একতার কণ্ঠঃ ধর্ষণ মামলায় টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গোলাম কিবরিয়া ওরফে বড় মনি এবং তাঁর স্ত্রী নিগার আফতাব হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পেয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের বিচারপতি ইকবাল কবির ও এ কে এম রবিউল হোসেনের আদালত তাঁদের চার সপ্তাহের আগাম জামিন মঞ্জুর করেন।
গোলাম কিবরিয়া টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনির ভাই ও জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব।
গোলাম কিবরিয়ার আইনজীবী মো. এহসান হাবিব জানান, গোলাম কিবরিয়া ও তাঁর স্ত্রী নিগার আফতাবকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছেন আদালত। চার সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগেই তাঁদের টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করতে হবে।
শুনানিতে গোলাম কিবরিয়ার পক্ষে অংশ নেন সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন ফকির, সাবেক সহসভাপতি শহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন আইনজীবী।
প্রসঙ্গত, ৫ এপ্রিল রাতে এক কিশোরী বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় গোলাম কিবরিয়া ওরফে বড় মনির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন। মামলায় গোলাম কিবরিয়ার স্ত্রী নিগার আফতাবকেও আসামি করা হয়। মামলায় ওই কিশোরী (১৭) অভিযোগ করেন, গোলাম কিবরিয়া তার পূর্বপরিচিত। গত ১৭ ডিসেম্বর তাকে শহরের আদালত পাড়ায় নিজের বাড়ির পাশের একটি ভবনে গোলাম কিবরিয়া ডেকে নেন। সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন ও আপত্তিকর ছবি তুলে রাখেন। পরে আপত্তিকর ওই ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে ওই কিশোরী মামলায় অভিযোগ করেছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, একপর্যায়ে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি গোলাম কিবরিয়া জানার পর সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ দিতে থাকেন। তবে কিশোরী রাজি না হওয়ায় গত ২৯ মার্চ তাকে শহরের আদালত পাড়ায় গোলাম কিবরিয়ার শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে একটি কক্ষে ওই কিশোরীকে গোলাম কিবরিয়া আবার ধর্ষণ করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সহস্রাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি খন্দকার মমতা হেনা লাভলী। মঙ্গলবার(১৮ এপ্রিল) সকালে সদর উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে ওই ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৫(সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুন প্রমুখ।
ঈদ উপহার হিসেবে প্রতিটি পরিবারকে ১০ কেজি চাল, এক কেজি মশুর ডাল, লবণ, চিনি, এক লিটার তেল, ১০০ গ্রাম মরিচ ও ধনিয়া গুড়া, ২০০ গ্রাম হলুদের গুড়া দেওয়া হয়।
একতার কণ্ঠঃ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনসারী নিজস্ব অর্থায়নে ঈদ উপহার প্রদান করেছেন। উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক সহ প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের মাঝে পর্যায়ক্রমে ঈদ উপহার হিসেবে পাঞ্জাবী ও শাড়ী প্রদান করছেন তিনি।
এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে ঘারিন্দা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সহ ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে পাঞ্জাবি ও শাড়ী প্রদান করেন তিনি।
ইতিপূর্বে তার পক্ষ থেকে উপজেলার করটিয়া, গালা , হুগড়া, কাতুলী,দাইন্যা ইউনিয়নে প্রায় ৬ শতাধিক পাঞ্জাবি ও শাড়ী ঈদ উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়।
এ প্রসঙ্গে, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনসারী জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার হিসেবে নিজস্ব অর্থায়নে পাঞ্জাবি ও শাড়ী প্রদান করা হচ্ছে।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় এ বছর ১ হাজার পাঁচ শত পাঞ্জাবি ও শাড়ী প্রদানের ইচ্ছে আছে। ইতোমধ্যে ৫টি ইউনিয়নে ৬ শতাধিক পাঞ্জাবি ও শাড়ী প্রদান করা হয়েছে।
তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার সকল সন্মানিত ভোটারসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অগ্রিম ঈদ শুভেচ্ছা জানান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-২(গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য এবং মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির বলেছেন, জেলা আওয়ামীলীগের জনপ্রিয় নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদের চিহ্নিত হত্যাকারী ও তাদের মদদদাতারা আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেছে। তারা টাঙ্গাইলের শান্ত পরিবেশকে আবার অশান্ত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। প্রপাগান্ডা চালিয়ে তারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা করছে। তাদের ষড়যন্ত্র সততার কাছে পরাজিত হবেই।
সোমবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইলের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটিরিয়ামে আয়োজিত জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বিগত দিনে টাঙ্গাইল শহর সন্ত্রাসীদের আখড়ায় পরিণত হয়েছিল। তথাকথিত একটি পরিবারের কাছে টাঙ্গাইল শহর জিম্মি হয়ে পড়েছিল। সে সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদসহ আওয়ামী লীগের ৩০জন নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল।
সেই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে একটি হত্যার প্রতিবাদ করায় আমাদের বাড়িঘর ভাংচুর করা হয়েছিল। সেদিনের টাঙ্গাইল আর আজকের টাঙ্গাইল শহরের পরিবেশ সম্পূর্ণ ভিন্ন। আজ মানুষ শান্তিতে বসবাস করছে। কোন রাজনৈতিক হানাহানি, খুন, রাহাজানী নেই।
তিনি বলেন, টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনিকে একটি সাজানো মামলা দিয়ে মানহানীর অপচেষ্টা করছে তথাকথিত সেই পরিবার। তারা টাঙ্গাইলের রাজনীতিকে আবার অস্থিতিশীল করতে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আমার নির্বাচনী এলাকা গোপালপুর-ভূঞাপুর আসন থেকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী কয়েক নেতা। তাদের সাথে আরও সুর মিলাচ্ছে দলের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা দু-চারজন রাজনৈতিক নেতা।
১৯৭৫ সালে খন্দকার মোস্তাক যেমন আওয়ামী লীগের মধ্যে থেকে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করেছিল। তেমনই ওই ষড়যন্ত্রকারীরা আমাদের প্রিয় টাঙ্গাইলকে অশান্ত করে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা ইতোপূর্বেও একাধিকবার আমাদের নিয়ে ষড়য়ন্ত্রের ঘৃণ্য খেলায় লিপ্ত হয়েছে। কিন্ত বার বারই সততার কাছে- শেখ হাসিনার উন্নয়নের কাছে পরাজিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, টাঙ্গাইলের রাজনৈতিক বিষয়ে মাননীয় প্রধামন্ত্রী সব খবর রাখেন। তিনি সবই অবগত। আজকে যারা আওয়ামী লীগের সাইনবোর্ড ব্যবহার করে নানা সুবিধা নিয়েছেন বা নিচ্ছেন তারা একবার ভাবুন কাদের ত্যাগের জন্য এ সুবিধা পাচ্ছেন।
এমপি তানভীর হাসান ছোট মনির বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা যে মেয়েকে দিয়ে আমার ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করিয়েছেন। সেই মামলার পর শহরে আমার ভাইয়ের শাস্তির দাবিতে মিছিল করিয়েছে কে আপনারা সবই জানেন। সত্যকে কখনও ধামাচাপা দিয়ে রাখা যায়না। সত্য একদিন আপন গতিতে পরিস্ফুটিত হবে।
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগ, আওয়ামী যুবলীগ ও ছাত্র লীগের ব্যানারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি সত্য প্রকাশে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তারেক মাহমুদ পলু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা, সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও গণসঙ্গীত শিল্পী এলেন মল্লিক, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ মামুন, জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ রউফ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান, টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বালা মিঞা, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামীলীগ, আওয়ামী যুবলীগ ও ছাত্রলীগের তিন শতাধিক নেতাকর্মী ও জেলার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশ, টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনির বিরুদ্ধে যৌন নিগ্রহের অভিযোগে গত ৫ এপ্রিল এক কিশোরী টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর ডাক্তারী পরীক্ষায় যৌন নিগ্রহের কোন আলামত পাওয়া যায়নি। মামলার পক্ষে-বিপক্ষে শহরে প্রায়ই মিছিল পাল্টা মিছিল করা হচ্ছে। এ নিয়ে শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার(১৭ এপ্রিল) শহরের ভিক্টোরিয়া রোডের টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগার মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।দোয়া ও ইফতার মাহফিলের পূর্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে মহাসচিব মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উপদেষ্ঠা বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি বুলবুল খান মাহবুব।
আরো উপস্থিত ছিলেন,মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উপদেষ্ঠা হারুন-অর-রশিদ, সহ-সভাপতি এডভোকেট নিহার সরকার, কবি মাহমুদ কামালসহ মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
পরে ফাউন্ডেশনের সকল নেতৃবৃন্দসহ দেশের বরেন্য ব্যক্তিবর্গের সুস্বাস্থ্য কামনা ও ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া করা হয়।
এসময় জেলার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে তৃণমূলের আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী, ইউপি সদস্য ও দরিদ্রদের মাঝে মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান শামিমা আক্তারের নিজস্ব অর্থায়নে ঈদ উপহার ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।
এরই অংশ হিসেবে রবিবার ( ১৬ এপ্রিল) সকালে সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়ন পরিষদে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করেন তিনি। পরে দুপুরে একই ইউনিয়নের গোসাইজোয়াইর বাজারে ৫ শতাধিক দরিদ্র মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেন।
নেতাকর্মীদের ঈদ উপহারের মধ্যে ছিলো পুরুষদের জন্য পাঞ্জাবি ও মহিলাদের জন্য শাড়ী।
দরিদ্রদের জন্য ঈদ সামগ্রীর মধ্যে ছিলো ৫ কেজি চাউল, ১কেজি ডাল, ১ কেজি চিনি, এক প্যাকেট সেমাই ও ১ কেজি মুড়ি।
জানা গেছে, তৃণমূল নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সদর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ও ইউনিয়নের সকল ইউপি সদস্যদের মাঝে পাঞ্জাবি ও শাড়ি উপহার দিচ্ছেন তিনি ।
এ ছাড়া প্রতিটি ইউনিয়নে ৫ শতাধিক দরিদ্রদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করে আসছে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার।
ইতোমধ্যে সদর উপজেলার হুগড়া, ঘারিন্দা, গালা , দাইন্যা ও বাঘিল ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের জন্য পাঞ্জাবি ও শাড়ি এবং দরিদ্রদের জন্য ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
গোসাইজোয়াইর বাজারে কথা হয় ঈদ সামগ্রী উপহার পাওয়া রহিমা বেগম, করিমন বেওয়া, ফজল আলীসহ বেশ কয়েক জনের সাথে। তারা জানায়, প্রতি বছর মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাদের জন্য উপহার হিসেবে ঈদ সামগ্রী দিয়ে থাকেন। এ বছর এই ঈদ সামগ্রী পেয়ে তারা খুব খুশি।
এ প্রসঙ্গে সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আওয়ামী লীগের তৃনমূল নেতাকর্মীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরতে আমি তৃণমূল কর্মীদের মাঝে যাচ্ছি। কারণ তৃণমূলের কর্মীরাই আওয়ামীলীগের প্রাণ। প্রধানমন্ত্রী আমাদের বলার মতো দেশব্যাপী উন্নয়নমুলক কাজ করেছেন। এখন আমাদের কাজ হচ্ছে এই উন্নয়নের চিত্র সাধারণ মানুষের মাঝে তুলে ধরা। এই কাজটাই তৃণমূলের কর্মীদের, তাই আমি ঈদকে সামনে রেখে তৃণমূলের কর্মীদের দ্বারে-দ্বারে যাচ্ছি।
তিনি আরো জানান, সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে নৌকাকে জয়যুক্ত করতে হলে সকল ধরনের ভেদাভেদ ভুলে আওয়ামী লীগকে একযোগে কাজ করতে হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা মরহুম আব্দুস সবুর খান বীরবিক্রমের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা হয়েছে।
বুধবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে দিবসটি পালন উপলক্ষে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া মাজার প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
সভায় বক্তব্য রাখেন- বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মুরাদ সিদ্দিকী, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার ফজলুল হক বীরপ্রতীক প্রমুখ।
সভা পরিচালনা করেন শ্রমিক নেতা উদয় লাল গৌড়।
এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, শ্রমিক সংগঠণ, সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ ও মরহুমের পরিবারবর্গের সদস্যরাসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন ঢেলী করটিয়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আবুল হাসেম।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, জেলা বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব ও জেলা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড়মনির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক ধর্ষণ মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে।
রবিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে শহরের নিরালা মোড় থেকে টাঙ্গাইলের সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে এই বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নিরালা মোড়ে এসে শেষ হয়।
সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে টাঙ্গাইল পৌরসভার কাউন্সিলর আমিনুর রহমান আমিন বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা বড় মনির বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন ষড়যন্ত্রমূলক ধর্ষণের মামলা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ফারুক হত্যা মামলার বিচারকার্য বিলম্ব করতে এবং বড় মনি ও তার পরিবারের লোকজন যাতে এই মামলার তদারকি করতে না পারে তার জন্য ধর্ষণ মামলা দিয়ে তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে টাঙ্গাইলে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দখলবাজ হটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একটা সুন্দর সুষ্ঠ পরিবেশ বিরাজ করছিলো। এই ধর্ষণ মামলার মধ্য দিয়ে সন্ত্রাসীরা আবারো মাথাচাড়া দিয়ে উঠার চেষ্টা করছে। যেকোন মূল্যেই ওই সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের রুখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান। এছাড়াও এই ষড়যন্ত্রমূলক মামলা সুষ্ঠ তদন্তের দাবি জানান।
এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল পৌরসভার কাউন্সিলর কামরুল হাসান মামুন, সংরক্ষিত কাউন্সিলর উলকা বেগম, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান, জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি শফিউল আলম তুষারসহ ট্রাক, সিএনজি, আটোরিকশার শ্রমিক সমিতি নেতৃবৃন্দ।
প্রকাশ,টাঙ্গাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির বড় ভাই গোলাম কিবরিয়া বড়মনির বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও মারপিটের অভিযোগ এনে গত ৫ এপ্রিল এক কিশোরী বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় বড়মনির স্ত্রী নিগার আফতাবকেও আসামী করা হয়। মামলার পরদিন ওই কিশোরী আদালতে ২২ ধারা জবানবন্দি দেন। এছাড়াও ওই কিশোরী প্রায় ২৫ সপ্তাহের অন্ত:সত্ত্বা বিষয়টি ডাক্তারি পরীক্ষায় উঠে আসে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ১০দফা দাবিসহ বিদ্যুৎ, গ্যাস, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতি, আওয়ামী সরকারের সর্বগ্রাসী দুর্নীতির প্রতিবাদে সদর উপজেলা ও শহর বিএনপি’র উদ্যোগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
শনিবার (৮ এপ্রিল) বিকালে দেশব্যাপী কর্মসুচির অংশ হিসেবে শহরের রেজিষ্টিপাড়া এলাকায় এ অবস্থান কর্মসূচিতে শতশত নেতাকর্মী অংশগ্রহন করে।
সারা দেশের জেলা ও মহানগরে অবস্থান কর্মসূচির অংশ হিসাবে টাঙ্গাইল সদর ও শহর বিএনপি যৌথভাবে এই অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করে।
অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।
কর্মসুচিতে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন শহর বিএনপি’র সভাপতি আব্দুল আলীম, সাধারণ সম্পাদক ইজাজুল ইসলাম সবুজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহীন আকন্দ, সদর উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি হাদিউজ্জামান সোহেল, জেলা মহিলা দলের সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন খান, জেলা তাঁতী দলের সভাপতি শাহ আলম, জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আব্দুল বাতেন প্রমুখ।
অবস্থান কর্মসুচি পরিচালনা করেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রৌফ।এ সময় সদর উপজেলা ও শহর বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল তার বক্তব্যে বলেন, দ্রব্যমূল্যেরে ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুৎ, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি, সরকারের সর্বস্তরের দুর্নীতির প্রতিবাদসহ ১০দফা দাবি মানতে হবে। দাবি একটাই, সরকারের পদত্যাগ, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে আওয়ামী লীগ দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে, সরকারি স্বাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো সব ধ্বংস করে দিয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য ছোট মনিরের বড় ভাই টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনিরকে দ্রুত গ্রেফতার করে ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ভূঞাপুর সচেতন নারী সমাজ। মিছিলে প্রায় ৪ শতাধিক নারী অংশ নেয়।
শনিবার (৮ এপ্রিল) সকাল ১১ টার দিকে সচেতন নারী সমাজের উদ্যোগে ভূঞাপুর পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বর ঘুরে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে আওয়ামী লীগ নেতা বড় মনির নামে নানা ধরণের স্লোগানসহ ফাঁসি দাবি জানান তারা। বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে নেতৃত্ব দেন রেখা খাতুন ও সূচি বেগম।
বিক্ষোভ ও সমাবেশে বক্তারা বলেন, গোলাম কিবরিয়া বড় মনির বিরুদ্ধে এক কিশোরীকে অন্ত:সত্ত্বা করার অভিযোগ উঠেছে। তাকে দ্রুত গ্রেফতার ও তদন্ত করে তার ফাঁসি দাবি করছি। যদি তাদের ফাঁসি না দেওয়া হয় তাহলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে ।
উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনির বিরুদ্ধে কিশোরীকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে গত বুধবার ৫ এপ্রিল রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন অন্তঃসত্ত্বা এক কিশোরী। বৃহস্পতিবার ৬ এপ্রিল বিকালে ওই কিশোরী আদালতে দন্ডবিধির ২২ ধারায় জবানবন্দি দেয়। টাঙ্গাইলের প্রভাবশালী এমপি’র বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে কিশোরীকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে মামলা হওয়ায় জেলার রাজনীতিতে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে এক তরুণীকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড় মনির ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ মিছিল করেছে টাঙ্গাইলের সচেতন নারী সমাজ।
শুক্রবার (৭ এপ্রিল) সকালে প্রথমেই শহরের ভাসানী হলের সামনে থেকে সচেতন নারী সমাজের ব্যানারে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এসে মিছিলটি শেষ হয়। পরে শহিদ মিনারের সামনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করে তারা।
এ সময় মানব বন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা আওয়ামী লীগ নেতা বড় মনি ও তার ভাই ছোট মনির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তার সত্যতা নিশ্চিত করে ফাঁসির দাবি জানান। অন্যথায় আগামীতে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
উল্লেখ্য, বুধবার (৪ এপ্রিল) রাত ১০ টার দিকে টাঙ্গাইল সদর থানায় শহর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও বাস মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনির বিরুদ্ধে এক তরুণী ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। তরুণী দাবি করেন, ধর্ষণের ফলে তিনি তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা এবং ডাক্তারী পরীক্ষাতেও এর প্রমাণ মিলেছে। তারপর থেকে শহরে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে।
গোলাম কিবরিয়া বড়মনি টাঙ্গাইল-২ গোপালপুর ভূঞাপুর আসনের সাংসদ তানভীর হাসান ছোট মনির বড় ভাই।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া বড় মনির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছেন এক কিশোরী।
ধর্ষণের ফলে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। বুধবার (৫ এপ্রিল) রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় গোলাম কিবরিয়ার স্ত্রী নিগার আফতাবকেও আসামি করা হয়েছে।
গোলাম কিবরিয়া টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরের বড় ভাই এবং টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি।
টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাবিবুর রহমানকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ওই কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. খন্দকার সাদিকুর রহমান জানান, গাইনি বিভাগের জুনিয়র কনসালট্যান্ট লুৎফুন্নাহারকে প্রধান করে তিন সদস্যের মেডিকেল বোর্ড করা হয়েছে। এ বোর্ড ওই কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা করবে।
ওই কিশোরী নিজে বাদী হয়ে দায়ের করা মামলায় অভিযোগ করেছেন, বড় মনি তাদের আত্মীয় এবং পূর্ব পরিচিত। হোয়াটসঅ্যাপে তাদের কথা হতো। ওই কিশোরীর ভাইয়ের সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ হয়। ওই কথা বড় মনিকে জানানোর পর তিনি সমস্যা সমাধান করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। পরে গত ১৭ ডিসেম্বর শহরের আদালতপাড়ায় বড় মনির নিজের বাড়ির পাশে একটি ১০ তলা ভবনের চতুর্থ তলা ফ্ল্যাটে যেতে বলেন।
সেখানে যাওয়ার পর শারীরিক সম্পর্ক করার প্রস্তাব দেন। রাজি না হওয়ায় তার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাকে একটি কক্ষে আটকে রাখেন। প্রায় তিন ঘণ্টা পর কক্ষে প্রবেশ করে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে কারো কাছে এ ঘটনা প্রকাশ করতে নিষেধ করেন। প্রকাশ করলে প্রাণে মেরে ফেলা হবে বলে হুমকি দেন।
তার পর প্রতিনিয়ত তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং প্রথমবার ধর্ষণের সময় তোলা ছবি দেখিয়ে প্রতিনিয়ত ধর্ষণ করতেন। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, এই ধর্ষণের ফলে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। এ কথা বড় মনিকে জানালে তাকে গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ ও হুমকি দিতে থাকেন। কিন্তু সন্তান নষ্ট করতে রাজি না হওয়ায় গত ২৯ মার্চ রাত ৮টার দিকে বড় মনি তার শ্বশুরবাড়ি আদালতপাড়ায় তুলে নিয়ে যান। সেখানে গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন।
রাজি না হওয়ায় ওই বাসায় এক কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখেন। পরে তাকে সেখানে আবার ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের পর বড় মনির স্ত্রী তাকে মারপিট করেন। এতে কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে রাত ৩টার দিকে বাসায় পৌঁছে দেন। তার পর থেকে তাকে নানা হুমকি দেওয়া হতো। শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ থাকার জন্য মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করেছেন।

মামলা প্রসঙ্গে গোলাম কিবরিয়া বড় মনি অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় করার জন্য ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তার বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়েছে।