/ হোম / রাজনীতি
বিশেষ বর্ধিত সভায় আরও স্পষ্ট হয়ে উঠল মধুপুর আওয়ামী লীগের বিভক্তি - Ekotar Kantho

বিশেষ বর্ধিত সভায় আরও স্পষ্ট হয়ে উঠল মধুপুর আওয়ামী লীগের বিভক্তি

একতার কণ্ঠঃ বিশেষ বর্ধিত সভার মধ্য দিয়ে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠল টাঙ্গাইলের মধুপুর আওয়ামী লীগের বিভক্তি। উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে অনুষ্ঠিত হয় ‘বিশেষ বর্ধিত সভা’। কিন্তু তাতে উপস্থিত ছিলেন না দলটির উপজেলা শাখার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ অনেক নেতা।

মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার আলম খান ওরফে আবু খাঁ টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে দলীয় মনোনয়ন চাইবেন বলে ঘোষণা দেন। গত মে মাসে এ ঘোষণা দেওয়ার পর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভক্তি প্রকাশ হতে থাকে। এই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক। তাঁর অনুসারীরা সরোয়ার আলম খানের প্রার্থিতাকে ভালোভাবে নেননি। এ নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগে বিভক্তি বাড়তে থাকে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফি উদ্দিন মনি ও সরোয়ার আলম খান গত ২৩ জুন সমাবেশের আয়োজন করেন। ওই সমাবেশকে কেন্দ্র করে আব্দুর রাজ্জাকের অনুসারীদের সঙ্গে তাঁদের সংঘর্ষ হয়। এর পর থেকে দুই পক্ষের ‘মুখ দেখাদেখি’ বন্ধ হয়ে যায়।

আব্দুর রাজ্জাকের অনুসারী হিসেবে পরিচিত উপজেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইয়াকুব আলী, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মীর ফরহাদুল ইসলাম ও সাদিকুল ইসলামের নেতৃত্বে গতকালের বিশেষ বর্ধিত সভা ডাকা হয়।

মধুপুর অডিটরিয়ামে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক। এতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও তাঁদের অনুসারীরা অংশ নেননি।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার আলম খান বলেন, ‘উপজেলা আওয়ামী লীগের নামে বিশেষ বর্ধিত সভা ডাকা হয়েছে। কিন্তু আমরা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কিছুই জানি না। যাঁরা এই সভা ডেকেছেন, তাঁরা সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় নেতাদের জানানো হবে।’

সভা সূত্র জানায়, বিশেষ বর্ধিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইয়াকুব আলী।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইয়াকুব আলী গণমাধ্যমকে বলেছেন, বিশেষ বর্ধিত সভা সফল হয়েছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা এবং ইউনিয়ন, ওয়ার্ড পর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দু-একজন অনুসারী ছাড়া সব নেতা-কর্মী আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল।

তবে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরোয়ার আলম খান বলেছেন, অনেক নেতাদের ভয় ও লোভ দেখিয়ে বর্ধিত সভায় নেওয়া হয়েছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আলোচনা করে খুব শিগগিরই উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা ডাকবেন।

আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতারা বলেছেন, মধুপুর ও ধনবাড়ী উপজেলা নিয়ে গঠিত টাঙ্গাইল-১ আসনে ২০০১ সালে আব্দুর রাজ্জাক দলীয় মনোনয়ন পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে তিনি সংসদ সদস্য হন। দুবার তিনি মন্ত্রীও হয়েছেন। মধুপুরে দলীয় ও সরকারি বিভিন্ন বিষয়ে আব্দুর রাজ্জাক দায়িত্ব দিয়ে রাখতেন সরোয়ার আলম খানকে। একসময় সরোয়ার দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি দলীয় মনোনয়ন চাইবেন বলে মে মাসে ঘোষণা দেন। গণমাধ্যমে কৃষিমন্ত্রীকে কটুক্তি করে বক্তব্য দেন। এর পর থেকেই দলীয় কোন্দল প্রকাশ পায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৪:৫২:এএম ৩ বছর আগে
বিএনপি নিজেদের কবর নিজেরাই খুঁড়ছে- কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

বিএনপি নিজেদের কবর নিজেরাই খুঁড়ছে- কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, বিএনপি নিজেদের কবর নিজেরাই খুঁড়ছে। আপনারা যে কবরে পা দিয়েছিলেন, সেখান থেকে এখনও উঠতে পারেন নাই। দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে আন্দোলন করছেন। হরতাল, সন্ত্রাসসহ দেশকে অস্থিতিশীল করছেন। আপনাদের আন্দোলন সংগ্রামে এ দেশের জনগণ নাই। আওয়ামী লীগ উন্নয়ন করেছে, জননেত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও বজায় রাখবেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদের আরও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বিএনপি-জামায়াতের সংগ্রাম লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হতে হবে। বিএনপি যে ভয় দেখাচ্ছে এই ভয় জানি আমাদের আক্রমণ ও গ্রাস না করতে পারে। আমরা তাদের রাজপথে থেকেই মোকাবেলা করবো। অতীতেও করেছি রাজপথে থেকে আগামীতেও তাদের প্রতিহত করা হবে। আওয়ামী লীগ সরকার দেশের শান্তি দিয়েছে, জীবনের নিরাপত্তা দিয়েছে, ব্যবসা বাণ্যিজের নিশ্চয়তা দিয়েছি।

মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা অডিটরিয়ামে উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা জাতীয় নির্বাচনের জন্য কর্মীরা প্রস্তুত থাকবো। পাশাপাশি আন্দোলনের জন্যও রাজপথে থাকবো। এভাবেই নির্বাচনের প্রস্তুতিও চলবে। নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে তুলে ধরা হবে। জনগণকে বুঝাবো আওয়ামী লীগ সরকারের প্রয়োজনীয়তা। উন্নয়নের গল্প কাহিনী সারা পৃথিবীর মানুষ জানে। সেগুলো আমরা দেশবাসীর মাঝে তুলে ধরবো। সাথে সাথে বিএনপির ষড়যন্ত্র, হুমকি বিদেশীদের দিয়ে ষড়যন্ত্র সব কিছুতে মোকাবেলা করবো। আওয়ামী লীগের শক্তি এদেশের জনগণ। যুক্তরাষ্ট্র, আমেরিকা, লন্ডন আওয়ামী লীগের শক্তির উৎস না। আওয়ামী লীগের শক্তির উৎস তৃণমূলের সাধারণ কর্মীরা। আওয়ামী লীগের ক্ষমতা কোন বাহিনী নয়, আওয়ামী লীগ কখনও ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতায় আসে নাই। আমাদের জনগণই শক্তি, এই শক্তিকে নিয়ে পৃথিবীর যে কোন শক্তিকে নিয়ে আমরা মোকাবেলা করার যোগ্যতা রাখি।

মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইয়াকুব আলীর সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বাপ্পু সিদ্দিকী, পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিক হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদিকুর রহমান সাদিক, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ আহমেদ নাসির, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য খন্দকার আব্দুল গফুর মন্টু, ডা. মীর ফরহাদুল আলম মনি প্রমূখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১২:৪৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আওয়ামী যুবলীগের সদস্য নবায়ন ও ফরম সংগ্রহের উদ্বোধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আওয়ামী যুবলীগের সদস্য নবায়ন ও ফরম সংগ্রহের উদ্বোধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী যুবলীগের প্রাথমিক সদস্য নবায়ন ও ফরম সংগ্রহ কার্যক্রম কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার(২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একুশে পদকপ্রাপ্ত বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক ওই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

ওই কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন।

অনুষ্ঠানে জেলা যুবলীগের সভাপতি মাসুদ পারভেজের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সাধারণ সম্পাদক আবু সাইম তালুকদার বিপ্লব।

এ সময় জেলা, শহর, সদর উপজেলাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের যুবলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০১:১৬:এএম ৩ বছর আগে
খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার দাবিতে টাঙ্গাইলে বিএনপির সমাবেশ - Ekotar Kantho

খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার দাবিতে টাঙ্গাইলে বিএনপির সমাবেশ

একতার কণ্ঠঃ বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে প্রেরণের দাবিতে টাঙ্গাইলে সমাবেশ করেছে জেলা বিএনপি এবং তাদের বিভিন্ন সহযোগী সংগঠন।

রবিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল পৌর শহরের ভাসানী হল প্রাঙ্গণ এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশের শুরুতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা,শহর ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মীরা মিছিল সহকারে সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়।

জেলা বিএনপির সভাপতি মো. হাসানুজ্জামিল শাহীনের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন- কেন্দ্রীয় বিএনপির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী।

বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি জিয়াউল হক শাহিন, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম প্রমুখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আতাউর রহমান জিন্নাহ, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী শফিকুর রহমান লিটন,সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রৌফ, জেলা যুবদল আহবায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, সদস্য সচিব তৌহিদুল ইসলাম বাবু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক তারিকুল ইসলাম ঝলক, জেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক একেএম মনিরুল হক মনির, জেলা মহিলাদলের সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রক্সি মেহেদী, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি দূর্জয় হোড় শুভ, সদস্য সচিব আব্দুল বাতেন প্রমুখ।

সমাবেশ বক্তারা বলেন, আমাদের দেশের চিকিৎসা পদ্ধতি খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত নয়। তাকে দ্রুত বিদেশে পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। কিন্তু সরকারের অনুমতি না পাওয়ায় তাকে বিদেশে পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। অতি দ্রুত খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো ও তার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি জানান।

এ দিকে সমাবেশে উপলক্ষে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০১:৫৮:এএম ৩ বছর আগে
আগামী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিলেন কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

আগামী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিলেন কাদের সিদ্দিকী

একতার কণ্ঠঃ আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী (বীর উত্তম)।

শনিবার(২৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে উপজেলার কীর্তনখোলা গজারিয়া কালিয়ানপাড়া (কেজিকে) উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল্লাহ মিয়ার কৃষক শ্রমিক জনতা লীগে যোগদান অনুষ্ঠানে তিনি এ ঘোষণা দেন।

দীর্ঘদিন পর সংসদীয় আসন টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) থেকেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন—এ কথা স্পষ্ট করলেন। এর আগে ঋণখেলাপির কারণে বঙ্গবীরের মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় এ আসন থেকে তাঁর মেয়ে কুঁড়ি সিদ্দিকী বিএনপি জোটের হয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি ২ কোটি টাকা নিয়েছিলাম, ১৩ কোটি দিয়েছি। তবুও নাকি শোধ হয় নাই! এখনো নাকি আরও ২২ কোটি পায়। এবার নিয়ত করেছি, কবে মরে যাব ঠিক নাই, এবার ওইগুলো পরিশোধ করে দাঁড়িয়ে পড়ি। দেখা যাক কী হয়! মানুষেরও একটা ইচ্ছা আছে, মানুষের কাছে মাফ-মুক্তি চাইতে পারব। সে জন্য আল্লাহ যদি বিপদ না করেন তবে, আমি ভোটে আপনাদের এখানে (টাঙ্গাইল-৮) দাঁড়াব। আপনারা দোয়া করবেন।’

তবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিলেও তিনি কোন রাজনৈতিক দল থেকে নির্বাচনে অংশ নেবেন তা স্পষ্ট করেননি।

উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের আহ্বায়ক আব্দুস ছবুরের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা (বীর প্রতীক), কাদের সিদ্দিকীর সহোদর শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী, টাঙ্গাইল জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সালেক হিটলু, সখীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সানোয়ার হোসেন সজীব, যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুন্নবী সোহেল, আলমগীর সিদ্দিকী প্রমুখ বক্তব্য দেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৪:৩৯:এএম ৩ বছর আগে
আবুবকর খান ভাসানীর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত - Ekotar Kantho

আবুবকর খান ভাসানীর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

একতার কণ্ঠঃ মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর কণিষ্ঠ পুত্র আবুবকর খান ভাসানীর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের সন্তোষে আবুবকর খান ভাসানীর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

এ সময় ন্যাপ-ভাসানী ও খোদা-ই-খেদমতগারের সভাপতি হাসরত খান ভাসানী, ভাসানী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব আজাদ খান ভাসানীসহ ভক্ত-মুরিদানরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সোমবার বিকালে ঐতিহাসিক দরবার হলে ওরশ মোবারক ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, আবুবকর খান ভাসানী ১৯৪৭ সালের ২৪ এপ্রিল (মেট্রিকুলেশন সনদ অনুযায়ী) আসামের ধুবরী জেলার দক্ষিণ শালমারা থানার আমতলী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ও হামিদা খানম ভাসানীর জ্যেষ্ঠ পুত্র।

তিনি ১৯৬৫ সালের ১৫ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ভুরুঙ্গামারীর ঐতিহাসিক কৃষক সম্মেলনের সক্রিয় কর্মী ও সংগঠক ছিলেন। এই সময়ে কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারীতে গড়ে তোলেন মাতা হামিদা খানম ভাসানীর নামে জুনিয়র স্কুল। এখানেই তিনি শিক্ষকতা দিয়ে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন।

এরপর ’৬৮-র আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন, ’৬৯-র গণঅভ্যুত্থান এবং ’৭১-র মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ শেষে স্বাধীন বাংলাদেশে তিনি ভাসানীর রাজনৈতিক আদর্শ প্রতিষ্ঠায় আত্মনিয়োগ করেন।

২০১২ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর তিনি ইহলোক ত্যাগ করেন। ১৯ সেপ্টেম্বর সন্তোষে পিতার কবরের পাশে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৪:১৯:এএম ৩ বছর আগে
বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটিতে সাবেক ছাত্রনেতা টাঙ্গাইলের সাইদ সোহরাব - Ekotar Kantho

বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটিতে সাবেক ছাত্রনেতা টাঙ্গাইলের সাইদ সোহরাব

একতার কণ্ঠঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসীন হল ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সাইদ সোহরাবকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। তাকে দলের সহ সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত দলীয় প্যাডে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সাইদ সোহরাব টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা সদরের পুষ্টকামুরী গ্রামের বাসিন্দা। সে সাবেক জেলা রেজিস্ট্রার প্রয়াত হাবেল উদ্দিনের ছেলে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান, বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী এবং বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এম এ মালিককে বিএনপি’র চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সুইডেন বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আবেদিন মোহনকে সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সাবেক সহসভাপতি মাহমুদুর রহমান সুমনকে সহঅর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাজ্য বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমেদ এবং যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক সভাপতি আব্দুল লতিফ সম্রাটকে বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া বিএনপি’র চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনারকে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক লিটন মাহমুদকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ রয়েছে।

সাবেক ছাত্রনেতা সাইদ সোহরাব কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সহসাংস্কৃতিক সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় মির্জাপুরে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে।

মির্জাপুর পৌর বিএনপি’র সভাপতি ও সাবেক ভিপি হযরত আলী মিঞা বলেন, সাবেক ছাত্রনেতা ৯০-এর গণআন্দোলনের রাজপথের একজন নেতাকে মূল্যায়ন করাতে বিএনপি’র চেয়ারপারসন ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি মির্জাপুরবাসী কৃতজ্ঞ। উপজেলা, জেলা ও মহানগর পর্যায়ের সাবেক ত্যাগী ছাত্র নেতাদের একইভাবে মূল্যায়নের অনুরোধ জানান।

উপজেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ বলেন, দীর্ঘদিন বিএনপি’র রাজনীতি করা সাইদ সোহরাব যে পদটি পেয়েছেন এটি তার প্রাপ্য। রাজনৈতিক পদোন্নতি পাওয়ায় আমরা আনন্দিত।

এছাড়া টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের নাজমুল আবেদিন মোহন ( সুইডেন বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক) বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সহআন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ১৯৮০-৮৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৩:৩৯:এএম ৩ বছর আগে
নাগরপুরে জনসভাকে ঘিরে প্রকাশ্যে এলো এমপি-উপজেলা আ’লীগের দ্বন্দ্ব - Ekotar Kantho

নাগরপুরে জনসভাকে ঘিরে প্রকাশ্যে এলো এমপি-উপজেলা আ’লীগের দ্বন্দ্ব

একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ও জেলার সকল সংসদ সদস্য (এমপি) এবং জেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে নিজ নির্বাচনী এলাকা টাঙ্গাইলের নাগরপুরে রবিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে নাগরপুর কলেজ মাঠে জনসমাবেশ করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু। উপজেলা আওয়ামী লীগের ব্যানারে সমাবেশ করেছেন তিনি। কিন্তু সেখানে যাননি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ বেশিরভাগ নেতৃবৃন্দ। সংসদীয় আসনের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীরাও ছিলেন অনুপস্থিত। উপজেলা আওয়ামী লীগ ও দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের জনসভায় অনুপস্থিতি তৃণমুল নেতাকর্মীদের হতাশ করেছে। জনসভার পাশাপাশি এটাও ছিলো সাধারণ নেতাকর্মীদের মাঝে ছিলো আলোচনার বিষয়বস্তু। এরমধ্য দিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যে ও উপজেলা আওয়ামী লীগের দ্ব›দ্ব এতদিন অপ্রকাশ্যে থাকলেও রবিবারের জনসভার মধ্যে দিয়ে তা প্রকাশ্যে এলো। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের ৯নং সহ-সভাপতি মো. আনিছুর রহমান ও অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের ৩ নং যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল আলীম দুলাল। যা ছিলো অত্যান্ত দৃষ্টিকটু।

স্থানীয় আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটুর সঙ্গে দ্বন্দ্ব রয়েছে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ শীর্ষ নেতাদের। সেইসঙ্গে এই আসনের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি তারেক শামস খান হিমু ও ইনসাফ আলী ওসমানী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাকিরুল ইসলাম উইলিয়ামের সঙ্গেও দ্বন্দ্ব রয়েছে। তারা সবাই একাট্টা হয়েছেন সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলামের বিরুদ্ধে। গত কয়েক বছর ধরে সংসদ সদস্যের সঙ্গে তাদের মুখ দেখাদেখি বন্ধ। সংসদ সদস্য তার নিজের অনুসারীদের নিয়ে দলীয় কর্মসূচি পালন করেন। অপরদিকে, উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ পৃথকভাবে কর্মসূচি পরিচালনা করেন।

সম্প্রতি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নাগরপুরে সমাবেশ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আগামী অক্টোবরে প্রথম সপ্তাহে সমাবেশ করার জন্য প্রস্তাব দেন। তারা এই প্রস্তাবের কথা কৃষিমন্ত্রী ড.আব্দুর রাজ্জাক ও জেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের জানান। উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক খালিদ হোসেন জানান, এই প্রস্তাব অগ্রায্য করে সংসদ সদস্য কৃষিমন্ত্রী ও জেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে ১৭ সেপ্টেম্বর সমাবেশের তারিখ নির্ধারণ করেন। ব্যানারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতিকে সভাপতিত্ব ও সাধারণ সম্পাদককে সঞ্চলনার দায়িত্ব দিয়ে নাম লেখা হলেও তিনি কারও সঙ্গে সমন্বয় না করে একাই সমাবেশের প্রচারণা শুরু করেন। তখন অন্য সবাই এ সমাবেশ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নেন।

স্থানীয়রা জানান, এই সমাবেশ কেন্দ্র করে নাগরপুরের রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জণ উঠেছিল উপজেলা আওয়ামী লীগ, সকল মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতা ও সংসদ সদস্যের মধ্যে যে দ্বন্দ্ব রয়েছে তার অবসান ঘটবে। কিন্তু সমাবেশের মধ্য দিয়ে দ্বন্দ্ব আরও চরমে পৌঁছালো। তারা এই দুই পক্ষের দ্বন্দ্বর কারণে আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।

নাগরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কুদরত আলী বলেন, সংসদ সদস্য রোববার যে সমাবেশ করলেন তার সঙ্গে উপজেলা আওয়ামী লীগের কোন প্রকার সম্পর্ক নেই। সমাবেশের বিষয়ে তিনি কারও সঙ্গে সমন্বয় করেননি। এমপি হওয়ার পর থেকে তিনি আওয়ামী লীগ নেতাদের এড়িয়ে চলেন। তিনি বিএনপি ও জামায়াতের লোকদের নিয়ে রাজনীতি করেন। কেন্দ্রীয় ও জেলার নেতাদের ম্যানেজ করে তিনি এই সমাবেশ করেছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগ পরবর্তীতে সমাবেশ করবেন বলেও তিনি জানান।

জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি তারেক শামস্ হিমু বলেন, দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে দল পরিচালা করবেন উপজেলা আওয়ামীলীগ। উন্নয়নমুলক কর্মকান্ড পরিচালানা করবেন স্থানীয় এমপি। কিন্তু স্থানীয় এমপি উপজেলা আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে এককভাবে নিজের মত করে বিভিন্ন কর্মসুচী পালন করছে। রোববারের জনসভাটি এমপির একক সিদ্ধান্তে আয়োজন করায় উপজেলা আওয়ামী লীগসহ দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা জনসভায় উপস্থিত হয়নি। এতে সাধারণ ভোটারসহ তৃণমুল কর্মীদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু জনসভায় বলেন, নাগরপুরের মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ, নাগরপুর আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ আজ ঐক্যবদ্ধ ও অভিন্ন আছে। গুটি কয়েকজন মানুষ এখানে উপস্থিত নাই। আমি আশাকরি এখানে উপস্থিত টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ দায়িত্বপুর্ন সিদ্ধান্ত গ্রহনের মাধ্যমে উপজেলা আওয়ামী লীগ যেন ঐক্যবদ্ধভাবে আগামি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কাজ করতে পারে সেই ব্যবস্থা নিবেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মো. আব্দুর রাজ্জাক। উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান।

উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক আব্দুল আলীমের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, সংসদ সদস্য হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী, সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান, সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ, সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু, সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনি, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জামিলুর রহমান মিরন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার ফজলুল হক প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৩:২৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে এমপি-মেয়র পাল্টাপাল্টি নৌকা বাইচ, দু’গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে এমপি-মেয়র পাল্টাপাল্টি নৌকা বাইচ, দু’গ্রুপের সংঘর্ষের আশঙ্কা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভুঞাপুরে যমুনা নদীতে টাঙ্গাইল-২ (ভুঞাপুর- গোপালপুর) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য ছোট মনির ও ভুঞাপুর পৌরসভার মেয়র মাসুদুল হক মাসুদ গ্রুপের পাল্টাপাল্টি নৌকা বাইচের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। দুই গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। যেকোনো সময় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে বলেও জানান স্থানীয়রা। তবে সংঘর্ষ এড়াতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আগামী ১৯ ও ২০ সেপ্টেম্বর গোবিন্দাসী নৌকা ঘাটের যমুনা নদীতে ছোট মনির এমপির উদ্যোগে এবং ১৯-২৩ সেপ্টেম্বর একই স্থানে পৌর মেয়র মাসুদুল হক মাসুদের উদ্যোগে নৌকা বাইচ হওয়ার কথা রয়েছে। এ লক্ষ্যে উভয়পক্ষই নৌকা বাইচের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গোবিন্দাসী টি-রোড এলাকার এমপি গ্রুপের লোকজন অস্থায়ী তোরণ নির্মাণকালে মেয়র গ্রুপের নৌকা বাইচ কমিটির সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইকরাম উদ্দিনের বিরুদ্ধে বাঁধা দেওয়ার অভিযোগ তোলেন এমপি পক্ষের লোকজন।

অপরদিকে, একইদিন সন্ধ্যায় মেয়র পক্ষের নৌকা বাইচ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও গোবিন্দাসী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম আমিনের নেতৃত্বে গোবিন্দাসী বাজারে এমপি গ্রুপের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, মিছিল এবং সমাবেশ করে। উভয় গ্রুপের কোন্দলে গোবিন্দাসী এলাকায় চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

এমপি ছোট মনির গ্রুপের নৌকা বাইচ পরিচালনা কমিটির সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম খোকা জানান, এমপি ছোট মনির মহোদয়ের উদ্যোগে আমরা অনেক আগেই ১৯-২০ সেপ্টেম্বর নৌকা বাইচের আয়োজন করেছি এবং প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের কাছে অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। উল্লেখিত তারিখেই নৌকা বাইচ হবে।

মেয়র গ্রুপের নৌকা বাইচ কমিটির সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম আমিন বলেন, পূর্ব নির্ধারিত ২২-২৩ সেপ্টেম্বর এমপি মনোনয়নপ্রত্যাশী মেয়র মহোদয়ের উদ্যোগে আমরা নৌকা বাইচের আয়োজন করি। নৌকা বাইচ যাতে সফল না হয় সে কারণে এমপি গ্রুপও ১৯-২০ সেপ্টেম্বর নৌকা বাইচের ঘোষণা দিয়েছে।

নৌকা বাইচে সংঘর্ষের আশঙ্কায় ভুঞাপুর থানার অফিসার (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ্ বলেন, দুপক্ষের নৌকা বাইচে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বেলাল হোসেন জানান, নৌকা বাইচে উভয়পক্ষের লিখিত আবেদন পেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর পাঠালে তিনি এমপি গ্রুপকে ১৯-২০ এবং ২২-২৩ সেপ্টেম্বর মেয়র গ্রুপকে অনুমতি দিয়েছেন। এছাড়া বিশৃঙ্খলা এড়াতে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৪:২০:এএম ৩ বছর আগে
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কঠিন কাজ: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কঠিন কাজ: কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কঠিন একটি কাজ। দ্রব্যের দাম মূলত চাহিদা ও জোগানের ওপর নির্ভর করে। তারপরও আমরা দ্রব্যমূল্য ভ্যানওয়ালা, রিকশাওয়ালা, দরিদ্র ও মধ্যবিত্তদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার চেষ্টা করছি। এ জন্য আমরা একটি পদক্ষেপ নিয়েছি, সফল হব কি না নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না। তবে কিছুটা হলেও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে মনে করছি।’

শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার সৃষ্টিসংঘ মাঠে শওকত মোমেন শাহজাহান ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বিএনপি বলছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া তারা নির্বাচনে আসবে না অথচ সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচিত সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে। নির্বাচন কমিশনের কাছে এই প্রক্রিয়া ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই। সারা পৃথিবীতে এভাবেই নির্বাচন হয়।

স্থানীয় সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম ফাইনাল খেলার উদ্বোধন করেন। এ সময় টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার হায়দার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আলম, পৌর মেয়র আবু হানিফ আজাদ, স্থানীয় আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত শিকদার, সাধারণ সম্পাদক অনুপম শাহজাহান জয় প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৩:৪৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক-মিনি ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোবাহান মিয়া বহিরাগতদের নিয়ে বর্তমান সভাপতি- সাধারণ সম্পাদকসহ কার্যাকরী পরিষদের সদস্যদের উপর হামলা ও অফিস ভাঙচুরের প্রতিবাদে বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের নগরজালফৈ নিজস্ব কার্যালয়ে এ জরুরী মত বিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

মত বিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. বালা মিয়া।

সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক মাহতাবের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন,জেলা ট্রাক শমিক ইউনিয়নের কার্যকরী সদস্য মো. আমিনুর রহমান, সহ-সভাপতি মো. ফরহাদ আলী,মো. ইকবাল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান ছানি, সহ-সম্পাদক জামাল হোসেন ভুয়াপুরী,শহিদুল ইসলাম আনন্দ, কোষাদক্ষ মাহবুব আলম তুহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুর রউফসহ উপজেলা পর্যায়ের সংগঠনের সকল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকগন।

সভায় বক্তারা বলেন, টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক-শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বালা মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক মাহতাব একদিনে গড়ে উঠেনি। অনেক ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করে এবং কাঠখড় পুড়িয়ে তারা আজ এ পর্যায়ে এসেছেন। এছাড়াও নির্বাচনের মাধ্যমে তারা বারবার সভাপতি-সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। শ্রমিকদের ভালোবাসা আছে বিধায় তারা বারবার নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের উপর বর্বরোচিত এ ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান বক্তারা।

বক্তারা আরও বলেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোবাহান মিয়া সংগঠনের ৬০ লাখ টাকা হিসাব-নিকাশ না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। এব্যাপারে আদালতে মামলাও হয়েছেন।

বক্তব্য শেষে সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য পদ থেকে অভিযুক্ত সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সোবাহান মিয়াকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

এর আগে জেলার বিভিন্ন উপজেলার ট্রাক-শ্রমিক সংগঠন থেকে খন্ড-খন্ড মিছিল নিয়ে ৫ শতাধিক শ্রমিক মত বিনিময় সভায় অংশ নেয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০১:৫৮:এএম ৩ বছর আগে
বঙ্গবন্ধুকে যারা খুন করেছে, তারা এখন আমার বোনের পেছনে: কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

বঙ্গবন্ধুকে যারা খুন করেছে, তারা এখন আমার বোনের পেছনে: কাদের সিদ্দিকী

একতার কণ্ঠঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম আক্ষেপ করে বলেছেন, ‘আমি কী করব। বঙ্গবন্ধুকে যারা খুন করেছে, এখন তারা আমার বোনের পেছনে, কী করার আছে আমার। এ জন্য কিছু করতে পারি না, কিন্তু তাই বলে আমার এলাকায় রাস্তাঘাটে শিশুকে মেরে ফেলবে, আর পুলিশ এভাবে ভুঁড়ি ভাসিয়ে হাঁটবে, তাহলে তাদের দরকার কী।’ এ সময় তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ পুলিশকে সাত দিনের সময় বেঁধে দিয়ে বলেন, ‘আমি এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’

মঙ্গলবার(১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে নিহত শিশুর সহপাঠী ও পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

পুলিশের সমালোচনা করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশুটির বাবা পুলিশকে চারজনের নাম বলেছেন, অথচ ঘটনার আট দিন পেরিয়ে গেলেও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি তারা। এই রকম গা ভাসানো পেটে চর্বিযুক্ত পুলিশ দিয়ে কী হবে।’

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় সবাই যখন পালিয়ে গিয়েছিল, তখন আমার ২৫ বছর বয়সে মনে হয়েছিল, যদি মা-বোনের ইজ্জত রক্ষা করতে না পারি, মানুষকে নিরাপত্তা দিতে না পারি; তাহলে বেঁচে থাকার চাইতে মরে যাওয়া অনেক ভালো। আমি সে জন্য যুদ্ধ করেছি, কিন্তু যুদ্ধের পরে দেখেছি, ওই সময় যারা পালিয়ে গিয়েছিল, ভয়ে নদীতে হাবুডুবু খেয়েছে, এখন আমার চাইতে তাদেরই দাম বেশি।’

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বলেন, ‘এভাবে দেশ চলতে পারে না, আমি এই দেশ চাই নাই। আমি সেই দেশ চেয়েছি, যে দেশে একজন সাধারণ মানুষের সন্তানও নিরাপদে থাকবে, রাজা-বাদশার মতো মানুষের মাথার ওপরে পা দিয়ে কেউ যেতে পারবে না।’

প্রধানমন্ত্রী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তিনি আমার চাইতে পাঁচ মাসের ছোট, তারপরও আমি তাঁকে মায়ের মতো মনে করি। আর আমার মা কোনো রাস্তাঘাটের মানুষ নন। মায়ের প্রতি আমার সম্মানবোধ অনেক বেশি।’

সানোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা বীরপ্রতীক, সখীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সানোয়ার হোসেন সজীব, নিহত শিশু সামিয়ার বাবা রঞ্জু মিয়া, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের নেতা আশিক জাহাঙ্গীর, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল ইসলাম প্রমুখ।

প্রকাশ,গত বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সামিয়াকে (৯) অপহরণ করে দুর্বৃত্তরা। ওই দিনই তারা পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে শিশুর বাবার মুঠোফোনে অডিও বার্তা পাঠায়। দুই দিন পর শুক্রবার বাড়ির কাছে ঝোপঝাড়ের মধ্যে শিশুটির ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০১:৩৫:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।