/ মূলপাতা / জাতীয়
সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর - Ekotar Kantho

সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর করেছেন আদালত।সোমবার (১৯ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌশুলী মনিরুল ইসলাম খান জানান, ফারুক হত্যা মামলায় গত বছরের ২ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণের পর আদালত সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে আরো নয় বার তার জামিন আবেদন আদালত নামঞ্জুর করেন।  বৃহস্পতিবার( ১৫ জুলাই) সহিদুর রহমান খান মুক্তির পক্ষে তার আইনজীবীরা আদালতে জামিন আবেদন করেন। আদালত সোমবার শুনানি শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

সহিদুর রহমান খান মুক্তির পক্ষে আইনজীবি আব্দুল বাকী মিয়া, আরফান আলী মোল্লা, শফিকুল ইসলাম রিপন, আনন্দ মোহন আর্য্য শুনানিতে অংশ নেন। তারা যে কোনো শর্তে মুক্তির জামিন মঞ্জুরের দাবি জানান।

রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত সরকারি কৌশুলী মনিরুল ইসলাম খান, বাদীপক্ষের আইনজীবী আব্দুল গফুর ও রফিকুল ইসলাম জামিন আবেদনের বিরোধিতা করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়া বাসার সামনে থেকে উদ্ধার করা হয়। এ হত্যকান্ডের তিনদিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুইজনকে গ্রেফতার করে। আদালতে দুইজনের দেওয়া স্বীকারোক্তিতে এ হত্যার সঙ্গে তৎকালীন এমপি আমানুর রহমান খান রানা, তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। এরপর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন।প্রায় তিন বছর হাজত বাসের পর জামিনে মুক্তি পান।

সহিদুর রহমান খান মুক্তি এ হত্যা মামলার প্রধান আসামি সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানার ভাই এবং টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি আতাউর রহমান খানের ছেলে।সহিদুর রহমান খান মুক্তি গত বছরের ২ ডিসেম্বর  টাঙ্গাইলের নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। তার অন্য দুই ভাই এখনো পলাতক।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. জুলাই ২০২১ ০২:০১:এএম ৩ বছর আগে
জমে উঠেছে ‘ভুরভুরিয়া’ গরু-ছাগলের হাট - Ekotar Kantho

জমে উঠেছে ‘ভুরভুরিয়া’ গরু-ছাগলের হাট

একতার কণ্ঠঃ জমে উঠেছে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ভুরভুরিয়া গরু-ছাগলের হাট। প্রতিবারের মতো এবছরও কোরবানীর পশুর ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাঁকডাকে মুখর হয়ে উঠেছে এই হাট।বাদ যায়নি পাইকার ও দালালদের আনাগোনা।আসন্ন ঈদুল-আজহা উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলায় বেশ কয়েকটি কোরবানীর পশুর হাট বসানোর অনুমোদি দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এর মধ্যে ভুরভুরিয়ায় অবস্থিত গরু-ছাগলের হাট অন্যতম ।

শনিবার(১৭ জুলাই) থেকে শুরু হয়েছে এই পশুর হাটটি।চলবে আগামী মঙ্গলবার(২০ জুলাই) ঈদুল-আজহার আগের দিন পর্যন্ত।এ হাটের সাথে টাঙ্গাইল,মানিকগঞ্জ সহ দেশের বিভিন্ন অংশের যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত ভালো।টাঙ্গাইল-নাগরপুর আঞ্চলিক সড়কের পাশে, টাঙ্গাইল সদর থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দুরে এই হাটের অবস্থান ।ফলে হাট বসার দ্বিতীয় দিনেই রবিবার(১৮ জুলাই) গরু-ছাগল নিয়ে হাজির জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সাধারন কৃষক-খামারী। আদরে পালন করা খাসি নিয়ে হাটে হাজির বেশ কয়েকজন গৃহবধু।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভুরভুরিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রায় ২ একর জায়গায় বসেছে গরুর হাট। বিদ্যালয় মাঠের পাশে মাছ বাজারে বসানো হয়েছে ছাগলের হাট। বিদ্যালয় ভবনেই পাইকার ও বিক্রেতাদের থাকার ব্যবস্থা করেছে হাট কতৃপক্ষ। যে কোন মূল্যের গরুর জন্য রওনা(খাজনা) ৫ শত টাকা আর ছাগল-খাসির জন্য ৩ শত টাকা ধার্য করেছেন হাট কতৃপক্ষ। এতে হাটে পশু কিনতে আশা ক্রেতাগণ অত্যন্ত খুশী। ইতিমধ্যে সারি সারি কোরবানীর গরুতে ভরে গেছে হাট প্রাঙ্গন। ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে পশু কেনা নিয়ে দরদাম চলছে। জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ট্রাকে করে গরু এনে নামাচ্ছেন খামারীগণ।বেশ একটা উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা যায় হাট জুড়ে। পাশের মাছের বাজারে বসেছে ছাগল-খাশির হাট। এখানে বেশ কয়েকজন গৃহবধু খাসি নিয়ে এসেছেন বেচার জন্য। খাশির হাটও জমজমাট।

টাঙ্গাইল শহরের মুসলিম পাড়া থেকে হাটে গরু কিনতে আসা রাশেদ সিদ্দিকি বলেন,তিনি প্রতি বছর এই হাট থেকে কোরবানীর গরু কেনেন। এবার তিনি দেখতে এসেছেন গরুর দাম কেমন যাচ্ছে। যদি দামে মিলে যায় তবে এখান থেকেই এ বছরও কোরবানীর গরু কিনবেন।

তিনি আরো বলেন, এখানে যে কোন মূল্যের গরুর রওনা(খাজনা) মাত্র ৫ শত টাকা। যোগায়োগ ব্যবস্থাও ভালো। সহজেই গরু কিনে বাড়ী ফেরা যায়। হাট ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত ভালো। করোনা কালে শহরের ভিড় এড়িয়ে তাই আগে ভাগেই তিনি খোলামেলা এই হাটে এসেছেন কোরবানীর গরু কেনার জন্য।

এ ছাড়া পাথরাইল ইউনিয়নের বান্দাবাড়ী গ্রামের তাহেরুল ইসলাম,রেজাঊল করিম ও এনামুল হক পাশের অলোয়া বকুলতলী গ্রামের মোঃ ফজলুল হক, নাগরপুরের ভাররার আব্দুল মান্নান, বাঘিল ইউনিয়নের পাইকমুড়িল গ্রামের কবির খান, কাতুলির চৌবাড়ীয়া গ্রামের রাশেদ দেওয়ান জানান, এখানে অন্যন্য হাটের তুলনায় কোরবানীর পশুর দাম তুলনামূলক ভাবে অনেক কম।যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো, কোন ধরনের উটকো ঝামেলা নেই এই হাটে। তাই প্রতি বছর এই হাটেই আসেন তারা কোরবানীর গরু-ছাগল কিনতে।

গরু বিক্রেতা বান্দাবাড়ী গ্রামের আনোয়ার হোসেন বেপারী, সিলিমপুর ইউনিয়নের বরুহা গ্রামের মোনসের আলী গরু নিয়ে এসেছেন এই হাটে। আশা করছেন, তাদের গরু ভালো দামে বিক্রি হয়ে যাবে। ক্রেতার উপস্থিতি নিয়ে তারা সন্তষ্ট। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি গরু বিক্রি করেছেন তারা।

সিলিমপুর ইউনিয়নের চর পাকুল্ল্যা গ্রামের গৃহবধু হামিদা বেগম তার আদরে লালন-পালন করা খাসি নিয়ে এসেছেন ভুরভুরিয়া হাটে। তিনি তার খাসির দাম চাচ্ছেন ১৬ হাজার টাকা। তার আশা, এই দামেই তিনি খাসিটি বিক্রি করতে পারবেন।

বরুহা গ্রামের মীর শফিকুল ইসলাম জানান, এবছর কোরবানী দেওযান জন্য ১২ হাজার ৭ শত টাকা দিয়ে একটি খাসি কিনেছেন এই হাট থেকে। বাড়ি ফেরার পথে জানালেন, হাটের পরিবেশ ভালো। কোন রকম ঝামেলায় পড়তে হয়নি খাসি কিনতে গিয়ে।

ভুরভুরিয়া হাট পরিচালনা কমিটির সদস্য মোঃ শামিম-আল-মামুন জানান, ২০১১ সালে ভুরভুরিয়া হাটটি জেলা প্রশাসনের অনুমোদি নিয়ে বসানো হয়।হাটের আয়ের টাকা দিয়ে মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান নিম্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারীদের বেতন ভাতা দেওয়া হয়।বিদ্যালয়টি এমপিও ভূক্ত না হওযায় হাটের আয়ের টাকা দিয়েই বিদ্যালয়ের সমস্ত ব্যয় নির্বাহ করা হয়।অন্য কোন খাতে এই হাটের আয়ের টাকা ব্যয় করা হয় না।

উল্লেখ,সরকারি হিসেবে জেলায় কোরবানির জন্য ৮৪ হাজার ২২০টি(গত দুই বছরের অনুপাতে) পশুর চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বেসরকারি হিসেবে এর সংখ্যা প্রায় দেড় লাখ। জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানাগেছে, টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলায় ছোট-বড় ৬ শতাধিক গরু মোটাতাজা করণের খামার রয়েছে। খামারগুলোতে ৯৫ হাজার ২০০ কোরবানির গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া জেলার কৃষক পর্যায়ে প্রায় ৫০ হাজার পশু মোটাতাজা করে কোরবানির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. জুলাই ২০২১ ০৪:৪৪:এএম ৩ বছর আগে
২৪ ঘণ্টায় বঙ্গবন্ধু‌ সেতু‌তে টোল আদায় ৩ কো‌টি টাকা - Ekotar Kantho

২৪ ঘণ্টায় বঙ্গবন্ধু‌ সেতু‌তে টোল আদায় ৩ কো‌টি টাকা

একতার কণ্ঠঃদে‌শে লকডাউন শি‌থিল হওয়ায় মহাসড়‌কে বেড়েছে প‌রিবহন চলাচল। এতে দে‌শের বৃহৎ বঙ্গবন্ধু সেতু‌তে ‌রেকর্ড প‌রিমাণ প‌রিবহন পারাপার হ‌য়ে‌ছে। শুক্রবার (১৬ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে শ‌নিবার (১৭ জুলাই) সকাল ৬টা পর্যন্ত সেতু দি‌য়ে প্রায় ৩৪ হাজার প‌রিবহন পারাপার হ‌য়ে‌ছে। এ সময় টোল আদায় হ‌য়ে‌ছে ২ কো‌টি ৯২ লাখ ৭৪ হাজার ৮০০ টাকা।

সেতু কর্তৃপক্ষ সূ‌ত্রে জানা গে‌ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর দি‌য়ে বাস, ট্রাক ও অন্যান্য প‌রিবহন মি‌লে ৩৩ হাজার ৯১২‌টি প‌রিবহন পারাপার হ‌য়ে‌ছে। এ‌তে সেতু‌তে টোল আদায় হ‌য়ে‌ছে ২ কো‌টি ৯২ লাখ ৭৪ হাজার ৮০০ টাকা।

এর ম‌ধ্যে সেতুর পূর্বপা‌ড়ে ১৭ হাজার ৫১৩টি প‌রিবহ‌নের বিপরী‌তে টোল আদায় হ‌য়ে‌ছে ১ কো‌টি ৪৬ লাখ ৫ হাজার ১১০ টাকা এবং সেতুর প‌শ্চি‌মে ১৬ হাজার ৩৯৯‌টি প‌রিবহ‌নের বিপরী‌তে টোল আদায় হ‌য়ে‌ছে ১ কো‌টি ৪৬ লাখ ৬৯ হাজার ৬৯০ টাকা।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপ‌ক্ষের বঙ্গবন্ধু সেতুর সাইট কার্যাল‌য়ের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পা‌ভেল জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সেতু দি‌য়ে রেকর্ড প‌রিমাণ প‌রিবহন পারাপার হ‌য়ে‌ছে। শনিবার(১৭ জুলাই) যে প‌রিমাণ গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত প‌রিবহন সেতু পারাপার হয়েছে তা‌তে আগামী ২৪ ঘন্টায় আ‌রও বে‌শি হ‌বে টোল আদায় হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. জুলাই ২০২১ ০২:১২:এএম ৩ বছর আগে
শেখ হাসিনার মানবিক সহায়তা সারা বিশ্বে এক অনন্য নজির: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

শেখ হাসিনার মানবিক সহায়তা সারা বিশ্বে এক অনন্য নজির: কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ  ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, করোনাকালে অসহায়, গরীব-দুঃস্থ, খেটে খাওয়া ও কর্মহীন মানুষকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে খাদ্য ও নগদ অর্থসহ মানবিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন তা সারা বিশ্বে এক অনন্য নজির। দেশে খাদ্য নিয়ে কোন হাহাকার নেই। তারপরও এই ঈদুল আযহাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১ কোটির বেশি পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী চান, ঈদের দিনে কোনক্রমেই যাতে দেশের একটি মানুষকেও না খেয়ে থাকতে না হয়।

তিনি বলেন, করোনার সংক্রমণরোধে আরোপিত লকডাউনে শ্রমজীবী ও স্বল্প আয়ের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আয়ের পথ সংকুচিত হয়েছে। অনেক মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনার শুরু থেকেই খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা নিয়ে অব্যাহতভাবে এসব মানুষের পাশে আছেন।

শনিবার (১৭ জুলাই) সকালে তাঁর বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার যদুনাথপুর ইউনিয়নে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় গরীব অসহায় ব্যক্তি, দুঃস্থ পরিবার ও উপকারভোগীদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

যদুনাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মীর ফিরোজ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ধনবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ হীরা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সামিউল হক, মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা ইয়াসমিন, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. জুলাই ২০২১ ০২:৫৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে করোনায় অর্থাভাবে শিশু বিক্রি করলেন বাবা-মা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে করোনায় অর্থাভাবে শিশু বিক্রি করলেন বাবা-মা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার নগদাশিমলা ইউনিয়নের সৈয়দপুর পূর্বপাড়া গ্রামে করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে অর্থাভাবে ৪৫ হাজার টাকায় তিন মাস বয়সী নিজের সন্তানকে বিক্রি করার ঘটনা ঘটেছে। এ খবর পেয়ে শিশুটি বিক্রি করার ১৬দিন পর স্থানীয় প্রশাসন শুক্রবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যায় শিশুটিকে উদ্ধার করে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিয়েছে।

জানা যায়, গোপালপুর উপজেলার নগদাশিমলা ইউনিয়নের সৈয়দপুর পূর্বপাড়া গ্রামের দিন মজুর শাহ আলম ও রাবেয়া দম্পতির তিন পুত্র সন্তান রয়েছে। দিন মজুর শাহ আলমের উপার্জনে পাঁচজনের সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। এর মধ্যে করোনায় কয়েক মাস ধরে শাহ আলম বেকার। বেকার অবস্থায় তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। পাওনাদাররা প্রতিদিনই টাকার জন্য তাগিদ দিচ্ছিল। হতাশায় তিনি মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন।

শিশুর মা রাবেয়া জানান, তার স্বামী শাহ আলম পাওনা টাকা পরিশোধ ও সংসারের অভাব-অনটনের কারণে তিন মাস বয়সী শিশু আলহাজকে বাইশকাইল গৈজারপাড়া গ্রামের সবুজ মিয়া ও স্বপ্না দম্পতির কাছে ৪৫ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন।

গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, সবুজ ও স্বপ্না দম্পতি নিঃসন্তান। তারা শাহ আলম-রাবেয়া দম্পতির অভাব-অনটনের সুযোগ নিয়ে টাকার বিনিময়ে শিশুটি কিনে নেন। আদালতের অনুমতি নিয়ে দত্তক নেওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু তারা তা করেননি। এ কারণে প্রশাসন সবুজ মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে শিশু আলহাজকে উদ্ধার করে মা রাবেয়া বেগমের কোলে তুলে দেয়। মানবিক দিক বিবেচনায় থানায় কোন মামলা নেওয়া হয়নি।

গোপালপুর উপজেলার নির্বাহী অফিসার পারভেজ মল্লিক জানান, ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে দারিদ্রতা। পরিবারটিকে সার্বিকভাবে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। রাবেয়া বেগমকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে আয়া পদে চাকুরির ব্যবস্থা করা হয়েছে। নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তাও দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি জানান, প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত ওই শিশুর যাবতীয় ভরণপোষণ ও লেখাপড়ার দায়িত্ব প্রশাসনের পক্ষ থেকে বহন করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. জুলাই ২০২১ ০২:৪৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাদকাসক্ত যুবকের হাতে নির্মাণ শ্রমিক খুন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাদকাসক্ত যুবকের হাতে নির্মাণ শ্রমিক খুন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলায় শরিফ মিয়া (৩০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে মো. মোন্তাজ মিয়া নামে এক মাদকাসক্ত যুবককে আটক করেছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার এলাসিন ইউনিয়নের মুশুড়িয়া গ্রামে ওই খুনের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, মুশুড়িয়া গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের নেশাগ্রস্থ ছেলে মো. মোন্তাজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে হাতে দা নিয়ে এলাকায় ঘোরাফেরা করছিলেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মুশুড়িয়া দক্ষিণপাড়া খেলার মাঠে মো. সোনা মিয়ার ছেলে নির্মাণ শ্রমিক শরিফকে পেয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। এসময় শরিফের গলার বেশিরভাগ অংশই কেটে যায়। এ অবস্থায় দৌড়ে মাঠের পাশে সোমেজ সিকদারের বাড়ির উঠানে গিয়ে পড়ে যান তিনি। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

সোমেজ সিকদার জানান, রাতে শব্দ পেয়ে ঘুম থেকে জেগে বাইরে এসে দেখেন যে পাশের বাড়ির মোন্তাজ হাতের দা ঘুরাচ্ছেন। বাড়িতে রক্তাক্ত ও নিথর অবস্থায় পড়ে আছেন শরিফ। এসময় তারা চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে জড়ো হন। মোন্তাজ পরে বাড়ি গিয়ে দা হাতে ঘরের ভেতর অবস্থান নেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার দা’য়ের কোপে এক পুলিশ সদস্য আহত হন।

দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিসুর রহমান জানান, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনায় জড়িতকে গ্রেফতার করা হয়। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শুক্রবার(১৬ জুলাই) সকালে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. জুলাই ২০২১ ০৩:৪৮:এএম ৩ বছর আগে
আলোচিত সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা এসি আকরামের মৃত্যু - Ekotar Kantho

আলোচিত সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা এসি আকরামের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ দেশের শীর্ষ সন্ত্রাসী সুইডেন আসলাম, বিকাশ, ইমদু, গালকাটা কামাল, হান্নান, লিয়াকত, আগা শামীম, বাস্টার্ড সেলিম, হোয়াইট বাবু, সুব্রত বাইন, কালা জাহাঙ্গীর, পিচ্চি হান্নান ও মুরগী মিলনসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে জাতীয়   পুরস্কার পাওয়া আলোচিত পুলিশ বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আকরাম হোসাইন (এসি আকরাম) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।শুক্রবার (১৬ জুলাই) সকালে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া গ্রামের মরহুম মৌলভী হাবিবুর রহমানের ছেলে। দুপুরে তার ছোট ভাই সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোর্শেদ আলম দুলাল মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মোর্শেদ আলম দুলাল জানান, কয়েক বছর আগে তার কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। গত ৭ জুলাই তার কিডনিতে সমস্যা হলে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ওই দিন সন্ধ্যায় নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার তার মৃত্যু হয়।মৃত্যুকালে স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শুক্রবার বাদ আছর হুগড়া হাবিব কাদের উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

উল্লেখ্য,  পুলিশ বাহিনীতে দায়িত্বপালনকালে আকরাম হোসানইন বিপিএম (বার) ও পিপিএম (বার) পদক পেয়েছেন। এ ছাড়াও দেশের চার রাষ্ট্র প্রধান প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, প্রেসিডেন্ট হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ, প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকেও জাতীয় পুরস্কারসহ একাধিক পদক গ্রহণ করেছেন।

১৯৮১ সালের ৫ জানুয়ারি আকরাম হোসাইনকে প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদকে (পিপিএম) ভুষিত করেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। ১৯৮২ সালের ২৩ মার্চ আকরাম হোসাইনকে শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসার হিসেবে জাতীয় পদকে ভূষিত করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শাহ আজিজুর রহমান। ১৯৯২ সালের ৪ জানুয়ারি আকরাম হোসাইনকে প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদকে (পিপিএম) ভুষিত করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।

১৯৯৮ সালের ৮ মার্চ আকরাম হোসাইনকে বাংলাদেশ পুলিশ পদকে (বিপিএম) ভূষিত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়াও তিনি জাতীয় স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে সংগঠনের কমিটমেন্ট পদক, জাতীয় মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার স্বর্ণপদকও লাভ করেন তিনি।

১৯৯৭ সালে সরকার কর্তৃক ধরিয়ে দেয়ার জন্য পুরস্কার ঘোষিত চার সন্ত্রাসীর মধ্যে ৩ জন সুইডেন আসলাম, জোসেফ ও বিকাশকে গ্রেফতার করেও সুনাম অর্জন করেন। পরবর্তীকালে সরকার ঘোষিত দেশের ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর মধ্যে ১৭ জনকে গ্রেফতার করে দেশে অন্যান্য নজির স্থাপন করেন এসি আকরাম।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. জুলাই ২০২১ ০২:১২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ২৪ ঘন্টায় করোনা ও উপসর্গে আরও ১১ জনের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ২৪ ঘন্টায় করোনা ও উপসর্গে আরও ১১ জনের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃটাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। তাদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৮ জন ও উপসর্গ নিয়ে ৩ জন মারা গেছেন। এদিন জেলায় ৫৬৪টি নমুনা পরীক্ষায় ১৮৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৩৩ দশমিক ১৫ শতাংশ। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, নতুন আক্রান্ত ১৮৭ জনের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৮২ জন, মির্জাপুরে ৩৩, মধুপুরে ৩২, ঘাটাইলে ১৫, দেলদুয়ারে ১০, কালিহাতী ও নাগরপুরে চার জন করে, বাসাইল ও ভূঞাপুরে তিন জন করে ও সখীপুর উপজেলায় এক জন রয়েছেন।

জেলায় এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৩৭৩ জন। আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন পাঁচ হাজার ৯৭৯ জন। এ পর্যন্ত জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৮৪ জন। জেলার হাসপাতালগুলোতে করোনা রোগী ভর্তি র

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. জুলাই ২০২১ ০২:৩৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে অগ্নিকান্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে অগ্নিকান্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটের আইসিইউতে বৃহস্পতিবার(১৫ জুলাই) বিকাল সোয়া ৩টার দিকে অগ্নিকান্ড সংঘটিত হয়েছে। খবর পেয়ে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ১৫ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় আইসিইউতে থাকা রোগীদের কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। হাসপাতালের করোনা ইউনিটের আইসিইউতে হাইভোল্টেজ ন্যাসাল ক্যানুলার প্লাগে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস।

হাসপাতালে অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি, সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ সহ দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

সরেজমিনে দেখা গেছে, হাসপাতালের করোনা ডেডিকেডেট ইউনিটের আইসিইউতে আগুন লাগায় সেখানকার ১০ জন রোগীকেই বাইরে বের করে এনে খোলা আকাশের নিচে বিকল্পভাবে অক্সিজেন লাগিয়ে রাখা হয়েছে। পরে তাদের দ্রুত সরিয়ে অন্য ওয়ার্ডে স্থানান্তর করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

অগ্নিকান্ডের পর খোলা আকাশের নিচে করোনা রোগী

হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে দীর্ঘদিন আগে বিদ্যুতের ওয়ারিং করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে বিদ্যুতের কোন সংস্কার কাজ করা হয়নি। এর মধ্যেই হাসপাতালে আইসিইউ ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল ফারার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ১৫ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- হাইফ্লো নেজাল ক্যানোলায় বৈদ্যুতিক ডিভাইস থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান জানান, আইসিইউ ওয়ার্ডে ১০ জন করোনা রোগী ভর্তি ছিল। আগুন লাগার সাথে সাথে তাদেরকে আইসিইউ থেকে দ্রুত সরিয়ে ফেলা হয়। বর্তমানে তাদেরকে অন্য ওয়ার্ডে স্থানান্তর করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অগ্নিকান্ডের পর আইসিইউ বন্ধ রয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব আইসিইউ ওয়ার্ড প্রস্তুত করা হবে।

ট্রলিতে করে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে করোনা রোগীকে

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গণি জানান, হাসপাতালের অগ্নিকান্ডে কোন প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। অগ্নিকান্ডের ঘটনায় পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি আগামি তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. জুলাই ২০২১ ১১:২৭:পিএম ৩ বছর আগে
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৫ কিলোমিটার যানজট - Ekotar Kantho

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৫ কিলোমিটার যানজট

একতার কণ্ঠঃ অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের প্রায় ১৫ কিলোমিটার জুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়েছে বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) থেকে গণপরিবহন চালু হওয়ায় মহাসড়ক আগের রূপে ফিরে এসেছে।

এ সড়কের পাকুল্যা থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত এ যানজট রয়েছে। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। বৃহস্পতিবার সকালে মহাসড়কের আশেকপুর, ঘারিন্দা, রাবনা, বিক্রমহাটি, রসুলপুর, পৌলি ও এলেঙ্গা এলেকায় ঘুরে যানজটের এ চিত্র দেখা যায়।

একাধিক যানবাহনের চালকরা জানান, মহাসড়কের করটিয়া থেকে উত্তরবঙ্গের দিকে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। মাঝে মধ্যেই আবার যানজট ছেড়ে যাচ্ছে। আবার কোথাও কোথাও ধীরগতির সৃষ্টি হচ্ছে। গণপরিবহন চালু হওয়ায় সড়কে যাত্রীদের যাতায়াত বেড়েছে। এজন্য মহাসড়ক আগের রূপেই ফিরে আসতে শুরু করেছে।

তবে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম ও এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত যানজটের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তারা বলেন, গাড়ির চাপ থাকলেও এখন সড়ক স্বাভাবিক রয়েছে। যানবাহন স্বাভাবিক গতিতেই চলাচল করছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. জুলাই ২০২১ ০৯:০৭:পিএম ৩ বছর আগে
লতিফ সিদ্দিকীর দখল থেকে উদ্ধার জমিতে শেখ রাসেল শিশুপার্কের দাবিতে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

লতিফ সিদ্দিকীর দখল থেকে উদ্ধার জমিতে শেখ রাসেল শিশুপার্কের দাবিতে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর দখল থেকে উদ্ধার করা ৬৬ শতাংশ জমিতে শেখ রাসেল শিশুপার্ক প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী। রবিবার (১১ জুলাই) দুপুরে বৃহত্তর আকুরটাকুর পাড়া ও টাঙ্গাইলবাসীর ব্যানারে জেলা সদর রোডে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এরআগে গত বুধবার (৭ জুলাই) একই দাবিতে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের কাছে স্থানীয় দেড় শতাধিক ব্যক্তি সাক্ষরিত একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়। স্মরকলিপির অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সহ বিভিন্ন দপ্তর ও জেলার জনপ্রতিনিধিদের কাছে দেওয়া হয়েছে। একই দাবিতে আগামি শুক্রবার (২৩ জুলাই) বৃহত্তর আকুর টাকুরপাড়ার উদ্যোগে গণসমাবেশ আহ্বান করা হয়েছে।

রবিবার দুপুর ১২টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মানবন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম, কেএম জাকিরুল ইসলাম সংগ্রাম, মো. ওয়ালিদ হোসেন, গাজী সালাহ উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম স্বপন, এনামুল কবীর, ওয়ালিদ হোসেন, আকরাম হোসেন কিসলু প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, টাঙ্গাইল শহরের বৃহত্তর আকুর টাকুরপাড়া সবচেয়ে ঘণবসতিপূর্ণ এলাকা। এখানে শিশুদের বিনোদনের কোন জায়গা নেই। প্রাজ্ঞ রাজনীতিক আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর দখল থেকে উদ্ধার করা ৬৬শতাংশ জমিতে জেলা প্রশাসন প্রথমে শেখ রাসেল শিশুপার্ক নির্মাণ করার ঘোষণা দিলে আমরা উৎফুল্ল হয়েছিলাম। কিন্তু পরে জেলা প্রশাসন ওই জমি পৌরসভাকে বার্ষিক ইজারা দেয়। পৌরসভা সেখানে কাঁচাবাজার করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ৬৭টি দোকান এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য উন্মুক্ত শেড নির্মাণকাজ শুরু করেছে।

বক্তারা আরও বলেন, জায়গাটি হঠাৎ করে পৌরসভাকে ইজারা দেওয়ায় আমরা খুবই মর্মাহত হয়েছি। ওই জায়গায় শেখ রাসেল শিশুপার্ক নির্মান না করে কাঁচাবাজার বসানোর তীব্র নিন্দা ও ঘোরতর বিরোধিতা করছি। অবিলম্বে কাঁচাবাজারের শেড নির্মাণ বন্ধ করে শেখ রাসেল শিশুপার্ক নির্মাণের জন্য আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জুলাই ২০২১ ১০:২৩:পিএম ৩ বছর আগে
শিরোপা অবশেষে মেসির আর্জেন্টিনার - Ekotar Kantho

শিরোপা অবশেষে মেসির আর্জেন্টিনার

একতার কণ্ঠ: খেলা শেষ! লাখো কোটি চোখ খুঁজে ফিরছে লিওনেল মেসিকে। বছরের পর বছর ধরে এই একটি দৃশ্যের জন্য অপেক্ষা করেছিল তারা। লিওনেল মেসির একটি আন্তর্জাতিক ফাইনাল জয়। মেসির হাতে আন্তর্জাতিক শিরোপা-সম্ভবত ২১ শতকে সম্মিলিতভাবে দেখা সবচেয়ে বড় স্বপ্নগুলোর একটি। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের অনেক সমর্থকও এবার মেসির হাতে একটা শিরোপা দেখতে চেয়েছিলেন। সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে! মেসি এখন কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন। মারাকানার ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলকে ১–০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে তাঁর দল আর্জেন্টিনা।

সর্বশেষ ১৯৯৩ সালে কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতেছিল আর্জেন্টিনা। এরপর আরও চারবার ফাইনালে উঠলেও প্রতিবারই ফিরতে হয়েছে ব্যর্থ হয়ে। তবে এবার আর হতাশ হতে হয়নি আলেবিসেলেস্তাদের। ব্রাজিল থেকে শিরোপা হাতে নিয়েই ফিরবে তারা।

মারাকানায় ম্যাচ শুরুর আগে করোনা মহামারিতে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক। উভয় পক্ষই চেষ্টা করে প্রেসিংয়ে গিয়ে প্রতিপক্ষের পরিকল্পনার নষ্ট করতে। প্রথম দিকে বল দখলে ব্রাজিলের চেয়ে কিছুটা এগিয়েই ছিল আর্জেন্টিনা। তবে তাতে ব্রাজিলকে তেমন বিপদে পড়তে হয়নি। দ্রুতই লড়াইটা সমান সমান করে নেয় ব্রাজিলও। ম্যাচের প্রথম সুযোগটা পায় ব্রাজিলই। কাছাকাছি গিয়েও শটটা ঠিকঠাক নিতে পারেননি নেইমার। এ সময় বেশ কিছু হাফ চান্স তৈরি করেও গোল করতে পারেনি ব্রাজিল।

তবে ২২ মিনিটে ভুল করেননি আনহেল দি মারিয়া। প্রতি আক্রমণে দি পল লম্বা করে বল বাড়ান ডি মারিয়াকে লক্ষ্য করে। ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার রেনান লোদির ভুলে দি মারিয়া ঠিকই বল পেয়ে যান। এগিয়ে আসা গোলরক্ষক এদেরসন মাথার ওপর দিয়ে দারুণভাবে লব করে লক্ষ্যভেদ করেন এই পিএসজি তারকা। ২৯ মিনিটে আবারও গোলের কাছাকাছি পৌঁছে যান মারিয়া। তবে এবার ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারদের ফাঁদ এড়াতে পারেননি তিনি।

৩৪ মিনিটে নেইমারকে বিপজ্জনক জায়গায় ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন লেয়ান্দ্রো পেরেদেস। তবে ফ্রি কিক থেকে সুবিধা আদায় করতে ব্যর্থ হন নেইমার। প্রথমার্ধের বাকি সময়েও আর্জেন্টিনাকে বিপদে ফেলার মতো তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি ব্রাজিল। নেইমারসহ ব্রাজিলের আক্রমণভাগকে ঠিকই বোতলবন্দী করে রাখতে সক্ষম হয় আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডাররা।

বিরতির পর আক্রমণের ধার বাড়াতে রবার্তো ফিরমিনোকে মাঠে নামান তিতে। আক্রমণ–প্রতি আক্রমণে জমে উঠে লড়াই। তবে সমতা ফেরাতে উন্মুখ ব্রাজিল পর পর কয়েকটি আক্রমণে কোণঠাসা করে ফেলে আর্জেন্টিনাকে। ৫৪ মিনিটে রিচার্লিসন বল জালে জড়ালেও অফ সাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। একটু পর আবারও আর্জেন্টাইন গোলরক্ষককে পরীক্ষায় ফেলেন রিচার্লিসন।

৬৪ মিনিটে বিপজ্জনকভাবে ব্রাজিল ডি–বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন মেসি। তবে তাকে ঠেকিয়ে দেয় ব্রাজিল ডিফেন্ডাররা। দ্বিতীয়ার্ধে এগিয়ে থাকা আর্জেন্টিনা কিছুটা রক্ষণাত্মক কৌশলে খেলতে থাকে। এ সুযোগে ব্রাজিল চেষ্টা করে আক্রমণে গিয়ে সুযোগ তৈরির। কয়েকবার কাছাকাছিও গিয়েছিল তারা। শেষ দিকে গ্যাব্রিয়েল বারবোসার শট ফিরিয়ে দেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। ৮৮ মিনিটে গোল পেতে পারতেন মেসিও। কিন্তু গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় নেইমারদের।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. জুলাই ২০২১ ১১:৩০:পিএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।