একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের মধুপুরে রাস্তা পার হতে গিয়ে বাস চাপায় মাওলানা আব্দুল কাদের (৬০) নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৭ জুলাই) রাতে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়কের উপজেলার গোলবাড়ি বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজহারুল আমিন এ দুর্ঘটনার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহত শিক্ষক উপজেলার আম্বাড়িয়া গ্রামের ইসমাইল সরকারের ছেলে। তিনি শালিখা ফাজিল (ডিগ্রি) মাদসারা অধ্যক্ষ ছিলেন। কিছুদিন আগে তিনি অবসর গ্রহণ করেছেন।
এ প্রসঙ্গে স্থানীয় গোলাবাড়ী বাজারের ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন জানান, বাজারের একটি মহিলা মাদরাসার শিক্ষার্থীদের নিরাপদে ক্রসিং দিয়ে রাস্তা পার করাচ্ছিলেন শিক্ষক আব্দুল কাদের। পথিমধ্যে মাদারগঞ্জগামী একটি বাস আব্দুল কাদেরকে চাপা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়।
তিনি আরো জানান, তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেয়া হয়। সেখানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে কর্তব্যরত চিকিৎসক। পরে সেখানে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা রাত ১১ টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পরে রাতে ওই শিক্ষকের ছোট ভাই আব্দুর রাজ্জাক তার ভাইয়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শিক্ষক মাওলানা আব্দুল কাদের মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে ২টিতে আওয়ামী লীগ এবং ২টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। বুধবার রাতে সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

ছিলিমপুর ইউপি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সুজায়েত হোসেন (চশমা) বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন। তিনি পান ৫ হাজার ৩৬৩ ভোট। তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রাথী মো. সেলিম (আনারস) পান ২ হাজার ৫০৬ ভোট।
কাকুয়া ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বদিউজ্জামান ফারুক বিজয়ী হয়েছেন।
কাতুলী ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগর প্রার্থী ইকবাল হোসেন বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পান ৭ হাজার ৫৩০ ভোট। তার নিকটতম স্বতন্ত্র প্রাথী দেওয়ান সুমন আহমেদ (আনারস) পান ৬ হাজার ৩৪৮ ভোট।
মাহমুদনগর ইউপিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী আসলাম হোসেন (চশমা) বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পান ২ হাজার ৮১৯ ভোট। তার নিকটতম আওয়ামী লীগ প্রাথী মো. সেলিম (নৌকা) পান ২ হাজার ৪৯৯ ভোট।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, এই চার ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ২১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ৭৬ হাজার ৪৪৫ জন। নির্বাচনে ৩৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ২৯টি কেন্দ্রই ছিল ঝুঁকিপূর্ণ।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এ এইচ এম কামরুল হাসান জানান,, ‘সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে ভোটারদের কারণে কিছু কিছু কেন্দ্রে নিদিষ্ট সময়ের পরেও ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।’
এ ছাড়া নির্বাচনে প্রায় ৭০ ভাগের বেশি ভোট কাস্টিং হয়েছে বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে ইভিএমে স্লো ভোটিং-এর কারণে কিছু কিছু কেন্দ্রে ধীরগতিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ২ প্লাটুন বিজিবি, ৪৯০ জন পুলিশ সদস্য, র্যাবসহ বিপুল সংখ্যাক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার চেচুয়াজানী গ্রামের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী ১০ বছরের শিশুকে বড়ই খাওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ মামলার রায়ে এক জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল।
টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন সোমবার(২৫ জুলাই) দুপুরে এই রায় ঘোষনা করেন।
সেই সাথে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ১ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।
দন্ডিত ব্যক্তি নাগরপুর উপজেলার চেচুয়াজানী গ্রামের মৃত নয়ান আলীর ছেলে লিয়াকত আলী (৫৮)।
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের এপিপি মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস জানান, ২০১৫ সালের ২১ মার্চ বিকেল ৩ টার দিকে চেচুয়াজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্রী ১০ বছরের ওই শিশু বাড়ির পাশে খেলা করছিল। পরে একই গ্রামের দন্ডিত আসামী লিয়াকত আলী বড়ই খাওয়ার লোভ দেখিয়ে নিজ বসত ঘরে নিয়ে গিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ঘটনার কথা কাউকে বললে প্রাণে মেরে ফেলার ভয়ভীতি প্রদর্শণ করে ভিকটিমকে ঘর থেকে বের করে দেয়। পরদিন ভিকটিম বাড়ীর লোকদের ঘটনার বিষয় জানায়। ধর্ষিত শিশুর পিতা প্রতিবন্ধি হওয়ায় পরে তার দাদা ২০১৫ সনের ২ এপ্রিল নাগরপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।
পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাগরপুর থানার এসআই মো: আব্দুল হক তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ১৩ জুলাই আসামী লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, চিকিৎসকসহ মোট ৮ জন আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন।
আসামীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে পানির স্রোতে সেতুর সংযোগ সড়ক ভেঙে যাওয়ায় ১০ গ্রামের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় কয়েক লক্ষাধিক মানুষ।
শুক্রবার (২৩ জুলাই) বিকেলে উপজেলার সিলিমপুরে এলেংজানী সেতুর এক পাশের সংযোগ সড়ক ভেঙে যায়।

এদিকে, সেতুর এক পাশ ভেঙে যাওয়ায় বিকল্প সড়ক না থাকায় স্থানীয় ডিঙি নৌকায় নদী পারাপার হচ্ছেন সেখানকার বাসিন্দারা।
স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি বন্যার শুরুতে সেতুর আশপাশে নদী ভাঙন দেখা দেয়। সে সময় সেতুর কিছু অংশ ভেঙে গেলেও সংযোগ সড়ক ব্যবহার করে চলাচলে তেমন কোনো সমস্যা সৃষ্টি হয়নি। তবে পুনরায় নদীর পানি কমতে শুরু করায় আবারও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে এলেংজানী নদীর ওপর নির্মিত সেতুর একপাশের সংযোগ ভেঙে চলাচল বন্ধ হয়েছে। এতে আশপাশের প্রায় ১০ গ্রামসহ চরাঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেছে।

স্থানীয় সিলিমপুর স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্র তাইজুল জানান, সংযোগ সড়কটি ভেঙে যাওয়ায় তাদের বিদ্যালয় যাতায়াতের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় নদী পার হয়ে বিদ্যালয় যেতে হচ্ছে। অন্তত সংযোগ সড়কটিতে বাঁশ দিয়ে সাঁকো তৈরি করে চলাচলের উপযোগী করা হোক।
মাইঠান ও দেউলি গ্রামের হাবিব, হাফিজুল, সবুজ জানান , নদীতে পানি বাড়ার সময় সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষায় কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সেতুর সংযোগ সড়কটি ভেঙে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
উপজেলার দেউলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাহমিনা আকতার বলেন, ভেঙে যাওয়া সেতু দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ চলাচল করেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় সেতুর এক পাশের সড়ক ভেঙে গেছে।
দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মারুফ জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও এলজিডির নির্বাহী প্রকৌশলীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যত দ্রুত সম্ভব সেতুটির সংযোগ সড়কটি জিও ব্যাগ ফেলে চলাচলের উপযোগী করা হোক.। উপজেলা পরিষদ থেকে গত দুই বছর মৌখিকভাবে বাব বার জানানোর পরও ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় জনগণের আজকের এই দুর্ভোগ।
একতার কণ্ঠঃ আষাঢ়ের বৃষ্টিহীন তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। প্রখর রোদের পাশাপাশি ভ্যাপসা গরমে স্বস্তি মিলেছে না কোথাও। ফলে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। আবহাওয়া অফিস জানায়, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই সময়েও গরমের এই প্রখরতা। আগামী দুই একদিনের মধ্যে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, বর্তমানে ঢাকা, টাঙ্গাইল, রংপুর, দিনাজপুর, নীলফামারী এবং রাজশাহী বিভাগের আট জেলা ও সিলেট বিভাগের চার জেলাসহ মোট ১৭ জেলায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা অব্যাহত থাকতে পারে আগামী রোববার (১৭ জুলাই) পর্যন্ত।
আবহাওয়ার ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে রংপুর, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রপাত সহ বৃষ্টি হতে পারে।
এ ছাড়া ওড়িশা উপকূল ও তত্সংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি একই এলাকায় অবস্থান করছে। এর বর্ধিতাংশ পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় রয়েছে।
গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রাজশাহীতে ছিল ৩৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন ছিল রাঙামাটি ও সীতাকুণ্ডে, ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
একতার কণ্ঠঃ পুলিশ সুপার (এসপি) দেওয়ান লালন আহমেদের জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) বাদ আসর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে এসআই শিরু মিয়া মিলনায়তনে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ, অতিরিক্ত আইজিরা, ঢাকাস্থ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের প্রধানরা, ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা, মরহুমের সহকর্মী ও আত্মীয়-স্বজন জানাজায় অংশনেন।
জানাজা শেষে আইজিপি মরহুমের মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পরে ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম, এসবির অতিরিক্ত আইজি ও পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে অন্যান্য নেতারা, ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষে অতিরিক্ত আইজি মোহাম্মদ আলী মিয়া, ২৪তম বিসিএস ফোরাম, ২৪তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচ এবং গীতিকবি সংঘ বাংলাদেশ মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
পরে একটি সুসজ্জিত পুলিশ দল মরহুমকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। তাকে টাঙ্গাইলে নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
আইজিপির শোক
পুলিশ সুপার দেওয়ান লালন আহমেদের মৃত্যুতে আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
এক শোক বাণীতে আইজিপি বলেন, দেওয়ান লালন আহমেদ একজন প্রতিভাবান কর্মকর্তা ছিলেন। তার অকাল মৃত্যুতে আমরা একজন দক্ষ কর্মকর্তাকে হারালাম।
আইজিপি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) মো. কামরুজ্জামান জানান, ট্যুরিস্ট পুলিশে কর্মরত পুলিশ সুপার (এসপি) দেওয়ান লালন আহমেদ (৪৩) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) দুপুর দেড়টায় রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।
তিনি ঢাকায় ট্যুরিস্ট পুলিশ সদর দপ্তরে পুলিশ সুপার (লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া) পদে কর্মরত ছিলেন।
তিনি বৃহস্পতিবার সকালে অসুস্থতাবোধ করলে তাকে দ্রুত রাজারবাগের কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, এক বোন ও এক ভাইসহ আত্মীয়-স্বজন ও বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তিনি টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার ছাঁওয়ালী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মো. নুরুল ইসলাম এবং মাতা মরহুমা রওশন আরা বেগম।
দেওয়ান লালন আহমেদ ২৪তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচে ২০০৫ সালের ২ জুলাই সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। তিনি এ বছর জুলাই মাসের ৭ তারিখে ট্যুরিস্ট পুলিশ সদর দপ্তরে যোগদান করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, কালিহাতী শাজাহান সিরাজ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রাক্তন মন্ত্রী বীরমুক্তিযোদ্ধা শাজাহান সিরাজ এর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) দুপুরে মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে প্রথমে কালিহাতী শাজাহান সিরাজ কলেজে শাজাহান সিরাজের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে কালিহাতী শাজাহান সিরাজ কলেজের আয়োজনে রাবেয়া সিরাজ একাডেমিক ভবনে স্বরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় কলেজের অধ্যক্ষ মো. গোলাম আম্বিয়া সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা মতিয়ার রহমান মতি, শাজাহান সিরাজের পুত্রবধূ ফারজানা খান এনা, কালিহাতী শাজাহান সিরাজ কলেজের সহকারী অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম শফি, শিক্ষক প্রতিনিধি রশিদুল ইসলাম রতন, কর্মচারীদের পক্ষ থেকে হাবিবুর রহমান এবং ছাত্রছাত্রীদের পক্ষ থেকে নাইমুর রহমান প্রমুখ।
এছাড়াও ব্যাংকক থেকে জুমে বক্তব্য রাখেন শাজাহান সিরাজের সহধর্মিণী বেগম রাবেয়া সিরাজ।
স্বরণ সভাটি সঞ্চালনা করেন, কালিহাতী শাহজাহান সিরাজ কলেজের প্রভাষক তারিকুল ইসলাম।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সড়ক দূর্ঘটনায় সৌরভ(১২) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ১২ জন।সোমবার(১১ জুলাই) ভোরে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের পোড়াবাড়ি নামক স্থানে ওই দূর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সৌরভ মধুপুর উপজেলার ব্রাক্ষমবাড়ী গ্রামের শফিকুলের ছেলে। ঘাটাইল থানার এস আই পলাশ মাহমুদ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গাজীপুর থেকে ১৪ জন যাত্রী নিয়ে মধুপুরের উদ্দেশ্য একটি পিকআপ ভ্যান যাত্রা শুরু করে। পথিমধ্যে পিকআপটি ঘাটাইলের পোড়াবাড়ি পৌঁছলে রাস্তার পাশে থাকা একটি বিদ্যূতের খুঁটিকে ধাক্কা দিলে পিকআপটি যাত্রীসহ ১০ থেকে ১২ ফুট নিচে খাদে পড়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা গাড়িতে থাকা যাত্রী ও ড্রাইভারকে উদ্ধার করে ঘাটাইল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। এ সময় হাসপাতালে নেয়ার পথে সৌরভ নামে এক কিশোরের মৃত্যূ হয়। এ ঘটনায় পিকআপ এ থাকা ১২ জন যাত্রী গুরুতর আহত হয়।
আহতরা হলেন, মধুপুর উপজেলার ঘোড়ারটিকি গ্রামের সিদ্দিক আলীর মেয়ে মোসাঃ শিল্পি আক্তার(৮),বড়দিঘী গ্রামের ছাদেক আলীর ছেলে মোঃ সাইফুল ইসলাম(২৬),বাক্ষমবাড়ি গ্রামের ফজর আলীর স্ত্রী সাবিনা আক্তার(২৫),একই গ্রামের সাইফুল ইসলামের স্ত্রী বুলবুলি বেগম(২৫),সাদিয়া আক্তার(১২),ধামাবাসুরী গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে শিশু রুপা আক্তার(৬),ব্রাক্ষমবাড়ি গ্রামের সফিকুল ইসলাম(৩৫),একই গ্রামের শফিকুলের স্ত্রী শরিফা বেগম(২৫),লেংড়াবাজার গ্রামের সিদ্দিক আলীর স্ত্রী মিনারা বেগম(৩৫),ব্রাক্ষমবাড়ি গ্রামের জাফর আলীর মেয়ে রীনা আক্তার(২১),ধামাবাসুরী গ্রামের শফিকুলের মেয়ে শিশু সানজিদা আক্তার(৬) ও পিকআন চালক আব্দুল মিয়া(৩৫)।
ঘাটাইল থানার এস আই পলাশ মাহমুদ জানান, আহতদের মধ্যে ৭ জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থাই আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কতৃপক্ষ।পিক-আপ চালকের ঠিকানা জানা সম্ভব হয়নি।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায়ের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টয় এই সেতু দিয়ে ৪৩ হাজার ৫৯৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৩৪ লাখ ৭ হাজার ৭০০ টাকা।
এর আগে, গত ঈদুল ফিতরে সর্বোচ্চ ৩ কোটি ১৯ লাখ ৬৭ হাজার ২ শত টাকার টোল আদায় হয়েছিল।
বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, স্বাভাবিক সময়ে ১২ থেকে ১৩ হাজার যানবাহন বঙ্গবন্ধু সেতু পারাপার হয়। কিন্তু ঈদকে কেন্দ্র করে এই সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
বুধবার (৬ জুলাই) রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) রাত ১২টা পর্যন্ত সেতুর উপর দিয়ে ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী পরিবহনের সংখ্যা ছিল ২৫ হাজার ১১৩টি। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৭৩ লাখ ৮৯ হাজার ৯ শত টাকা।
অপরদিকে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকাগামী পরিবহনের সংখ্যা ছিল ১৮ হাজার ৪৮২টি। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ ১৭ হাজার ৮ শত টাকা।
এর আগে, মঙ্গলবার (৫ জুলাই) রাত ১২টা থেকে বুধবার (৬ জুলাই) রাত ১২টা পর্যন্ত ৩৪ হাজার ৪০৭টি যানবাহন সেতু দিয়ে পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৭২ লাখ ৩৩ হাজার ৫০ টাকা।
বঙ্গবন্ধু সেতুর সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান মাসুদ বাপ্পি জানান, ‘ছোটবড় ৪৩ হাজার ৫৯৫টি যানবাহন পারাপার হওয়ার মধ্য দিয়ে সেতু কর্তৃপক্ষ এ রেকর্ড অর্জন করেছে।’
প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সালে সেতুটি চালু হওয়ার পর থেকে কর্তৃপক্ষ টোল আদায় করে আসছে। বর্তমানে সেতুর টোল আদায় করছে কমিউটার সিস্টেম নেটওয়ার্ক (সিএনএস)।
একতার কণ্ঠঃ ঈদকে কেন্দ্র করে মহাসড়কে গাড়ির চাপ বেড়েছে। অতিরিক্ত যানবাহন ও ফিটনেসবিহীন গাড়ি বিকল হওয়ায় ঢাকা-টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব পাড় থেকে শহরের রাবনা বাইপাস পর্যন্ত উত্তরবঙ্গগ্রামী লেনে দীর্ঘ ২০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (৬ জুলাই) রাত থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গাড়ির চাপ বৃদ্ধি পায়। বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) ভোর রাত থেকে এ যানজট দেখা দেয়। ফলে কুরবানির ঈদে ঘরমুখো নারী ও শিশুসহ সকল বয়সী মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন।
পুলিশ জানায়, মহাসড়কে ফিটনেসবিহীন বেশ কয়েকটি যানবাহন বিকল হওয়ায় যানজটের সৃষ্টি হয়। যানজট নিরসনে পুলিশ এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত দুই লেনের সড়ক একমুখী করেছে। ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী যানবাহন এলেঙ্গা থেকে সেতুর দিকে যাচ্ছে। অপরদিকে, উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকামুখী যানবাহন সেতু পার হয়ে ভূঞাপুর সড়ক দিয়ে এলেঙ্গা হয়ে ঢাকায় যাচ্ছে। তবে উত্তরবঙ্গ থেকে গরুবাহী ট্রাক একমুখী সড়কের আওতায় বাইরে রয়েছে।
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানজটে আটকে থাকা শহরের রাবনা বাইপাস, রসুলপুর, পৌলিং ও এলেঙ্গায় গাড়ি চালক ও যাত্রীরা জানান, প্রায় দুই থেকে তিন ঘণ্টা ধরে এই মহাসড়কে যানজটে আটকে আছি। এতে করে সীমাহীন দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রচন্ড গরমে পানি ও ক্ষুদায় কষ্ট করতে হচ্ছে। উত্তরবঙ্গগামী লেনে দিনাজপুরগামী বাসের যাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইশিতা আক্তার জানান, আড়াই ঘণ্টা যাবৎ রসুলপুরে যানজটে আটকে আছি। কখন যানজট ছাড়বে জানি না। কেউ কিছু বলতে পারছে না। পরিবারের সদস্যদের সাথে ঈদ করার জন্য বাড়ি যাচ্ছি। কখন বাড়ি পৌঁছাবো তাও জানি না। অন্য দিকে এলেঙ্গায় রাজশাহীগামী বাসের যাত্রী আশিকুর রহমান জানান, প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে এলেঙ্গায় আটকা পড়ে আছি। গাড়ির যাত্রীরা সবাই সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। বিশেষ করে গাড়ীতে থাকা নারী ও শিশুদের অবস্থা বেশি করুণ।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, ফিটনেসবিহীন বিকল হওয়া কয়েকটি যানবাহন রেকার করে সরাতে সময় লেগেছে। এছাড়া, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ রয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। এদিকে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকাগামী লেনে যানবাহন চলাচল অনেকটা স্বাভাবিক রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার অনুকূলে অত্যাধুনিক বাস ও ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণের জন্য ৪ দশমিক ৯৪ একর ভূমি বরাদ্দ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে আনন্দ শোভাযাত্রা করা হয়েছে।
বুধবার (৬ জুলাই) সকালে টাঙ্গাইল শহরের দেওলা এলজিইডি মোড় থেকে আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে গুরত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাবনা বাইপাস এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।
সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর, জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, প্যানেল মেয়র হাফিজুর রহমান স্বপন, কাউন্সিলর কামরুজ্জামান মামুন, আমিনুর রহমান আমিন, জেলা বাস মিনিবাস শ্রমিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক চিত্তরঞ্জন সরকার প্রমুখ।
আনন্দ শোভাযাত্রা শেষে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুন অত্যাধুনিক বাস ও ট্রাক টার্মিনালের জন্য বন্দোবস্তের চিঠি টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীরের কাছে হস্তান্তর করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার(১ জুলাই) সকালে উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ লাউফুলা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলো- উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের লাউফুলা গ্রামের মোস্তফা আলীর ছেলে তানভীর (৯) এবং প্রবাসী হাফিজুর রহমানের ছেলে জিহাদ ইসলাম (১২)।
তারা লাউফুলা এলাকায় আনোয়ারা মেমোরিয়াল কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থী ছিল।
আলোকদিয়া ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম জানান, সকালে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে বাড়ির পাশে একটি পুকুরে মাছ ধরতে যায় লিমন, তানভীর ও জিহাদ। তাদের মধ্যে তানভীর ও জিহাদ পুকুরে পড়ে গিয়ে ডুবে যায়।
এসময় অপর শিশু লিমন বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারকে জানায়। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে দুই শিশুকে উদ্ধার করে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন জানান, পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশু মারা যাওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।