একতার কণ্ঠঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে গোপালপুর উপজেলা পরিষদ থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে সূতী ভিএম পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে সমাবেশে মিলিত হয়৷
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল মোমেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশিদ মামুন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আনিসুর রহমান আনিস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা, গোপালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শামছুল আলম, ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাহেরুল ইসলাম তােতা, জেলা যুবলীগের সভাপতি মাসুদ পারভেজ, সাধারণ সম্পাদক আবু সাইম তালুকদার বিপ্লব, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান প্রমুখ।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার সুরুজ।
সমাবেশে সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলো জিয়াউর রহমান। গ্রেনেড হামলারও পরিকল্পনাকারী ছিলো জিয়াউর রহমানের ছেলে তারেক রহমান৷ আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব শূন্য করার জন্য এ হামলা করা হয়। আজকে টাঙ্গাইলসহ দেশবাসী জেগে উঠেছে সেই ৭৫ সালের হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী জিয়ার রহমানের মরণোত্তর বিচারের দাবিতে৷ একই সাথে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি করছি৷ বিএনপি আবারও সন্ত্রাসী কার্যক্রম করছে৷ আমরা এসব সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবো৷
এ সময় জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের কয়েক হাজার নেতা-কমীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে জনপ্রতিনিধি ও পুলিশের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন এক নারী। তিনি বর্তমানে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
ওই নারীর দাবি, জেলার ছাত্রলীগ নেতা সোহেল খান ফাহাদ তার স্বামী। তিন বছর আগে তাকে বিয়ে করেছেন। সম্প্রতি স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে তিনি ফাহাদের বাসায় গেলে তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে তিনি সখীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
সোহেল খান ফাহাদ সখীপুর শহর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও পৌর শহরের হুমায়ুন খানের ছেলে। তিনি বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য নানা টালবাহানা করেছেন বলে অভিযোগ ওই নারীর।
ভুক্তভোগী নারীর ভাষ্যমতে, চার বছর আগে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে তিনি নার্সের চাকরি করতেন। ফাহাদ ওই সময় তার এক আত্মীয়কে সিজার করাতে ওই ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখান থেকে ফাহাদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ২০২১ সালের ১১ জানুয়ারি তারা আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করেন। ফাহাদ সরকারি চাকরি করবেন, তাই বিষয়টি কাউকে না জানাতে ওই নারীকে অনুরোধ করেন।
বিয়ের পর তারা মির্জাপুরের গোড়াই ও হাঁটুভাঙ্গা এলাকায় খবির উদ্দিন ও আলম সিকদারের বাসায় ভাড়া থাকতেন। ফাহাদ পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে অস্থায়ীভাবে চাকরি করতেন। দুই মাস আগে তারা খবির উদ্দিনের বাসা থেকে চলে যান। পরে ওই নারী তার বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেন। বিষয়টি ফাহাদের মাকে জানালে তিনি ওই নারীর গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে বলেন। সন্তান নষ্ট না করায় ফাহাদের মা বিষয়টি মেনে নেননি।
পরবর্তী সময়ে ফাহাদও যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। শনিবার (২৬ আগস্ট) ফাহাদের বাড়িতে গেলে ওই নারীকে বেধড়ক মারধর করেন ফাহাদের মা ও তার পরিবারের সদস্যরা। পরে তিনি সখীপুর থানায় অভিযোগ করেন। বিষয়টি কয়েকজন জনপ্রতিনিধিকেও জানানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, আদালতে বিয়ের সময় ফাহাদ তার নাম পুরোপুরি লেখেননি। এছাড়া তার বাবার নাম ভুল দিয়েছেন। পরবর্তী সময়ে কাগজটি ঠিক করলেও তিনি তার কাছে জমা দেননি।
হাঁটুভাঙা এলাকার বাসার মালিক খবির উদ্দিন বলেন, তারা প্রায় পাঁচ মাস আমার বাসায় ভাড়া থাকতেন। দুই মাস আগে তারা চলে যান। এরপর থেকে আমার সঙ্গে তাদের আর কোনো যোগাযোগ নেই।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সোহেল খান ফাহাদ বলেন, আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। আমাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতে বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
সখীপুর উপজেলার বড়চওনা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার শেখ মোহাম্মদ লিটন বলেন, ঘটনা সত্য। মেয়েটি খুবই অসহায়। মেয়ে ও তার সন্তানের অধিকার আদায়ের দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।
একতার কণ্ঠঃ গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব মিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মাহাবুবুর রহমান এ আদেশ দেন।
সাকিব মিয়া বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাসাইল দক্ষিণপাড়া গ্রামের মনু মিয়ার ছেলে।
জানা যায়, চলতি বছরের ১৪ মে দিবাগত রাতে ওই গৃহবধূ ও তার স্বামী ঘুমিয়ে পড়েন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব মিয়া একজন অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাবে বলে ওই গৃহবধূর স্বামীর মোটরসাইকেল নিতে আসে। মোটরসাইকেল নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই গৃহবধূর স্বামীকে মোটরসাইকেল ত্রুটির কথা বলে ডেকে নেন। এরই ফাঁকে তার সহযোগি সাইদুল মিয়া ও শাহেদ মিয়ার সহযোগিতায় সাকিব মিয়া ওই গৃহবধূকে কৌশলে ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় গত ১৬মে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সাকিব ও তার দুই সহযোগী সাইদুল ও শাহেদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এরপর তারা উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জন্য জামিন নেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় সাকিব মিয়া আদালতে হাজির হন। পরে আদালতের বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বাদিপক্ষের আইনজীবী জিনিয়া বখশ বলেন, মামলার প্রধান আসামি সাকিব মিয়া আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। পরে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরআগে মামলার বাকি দুই আসামি সাইদুল ও শাহেদ ১৫দিন কারাভোগের পর নিম্ন আদালত থেকে ২৩ জুলাই ফের জামিন পান।
একতার কণ্ঠঃ নারায়নগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একে এম শামীম ওসমান বলেছেন, খেলা হবে এদেশের সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে, খেলা হবে স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তির বিরুদ্ধে, খেলা হবে বিএনপি-জামায়াতের আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে।
২০০৪ সালে ২১ আগস্ট তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের জনসভায় বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলা চালিয়ে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ ও শাস্তির দাবিতে টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগ ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের যৌথ আয়োজনে সোমবার (২১ আগস্ট)বিকালে শহরের শহীদস্মৃতি পৌর উদ্যানে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন তিনি।
শামীম ওসমান এমপি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু আপনার আমার ভবিষ্যত নয়, আমার-আপনার সন্তানদেরও ভষিষ্যত। শেখ হাসিনা দিনরাত পরিশ্রম করে কিসে এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হবে, কিসে এদেশের মানুষের ভালো হবে সেই চিন্তায় করে। শেখ হাসিনা হাসলে এদেশের মানুষ হাসে। সারা দেশে যে উন্নয়ন হয়েছে তা চোখে পরার মতো। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী বলেই তা আজ সম্ভব হয়েছে।
টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র সিরাজুল হক আলমগীরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখিপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভুঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির, টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য আতোয়ার রহমান, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ মামুন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আশরাফ উজ্জামান স্মৃতি, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ রৌফ ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন তোফা।
এ সময় আওয়ামী লীগ, আওয়ামী যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের ভাতৃপ্রতিম সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে স্বাধীনতার মহান স্থপতি বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৮ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও গণভোজের আয়োজন করা হয়েছে।
রবিবার (২০ আগষ্ট) বিকেলে গোপালপুর পৌরসভার সূতী পলাশ গ্রামবাসীর আয়োজনে অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-২ (ভুঞাপুর-গোপালপুর) আসনের আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-২ (ভুঞাপুর-গোপালপুর) আসনের আওয়ামী লীগের আরেকজন মনোনয়ন প্রত্যাশী ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র বীরমুক্তিযোদ্ধা মাসুদুল হক মাসুদ। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালপুর পৌরসভার মেয়র মো. রকিবুল হক ছানা।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিনুর ইসলাম তরফদার বাদল, গোপালপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান, মীর রেজাউল হক, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মরিয়ম আক্তার মুক্তা, ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাব আলিফ নূর মিনি, গোপালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন মনির, ভূঞাপুর পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আব্দুল বাছেদ মন্ডল, ভূঞাপুর পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য খায়রুল ইসলাম তালুকদার বাবলু, গোপালপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহমান বিমান, গোপালপুর সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস ওয়াহিদুজ্জামান রিপন, ঝাওয়াইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মিজানুর রহমান তালুকদার, অর্জুনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আইয়ুব আলী মোল্লা, অলোয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম বাদল, গোবিন্দাসী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম আমিন, গাবসারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল বাছেদ আকন্দ বাদশাহ, ভূঞাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইউসুফ চকদারসহ গোপালপুর ও ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, সেচ্ছাসেবক লীগ এবং অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
একতার কণ্ঠঃ বিএনপির চেয়ারপর্সন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসা এবং নির্দলীয় তত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে টাঙ্গাইলে জেলা বিএনপি পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার(১৯ আগষ্ট )সকালে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহরের কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে বিএনপির নেতাকর্মীরা খন্ড-খন্ড মিছিল নিয়ে জমায়েত হয়।
পরে সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত পথসভার আয়োজন করে দলটির নেতারা। পথসভা শেষে একটি বিশাল পদযাত্রা মিছিল বের করা হয়। পদযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শান্তিকুঞ্জের মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
এ পদযাত্রা ও পথসভা কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন,সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল,জেলা যুবদলের আহবায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ,সদর থানা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী,শহর বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম,জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক একেএম মনিরুল হক মনির,জেলা তাঁতীদলের সভাপতি শাহ আলম,জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভ , সদস্য সচিব আব্দুল বাতেন প্রমুখ।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদল,ছাত্রদল,মহিলাদল,তাঁতীদল,শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ও জেলার বিভিন্ন উপজেলা বিএনপির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বিএনপির এই পদযাত্রা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক মোড়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয় ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ইকবাল হোসাইন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জায়ামাত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর জানাযার ছবিতে বিরূপ মন্তব্য করে ফেসবুকে পোষ্ট করেছেন। পরে তার দেয়া পোষ্টটি মুহুর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ভাইরাল হয়।
তবে আলোচনা ও সমালোচনার মুখে বৃহস্পতিবার (১৭ আগষ্ট) সকালে নিজের ফেসবুকে দেয়া পোষ্টটি ডিলিট করেন ছাত্রলীগ নেতা ইকবাল। তার পোষ্টে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জানাযায় মানুষের সংখ্যা কম এবং জামায়াত নেতা সাঈদীর জানাযায় বিপুল সংখ্যাক মানুষের উপস্থিতির ছবি ছিল।
বুধবার (১৬ আগষ্ট) রাতে ছাত্রলীগ নেতা ইকবাল হোসাইন তার ব্যবহৃত ফেসবুকে ওই পোষ্ট করেন। এরআগে বুধবার বিকেল ৫টা ৩ মিনিটে ”মো. সৈকত মৃধা বরিশাল” নামের এক ব্যক্তি তার ফেসবুক আইডিতে বঙ্গবন্ধু ও সাঈদীর জানাযার ছবি পোষ্ট করেন। তার ওই ফেসবুক পোষ্টটি শেয়ার করেন গোপালপুরের ছাত্রলীগ নেতা ইকবাল হোসাইন।
ছাত্রলীগ নেতা ইকবালের পোষ্টে দুই ছবি দিয়ে লেখা ছিল, “ইতিহাস সাক্ষ্য দিচ্ছে, একজনের জানাযায় মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় নাই। আরেকজনের জানাজা পড়ার জন্য লাখো মানুষ জীবনবাজি রেখে লড়াই করছে। আল্লাহু আকবার। এটাই জীবনের সফলতা।”
পোষ্ট শেয়ার দেয়ার বিষয়ে গোপালপুর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ইকবাল হোসাইন বলেন, বঙ্গবন্ধু ও সাঈদীর জানাযার ছবি পোষ্টটি ভুলবশত করে ফেলেছি। পরে ফেসবুক থেকে মুছে (ডিলিট) করে দিয়েছি। একজন দুইজনের জানাযার ছবি দিয়ে পোষ্ট দিয়েছিল সেটার প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জানিয়ে পোষ্ট করেছিলাম।
উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, বুধবার রাতে বিতর্কিত পোষ্টটি সে শেয়ার করেছিল। পরে তাকে সেটি ফেসবুক থেকে ডিলিট করার জন্য বলা হলে সেটি ডিলিট করে ফেলেছ। ছাত্রলীগের নেতা হয়ে সে ওই ধরণের বিতর্কিত পোষ্ট করতে পারে না। বিষয়টি জেলা নেতাবৃন্দকে জানানো হয়েছে।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান বলেন, কয়েকদিন নিয়মিত প্রোগ্রাম থাকাতে কোন কিছু জানতে পারিনি। এই বিষয়ে আমার জানা নেই। কেউ অবহিতও করেনি।
একতার কণ্ঠঃ জাতীয় সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলন করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা শাখা।
বৃহস্পতিবার(১৭ আগস্ট )দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা শাখার উদ্যোগে তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম (পীর সাহেব চরমোনাই)।
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাও: রেজাউল করিম রাজুর সভাপতিত্বে তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাও: লোকমান হোসেন জাফরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি আকরাম আলী, সাধারণ সম্পাদক আখিনুর মিয়া, সহ-সভাপতি আব্দুল কাদের, জাতীয় শিক্ষক ফোরামের ময়মনসিংহ বিভাগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক রেজাউল করিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখার জয়েন্ট সেক্রেটারী আনিসুর রহমান সিল্টু, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নাজমুস সাদাত আবির প্রমুখ।
এসময় জেলা, উপজেলা, শহর, ইউনিয়ন ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রতিনিধি
মোবাইল -০১৮১৭৫০১৬০০
একতার কণ্ঠঃ জাতীয় নির্বাচনের আগে আমার ‘বোন’কে বলে দিতে চাই, ভালো হয়ে যান। মানুষ এখন আপনাদের চায় না, বিএনপিকেও চায় না। তাই সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে দেন, ভালো হবে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম।
বুধবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মাকড়াই দিবস উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা ’৭৫-এ বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিবাদ না করলে জিয়াউর রহমান আওয়ামী লীগকে নরকে পাঠিয়ে দিত। আওয়ামী লীগ থাকত না। বঙ্গবন্ধু সব নেতার বড় নেতা। বাংলাদেশের সব নেতার শক্তি বাঁধলে যে শক্তি তার সব শক্তি বঙ্গবন্ধুর একা।
এ সময় ঘাটাইল উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক আতিক হাবিবের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বীরপ্রতীক, সদস্য শামীম আল মুনছুর আজাদ সিদ্দিকী প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে দিনভর নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে নাগরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ।
মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) ভোরে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত ও কালো পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি সরকারি যদুনাথ স্কুল মাঠ প্রাঙ্গনে শুরু হয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, উপজেলা স্মারক ৭১ প্রাঙ্গনে পুস্পস্তবক অর্পণ, শোক র্যালি, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও অসহায় সাধারণ মানুষের মাঝে খাদ্য বিতরণের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
নাগরপুর উপজেলা আ.লীগ সভাপতি মো: জাকিরুল ইসলাম উইলিয়াম এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো: কুদরত আলী’র সঞ্চালনায় উল্লেখিত কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন নাগরপুর উপজেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার, সহ সভাপতি মতিয়ার রহমান মতি, সম্মানিত সদস্য এটি এম আনিসুজ্জামান বুলবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাজমুল হক তপন, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক ভিপি বি এম এম জহুরুল আমিন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক খালিদ হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক শাজাহান সিরাজ পান্না, শিক্ষা ও মানব সম্পদ আব্দুর রাজ্জাক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মোকনা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শরিফুল ইসলাম, মামুদনগর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জজ কামাল, সম্মানিত সদস্য মোঃ আওলাদ হোসেন লিটন, মোঃ হামিদুর রহমান লালন, মোঃ হাশেম মিয়া, মোহাম্মদ শামীম খান, নাগরপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড উপদেষ্টা খন্দকার আছাব মাহমুদ, নাগরপুর জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুল হক বাবু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিদুল ইসলাম রাশেদ, কোষাধ্যক্ষ রিপন কুমার সাহা, সদস্য গোপাল সরকার, নাগরপুর প্রেসক্লাব সদস্য ইউসুফ হোসেন লেনিন সহ উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে জাতীয় শোক দিবসে চরাঞ্চলের অসহায় ও দুস্থ্য পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন আওয়ামী লীগের এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশী খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল।
মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার গাবসারা ও অর্জুনা ইউনিয়নের ৭শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এসময় ৫ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ লিটার তেল এবং ১ কেজি লবণসহ একটি প্যাকেট প্রত্যেকের হাতে তুলে দেয়া হয়। ।
খাদ্য সামগ্রী পেয়ে দিনমজুর আহসান আলী বলেন, শোক দিবসে এরআগে কখনো আমরা চরাঞ্চলের মানুষ এভাবে খাদ্য সামগ্রী উপহার পাইনি। উপহার পেয়ে খুশি হয়েছি।
গৃহবধূ খাদিজা বেগম বলেন, এখন বর্ষা মৌসুম চারদিকে নদীর থৈথৈ পানি। কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। এই সময়ে এসব পেয়ে অনেক উপকার হল।
খাদ্য সামগ্রী বিতরণের আগে জাতীয় শোক দিবস নিয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
গাবসারা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার খন্দকার বাছেদের সভাপতিত্বে ও গাবাসারা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ও কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক উপকমিটির সদস্য খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল।
প্রধান আলোচক ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো. আব্দুর রাজ্জাক।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা রেলওয়ে শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজের সাবেক জি.এস সুরুজ্জামান সরুজ, হেমনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহমুদ উন-নবী, আওয়ামী লীগ নেতা লিটন মিয়া, ওয়াহেদুজ্জামান পলাশ, ছাত্রলীগ নেতা ফরিদুজ্জামান রাসেল, মুক্তার হোসেন প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম মৃত্যু বার্ষিকী ও জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে আলোচনা সভা,দোয়া মাহফিল ও গণভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগ নেতা রাশেদ আলী খানের উদ্যোগে ভুরভুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে উক্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগ নেতা রাশেদ আলী খানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মারুফ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) নাছির উদ্দিন মৃধা, আটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাদ হোসেন আজাদ, পাথরাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাম প্রসাদ সরকার।
আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন আটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ কান্ত দে সরকার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য টিটু বলেন, আমি অর্থনীতির ছাত্র ছিলাম,আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন না, বঙ্গবন্ধুর শাসন আমলে ১৯৭৪-৭৫ সালে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশী অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছিলো। আজকে যদি বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকতো, তবে অনেক আগেই তিনি বাংলাদেশকে সোনার বাংলায় রুপান্তরিত করতেন। তাই ১৫ই আগস্টের শোককে শক্তিতে পরিনত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে রুপান্তরিত করেছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশকে র্স্মাট বাংলাদেশ বিনির্মাণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের আরেকবার ক্ষমতায় আসা প্রয়োজন। তাই প্রতিটি নেতাকর্মীকে ভেদাভেদ ভুলে একযোগে কাজ করে যেতে হবে।
তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা গ্রামকে শহর করার যে ঘোষনা দিয়েছিলেন যদি কোভিট না হতো তাহলে এতদিনে সত্যিই গাম শহরে রুপান্তরিত হতো। বঙ্গবন্ধুর আত্মা তখনি শান্তি পাবে যখন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে আমরা বাস্তবায়িত করতে পারবো।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আহসানুল হক সুমন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনে-আরা বেগম,আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আটিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম মল্লিক,আটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবার ও ১৫ই আগস্টে সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সহস্রাধিক সাধারণ মানুষের মাঝে রান্না করা খাদ্য বিতরণ করা হয়।