/ মূলপাতা / জাতীয়
শিরোপা অবশেষে মেসির আর্জেন্টিনার - Ekotar Kantho

শিরোপা অবশেষে মেসির আর্জেন্টিনার

একতার কণ্ঠ: খেলা শেষ! লাখো কোটি চোখ খুঁজে ফিরছে লিওনেল মেসিকে। বছরের পর বছর ধরে এই একটি দৃশ্যের জন্য অপেক্ষা করেছিল তারা। লিওনেল মেসির একটি আন্তর্জাতিক ফাইনাল জয়। মেসির হাতে আন্তর্জাতিক শিরোপা-সম্ভবত ২১ শতকে সম্মিলিতভাবে দেখা সবচেয়ে বড় স্বপ্নগুলোর একটি। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলের অনেক সমর্থকও এবার মেসির হাতে একটা শিরোপা দেখতে চেয়েছিলেন। সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে! মেসি এখন কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন। মারাকানার ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলকে ১–০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে তাঁর দল আর্জেন্টিনা।

সর্বশেষ ১৯৯৩ সালে কোপা আমেরিকার শিরোপা জিতেছিল আর্জেন্টিনা। এরপর আরও চারবার ফাইনালে উঠলেও প্রতিবারই ফিরতে হয়েছে ব্যর্থ হয়ে। তবে এবার আর হতাশ হতে হয়নি আলেবিসেলেস্তাদের। ব্রাজিল থেকে শিরোপা হাতে নিয়েই ফিরবে তারা।

মারাকানায় ম্যাচ শুরুর আগে করোনা মহামারিতে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক। উভয় পক্ষই চেষ্টা করে প্রেসিংয়ে গিয়ে প্রতিপক্ষের পরিকল্পনার নষ্ট করতে। প্রথম দিকে বল দখলে ব্রাজিলের চেয়ে কিছুটা এগিয়েই ছিল আর্জেন্টিনা। তবে তাতে ব্রাজিলকে তেমন বিপদে পড়তে হয়নি। দ্রুতই লড়াইটা সমান সমান করে নেয় ব্রাজিলও। ম্যাচের প্রথম সুযোগটা পায় ব্রাজিলই। কাছাকাছি গিয়েও শটটা ঠিকঠাক নিতে পারেননি নেইমার। এ সময় বেশ কিছু হাফ চান্স তৈরি করেও গোল করতে পারেনি ব্রাজিল।

তবে ২২ মিনিটে ভুল করেননি আনহেল দি মারিয়া। প্রতি আক্রমণে দি পল লম্বা করে বল বাড়ান ডি মারিয়াকে লক্ষ্য করে। ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার রেনান লোদির ভুলে দি মারিয়া ঠিকই বল পেয়ে যান। এগিয়ে আসা গোলরক্ষক এদেরসন মাথার ওপর দিয়ে দারুণভাবে লব করে লক্ষ্যভেদ করেন এই পিএসজি তারকা। ২৯ মিনিটে আবারও গোলের কাছাকাছি পৌঁছে যান মারিয়া। তবে এবার ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারদের ফাঁদ এড়াতে পারেননি তিনি।

৩৪ মিনিটে নেইমারকে বিপজ্জনক জায়গায় ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন লেয়ান্দ্রো পেরেদেস। তবে ফ্রি কিক থেকে সুবিধা আদায় করতে ব্যর্থ হন নেইমার। প্রথমার্ধের বাকি সময়েও আর্জেন্টিনাকে বিপদে ফেলার মতো তেমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি ব্রাজিল। নেইমারসহ ব্রাজিলের আক্রমণভাগকে ঠিকই বোতলবন্দী করে রাখতে সক্ষম হয় আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডাররা।

বিরতির পর আক্রমণের ধার বাড়াতে রবার্তো ফিরমিনোকে মাঠে নামান তিতে। আক্রমণ–প্রতি আক্রমণে জমে উঠে লড়াই। তবে সমতা ফেরাতে উন্মুখ ব্রাজিল পর পর কয়েকটি আক্রমণে কোণঠাসা করে ফেলে আর্জেন্টিনাকে। ৫৪ মিনিটে রিচার্লিসন বল জালে জড়ালেও অফ সাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। একটু পর আবারও আর্জেন্টাইন গোলরক্ষককে পরীক্ষায় ফেলেন রিচার্লিসন।

৬৪ মিনিটে বিপজ্জনকভাবে ব্রাজিল ডি–বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন মেসি। তবে তাকে ঠেকিয়ে দেয় ব্রাজিল ডিফেন্ডাররা। দ্বিতীয়ার্ধে এগিয়ে থাকা আর্জেন্টিনা কিছুটা রক্ষণাত্মক কৌশলে খেলতে থাকে। এ সুযোগে ব্রাজিল চেষ্টা করে আক্রমণে গিয়ে সুযোগ তৈরির। কয়েকবার কাছাকাছিও গিয়েছিল তারা। শেষ দিকে গ্যাব্রিয়েল বারবোসার শট ফিরিয়ে দেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। ৮৮ মিনিটে গোল পেতে পারতেন মেসিও। কিন্তু গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হলে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় নেইমারদের।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. জুলাই ২০২১ ১১:৩০:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চিকিৎসকসহ করোনায় আক্রান্ত ও উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চিকিৎসকসহ করোনায় আক্রান্ত ও উপসর্গে ৭ জনের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ গত ২৪ ঘন্টায় টাঙ্গাইলে করোনায় আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে ৭ জন মৃত্যু বরণ করেছে। এদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মাজেদ আলী মিয়াসহ ৬ জন ও উপসর্গ নিয়ে ১ জন মৃত্যু বরণ করেছে। শনিবার (১০ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মোঃ শাহাবুদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি আরো জানান, নতুন করে জেলায় ৪৪৩টি নমুনা পরীক্ষায় ১৮৬ জনের দেহে করোনা সনাক্ত হয়েছে।এ দিন জেলায় শনাক্তের হার শতকরা ৪২ দশমিক ৪৬ ভাগ। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৫১ জন। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে ৫ হাজার ২৫১ জন। মোট মৃত্যু বরণ করেছেন ১৫৬ জন।জেলার হাসপাতাল গুলোতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১২৪ জন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জুলাই ২০২১ ০১:০৮:এএম ৩ বছর আগে
শেখ রাসেল শিশু পার্ক নয় উদ্ধার হওয়া জমিতে বসছে কাঁচা বাজার - Ekotar Kantho

শেখ রাসেল শিশু পার্ক নয় উদ্ধার হওয়া জমিতে বসছে কাঁচা বাজার

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে সাবেক  মন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর দখল থেকে উদ্ধার করা জমিতে আধুনিক কাঁচাবাজার নির্মিত হচ্ছে। টাঙ্গাইল পৌরসভা জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে অস্থায়ী ভিত্তিতে বাৎসরিক ইজারা নিয়ে সেখানে বাজার নির্মাণ করছে। উদ্ধার করা ওই জমিতে শেখ রাসেল শিশুপার্ক করার কথা ছিল। কিন্তু বিভিন্ন জটিলতা থাকার কারণে পার্ক নির্মাণ করা যায়নি বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। শহরের আকুরটাকুর পাড়ায় সড়কের ওপর বটতলা বাজার স্থানান্তর করে উদ্ধার করা ওই জমিতে কাঁচাবাজার নির্মিত হচ্ছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শহরের আকুরটাকুর পাড়া মৌজায় ২৪২ খতিয়ানের ৭৮৮ দাগে ৬৬ শতাংশ অর্পিত সম্পত্তি মামলা মূলে ১৯৭২ সালে ইজারা নেন সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত নিয়মমতো লিজমানি পরিশোধ করেন। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি ইজারার শর্ত ভঙ্গ করেন। এ ছাড়া টাঙ্গাইল জেলা জজ আদালতে ওই জমির মালিকানা দাবি করে মামলা করেন। মামলায় তিনি ডিক্রিও পান। সরকারপক্ষ জেলা জজ আদালতে রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে লিভ টু আপিল করেন। ওই সিভিল রিভিশন মামলায় সরকারপক্ষে রায় দেন আদালত। এ ঘটনায় আবদুল লতিফ সিদ্দিকী উচ্চ আদালতে সরকারপক্ষের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে লিভ টু আপিল করেন। সুপ্রিম কোর্টও সরকারের পক্ষে রায় দেন। পরে গত ২৪ জানুয়ারি আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর অবৈধভাবে দখলে রাখা ৬৬ শতাংশ জমি উদ্ধার করে জেলা প্রশাসন।

এদিকে আকুরটাকুর পাড়ার কয়েকজন ঘনবসতি এলাকা হওয়ায় সেখানে বাজার না করার দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি দিয়েছেন।

স্থানীয় মাসুদ রানা, রাসেল সিদ্দিকী, সংগ্রাম খন্দকার, সৈয়দ সাদেক জানান, এলাকাটির একদিকে জেলা সদর রোড় অন্য দিকে তালতলা রোড়। এখানে বাজার বসলে চলাচল করা কষ্টকর হয়ে পড়বে। আবাসিক এলাকায় নতুন করে বাজার বসানো সিদ্ধান্তটি  সঠিক হয়নি। এখানে শিশুদের জন্য বিনোদন কেন্দ্র চাই, বাজার নয়।

জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি জানান, উদ্ধার করা জমির বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা পার্ক না করে জনহিতকর কোনো কাজে ব্যবহার করার পরামর্শ দেন। এ ছাড়া জমিটি ক তফসিলভুক্ত অর্পিত সম্পত্তি হওয়ায় সরকারি কোনো দপ্তরকে স্থায়ী ভিত্তিতে দেওয়া যায়নি। মাসিক উন্নয়ন সভায় বিভিন্ন মহল থেকে উদ্ধার করা ওই জায়গায় সড়কের ওপর অবস্থিত বটতলা বাজার স্থানান্তরের দাবি তোলা হয়। সভার সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভিন্ন শর্তসাপেক্ষে টাঙ্গাইল পৌরসভাকে অস্থায়ীভাবে বাৎসরিক ইজারা দেওয়া হয়েছে। সেখানে ৬৭টি কাঁচা সেমিপাকা দোকান হবে। পয়ঃনিস্কাশনের ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জুলাই ২০২১ ০১:৪৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসকের মৃত্যু, স্ত্রী আই‌সিইউ‌তে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসকের মৃত্যু, স্ত্রী আই‌সিইউ‌তে

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইলে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এই প্রথম কোনো চি‌কিৎসক মারা গে‌লেন। শুক্রবার (৯ জুলাই) বি‌কে‌লে মধুপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মে‌ডিকেল অ‌ফিসার মাজেদ আলী মিয়া (৫৮) টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যাবি‌শিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে( আইসিইউ) মারা যান।

টাঙ্গাইল জেনা‌রেল হাসপাতাল সূত্র জানায়, শুক্রবার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) মাজেদ আলী মিয়া ছাড়াও আরও তিনজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয়।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শফিকুল ইসলাম সজিব জানান, মাজেদ আলী মধুপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত ছিলেন। তার স্ত্রী ও চিকিৎসক মেয়ে ১ জুলাই করোনায় আক্রান্ত হন। প‌রে তারা বাড়িতেই আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।

অবস্থার অবনতি হওয়ার পর মাজেদ আলী ও তার স্ত্রীকে জেনারেল হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার বিকেলে সাড়ে পাঁচটায় মাজেদ আলীর মৃত্যু হয়। তার স্ত্রী নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে রয়েছেন।

চিকিৎসক মাজেদ আলীর বাড়ি টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সিংজোড়া গ্রামে। তিনি বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজের ১৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত বছর ৮ এপ্রিল জেলায় প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। প্রথম মৃত্যু হয় গত বছর ২০ এপ্রিল। এই প্রথম টাঙ্গাইল জেলায় কর্মরত কোনো চিকিৎসক মারা গেলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. জুলাই ২০২১ ০৫:১৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে এক রাতে যমুনার গর্ভে শতাধিক বাড়িঘর ও জিওব্যাগ-তাঁত ফ্যাক্টরি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে এক রাতে যমুনার গর্ভে শতাধিক বাড়িঘর ও জিওব্যাগ-তাঁত ফ্যাক্টরি

একতার কন্ঠঃ প্রমত্ত্বা যমুনা বর্ষার শুরুতেই টাঙ্গাইলের চার উপজেলায় হানা দিয়ে শতাধিক বাড়িঘর, রাস্তা, হাট, তাঁত ফ্যাক্টরি, স’মিল ও ফসলি জমি গিলে ফেলেছে।ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জরুরিভাবে ফেলা জিওব্যাগও যমুনার করাল থাবা থামাতে ব্যর্থ হচ্ছে। যমুনার প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিতে এক রাতেই শতাধিক স্থাপনা বিলীন হয়ে গেছে।

জানাগেছে, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা, কালিহাতী, নাগরপুর ও ভূঞাপুর উপজেলায় বর্ষার শুরুতেই যমুনার ভাঙন শুরু হয়েছে। যমুনায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ার পর গত এক সপ্তাহ ধরে ভাঙন শুরু হলেও গত বুধবার(৭ জুলাই) থেকে ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে।

বৃহস্পতিবার(৮ জুলাই) এক রাতে শুধুমাত্র সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডের শতাধিক বাড়িঘর, তাঁত ফ্যাক্টরি, স’মিল ও হাট যমুনার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।এ সময় তিনটি ইউনিয়ন পরিষদের সাথে বঙ্গবন্ধুসেতুর যোগাযোগের সংযোগের অসমাপ্ত শেখ হাসিনা সড়কের একাংশ যমুনার পেটে চলে গেছে।মাহমুদ নগর ইউনিয়নের মাকরকোল, কেশবমাইঝাইল, তিতুলিয়া, নয়াপাড়া, কুকুরিয়া, বারবাড়িয়া; কাতুলী ইউনিয়নের দেওরগাছা, রশিদপুর, ইছাপাশা, খোশালিয়া, চানপাশা ও নন্দপাশা; হুগড়া ইউনিয়নের মসপুর, বারবেলা, চকগোপাল ও কচুয়া।

কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের আলীপুর, ভৈরববাড়ী। নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ ইউনিয়নের পাইকশা মাইঝাইল, খাস ঘুণি পাড়া, খাস তেবাড়িয়া,চর সলিমাবাদ, ভূতের মোড়; ভারড়া ইউনিয়নের শাহজানি, ভারড়া, পাঁচতারা, আগদিঘলীয়া। ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের ভালকুটিয়া এলাকায় ভাঙনের তীব্রতা বেশি।

সরেজমিনে সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের উত্তর চরপৌলী, দশখাদা, হাটখোলা, পানিকোড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, চরপৌলী হাটখোলা সম্পূর্ণ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড হাটখোলাটি রক্ষার জন্য জরুরি ব্যবস্থা হিসেবে ৩০০মিটার এলাকায় জিওব্যাগ ফেলে।জিওব্যাগগুলোও যমুনার তীব্র ঘূর্ণাবর্ত স্রোতে তলিয়ে ভাঙন শুরু হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বার বার জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে।

টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতী উপজেলার সীমান্ত এলাকা উত্তর চরপৌলী ও আলীপুর গ্রামের অংশে অসমাপ্ত শেখ হাসিনা সড়ক(নর্দান প্রজেক্ট) রক্ষার জন্য ১০০মিটার এলাকায় ফেলা জিওব্যাগ তলিয়ে গিয়ে ভাঙনে সড়কটির ৫০০-৬০০মিটার নদীগর্ভে চলে গেছে।

কাকুয়া ইউনিয়নের উত্তর চরপৌলীর নুরুল ইসলামের দেড় একর জায়গায় স্থাপিত তাঁত ফ্যাক্টরি, ঠান্ডু মিস্ত্রির স’মিল, একই এলাকার আ. জলিল, আ. বাতেন, আব্দুস সামাদ, মো. ইসমাইল, মোতালেব হোসেন, আব্দুল খালেক প্রামাণিক, আব্দুল আলিম, আব্দুর রহিম,বাবুল মোল্লা, নুর আলম মোল্লা, আব্দুল্লাহ, আবু বকর, আব্দুল মান্নান, লালচান মিয়া, মেকাম্মেল হক, শামসুল আলম, শাহ আলম, নজরুল ইসলাম; দশখাদা ও হাটখোলা এলাকার নুরুন্নাহার বেগম, মিনা আক্তার, সোনা খা, শিবলু তালুকদার, আলেয়া বেগম;পানকোড়া ও কবরস্থানপাড়ার মন্টু শেখ, মো. রোশনাই মিয়া, আব্দুস ছবুর, আনছের মন্ডল, গোলাপ খা, আব্দুল গফুর মন্ডল ও আজিজ মন্ডল সহ শতাধিক বাড়িঘর ও ফসলি জমি ভাঙনের শিকার হয়ে যমুনা গর্ভে চলে গেছে।

উত্তর চরপৌলী গ্রামের নুরুল ইসলাম জানান, দেড় একর জায়গায় তার তাঁত ফ্যাক্টরি ছিল। ফ্যাক্টরিতে ৫০টি পাওয়ারলোম চালু অবস্থায় ছিল।বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) রাতে যমুনার ভাঙনের কবলে পড়ে। তিনি শ্রমিকদের নিয়ে ফ্যাক্টরির তাঁতগুলো কোন রকমে সরিয়ে নিতে পারলেও ঘরটি নদীর পেটে চলে গেছে।

হাটখোলা এলাকার গৃহবধূ মিনা আক্তার জানান, তাদের ৬০ শতাংশের বসতবাড়ি ছিল। সাম্প্রতিক ভাঙনের শিকার হয়ে এখন ১২-১৩ শতাংশ ভূমির উপর মাত্র একটি ঘর টিকে আছে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে সেটাও নদীতে বিলীন হয়ে যাবে।তারা বর্তমানে চরপৌলী খামার পাড়া এলাকায় সরকারি খাস জমিতে বসবাসের জন্য ঘর নির্মাণ করছেন।

কবরস্থান পাড়ার আব্দুল গফুর মন্ডল ও আজিজ মন্ডল জানান, বুধবার(৭ জুলাই) বিকালে হঠাৎ যমুনা বিক্ষুব্ধ হয়ে প্রলয়ঙ্করী তান্ডব চালিয়ে মাত্র ৩০মিনিটের মধ্যে ৬০ শতাংশের বাড়িঘর নদীর পেটে চলে গেছে।তারা পাশের হাটে বাজার সদাই করাবস্থায় চিৎকার-চেচাঁমেচি শুনে দৌঁড়ে এসে দেখেন তাদের বাড়িঘর নেই। মুহুর্তের মধ্যে যমুনা গ্রাস করে নিয়েছে।

কাকুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ জানান, ভাঙনের শিকার হয়ে তার ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। গত ৩-৪দিনের ভাঙনে ইউনিয়নের সবচেয়ে বড় গ্রাম চরপৌলীর বহু স্থাপনা ও বাড়িঘর যমুনার যমুনা গিলে খেয়েছে।পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙনরোধে জিওব্যাগ ফেললেও তা কোন কাজে আসছে না। তারা সদর উপজেলার মাহমুদ নগর ইউনিয়নের গোলচত্তর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানান।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম জানান, টাঙ্গাইলের চরাঞ্চলের বিশাল এলাকা প্রতিবছরই যমুনার ভাঙনের শিকার হয়। এ ভাঙনরোধে তিন বছর আগে একটি স্থায়ী বাঁধের প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।দীর্ঘ তিন বছরেও প্রকল্পটি অনুমোদন না হওয়ায় কাজ করা সম্ভব হচ্ছেনা। জরুরি ব্যবস্থা হিসেবে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. জুলাই ২০২১ ০৩:২৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কোরবানির গরু আছে ক্রেতা নেই; অনলাইনেও জমেনি পশুর হাট - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কোরবানির গরু আছে ক্রেতা নেই; অনলাইনেও জমেনি পশুর হাট

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে খামার ও কৃষক পর্যায়ে কোরবানির জন্য প্রায় দেড় লাখ গরু প্রস্তুত থাকলেও করোনার কারণে হাট না বসানোয় ক্রেতা মিলছে না।সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে কোরবানির পশু বিকিকিনির জন্য অনলাইন হাটের ব্যবস্থা করা হলেও এ বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা না থাকায় জমে ওঠছে না।ফলে কোরবানির পশু বিক্রি নিয়ে কৃষক ও খামারীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। তবে ঈদুল আযহার আগে ৩-৪দিন হাট বসানোর অনুমতি দেওয়া হলে এ অবস্থার কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তন হওয়ার আশায় বুক বেঁধেছেন খামারী ও কৃষকরা।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সূত্রে জানাগেছে, টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলায় ছোট-বড় ৬ শতাধিক গরু মোটাতাজা করণের খামার রয়েছে।খামারগুলোতে ৯৫ হাজার ২০০ কোরবানির গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া জেলার কৃষক পর্যায়ে প্রায় ৫০ হাজার পশু মোটাতাজা করে কোরবানির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

সূত্রমতে, সরকারি হিসেবে জেলায় কোরবানির জন্য ৮৪ হাজার ২২০টি(গত দুই বছরের অনুপাতে) পশুর চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বেসরকারি হিসেবে এর সংখ্যা প্রায় দেড় লাখ। করোনার কারণে দেশে কঠোর লকডাউন চলমান থাকায় জেলার গরুর হাটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।জেলার গরুর হাট হিসেবে খ্যাত ৩-৪টি হাটে ইজারাদাররা ব্যক্তি উদ্যোগে হাট বসানোর চেষ্টা করায় জেলা-উপজেলা প্রশাসনের তৎপরতায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তারা কোরবানির হাট বসানোর বিষয়ে সরকারি সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন।

এদিকে, অনলাইন কেনাকাটা উৎসাহিত করতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কোরবানিকে সামনে রেখে ১৩টি অনলাইন পশুর হাট পেইজ খোলা হয়েছে।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পেইজে খোলা এসব হাটগুলোর মধ্যে জেলার ১২টি উপজেলায় ১২টি এবং জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে একটি রয়েছে।এসব পেইজে বৃহস্পতিবার(৮ জুলাই) পর্যন্ত তিন হাজার ৬৮১টি পশুর বিবরণ সহ ছবি আপলোড করা হয়েছে। এরমধ্যে ১৩২টি কোরবানির পশু সরকারি অনলাইনে বিক্রি হয়েছে।

সরেজমিনে কৃষক জাহাঙ্গীর আলম, বুলবুল হোসেন, দবির উদ্দিন, আজিজুর রহমান, বাবলু মিয়া, রমজান আলী, লালচান মিয়া, নজরুল ইসলাম সহ অনেকেই জানান, তারা প্রতি বছর কোরবানি সামনে রেখে ২-৪টি ষাড় বাছুর কিনে মোটাতাজা করেন।মোটাতাজাকরণে পরিবারের সবাই কম-বেশি শ্রম দেন। কোরবানির সময় বিক্রি করে তারা বেশ লাভবান হন। এ বছরও তারা ষাড় বাছুর কিনে মোটাতাজা করেছেন।কিন্তু এবার করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় কঠোর লকডাউন চলছে। ফলে এখনও পর্যন্ত কোন পাইকার তাদের গরু কেনার জন্য আসেনি। হাট বন্ধ থাকায় তাদের গরুগুলো বাড়িতেই রয়েছে। অনলাইন হাট সম্পর্কে তাদের ধারণা না থাকায় সেখানেও কোন রকম যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছেনা। সব মিলিয়ে তারা এবার গরু নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

টাঙ্গাইল পৌরসভার বালুচরা এলাকার বীণা এগ্রো ফার্মের মালিক শাহ আজিজ তালুকদার জানান, কোরবানিকে সামনে রেখে তিনি ১৫টি দেশি জাতের গরু লালন-পালন করছেন।ইতোমধ্যে গরুগুলো ক্রয় ও পালনে তিনি ২০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছেন। করোনায় হাট-বাজার বন্ধ থাকায় তিনি অনলাইনে চেষ্টা করে আশানুরূপ সাড়া পাননি। ভারতীয় গরু দেশে না এলে তিনি এবারও লাভের মুখ দেখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

ভূঞাপুরের বৃহৎ খামার চকদার গরুর খামারের মালিক মো. দুলাল হোসেন চকদার জানান, এ বছর কোরবানির জন্য তিনি ১০০টি ষাড় ও বলদ মোটাতাজা করেছেন। এরমধ্যে ৪০টি বলদ ও ৬০টি ষাড় গরু রয়েছে।করোনার কারণে এবার তিনি অনলাইনে গরু বিক্রির উপর জোর দিয়েছেন। ফেসবুকে পেইজ খুলে গরুর ছবি দিয়ে তিনি ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টা করছেন। এতে ভালো সাড়াও পেয়েছেন।প্রতিদিনই অনলাইনে লোকজন যোগাযোগ করছেন, পাইকাররাও ফেসবুকে দেখে স্বশরীরে আসছেন। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিনি ২৬টি ষাড় ও বলদ বিক্রি করেছেন।

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর গরুর হাট ভূঞাপুরের গোবিন্দাসী গরুর হাটের ইজারাদার মো. লিটন মন্ডল জানান, স্থানীয় নানা জটিলতার কারণে বৃহত্তর এ হাটটি ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলেছে।করোনার কঠিন আঘাত তাদের জন্য ‘মরার উপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে দেখা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার হাটবারেও গরু থাকলেও কঠোর লকডাউনের কারণে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে হাটে বিকিকিনি বন্ধ করে দিয়েছে।এছাড়া লকডাউনের কারণে ক্রেতা ও পাইকাররা আসতে পারছেনা। গত বছর হাট ইজারা নিয়ে বেশ লোকসান গুনতে হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে গোবন্দিাসী গরুর হাট অস্তিত্ব হারাবে।

টাঙ্গাইল জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. রানা মিয়া জানান, কঠোর লকডাউনের কারণে হাট-বাজার বন্ধ রয়েছে।কোরবানির পশু বিকিকিনি করতে জেলা প্রশাসন ও প্রাণি সম্পদ দপ্তরের উদ্যোগে একটি এবং জেলার ১২টি উপজেলায় ১২টি মোট ১৩টি ফেসবুক পেইজ খোলা হয়েছে। ওইসব পেইজে খামারী ও সাধারণ কৃষকদের অনলাইনে পশু কেনাবেচাঁর সুযোগ তৈরি হয়েছে।অনেকে এ সুযোগ গ্রহন করছেন। সরকারি নির্দেশনা পেলে পশুর হাট বসানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. জুলাই ২০২১ ০৩:৫৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে করোনা ও উপসর্গে মৃত্যু চার, শনাক্ত ২৯০ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে করোনা ও উপসর্গে মৃত্যু চার, শনাক্ত ২৯০

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে  চার জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের ৫জন চিকিৎসক, ৩০জন নার্সসহ নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ২৯০জন। আক্রান্তের হার শতকরা ৪০.৪৪ ভাগ।শুক্রবার (৯ জুলাই) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘন্টায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চারজন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও জেলার নতুন করে ২৯০জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেছেন ১৫০জন। আর করোনা রোগীর মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৮শ’ ৬৫জনে। সুস্থ হয়েছেন ৫১৯৮ জন। হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৭৭৭ জন। মোট কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন  ২৬ হাজার ৫৪ জন।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. খন্দকার সাদিকুর রহমান নিজেই তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, তিনি বৃহস্পতিবার( ৮ জুলাই) দুপুরে করোনা পরীক্ষার নমুনা দিয়েছিলেন। পরে নমুনা পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ এসেছে।

তিনি আরো জানান, টাঙ্গাইল জেনালের  হাসাপাতালের আরও চারজন চিকিৎসক ও ৩০ নার্স করোনা পজিটিভ হয়েছেন। এছাড়াও তার স্ত্রী ও ছেলে করোনা পজিটিভ ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. জুলাই ২০২১ ০২:২৮:এএম ৩ বছর আগে
ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত কিনা বুঝবেন তিনটি লক্ষণ থাকলে - Ekotar Kantho

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত কিনা বুঝবেন তিনটি লক্ষণ থাকলে

একতার কণ্ঠঃ করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন সরকার। এরই মধ্যেকরোনার এ ধরনটি সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ভাইরাসটি দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। ফলে সরকারের পক্ষ থেকে কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট দিয়ে যাদের কোভিড হচ্ছে তাদের ভেতর তিনটি নতুন লক্ষণ দেখা দিচ্ছে। এগুলো হলো-

১. ঠাণ্ডা সর্দি
২. মাথা ব্যাথা এবং
৩. গলা ব্যাথা বা সোর থ্রোট

এর সঙ্গে হাল্কা জ্বরও থাকতে পারে। যুক্তরাজ্যে এখন কারো ভেতর এই তিনটি লক্ষণ দেখা দিলেই তাদেরকে কোভিড টেস্ট করাতে বলা হচ্ছে। সম্প্রতি কিংস কলেজ অব লন্ডন পরিচালিত জো সিম্পটম স্টাডি নামের অ্যাপস ভিত্তিক একটি গবেষণায় বেশিরভাগ কোভিড রোগীদের ভেতরে এই নতুন লক্ষণগুলে পরিলক্ষিত হয়েছে।

এর আগে কোভিডের প্রধাণ লক্ষণগুলো ছিল-

১. উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর
২. ক্রমাগত শুস্ক কাশি
৩. স্বাদ এবং ঘ্রাণশক্তির পরিবর্তন।

বাংলাদেশে এখন যেহেতু ৮০ শতাংশের ওপরে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট দিয়ে কোভিড হচ্ছে, তাই যাদের ভেতর ওপরের তিনটি নতুন লক্ষণ দেখা দিবে, তাদের কোভিড টেস্ট করানো উচিত। এতে করে দ্রুত রোগ শনাক্ত করা যাবে। এর ফলে ত্বরিত আইসোলেশন এবং চিকিৎসার মাধ্যমে দেশে করোনার বিস্তার এবং এর থেকে মৃত্যু, দুটোই কমানো যাবে।

কনটেন্ট ক্রেডিট: মেডিভয়েস

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জুলাই ২০২১ ০৩:৫৮:এএম ৩ বছর আগে
কঠোর বিধিনিষেধ মানাতে পাড়া-মহল্লায় অভিযান চালাবে র‌্যাব - Ekotar Kantho

কঠোর বিধিনিষেধ মানাতে পাড়া-মহল্লায় অভিযান চালাবে র‌্যাব

একতার কন্ঠঃ করোনা সংক্রমণ রোধে সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধ মানাতে পাড়া-মহল্লায়ও কঠোর অভিযান পরিচালনার কথা জানিয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

শনিবার (৩ জুলাই) দুপুর ১২টায় রাজধানীর রাসেল স্কয়ারে র‍্যাবের কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কামান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, ‘কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেও যারা বাইরে বের হচ্ছেন তাদের অনেকেই সঠিকভাবে মাস্ক পরিধান করছেন না। তাদেরকে সচেতনতার পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে  শাস্তিমমূলক ব্যবস্থা  নেওয়া হচ্ছে।’

‘বিধিনিষেধ মানাতে র‍্যাব এখন পর্যন্ত দেশব্যাপী চার শতাধিক মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে, আর জরিমানা করেছে চার লক্ষাধিক টাকা। দেশজুড়ে নিয়মিত টহল ও চেকপোস্টের বাইরে চার শতাধিক অতিরিক্ত চেকপোস্ট পরিচালনা করে যারা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন তা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘পাড়া-মহল্লায় টহল পরিচালনা করার সময় দেখেছি, অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। বিভিন্ন চার স্টলে-দোকানে গণজমায়েত দেখা গেছে। তাই সবার প্রতি অনুরোধ পরিবারের কথা বিবেচনা করে হলেও এই কটা দিন করোনার ঝুঁকিপূর্ণ সময়টাতে ঘরে থাকুন। অন্যথায় মোবাইর কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা  নেওয়া হবে ।’

এক প্রশ্নের জবাবে র‍্যাবের  কর্মকর্তা বলেন, তিনি এখানে আসার আগে ১০টি চেকপোস্ট পরিদর্শন করেছেন, পাড়া-মহল্লায় গিয়েছেন। সাংবাদিকরা যথার্থই বলেছে, পাড়া-মহল্লায় অনেকেই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। শনিবার(৩ জুলাই) থেকে পাড়া-মহল্লায় স্পেশাল অভিযান পরিচালনা করা হবে। সম্মানিত নাগরিকদের অনুরোধ করবো পাড়া-মহল্লায় আপনারা জমায়েত হবেন না।’

গত দুইদিনের বিধিনিষেধে র‍্যাবের অভিযান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রথমদিন বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সারাদেশে ১৮২ জনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আর জরিমানা করা হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। শুক্রবার( ২ জুলাই)    সারাদেশে ২২০ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি জরিমানা করা হয়েছে আড়াই লক্ষাধিক টাকা। গত দুইদিনের প্রেক্ষাপটে  শনিবার চেকপোস্ট বেশি ছিল। যারা নির্দেশনা মানছেন না, তাদের কাউকে ছাড় দেয়া হচ্ছে না।’

র‍্যাবের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘এখন বিশেষ পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে বিধিনিষেধ দেয়া হয়েছে। যারা জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হচ্ছেন, তাদেরকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ করছি। অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সবাইকে ঘরে থাকার অনুরোধ করছি।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জুলাই ২০২১ ০২:১৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় ৯জনের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় ৯জনের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। গত ২৪ ঘন্টায় শনিবার (৩ জুলাই) টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ও উপসর্গ নিয়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৩জন ও উপসর্গ নিয়ে ৬জন মারা গেছে।টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মোঃ শাহাবুদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করছেন।

অপরদিকে, টাঙ্গাইল জেনালের হাসপাতালের তত্ববধায়ক ডা. সাজেদুর রহমান জানান, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে সর্বমোট ৫১৭ জন রোগী ভর্তি হয়। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৫৯ জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে ৭৪ জন। বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনালে হাসপাতালে আইসিইউ বেডে ৫ জন ও জেনারেল বেডে ৩৮জন নিয়ে মোট ৪৩ জন রুগী  চিকিৎসাধীন  রয়েছে।

জেনারেল হাসপাতালের তত্ববধায়ক আরো জানান, করোনায় আক্রান্ত রোগী ও উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় ৫০ শয্যার করোনা ইউনিটে বেড সংকুলান না হওয়ায় হাসপাতালের গাইনী ওয়ার্ডে ২৪ ও মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে ৩২ বেড মোট ৫৬ বেড বাড়ানো হয়েছে। এ নিয়ে বর্তমানে করোনা রোগীর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ১০৬ বেড প্রস্তুত করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলায় সর্বমোট মৃত্যুবরণ করেছেন ১২১জন। এদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ৫০, কালিহাতীতে ১৪, ঘাটাইলে ১২, মির্জাপুরে ১০, নাগরপুরে ২, দেলদুয়ারে ১১, সখীপুরে ৫, বাসাইলে ৫, মধুপুরে ৩, ভূঞাপুরে ৩, গোপালপুরে ৩ ও ধনবাড়ী উপজেলায় ৩ জন।

গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে জেলায় ৩২ টি নমুনা পরীক্ষার রির্পোটে ১০ জনের করোনা সনাক্ত হয়। শনাক্তের হার শতকরা ৩২ দশমিক ২৫ ভাগ।আক্রান্ত ১০ জনই টাঙ্গাইল সদর উপজেলার।

এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮হাজার ২০৯ জন। আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ৩ হাজার ৬৫৪, নাগরপুরে ১৬৫, দেলদুয়ারে ৩৭৭, সখীপুরে ৩৭৭, মির্জাপুরে ৮৬৫, বাসাইলে ২১৭, কালিহাতীতে ৮০৯, ঘাটাইলে ৫০৪, মধুপুরে ৩৯২, ভূঞাপুরে ৩৩৮, পোপালপুরে ২৭০ ও ধনবাড়ী উপজেলায় ২৪০ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে মোট সুস্থ্য হয়েছে ৪ হাজার ৭৫৫জন। এদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১ হাজার ৬৫৭ জন, নাগরপুরে ১৩৮, দেলদুয়ারে ১৮০, সখীপুরে ২৭৬, মির্জাপুরে ৭২৭, বাসাইলে ১২৭, কালিহাতীতে ৪২৬, ঘাটাইলে ৩৪০, মধুপুরে ২৮২, ভূঞাপুরে ২২৮, গোপালপুরে ১৮৮ ও ধনবাড়ীতে ১৮৮ জন।

অন্যদিকে, কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কপ্লেক্সে ৪, মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কপ্লেক্সে ২, ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কপ্লেক্সে ১৪, গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কপ্লেক্সে ৪ জন ও মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ৩ জন নিয়ে মোট ৭০ জেলার হাসপাতাল গুলোতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জুলাই ২০২১ ০২:৪৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অ্যাম্বুলেন্স ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী সহ নিহত ৫ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অ্যাম্বুলেন্স ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী সহ নিহত ৫

একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধুসেতু-ঢাকা মহাসড়কের টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার হাতিয়া নামক স্থানে অ্যাম্বুলেন্স ও মাছবাহী পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংর্ঘষে একজন নারীসহ ৫ জন নিহত হয়েছে।শনিবার(৩ জুলাই) সকালে এই দূর্ঘটনা ঘটে।এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৫ জন ।বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, অ্যাম্বুলেন্সটিতে ক্যান্সার আক্রান্ত রুগী নিয়ে উত্তরবঙ্গের দিকে যাচ্ছিল। মহাসড়কের হাতিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীতদিক থেকে আসা ঢাকাগামী মাছবাহী একটি পিকআপ ভ্যানের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্সটি দুমরে-মুচরে যায়। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সের চালকসহ তিনজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। দূর্ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্স ও পিকআপ ভ্যানে থাকা আরও সাতজন যাত্রী আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে এক জন নারী সহ দুই জনের মৃত্যু হয়।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।এ ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। হতাহতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।’

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. জুলাই ২০২১ ০৫:৪৯:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কঠোর লকডাউনেও সাত জনের মৃত্যু, করোনা শনাক্ত ২৩৫ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কঠোর লকডাউনেও সাত জনের মৃত্যু, করোনা শনাক্ত ২৩৫

একতার কণ্ঠঃ কঠোর লকডাউনেও টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে শুক্রবার(২ জুলাই) সকাল পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিন জন ও উপসর্গ নিয়ে চার জন সহ মোট সাত জন মৃত্যুবরণ করেছে। নতুন করে জেলায় ৫২৬টি নমুনা পরীক্ষায় ২৩৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৪৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

এদিকে কঠোর লকডাউন অমান্য করে যাতায়াতকারী যানবাহন বঙ্গবন্ধুসেতু পারাপার হতে না পারে সেজন্য টোল আদায়ে সতর্ক থাকতে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষকে(বাসেক) অনুরোধ জানিয়েছেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি।

টাঙ্গাইল জেলায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাওয়ায় লকডাউন অমান্য করে বঙ্গবন্ধুসেতু-ঢাকা মহাসড়ক ব্যবহার করে গণপরিবহন যাতে টাঙ্গাইলে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য ব্যাবস্থা নিতে পাশের গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসককেও অনুরোধ জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) বিকালে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে লকডাউন বাস্তবায়নে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সমন্বয় সভা শেষে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি এ অনুরোধ করেন।

তিনি জানান, কঠোর লকডাউন অমান্য করে কেউ যেন টাঙ্গাইলে প্রবেশ না করতে পারে- সে লক্ষ্যে সিরাজগঞ্জ ও গাজীপুরের জেলা প্রশাসককে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছে। বিশেষ করে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসককে বঙ্গবন্ধুসেতুর পশ্চিমপ্রান্তে সব সময়ের জন্য মোবাইল কোর্ট রাখার অনুরোধ করা হয়েছে- যাতে বিধিনিষেধ অমান্য করে কোন গাড়ি সেতুতে উঠতে না পারে। এছাড়া টোল আদায়ে বাসেককে সতর্ক থাকতে অনুরোধ করা হয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের একজন সদস্য(সচিব পদ মর্যাদার) জেলার করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও তদারকি করছেন।

জেলা প্রশাসক জানান, কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার সকাল থেকে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন পয়েণ্টে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করছে সেনা সদস্যরা। এছাড়া জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ১১৩টি চেকপোস্ট বসিয়ে লকডাউন কার্যকর করা হচ্ছে। জেলায় লকডাউন বাস্তবায়নে ২৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর সাতটি টিম(প্রতি টিমে ৯জন সেনা সদস্য), প্রতিটিমে আট জন সদস্যের র‌্যাবের তিনটি পেট্রোল টিম, বিজিবি’র ২০জন সদস্য, পুলিশ এবং আনসারের আটশ’ সদস্য মাঠে রয়েছেন।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান শুক্রবার(২ জুলাই) সকালে জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে তিন জন ও উপসর্গ নিয়ে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। এদিন নতুন করে জেলায় ৫২৬টি নমুনা পরীক্ষায় ২৩৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৪৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ। আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১২৬ জন, মির্জাপুরে ৩০ জন, দেলদুয়ার, কালিহাতী, ঘাটাইল ও গোপালপুরে ১২ জন করে, সখীপুরে ১০ জন, মধুপুরে সাত জন, বাসাইলে ছয় জন, ভূঞাপুর ও ধনবাড়িতে তিন জন করে এবং নাগরপুর উপজেলায় দুই জন রয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. জুলাই ২০২১ ১০:১১:পিএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।