/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে র‍্যাবের সিও পরিচয় দেওয়া প্রতারক গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে র‍্যাবের সিও পরিচয় দেওয়া প্রতারক গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ  কখনও র‍্যাবের সিও আবার কখনও সরকারি কর্মকর্তার পরিচয়দানকারী মোস্তাফিজুর রহমান রাতুল নামে এক প্রতারককে টাঙ্গাইলের মধুপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

শনিবার (২০ আগস্ট) রাতে টাঙ্গাইলর মধুপুর সদর উপজেলার মৌচাক এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।টাঙ্গাইল র‌্যাব ১২ সিপিসি ৩ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃত মোস্তাফিজুর ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার রান্দিলা ধলিয়া গ্রামের মো. আবুল হোসেনের ছেলে।

গ্রেফতারের সময় মোস্তাফিজুরের কাছ থেকে ১টি ওয়াকিটকি সেট ও চার্জার, ৩টি মোবাইল, জনতা ব্যাংকের ২টি চেক, ২টি ভিকটিমদের (চাকরি দেওয়ার জন্য) বায়োডাটা, ৩টি মামলার এজাহারের ফটোকপি (তদন্ত অফিসার), কাস্টমস অফিসারের ছাড়পত্র লেখা সংযুক্ত ২টি মোটরসাইকেলের নিলামের ভুয়া ফটোকপি ১টি, খন্দকার রাতুল নামে আবাসিক প্রকল্পের ব্যানারের ছবি ১টি এবং ভিকটিমদের দেওয়া বিভিন্ন ডকুমেন্ট উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব-১২ এর তিন নম্বর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান জানান, মোস্তাফিজুর নিজেকে কখনও র‍্যাবের কর্মকর্তা আবার কখনও সরকারি বড় কর্মকর্তা পরিচয়ে বিভিন্ন জনের সঙ্গে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নিতেন। গত এক বছরে তার একটি ব্যাংক একাউন্টে ৯৬ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোস্তাফিজুর রহমান রাতুল নিজেকে প্রতারণার সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়টি স্বীকার করেছে। এমনকি তার নামে ২০০৭ সালে ময়মনসিংহ সদর থানায় ১টি প্রতারণার মামলাও রয়েছে। প্রতারণার ঘটনায় বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান র‌্যাব কমান্ডার।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. অগাস্ট ২০২২ ০৪:১৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পৃথক স্থানে ট্রেনে কাটা পড়ে নারীসহ নিহত ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পৃথক স্থানে ট্রেনে কাটা পড়ে নারীসহ নিহত ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে দুই‌টি স্থা‌নে ট্রেনে কাটা পড়ে এক নারীসহ ২ জনের মৃত্যু হ‌য়ে‌ছে।

রোববার (২১ আগস্ট) ভো‌রে ঢাকা-উত্তর ও দ‌ক্ষিণাঞ্চল রেললাই‌নে উপ‌জেলার সরা‌তৈল এলাকায় এক নারীর মৃত্যু হয়। তবে তার পরিচয় পাওয়া যায়নি। এরপর একই রেললাই‌নের আনা‌লিয়াবা‌ড়ি এলাকায় সকাল ৭টার দি‌কে মামুন (৪০) না‌মে এক ব্যক্তি প্রাণ হারান।

নিহত মামুন সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার দেওড়া এলাকার মৃত শাহজামালের ছেলে।

ত‌বে কোন ট্রেনে কাটা প‌ড়ে‌ তারা নিহত হ‌য়ে‌ছে সেটা জানা যায়‌নি।

মামুনের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রাক প্লাস্টিকের দরজা নিয়ে রংপুর যাচ্ছিলো। ট্রাকটি ভোর রাতের দিকে আনালিয়াবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে আরেক ট্রাকের সাথে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় মালামালগুলো রাস্তার ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে যায়। পরে ট্রেনলাইনে বসে মালামাল পাহারা দিচ্ছিলেন মামুন। এসময় উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী একটি ট্রেন মামুনকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে ভোর রাতের কোন এক সময় সরাতৈল এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে অপরিচিত এক নারী নিহত হয়েছেন।

টাঙ্গাই‌লের ঘারিন্দা রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই সাকলাইন জানান, খবর পেয়ে মরদেহ দুই‌টি উদ্ধার করা হয়েছে। একজনের পরিচয় পাওয়া গেলেও নিহত নারীর পরিচয় পাওয়া যায়নি। নিহত ব্যক্তির মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজন‌দের কাছে হস্তান্তর করা হ‌য়ে‌ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অগাস্ট ২০২২ ০৮:২৪:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছাগলের গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে শতাধিক পেঁপে গাছ কর্তন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছাগলের গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে শতাধিক পেঁপে গাছ কর্তন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ছাগলে গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বে সাগর আকন্দের পেঁপে বাগানের শতাধিক গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী শাহিদা বেগমের বিরুদ্ধে। শনিবার (২০ আগস্ট) সকালে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় থানায় মৌখিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে কেটে ফেলা পেঁপে বাগান পরিদর্শন করেছেন ভূঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. লিটন মিয়া।

জানা গেছে, পশ্চিম ভূঞাপুরে ২৫ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে পেঁপে ও কলা গাছের বাগান করেছিলেন কৃষি উদ্যোক্তা সাগর আকন্দ। ইতোমধ্যে বাগানের প্রত্যেকটি গাছে পেঁপে ধরেছিল। এতে কয়েক লাখ টাকার পেঁপে বিক্রির স্বপ্ন দেখেছিলেন সাগর।

সাগর আকন্দ বলেন, ‘প্রতিবেশী শাহিদার ছাগল প্রতিদিন বাগানে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছের চারা খেয়ে ফেলত। বিষয়টি ছাগলের মালিককে জানানো হলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে বাগানের পাশেই ছাগল চড়াত।’

তিনি আরও বলেন, ‘শনিবার সকালে ছাগল বাগানে প্রবেশ করে এবং বেশ কয়েকটি পেঁপে, কলা ও বেগুন গাছ নষ্ট করে ফেলে। পরে ছাগলটি আটকে রাখলে ওই নারী ক্ষিপ্ত হয়ে পেঁপে ও কলা গাছগুলো কেটে ফেলে।’

সাগরের বাবা লাল মিয়া আকন্দ বলেন, ‘সাগর নারায়ণগঞ্জে একটি জাহাজ কোম্পানিতে চাকরি করতো। করোনাকালে তার চাকরি চলে গেলে বাড়িতে চলে আসে। পরবর্তীতে ৬০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ২৫ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে সবজি বাগান শুরু করে। গাছগুলো কেটে ফেলায় ছেলেটি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে।’

ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম জানান ‘মৌখিকভাবে জানানোর পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।’

উপজেলা কৃষি অফিসার মো. হুমায়ূন কবির জানান, ‘বিষয়টি শুনেছি। সরেজমিনে গিয়ে প্রশাসনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অগাস্ট ২০২২ ০১:১৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিখোঁজ কলেজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিখোঁজ কলেজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে নিখোঁজ হওয়ার ১১ দিন পর কলেজ ছাত্র আরিফ মিয়ার (২১) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে পার্শ্ববর্তী মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লী ব্রিজের নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন।

আরিফ নাগরপুর সদর ইউনিয়নের নঙ্গিনাবাড়ী গ্রামের সৌদি প্রবাসী মো. হোসেন মিয়ার ছেলে। সে টাংগাইল কাগমারীর সরকারি এমএম আলী কলেজের বিএ (অনার্স) প্রথম বর্ষের ছাত্র।

এ ব্যাপারে নাগরপুর থানায় নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর (১০ আগস্ট) নিহতের চাচা মো. হাসান মিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন।

এ প্রসঙ্গে, নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, গত ৮ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আরিফ নিজের মোটরসাইকেল নিয়ে চাচাতো ভাই জাহাঙ্গীরের সঙ্গে বাড়ি থেকে টাঙ্গাইলের উদ্দেশে বের হয়ে যান। ওই দিন বিকেলে জাহাঙ্গীর একা বাড়ি ফিরে আসেন।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার; পরিবারের দাবি হত্যা

তিনি আরো জানান, এসময় বাড়ির লোকজন জাহাঙ্গীরের কাছে আরিফের কথা জানতে চাইলে বিভিন্ন টালবাহানা করে একেক সময় একেক তথ্য দিয়ে পরিবারকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। অবশেষে দুই দিন পেরিয়ে গেলেও আরিফের কোনো সন্ধান না পেয়ে ১০ আগস্ট নাগরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করা হয়। বিকেলে মানিকগঞ্জ থানা পুলিশ আরিফের মরদেহ উদ্ধার করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অগাস্ট ২০২২ ০৩:০৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার; পরিবারের দাবি হত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার; পরিবারের দাবি হত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মারিয়া আক্তার (১৯) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার(১৮ আগস্ট) রাতে মির্জাপুর উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের গোড়াকী গ্রাম থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত মারিয়াকে হত্যার পর ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তার বড় ভাই মারুফ হোসেন।

পুলিশ ও মারিয়ার পরিবার জানান, গত ৭ মাস আগে তরফপুর ইউনিয়নের ডৌহাতলী গ্রামের মৃত সোনা মিয়ার মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে একই উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের গোড়াকী গ্রামের বাবর আলী ওরফে বাবু খানের সিঙ্গাপুর প্রবাসী ছেলে শাকিল খানের সঙ্গে বিয়ে হয়।

বিয়ের কয়েক দিন পর থেকে তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ শুরু হয়। এ নিয়ে শাকিল মাঝে মধ্যে মারিয়ার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন। বিয়ের দুই মাস পর শাকিল সিঙ্গাপুর চলে যান। বিদেশ থেকেও শাকিল তার স্ত্রী মারিয়াকে মুঠোফোনে গালিগালাজ করতো।
বৃহস্পতিবার রাতে মারিয়া লাশ তার বসত ঘরের ফ্যানের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়।

মারিয়ার বড় ভাই মারুফ হোসেন জানান, রাতে খবর পেয়ে আমরা বোনের বাড়ি গিয়ে দেখি ঘরের দরজা খোলা। মারিয়া ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল কিন্তু পা খাটের মধ্যে ভাঁজ হয়ে আছে।ওরা আমার বোনকে হত্যার পর ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে রেখেছে। আমি বোনের হত্যার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করছি।

এ বিষয়ে শাকিল খানের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

লতিফপুর ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার মো. আমিন উদ্দিন জানান, শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে মারিয়ার ভালো সম্পর্ক ছিল। তবে স্বামীর সঙ্গে মারিয়ার কি হয়েছে তা তিনি বলতে পারবেন না।

লতিফপুর ইউপির চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন রনি জানান, পুলিশ মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর জানা যাবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা।

মির্জাপুর থানার ডিউটি অফিসার মো. আরিফ তালুকদার জানান, সুরতহাল শেষে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। থানায় অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. অগাস্ট ২০২২ ১০:১৫:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চোলাই মদসহ আটক ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চোলাই মদসহ আটক ১

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ৫০ লিটার দেশীয় চোলাই মদ সহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব। শুক্রবার (১৯ আগস্ট)সকালে পৌর শহরের কান্দাপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটককৃতর নাম সুরুজ রবি দাস (৫০)। সে শহরের কান্দাপাড়া এলাকার মৃত কার্তিক রবিদাসের ছেলে।

শুক্রবার সকালে র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার এএসপি এরশাদুর রহমান প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুরুজ রবি দাসকে ৫০ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ হাতেনাতে আটক করা হয়।যার বাজার মূল্য ১৫ হাজার টাকা।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়,আটককৃত সুরুজ রবি দাস বহুদিন ধরে মাদক দ্রব্য দেশীয় চোলাই মদ অবৈধভাবে সংগ্রহ করে টাঙ্গাইল জেলার সদর থানাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন মাদক কারবারি ও মাদকসেবীদের নিকট বিক্রি করে আসছিল।তার বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. অগাস্ট ২০২২ ০৭:৪২:পিএম ৪ বছর আগে
প্রেমের টানে টাঙ্গাইলে এবার ভারতীয় তরুণী - Ekotar Kantho

প্রেমের টানে টাঙ্গাইলে এবার ভারতীয় তরুণী

একতার কণ্ঠঃ কাতার প্রবাসী মামুনের (২৫) সঙ্গে ফেসবুকে প্রেমের সম্পর্কের জেরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে এসেছেন বিউটি খাতুন (২০) নামে এক তরুণী।

পরে শনিবার (১৩ আগস্ট) কোর্টের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয় বলে জানান স্থানীয় ইউপি সদস্য পরিতোষ পাল।

মামুন উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের বিন্যাউড়ী গ্রামের খাদেম হোসেনের ছেলে। বিউটি খাতুন পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার বর্ধমান শহরের শেখ হানিফের মেয়ে।

স্থানীয়রা জানান, গত ছয় দিন আগে মেয়েটিকে মামুন বর্ডার থেকে তাদের বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে শনিবার তাদের বিয়ে হয়। তবে পরিবারটি পর্দাশীল হওয়ায় বাইরের কেউ ওই তরুণীর সঙ্গে দেখা করতে পারেননি বলে জানা গেছে।

উপজেলার সহেদেবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য পরিতোষ পাল জানান, বিদেশে থাকতেই ভারতীয় ওই তরুণীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে মামুনের। প্রায় এক মাস আগে কাতার প্রবাসী মামুন দেশে ফেরেন। দেশে আসার পর ওই তরুণীকে বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসার মাধ্যমে বাড়িতে আনার পর আইনগতভাবে কোর্ট ম্যারেজ ও স্থানীয় কাজির মাধ্যমে ওই তরুণীকে বিয়ে করেন মামুন। তার বাবা স্থানীয় মসজিদের মুয়াজ্জিন ও তার চাচা পীর হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে তারা নিজেদের মধ্যেই রেখেছেন।

কালিহাতী থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, ভারতীয় ওই তরুণী পশ্চিমবঙ্গ থেকে বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন। পুলিশ সদস্যরা ওই বাড়িতে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. অগাস্ট ২০২২ ০৪:৫৫:এএম ৪ বছর আগে
ক্লিন টাঙ্গাইলের উদ্যোগে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর শাহাদৎ বার্ষিকী পালন - Ekotar Kantho

ক্লিন টাঙ্গাইলের উদ্যোগে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর শাহাদৎ বার্ষিকী পালন

একতার কণ্ঠঃ বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদৎ বার্ষিকী পালন করেছে ক্লিন টাঙ্গাইল।

বহস্পতিবার(১৮ আগস্ট) সকালে টাঙ্গাইল শহরের নিরালা মোড়ে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচীর মধ্য ছিল, পরিছন্নতা ইভেন্ট, জনসচেতনামূলক লিফলেট বিতরণ, চিত্রাঙ্কন, কবিতা আবৃত্তি প্রতিযাগীতা, পরিষ্কার-পরিছনতা বিষয়ক বাউল গান পরিবেশন, গাছের চারা বিতরন ও রোপন ইত্যাদি।

অনুষ্ঠানে ক্লিন টাঙ্গাইলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন চাকলাদার শাহীনের সভাপতিত্বে ও আনিসুজ্জামান আনিস, রুহুল আমিন খান এবং আবু আহমদ শাহরিয়ারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্লিন টাঙ্গাইলের উপদেষ্টা ও টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র জামিলুর রহমান মিরন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদশ স্কাউটস টাঙ্গাইল জেলা রোভার মোঃ জামাল হাসান, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্টার সৈয়দ সাইফুল্লাহ, পরিবেশ উন্নয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানম্যান আলমগীর হাসান, দৈনিক যুগধারা পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক সরকার হাবিব, ক্লিন টাঙ্গাইলের পৃষ্ঠপোষক মাসুক হাসান খান ও ফাতেমা মানব কল্যান ফাউন্ডেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নাছির উদ্দিন সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদর মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. অগাস্ট ২০২২ ০২:৫৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নদীতে নিখোঁজ স্কুল ছাত্রীর লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নদীতে নিখোঁজ স্কুল ছাত্রীর লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গােপালপুরে নিখোঁজের একদিন পর নদীতে মিলল মিতু (৮) নামে তৃতীয় শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থীর লাশ।

বৃহস্পতিবার(১৮ আগস্ট) সকালে ঝাওয়াইল বেইলী ব্রীজের নিচে ঝিনাই নদীতে ভাসমান অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে থানা পুলিশ।

মিতু উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের দড়িসয়া গ্রামের নয়ন দত্তের মেয়ে ও স্থানীয় পাথালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।

জানা যায়, বুধবার বিকালে মিতু নদীতে গােসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। স্থানীয়রা অনেক খোঁজাখুঁজির পর ডুবুরিদের খবর দেয়। বৃহস্পতিবার সকালে ডুবুরির দল নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

গোপালপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাে. মােশারফ হােসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পরিবারের কারাে কোন অভিযােগ না থাকায় বিনা ময়না তদন্তে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. অগাস্ট ২০২২ ১২:৪৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী, দুলাভাই আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী, দুলাভাই আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় ধর্ষণে এক স্কুলছাত্রী (১২) সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। এ ঘটনায় তার দুলাভাই সবুজ মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) রাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

বুধবার (১৭ আগস্ট) সকালে মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহফুজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আটককৃত সবুজ মিয়া ঘাটাইল উপজেলার গর্জনা গ্রামের শামছুল হকের ছেলে।

জানা গেছে, আটককৃত সুবজ প্রায় দেড় বছর আগে বিয়ে করেন। প্রায় সাত মাস আগে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন তিনি। এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকায় শ্যালিকাকে ধর্ষণ করে সবুজ। পরে ভয় দেখিয়ে এভাবে তাকে আরো চার থেকে পাঁচ বার ধর্ষণ করে। এতে ভুক্তভোগী শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হলেও বাড়ির লোকজন টের পাননি।

এদিকে ভুক্তভোগী শিশুটি অসুস্থ হলে, পরিবারের সদস্যরা অসুস্থতার কারণ জানতে চাইলে দুলাভাই সবুজ তাকে ধর্ষণ করেছে বলে জানায়। পরে পরিবারের লোকজন কৌশলে সবুজকে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে আনেন। এর আগে ভুক্তভোগীর বাবা সবুজের বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। পরে রাতে পুলিশ শ্বশুরবাড়ি থেকে সবুজকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহফুজ জানান, এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়ে সবুজকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শ্যালিকাকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন তিনি। বুধবার সকালে ভুক্তভোগী শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।

তিনি আরো জানান,একই সঙ্গে সবুজকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. অগাস্ট ২০২২ ১২:১৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আ’লীগের বিশাল বিক্ষোভ মিছিল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আ’লীগের বিশাল বিক্ষোভ মিছিল

একতার কণ্ঠঃ দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলায় জড়িতদের বিচার ও শাস্তির দাবিতে টাঙ্গাইলে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা আওয়ামী লীগ।

বুধবার(১৭ আগস্ট) সকালে শহরের শহীদস্মৃতি পৌর উদ্যানে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ স্মৃতি উদ্যানে গিয়ে শেষ হয়।

এই বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক ফজলুর রহমান খান ফারুকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন,জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি, সহ-সভাপতি মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তানভীর হাসান এমপি, খান আহমেদ শুভ এমপি, যুবলীগের প্রেসিডেয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ প্রমুখ।

মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশে, আওয়ামী লীগ, আওয়ামী যুবলীগ, ছাত্রলীগ, তাঁতীলীগ,স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিল আওয়ামী লীগসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের সহাস্রাধিক নেতা-কর্মী অংশগ্রহণ করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. অগাস্ট ২০২২ ০৮:৫০:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে হাজতির মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে হাজতির মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে ওয়াসিম মল্লিক নামের(৩৫) এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) ভোরে জেলা কারাগার থেকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেল সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন।

মৃত ওয়াসিম মল্লিক টাঙ্গাইলের নাগপুর উপজেলার খাসপাইকাল গ্রামের মৃত সেকান্দার আলীর ছেলে।

জেলা কারাগার সুত্রে জানা গেছে, মৃত ওয়াসিম মল্লিক ২০২১ সালের ২১ জুলাই তার সৎভাইয়ের দায়ের করা মারপিটের মামলায় অসুস্থ অবস্থায় কারাগারে আসেন। কারাভোগকালীন অবস্থায় লিভার জনিত সমস্যায় কারা হাসাপাতাল , টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ও উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) ভোরে হাজতি ওয়াসিম অসুস্থ হয়ে পড়লে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।

টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের পক্ষে জেনারেল হাসপাতালে মৃত্যুর তদন্ত করতে আসা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপ ভৌমিক জানান, মৃত হাজতি ওয়সিমের শরীরে কোন ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে শারীরিক অসুস্থতার কারনে তার মৃত্যু হয়েছে।

জেল সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, হাজতি ওয়াসিম কারাগারে আসার পর থেকেই অসুস্থ ছিলেন। ইতোপুর্বে ১৭ জুলাই সে লিভার জনিত রোগে অসুস্থ হয়ে পড়লে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জের মাধ্যমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। গত ১০ অক্টোবর চিকিৎসা শেষে টাঙ্গাইল কারাগারে প্রত্যাবর্তন করে হাজতি ওয়াসিম। মঙ্গলবার ভোরে ফজরের নামাজের পর হাজতি ওয়াসিম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ওয়ার্ড থেকে কারা হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অচেতন হয়ে পড়লে কারা সার্জনের পরামর্শে দ্রুত টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরিক্ষা-নিরীক্ষার পরে তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

তিনি আরও জানান, মৃত হাজতির দেহের সুরতহাল রিপোর্ট প্রনোয়ণসহ ময়না তদন্ত কার্য সম্পাদনের নিমিত্তে ও একটি অপমৃত্যুও মামলা রুজু করার জন্য টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জকে লিখিত অনুরোধ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. অগাস্ট ২০২২ ০২:০৭:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।