একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মা ক্লিনিক এন্ড হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতিসহ নবজাতক মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর ক্লিনিকের ডাক্তার, নার্স, কতৃপক্ষ সহ সবাই পলাতক রয়েছে।
মৃত লাইলী বেগম (৩০) উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের খানুরবাড়ি গ্রামের আতোয়ার হোসেনের স্ত্রী।
বুধবার (২৫ মে ) রাতে ভুঞাপুর বাজারস্থ অনুমোদনবিহীন মা ক্লিনিক এন্ড হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, লাইলী বেগমের প্রস্রব যন্ত্রণা হলে তার স্বজনরা ভুঞাপুর স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসক রোগীকে টাঙ্গাইল রেফার্ড করেন। এতে সেখানে থাকা ক্লিনিকের দালাল শামছুর খপ্পরে। পরে দালালের কথামত মা ক্লিনিক এন্ড হাসপাতালে নিয়ে যায়। ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যায়। পরে ওই ক্লিনিকে সার্জারি চিকিৎসক ও ভুঞাপুর স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার এনামুল হক সোহেল ও অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক ডা. আল মামুন অস্ত্রপ্রচার শুরু করেন। পরে এক পর্যায়ে রোগী অপারেশন টেবিলেই মারা যায়। পরে স্বজনদের না জানিয়ে লাশ অ্যাম্বুলেন্সে উঠিয়ে টাঙ্গাইলে পাঠিয়ে দেয়ার সময় স্বজন ও স্থানীয়রা বাঁধা দেয়।
রোগীর স্বজনরা জানান, প্রস্রব যন্ত্রণা শুরু হলে সরকারি হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে দালালের খপ্পরে পরে ক্লিনিকে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা দুই ঘন্টা ধরে অপারেশন থিয়েটারে রাখে। পরে রোগী মারা গেলে ক্লিনিকের সামনে রেখে চিকিৎসক, নার্স ও মালিকরা পালিয়ে যায়।
ভুঞাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. আল মামুন বলেন, মা ক্লিনিকে আনার পর তার উচ্চ রক্ত চাপ (পেসার ) দেখা দেয়। পরে অপারেশনের আগেই রোগী বমি করার পরই মারা যায়।
ভুঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ক্লিনিকে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে ক্লিনিকের চিকিৎসক, নার্স ও মালিকরা পালিয়ে গেছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার অরণখোলা ইউনিয়নের জলছত্র এলাকায় অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার(২৪ মে) ভোরে ২৮ বোতল বিদেশি মদ সহ জলছত্র এলাকার মৃত নিহার দফোর ছেলে তুষার রেমা(৩৫) নামে এক আদিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি- দক্ষিণ)।
টাঙ্গাইল পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি) দক্ষিণের অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেনের নির্দেশে ডিবির একটি দল মধুপুরের জলছত্র এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে ২৮ বোতল বিদেশি মদ সহ তুষার রেমাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সূত্র আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত তুষার রেমা চোরাই পথে বিদেশি মদ সংগ্রহ করে মাদকসেবীদের কাছে সরবরাহ করছিল।
এ বিষয়ে মধুপুর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হেকমত সিকদারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ-দুর্নীতির অভিযোগ এনে শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (১৯ মে) দুপুরে ঘাটাইল উপজেলার সাগরদিঘী বাজার এলাকায় ঘণ্টা ব্যাপী ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন- সাগরদিঘী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা সামছ উদ্দিন, রিয়াজ উদ্দিন, হাবিবুল্লাহ বাহার, ইউপি সদস্য ওয়াজেদ সিকদার, মো. ফরহাদ আলী, গ্রাম পুলিশ লাল মিয়াসহ অন্যরা।
এ সময় বক্তারা জানান, ৪০ দিনের কর্মসৃজন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ, সরকারি খাসজমি দখল করে সুবিধাভোগ, ভর্তুকি দিয়ে রেশনের কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে অর্থ আত্মসাতসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরেন।
এ সময় সাগরদিঘী ইউনিয়নের প্রায় সহস্রাধিক বিক্ষোভকারী মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ গ্রহণ করেন।
একতারকণ্ঠ: টাঙ্গাইলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদের নিয়োগ পরীক্ষা কেন্দ্র শুক্রবার (২০ মে) সকাল ১১টায় পরিদর্শন করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।
পরিদর্শনকালে তিনি বলেন তিনি বলেন, টাঙ্গাইলের যে কয়েকটা কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি, প্রত্যেকটাই সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনে যারা রয়েছেন তারা দায়িত্বশীল মানুষ। প্রথম ধাপ স্বচ্ছতার মাধ্যমে হয়েছে। কোনো অনিয়ম বা আপত্তিকর কিছু হলেই আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব ফারহানা হক, জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ।
শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলায় ২৩টি কেন্দ্রে ১৬ হাজার ৭৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মঙ্গলবার (১৭ মে) নানা কর্মসুচীর মধ্যদিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত হয়েছে। সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গন হতে জেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে।
এ সময় টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ( গোপালপুর -ভূয়াপুর-০৩) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির, টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র আলমগীর হোসেন, জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র জামিলুর রহমান মিরন, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ, টাঙ্গাইল জেলা যুবলীগের সভাপতি রেজাউর রহমান চঞ্চল, বিল্পবী সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন মানিক, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আবু সাইম তালুকদার বিপ্লব, সাধারণ সম্পাদক, রেজাউল করিম সাগর, শহর যুবলীগের আহবায়ক মেহেদী হাসান ইমু, যুগ্ম-আহবায়ক নূর মোহাম্মদ সিকদার মানিক, সদর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রাজীব, সোহেল রানা বাবু সহ জেলা যুবলীগ নেতা রবিন তালুকদার, আতিকুর রহমান আতিকসহ, জেলা ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা এতে অংশ নেন।
এর আগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়।
একতার কণ্ঠ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে মুজিববর্ষ ঘোষণা করা হয়। মুজিববর্ষে কেউ গৃহহীন থাকবে না- এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আশ্রায়ন প্রকল্পের আওতায় সারাদেশের মতো টাঙ্গাইলের ঘাটাইলেও ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর দেওয়া হয়। সেই ঘরগুলো বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। এ ছাড়াও পানি ও পয়ঃনিস্কাশন সমস্যাসহ রয়েছে নানাবিধ সমস্যা। ফলে ঘরগুলো দিন দিন বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ছে।
উপজেলার গৌরিশ্বর এলাকায় আশ্রয়ন প্রকল্পের ৪৪টি ঘর রয়েছে। ঘর নির্মাণের কিছুদিন না যেতেই বেশির ভাগ ঘরগুলোতে দেখা দেয় ফাটল। পরে সেই সময় তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশ্রয়ন কেন্দ্র পরিদর্শন করে তা মেরামতের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু কিছুদিন পরেই বর্তমানে আবারও ঘরগুলোতে বড় বড় ফাটলের সৃষ্টি হয়। খসে পড়ছে ঘরের পলেস্তা। ফলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন অসহায় পরিবারগুল।
ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের কারণেই এমন দশা হয়েছে।
এদিকে গণমাধ্যমের খবরে তড়িঘড়ি করে ফাটল মেরামতের কাজে হাত দেয় উপজেলা প্রশাসন। তবে এমন কাজে নানা আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে ২৭৬টি ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে গৌরিশ্বর এলাকায় ভূমিহীনদের মাঝে বরাদ্দ দেওয়া হয় ৪৪টি ঘর। বর্তমানে বেশিরভাগ ঘরে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। খসে পড়ছে পলেস্তার। ঝড় আসলে আতঙ্কে দিন কাটে বাসিন্দাদের। এতে করে যেকোনও সময় ঘটতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা।
উপজেলার গৌরিশ্বর আশ্রয় প্রকল্প কেন্দ্রের ১ নম্বর ঘরের মাজেদা, ৫ নম্বর ঘরের পারভিন, ৬ নম্বর ঘরের শিল্পী ও ১১ নম্বর ঘরের বাসিন্দা লিজাসহ আরও অনেকে বলেন, মুজিব বর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে আমরা অনেক খুশি। কিন্তু ঘর নির্মাণে অনিয়ম ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। পলেস্তার খসে খসে পড়ছে। ঝড়ের সময় শিশু সন্তান নিয়ে আতঙ্কে দিন পার করতে হচ্ছে।
তারা আরও বলেন, যে খুশিতে ঘরে উঠছিলাম তা আতঙ্কে রূপ নিয়েছে। মাঝে মধ্যে ফাটল মেরামত না করে স্থায়ী মেরামত ও ঘর পুনঃনির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা। আশ্রয়ন প্রকল্পে রাস্তার সমস্যা। আশেপাশে কোনও মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেই। অনেক দূরবর্তি স্থানে স্কুলে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে যেত হয়। এতে আমাদের সংসারে কাজের ক্ষতি হয়।
এ ব্যাপারে ঘাটাইল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, মাটির কারণে কয়েকটি ঘরে সমস্যা দেখা দিয়েছে। ঠিকাদারদের বলে তা মেরামত করে দেওয়া হবে।
ঘর নির্মাণে আগে মাটি পরীক্ষা করে নেওয়া হয়েছিল কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে কোন সদুত্তর দিতে পারেননি এই কর্মকর্তা।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে বিড়ি চাওয়াকে কেন্দ্র করে শ্রমিকের ধারালো কাচির কোপে ডান হাত বিচ্ছিন্ন হয়েছে সেলিম নামের অপর শ্রমিকের। বৃহস্পতিবার (১২ মে) সকালে উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের বর্ণি গ্রামে ঘটেছে ঘটনাটি।
জানা যায়, বর্ণি গ্রামের শফিকুল ইসলাম নামের কৃষক তার জমির ধান কাটতে বিভিন্ন অঞ্চলের ৯জন শ্রমিক নিয়োগ করেন। সকালে তারা জমিতে ধান কাটতে যায়। ধান কাটা অবস্থায় অপর জমিতে কাজ করতে আসা বর্ণি গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে সেলিম নামের শ্রমিক শফিকুলের নিয়োগকৃত শ্রমিকদের নিকট বিড়ি চায়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে উত্তপ্ত বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে মাসুদ রানা ও আবদুল লতিফ নামের শ্রমিক সেলিমের ডান হাত কুপিয়ে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। খবরটি বর্ণি গ্রামে পৌছলে গ্রামের লোকজন শ্রমিকদের ঘেড়াও করে মারধর শুরু করে। স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ৬ শ্রমিককে আটক করেন। এ সময় জনরোষে পড়ে এক পুলিশ সদস্য আহত হন। পুলিশ ৬ শ্রমিককে আটক করলেও বাকি ৩ শ্রমিক পালিয়ে যায়।
আটককৃত শ্রমিকরা হলেন , সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালি থানার আবদুল আজিজ মিয়ার ছেলে মাসুদ রানা (৩৭), একই জেলার বেলকুচি এলাকার মো. মজিদ সরকারের ছেলে আবদুল লতিফ (৩০), টাঙ্গাইল সদর থানার ভবানিপুর গ্রামের মোঃ আছান মিয়ার ছেলে মোঃ জাহিদুল ইসলাম (৩০), সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি এলাকার মোঃ ময়নাল মিয়ার ছেলে মোঃ সাহাব উদ্দিন (২৭), গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার বেলকা নবাবগঞ্জ গ্রামের মোজাম্মেল মিয়ার ছেলে নুরুজ্জামান (২৫) ও সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী এলাকার আবদুল আওয়াল মিয়ার ছেলে নূর আলম (২২)।
দেলদুয়ার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, বিড়ি চাওয়া নিয়ে বাকবিতন্ডায় বর্ণি গ্রামের সেলিম নামের এক শ্রমিকের উপর বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কাজ করতে আসা শ্রমিকরা হামলা চালায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে ৬ শ্রমিককে আটক করা হয় বাকি ৩ শ্রমিক পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় সেলিম নামের শ্রমিকের ডান হাত প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়েছে। ভিকটিমের বড় ভাই দেলোয়ার হোসেন বাদি হয়ে দেলদুয়ার থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের নাগরপুরে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে সৎ ভাই সুমন মিয়াকে (২৫) হত্যা করেছেন বড় ভাই আতোয়ার মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তি।
সোমবার (৯ মে) সকালে নাগরপুর উপজেলার মোকনা ইউনিয়নের ডাকাতিপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমন ও অভিযুক্ত আতোয়ার ওই গ্রামের কলিম উদ্দিনের দুই স্ত্রীর সন্তান।
নাগরপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে সকালে ছোট ভাই সুমনকে ফলা দিয়ে আঘাত করেন বড় ভাই আতোয়ার মিয়া।
এতে গুরুতর আহত হন সুমন। এ অবস্থায় তাকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেছেন চেম্বার জর্জ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন।
আদালতে মুক্তির পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।
এর আগে (বুধবার ২৭ এপ্রিল) টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে জামিন দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে হাইকোর্টের জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ মুক্তিকে জামিন দেন। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারি তার অন্তর্বর্তী জামিন বাতিল হয়। এরপর হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন মুক্তি।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি নিহত হন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদ। তার গুলিবিদ্ধ মরদেহ কলেজপাড়ার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
আদালতে এই দুই আসামির দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যার সঙ্গে জড়িত সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা। তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন এবং ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে।
পরে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তার অপর তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্ত আছেন। তাদের অপর দুই ভাই এখনও আত্মগোপনে রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, রাজধানীর কলাবাগানের তেঁতুলতলা মাঠে আর কোনো ভবন নির্মাণ হবে না। মাঠ যেভাবে ছিল সেভাবেই থাকবে। বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কলাবাগানের তেঁতুলতলা মাঠে আর কোনো নির্মাণকাজ হবে না। এ জায়গাটি যেভাবে ব্যবহার করা হতো সেভাবেই ব্যবহার হবে। তেঁতুলতলা মাঠে আর থানা হবে না। খেলার মাঠই থাকবে। বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ২০১৭ সালে আমরা ওই জায়গাটির জন্য আবেদন করেছি। খোঁজ নিয়ে দেখলাম ওই এলাকায় খেলার জায়গা নেই। প্রধানমন্ত্রীও পরামর্শ দিয়েছেন, যেহেতু খালি জায়গা নেই, বিনোদনের কিছু নেই সেজন্য তিনি বলেছেন পুলিশের জমি সেভাবে থাকুক। কোনো কনস্ট্রাকশন যেন না হয়। যেভাবে চলছে চলতে থাকুক।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বুধবার(২৭ এপ্রিল) বিকেলে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আরো পড়ুনঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের চাপ
আদালতে মুক্তির পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আমিনুল ইসলাম।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ মুক্তিকে জামিন দেন। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারি তার অন্তবর্তী জামিন বাতিল হয়। এরপর হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন মুক্তি।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি নিহত হন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদ। তার গুলিবিদ্ধ লাশ কলেজপাড়ার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
আদালতে এই দুই আসামির দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যার সঙ্গে জড়িত সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা। তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন এবং ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে।
পরে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তার অপর তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিন পেয়ে মুক্ত আছেন। তাদের অপর দুই ভাই আত্মগোপনে রয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ পারিবারিক কলহের জেরে দুই সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করেন মা। চিকিৎসারত অবস্থায় পুলিশের কাছে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার।
রোববার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইলের ভুঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের ১ নং পূর্ণবাসন এলাকা থেকে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে মা সাহিদা বেগম।
জেলার পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে সাহিদা বেগম তাঁর দুই শিশু সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে তিনি নিজে চলন্ত ফ্যানের সঙ্গে কাটা পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এ জন্য নিহত দুই শিশুর শরীরের কোন আঘাতের চিহ্ন নেই।’
মোহাম্মদ কায়সার আরও বলেন, ‘সাহিদা বেগম হাসপাতালের পুলিশের কাছে নিজে হত্যা করার ঘটনা স্বীকার করেন। বর্তমানে তিনি পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সাহিদা বেগমের স্বামীর তেমন কোনো সম্পদ নেই। সাহিদা বেগমের স্বামীর ভাই ও ভাবি মানসিকভাবে যন্ত্রণা করতো। তাঁদের মধ্যে এক সপ্তাহ আগেও ঝগড়া হয়েছিলো। এর ফলে সাহিদা আশঙ্কা করছিলেন তাঁর ভাই ও ভাবি তাদের সন্তানকে মেরে ফেলবেন। এই আশঙ্কা থেকেই সাহিদা তাঁর দুই ছেলেকে হত্যা করে নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা করে।’
এর আগে স্থানীয়রা জানান, রোববার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে ঘরের ভেতরে দুই শিশু মৃত অবস্থায় ও তাদের মা আহত অবস্থায় পড়ে ছিলেন। ঘরের সিলিং ফ্যান পড়ে থাকায় ধারণা করা হয়, শিশুদের ওপর ফ্যান পড়ে মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।