/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
খেলা হবে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে : শামীম ওসমান - Ekotar Kantho

খেলা হবে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে : শামীম ওসমান

একতার কণ্ঠঃ সংসদ সদস্য শামীম ওসমান ‌বিএন‌পিকে উ‌দ্দে‌শ্য করে বলেন, দেশে একটি খেলা এখন সম‌য়ের অ‌পেক্ষা। আর সেই খেলা হবে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে অসাম্প্রদায়িক শক্তির এবং মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির। একাত্তর, পঁচাত্তর এবং একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার খুনিরা সবাই এক। ওরা দেশে আবার খুনোখুনির খেলা শুরু করেছে।

সোমবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যার টাঙ্গাই‌লের গোপালপু‌রে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আসামিদের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে গোপালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্থানীয় সরকারি সূতি ভিএম পাইলট হাই স্কুল মাঠে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তি‌নি এসব কথা ব‌লেন।

শামীম ওসমান বলেন, বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার সৈনিকরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। তারাও খেলায় নামবে। সেই চূড়ান্ত খেলায় খুনিরা পরাস্ত হবে। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ আবারও জয়লাভ করবে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা শুধু দেশের সম্পদ নয়, আগামী প্রজন্মের জন্য আইডল। তিনি হেরে গেলে বাংলাদেশ পথ হারাবে। বাংলাদেশের পরিস্থিতি হবে আফগানিস্তানের চেয়েও ভয়াবহ। আমাদের সামনে এই যে মরণপণ খেলা অপেক্ষা করছে সেটির জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে। সবাইকে মাঠে নেমে খেলতে হবে। আর খেলায় খুনিরা নিশ্চিত হেরে যাবে।

উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক আব্দুল মোমেন। এ‌তে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খান এমপি।

বক্তৃতা করেন স্থানীয় এমপি ছোট মনির, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত শিকদার, আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশীদ, আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার সুরুজ প্রমুখ।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অগাস্ট ২০২২ ০২:৩৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শিশু ফাতিমাকে হত্যার পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজায় মা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শিশু ফাতিমাকে হত্যার পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজায় মা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ৭ বছরে শিশু ফাতিমাকে হত্যা করেছে মা হাওয়া বেগম। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে মারা যাওয়ার নাটক সাজায় মা হাওয়া। রাগের মাথায় সে ফাতিমার গলা টিপে ধরে মেঝেতে ফেলে দিয়ে বাইরে চলে যায়। পরে ঘরে এসে মৃত্যু হয়েছে ভেবে গলায় গামছা পেঁচিয়ে রেখে আশপাশের লোকজন ডেকে আনে।

স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

পুলিশ ও আদালতের কাছে এমনটাই স্বীকার করেছে হাওয়া বেগম। হাওয়া বেগমের জবানবন্দি রেকর্ড করেন টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ফারজানা হাসনাত।

এদিকে ঘটনার দিন পুলিশ শিশুটির মা হাওয়া বেগমকে মৃত্যুর বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কথায় গরমিল পাওয়া যায়। পরে সে নিজ সন্তানকে হত্যার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করে এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভূঞাপুর থানার এসআই মো. আরফান খান জানান, নিজ সন্তান ফাতিমাকে হত্যার বিষয়ে মা হাওয়া বেগম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ফারজানা হাসনাত তার জবানবন্দি গ্রহণ করেন।বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার(২৩ আগষ্ট) সন্ধ্যায় ভূঞাপুর উপজেলার নিকলাদড়ি পাড়া গ্রামে মা হাওয়া বেগম কর্তৃক এ হত্যার ঘটনা ঘটে। পরে খেলার ছলে গামছা পেঁচিয়ে ফাতিমার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রচার করা হয়। ফাতিমা ওই গ্রামের দুলাল হোসেনের মেয়ে। তার তিন মেয়ের মধ্যে ফতিমা সবার ছোট ছিলো।

স্থানীয় একটি ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করে সংসার চালান দুলাল হোসেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. অগাস্ট ২০২২ ০৮:৪২:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাসের ধাক্কায় দুই অটোচালক নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাসের ধাক্কায় দুই অটোচালক নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় দুই অটোচালকের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার ( ২৮ আগস্ট) রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চরপাড়া বাইপাস এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহতরা হলেন- পুষ্টকামুরী সওদাগরপাড়া গ্রামের মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে জুয়েল মিয়া ও পুষ্টকামুরী পূর্বপাড়া গ্রামের ওয়াসি উদ্দিনের ছেলে আতিক।

নিহতদের পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহত দুইজনই পেশায় অটোচালক ছিলেন। তারা একটি নষ্ট অটো মেরামত করে বাড়ি ফেরার পথে পুষ্টকামুরী চরপাড়া বাইপাস পার হওয়ার সময় পেছন দিক থেকে একটি বাস তাদের অটোরিকশাকে  চাপা দিলে ঘটনাস্থলে আতিক ও মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেয়ার পথে জুয়েলের মৃত্যু হয়।

গোড়াই হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মোল্লা টুটুল জানান, ঘটনাস্থল থেকে বাসটি আটক করার গেলেও চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছেন। নিহতের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে সোমবার (২৯ আগস্ট) দুপুরের নিহতদের লাশ দাফনের প্রাক্কালে তাদের পরিবারে শোকের মাতম বইছিলো। দুজনই বিবাহিত ছিলেন। তাদের স্ত্রী সন্তানদের আহাজারিতে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় নিহতদের বাড়িতে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. অগাস্ট ২০২২ ০৭:১৭:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছাত্রীকে টিকটকে বাধ্য করা সেই নিরাপত্তাকর্মী বরখাস্ত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছাত্রীকে টিকটকে বাধ্য করা সেই নিরাপত্তাকর্মী বরখাস্ত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের নলুয়া বাছেদ খান উচ্চবিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মী (দারোয়ান) আরিফ মিয়াকে (২৪) সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা খানম রবিবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় আরিফের বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অভিযুক্তি আরিফ উক্ত বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে টিকটক ভিডিও করতে বাধ্য করায়, এমন অভিযোগের প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় তাকে বরখাস্ত করা হলো।

 

সম্প্রতি, ওই নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে এক ছাত্রীর বিদ্যালয় অঙ্গনে করা টিকটক ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় আরিফের বিচার দাবি করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

রবিবার জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা খানম এ ঘটনার তদন্তে এসে সত্যতা পেয়ে দারোয়ানকে বরখাস্তের জন্য নির্দেশ দেন।

অভিযোগ ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, পাবনা জেলার বাসিন্দা আরিফ মিয়া প্রায় পাঁচ বছর ধরে উপজেলার নলুয়া বাছেদ খান উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। সেই পরিচয়ে বছরখানেক আগে ওই বিদ্যালয়ে নিরাপত্তারক্ষী (দারোয়ান) পদে চাকরি নেন আরিফ। মাস ছয়েক ধরে আরিফের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করাসহ কিছু ছাত্রীর সঙ্গে টিকটক ভিডিও করার অভিযোগ ওঠে। সম্প্রতি বিদ্যালয়ের ইউনিফর্ম পরা ছাত্রীর সঙ্গে আরিফের একটি টিকটক ভিডিও ভাইরাল হয়।

এ ঘটনায় ওই উচ্চবিদ্যালয়ের বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষকের কাছে মৌখিকভাবে অভিযোগ দিলেও আরিফ প্রধান শিক্ষকের বাসায় ভাড়া থাকায় তিনি অভিযোগটি আমলে নেননি বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে তারা বাধ্য হয়ে ইউএনওর কার্যালয়ে গিয়ে আরিফের বিচার দাবি করে একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মফিজুল ইসলামকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

রবিবার দুপুরে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা খানম হঠাৎ বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসেন। তিনি ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে এ ঘটনার সত্যতা খুঁজে পান। তিনি দারোয়ান আরিফকে সাময়িক বরখাস্ত করার জন্য ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে নির্দেশ দেন।

বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও স্থানীয় যাদবপুর ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান জানান, ইতিমধ্যে দারোয়ান আরিফকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

আরিফের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এর পূর্বে আরিফ মুঠো ফোনে বলেছিলেন, ‘একজন মেয়ের অনুরোধে আমি টিকটকে অংশ নিয়েছি। পরবর্তী সময়ে ওই ভিডিওটি ভাইরাল হয়। এখন মেয়েটির সম্মান রক্ষা করতে গিয়ে মেয়েটি আমাকে ফাঁসাচ্ছে। আমি কোনো ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করিনি। আমি প্রধান শিক্ষকের বাসায় ভাড়া থাকি। এটাই আমার কাল হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. অগাস্ট ২০২২ ০৭:০২:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নদীতে নিখোঁজের ২ দিন পর শিশুর লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নদীতে নিখোঁজের ২ দিন পর শিশুর লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজের দুইদিন পর স্বার্থক দাস নামে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ।

রবিবার (২৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার এলেঙ্গা পৌর শহরের মহেলা পৌলি নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় লাশটি উদ্ধার করা হয়।

স্বার্থক দাস (৯) উপজেলার হাতিয়া দক্ষিণ পাড়ার বল্টু দাসের ছেলে। সে স্থানীয় হাতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।

এর আগে গত শুক্রবার(২৬ আগস্ট) দুপুরে স্বার্থক দাস ও সুন্দর সূত্রধর সহ ৪ জন শিশু একসঙ্গে বাড়ির পাশে নদীতে গোসল করতে যায়। একপর্যায়ে নদীর প্রবল স্রোতে স্বার্থক দাস ও সুন্দর সূত্রধরকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। এসময় সুন্দর সূত্রধর সাঁতরিয়ে তীরে ফিরে আসে। স্বার্থক দাস পানির স্রোতে তলিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। খবর পেয়ে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম ১ ঘন্টা উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে সন্ধান না পেয়ে তারা উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত করেন।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব নৌ-পুলিশের এসআই প্রদীব চন্দ্র দাস জানান, সকালে নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা খবর দিলে নৌ-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের নিকট লাশটি হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. অগাস্ট ২০২২ ০৩:৫৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিএনপির সমাবেশে ছাত্রলীগের হামলায় আহত ১৫ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিএনপির সমাবেশে ছাত্রলীগের হামলায় আহত ১৫

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতিতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে ছাত্রলীগের হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত বিএনপির ১৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

রবিবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের চারান বাজারসহ বেশ কয়েকটি স্থানে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, জ্বালানী তেলসহ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে পূর্বনির্ধারিত ঘোষণা অনুযায়ী উপজেলার বিএনপি কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করার কথা ছিল। কিন্তু উপজেলা ছাত্রলীগ ওই সমাবেশে বাধা দেয়।
পরে নেতাকর্মীরা উপজেলার চারান এলাকায় গিয়ে সমাবেশ শুরু করেন। সমাবেশের শেষ পর্যায়ে উপজেলা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের বেশ কিছু নেতাকর্মী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সমাবেশে অতর্কিত হামলা চালায়। পরে দুই পক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে।

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরহাদ ইকবাল জানান, শান্তিপূর্ণভাবে আলোচনা সভা চলছিল। হঠাৎ করে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনী ছাত্রলীগ হামলা করে সমাবেশে। এতে বিএনপি ও ছাত্রদলের ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
এছাড়াও ১৭ টি মোটর সাইকেল, ৬টি পিকআপ ও ৪ টি বাস গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ প্রসঙ্গে কালিহাতী থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, দুই পক্ষের সংঘর্ষ হওয়ায় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

এই‌ বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটু। বিশেষ অতিথি ছিলেন- জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামান শাহিন, ফরহাদ ইকবাল, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মজনু মিয়া প্রমুখ।

প্রকাশ, কালিহাতীতে পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারণে রবিবার কালিহাতী পৌর এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল বের করতে পারেননি বিএনপির নেতাকর্মীরা। পরে দুপুরে উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের চারান এলাকায় দলটি বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. অগাস্ট ২০২২ ০১:৫৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ৭ দিন পর ডোবা থেকে স্কুল ছাত্রের গলিত লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ৭ দিন পর ডোবা থেকে স্কুল ছাত্রের গলিত লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে নিখোঁজের ৭ দিনে পর বাঁশ ঝাড়ের পাশে ডোবায় মিলল হৃদয় (১৩) নামে এক স্কুল ছাত্রের লাশ।

রবিবার(২৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার হাদিরা ইউনিয়নের পলশিয়া গ্রামের ওই ডোবায় তার অর্ধগলিত লাশ ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়।

হৃদয় ওই গ্রামের মোস্তফা মিঞার ছেলে ও স্থানীয় শিমলা পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।

নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, হৃদয় গত ৭দিন ধরে নিখোঁজ ছিল। গত সোমবার ( ২২ আগস্ট) সকালে শিমলা বাজারে যাওয়ার কথা বলে সে বাড়ী থেকে বের হয়ে আর ফিরেনি। হৃদয়ের বাবা মোস্তফা দরিদ্র ভ্যান চালক। নিখোঁজের পর থেকে আত্বীয়স্বজন ও ছেলের বন্ধুবান্ধবসহ সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজ খবর নেন তিনি। কোথাও ছেলের সন্ধান না পেয়ে গত বুধবার (২৪ আগস্ট) গোপালপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করেন।

রবিবার সকালে বাঁশের পাতা আনতে স্থানীয় এক ব্যক্তি ওই ঝাড়ে গিয়ে ডোবায় একটি লাশ ভাসতে দেখেন। পরে তার ডাকচিৎকারে লোকজন এসে লাশটি উদ্ধার করে। খবর পেয়ে হৃদয়ের স্বজনরা লাশ সনাক্ত করেন।

গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হৃদয়ের বাবা থানায় নিখোঁজ ডায়রী করার পর পুলিশ সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজ নিয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।
তিনি আরও জানান,লাশের ময়না তদন্তের প্রতিবেদন ও অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. অগাস্ট ২০২২ ০৯:৪৮:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মহাসড়কে অপরাধ ঠেকাতে চেকপোষ্ট ও পুলিশি টহল জোরদার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মহাসড়কে অপরাধ ঠেকাতে চেকপোষ্ট ও পুলিশি টহল জোরদার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতি ও নারী যাত্রীকে গণধর্ষণের ঘটনার পর থেকেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। এ কারণে যাত্রীদের নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে চারটি স্থায়ী চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

এছাড়া জেলার মধুপুর, ঘাটাইল, কালিহাতী, সখীপুর এবং মির্জাপুর উপজেলার ১৬টি স্থানে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।

জানা গেছে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের মধুপুর বনাঞ্চলের নির্জন এলাকায় গত ১৩ বছরে চারবার চলন্ত বাসে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় তিনজন ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। খুন হয়েছেন দুই নারী। এর বাইরেও ছোটখাটো অনেক ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত ২ আগস্ট কুষ্টিয়া থেকে ঈগল এক্সপ্রেস পরিবহনের একটি বাস রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকার দিকে যাত্রা শুরু করে। রাতে নির্দিষ্ট স্টপেজ ছাড়া অন্য কোনো স্থান থেকে যাত্রী ওঠানোর নিয়ম না থাকলেও রাত ১১টায় সিরাজগঞ্জ থেকে প্রথমে চারজন এবং পরে দুই বার তিনজন করে ছয়জন বাসে ওঠেন। বাসটি বঙ্গবন্ধু সেতুর টোলপ্লাজা পার হওয়ার পর ১০ জন ডাকাত অস্ত্রের মুখে বাসের ২৪ যাত্রীকে জিম্মি করে। এসময় ডাকাতরা অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে যাত্রীদের মোবাইল ফোন, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটে নেয়। একই সঙ্গে তারা এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণ করে। পরে খবর পেয়ে যাত্রীদের উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় অভিযুক্ত ডাকাত দলের ১১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা।

এদিকে মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের অপরাধ সংঘঠিত না হয় এজন্য স্থায়ী চেকপোষ্ট ও আঞ্চলিক সড়কগুলোতে ১৬টি স্থানে যাত্রীবাহী বাস, গরু ভর্তি ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন থামিয়ে তল্লাশি এবং ভিডিও ধারণ করে রাখা হচ্ছে।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন জানান, সাধারণ যাত্রীরা যাতে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারেন সে জন্য সড়কের বিভিন্ন অংশে চেকপোষ্ট স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া নিয়মিত পুলিশ টহল জোড়দার করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান,এর মধ্যে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের গোলচত্বর এলাকা,আনালিয়াবাড়ি, এলেঙ্গা মোড়, ভুয়াপুর লিংরোড, আশেকপুর, বাসাইল বাইপাস, পাকুল্লা, নাটিয়াপাড়া, দেওহাটা ওভার ব্রিজের পাশে, মির্জাপুর থানা মোড়, গোড়াই আন্ডারপাস সঙ্গে বাঁশতৈল হাটুভাঙ্গা রোড, মধুপুর, ঘাটাইল ও হামিদপুরে পুলিশ টহল বাড়ানো হয়েছে।

ময়মনসিংহগামী প্রান্তিক পরিবহনের যাত্রী সোলায়মান হাসান জানান, ব্যবসার জন্য সপ্তাহে অন্তত দুইদিন টাঙ্গাইল আসতে হয়। বর্তমানে সড়কের বিভিন্ন স্থানে পুলিশি টহল ও চেকপোষ্ট স্থাপন করায় আগের চেয়ে এখন বেশ নিরাপদে বাসে যাতায়াত করতে পারছেন।

বিনিময় পরিবহনের নারী যাত্রী আকলিমা আক্তার বিথী জানান, তিনি টাঙ্গাইল শহরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। প্রতি সপ্তাহে বৃহস্পতিবার অফিসের কাজ শেষ করে তিনি গ্রামের বাড়ি ধনবাড়িতে যান। মহাসড়কের এলেঙ্গা লিংক রোডের পর পুরো রাস্তায়ই নেই কোনো সড়ক বাতি। চারিদিকে অন্ধকার। এছাড়া ছিল না কোনো পুলিশি টহল। এ কারণে আগে অনেক সময় মনের ভেতর ভয় থাকতো। এখন সেটা অনেকাংশে দূর হয়েছে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, নির্দিষ্ট রুটের বাস অন্য রুটে প্রবেশ করলেই সেটি তল্লাশি করা হচ্ছে। পাশাপাশি সেই বাসটির সব যাত্রী ও চালকের ভিডিও করে রাখা হচ্ছে। যেন নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া বাসে কোনো যাত্রী উঠানামা না করানো হয় সে জন্য বাস চালকদের সচেতন হতে হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. অগাস্ট ২০২২ ০৯:৩১:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সমবায় মার্কেটের মালিকদের মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সমবায় মার্কেটের মালিকদের মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের সমবায় মার্কেটের সভাপতি কুদরত ই এলাহী খানের দুর্নীতি এবং নিজেদের দোকান ফিরে পেতে রাস্তায় নেমেছেন মার্কেটের পুরাতন দোকান মালিকেরা।

শনিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে নির্মাণাধীন মার্কেটের সামনে এই দাবিতে  মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, মার্কেটের সাবেক সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা সাইফুল ইসলাম, বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক খান, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, নার্গিস আকতার, গোলাম মোহাম্মদ খান প্রমুখ।

মানববন্ধন বক্তারা বলেন, কুদরত-ই-এলাহি দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সভাপতি হয়েছেন। অধিক লাভের আশায় তিনি মার্কেটের পুরাতন ভবণ ভেঙে নতুন ভবণ করে সাবেক ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে নতুনদের কাছ থেকে বেশি টাকা নিয়ে দোকান বরাদ্দ দিচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে মামলা হয়। রায় আমাদের পক্ষে রয়েছে। তারপরও স্বঘোষিত কুদরত ই এলাহী খান নানা মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছেন।

বক্তারা আরও বলেন, ১৯৮০ সালে ১৫৫ জন দোকান মালিক জামানতের টাকায় সমবায় মার্কেট তৈরি করেন। ৪১ বছর তারা ঢাকার সঙ্গে তাল মিলিয়ে পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতা হিসাবে সুনাম অর্জন করেছেন। কিন্তু ২০১৬ সালে পুরাতন মার্কেটটি ভেঙে নতুন মার্কেট তৈরির উদ্যেগ নেয় সমবায় কর্তৃপক্ষ। এতে ১৫৫টি পরিবার তথা ৩০০জন বিক্রয় কর্মী বেকার হয়ে পরেন। এরপর ৮ বছর পেরিয়ে গেলেও কোনো সমাধান হয়নি। এরই মধ্যে ১৯ জন ব্যবসায়ী মৃত্যুবরণ করেছেন। অনেক দোকান মালিক অন্যের দোকানে কর্মচারী হিসাবে কাজ করে পরিবার চালাচ্ছেন। অনেক মালিক ব্যাংক ঋণ, এনজিও ঋণ, মহাজনি ঋণ দিতে না পেরে ভিটা বাড়ি বিক্রি করে নিঃস্ব হয়ে মানবেতর জীবন অতিবাহিত করছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুদরত ই এলাহী বলেন, তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. অগাস্ট ২০২২ ০২:৫০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে লাইসেন্স বিহীন সার বিক্রির দায়ে ছয় দোকানে জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে লাইসেন্স বিহীন সার বিক্রির দায়ে ছয় দোকানে জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে লাইসেন্স বিহীন সার বিক্রি ও মজুদের দায়ে ছয়টি দোকানকে এক লাখ ২৬ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

শনিবার(২৭ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার জলছত্র ও পঁচিশ মাইল বাজারে মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা ইয়াসমীন ও সহকারী কমিশনার(ভূমি) জাকির হোসাইনের নেতৃত্বে আলাদা দুটি ভ্রাম্যমান আদালত ওই জরিমানা করেন।

জানা যায়, মধুপুর উপজেলার জলছত্র বাজারে সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকির হোসাইন ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে লাইসেন্স বিহীন সার বিক্রি ও মজুদের দায়ে স্থানীয় রায়হানের সারের দোকানে পাঁচ হাজার টাকা, রহমতুল্লাহর দোকানে তিন হাজার টাকা, আমিনুল ইসলাম মিন্টুর দোকানে পাঁচ হাজার টাকা, আমিনুল ইসলামের দোকানে তিন হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।

এদিকে, মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা ইয়াসমীনের নেতৃত্বাধীন ভ্রাম্যমান আদালত পঁচিশ মাইল বাজারে অভিযান চালিয়ে লাইসেন্স বিহীন সার বিক্রি ও মজুদের অপরাধে স্থানীয় ফজলুল হকের সারের দোকানে এক লাখ টাকা ও আয়েশা এণ্টারপ্রাইজের আলী আকবর খানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।

এ সময় মধুপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আল মামুন রাসেল, অরণখোলা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিপুল সংখ্যক পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।

এ প্রসঙ্গে মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা ইয়াসমীন জানান, মধুপুরের জলছত্র ও পঁচিশ মাইল বাজারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে নিবন্ধন বিহীন সার বিক্রি, মজুদ, মূল্য তালিকা সাটানো না থাকা সহ বিভিন্ন অপরাধে জরিমানা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরণের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অগাস্ট ২০২২ ১১:১২:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইউএনওর হস্তক্ষেপে বাল‍্য বিয়ে বন্ধ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইউএনওর হস্তক্ষেপে বাল‍্য বিয়ে বন্ধ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আলমের হস্তক্ষেপে সোনালী আক্তার (১৪) নামে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর বাল্য বিয়ে বন্ধ হয়েছে। সে স্থানীয়  বংকী পাবলিক উচ্চ বিদ‍্যালয়ের শিক্ষার্থী।

জানা যায়, শুক্রবার (২৬ আগস্ট) পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ফজরচালা এলাকার সহিদ মিয়ার মেয়ের সঙ্গে উপজেলার যাদবপুর এলাকার আজাহার মিয়ার ছেলে পুলিশ সদস‍্য আলামিনের বিয়ের প্রস্তুতি চলছিলো।

গোপনসংবাদ পেয়ে ইউএনও প্রথমে স্থানীয় কাউন্সিলরকে পাঠিয়ে বিয়ের প্রস্তুতি বন্ধ করেন। ঘন্টাখানেক পরে গোপনে ফের বিয়ের কার্যক্রম শুধু করলে পরে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হয়ে পুনরায় সতর্ক করে আসেন। পরে বিয়ে না দেওয়ার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে ইউএনওকে মুচলেকা দেওয়ার শর্তে বিয়ে বন্ধ করা হয়।

৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আবু সাঈদ মিয়া জানান, ইউএনওর নির্দেশ পেয়ে আমি ওই বাড়িতে গিয়ে দেখি রান্না-বান্নার আয়োজন চলছে। বর পক্ষের লোকজনও সেখানে উপস্থিত আছেন। ইউএনও স‍্যারের নির্দেশে বিয়ে বন্ধ করে দেই।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারজানা আলম জানান, প্রাপ্ত বয়স না হওয়ার আগে বিয়ে না দেওয়ার শর্তে মুচলেকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অগাস্ট ২০২২ ০৭:০৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হামলায় আহত ছাত্রদল কর্মীর অবস্থা আশঙ্কাজনক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হামলায় আহত ছাত্রদল কর্মীর অবস্থা আশঙ্কাজনক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিএনপির মিছিলে হামলার ঘটনায় আহত ছাত্রদল কর্মী ইসমাইল হোসেন ওরফে পারভেজের(১৬) অবস্থা আশঙ্কাজনক। উন্নত চিকিৎসার জন্য বুধবার (২৪ আগস্ট) রাতে তাঁকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহদুল হক সানু জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যা পৌনে ছয়টা পর্যন্ত ইসমাইলের জ্ঞান ফেরেনি।

ইসমাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে। তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। বুধবার জেলা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে হামলা হয়। এ সময় মাথায় হাতুড়ির আঘাতে ইসমাইল গুরুতর আহত হন।

জেলা বিএনপির নেতারা জানান, বুধবার জেলা বিএনপির একাংশ শহরের সাবালিয়া এলাকায় বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বিএনপির নেতাদের দাবি, তাঁদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলটি শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গেটের সামনে পৌঁছালে ১৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের একদল নেতা–কর্মীরা বিএনপির নেতা–কর্মীদের ওপর হামলা করে।

এতে ইসমাইল হোসেনসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের দশ নেতা–কর্মী আহত হন। পরে ইসমাইলসহ দুজনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে ইসমাইলের অবস্থার অবনতি হলে ওই দিন রাতেই তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাতে তাঁর মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয়।

জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহদুল হক সানু জানান, ইসমাইলের অবস্থা এখনো শঙ্কামুক্ত নয়। তাঁর জ্ঞান ফেরেনি। তাঁকে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।

এদিকে বুধবার রাতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও বৃহস্পতিবার জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন এবং ফরহাদ ইকবাল স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে হামলার ঘটনার বিষয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অগাস্ট ২০২২ ০৪:৩৭:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।