একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ইকবাল হোসাইন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জায়ামাত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর জানাযার ছবিতে বিরূপ মন্তব্য করে ফেসবুকে পোষ্ট করেছেন। পরে তার দেয়া পোষ্টটি মুহুর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ভাইরাল হয়।
তবে আলোচনা ও সমালোচনার মুখে বৃহস্পতিবার (১৭ আগষ্ট) সকালে নিজের ফেসবুকে দেয়া পোষ্টটি ডিলিট করেন ছাত্রলীগ নেতা ইকবাল। তার পোষ্টে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জানাযায় মানুষের সংখ্যা কম এবং জামায়াত নেতা সাঈদীর জানাযায় বিপুল সংখ্যাক মানুষের উপস্থিতির ছবি ছিল।
বুধবার (১৬ আগষ্ট) রাতে ছাত্রলীগ নেতা ইকবাল হোসাইন তার ব্যবহৃত ফেসবুকে ওই পোষ্ট করেন। এরআগে বুধবার বিকেল ৫টা ৩ মিনিটে ”মো. সৈকত মৃধা বরিশাল” নামের এক ব্যক্তি তার ফেসবুক আইডিতে বঙ্গবন্ধু ও সাঈদীর জানাযার ছবি পোষ্ট করেন। তার ওই ফেসবুক পোষ্টটি শেয়ার করেন গোপালপুরের ছাত্রলীগ নেতা ইকবাল হোসাইন।
ছাত্রলীগ নেতা ইকবালের পোষ্টে দুই ছবি দিয়ে লেখা ছিল, “ইতিহাস সাক্ষ্য দিচ্ছে, একজনের জানাযায় মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় নাই। আরেকজনের জানাজা পড়ার জন্য লাখো মানুষ জীবনবাজি রেখে লড়াই করছে। আল্লাহু আকবার। এটাই জীবনের সফলতা।”
পোষ্ট শেয়ার দেয়ার বিষয়ে গোপালপুর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ইকবাল হোসাইন বলেন, বঙ্গবন্ধু ও সাঈদীর জানাযার ছবি পোষ্টটি ভুলবশত করে ফেলেছি। পরে ফেসবুক থেকে মুছে (ডিলিট) করে দিয়েছি। একজন দুইজনের জানাযার ছবি দিয়ে পোষ্ট দিয়েছিল সেটার প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জানিয়ে পোষ্ট করেছিলাম।
উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন, বুধবার রাতে বিতর্কিত পোষ্টটি সে শেয়ার করেছিল। পরে তাকে সেটি ফেসবুক থেকে ডিলিট করার জন্য বলা হলে সেটি ডিলিট করে ফেলেছ। ছাত্রলীগের নেতা হয়ে সে ওই ধরণের বিতর্কিত পোষ্ট করতে পারে না। বিষয়টি জেলা নেতাবৃন্দকে জানানো হয়েছে।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহানুর রহমান সোহান বলেন, কয়েকদিন নিয়মিত প্রোগ্রাম থাকাতে কোন কিছু জানতে পারিনি। এই বিষয়ে আমার জানা নেই। কেউ অবহিতও করেনি।
একতার কণ্ঠঃ জাতীয় সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলন করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা শাখা।
বৃহস্পতিবার(১৭ আগস্ট )দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা শাখার উদ্যোগে তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম (পীর সাহেব চরমোনাই)।
প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাও: রেজাউল করিম রাজুর সভাপতিত্বে তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাও: লোকমান হোসেন জাফরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি আকরাম আলী, সাধারণ সম্পাদক আখিনুর মিয়া, সহ-সভাপতি আব্দুল কাদের, জাতীয় শিক্ষক ফোরামের ময়মনসিংহ বিভাগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক রেজাউল করিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখার জয়েন্ট সেক্রেটারী আনিসুর রহমান সিল্টু, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নাজমুস সাদাত আবির প্রমুখ।
এসময় জেলা, উপজেলা, শহর, ইউনিয়ন ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রতিনিধি
মোবাইল -০১৮১৭৫০১৬০০
একতার কণ্ঠঃ জাতীয় নির্বাচনের আগে আমার ‘বোন’কে বলে দিতে চাই, ভালো হয়ে যান। মানুষ এখন আপনাদের চায় না, বিএনপিকেও চায় না। তাই সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে দেন, ভালো হবে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম।
বুধবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মাকড়াই দিবস উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা ’৭৫-এ বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিবাদ না করলে জিয়াউর রহমান আওয়ামী লীগকে নরকে পাঠিয়ে দিত। আওয়ামী লীগ থাকত না। বঙ্গবন্ধু সব নেতার বড় নেতা। বাংলাদেশের সব নেতার শক্তি বাঁধলে যে শক্তি তার সব শক্তি বঙ্গবন্ধুর একা।
এ সময় ঘাটাইল উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক আতিক হাবিবের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বীরপ্রতীক, সদস্য শামীম আল মুনছুর আজাদ সিদ্দিকী প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে দিনভর নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে নাগরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ।
মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) ভোরে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিত ও কালো পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি সরকারি যদুনাথ স্কুল মাঠ প্রাঙ্গনে শুরু হয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, উপজেলা স্মারক ৭১ প্রাঙ্গনে পুস্পস্তবক অর্পণ, শোক র্যালি, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও অসহায় সাধারণ মানুষের মাঝে খাদ্য বিতরণের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
নাগরপুর উপজেলা আ.লীগ সভাপতি মো: জাকিরুল ইসলাম উইলিয়াম এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো: কুদরত আলী’র সঞ্চালনায় উল্লেখিত কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন নাগরপুর উপজেলা আ.লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার, সহ সভাপতি মতিয়ার রহমান মতি, সম্মানিত সদস্য এটি এম আনিসুজ্জামান বুলবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাজমুল হক তপন, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক ভিপি বি এম এম জহুরুল আমিন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক খালিদ হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক শাজাহান সিরাজ পান্না, শিক্ষা ও মানব সম্পদ আব্দুর রাজ্জাক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মোকনা ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শরিফুল ইসলাম, মামুদনগর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জজ কামাল, সম্মানিত সদস্য মোঃ আওলাদ হোসেন লিটন, মোঃ হামিদুর রহমান লালন, মোঃ হাশেম মিয়া, মোহাম্মদ শামীম খান, নাগরপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড উপদেষ্টা খন্দকার আছাব মাহমুদ, নাগরপুর জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুল হক বাবু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিদুল ইসলাম রাশেদ, কোষাধ্যক্ষ রিপন কুমার সাহা, সদস্য গোপাল সরকার, নাগরপুর প্রেসক্লাব সদস্য ইউসুফ হোসেন লেনিন সহ উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে জাতীয় শোক দিবসে চরাঞ্চলের অসহায় ও দুস্থ্য পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন আওয়ামী লীগের এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশী খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল।
মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার গাবসারা ও অর্জুনা ইউনিয়নের ৭শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এসময় ৫ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ১ লিটার তেল এবং ১ কেজি লবণসহ একটি প্যাকেট প্রত্যেকের হাতে তুলে দেয়া হয়। ।
খাদ্য সামগ্রী পেয়ে দিনমজুর আহসান আলী বলেন, শোক দিবসে এরআগে কখনো আমরা চরাঞ্চলের মানুষ এভাবে খাদ্য সামগ্রী উপহার পাইনি। উপহার পেয়ে খুশি হয়েছি।
গৃহবধূ খাদিজা বেগম বলেন, এখন বর্ষা মৌসুম চারদিকে নদীর থৈথৈ পানি। কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। এই সময়ে এসব পেয়ে অনেক উপকার হল।
খাদ্য সামগ্রী বিতরণের আগে জাতীয় শোক দিবস নিয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
গাবসারা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার খন্দকার বাছেদের সভাপতিত্বে ও গাবাসারা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ও কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক উপকমিটির সদস্য খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল।
প্রধান আলোচক ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো. আব্দুর রাজ্জাক।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা রেলওয়ে শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, ইবরাহীম খাঁ সরকারি কলেজের সাবেক জি.এস সুরুজ্জামান সরুজ, হেমনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহমুদ উন-নবী, আওয়ামী লীগ নেতা লিটন মিয়া, ওয়াহেদুজ্জামান পলাশ, ছাত্রলীগ নেতা ফরিদুজ্জামান রাসেল, মুক্তার হোসেন প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম মৃত্যু বার্ষিকী ও জাতীয় শোকদিবস উপলক্ষে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে আলোচনা সভা,দোয়া মাহফিল ও গণভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগ নেতা রাশেদ আলী খানের উদ্যোগে ভুরভুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে উক্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও আওয়ামী লীগ নেতা রাশেদ আলী খানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মারুফ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) নাছির উদ্দিন মৃধা, আটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাদ হোসেন আজাদ, পাথরাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাম প্রসাদ সরকার।
আলোচনা সভাটি সঞ্চালনা করেন আটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ কান্ত দে সরকার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য টিটু বলেন, আমি অর্থনীতির ছাত্র ছিলাম,আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন না, বঙ্গবন্ধুর শাসন আমলে ১৯৭৪-৭৫ সালে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশী অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছিলো। আজকে যদি বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকতো, তবে অনেক আগেই তিনি বাংলাদেশকে সোনার বাংলায় রুপান্তরিত করতেন। তাই ১৫ই আগস্টের শোককে শক্তিতে পরিনত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে রুপান্তরিত করেছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশকে র্স্মাট বাংলাদেশ বিনির্মাণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের আরেকবার ক্ষমতায় আসা প্রয়োজন। তাই প্রতিটি নেতাকর্মীকে ভেদাভেদ ভুলে একযোগে কাজ করে যেতে হবে।
তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা গ্রামকে শহর করার যে ঘোষনা দিয়েছিলেন যদি কোভিট না হতো তাহলে এতদিনে সত্যিই গাম শহরে রুপান্তরিত হতো। বঙ্গবন্ধুর আত্মা তখনি শান্তি পাবে যখন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে আমরা বাস্তবায়িত করতে পারবো।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আহসানুল হক সুমন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হোসনে-আরা বেগম,আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আটিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম মল্লিক,আটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবার ও ১৫ই আগস্টে সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সহস্রাধিক সাধারণ মানুষের মাঝে রান্না করা খাদ্য বিতরণ করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী মারা গেছেন।
সোমবার রাত ৮টা ৪০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বিএসএমএমইউ পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. রেজাউর রহমান সোমবার রাতে গণমাধ্যমতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে, এক ফেসবুক পোস্টে দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর ছেলে মাসুদ সাঈদীও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রবিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে কাশিমপুর কারাগারে বুকে ব্যথা অনুভব করায় সাঈদীকে কারা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কর্তব্যরত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শে তাকে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা আনা হয়।
এদিন রাতে সাঈদীকে বিএসএমএমইউয়ের কার্ডিওলোজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. চৌধুরী মেশকাত আহমদের তত্ত্বাবধানে ভর্তি করা হয়। তিনি বিএসএমএমইউয়ৈর ডি ব্লকের দ্বিতীয় তলার সিসিইউ-২ এর ৬ নম্বর বেডে ভর্তি ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ মৃত মাকে শেষ দেখার জন্য প্যারোলে মুক্তি মিললেও সরকার বড় ভাই আব্দুস সালাম পিন্টুকে আসতে দেয়নি এর বিচার আল্লাহ করবেন একদিন। এই নির্যাতন নিপীড়ন কখনই ভাল পথ দেখায় না বলে মন্তব্য করেছেন যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
রবিবার (১৩ আগষ্ট) বাদ আসর জেলার গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের গুলিপেচা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মায়ের জানাযা নামাজের আগে যুবদল সভাপতি এই মন্তব্য করেন।
এর আগে শনিবার (১২ আগস্ট) রাতে বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু ও যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর মা মোছা. সালমা বেগম চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

সালমা বেগমের মৃতদেহ তাদের গ্রামের বাড়ি গোপালপুরের গুলিপেচা এলাকায় আনা হলে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে হাজার হাজর নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা একনজর দেখতে ভীড় করেন।
জানাযার আগে যুবদল সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, সালাম পিন্টুকে আসতে না দেয়ার বিষয়ে সরকারকে দায়ী করে বলেন, যারা করছেন যা করছেন তারা থেমে যান অনেক করেছেন। এলাকার একজন জনপ্রতিনিধি ছিলেন আমার ভাই পিন্টু। সকলেই তাকে চিনেন ভাল মানুষ হিসেবে। আমার ভাই তার মায়ের মরা মুখটা দেখতে পারবে না এটা কি হতে পারে।
জানাযায় কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য এস এম ওবায়দুল হক নাসির, কৃষক দলের সহসভাপতি মাইনুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক মিঞা মো: রাসেল, যুবদলের দপ্তর সম্পাদক আব্দুল করিম সরকার, জেলা উপজেলাসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জানাযা শেষে গুলিপেচা পারিবারিক কবরস্থানে সালমা বেগমের দাফন সম্পন্ন হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল- বঙ্গমাতার প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ, আলোচনা সভা, সেলাই মেশিন বিতরণ, মোনাজাত ও দোয়া মাহফিল ইত্যাদি।
এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) সকালে জেলা প্রশাসনের জনসেবা চত্ত্বরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ করা হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক শামীম আরা রিনি, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর,আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ফজলুল হক বীরপ্রতীক, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ।
পরে দুস্থ মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।
এদিকে, জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে স্থাপিত বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে তাঁর ৯৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। এ সময় জেলা আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতারা ও এর সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ সম্মেলনের দীর্ঘ ৯ মাস পর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি। সোমবার (৭ আগস্ট) দলের সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে এই কমিটির অনুমোদনপত্রে সই করেছেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
অনুমোদনপ্রাপ্ত টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক। সহ-সভাপতিরা হলেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনিসুর রহমান আনিস, ছানোয়ার হোসেন, ডা. কামরুল হাসান খান, নাহার আহমদ, শাহজাহান আনসারী, কুদরত-ই-এলাহি খান, বাপ্পু সিদ্দিকী, তারেক শামস খান হিমু, ইনসাফ আলী ওসমানী।
এছাড়া সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের। কমিটিতে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদ পেয়েছেন সুভাষ চন্দ্র সাহা, তানভীর হাসান ছোট মনির ও মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু।
আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস. আকবর খান, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আবু নাসের, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সোলায়মান হাসান। ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক নাজমুল হুদা নবীন, দপ্তর সম্পাদক খোরশেদ আলম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ মিয়া (চান মিয়া), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ তারেক পুলু, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বদিউজ্জামান ফারুক।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রেজাউর রহমান চঞ্চল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শামীমা আক্তার, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আনোয়ার হোসেন, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক এহসানুল ইসলাম আজাদ (সর্দার আজাদ), শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মহসীন শিকদার, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আহসানুল ইসলাম টিটু। শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ওয়াজির হাসান খান শরীফ হাজারী, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এলেন মল্লিক, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক আ ন ম বজলুর রহিম রিপন।
সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, সাইফুজ্জামান খান সোহেল, খান আহমেদ শুভ।
উপ-দপ্তর সম্পাদক অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম, কোষাধ্যক্ষ বাহারুল ইসলাম মিন্টু।
কমিটির সদস্যরা হলেন আতাউর রহমান খান, অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ, সোহরাব আলী খান আরজু, মনোয়ারা বেগম, হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী, খন্দকার মমতা হেনা লাভলী, মাহবুব আলম মল্লিক, আবু হানিফ আজাদ, সিরাজুল হক আলমগীর, অ্যাডভোকেট শহীদুল ইসলাম, খন্দকার মসিউজ্জামান রুমেল, আকরাম হোসেন কিসলু, অ্যাডভোকেট শামীমুল আক্তার, আমিরুল ইসলাম খান, আব্দুল গফুর মন্টু, কুতুব উদ্দিন, মাহমুদুল হাসান মারুফ, হারুনার রশীদ হীরা, ডা. মির্জা নাহিদা হোসেন বন্যা, আনিসুল মান্নান শাহেদ, ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদ, ডা. মীর ফরহাদুল আলম মনি, খালিদ হোসেন খান পাপ্পু, ড. মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) খন্দকার আব্দুল হাফিজ, মাহমুদুর রহমান তালুকদার আজাদ, সাখাওয়াত হোসেন, ইয়াকুব আলী, জেবুন্নেছা চায়না, ডা. জাকিয়া ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (মঈন সিদ্দিকী), সুজয় দেব, অ্যাডভোকেট মাসুদুল হাসান, রাফিউর রহমান ইউছুফ জাই, আমিনুল ইসলাম তালুকদার বিদ্যুৎ।
একতার কণ্ঠঃ পুষ্পস্ববক অর্পন, স্মৃতিচারণ, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে শনিবার (৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামের সামনে শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ।
সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জীবনী নিয়ে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর,সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক জেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক বীর প্রতীক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার জহুরুল হক ডিপটি, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ বীর বিক্রম, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।
এ সময় সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হয়।
বাদ জোহর জেলার সকল মসজিদে বিশেষ মোনাজাত ও সুবিধাজনক সময়ে সকল মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। বিকেল ৪ টায় টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়।
এর আগে গত ২ থেকে ৪ আগস্ট টাঙ্গাইল শিশু একাডেমিতে রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
একতার কণ্ঠঃ বিএনপি-জামায়াত অশুভ শক্তির অগ্নিসন্ত্রাস নৈরাজ্য ও ষড়যন্ত্রমূলক অপরাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সমাবেশ ও মিছিল করেছে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ।
মঙ্গলবার(১ আগষ্ট )দুপুরে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রতিরোধ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
পরে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের নেতৃত্বে প্রতিরোধ মিছিল বের করা হয়।
মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় পৌর উদ্যানে গিয়ে শেষ হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী, তানভীর হাসান ছোট মনির, খান আহমেদ শুভ, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, জেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহ সভাপতি আনিছুর রহমান আনিছ, খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, নাহার আহমেদ, শাহজাহান আনছারী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুভাস চন্দ্র সাহা, দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট খোরশেদ আলম প্রমুখ।
এসময় জেলা, উপজেলা, শহর ও বিভিন্ন ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।