/ হোম / জাতীয়
বন্ধ হচ্ছে খুচরা সিগারেট বেচা; কিনতে হবে পুরো প্যাকেট - Ekotar Kantho

বন্ধ হচ্ছে খুচরা সিগারেট বেচা; কিনতে হবে পুরো প্যাকেট

একতার কণ্ঠঃ যেখানে সিগারেট বিক্রি হয়, সেখানে তামাকজাত পণ্যের প্রদর্শনীও নিষিদ্ধ হচ্ছে। এমন বিধি রেখে, সংশোধন হচ্ছে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন।

তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন বন্ধ হয়েছে আগেই। ২০১৩ সালে যে বিধিমালা করা হয়েছিলো, তাতে বিক্রয়ের স্থলে এসব পণ্য পদর্শণ করা যায়। তবে, এবার সেই সুযোগও বন্ধ হচ্ছে। অর্থাৎ, দোকানে দোকানে যে সিগারেটের প্যাকেট সাজিয়ে রাখা হয়, তা আর করা যাবে না।

দোকান থেকে চাইলেই একটি দুটি করে সিগারেটের খুচরা শলাকা কেনা যায়। বন্ধ হচ্ছে সেই সুযোগও। কিনতে হবে পুরো প্যাকেট।

এসব বিধান যুক্ত করে, সংশোধন হচ্ছে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন। ইতিমধ্যে ওয়েবসাইটে উন্মুক্ত মতামত নেয়ার কাজ শেষ। আইনটি পাস হতে পারে চলতি বছরেই। সরকারের লক্ষ্য রয়েছে, ২০৪০ সালের মধ্যে দেশ হবে তামাকমুক্ত।

নতুন আইনে নিষিদ্ধ হচ্ছে প্যাকেটহীন জর্দা-গুল বিক্রি। ই-সিগারেট, হিটেড টোবাকো পণ্যের আমদানি ও বিক্রিও বন্ধ করা হবে।

দেশের চার কোটি প্রাপ্তবয়স্ক লোক তামাক ব্যবহার করেন। যা উদ্বেগজনক, বলছেন চিকিৎসকরা। গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে ২০১৭ অনুসারে, দেশে ১৫ বছরের ঊর্ধ্বে ৩৫ শতাংশের বেশি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করে। যার মধ্যে ৪৬ শতাংশ পুরুষ ও ২৫ দশমিক ২ শতাংশ নারী।ক

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. অগাস্ট ২০২২ ০৪:২৪:পিএম ৪ বছর আগে
চাঞ্চল্যকর শিহাব হত্যা মামলা সিআইডিতে - Ekotar Kantho

চাঞ্চল্যকর শিহাব হত্যা মামলা সিআইডিতে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চাঞ্চল্যকর শিহাব হত্যা মামলা সিআইডিতে হন্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ হেডকোয়াটার্স এর এআইজি (ক্রাইম ইষ্ট) স্বাক্ষরিত (স্বারক নম্বর ১৮৮৬, ২১ জুলাই) চিঠির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা গেছে।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুলিশ বক্সে বাসের ধাক্কা: বৃদ্ধা নিহত

এছাড়া ঘাটাইলের বীর মুক্তিযোদ্ধার কাছ থেকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে প্রায় আট লাখ টাকা ছিনতাই মামলাও সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জানা যায়, চলতি বছরের ২০ জুন টাঙ্গাইল শহরের বিশ্বাস বেতকার সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের ছাত্রাবাসের সাত তলার বাথরুম থেকে শিহাব মিয়া নামক পঞ্চম শ্রেণীর এক ছাত্রের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় প্রথমে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়। ২৬ জুন ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে শিহাবকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। ২৭ জুন শিহাবের মা আসমা আক্তার বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামী করে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

নিহত শিহাব মিয়া টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের বেরবাড়ি গ্রামের সিঙ্গাপুর প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে। সে ছাত্রাবাসে থেকে পড়াশোনা করতো।

এ মামলার আসামি আবু বক্কর সিদ্দিক নামক এক শিক্ষককে প্রথমে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এরপর বুধবার( ১০ আগষ্ট)হত্যা মামলার আসামি চার শিক্ষক আত্মসমর্পণের পর কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আত্মসমর্পন করা আসামীরা হলেন বিপ্লব চন্দ্র সরকার (৩০), আসলাম হোসেন আশরাফ (৩০), মাসুম মাসুদ রানা (৪০) ও বিজন কুমার সাহা (৪০)।

এদিকে ঘাটাইলে মোয়াজ্জেম হোসেন খান (৭০) নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার কাছ থেকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে প্রায় সাড়ে আট লাখ টাকা ছিনতাই হয়। চলতি বছরের ১৬ জুন বৃহস্পতিবার দুপুরে সোনালী ব্যাংক থেকে ঋণের টাকা নিয়ে বাড়ি যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন খানের বাড়ি উপজেলার লাহিড়ীবাড়ি গ্রামে। তিনি ঘাটাইল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম বলেন, এ ডাকাতির মামলাটি আমরা তদন্ত করছি। এ ধরনের নির্দেশনা হয়ে থাকলে সিআইডি তদন্ত করবে।

নিহত শিহাবের বাবা প্রবাসী ইলিয়াস হোসেন মুঠোফোনে বলেন, আমরা চেয়েছিলাম মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এ তদন্ত হোক। সিআইডিতে হস্তান্তর করাতেও আমরা খুশি। আমি আমার একমাত্র ছেলে শিহাব হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই। মামলাটি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার তথ্যটি নিশ্চিত করে বলেন, শিহাব হত্যা মামলায় পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধার টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনাটি নিবিড় তদন্তের জন্য মামলা ২ টি সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. অগাস্ট ২০২২ ০৫:৫৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিএনপির বিশাল আনন্দ মিছিল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিএনপির বিশাল আনন্দ মিছিল

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে প্রায় ১৪ বছর পর জেলা বিএনপি বিশাল র‌্যালি ও সমাবেশ করেছে। দীর্ঘ ১৪ বছরের মধ্যে এত বড় র‌্যালির আয়োজন বা সমাবেশ জেলা বিএনপি করতে পারেনি। বিভিন্ন সময় স্বল্প পরিসরে শহরে জেলা বিএনপি মিছিল-সমাবেশের আয়োজন করলেও পুলিশি বাঁধায় তা পন্ড হয়ে গেছে।

বুধবার (১০ আগস্ট) দুপুরে জেলা বিএনপির উদ্যোগে নতুন আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়ায় কেন্দ্রীয় নেতাদের অভিনন্দন জানিয়ে শহরে এ বিশাল আনন্দ র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিএনপির সহস্রাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।

এদিকে, টাঙ্গাইল সদর থানা ও শহর বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়ায় বুধবার(১০ আগস্ট) দুপুরে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার দুপুরে দলের দুই আহ্বায়ক কমিটির উদ্যোগে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে থেকে আনন্দ মিছিল শুরু হয়ে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে সামনে  পৌঁছালে পুলিশ বাঁধা দেয়। পরে সেখানেই সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করা হয়।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি কমিটির আহ্বায়ক আজগর আলীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন, যুগ্ম-আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রউফ, শহর বিএনপির আহ্বায়ক মেহেদী হাসান আলীম, সদস্য সচিব ইজাজুল হক সবুজ, শহর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক শাহীন আকন্দ, সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক হাদিউজ্জামান সোহেল প্রমুখ।

এ সময় জেলা বিএনপির এবং এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অগাস্ট ২০২২ ০৩:৪০:এএম ৪ বছর আগে
জুলাই পর্যন্ত নির্যাতনের শিকার ১১৯ সাংবাদিক, টিআইবির উদ্বেগ - Ekotar Kantho

জুলাই পর্যন্ত নির্যাতনের শিকার ১১৯ সাংবাদিক, টিআইবির উদ্বেগ

একতার কণ্ঠঃ অনিয়ম-দুর্নীতির সংবাদ সংগ্রহকালে সাংবাদিকদের ওপর ধারাবাহিক হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। একই সঙ্গে এসব হামলার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।

আইন ও শালিস কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত ১১৯ জন সাংবাদিক নানামুখী হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩৮ জন পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে হামলার এবং ১৯ জন প্রকাশিত সংবাদের জেরে মামলার শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হলেও বাস্তব অর্থে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিচার শেষ হয় না বলে মনে করে টিআইবি।

বুধবার (১০ আগস্ট) টিআইবি থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনিয়ম ও দুর্নীতির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সম্প্রতি ধারাবাহিকভাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং ক্ষমতার অপব্যবহার, হামলা-মামলা ও বিচারহীনতার ও মাধ্যমে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের চলমান প্রক্রিয়ার অপপ্রয়াসের অব্যাহত প্রবণতা।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, যখন দেশের মানুষ প্রভাবশালী ও ক্ষমতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিবাজদের অর্থপাচার এবং নানাবিধ দুর্নীতির কারণে বহুমুখী সংকট মোকাবিলা করছে। তখন দুর্নীতির তথ্য উদঘাটন ও প্রকাশের জন্য সাংবাদিকদের ওপর ধারাবাহিক হামলা কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা নয়। বিশেষ করে, অতিসম্প্রতি চিকিৎসাসহ বিভিন্ন জনসেবা প্রদানকারী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য সংগ্রহকালে বেশ কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেল ও পত্রিকার সাংবাদিকদের ওপর নৃশংস হামলার ঘটনায় স্পষ্ট যে, দুর্নীতিবাজরা কতটা বেপরোয়া, ক্ষমতাধর এবং সংঘবদ্ধ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তো বটেই, রাষ্ট্রীয় কোন কর্তৃপক্ষকেই তারা পরোয়া করে না। এই বেপরোয়া আচরণ প্রমাণ করে, কোন না কোন প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় তারা সুরক্ষা ও দায়মুক্তি পেয়ে থাকে।

তিনি বলেন, নিয়মিত বিরতিতে সাংবাদিক নির্যাতন এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে হামলা-মামলার ঘটনা ঘটলেও, কঠোর আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে যথোপযুক্ত শাস্তির দৃষ্টান্ত কার্যত অনুপস্থিত, যা নিয়ে আমরা দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছি।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘদিন ধরে বিরাজমান অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহকালে ঢাকা ও বরিশালে অন্তত তিনজন টেলিভিশন সাংবাদিকের ওপর সংঘবদ্ধ ভয়াবহ হামলা এ খাতে শক্তিশালী সিন্ডিকেট এবং তাদের সুরক্ষাদাতাদের বেপরোয়া দৌরাত্মের প্রমাণ দেয়, যা টিআইবির বিভিন্ন গবেষণা এবং গণমাধ্যমের বিভিন্ন প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে।

ধারাবাহিক হামলা সাংবাদিকদের মনোবল ভেঙে দিয়ে দুর্নীতির তথ্য প্রকাশে বাধা সৃষ্টির সুগভীর ও সংঘবদ্ধ অপকৌশল কিনা? এমন প্রশ্ন তুলে নির্বাহী পরিচালক বলেন, বিশ্ব দায়মুক্তি সূচক-২০২১ অনুযায়ী সাংবাদিকদের নিরাপত্তাহীনতায় বাংলাদেশের দশম অবস্থান লজ্জাজনকভাবে দেশে সাংবাদিকতার প্রকট ঝুঁকির দৃষ্টান্ত। বিশ্বমুক্ত গণমাধ্যম সূচক ২০২২ অনুযায়ী ১০ ধাপ পিছিয়ে ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের ১৬২তম অবস্থানও প্রমাণ করে যে, সাংবাদিকতা এদেশে ধারাবাহিকভাবেই কঠিন হয়ে উঠছে। তাই সাংবাদিকদের সুরক্ষায় অবিলম্বে বিশেষ আইন প্রণয়ন এবং তার কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অগাস্ট ২০২২ ০৩:১৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মদিনে শ্রদ্ধা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মদিনে শ্রদ্ধা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন সহযাত্রী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার প্রতিকৃতিত্বে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।

সোমবার (৮ আগস্ট) সকালে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সামনে জনসেবা চত্বরে প্রথমে জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি শ্রদ্ধা জানান।

এরপর টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, পৌরসভার পক্ষে মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, জেলা পরিষদের পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার ফরহাদ আহমদ, স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, উপজেলা পরিষদের পক্ষে চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা শ্রদ্ধা জানান।

পরে বঙ্গবন্ধু ও মঙ্গমাতার আত্মার মাগফেরাতসহ প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা ও দেশের কল্যাণে দোয়া করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. অগাস্ট ২০২২ ০৮:৪৮:পিএম ৪ বছর আগে
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ নিয়ে যা বললেন বিএসসিএল চেয়ারম্যান - Ekotar Kantho

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ নিয়ে যা বললেন বিএসসিএল চেয়ারম্যান

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল) এর চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. শাহজাহান মাহমুদ বলেছেন, আগামীতে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ উৎক্ষেপণ করা হবে। ইতিমধ্যে এর কাজ শুরু করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মাধ্যমে আমরা পুরো পৃথিবী পর্যবেক্ষণ করতে পারবো। বিশেষ করে আমরা দক্ষিণাঞ্চলে বিশাল জল সমুদ্র পেয়েছি। এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে আমরা বিশাল সমুদ্র পর্যবেক্ষণ করতে পারবো এবং সম্পদ চুরি ঠেকাতে পারবো।

শনিবার (৬ আগস্ট) বিকালে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের স্বপ্ন দেখেছিলেন। আমরা তারই নামে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-০১ উক্ষেপণ করে তার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেছি। এমন এটি বিশাল প্রজেক্টে আমাকে কাজ করতে দেয়ায় আমি প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে কৃতজ্ঞ।

এর আগে জাতির পিতার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল) এর চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. শাহজাহান মাহমুদ। পরে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এসময় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এসময় কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ড. সাজ্জাদ হোসেন, ব্যারিস্টার রেজা-ই-রাকিব, উজ্জ্বল বিকাশ দত্ত, ড. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রি. জে. ইকবাল আহমেদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম, মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয় ও বিপণন) শাহ্ আহমেদুল কবির, কোম্পানি সচিব (উপ সচিব) মো. রফিকুল হক উপ‌স্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. অগাস্ট ২০২২ ০৮:৩১:পিএম ৪ বছর আগে
বাস ও লঞ্চে ভাড়া কত বাড়তে পারে, ধারণা দিল মন্ত্রণালয় - Ekotar Kantho

বাস ও লঞ্চে ভাড়া কত বাড়তে পারে, ধারণা দিল মন্ত্রণালয়

একতার কণ্ঠঃ জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে বাসভাড়া কিলোমিটারে সর্বোচ্চ ২৯ পয়সা এবং লঞ্চ ভাড়া ৪২ পয়সা বাড়তে পারে বলে ধারণা দিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। শনিবার (৬ আগস্ট) এ বিষয়ে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেয় মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দূরপাল্লার বাসে বর্তমানে (৫২ আসনের) প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ১ টাকা ৮০ পয়সা। ডিজেলের দাম বাড়ানোয় ২৯ পয়সা বেড়ে এ ভাড়া হবে ২ টাকার মতো। অর্থাৎ প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া বাড়বে ১৬ দশমিক ২২ শতাংশ।

শহর এলাকায় (৫২ আসনের) বাসে প্রতি কিলোমিটারের ভাড়া এখন ২ টাকা ১৫ পয়সা। এটি ২৮ পয়সা বেড়ে ২ টাকা ৪৩ পয়সার মতো হবে। অর্থাৎ প্রতি কিলোমিটারে বাড়বে ১৩ দশমিক ১৬ শতাংশ।

এ ছাড়া লঞ্চে বর্তমানে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২ টাকা ১৯ পয়সা। ৪২ পয়সা বেড়ে এ ভাড়া হবে ২ টাকা ৬২ পয়সা। প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া বাড়বে ১৯ দশমিক ১৮ শতাংশ।

এদিকে, ভাড়া বিষয়ে আলোচনার জন্য আজ (শনিবার) বিকেল ৫টায় পরিবহন মালিকরা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। বৈঠকে জ্বালানি তেলের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (৫ আগস্ট) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাত ১২টার পর থেকে ডিপোর ৪০ কিলোমিটারের মধ্যে ভোক্তা পর্যায়ে খুচরা মূল্য (১ লিটার) ডিজেল ও কেরোসিন ১১৪ টাকা, অকটেন ১৩৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৩০ টাকা হবে।

প্রকাশ, এতদিন কেরোসিন ও ডিজেল প্রতি লিটার ৮০ টাকা, অকটেন ৮৯ টাকা এবং পেট্রোল ৮৬ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. অগাস্ট ২০২২ ১০:১৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মানববন্ধনে বাধা দেওয়ায় চেয়ারম্যানকে ধাওয়া; পুলিশের গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মানববন্ধনে বাধা দেওয়ায় চেয়ারম্যানকে ধাওয়া; পুলিশের গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের সাগরদীঘি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হেকমত সিকদারের বিরুদ্ধে মানববন্ধনে হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার পর দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) সকালে উপজেলার সাগরদীঘি চৌরাস্তায় ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদারের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানববন্ধনের আয়োজন করে স্থানীয় এলাকাবাসী। শত শত নারী পুরুষ ওই মানববন্ধনে অংশ নিয়ে সড়কের একপাশে অবস্থান নেয়। এ সময় চেয়ারম্যান হেকমত সিকদারের নেতৃত্বে তার কিছু লোকজন শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে বাধা দেয়। এক পর্যায়ে তারা মানববন্ধনে অংশ গ্রহনকারীদের উপর হামলা চালায়।ওই সময় দুই পক্ষের লোকজন উত্তেজিত হয়ে পরে।

পুলিশের উপস্থিতেই দুই পক্ষে মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। উভয় পক্ষের দাবী এ ঘটনায় উভয় পক্ষের ৫ জন আহত হয়েছে। এক পর্যায় উত্তেজিত জনতা ইউপি চেয়ারম্যানকে ধাওয়া করে। তিনি দৌড়ে স্থানীয় এক দোকানে আশ্রয় নেয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তিন রাউন্ড গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে চেয়ারম্যানকে উদ্ধার করে। এরপরও দুই পক্ষের লোকজন দুই পাশে অবস্থান নেয়। দুপুরের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। সংঘর্ষের সময় আতঙ্কে বাজারের সব দোকান বন্ধ করে রাখেন ব্যবসায়ীরা।

এ প্রসঙ্গে সাগরদিঘি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি জিন্নত আলী জানান, চেয়ারম্যানের দুর্নীতির বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর শান্তিপূর্ণ মানববন্ধনে চেয়ারম্যান বহিরাগত লোকজন নিয়ে অর্তকিত হামলা করে। এতে এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থির সৃষ্টি হয়। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে ।পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সাগরদীঘি ইউপি চেয়ারম্যান হেকমত সিকদার জানান, আওয়ামী লীগের একটি গ্রুপ জামায়াত, বিএনপির লোকদের সঙ্গে নিয়ে আমাকে হেয় করার জন্য মাঝে মধ্যেই আমার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে। ইতিমধ্যে তারা আমার বিরুদ্ধে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে। তারা আজকেও মানববন্ধনের আয়োজন করলে আমার লোকজনের সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ভাংচুর করা হয় ৫ টি মোটরসাইকেল।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম জানান, উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে পুলিশ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আনে । যারা বিশৃঙ্খলা তৈরী করেছে, তদন্ত পূর্বক তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. অগাস্ট ২০২২ ০২:২৮:এএম ৪ বছর আগে
চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি রাজা মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) ভোরে টাঙ্গাইল শহরের নতুন বাস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রাজা মিয়ার বাড়ি কালিহাতী উপজেলার বল্লা গ্রামে। তার বাবার নাম হারুন অর রশিদ। তিনি টাঙ্গাইল শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার এ তথ‌্য নিশ্চিত করে জানান, ঈগল পরিবহনের যে বাসটি ডাকাতের কবলে পড়ে, সেই বাসের চালককে সরিয়ে দিয়ে রাজা চালকের সিট দখল করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এ ঘটনায় কে কে জড়িত ছিলো রাজা আমাদের জানিয়েছে।

তিনি আরো জানান, মধুপুরে বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে পুলিশ। ভোরে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাতে কুষ্টিয়া থেকে ঈগল পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ২৪ থেকে ২৫ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ‌্যে রওনা দেয়। গভীর রাতে সিরাজগঞ্জ পৌঁছালে সেখান থেকে একদল ডাকাত যাত্রীবেসে ওই বাসে ওঠে। বাসটি বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার পর যাত্রীবেশে থাকা ওই তরুণ দল অস্ত্রের মুখে যাত্রীদের বেঁধে ফেলে। কয়েক মিনিটের মধ্যে যাত্রীদের কাছ থেকে মোবাইল, নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নেয়। এরপর এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণ করে তারা। বাসটি বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে তিন ঘণ্টার মতো নিয়ন্ত্রণে রাখে। পরে পথ পরিবর্তন করে টাঙ্গাইল ময়মনসিংহ সড়কের মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়া জামে মসজিদের পাশে বালির স্তূপে বাসটি উল্টিয়ে ডাকাত দল পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় বাসের এক যাত্রী বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে টাঙ্গাইলের মধুপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অগাস্ট ২০২২ ০৬:৫৩:পিএম ৪ বছর আগে
চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণ ঘটনায় মধুপুর থানায় মামলা - Ekotar Kantho

চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণ ঘটনায় মধুপুর থানায় মামলা

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। এই অভিযোগে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মধুপুর থানায় মামলা করেছেন বাসের এক যাত্রী।

মধুপুর থানায় বুধবার(৩ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে এই মামলা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন।

তিনি জানান, কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা ঈগল পরিবহনের বাসে মঙ্গলবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন। ২৪ থেকে ২৫ জন যাত্রী ছিলেন তাতে।

যাত্রীদের বরাতে ওসি বলেন, ‘বাসটি সিরাজগঞ্জের কাছাকাছি দিবারাত্রি হোটেলে রাতের খাবারের জন্য বিরতি দেয়। রাত দেড়টার দিকে আবার যাত্রা শুরু করে। পথে কাঁধে ব্যাগ বহনকরা ১০ থেকে ১২ জন তরুণ ওঠেন।

‘বাসটি বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার পর ওই তরুণরা অস্ত্রের মুখে একে একে সব যাত্রীদের বেঁধে ফেলে। কয়েক মিনিটের মধ্যে সবার কাছ থেকে মোবাইল ফোন, টাকা ও গয়না লুট করে নেয়। এরপর এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণ করে।’

ওসি অভিযোগের বরাতে আরও জানান, বাসটি বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে ওই দলটি। পরে পথ বদলে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়া জামে মসজিদের পাশে বালির ডিবিতে বাসটি উল্টিয়ে তারা পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে ঈগল পরিবহনের ব্যবস্থাপক আয়নাল হোসেন থানায় আসেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারদের বেঁধে রেখে যাত্রীদের কাছে যা যা ছিল সব নিয়ে গেছে ডাকাতরা।’

ওসি মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন আরো জানান, ধর্ষণের অভিযোগ করা নারীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অগাস্ট ২০২২ ০৫:১৭:পিএম ৪ বছর আগে
ছিনতাই করা চলন্ত বাসে যাত্রীদের ৩ ঘণ্টা জিম্মি করে ডাকাতি ও ধর্ষণ - Ekotar Kantho

ছিনতাই করা চলন্ত বাসে যাত্রীদের ৩ ঘণ্টা জিম্মি করে ডাকাতি ও ধর্ষণ

একতার কণ্ঠঃ কুষ্টিয়া থেকে যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রাম যাচ্ছিল বাসটি। বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিমপাড়ে পৌঁছালে এতে ১০-১২ জন যাত্রী ওঠেন। যাত্রীবেশে ওঠা এই যাত্রীরা বাসটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বাকি যাত্রীদের জিম্মি করে ফেলে। হাত-মুখ ও চোখ বেঁধে অস্ত্রের মুখে টানা তিন ঘণ্টা জিম্মি করে রাখা হয় যাত্রীদের। এই পুরো সময় বাসটি চলন্ত অবস্থায় ছিল। এর মধ্যেই চলে ডাকাতি ও ধর্ষণ। মধুপুরের কাছে এসে বাসটি দুর্ঘটনার শিকার হলে স্থানীয়রা এসে যাত্রীদের উদ্ধার করেন।

বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিমপাড় থেকে ছিনতাই করা বাসের যাত্রীদের সর্বস্ব লুটের পর নারী যাত্রীদের পালাক্রমে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটেছে বুধবার (৩ আগস্ট)ভোরে। আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্যদের এই ভয়াবহ কাণ্ডের শিকার হয়েছেন কুষ্টিয়া-চট্টগ্রাম চলাচলকারী ঈগল পরিবহনের যাত্রীরা।

বাস যাত্রীদের কাছ থেকে জানা যায়, মঙ্গলবার(২ আগস্ট) কুষ্টিয়া থেকে ঈগল পরিবহনের একটি বাস অন্তত ২৫ জন যাত্রী নিয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। বাসটি বঙ্গবন্ধু সেতু পার হলে যাত্রীবেশী ডাকাতেরা অস্ত্রের মুখে ঘুমন্ত যাত্রীদের হাত-মুখ ও চোখ বেঁধে জিম্মি করে। এর পর যাত্রীদের কাছে থাকা মোবাইল, টাকা, স্বর্ণালংকার লুট করে নেয়। পরে ডাকাত দলের সদস্যেরা গাড়িতে থাকা নারী যাত্রীদের ধর্ষণ করে বলে জানান একাধিক যাত্রী।
টানা তিন ঘণ্টা যাত্রীদের ওপর চালানো নির্যাতনের পর টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়া নামক স্থানে এসে বাসটির গতি থামিয়ে ডাকাত দল নেমে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই চোখ-মুখ ও হাত বাঁধা যাত্রীদের নিয়ে বাসটি রাস্তার পাশের বালুর ঢিবিতে কাত হয়ে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাঁদের উদ্ধার করেন।

কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা বাসটিতে নাটোরের বড়াই গ্রামের বাসিন্দা ফল ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান যাত্রী হন রাত ১০টায়। তিনি নাটোরের তরমুজ চত্বর থেকে বাসে ওঠেন। তিনি আমড়া, কাঁঠাল ও তাল ঢাকায় বিক্রি করার জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন।

ঈগল পরিবহনে অনেক দিন ধরে নিয়মিত যাতায়াত করা এই ভুক্তভোগী যাত্রী জানান, ‘আমরা বাসে উঠে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। আমাদের বাসটি সিরাজগঞ্জের কাছাকাছি “দিবারাত্রি হোটেলে” রাতের খাবারের জন্য বিরতি দেয়। বাসের অনেকেই ওই হোটেলে খাবার খান। আমিও ওই বাসের সুপারভাইজার রাব্বি ও সহযোগী দুলালের সাথে বসে খাবার খেয়েছি। আগে যে চালক বাস চালাতেন, সেই চালক ছিলেন না। কড্ডার মোড়ে আসার পর গেঞ্জি, শার্ট পরা ১০-১২ জন যাত্রী ওঠেন। তাঁদের প্রত্যেকেরই পিঠে ব্যাগ ছিল। তাঁরা বাসের খালি সিটগুলোতে বসে পড়েন। বাসটি বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার পর যাত্রীবেশে ওঠা এই ডাকাত দলের সদস্যেরা অন্য ঘুমন্ত যাত্রীদের অস্ত্রের মুখে একে একে বেঁধে ফেলে। একই সঙ্গে প্রত্যেক যাত্রীর চোখ ও মুখ বেঁধে জিম্মি করে বাসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় তারা। এমনকি শিশুদেরও একই কায়দায় বেঁধে রাখে তারা। পরে সব যাত্রীর কাছ থেকে মোবাইল, টাকা, গয়না লুট করে নেয়। তার পর নারী যাত্রীদের ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়।’

হাবিবুর রহমান জানান ‘আমার পাশে বসা নারীকে চার দফায় ধর্ষণ করা হয়েছে বলে আমি অনুধাবন করতে পেরেছি। আমরা অসহায় ছিলাম। হাত, মুখ, চোখ বাঁধা ছিল। কিছুই করতে পারিনি। টানা তিন ঘণ্টা আমরা ওই বাসটিতে জিম্মি ছিলাম। বাসটি কোথা থেকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে, আমরা কিছুই জানি না। দুর্ঘটনায় শিকার হওয়ার পর আমরা জানতে পারি, টাঙ্গাইলের মধুপুরের রক্তিপাড়া এলাকায় আছি।’

তিনি আরো জানান,স্থানীয় বাসিন্দারা আমাদের উদ্ধার করেছেন। রক্তিপাড়া জামে মসজিদের ইমাম আমাকে নাশতাও করিয়েছেন।’

এদিকে খবর পেয়ে কুষ্টিয়া থেকে মধুপুরে আসেন ঈগল পরিবহনের ব্যবস্থাপক আয়নাল হোসেন। গাড়িটির চালক ও সহযোগীদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, ‘মির্জাপুরের পাকুল্লা এলাকার একটি ফাঁকা মাঠে বাসটি ঘুরিয়ে টাঙ্গাইলের দিকে নিয়ে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে বাসটিকে ময়মনসিংহের মহাসড়কের মধুপুরের দিকে নেয় ডাকাতেরা।’

বাসের নারী যাত্রী কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানার তারাগুনিয়া গ্রামের শিল্পী বেগম জানান ‘আমি আমার অসুস্থ মেয়েকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছিলাম। আমাদের সবাইরে হাত, মুখ, চোখ বাইন্দা ডাকাতরা সব লুট কইরা নিছে। আমার স্বামী পিয়ার আলিকে ছুরি দিয়ে আঘাত করছে। আমার কাছ থিকা ৩০ হাজার টাকা নিয়া গেছে।’ ওই বাসে থাকা অন্য নারী যাত্রীরা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে জানান তিনি।

বাসটিতে করে বেসরকারি চাকরিজীবী নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা আব্দুর রশিদ নাটোর থেকে বাড়ি যাচ্ছিলেন অসুস্থ মাকে দেখার জন্য। সঙ্গে ছিল বেতনের ২২ হাজার ৮০০ টাকা। এর মধ্যে ১০০ টাকা রেখে বাকি পুরো টাকাই ডাকাতেরা নিয়ে গেছে বলে জানান তিনি।

সংবাদ পেয়ে মধুপুর থানা-পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। গাড়িতে থাকা দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের কথা স্বীকার করেছেন মধুপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এনামুল হক।

বুধবার বিকেল ৫টায় ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, ডিবি পুলিশের একটি দল তদন্তকাজ চালাচ্ছে। পুলিশের সহযোগিতায় একদল উদ্ধারকর্মী বাসটি উদ্ধার করছেন। টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে থানায় এসে বাসযাত্রী ও সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। এ সময় ময়মনসিংহ থেকে আসা ডিএনএ পরীক্ষাগারের কর্মীদের থানায় অবস্থান করতে দেখা গেছে।

এ বিষয়ে মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল অমিন বলেন, ডাকাতদল যাত্রীদের মালামাল লুটের পর নারীযাত্রীকে ধর্ষণ করেছে। ভুক্তভোগীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এক যাত্রী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

ওসি আরও জানান, জড়িতদের গ্রেপ্তারের জোর চেষ্টা চলছে। বাস চালক ও হেলপারকেও পিটিয়ে আহত করে বেঁধে রেখে যাত্রীদের সর্বস্ব লুট করে তারা।
পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারের আর্থিক সহায়তা ছিনতাইয়ের শিকার যাত্রীদের প্রত্যেকের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অগাস্ট ২০২২ ০৫:৪০:এএম ৪ বছর আগে
৬ বছরেও চালু হয়নি টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল - Ekotar Kantho

৬ বছরেও চালু হয়নি টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

একতার কণ্ঠঃ দীর্ঘ ৬ বছরেও শুরু হয়নি টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম। ফলে একদিকে হাসপাতালের যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে উন্নত মানের সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে জেলাবাসী।

তবে এ ব্যাপারে কথা বলতে রাজি হয়নি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ।

টাঙ্গাইল জেলায় প্রায় ৪০ লাখ মানুষের বসবাস। এছাড়াও ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনার কারণে জেলায় অবস্থিত ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে সবসময়ই রোগীর চাপ থাকে। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে উন্নতমানের যন্ত্রপাতি না থাকায় রোগীদের উন্নত চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হয় না। তাই জরুরি রোগী রেফার করতে হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। যে কারণে ২০১৪ সালে সরকার এসব মানুষের উন্নত চিকিৎসা সেবা দেয়ার লক্ষে টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেয়।

টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষে ২০১৬ সালে প্রায় ৬’শ কোটি টাকা ব্যয়ে নুরানী কনস্ট্রাকশন নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করে। ২০১৯ সালে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও কাজ শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। পুনরায় দুই দফা সময় বর্ধিত করেও ২০২২ সালের মাঝামাঝি এসেও কাজ সম্পন্ন করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। লিফটের কাজ এখনও চলমান।

এদিকে কর্তৃপক্ষ বার বার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চালু করার ঘোষণা দিয়েও হাসপাতাল চালু করছে না। এতে টাঙ্গাইলবাসী উন্নত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই দ্রুত মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চালুর দাবি সেবা প্রত্যাশীদের।

এ বিষয়ে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালক কথা বলতে রাজি হননি। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যেই হাসপাতাল চালু করার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. খন্দকার সাদেকুর রহমান জানান, এ হাসপাতাল চালু না হওয়ায় নানা রকম সমস্যা হচ্ছে ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে। পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি ও অভিজ্ঞ ডাক্তার না থাকায় জটিল রোগীদের বাধ্য হয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করতে হচ্ছে। এদিকে প্রতিদিন ১২শ’ থেকে ১৪শ’ রোগীর সেবা দিতেও হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. অগাস্ট ২০২২ ০৮:৪১:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।