একতার কণ্ঠঃ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী মারা গেছেন।
সোমবার রাত ৮টা ৪০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বিএসএমএমইউ পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. রেজাউর রহমান সোমবার রাতে গণমাধ্যমতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে, এক ফেসবুক পোস্টে দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদীও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রবিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে কাশিমপুর কারাগারে বুকে ব্যথা অনুভব করায় সাঈদীকে কারা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কর্তব্যরত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শে তাকে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা আনা হয়।
এদিন রাতে সাঈদীকে বিএসএমএমইউয়ের কার্ডিওলোজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. চৌধুরী মেশকাত আহমদের তত্ত্বাবধানে ভর্তি করা হয়। তিনি বিএসএমএমইউয়ৈর ডি ব্লকের দ্বিতীয় তলার সিসিইউ-২ এর ৬ নম্বর বেডে ভর্তি ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ মৃত মাকে শেষ দেখার জন্য প্যারোলে মুক্তি মিললেও সরকার বড় ভাই আব্দুস সালাম পিন্টুকে আসতে দেয়নি এর বিচার আল্লাহ করবেন একদিন। এই নির্যাতন নিপীড়ন কখনই ভাল পথ দেখায় না বলে মন্তব্য করেছেন যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
রবিবার (১৩ আগষ্ট) বাদ আসর জেলার গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের গুলিপেচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মায়ের জানাযা নামাজের আগে যুবদল সভাপতি এই মন্তব্য করেন।
এর আগে শনিবার (১২ আগস্ট) রাতে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু ও যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর মা মোছা. সালমা বেগম চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

সালমা বেগমের মৃতদেহ তাদের গ্রামের বাড়ি গোপালপুরের গুলিপেচা এলাকায় আনা হলে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে হাজার হাজর নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা একনজর দেখতে ভীড় করেন।
জানাযার আগে যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, সালাম পিন্টুকে আসতে না দেয়ার বিষয়ে সরকারকে দায়ী করে বলেন, যারা করছেন যা করছেন তারা থেমে যান অনেক করেছেন। এলাকার একজন জনপ্রতিনিধি ছিলেন আমার ভাই পিন্টু। সকলেই তাকে চিনেন ভাল মানুষ হিসেবে। আমার ভাই তার মায়ের মরা মুখটা দেখতে পারবে না এটা কি হতে পারে।
জানাযায় কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য এস এম ওবায়দুল হক নাসির, কৃষক দলের সহসভাপতি মাইনুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক মিঞা মো: রাসেল, যুবদলের দপ্তর সম্পাদক আব্দুল করিম সরকার, জেলা উপজেলাসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জানাযা শেষে গুলিপেচা পারিবারিক কবরস্থানে সালমা বেগমের দাফন সম্পন্ন হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল- বঙ্গমাতার প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ, আলোচনা সভা, সেলাই মেশিন বিতরণ, মোনাজাত ও দোয়া মাহফিল ইত্যাদি।
এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) সকালে জেলা প্রশাসনের জনসেবা চত্ত্বরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ করা হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক শামীম আরা রিনি, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর,আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ফজলুল হক বীরপ্রতীক, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ।
পরে দুস্থ মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।
এদিকে, জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে স্থাপিত বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে তাঁর ৯৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। এ সময় জেলা আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতারা ও এর সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ সম্মেলনের দীর্ঘ ৯ মাস পর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি। সোমবার (৭ আগস্ট) দলের সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে এই কমিটির অনুমোদনপত্রে সই করেছেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
অনুমোদনপ্রাপ্ত টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক। সহ-সভাপতিরা হলেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনিসুর রহমান আনিস, ছানোয়ার হোসেন, ডা. কামরুল হাসান খান, নাহার আহমদ, শাহজাহান আনসারী, কুদরত-ই-এলাহি খান, বাপ্পু সিদ্দিকী, তারেক শামস খান হিমু, ইনসাফ আলী ওসমানী।
এছাড়া সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের। কমিটিতে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদ পেয়েছেন সুভাষ চন্দ্র সাহা, তানভীর হাসান ছোট মনির ও মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু।
আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস. আকবর খান, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আবু নাসের, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সোলায়মান হাসান। ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক নাজমুল হুদা নবীন, দপ্তর সম্পাদক খোরশেদ আলম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ মিয়া (চান মিয়া), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ তারেক পুলু, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বদিউজ্জামান ফারুক।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রেজাউর রহমান চঞ্চল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শামীমা আক্তার, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আনোয়ার হোসেন, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক এহসানুল ইসলাম আজাদ (সর্দার আজাদ), শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মহসীন শিকদার, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আহসানুল ইসলাম টিটু। শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ওয়াজির হাসান খান শরীফ হাজারী, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এলেন মল্লিক, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক আ ন ম বজলুর রহিম রিপন।
সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, সাইফুজ্জামান খান সোহেল, খান আহমেদ শুভ।
উপ-দপ্তর সম্পাদক অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম, কোষাধ্যক্ষ বাহারুল ইসলাম মিন্টু।
কমিটির সদস্যরা হলেন আতাউর রহমান খান, অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ, সোহরাব আলী খান আরজু, মনোয়ারা বেগম, হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী, খন্দকার মমতা হেনা লাভলী, মাহবুব আলম মল্লিক, আবু হানিফ আজাদ, সিরাজুল হক আলমগীর, অ্যাডভোকেট শহীদুল ইসলাম, খন্দকার মসিউজ্জামান রুমেল, আকরাম হোসেন কিসলু, অ্যাডভোকেট শামীমুল আক্তার, আমিরুল ইসলাম খান, আব্দুল গফুর মন্টু, কুতুব উদ্দিন, মাহমুদুল হাসান মারুফ, হারুনার রশীদ হীরা, ডা. মির্জা নাহিদা হোসেন বন্যা, আনিসুল মান্নান শাহেদ, ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদ, ডা. মীর ফরহাদুল আলম মনি, খালিদ হোসেন খান পাপ্পু, ড. মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) খন্দকার আব্দুল হাফিজ, মাহমুদুর রহমান তালুকদার আজাদ, সাখাওয়াত হোসেন, ইয়াকুব আলী, জেবুন্নেছা চায়না, ডা. জাকিয়া ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (মঈন সিদ্দিকী), সুজয় দেব, অ্যাডভোকেট মাসুদুল হাসান, রাফিউর রহমান ইউছুফ জাই, আমিনুল ইসলাম তালুকদার বিদ্যুৎ।
একতার কণ্ঠঃ পুষ্পস্ববক অর্পন, স্মৃতিচারণ, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে শনিবার (৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামের সামনে শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ।
সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জীবনী নিয়ে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর,সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক জেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক বীর প্রতীক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার জহুরুল হক ডিপটি, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ বীর বিক্রম, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।
এ সময় সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হয়।
বাদ জোহর জেলার সকল মসজিদে বিশেষ মোনাজাত ও সুবিধাজনক সময়ে সকল মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। বিকেল ৪ টায় টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়।
এর আগে গত ২ থেকে ৪ আগস্ট টাঙ্গাইল শিশু একাডেমিতে রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
একতার কণ্ঠঃ বিএনপি-জামায়াত অশুভ শক্তির অগ্নিসন্ত্রাস নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রমূলক অপরাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সমাবেশ ও মিছিল করেছে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ।
মঙ্গলবার(১ আগষ্ট )দুপুরে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রতিরোধ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
পরে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের নেতৃত্বে প্রতিরোধ মিছিল বের করা হয়।
মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পৌর উদ্যানে গিয়ে শেষ হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী, তানভীর হাসান ছোট মনির, খান আহমেদ শুভ, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, জেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহ সভাপতি আনিছুর রহমান আনিছ, খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, নাহার আহমেদ, শাহজাহান আনছারী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুভাস চন্দ্র সাহা, দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট খোরশেদ আলম প্রমুখ।
এসময় জেলা, উপজেলা, শহর ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ লক্ষ্মীপুর জেলা জাতীয়তাবাদী কৃষকদল নেতা সজীব হোসেনকে হত্যার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিএনপির শোক র্যালীতে পুলিশি বাঁধার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার( ২০ জুলাই)বিকালে শহরের বেপারীপাড়া এলাকায় থেকে একটি শোক র্যালি বের করে জেলা বিএনপি।
র্যালিটি বেপারী পাড়া থেকে শান্তিকুঞ্জ মোড় দিকে যেতে চাইলে পুলিশ বাঁধা দেয়। পরে পুলিশি বাধায় মিছিলটি সামনের দিকে না গিয়ে পুনরায় বেপারীপাড়া এলাকায় গিয়ে পথসভার আয়োজন করে।
উক্ত পথসভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ।
শোক র্যালিতে অংশ নেয় সদর থানা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, শহর বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম, জেলা যুবদলের আহবায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, জেলা মহিলাদলের সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন খানসহ
জেলা বিএনপি’র সহযোগী অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে পথসভা করেছে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী বীরমুক্তিযোদ্ধা মাসুদুল হক মাসুদ।
বৃহস্পতিবার (২০জুলাই) রাতে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বরর্শিলা বাজারে এই পথসভার আয়োজন করে ৫নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ।
গোপালপুর উপজেলা শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ফখরুদ্দিন শাহীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও ভুঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং পৌর মেয়র মাসুদুল হক মাসুদ।
পথসভায় উপস্থিত ছিলেন, ভুঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সরন দত্ত, গোপালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ–সভাপতি হারুন অর রশিদ তালুকদার গোপালপুর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মীর রেজাউল হক, ভুঞাপুর উপজেলা যুগ্ম সম্পাদক সাহিনুল ইসলাম তরফদার বাদল, জেলা পরিষদের সদস্য খায়রুল ইসলাম তালুকদার বাবলু, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল বাছেদ মন্ডল, অজুর্না ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী মোল্লা, আলমনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হালিম উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বাক আশরাফুজ্জামান আজাদ, নজরুল ইসলামসহ গোপালপুর ও মির্জাপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীবৃন্দ।
পথসভায় বক্তারা বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করতে বীরমুক্তিযোদ্ধা মাসুদুল হক মাসুদকে মনোনয়ন দেয়ার আহ্বান জানানো হয়।
পরে সরকার উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরে তৈরি লিফলেট বিতরণ করা হয় স্থানীয়দের মাঝে।
একতার কণ্ঠঃ বিএনপি জামায়াত অশুভ শক্তির অগ্নিসন্ত্রাস-নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রমূলক অপরাজনীতির বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার(১৯ জুলাই )বিকেলে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে এ শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুকের সভাপতিত্বে শান্তি সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহসভাপতি খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, আনিছুর রহমান আনিছ, নাহার আহমেদ, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট খোরশেদ আলম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক প্রমুখ।
এ সময় জেলা আওয়ামী ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ছয়টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পাঁচটিতেই নৌকার ভরাডুবি হয়েছে। এসব ইউনিয়নে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। মাত্র একটি ইউনিয়নে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী।
সোমবার (১৭ জুলাই) টাঙ্গাইলের সখিপুরে চারটি ইউপিতে এবং কালিহাতীতে দু’টি ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সখিপুর উপজেলার চারটি ইউনিয়নেই চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কাছে হেরেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা।
কালিয়া ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো: জামাল হোসেন এবং নৌকা প্রতীক নিয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন দেলোয়ার হোসেন সাথী।
বড়চওনা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো: আজহারুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন। সেখানে তার কাছের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হালিম সরকার।
হাতীবন্ধা ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী রনি আহমেদকে হারিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থী রবিন খান।
হতেয়া-রাজাবাড়ি ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো: হুমায়ন খান। সেখানে দ্বিতীয় হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী বীরমুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন।
একই দিন কালিহাতী উপজেলার বীরবাসিন্দা ও পারখী ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে বীর বাসিন্দা ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী আব্দুল খালেককে হারিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সোরহাব আলী এবং পারখী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান তোতা।
একতার কণ্ঠঃ কেন্দ্রীয় কর্মসচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলে পদযাত্রা কর্মসুচি পালন করেছে বিএনপি। মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) দুপুরে জেলা বিএনপির উদ্যোগে শহরের ঈদগাঁ মাঠ থেকে নেতাকর্মীদের বিশাল একটি পদযাত্রা বের হয়। এটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে শহরের বাগানবাড়ি এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।
পদযাত্রা চলাকালে সেখান থেকে তিন নেতাকে আটক করেছে পুলিশ ।
আটককৃতরা হলেন- টাঙ্গাইল জেলা যুবদলের অন্যতম নেতা ও শহর বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মনি পাহেলি ও জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক সম্রাট পাহেলি ও মগড়া ইউনিয়ন ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইসমাইল।
জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামালি শাহিন বলেন, আমাদের চলমান পদযাত্রা থেকে সম্পূর্ণ বিনা উস্কানিতে তিনজনকে আটক করেছে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ। আটককৃতদের বিশেষ ক্ষমতা আইনের গায়েবী মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আমি এই গ্রেপ্তারের তীব্রনিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তি দাবি করছি।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমান জানান, পদযাত্রার আশপাশে বিশৃংখলার সৃষ্টির সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পদযাত্রা কর্মসুচিতে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন ও সাধারন সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ।
এ সময় জেলা বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসহযোগী সংগঠণের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বীরবাসিন্দা এবং পারখী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আগামী ১৭ জুলাই সোমবার। এ নির্বাচনে নৌকার গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে বিদ্রোহী প্রার্থীরা।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একাধিক মারামারির ঘটনা ঘটেছে। বহিষ্কার করা হয়েছে বিদ্রোহী ৩ চেয়ারম্যান প্রার্থীকে।
এদিকে স্থানীয় আওয়ামী লীগে অদৃশ্য বিভক্তি দেখা দিয়েছে। নির্বাচন কমিশন অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে বদ্ধ পরিকর। প্রার্থীরা শেষ সময়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ভোট পেতে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে অনেকের শংকাও রয়েছে।
জানা যায়- ২০১১ সালে বীরবসিান্দ ইউনিয়ন ভেঙে পারখী নামের নতুন একটি ইউনিয়ন গঠিত হয়। এবার নির্বাচনে বীরবাসিন্দা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন আব্দুল খালেক (নৌকা)। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। এ ইউনিয়নে আরো ৩ জন প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন- আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সেলিম শিকদার (আনারস) ও বর্তমান চেয়ারম্যান ছোহরাব আলী (মোটরসাইকেল সাইকেল) এবং মিতু আক্তার (চশমা)।
এদিকে পারখী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান তালুকদার তোতা (নৌকা)। তিনি কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি। এ ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী তালুকদার (মোটর সাইকেল)। এছাড়া কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী হয়েছেন আব্দুস সবুর শামীম (গামছা)।
এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বীরবাসিন্দা ইউনিয়নে একাধিক মারামারি ও অফিস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন এবং লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। এলাকায় বিরাজ করছে থমথমে অবস্থা।
স্বতন্ত্র প্রার্থী ছোহরাব আলীর বলেন, আমার নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়ক আরিফুর রহমান লিটনকে (৫০) কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে নৌকা প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা। কস্তুরীপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লিটন এখন ঢাকায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এছাড়াও নির্বাচনী অফিস ও গাড়ী ভাংচুর করে প্রচারনায় বাঁধা দেওয়া হচ্ছে। বুধবার সন্ধ্যায় ইউনিয়নের কস্তুরীপাড়া জামে মসজিদের সামনে ও বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজাফৈর বাজার এলাকায় এ ঘটনা দুটি ঘটে।
ছোহরাব আলী আরো বলেন, আমি নির্বাচন অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছি। তিনি আমাকে নিরেপেক্ষ নির্বাচনের আশ্বাস দিয়েছেন।
এছাড়া একই ইউনিয়নে বৃহস্পতিবার রাতে সিংনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক শরীফ আহমেদ রাজুসহ ৫ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করা হয়েছে।
আহতরা বলেন, হামলাকারীরা বর্তমান চেয়ারম্যান ছোহরাব হোসেনের লোকজন।
কালিহাতী থানার এসআই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আলামিন বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। রাতেই রকিবুল ইসলাম সুমন বাদী হয়ে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ছোহরাব হোসেনকে প্রধান আসামী করে ৪৩ জনের নামে মামলা দায়ের করেছেন। হেলাল উদ্দীন নামের এক আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত আছে।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোজাহারুল ইসলাম তালুকদার বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে নির্বাচন করায় ৩ চেয়ারম্যান প্রার্থীকে দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। সেইসাথে চূড়ান্ত বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। তারা হলেন বীরবাসিন্দা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছোহরাব আলী, একই ইউনিয়নের উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি সেলিম সিকদার ও পারখী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি লিয়াকত আলী তালুকদার। তাদেরকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারক ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল খালেক ও অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান তালুকদার তোতা বলেন, যতই ষড়যন্ত্র হোক উন্নয়নের স্বার্থে জনগণ নৌকাকেই ভোট দিয়ে বিজয়ী করবে।
কালিহাতী উপজেলা নির্বাচন ও ইউপি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মিসবাহ উদ্দীন আহমেদ বলেন, বীরবাসিন্দা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা একে অপরের বিরুদ্ধে ৪ টি অভিযোগ দিয়েছেন। সেগুলো আমরা তদন্ত করছি। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য আমরা সকল পদক্ষেপ নিয়েছি। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা কালিহাতীতে এসে বৃহস্পতিবার মতবিনিময় করেছেন। সেখানে পুলিশ প্রশাসন ও প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে কোন প্রকার শংকা নেই। বীরবাসিন্দা ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৬ হাজার ৭০৫ এবং পারখী ইউনিয়নে ১৬ হাজার ৫৮৪ জন।