৯ জুলাই) সকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এ প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। মিছিলটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এসে সমাবেত হয়।

প্রতিবাদ সমাবেশে নাগরপুর উপজেলা আ’লীগের সভাপতি জাকিরুল ইসলাম উইলিয়াম বলেন, তারেক শামস্ খান হিমু’র উপস্থিতিতে এলাসিন ইউনিয়নের সিংহরাগী গ্রামের মুন্সিপাড়ায় একটি শান্তিপূর্ণ ঈদ পরবর্তী পুনর্মিলনী মতবিনিময় সভায় সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের কর্মীবাহিনী সন্ত্রাসী কায়দায় নাগরপুর উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাজমুল হক তপনের ওপর অতর্কিত হামলা করে আহত করেছে এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশে অস্থিতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করার অপপ্রয়াস চালিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তিনি নাগরপুর উপজেলা আ’লীগের পক্ষ হতে এরকম ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানান। সেই সাথে এই হামলার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিচারের দাবি জানান তিনি।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ’লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. খালিদ হোসেন, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক সাবেক ভিপি জহুরুল আমিন, শিক্ষা ও মানব কল্যাণ সম্পাদক মো. আব্দুর রাজ্জাক, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক দেলদার আহমেদ সুভন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল লতিফ মিয়া, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রৌশনারা বেগম, উপজেলা আ’লীগের সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, মো. আজিজুল হক, আব্দুল আলিম, সামেজ মিয়া, শহীদুল হক কিরণ, আতিকুর রহমান নিল্টু প্রমূখ।

এছাড়াও সমাবেসে মামুদনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: জজ কামাল, যুবলীগ নেতা এস এম আনোয়ার হোসেন, নাগরপুর সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি আল মামুন, আ’লীগ নেতা আবুল কাশেম, শফিউল আলম সিজার, ধুবড়িয়া ইউনিয়ন আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন সেন্টু সহ অন্যান্য সহযোগী ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, শুক্রবার (০৭ জুলাই) বিকালে দেলদুয়ার উপজেলার এলাসিন ইউনিয়নের সিংহরাগী ঈদ পুনর্মিলনী মতবিনিময় সভা চলাকালীন সময় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ আ’লীগ কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়া উপ-কমিটির সদস্য ও টাঙ্গাইল জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি তারেক শামস্ খান হিমুর সফর সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত থেকে নাগরপুর উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাজমুল হক তপন। শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান কালে এলাসিন ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস‍্যের কর্মী আনিসুর রহমান এর নেতৃত্বে প্রায় ১২ থেকে ২০ জন বহিরাগত সন্ত্রাসী তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং শারীরিকভাবে আহত করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. জুলাই ২০২৩ ০৩:১৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মহিলা লীগের কর্মীদের এমপি ছানোয়ারের ঈদ উপহার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মহিলা লীগের কর্মীদের এমপি ছানোয়ারের ঈদ উপহার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে তৃণমূল আওয়ামী মহিলা লীগের ২ হাজার কর্মীকে ঈদ উপহার দিয়েছেন সদর আসনের এমপি আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন।

শনিবার(২৪ জুন) সকালে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্যের তৃণমূল ভবনে এই উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

বিতরণ অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো.ছানোয়ার হোসেন বলেন, শনিবার ২ হাজার তৃণমূল মহিলা লীগের কর্মীদের মাঝে চাল,ডাল,তেল,চিনি,আলু,পিয়াজ,দুধ ও সেমাই বিতরণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সদর উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নের আওয়ামী মহিলালীগের তৃণমূলের সকল কর্মীদের মাঝে ঈদ সামগ্রী ও নগদ অর্থ ঈদ উপহার হিসেবে দেওয়া হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন-সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন তোফা, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক হযরত আলী ও জেলা আওয়ামী মহিলা লীগের সাধারন সম্পাদক ফেরদোসী আক্তার রুনু প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. জুন ২০২৩ ০২:০১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ২০ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ২০

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষে অন্তত ২০জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা টিয়ার গ্যাস ও গুলি ছুড়েন।

এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়ী, অন্তত ২০টি মটরসাইকেল, কাজী ডিজিটাল হাসাপাতাল, উপজেলা চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত কার্যালয় ভাঙ্গচুর করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনকে কেন্দ্র করে শুক্রবার(১৩ জুন ) বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে মধুপুর শহরে পৃথক সমাবেশ পালনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা হয়।

বিবাদমান দুই গ্রুপের এক পক্ষ স্থানীয় এমপি ও কৃষিমন্ত্রীর অনুসারী এবং আরেক পক্ষ মধুপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার আলম খান আবুর সমর্থক।

জানা যায়, মধুপুর পৌর ও উপজেলা আওয়ামী লীগের ব্যানারে যৌথভাবে দলীয় কার্যালয়ের সামনে মধুপুর বাসস্ট্যান্ডে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আয়োজন করা হয়।

অপর দিকে, মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফিউদ্দিন মনি ও সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার আলম খান আবু থানা মোড়ের দক্ষিণে পৃথকভাবে কর্মসূচির আয়োজন করে।

এ সভায় যোগদান করতে আসা ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা পথিমধ্যে হামলার শিকার হন। এই ঘটনাকে ঘিরে মধুপুরে উত্তেজনা দেখা দেয়।

আহতরা হলেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও লাউফুলা গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে খলিলুর রহমান (৩২), দামপাড়া গ্রামের মোর্শেদের ছেলে মাসরাফি (২৩), ইদিলপুর গ্রামের আহমেদ আলীর ছেলে ইসমাইল হোসেন (৬০), ভবানটেকী গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে সোয়াইফ (২০), গাংগাইর গ্রামের খালেদ আহমেদের ছেলে মাসরুর আহমেদ প্রিতম (৩০), দানবাবান্দা গ্রামের আহসান আলীর ছেলে চাঁন মিয়া (৬৫)।

আহতদের মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে । এ ছাড়া ইদিলপুর গ্রামের আহমেদ আলীর ছেলে ইসমাইল হোসেন (৬০) কে ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

মধুপুর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খলিলুর রহমান জানান, আলোকদিয়া ইউনিয়নের সভাপতি দুলাল হোসেনের নেতৃত্বে মটরসাইকেল ও অটোরিক্সা যোগে মধুপুর বাসস্ট্যান্ডের সমাবেশে আসার সময় থানা মোড়ে কতিপয় ছাত্র ও শ্রমিক নেতা তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তার নিকটে থাকা ৬০ হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা। হামলাকারীরা সকলেই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবুর নেতৃত্বাধীন কর্মী বলে দাবি করেন তিনি।

এই ঘটনার পর মধুপুর পৌরসভার মেয়র সমর্থিত নেতাকর্মীরা লাঠি-শোঠা নিয়ে এগিয়ে থানা মোড়ের দিকে এগিয়ে আসে। এরই মধ্যে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন ও সভা শেষে ছরোয়ার আলম খান আবুর নেতৃত্বাধীন মিছিলটি ফিরছিল। থানা মোড়ে মিছিল আসা মাত্রই ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করে । এ সময় সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়। ভাঙ্গচুর করা হয় উপজেলা চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত কার্যালয়, তার ব্যবহৃত সরকারি গাড়ি, অন্তত ২০টি মোটর সাইকেল, কাজী ডিজিটাল হসপিটাল। দুই গ্রুপের ইট পাটকেল নিক্ষেপ, পুলিশের গ্যাস গান ব্যবহারে থানা মোড় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পার্শ্ববর্তী বাসা বাড়ির লোকজন আতংকিত হয়ে পড়ে। মধুপুরের দোকান পাট মুহুর্তের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায়।
পরিস্থিতি সামাল দিতে পাশ্ববর্তী থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রাত পৌনে আটটা পর্যন্তও বিক্ষিপ্তভাবে ককটেল বিস্ফোরণের আওয়াজ পাওয়া যায়।

রাত আটটায় মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছরোয়ার আলম খান আবু তার বাসায় সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান, চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সমাবেশ করা সম্পূর্ণ সংগঠন বিরোধী। তাদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করার এখতিয়ার নেই। তারপরও মেয়রের নেতৃত্বে গাড়ী, মটরসাইকেল, দোকান, হাসপাতাল ভাঙ্গচুর নেতাকর্মীদের পিটিয়ে আহত করার ঘটনা ঘটিয়েছে। সমাবেশে আগত নেতাকর্মীদের উপরে হামলা করে অন্তত ৫০ জনকে তারা আহত করেছে। তারা নিরাপত্তার কথা ভেবে বিভিন্নস্থানে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন।

উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার আলম খান আবু আরো বলেন, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান কৃষি মন্ত্রী ও স্থানীয় এমপি ড. আব্দুর রাজ্জাকের অনুসারী। এ ঘটনায় আমরা থানায় অভিযোগ দিবো।

সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফিউদ্দিন মনি, সহসভাপতি কাজী আব্দুল মালেকসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

অপরদিকে মধুপুর পৌরসভার মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান সাংবাদিকদের জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদককে সংগঠন বিরোধী কার্যক্রম করার অপরাধে কেন বহিষ্কার করা হবে না মর্মে শোকজ করা হয়েছে। বর্তমানে দলীয় কার্যক্রম করার এখতিয়ার তিনি হারিয়েছেন। তাই উপজেলা আওয়ামী লীগ ও পৌর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এই সমাবেশে আগত নেতাকর্মীদের থানা মোড়ে আবুর কর্মীরা হামলা করে আহত করে। পরে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। আমি বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের শান্ত করে ফিরিয়ে নিয়ে আসি।

মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) মুরাদ হোসেন বলেন, প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও মারামারি হয়েছে। কোন পক্ষই এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় অভিযোগ করেনি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. জুন ২০২৩ ০৯:৩৩:পিএম ৩ বছর আগে
কালিহাতীতে আ.লীগের ৭৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত - Ekotar Kantho

কালিহাতীতে আ.লীগের ৭৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ৭৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হয়েছে।

শুক্রবার(২৩ জুন) সকালে উপজেলার আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয় উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম তালুকদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মোল্লা`র সঞ্চালনায় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন উপলক্ষে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, বর্ণাঢ্য র‍্যালী, পুষ্পমাল্য অর্পণ, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনছার আলী বি.কম, জেলা আ.লীগের সাবেক সদস্য আবু নাসের,দশকিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মালেক ভূইয়া, কালিহাতী পৌরসভার মেয়র নুরনবী সরকার, কালিহাতী পৌর আ. লীগের সভাপতি মালেক তালুকদার, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি ইকবাল হোসেন রিন্টু, উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক লতিফ মোল্লা, উপজেলা যুব লগের সাধারণ সম্পাদক শাহআলম মোল্লা, উপজেলা শ্রমিক লীগের শেখ জাহিদুল ইসলাম শিপলু, উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মোঃ মনিরুজ্জামান মনির প্রমূখ।

এ সময় উপজেলা, পৌর, ইউনিয়ন আ’লীগ, কৃষকলীগ, শ্রমিকলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. জুন ২০২৩ ০৩:০১:এএম ৩ বছর আগে
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ জুন) বিকেলে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট মামুনুর রশীদ, জেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহসভাপতি খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, শাহজাহান আনছারী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুভাস চন্দ্র সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট খোরশেদ আলম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ প্রমুখ ।

এ সময় ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. জুন ২০২৩ ০২:২৫:এএম ৩ বছর আগে
সাংবাদিক নাদিম হত্যার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

সাংবাদিক নাদিম হত্যার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন

আরমান কবীরঃ জামালপুরে বাংলা নিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী নাদিম হত্যার প্রতিবাদে ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ জুন) সকাল বেলা পৌনে ১২ টায় টাঙ্গাইল জেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলানিউজের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি সুমন কুমার রায়ের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এড.জাফর আহমেদ, একুশে টেলিভিশনের প্রতিনিধি কাজী তাজউদ্দিন রিপন, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের প্রতিনিধি মামুনুর রহমান মিয়া, নয়াদিগন্তের প্রতিনিধি মালেক আদনান প্রমূখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, বিভিন্ন সময় সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতনের ঘটনার বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা এমন নির্মম ঘটনা ঘটাতে সাহস পেয়েছে। বক্তারা নাদিম হত্যার সুষ্ঠ বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

মানববন্ধনে জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. জুন ২০২৩ ০৮:০৩:পিএম ৩ বছর আগে
সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ করার কোনো সুযোগ নেই:কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ করার কোনো সুযোগ নেই:কাদের সিদ্দিকী

আরমান কবীরঃ সরকারের সাম্প্রতিক নির্বাচন ব্যবস্থা অনেকটা ভালো উল্লেখ করে কৃষক শ্রমিক জনতালীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরোত্তম বলেছেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ইস্যুতে বিদ্যমান আইনে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ত্যাগ করার কোন সুযোগ নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইচ্ছে করলে সব মন্ত্রী বাদ দিয়ে আরও ১০০ জনকে মন্ত্রী বানাতে পারেন। একজন পাগলকেও মন্ত্রী বানাতে পারেন। কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী পদত্যাগ করার কোন সুযোগ নেই। নির্বাচনকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রী শুধুমাত্র রুটিন ওয়ার্ক করবেন, নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবেন। সরকারের সকল কর্মকর্তারা ইসির অধীনে থাকবে।

আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আগামি জাতীয় সংবদ নির্বাচনে কোনো জোটে যাবো কি না জানি না। তবে বিএনপির সাথে কোনো নির্বাচনী জোটে যাবেন না।
তিনি বলেন, আমি সব সময় গণমানুষের পক্ষে বা ন্যায় সংগত কারণের পক্ষে কথা বলে থাকি। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বলে পৃথিবীর কোথাও কোনো সরকার নেই। কিন্তু বাংলাদেশে হয়েছিল। এখন সংবিধানে নাই। এরশাদকে বাধ্য করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার করা হয়েছিল। রাজনীতিতে আন্দোলনের মাধ্যমে বাধ্য করতে পারলে সেখানে সবই আইন আর না পারলে সবটাই বেআইনি বলেও মন্তব্য করেন। এখন দেখতে হবে বিএনপি যদি তত্ত্বাবধায়ক সরকার আনতে পারে তাহলে দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আবার হতে পারে। আর না হলে আমার বোনের (প্রধানমন্ত্রী) অধীনেই নির্বাচন হবে- এর কোন বিকল্প আপাতত নেই।
মহান মুক্তিযুদ্ধের জীবন্ত কিংবদন্তী বঙ্গবীর বলেন, একটি দেশের প্রধানমন্ত্রীকে তাচ্ছিল্য করে কথা সমিচীন নয়- এটা কোনো সভ্যতা নয়। আবার একজন বয়স্ক নেতাকে তাচ্ছিল্য করে কথা বলাও ভালো না। আমাদের স্বাভাবিক হওয়া উচিত। কিন্তু যতদিন যাচ্ছে আমরা অস্বাভাবিক হচ্ছি এবং আমাদের মান মর্যাদা নিজেরাই ক্ষুন্ন করছি। সোমবার (১২ জুন) দুপুরে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম তার টাঙ্গাইলের বাসভবন ‘সোনার বাংলা’য় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
বঙ্গবীর বলেন, আমেরিকার কোন মতেই এই ভিসা নীতি এই মুহূর্তে করার কোনো মানে হয় নাই। কয়েকদিন আগে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দরকার পড়লে যাবো না সাত সাগরের ওপার। অনেকে এ কথার সমালোচনা করেছেন। যে কোন সরকার তার ইচ্ছেমত ভিসা দেয়। আমাদের প্রতিবেশি ভারত দুইজনে দরখাস্ত করলে রোগীকে ভিসা দেয় আর তার সঙ্গে যে থাকেন তাকে দেয় না। এটা তাদের ইচ্ছেমত এবং পৃথিবীর সব দেশই নিজেদের ইচ্ছেমতই ভিসা দেয়। বাইরের লোকেরা যে আমাদের দেশে আসে, আমাদের অ্যাম্বেসীগুলোও ওই একই কাজই করে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে এই ভিসানীতি নিয়ে কোন কথা থাকতো না। ভিসা নিয়ে কথা আসছে রাজনীতির কারণে। আমি মনে করি এই ভিসার যে কড়াকড়ি বা জাতীয় নির্বাচনে কেউ বাধা দিলে ভিসা দেওয়া হবে না, তার উপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। এটা আমাদের অপমান করা ছাড়া আর কিছুই না।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, কৃষক শ্রমিক জনতালীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান খোকা বীর প্রতীক, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ এবং জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিণ্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. জুন ২০২৩ ০১:৪২:এএম ৩ বছর আগে
শ্রীলঙ্কার মতো পরিস্থিতি বাংলাদেশে চলছে : জিএম কাদের - Ekotar Kantho

শ্রীলঙ্কার মতো পরিস্থিতি বাংলাদেশে চলছে : জিএম কাদের

আরমান কবীরঃ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেছেন, শ্রীলঙ্কাকে ফলো করেন, দেখবেন তাদের রিজার্ভ সংকট ছিলো। তারা তেল আনতে পারেনি, কয়লা আনতে পারেনি। যার কারনে তাদের বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো। এক সঙ্গে তারা বিভিন্ন পন্য ইমপোর্ট করতে পারেননি। সাধারনভাবে মানুষের মধ্যে বিরাট মূল্যস্ফীতি হয়েছিলো। সাধারণ মানুষ চাকরি হারাচ্ছিলো। সাধারণ মানুষ আয় ইনকাম হারাচ্ছিলো, সঙ্গে সঙ্গে দ্রব্য মূল্যের উর্ধগতি হচ্ছিলো।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন সেই পরিস্থিতি চলছে। শ্রীলঙ্কা অনেক পন্য বাংলাদেশের চেয়ে কম দামে পাচ্ছে। আমাদের মূল্যস্ফীতি হয়েছে, আমাদের মানুষের আয় ইনকাম কমেছে, বেকারত্ব বেড়েছে সঙ্গে সঙ্গে আমাদের রিজার্ভ কমেছে, আমাদের ইমপোর্ট কমেছে। সব কিছু মিলে আমরা শ্রীলঙ্কার কাছাকাছি চলে গেছি।

সোমবার (১২ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলে জেলা জাতীয় পার্টির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের প্রধান অতিথি বক্তব্যে এ সব কথা বলেন তিনি।
জিএম কাদের বলেন, শ্রীলঙ্কার সাথে আমাদের একটি পার্থক্য আছে। শ্রীলঙ্কার মানুষ রাস্তায় নেমেছিলো, সে দেশের সরকার যেভাবে ট্যাকেল দিয়েছে, তাতে প্রমাণ হয়েছে, পুলিশ যে তাদের বন্ধু, সেটাই তারা দেখিয়েছে। সেখানে বড় কোন বিরোধী দল ছিলো না। মানুষই স্বতঃস্ফুর্তভাবে নেমেছে। আমাদের দেশের মানুষ এখনও নামেনি, এটাই পার্থক্য।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান শাসন প্রদ্ধতিতে শতকরা ১০০ ভাগ শক্তি প্রধানমন্ত্রীর হাতে। সেখানে নির্বাচনকালীন মন্ত্রী বা সংসদে কে কতটা আসন পেলো সেটি ম্যাটার নয়। প্রধানমন্ত্রী যদি থাকেন তাহলে নির্বাচনকালীন সরকার, সব সরকার একই ধরনের হবে।
শহরের রাইফেল ক্লাবে আয়োজিত সম্মেলনে ভিসানীতির বিষয়ে গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, আমরা ভিসানীতিকে সমর্থন করি। ভিসানীতিতে যা বলা হয়েছে তা জনগনের পক্ষে বলা হয়েছে, বিপক্ষে নয়। অবাধ সুষ্ঠ নির্বাচন যারা বাধাগ্রস্ত করবে, তাদের সে দেশে ঢুকতে দেয়া হবে না। সেখানে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা থাকবে। এখানে অখুশি হওয়ার মতো কিছু দেখি না, সরকারও এখানে অখুশি হননি। অবাধ সুষ্ঠ নির্বাচন কেউ চায় না এ কথা প্রকাশ্যে কেউ বলছেন না। মনে মনে কেউ বলতে পারেন।

জিএম কাদের আরও বলেন, মুক্তিযদ্ধের সময় আমরা একটা পোস্টার দিতাম, সোনার বাংলা শ্মশান কেন ? এখন মনে হয় সোনার বাংলা মরুভূমি কেন ? পানি নেই, বিদ্যুৎ নেই খাবার নেই। মরুভূমি না এটি।

তিনি বলেন, আমরা অনেক কিছুইতেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। এবার হয়েছি মাদক দ্রব্য সংক্রান্ত অর্থ সরবরাহ কাজে এশিয়ায় প্রথম আর বিশ্বে পঞ্চম হয়েছি। বিদেশী একটি সংস্থার জরিপে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। তথ্যে জানানো হয়েছে এ সংক্রান্ত কাজে পাঁচ হাজার কোটি টাকা সরবরাহ হয়েছে।
জেলা জাতীয় পার্টির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক আব্দুস ছালাম চাকলাদারের সভাপতিত্বে আয়োজিত সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু, প্রেসিডিয়াম সদস্য আবুল কাশেম, রেজাউল ইসলাম ভূইয়া, জহিরুল ইসলাম জহির, মোস্তফা আল মাহমুদ, ঢাকা বিভাগের প্রেসিডিয়াম সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা প্রমুখ।

এসময় জাতীয় পার্টির জেলা ও উপজেলা নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. জুন ২০২৩ ১২:১৭:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।