একতার কণ্ঠঃ দল থেকে অব্যহতি প্রাপ্ত টাঙ্গাইলের তিন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক একজন চেয়ারম্যানকে ক্ষমা ঘোষনা করেছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ।
বুধবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত পৃথক চিঠিতে তাদের ক্ষমার বিষয়টি জানানো হয়। ভবিষ্যতে দলের স্বার্থ পরিপন্থি ও শৃংখলা ভঙ্গ না করার শর্তে তারা এ ক্ষমা পেয়েছেন।
ক্ষমাপ্রাপ্তরা হলেন- জেলা আওয়ামী আওয়ামী লীগের সাবেক উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মারুফ, কালিহাতী উপজেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনছার আলী বিকম, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম এবং বাসাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম।
জানা যায়, ২০১৯ সালের ৩১ মার্চ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়াম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিতা করেন তারা। দুএকজনকে স্থানীয় সংসদ সদস্য সরাসরি মদদ ও সহয়োগিতা করেন। এরমধ্যে অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম ছাড়া অপর তিন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতাপুর্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীকে পরাজিত করে তারা বিজয়ী হন। এঘটনায় দলের মধ্যে তৈরী হয় ব্যাপক গ্রুপিং এবং অন্তদ্বন্দ। বিরোধ ছড়িয়ে পড়ে উপজেলা থেকে ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে। স্থানীয় আওয়ামী লীগের মূলস্রোতে ধাক্কা লাগে। ফলে তাদেরকে দল থেকে বহিস্কারের দাবি উঠে। পরবর্তীতে ২০২১ সালের ফেব্রয়ারীতে জেলা আওয়ামী লীগের সভায় ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দে সিদ্ধান্তক্রমে দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে শৃংখলা ভঙ্গ করায় ওই চারজনকে দলের সকল পদ ও দলীয় কাযক্রম থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়।
ক্ষমাপ্রাপ্তির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে আওয়ামী লীগের স্বার্থ আদর্শ শৃংখলা, তথা গঠনতন্ত্র ও ঘোষনাপত্র পরিপন্থি সমপৃক্ততার জন্য ইতিপুর্বে ওই চারজনকে দল থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছিল। তারা ক্ষমা চেয়ে আবেদন করেছন। দোষ স্বীকার করে তারা ভবিষ্যতে এ ধরণের কর্মকান্ডে আর যুক্ত না হওয়ার লিখিত অঙ্গিকার করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সিদ্ধান্ত অনুসারে তাদের ক্ষমা করা হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে এ ধরণের সংগঠন রিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত হলে তা ক্ষমার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।
দেলদুয়ার উপজেলা পরিসদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মারুফ জানান, ছাত্রলীগের মধ্য দিয়ে আমার রাজনৈতিক হাতেখড়ি। প্রাণের সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি থেকে জেলা আওয়ামী লীগে স্থান পেয়েছিলাম। সারাজীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাজনীতি করে যেতে চাই। দলের আদর্শ নীতি মেনেই ভবিষ্যতে পথ চলবো। আমাকে ক্ষমা করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।
কাজী অলিদ ইসলাম জানান, ক্ষমা চেয়ে দলের কাছে আবেদন করেছিলাম। অব্যাহতি প্রত্যাহার করে ক্ষমা করেছে। আমি কৃতজ্ঞ ও খুশি।
অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম জানান, সারাজীবন দলের জন্য কাজ করেছি। গত উপজেলা নির্বাচনে কর্মীদের অনুরোধ আর আমার আবেগে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আমি অনুতপ্ত। শেখ হাসিনা উন্নয়নের ধারা অব্যাহত ও দলীয় শৃংখলা বজায় রাখতে আর কখনো দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যাবো না।
ক্ষমাপ্রাপ্তদের অনুসারিরা বিষয়টিকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন। তবে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ করেছেন। যাতে তারা ভবিষতে আর কোন ধরনের বিশৃংখলা ঘটানোর সাহস না পায়।
একতার কণ্ঠঃ আওয়ামীলীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, আওয়ামী লীগের শক্তি দেশের জনগণ। জনগণকে নিয়েই বিএনপির সকল আন্দোলন মোকাবেলা করা হবে। দলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে আগামি নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে কেউ হারাতে পারবে না।
বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার আউশনারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বিএনপি সরকার পতনের দিবাস্বপ্ন দেখছে। আন্দোলনের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের পতন ঘটানোর শক্তি বিএনপির নেই। বিগত ১৪ বছরে কোন আন্দোলনে বিএনপি সফল হয় নি- ভবিষ্যতেও সফল হবে না।
সম্মেলনে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা, মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফি উদ্দিন মনি, সাধারণ সম্পাদক ছরোয়ার আলম খান আবু, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করে আউশনারা কলেজের অধ্যক্ষ কৃষিবিদ কামরুজ্জামান জুয়েল। সম্মেলনে জেলা,উপজেলা ও ইউনিয়ন ওর্য়াড আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ দীর্ঘ ২৪ বছর পর সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী এবং তার ছোট ভাই কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী একই মঞ্চে একত্রিত হয়েছেন। একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের এক মঞ্চে হাজির হওয়াকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন নেতাকর্মীরা।
এর আগে ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বরে কালিহাতীর আউলিয়াবাদে একটি অনুষ্ঠানে দুই ভাই একই মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। এরপর নানা কারণে দুই ভাইকে আর এক মঞ্চে দেখা যায়নি।
মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কাদেরিয়া বাহিনীর অস্ত্র জমাদানের ৫০ বছর উদযাপন উপলক্ষে লতিফ সিদ্দিকী ও কাদের সিদ্দিকী একই মঞ্চে উঠে বক্তব্য দেন।
কাদেরিয়া বাহিনীর অস্ত্র জমাদানের ৫০ বছর উদযাপন কমিটির সভাপতি এ এম এনায়েত করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ.ক.ম মোজাম্মেল হক। এ সময় কাদেরিয়া বাহিনীর বীর মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।
অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃনাল কান্তি রায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহন, কবি বুলবুল খান মাহবুব, কবি আল মুজাহিদী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান খোকা বীর প্রতীক, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর সহধর্মিণী নাসরিন কাদের সিদ্দিকী প্রমুখ।
এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বীর মুক্তিযোদ্ধারা একত্রিত হওয়ায় মিলনমেলায় পরিণত হয় টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ। জাতির বীর সন্তানরা একে অপরকে কাছে পেয়ে আবেগ আপ্লুত হন।
অনুষ্ঠানে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন, দীর্ঘ বছর পর একই মঞ্চে দুই ভাই উপস্থিত হয়েছি। অনুষ্ঠানে সরকার থেকে আওয়ামী লীগের মৃনাল কান্তি রায়কে পাঠানো হয়েছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডাকে তার বাসভবনে গিয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রী আমাকে ভাই হিসেবে ডেকে ছিলেন। তার সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছি পরিবার নিয়ে। বিভিন্ন বিষয়ে কথা হয়েছে আমাদের।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য ও ৭৫-এ বঙ্গবন্ধু হত্যার অনত্যম প্রতিবাদকারী বীরমুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদের মৃত্যুবার্ষিকীতে বুধবার(১৮ জানুয়ারি) হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এছাড়া মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মরহুমের কবর জিয়ারত, কোরআনখানী, দোয়া মাহফিল ও দরিদ্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয় ।
বুধবার(১৮ জানুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ ও পরিবারের পক্ষ থেকে জনপ্রিয় প্রয়াত নেতা ফারুক আহমদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ ছাড়া তার নিজ বাসা শহরের কলেজ পাড়ায় কোরআনখানী, দোয়া মাহফিল ও দরিদ্রদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।
দুপুরে হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরের নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
এর আগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, নিহত ফারুক আহমদের স্ত্রী ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাহার আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন ও সুভাষ চন্দ্র সাহা, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক প্রমুখ।
এ সময় আওয়ামী লীগ ছাড়াও ছাত্রলীগ, আওয়ামী যুবলীগ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, বহুল আলোচিত এই হত্যা মামলাটি টাঙ্গাইল প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এ পর্যন্ত ২৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে। আগামি ২ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী তারিখ রয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল শহরের কলেজপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ির কাছ থেকে জেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।
২০১৪ সালে ওই মামলায় জড়িত থাকা সন্দেহে আনিসুল ইসলাম ওরফে রাজা এবং মোহাম্মদ আলী নামক দুই জনকে গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তাদের আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে হত্যার সাথে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা, তার অপর তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান ওরফে মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান ওরফে কাকন এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের তৎকালীন সহ-সভাপতি সানিয়াত খান ওরফে বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে। তদন্ত শেষে গোয়েন্দা পুলিশ ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। এতে সংসদ সদস্য আমানুর রহমানরা চার ভাইসহ ১৪ জনকে আসামি করা হয়।
এ মামলার আসামি আমানুর রহমান খান আত্মসমর্পনের পর তিন বছর হাজতবাসের পর জামিনে মুক্ত রয়েছেন। তার অপর ভাই সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান দুই বছর আগে আদালতে আত্মসমর্পনের পর এখন পর্যন্ত কারাগারে রয়েছেন। আরও কারাগারে রয়েছেন আলমগীর হোসেন। আমানুরের অপর দুই ভাই জাহিদুর রহমান খান ও সানিয়াত খানসহ মো. কবির এবং ছানোয়ার হোসেন পলাতক রয়েছেন। অন্য আসামিদের মধ্যে আনিসুর রহমান রাজা ও মো. সমীর কারাগারে মৃত্যুবরণ করেছেন। অপর আসামি মোহাম্মদ আলী, মাসুদুর রহমান, নাসির উদ্দিন নুরু, ফরিদ আহমেদ ও বাবু জামিনে রয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। সোমবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
বিএনপি নেতাদের দাবি, শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জে চালিয়ে তাদের চার নেতাকর্মীকে আহত করেছে। তবে লাঠিচার্জের বিষয়টি নাকচ করেছেন ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পলাশ আহমেদ।
উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীনুর রহমান শাহীন বলেন, ‘তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎসহ নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদ এবং খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে উপজেলা বিএনপি। মিছিলটি ঘাটাইল কলেজ মোড় এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে এলোপাথাড়ি লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এতে আমাদের চার নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।’
ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পলাশ আহমেদ বলেন, ‘কোনো প্রকার লাঠিচার্জ করা হয়নি। বিএনপির নেতাকর্মীরা উপজেলার ভেতরে একত্রিত হওয়ার চেষ্টা করছিল। তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়েছে।’
একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে সংসদ নির্বাচন হবে। সে পর্যন্ত বিএনপির হরতাল, অবরোধ, গণসমাবেশ, গণঅবস্থান, মানববন্ধনসহ আন্দোলন আন্দোলন খেলা চলতে থাকবে। নির্বাচনের আগ মুহূর্তে তাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। আর তারা যদি মনে করে সরকারের পতন ঘটিয়ে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে। সেটি অবাস্তব ও সংবিধান বিরোধী। দেশে সংবিধান অনুযায়ী সময়মতো সুষ্ঠু নির্বাচন হবে।
শনিবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইলের মধুপুরে বঙ্গবন্ধু আকাশী ক্লাব আয়োজিত ১৫তম ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটাবে। এটি বিএনপির অবাস্তব ও অলীক স্বপ্ন। ২০০৮ সালের নির্বাচনকে তারা মেনে নেয়নি। ২০১৪ সালের নির্বাচনকে তারা বর্জন করে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২০১৫ সালে একটানা ৯০ দিন হরতাল অবরোধ করেছে। মানুষকে জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছে। শেখ হাসিনার পতন না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরে যাবেন না বলে খালেদা জিয়া বিএনপির অফিসে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ৯০ দিন আন্দোলনের পর মুখে কালিমা মেখে ব্যর্থতার গ্লানি নিয়ে খালেদা জিয়া গুলশানের বাসায় ফিরে গিয়েছিলেন। তারা সরকারের পতন ঘটাতে পারেনি। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তারা সুবোধ বালকের মতো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিল।
আবহমান বাঙালি ঐতিহ্য রক্ষায় সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, ঘোড়দৌড় আমাদের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি। সুস্থ বিনোদনের পাশাপাশি ঘোড়দৌড়কে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। পুরো মধুপুর উপজেলায় উৎসব আনন্দের আবহ তৈরি হয়। সেজন্য ঘোড়দৌড়, নৌকাবাইচ, হাডুডুসহ সকল লোকজ সংস্কৃতিকে আমাদের ধরে রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে তানভীর হাসান ছোটমনির এমপি, খান আহমেদ শুভ এমপি, টাঙ্গাইলে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, মধুপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফি উদ্দিন মনি, পৌরসভার মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা।
১০ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সকালে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপির নেতৃত্বে জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নেতাকর্মীরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, পৌর মেয়র ও শহর আওয়ামীলীগের সভাপতি সিরাজুল হক আলমগীর, জেলা আ’লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান স্মৃতি, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সহ আওয়ামীলীগ, মহিলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা।
একতার কণ্ঠঃ বিএনপি’র নির্বাহী কামিটির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহ্জাহান বলেন, বিএনপি ভোটের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। আমরা ক্ষমাতায় আশার জন্য আন্দোলন করছি না। আমরা আন্দোলন করছি ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য। এ দেশে দিনের ভোট রাতে হয়। রাতের ভোটের সরকার কি করতে পারে।
তিনি আরো বলেন,তারা পারে বিএনপি’র নেতা কর্মীদের গ্রেপ্তার করা ও গুম খুন করা। দলের মাহাসচিবকে গ্রেপ্তার করে রাখা হয়েছে। তাতেই বোঝা যায় আওয়ামী লীগ সরকার বিএনপি’র আন্দোলন দেখে ভয় পায়।
রবিবার (৮ জানুয়ারি) বিকালে টাঙ্গাইল শহরের পৌর এলাকায় অবস্থিত সিলমি কমিউনিটি সেন্টারে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিএনপি ঘোষিত আন্দোলনের ১০দফা এবং রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের রুপরেখা বিষয়ে ব্যাখা ও বিশ্লেষন ধর্মী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ সব কথা বলেন।
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসনুজ্জামিল শাহীনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, সদস্য ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, ওবায়দুল হক নাসির প্রমুখ।
আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।
একতার কণ্ঠঃ কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার জেলা সদর রোডে অবস্থিত ঢাকা ক্লিনিকের সামনে থেকে শুরু হয়ে বিক্ষোভ মিছিলটি বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও রায়ের প্রতিবাদে আয়োজিত এই বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক সাজ্জাদ কবির সুমন, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ রাকিব হোসেন, রানা আহমেদ, কায়সার রহমান লিমন সহ থানা ও শহর ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ।
প্রকাশ,বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. আসাদুজ্জামান জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দেন।
একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বিএনপি যদি দলীয় ভাবে নির্বাচনে না আসে, এমন হতে পারে দলের একটা অংশ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবে ।একই সাথে অন্যন্য অনেক দল অংশ গ্রহণ করবে। দেশের নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সংবিধান অনুযায়ী সময় মতো অবশ্যই অনুষ্ঠিত হবে। বিএনপি নির্বাচনে আসলো না আসলো তাতে কিছু যায় আসে না। আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপ্র্যাণ চেষ্টা করবো বিএনপি যাতে নির্বাচনে আসে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আপনারা অপেক্ষা করেন এর জবাব বিএনপির কাছে থেকেই পাবেন।
শনিবার (৭ জানুয়ারি ) সকালে টাঙ্গাইলের মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ২০০৮ সালে সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করেছিল, সেই নির্বাচনকেও বিএনপি সহজভাবে নেই নাই। বিএনপি কোনো দিনও বলে নাই নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর হয়েছে। গত ১৪ বছর যাবত একই রের্কড বিএনপি বার বার বাজাচ্ছে। যে বাংলাদেশে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর হবে না। পৃথিবীর কোনো দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় না। একমাত্র আমাদের দেখে শুরু করেছিল পাকিস্তান, যারা আজকে দাবি করছে বিএনপি জামাত তাদের পাকিস্তানিরাই প্রভু। সেই ধারায় বিএনপি জামাত চলতে চায়। বিএনপি জামাত একি কথা বার বার বলছে।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশে সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধানে সুস্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, যে সরকার ক্ষমতায় থাকবে সেই সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আলহাজ মো. নুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ক্রাইম) শরফুদ্দীন আহমেদ,উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ মো. ছারোয়ার আলম খান আবু,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমীন,উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফিউদ্দিন মনি,মধুপুর পৌরসভার মেয়র আলহাজ মো. সিদ্দিক হোসেন খানসহ প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘি ইউনিয়ন পরিষদের আলোচিত চেয়ারম্যান ও যুবদল নেতা মালেক হত্যা মামলার আসামি হেকমত সিকদারের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এলাকাবাসীর উদ্যোগে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মালেকের স্ত্রী মর্জিনা বেগম, বোন রোমেছা খাতুন, মামা বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাছেদ, এলাকাবাসী রফিকুল ইসলাম, মো. শামসুদ্দিন প্রমুখ।
এই মানববন্ধনে প্রচন্ড শীত উপেক্ষা করে প্রায় তিন শতাধিক এলাকাবাসী অংশ গ্রহণ করে।
জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৮ মার্চ ঘাটাইলের সাগরদিঘি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাত ৩টায় গুলিতে আব্দুল মালেক (৪৫) নামে এক স্থানীয় যুবদল নেতা নিহত হন। পরদিন ২৯ মার্চ গুপ্তবৃন্দাবন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।
স্থানীয়রা জানায়, সাগরদিঘী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হেকমত সিকদারের লোকজন ব্যালট পেপারে সিল মারছে এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুল্লাহ বাহারের সমর্থকসহ এলাকাবাসী সেখানে হামলা চালায়। এ সময় স্কুলঘরের ভেতর থেকে হামলাকারীদের প্রতি কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশও গুলি চালায়। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে আব্দুল মালেক নিহত হন।
তিনি গুপ্তবৃন্দাবন গ্রামের বাসিন্দা নেছার উদ্দিনের ছেলে। পরে ২ এপ্রিল আব্দুল মালেকের স্ত্রী মর্জিনা বেগম বাদি হয়ে ঘাটাইল থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি একাধিক তদন্তকারী সংস্থা তদন্তের পর সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
টাঙ্গাইল সিআইডির পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান আকন্দ জানান, তারা সরেজমিনে ঘটনার পূর্বাপর তদন্ত শেষে রোববার (১ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে হেকমত সিকদারকে গ্রেপ্তারের পর ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। সোমবার তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
একতার কণ্ঠঃ ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে শান্তিপুর্ন পরিবেশে বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ও কালিহাতী উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইভিএমে ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সকালে ভোট গ্রহন শুরুর সময় ঘন কুয়াসার কারনে ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থতি কম থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটার উপস্থিতি বাড়তে থাকে। ভোটারদের লাইনে দাঁড়িয়ে পছন্দের প্রার্থীদের ভোট প্রদান করতে দেখা যায়। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষে পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে নির্বাচনী এলাকায়।
এছাড়াও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের টহল রয়েছে পুরো নির্বাচনী এলাকা জুড়ে।
ঘাটাইল উপজেলার সন্ধানপুর, সংগ্রামপুর, রসুলপুর, লক্ষিন্দর ও ধলাপাড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ২১জন, সাধারন সদস্য পদে ১৪৩ জন এবং সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৫৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। পাঁচটি ইউনিয়নে মোট ভোটার রয়েছেন এক লাখ দুই হাজার ৩শ’৮১ জন।
অপরদিকে,কালিহাতী উপজেলার বাংড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ছয় জন, সাধারন সদস্য পদে ৩২ জন এবং সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করছেন। এ ইউনিয়নে মোট ভোটার রয়েছেন ২২ হাজার ৪শ’৫৫ জন।
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ কামরুল হাসান জানান,এখন পর্যন্ত কোনো কেন্দ্রে সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ চলছে। ভোটারদের ভোট দানের হারও সন্তোষজনক। আশা করি, সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হবে।