একতার কণ্ঠঃ জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয় দেখা দেওয়ায় মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) দুপুর ২টা ৫ মিনিট থেকে দেশের অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। জাতীয় গ্রিড হলো বাংলাদেশে একমাত্র বিদ্যুৎশক্তি সঞ্চালন গ্রিড। এটি পরিচালনা করে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি)।
এই গ্রিডের কাজ হলো বিভিন্ন মাধ্যম থেকে আগত বিদ্যৎ কে ম্যানেজ করে আমাদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া , যার ফলে যদি সোলার প্লান্ট থেকে কোনো ইলেকট্রিসিটি নাও আসে তাতেও আমাদের বাড়ির ইলেকট্রিসিটি যেন চলে না যায়।

জাতীয় গ্রিড হলো প্রতিটি গ্রিডের সংঙ্গে অন্য একটি গ্রিড কে যুক্ত করে রাখা।
উদাহনত হিসেবে ধরুন : বিভিন্ন Division অথবা State এর মধ্যে প্রতিটি গ্রিড একটিকে উপরটির সাথে যুক্ত করা হয়ে থাকে , এরফলে যদি কোনো কারণে একটি গ্রিড Fail হয়ে যায় তাহলে অন্য Division অথবা State এর গ্রিড থেকে ইলেকট্রিসিটি প্রদান করা সম্ভব।
ধরুন, একটি পাওয়ার প্লান্ট কোনোভাবে বন্ধ হয়ে গেলো , ওই সময় গুরুত্বপূর্ণ শহরের ইলেক্ট্রিসিটি যাতে না চলে যায় এরজন্যই গ্রিড কে অন্য গ্রিডের সংঙ্গে যুক্ত করে রাখা হয় , যা জাতীয় গ্রিড (National Grid) বলা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতুর কাছে একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাইক্রোবাসের ওপর উঠে গেলে ছয়জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৪০ জন।
বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলস্টেশনের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপক্ষের সহকারী সিকিউরিটি অ্যান্ড সেফটি ম্যানেজার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা একতা পরিবহনের একটি বাস বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার পরই ব্রেক ফেল করে। এতে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢাকাগামী লেন থেকে উত্তরবঙ্গগামী লেনে উল্টে গিয়ে একটি মাইক্রোবাসের ওপর উঠে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সফিকুল ইসলাম নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতের নাম পরিচয় এখনো জানা যায়নি। উদ্ধার কার্যক্রম চলছে।আহত অন্তত ৪০ জনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। নিহতের সংখ্যা বাডার সম্ভাবনা রয়েছে। মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে ।
একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, যেকোনো রাজনৈতিক সংগঠনের মিছিল-মিটিং করার মৌলিক অধিকার রয়েছে। সংবিধানে লেখা আছে, মানুষের জীবনমানের উপর কোনো হুমকি সৃষ্টি করা যাবে না, জীবনমানকে ঝুঁকির মাঝে ফেলা যাবে না। আমরা দেখছি বিএনপি ঠিকই সমাবেশ করছে। সমাবেশ থেকে মিছিল বের করেই পুলিশের উপর হামলা করছে। যখন পুলিশের উপর হামলা করে তখন তারা বাধ্য হয় পদক্ষেপ নিতে।
শুক্রবার (৩০ সেপ্টম্বর) বিকালে টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি মিথ্যাচার করে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করছে। তারা ২০১৩ সালে ফিরে যেতে চাচ্ছে। তারা নির্বাচনে যাবে না, গাড়িতে আগুন দেবে, ইলেক্ট্রনিক লাইন খোলে দেবে, ট্রেনে আগুন দেবে, জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারবে, এটা আমরা করতে দেব না। বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী অনেক সু-শৃঙ্খল। মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব পুলিশের। বিএনপি লাঠি নিয়ে অস্ত্র নিয়ে তাদের নিরাপত্তা দিতে পারবে? আর সরকার তা মেনে নেবে? এটা সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব।
টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে আয়োজিত সম্মেলনে শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম সিরাজুল হক আলমগীরের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আযম এমপি, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক শামসুন্নাহার চাঁপা, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও একুশে পদক প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির প্রমুখ।
এসময় শহর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বাংলাদেশে কাজ করা বিশ্বের সব দেশের রাষ্ট্রদূত মিলে বললেও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে না।
বৃহস্পতিবার(২৯ সেপ্টেম্বর)দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমরা চাই, বিএনপিসহ ছোট–বড় সব দলই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে শেষ দিন পর্যন্ত আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাব। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া আপনারা নির্বাচনে যাবেন না—এমন উসকানি কেউ যেন না দেয়। এটা আমেরিকার অ্যাম্বাসেডর হোক আর যেকোনো দেশের অ্যাম্বাসেডর হোক কিংবা সকল অ্যাম্বাসেডর মিলে বললেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না।’
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘বিএনপি বলছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার না হলে নির্বাচনে যাবে না। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না। সংবিধানে স্পষ্ট লেখা আছে, নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে। সরকার নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। আজ বিএনপি মহড়া দিচ্ছে, লাঠির মধ্যে বাংলাদেশের পতাকা লাগিয়ে মিছিল ও সমাবেশ করছে। সব মিলিয়ে তারা সন্ত্রাসের দিকে যাচ্ছে। ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত যেভাবে মোকাবিলা করেছি, ভবিষ্যতেও ঠিক একইভাবে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করব, ইনশা আল্লাহ।’
বর্তমান সরকার বিএনপিকে সভা সমাবেশ করার অনুমতি দিচ্ছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের সমালোচনা করুক। দেশে পত্রপত্রিকা আছে, টেলিভিশন আছে। কোথাও কোনো বাধা নেই। তারা সংসদেও কথা বলছে। তাদের তো কোনো সমস্যা নেই। তারপরও তারা কেন এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে? এই পরিস্থিতি আমরা কোনোভাবেই হতে দেব না। মানুষের জান-মাল ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং দেশের উন্নয়নকে অব্যাহত রাখার জন্য আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের সক্ষমতা দিয়ে যা করা দরকার, তা–ই করবে।’
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুকের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, সংসদ সদস্য আতোয়ার রহমান খান, সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনির, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলমগীর খান, শামসুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান, শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৬নং ওয়ার্ডের ( কালিহাতী) সদস্য পদে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান ও ১২টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা মো. আয়নাল হককে নিরঙ্কুশ সমর্থন দিয়েছেন । বুধবার(২৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন সরেজমিনে ঘুরে ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বারদের সাথে কথা বললে এই সমর্থনের কথা তারা জানান।
জানাগেছে, কালিহাতী উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান, কালিহাতী পৌরসভার মেয়র নুরন্নবী সরকার, দশকিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এম এ মালেক ভুঁইয়া,নাগবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল কাইয়ুম বিপ্লব, বল্লা ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ, কোকডহরা ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম, পাইকড়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. আজাদ হোসেন,সহদেবপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান খান ফরিদ,গোহালিয়া বাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাই আকন্দ, সল্লা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলীম, নারান্দিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. মাসুদ তালুকদার, বীরবাসিন্দা ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন, পারখী ইউপি চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী তালুকদারসহ অনেকেই প্রার্থী আয়নাল হকের নির্বাচনী কার্যক্রমে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ ভাবে অংশ নিয়েছেন।
কালিহাতী উপজেলা চেয়ারম্যান আনছার আলী বিকম জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারীর নির্দেশনা অনুযায়ী তারা সদস্য পদে আয়নাল হককে সমর্থন দিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালা করছে। এ নির্বাচনে তারা ভোটাদের কাছ থেকে প্রার্থীর পক্ষে ব্যপক সাড়া পাচ্ছেন বলে জানান তিনি।
কালিহাতী পৌরসভার মেয়র নুরন্নবী সরকার জানান, আমরা সকলে মিলে সদস্য পদে আয়নাল হকের মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছি। সবেমাত্র যাচাই-বাচাই হয়েছে। এখন পুরোদমে নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আশা করছেন তাদের প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে।
দশাকিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এম এ মালেক ভুঁইয়া জানান, কালিহাতী উপজেলায় ১৩টি ইউনিয়ন তার ১২ ইউপি চেয়ারম্যান মিলে সকলেই তারাা আয়নাল হককে সমর্থন দিয়েছেন। শুধু সমর্থনই নয়, প্রার্থী আয়নাল হককে সাথে নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভোটারদের দ্বারে-দ্বারে যাচ্ছেন। এ নির্বাচনে আয়নাল হকের বিজয় সুনিশ্চিত বলে তিনি জানান।
প্রকাশ, সম্প্রতি কালিহাতীর সংসদ সদস্য হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারীর বিদেশ সফরের প্রাক্কালে উপজেলা আওয়ামী লীগসহ উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র ও সকল ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বারদের ডেকে নিয়ে জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৬নং ওয়ার্ড (কালিহাতী) সদস্য পদে আয়নাল হককে সমর্থন দেন। এ সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এ বিষয়ে সহমত পোষণ করেন। কিন্তু গত সোমবার(২৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে এলেঙ্গা বিরতি রেষ্টুরেন্টে সদ্য আওয়ামী লীগে যোগদানকৃত হাসানুজ্জামান তালুকদার রঞ্জুকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী ঘোষনা করেন। এতে আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা সরাসরি ঘুষ লেনদেন না করে এবার বিশেষ সংকেতের মাধ্যমে ঘুষ বাণিজ্য করছে এমন অভিযোগ ওঠেছে। পাসপোর্ট অফিস ও এর সংলগ্ন এলাকা ঘুরে এমন সংকেতের সত্যতা পাওয়া গেছে।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গণি জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। উপযুক্ত প্রমাণ পেলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সরেজমিনে সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) গিয়ে দেখা যায়, ভোর থেকেই শত শত পাসপোর্ট প্রত্যাশী আসেন টাঙ্গাইল আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে। পাসপোর্ট অফিসের ভিতর থেকে বাহির পর্যন্ত তাদের দীর্ঘ লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এ সময় কথা হয় বেশ কয়েক জন পাসপোর্ট প্রত্যাশীর সাথে। তারা জানান, সরকারি নিয়মে ব্যাংক ড্রাফ করে বৈধ নিয়মেই আবেদন ফাইল জমা দিতে গেলে অফিস থেকে বলে আপনার পেশা দিয়েছেন প্রাইভেট সার্ভিস, এ কারণে আপনার ট্রেড লাইসেন্স লাগবে। ফাইল জমা না দিতে পেরে একই কাগজ পত্র স্থানীয় দালারদের মাধ্যমে ফাইল প্রতি ১৫’শ টাকার মাধ্যমে জমা দিলে ফাইলগুলি জমা নেয় ওই কর্মকর্তারা।
তারা আরো জানান, পাসপোর্ট অফিসের পাশে কোর্ট চত্বরে জেলা পরিষদ রোডের দুই পাশে গড়ে উঠেছে চায়ের দোকান, কম্পিউটার দোকান, ফ্লেক্সিলোডের দোকান ও ওষুধের দোকান। বেশিরভাগ দোকানেই লোক দেখানোর জন্য রাখা হয়েছে কম্পিউটার ও ফটোকপি মেশিন। কিন্তু এর আড়ালে চলে ভিন্ন ব্যবসা। এখানে প্রকাশ্যে চলছে পাসপোর্ট নিয়ে জাল-জালিয়তি কারবার। এসব দোকানে ঘাপটি মেরে বসে থাকে দালররা। পাসপোর্ট প্রত্যাশীরা কাগজপত্র ঠিক করতে গেলে দালালরা বলে উঠে ভাই নিজে নিজে পাসপোর্ট করতে পারবেন না। ভিতরে আমাদের লোক আছে কোনো রকম হয়রানি ছাড়াই পাসপোর্ট করতে পারবেন। এমন সুবিদেভোগী আশ্বাসে বেশীরভাগ পাসপোর্ট প্রত্যাশীরা দালালদের ফাঁদে পড়ছেন। দালাল ছাড়া এমন হয়রানি যেন নিত্যদিনের সঙ্গী।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে পাসপোর্ট অফিসের একাধিক দালাল জানান, একদিনে পাসপোর্টের ফিঙ্গার হয় না। ব্যাংকড্রাফ করার পরের দিন ফিঙ্গার দিতে হয়। এর মূল কারণ জানতে চাইলে তারা জানান, আগের দিন পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের ফাইলের সিরিয়াল নাম্বার হোয়াটস অ্যাপে দিতে হয়। জরুরি ফাইলের নিচে ফোটার চিহ্ন দিয়ে দেই। দিনশেষে প্রতি ফাইলে ১২’শ টাকা করে পাসপোর্ট অফিসের অসাধু কর্মকর্তাদের পরিশোধ করতে হয়। সরকারি নিয়মে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা লাগলেও দালালদের দিতে হয় আট থেকে ১২ হাজার টাকা। বানান ভুল থাকলে দিতে হয় ২০ হাজার টাকা, বয়স ভুল থাকলে তো কোনো কথাই নাই। ভুক্তভোগীকে গুনতে হয় লাখ টাকা।
পাসপোর্ট অফিসের তথ্য মতে, প্রতিদিন গড়ে ৫’শ থেকে ৭’শ ফাইল জমা হয়। ডেলিভারি হয় ৪ থেকে ৫’শ পাসপোর্ট। ক্যাটাগড়িতে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা লাগলেও সরকারি নিয়মের কোনো তোয়াক্কা চলে না এ অফিসে। এ বিষয়ে পাসপোর্ট অফিসের আরিফ নামের এক কর্মকর্তা জানান, আমি এখন আর জমা নেয়ার দায়িত্বে নাই। ফাইল জমা নেয়ার দায়িত্বে আছেন মো. জাহাঙ্গীর আলম, তিনি কি করছেন আমি জানি না। পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলমকে মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গণি জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। উপযুক্ত প্রমাণ পেলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে তানিয়া নামে এক কলেজছাত্রীর নগ্ন ভিডিও ফেসবুকে ছাড়ায় সুইসাইড নোট লিখে আত্মহত্যা করেছেন।বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে ভাতগ্রাম ইউনিয়নের সিংজুরী গ্রামে এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।
তানিয়া সিংজুরী গ্রামের হারুন মিয়ার মেয়ে এবং মির্জাপুর মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেণির মানবিক বিভাগের ছাত্রী ছিল।
পারিবারিক সূত্র জানায়, একই ইউনিয়নের বুড়িহাটি গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে সুজন (২৪) প্রেমের ফাঁদে ফেলে তানিয়ার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে। গোপনে তা ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে ছেড়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় তানিয়ার কাছ থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এছাড়া কলেজে যাওয়া আসার পথে আরও টাকার জন্য তাকে মারধর করাসহ নানাভাবে ভয় ও হয়রানি করত তানিয়াকে। গত পনের দিন আগে ওই ভিডিওটি ‘লোকাল সাফি’ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে ছেড়ে দেয়া হয়। ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে পড়লে তানিয়া মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এক পর্যায়ে বুধবার বিকালে তিনি সুইসাইড় নোট লেখে তাদের বসত ঘরে গলায় উড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন।
এদিকে তানিয়ার আত্মহত্যার খবর জানাজানি হওয়ার পর অভিযুক্ত সুজন গা ঢাকা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
তানিয়ার বাবা হারুন মিয়া অভিযোগ করে বলেন, গত পনের দিন আগে তার মেয়ে কলেজ থেকে ফেরার পথে সিংজুরী ব্রিজের কাছে তানিয়াকে আটকিয়ে মারপিট করে সুজন। পরে খবর পেয়ে আমরা সুজনকে আটকে রাখি। ইউপি মেম্বার জাহাঙ্গীর আলম বাদশা এসে সুজনকে সর্তক করে তার বাবা-মার কাছে দিয়ে দেন। কিন্ত তারপরও সুজন তানিয়াকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে থাকে।
জাহাঙ্গীর আলম বাদশা মেম্বারের সঙ্গে কথা হলে তিনি এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
তানিয়ার বড় ভাই ডিপ্লোমা প্রকৌশলী আবু তালেব অভিযোগ করে বলেন, ভিডিও ছাড়ার আগে হিলারি নামে তার দশম শ্রেণি পড়ুয়া ফুফাতো বোনের কাছে সুজন হুমকি দিয়ে এসএমএস পাঠায়। তাতে সে লেখে ‘তানি এখন বেশি বুঝল, ওর মরণ আছে’। এরপর ‘লোকাল সাফি’ আইডি থেকে ওই ডিডিও ছেড়ে দিলে তানিয়া মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে মির্জাপুর থানা পুলিশ গিয়ে তানিয়ার মরদেহ থানায় নিয়ে আসে।
সুইসাইড় নোট: ‘আমারে তুমরা সবাই মাফ কইরা দিও, আমার জন্য তুমাগো অনেক মান সম্মান নষ্ট হইছে, আমি চাই না তুমাগো আরো মান সম্মান নষ্ট হক। তোমরা জানো না ঐতি কি কি করছে আমার সাথে। আমের জোর কইরা ধর্ষণ করছে। তারপর আমার ছবি তুইলা সেই ছবি দিয়া আমার কাছে থাইক দেড় লাখ টাকার জিনিস নিছে।’
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, তানিয়া নামে ওই কলেজ ছাত্রী ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। একটি সুইসাইড় নোট উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আত্মহত্যার কারণ উদঘাটন করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। তাদের জয়ে উল্লাসে মেতে উঠেছে গোটা বাংলাদেশ। টাঙ্গাইলের গোপালপুরের নিভৃত গ্রামে বসে সে উল্লাস সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেছেন নমিতা রাণী সরকার। তিনি জাতীয় নারী ফুটবল দলের স্ট্রাইকার কৃষ্ণা রাণী সরকারের মা।
বাংলাদেশের জয়ে জোড়া গোল করেন কৃষ্ণা।
তবে দুঃখের বিষয় বিদ্যুৎ না থাকায় খেলা দেখতে পারেননি কৃষ্ণার মা। খেলা শেষ হয়ে যাওয়ার পর প্রতিবেশীদের মুখ থেকে শুনেছেন মেয়েদের হিমালয় জয়ের কথা।
যোগাযোগ করা হলে সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে কৃষ্ণর মা বলেন , সারদিন উদ্বিগ্ন ছিলাম। বিদ্যুৎ না থাকায় খেলা দেখতে পারি নাই। তবে পরে জানতে পারি আমার মেয়েরা জিতেছে। আমি দেশবাসীর কাছে তাদের জন্য দোয়া চাই।
নমিতা রাণী সরকার আরো বলেন, আমার মেয়ের ফুটবল খেলা নিয়ে যারা একসময় কটাক্ষ করত, তারাই এখন এসেছে অভিনন্দন জানাতে। এ অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো না।
সোমবার কৃষ্ণা রাণী সরকারের জোড়া গোলে স্বাগতিক নেপালের বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয়ে সাফে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। হিমালয় কন্যাদের হারিয়ে প্রথমবারের মতো ফাইনাল জিতে ইতিহাস গড়েন সাবিনা-শামসুন্নাহাররা।
উল্লেখ্য, কৃষ্ণা রাণীর জন্ম টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ১ জানুয়ারী ২০০১ সালে। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ফুটবল দলের নিয়মিত খেলোয়ার। কৃষ্ণা বসুন্ধরা কিংস মহিলা দল ও বাংলাদশ মহিলা জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে ফরোয়ার্ড হিসাবে খেলেন। পূর্বে, তিনি বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৬ দল এবং গোপালপুর সুতি ভি এম. পাইলট মডেল হাইস্কুল ও টাঙ্গাইল জেলা দলের হয়ে খেলেছেন।
একতার কণ্ঠঃ সাহসী সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখায় শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ও সম্মাননা পেলেন সখীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি দৈনিক প্রথম আলোর প্রতিনিধি ইকবাল গফুর।
ঢাকাস্থ শেরেবাংলা একে ফজলুল হক গবেষণা পরিষদের উদ্যোগে শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকার বিজয়নগর হোটেল অরনেট এর মিলনায়তনে ‘ বিশ্ব শান্তি দিবস ‘ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. নিজামুল হক নাসিম ইকবাল গফুরের হাতে এ অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে শেরেবাংলা একে ফজলুল হক গবেষণা পরিষদ এর পক্ষ থেকে অনুসন্ধানী ও সাহসী সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদান রাখায় গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড ২০২১ সম্মাননাপত্র, ক্রেস্ট প্রদান ও উত্তরীয় পরিয়ে দেয়া হয় সখীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও প্রথম আলোর সখীপুর প্রতিনিধি ইকবাল গফুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ১৫ জন সাংবাদিককে।
সাবেক তথ্য সচিব সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচাপতি মো. নিজামুল হক নাসিম।প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক কামাল উদ্দিন আহমেদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব পীরজাদা শহীদুল হারুন, পাঠ ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. শেখ মুহাম্মদ রেজাউল ইসলাম, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক লায়ন মজিবুর রহমান ,কবি শাহ আলম চুন্নু প্রমূখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক গবেষণা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা ও মহাসচিব মো. আর কে রিপন।
একতার কণ্ঠঃ আসন্ন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছাড়াও আওয়ামী লীগের দুই বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন।
রবিবার (১১ সেপ্টেম্বর) জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারি রিটানিং কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসানের কাছ থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ফজলুর রহমান ফারুকের পক্ষে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি।
এছাড়াও চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলমগীর খান মেনু ও শহর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আহমদ সুমন মজিদ।
আহমেদ সুমন মজিদ আওয়ামী লীগ নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা মরহুম ফারুক আহমেদের বড ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে এএইচএম কামরুল হাসান জানান, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাবে। আগামি ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে জেলার ১৭২২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সাক্ষ্য গ্রহন করেছেন আদালত। ওই জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নাম শিউলী রানী দাস। তিনি এই মামলার এক সাক্ষীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেছিলেন।
প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ পারভেজের আদালতে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিউলী রানী দাস সাক্ষ্য দেন। টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মনিরুল ইসলাম খান জানান, সাক্ষ্য প্রদানকালে শিউলী রানী দাস আদালতকে জানান— তিনি এই মামলার সাক্ষী আব্দুল ওয়াহেদের জবানবন্দি ১৬৪ ধারায় লিপিবদ্ধ করেছেন। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হলে তাকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা টাঙ্গাইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু ওবায়দা তার দেওয়া সাক্ষীর জেরার জন্য আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করেননি। পরবর্তী তারিখে জেরা করবেন বলে আদালতকে জানিয়েছেন।
সাক্ষ্য গ্রহণকালে কারাগারে থাকা এই মামলার আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান ওরফে মুক্তি এবং জামিনে থাকা আসামি সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জানান, ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার মোট ৩৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে।
২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজ পাড়া বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এই হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুই জনকে গ্রেপ্তার করে।
আদালতে এ দুই জনের দেওয়া স্বাীকারোক্তিতে এই হত্যার সঙ্গে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা, তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। এরপর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। সহিদুর ২০২০ সালের ডিসেম্বরে আত্মসমর্পণের পর থেকে কারাগারে রয়েছেন। তাদের অন্য দুই ভাই এখনও পলাতক।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সরকারি ভাবে উপজেলা পর্যায়ে খোলা বাজারে চাল ও আটা বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার(১ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের বটতলা মোড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মুহম্মদ আতাউল গণি
এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ডক্টর মুহম্মদ আতাউল গণি জানান, চাল আমদানি খরচ ৩৬ থেকে ৩৭ টাকা হলেও ভর্তুকি মূল্যে বিক্রি হবে।
ওএমএসে মানসম্পন্ন চাল বিক্রি হবে জানিয়ে তিনি আরো ও জানান, বর্তমানে সরকারি পর্যায়ে চালের মজুত সর্বকালের সর্ববৃহৎ। পচার মতো চাল গোডাউনে নেই। মজুতকৃত চাল মানসম্পন্ন, ফলে মানুষ খাবে।ওএমএস যাতে সঠিকভাবে পরিচালিত হয়, সেজন্য উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে টিম গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া অবৈধ মজুতদার চিহ্নিত করতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ও জরিমানা করার জন্যও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এসময় টাঙ্গাইল পৌর মেয়র সিরাজুল হক আলমগীর ,পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রানুয়ারা খাতুন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন ।
উল্লেখ্য,টাঙ্গাইলের ৫২ টি ডিলারের মাধ্যমে এই খাদ্যপণ্য বিক্রি বিক্রি করা হবে। যেখানে প্রতি কেজি চাল ও আটা যথাক্রমে ৩০ টাকা ও ১৮ টাকা দরে পাওয়া যাবে।