/ হোম / জাতীয়
সাহসী সাংবাদিকতার জন্য শেরেবাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড পেলেন ইকবাল গফুর - Ekotar Kantho

সাহসী সাংবাদিকতার জন্য শেরেবাংলা গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড পেলেন ইকবাল গফুর

একতার কণ্ঠঃ সাহসী সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখায় শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ও সম্মাননা পেলেন সখীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি দৈনিক প্রথম আলোর প্রতিনিধি ইকবাল গফুর।

ঢাকাস্থ শেরেবাংলা একে ফজলুল হক গবেষণা পরিষদের উদ্যোগে শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর)  বিকেলে ঢাকার বিজয়নগর হোটেল অরনেট এর মিলনায়তনে ‘ বিশ্ব শান্তি দিবস ‘ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. নিজামুল হক নাসিম ইকবাল গফুরের হাতে এ অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে শেরেবাংলা একে ফজলুল হক গবেষণা পরিষদ এর পক্ষ থেকে অনুসন্ধানী ও সাহসী সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখায় গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২১ সম্মাননাপত্র, ক্রেস্ট প্রদান ও উত্তরীয় পরিয়ে দেয়া হয় সখীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও প্রথম আলোর সখীপুর প্রতিনিধি ইকবাল গফুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ১৫ জন সাংবাদিককে।

সাবেক তথ্য সচিব সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচাপতি মো. নিজামুল হক নাসিম।প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক কামাল উদ্দিন আহমেদ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পীরজাদা শহীদুল হারুন, পাঠ ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. শেখ মুহাম্মদ রেজাউল ইসলাম, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক লায়ন মজিবুর রহমান ,কবি শাহ আলম চুন্নু প্রমূখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক গবেষণা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা ও মহাসচিব মো. আর কে রিপন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:১৩:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে আ’লীগের দুই বিদ্রোহী প্রার্থী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে আ’লীগের দুই বিদ্রোহী প্রার্থী

একতার কণ্ঠঃ আসন্ন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছাড়াও আওয়ামী লীগের দুই বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন।

রবিবার (১১ সেপ্টেম্বর) জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারি রিটানিং কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসানের কাছ থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ফজলুর রহমান ফারুকের পক্ষে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি।

এছাড়াও চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলমগীর খান মেনু ও শহর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আহমদ সুমন মজিদ।

আহমেদ সুমন মজিদ আওয়ামী লীগ নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা মরহুম ফারুক আহমেদের বড ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে এএইচএম কামরুল হাসান জানান, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাবে। আগামি ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে জেলার ১৭২২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৯:৫৫:পিএম ৩ বছর আগে
ফারুক হত্যায় সাক্ষ্য দিলেন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিউলী রানী - Ekotar Kantho

ফারুক হত্যায় সাক্ষ্য দিলেন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিউলী রানী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সাক্ষ্য গ্রহন করেছেন আদালত। ওই জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নাম শিউলী রানী দাস। তিনি এই মামলার এক সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেছিলেন।

প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ পারভেজের আদালতে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিউলী রানী দাস সাক্ষ্য দেন। টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মনিরুল ইসলাম খান জানান, সাক্ষ্য প্রদানকালে শিউলী রানী দাস আদালতকে জানান— তিনি এই মামলার সাক্ষী আব্দুল ওয়াহেদের জবানবন্দি ১৬৪ ধারায় লিপিবদ্ধ করেছেন। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হলে তাকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা টাঙ্গাইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু ওবায়দা তার দেওয়া সাক্ষীর জেরার জন্য আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করেননি। পরবর্তী তারিখে জেরা করবেন বলে আদালতকে জানিয়েছেন।

সাক্ষ্য গ্রহণকালে কারাগারে থাকা এই মামলার আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান ওরফে মুক্তি এবং জামিনে থাকা আসামি সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জানান, ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার মোট ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে।

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজ পাড়া বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এই হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুই জনকে গ্রেপ্তার করে।

আদালতে এ দুই জনের দেওয়া স্বাীকারোক্তিতে এই হত্যার সঙ্গে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা, তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। এরপর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। সহিদুর ২০২০ সালের ডিসেম্বরে আত্মসমর্পণের পর থেকে কারাগারে রয়েছেন। তাদের অন্য দুই ভাই এখনও পলাতক।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৮:৪৮:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে খোলা বাজারে চাল ও আটা বিক্রির কার্যক্রম শুরু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে খোলা বাজারে চাল ও আটা বিক্রির কার্যক্রম শুরু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সরকারি ভাবে উপজেলা পর্যায়ে খোলা বাজারে চাল ও আটা বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার(১ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের বটতলা মোড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মুহম্মদ আতাউল গণি

এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ডক্টর মুহম্মদ আতাউল গণি জানান, চাল আমদানি খরচ ৩৬ থেকে ৩৭ টাকা হলেও ভর্তুকি মূল্যে বিক্রি হবে।
ওএমএসে মানসম্পন্ন চাল বিক্রি হবে জানিয়ে তিনি আরো ও জানান, বর্তমানে সরকারি পর্যায়ে চালের মজুত সর্বকালের সর্ববৃহৎ। পচার মতো চাল গোডাউনে নেই। মজুতকৃত চাল মানসম্পন্ন, ফলে মানুষ খাবে।ওএমএস যাতে সঠিকভাবে পরিচালিত হয়, সেজন্য উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে টিম গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া অবৈধ মজুতদার চিহ্নিত করতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ও জরিমানা করার জন্যও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এসময় টাঙ্গাইল পৌর মেয়র সিরাজুল হক আলমগীর ,পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রানুয়ারা খাতুন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন ।

উল্লেখ্য,টাঙ্গাইলের ৫২ টি ডিলারের মাধ্যমে এই খাদ্যপণ্য বিক্রি বিক্রি করা হবে। যেখানে প্রতি কেজি চাল ও আটা যথাক্রমে ৩০ টাকা ও ১৮ টাকা দরে পাওয়া যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২:৫৬:এএম ৩ বছর আগে
বঙ্গবন্ধু সারা বাংলাদেশের সকল জনগনের:বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

বঙ্গবন্ধু সারা বাংলাদেশের সকল জনগনের:বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী

একতার কণ্ঠঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম মঙ্গলবার(৩০শে আগস্ট) দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং জিয়ারত করেন।

কবর জিয়ারত শেষে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু আওয়ামী লীগের নয় সারা বাংলাদেশ সকল জনগণের।বঙ্গবন্ধু আমার রাজনৈতিক পিতা তাই পিতার কবর জিয়ারত করতে এসেছি। জাতির পিতার কবর যখন অযত্নে অবহেলিত ছিল তখন আমি কবর পরিস্কার করে ছিলাম। তখন পরিস্কার করার কেউ ছিল না।এখন অনেক নেতা গজিয়েছে তখন তারা ছিল না।আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ পরিবারের সকল শহীদদের আল্লাহতালা বেহেশত নসিব করুক। জাতির পিতার পরিবার সহ বাংলাদেশের সকল মানুষের কল্যান কামনা করছি।

এসময় পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও দলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বীর প্রতিক, যুগ্ম-সম্পাদক প্রিন্সিপাল ইকবাল সিদ্দিকী, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার,
শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী, টাঙ্গাইল জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি এডভোকেট রফিকুল ইসলাম সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য ১৯৯৯ সনে আওয়ামীলীগ ছাড়ার পরও প্রতি বছর একাধিকবার তিনি বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করতে যান। কিন্তু করোনার কারণে ২০২০-২১ সালে সেখানে যেতে পারেন নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. অগাস্ট ২০২২ ০১:৫০:এএম ৩ বছর আগে
খেলা হবে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে : শামীম ওসমান - Ekotar Kantho

খেলা হবে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে : শামীম ওসমান

একতার কণ্ঠঃ সংসদ সদস্য শামীম ওসমান ‌বিএন‌পিকে উ‌দ্দে‌শ্য করে বলেন, দেশে একটি খেলা এখন সম‌য়ের অ‌পেক্ষা। আর সেই খেলা হবে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে অসাম্প্রদায়িক শক্তির এবং মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির। একাত্তর, পঁচাত্তর এবং একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার খুনিরা সবাই এক। ওরা দেশে আবার খুনোখুনির খেলা শুরু করেছে।

সোমবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যার টাঙ্গাই‌লের গোপালপু‌রে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আসামিদের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে গোপালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্থানীয় সরকারি সূতি ভিএম পাইলট হাই স্কুল মাঠে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তি‌নি এসব কথা ব‌লেন।

শামীম ওসমান বলেন, বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার সৈনিকরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। তারাও খেলায় নামবে। সেই চূড়ান্ত খেলায় খুনিরা পরাস্ত হবে। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ আবারও জয়লাভ করবে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা শুধু দেশের সম্পদ নয়, আগামী প্রজন্মের জন্য আইডল। তিনি হেরে গেলে বাংলাদেশ পথ হারাবে। বাংলাদেশের পরিস্থিতি হবে আফগানিস্তানের চেয়েও ভয়াবহ। আমাদের সামনে এই যে মরণপণ খেলা অপেক্ষা করছে সেটির জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে। সবাইকে মাঠে নেমে খেলতে হবে। আর খেলায় খুনিরা নিশ্চিত হেরে যাবে।

উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক আব্দুল মোমেন। এ‌তে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খান এমপি।

বক্তৃতা করেন স্থানীয় এমপি ছোট মনির, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত শিকদার, আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশীদ, আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার সুরুজ প্রমুখ।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অগাস্ট ২০২২ ০২:৩৩:এএম ৩ বছর আগে
সয়াবিন তেলের দাম আবারও বাড়ল - Ekotar Kantho

সয়াবিন তেলের দাম আবারও বাড়ল

একতার কণ্ঠঃ আবারও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৭ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এ নিয়ে সয়াবিন তেলের দাম লিটার প্রতি দাঁড়াল ১৯২ টাকা।

মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) থেকে এ নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে মিলমালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন।

নতুন দাম অনুযায়ী, ১ লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম ৯ টাকা বেড়ে ১৭৫ টাকা, ১ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৭ টাকা বেড়ে ১৯২ টাকা, ৫ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৯৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ১ লিটার খোলা পাম তেলের দাম ৭ টাকা কমিয়ে ১৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত ৩ আগস্ট সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিল মিলমালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন।

দাম বাড়ানোর এ প্রস্তাব ৩ আগস্ট বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনকে (বিটিটিসি) দিয়েছে সংগঠনটি। এতে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৮০ টাকা, এক লিটারের বোতল সয়াবিন তেলের দাম ২০৫ টাকা এবং পাঁচ লিটারের বোতল ৯৬০ টাকা করার কথা বলা হয়েছিল।

এ বছর বোতলজাত সয়াবিন তেল সর্বোচ্চ লিটারে ২০৫ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। সম্প্রতি ভোজ্যতেলটির দাম দুই দফায় ২০ টাকা কমিয়েছে তেল কোম্পানিগুলো। এর মধ্যে সর্বশেষ গত ২১ জুলাই লিটারপ্রতি দর ১৪ টাকা কমানো হয়। সে সময়ে ১ লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৬৬ টাকা এবং ১ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৮৫ টাকা করা হয়। ৫ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৯১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া সেসময়েও পাম তেলের দাম ৬ টাকা কমিয়ে ১৫২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

সংবাদ সূত্র – “সময় টিভি” অনলাইন 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. অগাস্ট ২০২২ ০৭:৩৯:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলের দোকান সংস্কৃতিঃ মামুনুর রশিদ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের দোকান সংস্কৃতিঃ মামুনুর রশিদ

মামুনুর রশিদঃ আমার বাড়ি টাঙ্গাইল হলেও জন্মেছি টাঙ্গাইল থেকে দশ কিলোমিটার দূরে, বলতে গেলে তখনকার এক অজপাড়া গাঁয়ে। জ্ঞান হওয়ার পর কখন টাঙ্গাইল শহরে এসেছি, তা আজ আর মনে পড়ে না। তবে টাঙ্গাইলই আমার প্রথম দেখা শহর, প্রিয় শহর।

সেই ঘ্যাগের দালান, যার নিচতলায় ছিল একটা ছোট্ট রেস্টুরেন্ট- নাম নিরালা। যে কারণে বলা হতো নিরালার মোড়। শুনেছিলাম শহরের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে এখানে ভাস্কর্য হবে এবং মনোরম কিছু স্থাপনা হবে। এখন শোনা যাচ্ছে, সেই জায়গায় পৌরসভার উদ্যোগে ১৪ তলা শপিং কমপ্লেক্স হবে।

শহরময় সরু পাকা পথ এবং শহরের প্রধান পথটির সমান্তরালে একটি খাল। সারা বছর খালটায় পানি থাকত। গ্রাম থেকে লোকজন নৌকা করে যাওয়া-আসা করত। খালটি দীর্ঘদিন হলো বুজিয়ে দেওয়া হয়েছে। বড় একটা দালান ছিল ঘ্যাগের দালান। সেখানে বড় বড় অক্ষরে লেখা ছিল, ‘আর চিন্তা নাই ঘ্যাগের ওষুধ পাওয়া গেছে’। দালানের দক্ষিণ দিকে কিছু দোকানপাট এবং রাস্তাটি চলে গেছে ছয়আনি বাজারের দিকে। এটাই ছিল তখন একমাত্র বাজার।

সন্ধ্যার পর শহরটি নৈঃশব্দে ভরে যেত। রাস্তার দু’পাশে গন্ধরাজ, কামিনী ফুলের ঘ্রাণ ভেসে আসত। সেই সঙ্গে বাড়িগুলো থেকে হারমোনিয়ামের সঙ্গে গলা সাধার শব্দ পাওয়া যেত। ঘ্যাগের দালান থেকে একটু কাছেই প্রধান সড়কে ছিল করোনেশন ড্রামাটিক ক্লাবের অফিস, অফিসসংলগ্ন মঞ্চ। মঞ্চটি ভাড়া দেওয়া হয়েছিল সিনেমা হলকে। সিনেমা হলের নাম কালি সিনেমা। এই ছিল পঞ্চাশের দশকের টাঙ্গাইল।

১৯৬৭ সালে টাঙ্গাইল জেলা হয়ে গেল। কলেবর বাড়তে থাকল চারদিকে। নতুন জেলা সদর নির্মিত হলো। শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে একটু দূরে, সেইসঙ্গে দোকানপাট বাড়ারও প্রয়োজন দেখা দিল। এর মধ্যেই গড়ে উঠল টাঙ্গাইলের নিউমার্কেট। একটা ছোট্ট জেলা হওয়ার পরও টাঙ্গাইলের একটা স্বকীয় বৈশিষ্ট্য ছিল। রাজনীতি, সংস্কৃতির কেন্দ্রস্থল টাঙ্গাইল অনেক ঘটনার জন্ম দিয়েছে। এই শহরে বসন্ত উৎসব উদযাপন হতো। সেই বসন্ত উৎসবে নাচ-গান ছাড়াও গীতিনাট্য ও নৃত্যনাট্যও স্থান পেত।

করোনেশন ড্রামাটিক ক্লাব ছাড়াও বেশ কয়েকটি নাট্যদলও গড়ে উঠেছিল, তারাও নাটক করত এবং টাঙ্গাইলের নাট্যামোদী জনগণের কাছে খুবই ভালোবাসার পাত্র ছিল। এই শহরে সেতার, বেহালা, তবলাসহ উচ্চাঙ্গ সংগীতের বেশ কিছু গায়ক-গায়িকার সমাবেশ ঘটেছিল। আবার দুর্দান্ত সব অভিনয়শিল্পী নাটককে জীবন্ত করে রাখতেন।

এই শহর ছিল আধুনিক কবিদের পীঠস্থান। যেহেতু ঢাকার সঙ্গে ১৯৬২ সাল থেকেই বাস যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছিল, মাত্র দুই টাকা ভাড়ায় ঢাকায় আসা যেত। কবিরা প্রায়ই টাঙ্গাইলে এসে আনন্দময়ী কেবিনে কবিতার আসর বসিয়ে ঘোষণা করতেন, কবিতাই পারে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধকে ঠেকাতে। সেই রকম একটা আবহের মধ্যে টাঙ্গাইল শহরটি শাড়ি, চমচম এবং মধুপুরের গজারির বন নিয়ে খুব গর্বের সঙ্গে দিন কাটাচ্ছিল।

মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসের সঙ্গে টাঙ্গাইলের লোকজন যুদ্ধ করেছে, কাদের সিদ্দিকী বঙ্গবীর হিসেবে অভিষিক্ত হয়েছেন। বঙ্গবন্ধু নিজ হাতে তাঁর সমর্পিত অস্ত্রকে তুলে নিয়েছেন।

মুক্তিযুদ্ধের পর টাঙ্গাইল কখনও উজ্জ্বল, কখনও বিষণ্ণ হয়েছে। সামরিক শাসনের জাঁতাকল টাঙ্গাইলের ওপর দিয়ে গেছে। তবুও টাঙ্গাইল একটা রাজনীতি ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র হিসেবে বহাল থেকেছে।

এর মধ্যে একটা নতুন সংস্কৃতি টাঙ্গাইলকে গ্রাস করল। সেটি হচ্ছে দোকান সংস্কৃতি। রাস্তার দুই পাশে এবং ফাঁকা জায়গাগুলোতে কোথাও এতটুকু জায়গা নেই। শুধু দোকান আর দোকান। কোথাও এই দোকানগুলো মহিমান্বিত হয়েছে সুপারমার্কেট হিসেবে। দোকানগুলোর পেছনে ব্যবসায়ীদের স্বার্থ আছে বটে। কিন্তু প্রধান উদ্যোক্তা পৌরসভা প্রথম আঘাত হানে খালটির ওপর। দৃষ্টিনন্দন ও পয়ঃপ্রণালির কাজ করা খালটির ওপর একের পর এক সুপারমার্কেট গড়ে ওঠে। এটি শহরের প্রাকৃতিক ভারসাম্যের ওপর নির্মম আঘাত।

পৌরসভার মেয়র যিনি থাকেন তিনি দোকান করার একটা পরিকল্পনা নিয়ে নামেন। প্রচুর দোকান হয়, সেগুলো বিলি-বণ্টন প্রক্রিয়ায় প্রচুর টাকা-পয়সার লেনদেন হয় এবং মেয়র হিসেবে কেউ বিদায় নিলে অন্য মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পরপরই আবার নতুন জায়গা খুঁজতে শুরু করেন।

শহরের সৌন্দর্য নষ্ট হয়, পৌরসভার অন্যান্য কার্যক্রম থিতিয়ে পড়ে। কিন্তু দোকান সংস্কৃতি সবকিছুকে ছাপিয়ে শহরকে নিয়ন্ত্রণ করে। এর মধ্যে রিকশা শহরের একমাত্র অভ্যন্তরীণ পরিবহন কিন্তু তার জায়গা দখল করে ফেলে চীন থেকে আমদানীকৃত বিদ্যুৎচালিত ইজিবাইক। শত শত ইজিবাইক শহরটাকে গ্রাস করে ফেলেছে। এই ইজিবাইকের লাইসেন্সদাতা হচ্ছে পৌরসভা।পৌরসভা রাস্তার ক্ষমতা বিবেচনা না করে একের পর এক ইজিবাইকের লাইসেন্স দিয়ে থাকে।

একবার এক মেয়র ইজিবাইক চালানোর জন্য সময় ভাগ করে দিয়েছিলেন। সেই সময় ভাগ এখন আর নেই। দোকান সংস্কৃতি শহরটাকে এমনভাবে গ্রাস করেছে, সেই নিঝুম-নিরালা পাবলিক লাইব্রেরিটি নিচতলা থেকে ওপরের তলায় উঠেছে। নিচে আবারও দোকানপাট।

সেই টিনের ঘরের করোনেশন ড্রামাটিক ক্লাব আর নেই। দালান উঠেছে, সঙ্গে একটি মঞ্চ ও সিনেমা হল ছিল, তা উঠে গিয়ে সেখানেও এসেছে অসংখ্য দোকান।

সেই ঘ্যাগের দালান, যার নিচতলায় ছিল একটা ছোট্ট রেস্টুরেন্ট- নাম নিরালা। যে কারণে বলা হতো নিরালার মোড়। শুনেছিলাম শহরের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে এখানে ভাস্কর্য হবে এবং মনোরম কিছু স্থাপনা হবে। এখন শোনা যাচ্ছে, সেই জায়গায় পৌরসভার উদ্যোগে ১৪ তলা শপিং কমপ্লেক্স হবে।

নিরালার মোড় থেকে জেলা শহরের দিকে যেতে রাস্তার দু’পাশে আবাসিক গৃহগুলো এখন পৃথিবীর বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শোরুমে পরিণত হয়েছে। শহরে নিশ্চিন্তে আনন্দদায়ক কোনো ভ্রমণ এখন কল্পনা করা যায় না। ইজিবাইক, রিকশা, প্রাইভেটকার, ট্রাক এসবের ভিড় এত প্রবল যে, কোনো পথই আর পথিকের নেই। নিরালার মোড় থেকে দক্ষিণ দিকে থানা ও শান্তিকুঞ্জ কাচারিতে যেতেও অসংখ্য দোকান। পশ্চিম দিকে গোরস্তান এবং টাঙ্গাইলের শেষ সীমানা একটা ব্রিজ পর্যন্ত ইজিবাইক, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রিকশার জ্যামে কখনও আটকে থাকতে হয়। পথ সম্প্রসারণেরও কোনো জায়গা নেই বা পৌরসভার পরিকল্পনাও নেই।

প্রধানমন্ত্রী টাঙ্গাইল শহরকে সাংস্কৃতিক নগরী বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই উদ্দেশ্যে কিছু কাজকর্মও করা হয়েছিল। সাংস্কৃতিক নগরী করতে হলে বর্তমানের এই শহর কাঠামোকে ব্যাপকভাবে পরিবর্তন করতে হবে। সেই পরিবর্তনের লক্ষ্যে পৌরসভার ঔদাসীন্য চরম। একমাত্র জেলা সদরটি এখনও তার লেক, পার্ক ও রাস্তা নিয়ে সুদৃশ্য আছে। কারণ সেখানে পৌরসভার নিয়ন্ত্রণ নেই। শহরের যতটুকু এলাকা পৌরসভার অধীনে, সেখানেই মেয়র দোকান সংস্কৃতি গড়ে তুলছেন। শহরের প্রধান রাস্তার পাশাপাশি বিভিন্ন অলিগলিতে যে শৃঙ্খলা আনা প্রয়োজন, তা সম্পূর্ণভাবে মেয়রের নিয়ন্ত্রণে থাকায় এলাকার কাউন্সিলররা অসহায় বোধ করেন।

যেহেতু টাঙ্গাইল রাজনীতি ও সংস্কৃতির একদা পীঠস্থান ছিল এবং বর্তমানেও টাঙ্গাইল নানাভাবে সারাদেশকে আকর্ষণ করে, তাই টাঙ্গাইলের নগরবাসী পৌরসভার কাছ থেকে কিছু ন্যায্য দাবি করতেই পারেন, যার মধ্যে প্রধান শহরকে দোকান সংস্কৃতির হাত থেকে বাঁচানো এবং শহরের অভ্যন্তরীণ পরিবহনে শৃঙ্খলা নিয়ে আসা।

আমরা যাঁরা টাঙ্গাইলকে সংস্কৃতির নগর হিসেবে স্বপ্ন দেখেছি, তাঁদের কাছে টাঙ্গাইল যেন একটি দুঃস্বপ্নের নগরীতে পরিণত না হয়।

লেখকঃ মামুনুর রশীদ ,বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব ও টাঙ্গাইলের কৃতি সন্তান

লেখাটি “সমকাল” অনলাইন থেকে নেওয়া…

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অগাস্ট ২০২২ ০৬:৪১:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে হাজতির মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে হাজতির মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে ওয়াসিম মল্লিক নামের(৩৫) এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) ভোরে জেলা কারাগার থেকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেল সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন।

মৃত ওয়াসিম মল্লিক টাঙ্গাইলের নাগপুর উপজেলার খাসপাইকাল গ্রামের মৃত সেকান্দার আলীর ছেলে।

জেলা কারাগার সুত্রে জানা গেছে, মৃত ওয়াসিম মল্লিক ২০২১ সালের ২১ জুলাই তার সৎভাইয়ের দায়ের করা মারপিটের মামলায় অসুস্থ অবস্থায় কারাগারে আসেন। কারাভোগকালীন অবস্থায় লিভার জনিত সমস্যায় কারা হাসাপাতাল , টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ও উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) ভোরে হাজতি ওয়াসিম অসুস্থ হয়ে পড়লে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।

টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের পক্ষে জেনারেল হাসপাতালে মৃত্যুর তদন্ত করতে আসা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপ ভৌমিক জানান, মৃত হাজতি ওয়সিমের শরীরে কোন ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে শারীরিক অসুস্থতার কারনে তার মৃত্যু হয়েছে।

জেল সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, হাজতি ওয়াসিম কারাগারে আসার পর থেকেই অসুস্থ ছিলেন। ইতোপুর্বে ১৭ জুলাই সে লিভার জনিত রোগে অসুস্থ হয়ে পড়লে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জের মাধ্যমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। গত ১০ অক্টোবর চিকিৎসা শেষে টাঙ্গাইল কারাগারে প্রত্যাবর্তন করে হাজতি ওয়াসিম। মঙ্গলবার ভোরে ফজরের নামাজের পর হাজতি ওয়াসিম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ওয়ার্ড থেকে কারা হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অচেতন হয়ে পড়লে কারা সার্জনের পরামর্শে দ্রুত টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরিক্ষা-নিরীক্ষার পরে তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

তিনি আরও জানান, মৃত হাজতির দেহের সুরতহাল রিপোর্ট প্রনোয়ণসহ ময়না তদন্ত কার্য সম্পাদনের নিমিত্তে ও একটি অপমৃত্যুও মামলা রুজু করার জন্য টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জকে লিখিত অনুরোধ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. অগাস্ট ২০২২ ০২:০৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় শোক দিবস পালিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে যথাযথ মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়েছে।

সোমবার(১৫ আগস্ট) সকালে দিনের প্রথম কর্মসূচি হিসেবে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সামনে জনসেবা চত্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিত্বে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হয়।

প্রথমে রাষ্ট্রের পক্ষে জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান। এরপর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, ছানোয়ার হোসেন এমপি, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, খান আহমেদ শুভ এমপি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান।

এর পর জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, পৌরসভার পক্ষে পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, প্রেসক্লাবের পক্ষে প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান।

পরে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার এবং ১৫ আগস্ট শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

দূপূরে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন জেলা ব্যাপী , দোয়া মাহফিল, গণভোজ, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অগাস্ট ২০২২ ১০:৩২:পিএম ৩ বছর আগে
‘আগামী মাসে লোডশেডিং থেকে বের হয়ে আসতে পারবো’: প্রতিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

‘আগামী মাসে লোডশেডিং থেকে বের হয়ে আসতে পারবো’: প্রতিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, আগামী মাসের (সেপ্টেম্বর) শেষের দিকে আমরা লোডশেডিং থেকে বের হয়ে আসতে পারবো। বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে আমরাও সংকটে আছি। এটি সাময়িক সমস্যা। বিশ্ব পরিস্থিতি যদি আর খারাপ না হয় তাহলে আমরা ভালোর দিকে যাবো। রবিবার (১৪ আগস্ট) ‘বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতি’ নিয়ে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স অব বাংলাদেশ (এফইআরবি) আয়োজিত সেমিনারে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্ববাজারে যদি তেলের দাম কমে, তাহলে তাদের সঙ্গে মিল রেখে দেশেও দাম সমন্বয় করবো। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে কয়েক ধাপে এই দাম সমন্বয় করা হতে পারে।

নসরুল হামিদ বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে। বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় ৮ হাজার কোটি টাকার ওপরে ক্ষতি হয়েছে। সেজন্য আমরা দাম সমন্বয় করেছি কেবলমাত্র, তেলের দাম বাড়াইনি। যে পরিস্থিতি যাচ্ছে তাতে আমাদের নিয়মিত সমন্বয় করতে হবে।

এফইআরবির নির্বাহী পরিচালক রিশান নাসরুল্লাহের সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার ম্যাগাজিনের সম্পাদক এবং এফইআরবির সাবেক চেয়ারম্যান মোল্লাহ আমজাদ হোসেন।

উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট রাত ১২টার পর থেকে ভোক্তাপর্যায়ে খুচরা মূল্য ডিজেল ১১৪ টাকা প্রতি লিটার, কেরোসিন ১১৪ টাকা প্রতি লিটার, অকটেন ১৩৫ টাকা প্রতি লিটার ও পেট্রল ১৩০ টাকা প্রতি লিটারে বিক্রি হচ্ছে। আগে ভোক্তা পর্যায়ে খুচরা মূল্য ছিল প্রতি লিটার ডিজেল ছিল ৮০ টাকা, কেরোসিন ৮০ টাকা, অকটেন ৮৯ টাকা ও পেট্রল ৮৬ টাকা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অগাস্ট ২০২২ ০৩:৫৫:এএম ৩ বছর আগে
ছাত্রকে বিয়ে করা সেই শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক - Ekotar Kantho

ছাত্রকে বিয়ে করা সেই শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক

একতার কণ্ঠঃ নাটোরের গুরুদাসপুরে কলেজছাত্র মো. মামুন হোসেনকে (২২) বিয়ে করা শিক্ষিকা খায়রুন নাহারের (৪০) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ।

রোববার (১৪ আগস্ট) সকালে নাটোর শহরের বলারিপাড়া এলাকার ভাড়াবাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

শিক্ষিকা খায়রুন নাহার গুরুদাসপুর উপজেলার চাঁচকৈড় পৌর এলাকার মো. খয়ের উদ্দিনের মেয়ে এবং উপজেলার খুবজীপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন।

আটক মামুন হোসেন একই উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের পাটপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নাটোর এন এস সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

ভবনের বাসিন্দা ও এলাকাবাসী জানায়, রোববার ভোরে স্বামী মামুন ভবনের অন্য বাসিন্দাদের জানায় তার স্ত্রী খায়রুন নাহার শেষ রাতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। লোকজন তার বাসায় গিয়ে খায়রুন নাহারের মরদেহ মেঝেতে শোয়া অবস্থায় দেখতে পেয়ে সন্দেহ হয়। তারা মামুনকে বাসার মধ্যে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়।

নাটোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট অন্য বাহিনীর সদস্যরাও তদন্ত করবে। তদন্ত ও লাশের ময়নাতদন্ত হলে এটা হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে হত্যা আর আত্মহত্যা যাই হোক না কেন এমনটা ঘটলো কেন তা পুলিশ খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছে।

প্রসঙ্গত, এক বছর আগে ফেসবুকে শিক্ষিকা নাহারের সঙ্গে একই উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের পাটপাড়া গ্রামের কলেজছাত্র মামুনের পরিচয় হয়। পরে তাদের দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে দুজন বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বর কাউকে না জানিয়ে গোপনে বিয়ে করেন তারা। বিয়ের ৬ মাস পর তাদের সম্পর্ক জানাজানি হলে ছেলের পরিবার মেনে নিলেও মেয়ের পরিবার থেকে বিয়ে মেনে নেয়নি। এর আগে ওই শিক্ষিকা বিয়ে করেছিলেন রাজশাহী বাঘা উপজেলার এক ছেলেকে। পারিবারিক কলহে সেই সংসার বেশি দিন টেকেনি। প্রথম স্বামীর ঘরে এক সন্তান রয়েছে বলেও জানা গেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. অগাস্ট ২০২২ ০৬:২৬:পিএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।