/ হোম / জাতীয়
টাঙ্গাইলে পানিতে ডুবে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পানিতে ডুবে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে বাড়ির পাশে পুকুরের পানিতে ডুবে সামিয়া (১৩) নামের এক স্কুল ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।সামিয়া বাসাইল রফিক রাজু ক্যাডেট স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেনির ছাত্রী।

সামিয়া বাসাইল এস আর পাড়ার ছানোয়ার হোসেনের বড় মেয়ে।

স্থানীয়সূত্রে জানা যায়, ২৪ জুন (শুক্রবার) সকালের নাস্তা শেষ করে সামিয়া পাশের বাড়িতে খেলতে যায়। অনেকক্ষণ বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন খোজাখুজির একপর্যায়ে প্বার্শবর্তী মন্দির সংলগ্ন পুকুরে সামিয়াকে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায়। পুকুর থেকে উদ্ধার করে তাকে বেলা ১১ টায় বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. নাহিদ খান তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

ডা. নাহিদ খান বলেন, হাসপাতালে আনার পূর্বেই সামিয়ার মৃত্যু হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. জুন ২০২২ ০৮:৪৭:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আইস ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আইস ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ৫০ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ (আইস) ও ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) বিকেলে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে একই দিন ভোরে মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের পাশ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ঘাটাইল উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকার মৃত মোসলেম উদ্দিনের ছেলে মো. আরিফুজ্জামান পলাশ (৩৫), গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মো. বিল্লাল হোসেনের ছেলে মো. কামরুজ্জামান শান্ত (২৪)।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন জানান, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি দক্ষিণ) মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ৫০ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস ও এক হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘জব্দকৃত আইসের বাজার মূল্য ২৫ লাখ টাকা। ইয়াবার বাজার মূল্য তিন লাখ টাকা। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মির্জাপুর থানায় মামলা করা হয়েছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. জুন ২০২২ ০১:৪৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা

একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) সকালে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপির নেতৃত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, সহ-সভাপতি আলমগীর খান মেনু, শামসুল হক ও আনিছুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাহার আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খান, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ।

এতে জেলা ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. জুন ২০২২ ০৯:৪৩:পিএম ৪ বছর আগে
অভিন্ন নীতিমালায় ১২ দফা অর্ন্তভুক্ত করার দাবিতে ভাসানীতে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

অভিন্ন নীতিমালায় ১২ দফা অর্ন্তভুক্ত করার দাবিতে ভাসানীতে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অভিন্ন নীতিমালায় ১২ দফা অর্ন্তভুক্ত করার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন।
রোববার (১৯ জুন) সকালে ঘন্টা ব্যাপি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশনের আহবানে এ মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয়।
কর্মসূচিতে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের পেশাগত বৈষম্য দূরীকরণ ও কর্মকর্তা নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদোন্নয়ন সংক্রান্ত ১২ দফা অর্ন্তভুক্ত করার দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।
মানববন্ধন কর্মসুচিতে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও মাভাবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম মজনু, সাধারণ সম্পাদক ড. ইকবাল বাহার বিদ্যুৎ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আজাদ সোবহানী আল ভাসানীসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

মানববন্ধনে বক্তাগণ বলেন, কর্মকর্তাদের উপর চাপিয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) কর্তৃক প্রণীত অভিন্ন নীতিমালায় বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স ফেডারেশনের দেয়া ১২ দফা অর্ন্তভুক্ত না করা পর্যন্ত বাংলাদেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা তা মেনে নেবে না। কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে অভিন্ন নীতিমালায় এই ১২ দফা অর্ন্তভুক্ত না করলে ভবিষ্যতে কর্মকর্তারা আরও কঠোর কর্মসুচি গ্রহণ করবে বলেও জানান তারা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. জুন ২০২২ ০৭:৫৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই দেবে গেলো সাড়ে তিন কোটি টাকার সেতু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নির্মাণ শেষ হওয়ার আগেই দেবে গেলো সাড়ে তিন কোটি টাকার সেতু

‎আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার আগেই সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে লৌহজং নদীর উপর নির্মিত সেতু দেবে গেছে।বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) রাতে টাঙ্গাইল-বেড়াডোমা-ওমরপুর সড়কের বেড়াডোমা এলাকার লৌহজং নদীর উপর নির্মিত সেতুটি দেবে যায়। এদিকে সেতু নির্মাণ কাজে গাফিলতি আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছে টাঙ্গাইল  পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শিব্বির আহমেদ আজমী।

 স্থানীয়রা দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতু নির্মাণ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন।

পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় টাঙ্গাইল পৌরসভা সেতুটির নির্মাণ বাস্তবায়ন করছে। আট মিটার প্রস্থ ও ৩০ মিটার দীর্ঘ সেতুটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ ১৮ হাজার টাকা। ২০২০ সালের ১২ নভেম্বর থেকে সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু করে ব্রিক্সস অ্যান্ড ব্রিজ লিমিটেড ও দি নির্মিতি নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজটি শুরু করে। গত ১১ মে কাজটি শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ৫৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। গত সপ্তাহে সেতুটির উপরে অংশে ঢালাই করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে সেতুটির সেন্টারিং সাটারিং সরে গিয়ে মাঝখানে সাড়ে তিন ফুট দেবে যায়।

শুক্রবার (১৮জুন) সকালে সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, লৌহজং নদীর মাঝখান থেকে গাছ ও বাঁশের পাইল সরে গিয়েছে। সেতুটি মাঝ খানে দেবে যাওয়ায় স্থানীয় লোকজন ভিড় করেছে। কয়েকজন শ্রমিক সেতু নির্মাণে কাজ করে যাচ্ছে। দেবে যাওয়া স্থান টাঙ্গাইল পৌরসভা প্রকৌশলী ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেছেন।

বেড়াডোমা এলাকার বাসিন্দা হাফিজুর রহমান জানান, ইতোপূর্বে এখানে যে বেইলি সেতু ছিলো সেটিও দুবার ভেঙে আমাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে কয়েক বছর। এ সেতু নির্মাণের কারণেও দুর্ভোগ অব্যাহত আছে।

স্থানীয় বাসিন্দা খোরশেদ হোসেন বলেন, প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতির কারণে সেতুটি দেবে গেছো। এতে আমাদের আরও কয়েক বছর দুর্ভোগ পোহাতে হবে।

পথচারী আজাদ মিয়া জানান, পার্ক বাজার থেকে বাজার করে নিজেই বহন করে আনতে হয়। কোন রিকশা আসে না। দুই বছরের অধিক সময় ধরে আমাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সোলায়মান হাসান জানান, এই সেতুটির নির্মাণ কাজ অন্যজন পেয়েছিলেন। স্থানীয় এমপি তার কাছ থেকে প্রভাব খাটিয়ে কাজটি হাতিয়ে নেয়। পরে তার কর্মী আমিরুলসহ তার অনুসারীদের কাজটি দিয়েছে।

৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদ জানান, দুর্ভোগ লাঘবে কাজটি শেষ করার জন্য বার বার তাগিদ দেয়া হয়েছে। কিন্তু পৌরসভার প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন কোন কথাই শুনেন না। সেতুটি দেবে যাওয়ায় লাখ লাখ মানুষের কয়েক বছরের জন্য দুর্ভোগ বেড়ে গেলো।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের আমিরুল ইসলাম জানান, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার। তবে স্থানীয় জামিল সহ কয়েকজন মিলে সেতু নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করছে। তিনি এই কাজের সাথে যুক্ত নয়।

টাঙ্গাইল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শিব্বির আহমেদ আজমী জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রকল্প পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অবগত করা হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি করে মূল রহস্য উদঘাটন করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. জুন ২০২২ ০৯:৩০:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ১৮ ইউপি নির্বাচনে আ.লীগ ১১, বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র ৭ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ১৮ ইউপি নির্বাচনে আ.লীগ ১১, বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র ৭

একতার কন্ঠ: টাঙ্গাইলে ১৮ ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামী লীগ ১১টিতে বিজয়ী হয়েছে। এছাড়া ৫টিতে স্বতন্ত্র ও ২টিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। বুধবার (১৫ জুন) গভীর রাতে নির্বাচন কমিশন সূত্রে এসব ফলাফল পাওয়া যায়।

এর মধ্যে মধুপুরে ৬ ইউনিয়নের ৫টিতে আওয়ামী লীগ ও ১টিতে বিদ্রোহী প্রার্থী, মির্জাপুরে ৬ ইউনিয়নের ৩টিতে আওয়ামী লীগ ও ৩টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী, সখীপুরে ২ ইউনিয়নেই আওয়ামী লীগ প্রার্থী, বাসাইলে ১টি আওয়ামী লীগ ও ১টি স্বতন্ত্র, নাগরপুরে স্বতন্ত্র ও দেলদুয়ারে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, মধুপুরের ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টিতে আওয়ামী লীগ এবং ১টিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন।

এরা হচ্ছেন-

কুড়াগাছা ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ফজলুল হক সরকার (নৌকা) ৫৮৭৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আজহারুল ইসলাম (আনারস) পেয়েছেন ৩৪৭৯ ভোট।

আউশনারা ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগ প্রাথী গোলাম মোস্তফা (নৌকা) ৪৩০২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুস ছালাম (আনারস) পেয়েছেন ৪০১৪ ভোট।

শোলাকুড়ী ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইয়াকুব আলী (নৌকা) পেয়েছেন ৬৭০১ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আকতার হোসেন (টেলিফোন) পেয়েছেন ৩০২৬ ভোট।

বেরীবাইদ ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগ প্রার্থী জুলহাস উদ্দিন (নৌকা) ৭৬৩৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মজিবর রহমান (আনারস) পেয়েছেন ২১৫১ ভোট।

মহিষমারা ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. মহি উদ্দিন মহির (আনারস) ৯৪৩৬ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল মোতালেব (নৌকা) পেয়েছেন ৪৭৩৮ ভোট।

কুড়ালিয়া ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. ফজলুল হক (নৌকা) জয়লাভ করেছেন।

মহিষমারা ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. মহি উদ্দিন মহির (আনারস) ৯৪৩৬ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল মোতালেব (নৌকা) পেয়েছেন ৪৭৩৮ ভোট।

কুড়ালিয়া ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. ফজলুল হক (নৌকা) জয়লাভ করেছেন।
মির্জাপুরে ৩ ইউনিয়নে নৌকা ও ৩টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।

বহুরিয়া ইউনিয়ন: আবু সাইদ ছাদু (নৌকা) বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৬৬০০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুস ছামাদ (ঘোড়া) পেয়েছেন ৪৫৩২ ভোট।

আজগানা ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগ প্রার্থী আব্দুল কাদের (নৌকা) ১০২৬৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম (মোটরসাইকেল) পেয়েছেন ৫৪৫৪।

ফতেপুর ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগ প্রার্থী হাজী আব্দুর রউফ (নৌকা) ৩৬৩৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী হুমায়ুন তালুকদার (মোটরসাইকেল) পেয়েছেন ৩৪৭৬ ভোট।

তরফপুর ইউনিয়ন: স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা আজিজ রেজা (মোটরসাইকেল) ৫৯০৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফুর রহমান (চশমা) পেয়েছেন ৫৫২৩ ভোট।

ভাওড়া ইউনিয়ন: মাসুদুর রহমান (ঘোড়া) ৪৫৮৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাহিদুর রহমান খান (আনারস) পেয়েছেন ৩৭৬০ ভোট।

লতিফপুর ইউনিয়ন: স্বতন্ত্র প্রার্থী আলী হোসেন রনি (মোটরসাইকেল) ৪৩২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোশারফ হোসেন (আনারস) পেয়েছেন ৩৭২৪ ভোট।

সখীপুর উপজেলা দুইটি ইউনিয়নের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।

দাড়িয়াপুর ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগের প্রার্থী আনছার আলী আসিফ (নৌকা) পান ৮০২৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন (আনারস) পেয়েছেন ৫৫৮০ ভোট।

গজারিয়া ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন (নৌকা) ৪৪৬৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী বাদল মিয়া (মোটরসাইকেল) পেয়েছেন ২ হাজার ১৮৯ ভোট।

বাসাইল উপজেলায় দুটি ইউপি’র নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

বাসাইল সদর ইউনিয়ন: আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী সোহানুর রহমান সোহেল (নৌকা) ২৬৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফুল ইসলাম (আনারস) পেয়েছেন ২১৫২ ভোট।

কাশিল ইউনিয়ন: স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা রমজান আলী মিয়া (মোটরসাইকেল) ৮৬৫৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম আওয়ামী লীগের প্রার্থী মির্জা রাজিক (নৌকা) পেয়েছেন ৭২১৯ ভোট।

নাগরপুরের ভারড়া ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুছ মিয়া (ঘোড়া) বিজয়ী হয়েছেন।

দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ উপ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সাজ্জাত হোসেন (ঘোড়া) ৫৫০১ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী কৃষ্ণ কান্ত দে সরকার (নৌকা) পেয়েছেন ৩৩৭৩ ভোট।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এ এইচ এম কামরুল হাসান বলেন, সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোন কোন কেন্দ্রে ইভিএমে ধীরগতিতে ভোট গ্রহণ হয়। নির্বাচন সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ করতে পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. জুন ২০২২ ০৯:২৪:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ১ দিন পর যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ১ দিন পর যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে নিখোঁজের পরের দিন সোয়েব তালুকদার ওরফে সুমন (৩৮) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে কালিহাতী থানা পুলিশ।

বুধবার (১৫ জুন) সকালে উপজেলার আউলটিয়া কানাইগাড়া শ্মশান ঘাটের পাশে গাবগাছের সঙ্গে গলায় গামছা পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত সুমন পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক। সে কালিহাতীর বাংড়া ইউনিয়নের দয়থা গ্রামের আলতাফ মিয়ার ছেলে।

নিহতের স্ত্রী খালেদা ও স্বজনদের দাবি, সুমন মঙ্গলবার (১৪ জুন) রাতে এশার নামাজ পড়তে গিয়ে ভোর থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পূর্বশক্রতার জের ধরে কেউ তাকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে দিয়েছে বলে সন্দেহ তাদের।

কালিহাতী থানার সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) মাহাবুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. জুন ২০২২ ০২:২১:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভোট দেওয়ার পরই ভোটারের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভোট দেওয়ার পরই ভোটারের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ভোট দেওয়ার পর কেন্দ্রেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন সুকমল সরকার নামের এক ভোটার। বুধবার(১৫ জুন) সকালে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের ফতেপুর পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে ঘটেছে এ ঘটনা।

ইউপি নির্বাচনের ৬নং মেম্বার প্রাথী দিলীপ রাজবংশী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সুকমল সরকার উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের থলপাড়া গ্রামের মৃত বিরমনির ছেলে।

দিলীপ রাজবংশী জানান, বুধবার সকালে সুকমল সরকার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট দিতে আসেন। এরপর ভোটাধিকার প্রয়োগ করার পর কেন্দ্রেই ঢলে পড়লে তাৎক্ষণিক তাকে পল্লী চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. জুন ২০২২ ০৮:৫৫:পিএম ৪ বছর আগে
শেষ মুহূর্তে টাঙ্গাইলের আরও দুই ইউপির নির্বাচন স্থগিত - Ekotar Kantho

শেষ মুহূর্তে টাঙ্গাইলের আরও দুই ইউপির নির্বাচন স্থগিত

একতার কণ্ঠঃ শেষ মুহূর্তে এসে টাঙ্গাইলের আরও দুটি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। এ ইউনিয়ন দুটি হচ্ছে গোপালপুর উপজেলার হেমনগর এবং মধুপুর উপজেলার ফুলবাগচালা।

নবম ধাপে এই দুটি ইউনিয়নসহ বুধবার(১৫ জুন) জেলার ২২টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের কথা ছিল। এর আগে রোববার(১২ জুন) মধুপুরের অরণখোলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন স্থগিত করা হয়।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এ এইচ এম কামরুল হাসান জানান, গোপালপুরের হেমনগর ইউনিয়নের সীমানাসংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে এক ব্যক্তি উচ্চ আদালতে রিট করেন। ওই রিটের শুনানিতে ইউনিয়ন দুটির নির্বাচন স্থগিতের আদেশ দেন আদালত। আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন হেমনগর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন স্থগিত করে। সেই সঙ্গে ভোটার তালিকা নিয়ে কিছু জটিলতা থাকায় স্থগিত করা হয়েছে ফুলবাগচালা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন।

বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জেলা নির্বাচন অফিস।

এর আগে আওয়ামী লীগের এক নেতা নৌকায় যাঁরা ভোট দেবেন না, তাঁদের ভোটকেন্দ্রে আসতে নিষেধ করে বক্তৃতা দেওয়ায় এবং নানা হুমকি দেওয়ায় মধুপুরের অরণখোলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. জুন ২০২২ ০৫:০০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রকাশ্যেই গলানো হচ্ছে ব্যাটারি, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে বিশাল জনগোষ্ঠী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রকাশ্যেই গলানো হচ্ছে ব্যাটারি, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে বিশাল জনগোষ্ঠী

‌একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ঘোষপাড়া এলাকায় ধলেশ্বরী নদীর পাড়ে স্থাপন করা হয়েছে ব্যাটারি পুড়িয়ে একটি অবৈধ সীসা তৈরির কারখানা। এখানে কোন নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই প্রকাশ্যেই পুরাতন ব্যাটারি ভেঙে পুড়িয়ে সীসা তৈরি করা হচ্ছে। এ ছাড়া এই কারখানার বর্জ্য ফেলা হচ্ছে পাশের ধলেশ্বরী নদীতে। পরিবেশ বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. মো: মাহবুবুল হক এর মতে, এ ধরনের উন্মুক্ত স্থানে সীসা পোড়ানোর ফলে জীব-বৈচিত্র্য ও মানুষের খাদ্য চক্রে ঢুকে পড়ছে ভারী ও অত্যন্ত বিষাক্ত পদার্থ সীসা। এভাবে ব্যাটারি ভাঙ্গা এবং সীসা গলানোর সময় ক্ষুদ্রকণা বাতাসে ও মাটিতে ছড়িয়ে পড়ছে। যার নেতি বাচক প্রভাব হবে সুদূরপ্রসারী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সদর উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের ঘোষপাড়া (এসডিএস ব্রিজ সংলগ্ন) এলাকায় পুরাতন ব্যাটারি পুড়িয়ে সীসা তৈরির কারখানা গড়ে উঠেছে। দশ জন শ্রমিক ও কর্মচারী পুরাতন ব্যাটারি ভেঙে প্লেট আলাদা করছে। ব্যাটারির পরিত্যক্ত অংশ আলাদা করে রাখা হয়েছে যত্রতত্র। এই দশজন শ্রমিক খালি গায়ে ও খালি হাতে কোন ধরনের সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ না করেই তারা দিনরাত এই কাজ করে যাচ্ছে এই কারখানায়। এছাড়া প্রতিষ্ঠানে কোন সাইনবোর্ড, ট্রেড লাইসেন্স, কলকারখানা অধিদপ্তর এর সার্টিফিকেট, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও ব্যাটারি পুড়িয়ে সীসা তৈরির নিরাপদ চুল্লি নেই। ফ্যাক্টরির বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে পরিত্যক্ত ব্যাটারির বর্জ্য প্লাস্টিক, কার্বন ও ক্ষতিকারক বিভিন্ন ধরনের পদার্থ। টাঙ্গাইলে একটি বেসরকারী পলিটেকনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মনোগ্রাম লাগানো একটি হাফ টনী পিক-আপে কারখানায় উৎপাদিত প্রায় ১২০ কেজি সীসা তোলা হচ্ছে ঢাকায় চায়না ফ্যাক্টরিতে পাঠানোর জন্য।

কারখানার কর্মচারী শাহাদাৎ জানান, তিনি সহ মোট দশজন কর্মচারী উত্তরবঙ্গ থেকে এখানে এসেছেন কাজ করতে। মালিকের নির্দেশেই তারা এভাবে ব্যাটারি ভেঙ্গে তা পুড়িয়ে সীসা তৈরি করছেন। মানুষ ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক জেনেও পেটের দায়ে এই কাজ করছেন তারা।

তিনি আরও জানান, দিনের বেলায় ব্যাটারি ভাঙ্গা হয় আর রাত দশটার পর থেকে তা পুড়িয়ে সীসা তৈরি করা হয়। তাদের ব্যাটারি পুড়িয়ে সীসা তৈরি করার কোন চুল্লি নেই। তাই বাধ্য হয়েই উন্মুক্ত স্থানে ব্যাটারি পুড়িয়ে সীসা তৈরি করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বেশ কয়েকজন জানান, ব্যাটারি কারখানার মালিক দু’জন টাঙ্গাইলের ক্ষমতাসীন দলের একজন প্রভাবশালী নেতার নিকট আত্মীয়। ফলে এলাকাবাসীর ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অনুরোধ উপেক্ষা করেই দীর্ঘদিন ধরে এই কারখানাটির চালাচ্ছে। বিশেষ করে রাতে যখন ব্যাটারি পুড়িয়ে সীসা তৈরি করা হয় তখন এলাকাবাসীর শ্বাস-প্রশ্বাসে ভীষণ কষ্ট হয়।

তারা আরো জানান, ব্যাটারি পোড়ানোর স্থানে কোন ছাউনি না থাকায় বৃষ্টি হলেই, বৃষ্টির পানির সাথে বিষাক্ত বর্জ্য পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পরে ও পাশ্বের ধলেশ্বরী নদীতে গিয়ে পরে। একসময় ধলেশ্বরী নদীর এই অংশে প্রচুর মাছ পাওয়া গেলেও, কারখানা চালুর পর থেকেই এখানে কোন ধরনের মাছ পাওয়া যাচ্ছে না।

এ প্রসঙ্গে কাতুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন মিয়া প্রথমে কথা বলতে না চাইলেও পরে জানান, আপনারা খুব ভালো করেই জানেন এই কারখানাটির মালিক কারা। স্থানীয় এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিদের চাপ থাকা স্বত্তেও কারখানাটির বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাচ্ছে না। এমনকি ব্যবসা পরিচালনার জন্য এই কারখানায় মালিক ইউনিয়ন পরিষদ থেকে কোন ট্রেড লাইসেন্সও গ্রহণ করেনি। তিনি ফ্যাক্টরি বন্ধে নিজের অসহায়েত্বের কথা স্বীকার করেন।

টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জমির উদ্দীন জানান, এই অবৈধ ফ্যাক্টরির বিষয়ে তিনি অবগত নন। তবে এভাবে প্রকাশ্যে জায়গায় ব্যাটারি পুড়িয়ে সীসা তৈরি করলে বায়ু দূষণ ও আশে পাশে বসবাসরত প্রাণীর মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়। তিনি দায়িত্ব নেয়ার পর ইতিমধ্যে দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটি ইউনিয়নে একটি অবৈধ ব্যাটারি পুড়িয়ে সীসা তৈরির কারখানা উচ্ছেদ করেছেন।

তিনি আরও জানান, যত দ্রুত সম্ভব এই অবৈধ কারখানার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই উচ্ছেদ প্রক্রিয়ায় স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করেন তিনি।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রানুয়ারা খাতুন জানান, তিনি বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের ফেসবুক লাইভে এই অবৈধ কারখানার বিষয়ে জেনেছেন। যত দ্রুত সম্ভব এই অবৈধ কারখানা উচ্ছেদে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

উন্মুক্ত স্থানে ব্যাটারি পুড়িয়ে সীসা তৈরি করা প্রসঙ্গে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনভারমেন্টাল সায়েন্স এন্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রফেসর ও পরিবেশ বিজ্ঞানী ড মো: মাহবুবুল হক বলেন, সীসা একটি ভারী ও নিউরো টক্সিক পদার্থ যা মানুষের সরাসরি সংস্পর্শে এলে মস্তিষ্ক, কিডনি ও লিভারে বিশেষ ক্ষতি সাধন করে। উন্মুক্ত স্থানে সীসা পোড়ানোর ব্যাপারে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা উচিত। এই নীতিমালার অধীনে সীসা উৎপাদন ও বিপননে কঠোর তদারকি দরকার। উন্মুক্ত স্থানে ব্যাটারি পোড়ানোর ফলে এই ভারী ও বিষাক্ত পদার্থ সীসা আমাদের খাদ্য চক্র ও জীবন চক্রে ঢুকে পড়ছে। যার নেতিবাচক প্রভাব সুদূরপ্রসারী। এ বিষয়ে আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

উল্লেখ্য,দীর্ঘ সময় ধরে পুরনো ও পরিত্যক্ত ব্যাটারি থেকে সীসা আহরণ কারখানাগুলো দেশে নিদারুণ দূষণ ও প্রাণহানি ঘটিয়ে চলেছে। এসব কারখানা গড়ে উঠছে দেশের সর্বত্র, কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই। মানছে না বিদ্যমান পরিবেশ আইন। জনস্বাস্থ্য, প্রাণবৈচিত্র্য ও বাস্তুতন্ত্র তছনছ করে দিচ্ছে। শালবন থেকে হাওর, পাহাড় থেকে নদী অববাহিকা, কৃষিজমি থেকে বন্দর নানা স্থানে গড়ে ওঠা এসব ব্যাটারি কারখানার মাধ্যমে মানুষসহ প্রাণীর শরীরে ঢুকছে সীসার বিষ, প্রতিবেশ ব্যবস্থায় ঘটছে গোলমাল। সব ব্যাটারি কারখানাই গড়ে উঠেছে বসতি এলাকায়। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এসব ব্যাটারি কারখানার অধিকাংশেরই কোনো পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নেই, কারখানায় পরিবেশ আইন অনুযায়ী কোনো বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পদ্ধতি নেই। মাঝেমধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এসব কারখানাকে জরিমানা করছে কিংবা সিলগালা করে বন্ধ করে দিচ্ছে। এভাবে দেশের নানা প্রান্তে গড়ে ওঠা পুরনো ব্যাটারি কারখানার মাধ্যমে যদি দেশের সর্বত্র সীসার বিষ ছড়িয়ে পড়ে, তবে তা গবাদি প্রাণিসম্পদ, মানুষ থেকে শুরু করে প্রকৃতিতে তৈরি করবে এক নিদারুণ বিশৃঙ্খলা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. জুন ২০২২ ০৮:২৬:পিএম ৪ বছর আগে
মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা : কারাগারেই থাকছেন মেয়র মুক্তি - Ekotar Kantho

মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা : কারাগারেই থাকছেন মেয়র মুক্তি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত থাকবে বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে তার জামিন বিষয়ে রুল তিন সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্ট বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক মেয়র মুক্তিকে কারাগারেই থাকতে হচ্ছে।

সোমবার (১৩ জুন) সকালে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।
আদালতে মুক্তির পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত দেবনাথ।

এর আগে গত ২৮ এপ্রিল ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। একইসঙ্গে মামলাটি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

গত ২৭ এপ্রিল এই মামলায় সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে জামিন দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে হাইকোর্টের জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ মুক্তিকে জামিন দেন। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারি তার অন্তর্বর্তী জামিন বাতিল হয়। এরপর হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন মুক্তি।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি নিহত হন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদ। তার গুলিবিদ্ধ লাশ কলেজপাড়ার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে। আদালতে এ দুই আসামির দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যার সঙ্গে জড়িত সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা। তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন এবং ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে।

পরে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তার অপর তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিন পেয়ে মুক্ত আছেন। তাদের অপর দুই ভাই আত্মগোপনে রয়েছে।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. জুন ২০২২ ০৭:০৩:পিএম ৪ বছর আগে
‘বারসো রে মেঘা মেঘা’ গানে নেচে ভাইরাল ভাসানীর ৬ ছাত্রী - Ekotar Kantho

‘বারসো রে মেঘা মেঘা’ গানে নেচে ভাইরাল ভাসানীর ৬ ছাত্রী

একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভারতীয় জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী এ আর রহমানের ‘বারসো রে মেগা মেগা’ হিন্দি গানে নেচে ভাইরাল হলেন এ বিশ্ববিদ্যালয়েরই ৬ ছাত্রী।

নাচের ভিডিওটি রোকসানা রহমান রিমি নামের ফেসবুক আইডি থেকে সম্প্রতি ভাইরাল হয়।

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গঠিত ড্যান্স ক্লাব নৃত্যধারার সদস্যদের আয়োজন ও অংশগ্রহণে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন লোকেশনে ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছে।
লেখাপড়ার পাশাপাশি নাচের এমন চর্চা নিয়ে জেলার সাংস্কৃতিক অঙ্গণে বেশ প্রশংসা কুড়াচ্ছেন ওই শিক্ষার্থীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নৃত্যধারার ড্যান্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা রোকসানা রহমান রিমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্রী। তিনি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আব্দুর রহমানের মেয়ে।
ওই নাচে অংশ নেওয়া অন্যান্যরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্রী শাহনাজ সুলতানা রুবি, ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ছাত্রী মাইমুনা জীবন একান্ত, পরিসংখ্যান দ্বিতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ছাত্রী শাওলী ইসরাত, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের ছাত্রী ইসরাত ফারজানা অপু, গণিত বিভাগের প্রথম বর্ষ ও প্রথম সেমিস্টারের ছাত্রী সুমাইয়া খান
রোববার (১২ জুন) সন্ধ্যায় এ বিষয়ে নৃত্যধারা ড্যান্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী রোকসানা রহমান রিমি জানান ছোট বেলা থেকেই নাচ তার ফ্যাশন ছিল। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন ড্যান্স ক্লাব ছিল না। এ কারণে তিনি উদ্যোগ নিয়ে ২০১৯ সালে ১৫ জানুয়ারি নৃত্যধারা ড্যান্স ক্লাবটি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে ক্লাবের সদস্য সংখ্যা ৫৪জন।

তিনি বলেন, তিনি বেশ কয়েকটি ন্যাশনাল ড্যান্স কমপিটিশনে অংশগ্রহণ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পরিচিতি বৃদ্ধির লক্ষে তারা ভারতীয় জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী এ আর রহমানের ‘বর্ষারে ভিগা ভিগা’ হিন্দি গানে নেচে প্রচার করেছেন। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চার বিষয়টিও প্রকাশ পাবে।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. জুন ২০২২ ০৬:২১:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।