/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
সখীপুরে বেত বাগানে চিতাবাঘ দেখার ঘটনা মিথ‍্যা : কিশোরের স্বীকারোক্তি - Ekotar Kantho

সখীপুরে বেত বাগানে চিতাবাঘ দেখার ঘটনা মিথ‍্যা : কিশোরের স্বীকারোক্তি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার হতেয়া বেত বাগানে চিতাবাঘ বিচরণ করার বিষয়টি মিথ‍্যা বলে জানিয়েছে বন‍্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট । মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হতেয়া রেঞ্জ অফিসে বন্যপ্রাণী দমন ইউনিটের জিজ্ঞাসাবাদে ফেসবুকে আপলোড করা ওই কিশোর শাকিব মিথ‍্যা প্রচারের স্বীকারোক্তি দিয়েছে।

জানা গেছে, স্থানীয় কিশোর শাকিব (১৮) ওই বেতবাগানের একটি ছবি তোলে, পরে অনলাইন থেকে একটি চিতাবাঘের ছবি নিয়ে এডিট করে বেতবাগানের ছবিতে বাঘের ছবি বসিয়ে ফেসবুকে ‘বেতবাগানে চিতা বাঘের আতঙ্ক’ শিরোনামে স্ট্যাটাস দেয়। ফেসবুক ভাইরাল হওয়ার জন‍্য এই কাজ করেছে বলে জানায় ওই কিশোর। এ বিষয়ে লিখিত মুচলেকা নিয়ে ওই কিশোরকে ক্ষমা করেছে তদন্ত কমিটি।

হতেয়া বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ জানান, উপজেলার হতেয়া বেতবাগানে চিতাবাঘের বিচরনের খবর মিথ্যা। ওই কিশোর শাকিব খান মঙ্গলবার বন‍্যপ্রাণী দমন ইউনিটের কাছে একথা স্বীকার করেছে। ভবিষ্যতে এমন মিথ্যা গুজব ছড়াবে না এ স্বীকারোক্তিতে মুচলেকা দিয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারজানা আলম জানান, বেতবাগানে চিতাবাঘের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানানো হলে বন‍্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট ঘটনা স্থলে গিয়ে এ তথ‍্য মিথ‍্যা বলে প্রমান পেয়েছে। একটি কিশোর এ মিথ‍্যা তথ‍্য ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার কথা স্বীকার করেছে।

উল্লেখ্য, গত ১০ সেপ্টেম্বর উপজেলার হতেয়া বেতবাগানে চিতাবাঘের আতঙ্ক এই শিরোনামে স্থানীয় এক কিশোর ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়। মুহূর্তেই এই তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অধিদপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষন করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৪:৪১:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করা হামলার শিকার যুবকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করা হামলার শিকার যুবকের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মেয়েদেরকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করতে গিয়ে হামলার শিকার এক যুবকের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ‌ প্রায় ১ টার দিকে রাজধানীর নিউরো সাইন্স হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

নিহত যুবকের নাম মো. মাজহারুল ইসলাম(২১)। সে উপজেলার কালিয়ান দক্ষিণ পাড়া এলাকার আ. মালেক মিয়ার ছেলে এবং সরকারি সা’দত কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিল।

হামলার ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে শনিবার ( ১০ সেপ্টেম্বর) ৭ জনের নাম উল্লেখ করে সখীপুর থানায় একটি মামলায় দায়ের করেছেন।

নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার কালিয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে শুক্রবার(৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এলাকার বিবাহিত বনাম অবিবাহিতদের সমন্বয়ে এক ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলা দেখতে আসা মেয়েদের নানাভাবে উত্যক্ত করে কালিয়ান দোহানিয়া পাড়ার কয়েকজন বখাটে ছেলে। এ সময় মাজহারুল তাদের উত্যক্ত করতে নিষেধ করলে ঘটনাস্থলেই তাকে কিল, ঘুষি দেয় স্থানীয় বখাটে ইয়ারুল ও তার সহযোগীরা।

এর পর খেলা শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে ইয়ারুল ইসলাম (১৯), ছাব্বির আহমেদ (১৯) সহ সাত-আট জনের একটি সঙ্ঘবদ্ধ দল লোহার রড, দা, দিয়ে মাজহারুলের উপর আবার আক্রমণ করে। এ সময় চিৎকার শুনে তার বাবা ও অন্যান্যরা মাজহারুলকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে সখীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার নিউরো সাইন্স হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে তিন দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার রাত প্রায় ১ টায় মাজহারুলের মৃত্যু হয়।

মাজহারুলের বাবা আ. মালেক কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘অনেক চেষ্টা করেও আমার ছেলেটাকে বাঁচাতে পারলাম না। বখাটেদের হামলায় ছেলেটা অবশেষে মারাই গেল।

এ প্রসঙ্গে সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান,হামলার ঘটনায় মাজহারুলের বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ওই মামলাতেই ৩০২ ধারা যুক্ত করার জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:১৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্কুল শিক্ষিকা নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্কুল শিক্ষিকা নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে এসএসসি পরীক্ষায় প্রশিক্ষণ ও আলোচনা শেষে স্বামীর সঙ্গে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে হাফ ট্রাকের ধাক্কায় ছানোয়ারা খাতুন (৩৫) নামে এক স্কুল শিক্ষিকা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন তার স্বামী স্বপন তালুকদার।

সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে জেলার ধনবাড়ী উপজেলার মুশুদ্দি ইউনিয়নের কামাড়পাড়া বাজার সংলগ্ন মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ছানোয়ারা খাতুন গোপালপুর উপজেলার মাহমুদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন ।

তিনি ও তার স্বামী স্বপন তালুকদার উপজেলার কেন্দুয়া গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

এ ব্যাপারে উপজেলার মাহমুদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান জানান, ছানোয়ারা খাতুন হেমনগর শশীমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষায় কক্ষ পরিদর্শক হিসেবে নিয়োগ পান। এ জন্য সোমবার বিকালে গোপালপুর সরকারি কলেজে কক্ষ পরিদর্শক প্রশিক্ষণ ও আলোচনা শেষে তার স্বামীর মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি রওনা হন। পথিমধ্যে ধনবাড়ী উপজেলার মুশুদ্দি ইউনিয়নের কামাড়পাড়া বাজার সংলগ্ন মোড়ে পৌঁছলে হাফ ট্রাকের ধাক্কায় রাস্তায় ছিটকে পড়ে যায় ছানোয়ারা খাতুন। এতে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয় এবং তার স্বামী আহত হয়।

স্বামী স্বপন তালুকদার জানান, দুর্ঘটনায় সময় ছানোয়ারা খাতুন মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে গিয়ে তার মাথা ট্রাকের সাথে প্রচন্ড জোরে ধাক্কা খায়। ফলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ধনবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. চাঁন মিয়া সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৬:১০:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু সেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে কভার্ডভ্যানের চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো একজন মোটরসাইকেল আরোহী।বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার জোকারচর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নে বল্লভবাড়ী গ্রামের আশরাফ মিয়ার ছেলে জহিরুল ইসলাম (২২) ও ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের পাথাইলকান্দি গ্রামের মজিদ মিয়ার ছেলে সবুজ মিয়া (২৫)।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, ‘মোটরসাইকেল যোগে তিন বন্ধু  টাঙ্গাইল থেকে বাডির দিকে যাচ্ছিলেন। জোকারচর এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের উপরে পড়ে যায়।

তিনি আরো জানান, এসময় ঢাকাগামী একটি কভার্ডভ্যান  তাদের চাপা দিয়ে চলে যায়। ফলে মোটরসাইকেলের দুই আরোহী ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহতাবস্থায় সোহেল নামে একজনকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’ নিহতদের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:৩৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চোরাই মেহগনি কাঠ উদ্ধার, আটক ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চোরাই মেহগনি কাঠ উদ্ধার, আটক ১

একতার কণ্ঠঃ ২৬৬ ঘনফুট চোরাই মেহগনির কাঠ উদ্ধার ও একজনকে আটক করেছে টাঙ্গাইল বন বিভাগ।

রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ত্রিপলে ঢাকা অবস্থায় একটি ট্রাক থেকে কাঠগুলো উদ্ধার করা হয়। এ সময় ট্রাক চালককে আটক করা হয়েছে।

আটককৃত ট্রাক চালক টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার নলহড়া গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে মোস্তাক আহমেদ লাকী।

বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, দুর্বৃত্তরা পাচারের উদ্দেশে কাঠগুলো ট্রাকের ওপর ত্রিপল দিয়ে লুকিয়ে রেখেছিল। এ সময় স্থানীয় বিট কর্মকর্তা পিছু নিয়ে ট্রাকটিকে আটক করে।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর করটিয়া পরীক্ষণ ফাঁড়ির স্টেশন কর্মকর্তা সোলাইমান মিয়া জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৬৬ ঘনফুট চোরাই মেহগনি কাঠ ভর্তি ট্রাকটি আটক করা হয়। ট্রাকটি জামালপুর থেকে ঢাকার উত্তরার আজমপুর যাচ্ছিল। চক্রটি সংরক্ষিত মেহগনি কাঠ কেটে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে আসছিল। এ সময় ট্রাক ড্রাইভারকেও আটক করা হয়।

টাঙ্গাইল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সাজ্জাদুজ্জামান জানান, বৈধ কাগজপত্র না থাকায়, ট্রাকটি আটক করে চোরাই মেহগনি কাঠ জব্দ করা হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে বন আইনে মামলা করা হয়েছে। এ সময় ট্রাক চালকেও আটক করা হয়।

তিনি আরো জানান,এ ধরনেরই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৯:০৮:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে আ’লীগের দুই বিদ্রোহী প্রার্থী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে আ’লীগের দুই বিদ্রোহী প্রার্থী

একতার কণ্ঠঃ আসন্ন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছাড়াও আওয়ামী লীগের দুই বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন।

রবিবার (১১ সেপ্টেম্বর) জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারি রিটানিং কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসানের কাছ থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ফজলুর রহমান ফারুকের পক্ষে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি।

এছাড়াও চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলমগীর খান মেনু ও শহর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আহমদ সুমন মজিদ।

আহমেদ সুমন মজিদ আওয়ামী লীগ নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা মরহুম ফারুক আহমেদের বড ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে এএইচএম কামরুল হাসান জানান, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাবে। আগামি ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে জেলার ১৭২২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৯:৫৫:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরও এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরও এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইলের সখীপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আদনান (১৫) নামের আরো এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত আদনান উপজেলার কালিয়া গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে এবং স্থানীয় ঘোনারচালা উচ্চবিদ্যালয় থেকে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ আগস্ট সখীপুর-সাগরদীঘি সড়কের কালিয়া বাজার এলাকায় আদনানের মোটরসাইকেলকে একটি ট্রাক চাপা দেয়। এতে আদনান ও তার বন্ধু জুবায়ের আহমেদ গুরুতর আহত হয়। আহত আদনানকে ঢাকার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ২৬ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শনিবার রাতে তার মৃত্যু হয়।অন্যদিকে আদনানের বন্ধু জুবায়েরকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জুয়েল রানা জানান, মাত্র তিন দিন পরেই আদনানদের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। এই সময়ে আদনানের মৃত্যুতে তার সহপাঠী ও শিক্ষকদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

অপরদিকে, এ মাসের শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে দেলদুয়ার উপজেলার দেলদুয়ার-পাকুল্লা আঞ্চলিক সড়কে ফায়ার সার্ভিস অফিসের সামনে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিয়াম(১৬) নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়।এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের অপর আরোহী সিয়ামের বন্ধু রানা গুরুতর আহত হয়।

নিহত সিয়াম উপজেলার ফাজিলহাটী এলাকার সানোয়ার হোসনের ছেলে।সে স্থানীয় লাউহাটী আজহার আলী মেমরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।

গত তিন মাসে টাঙ্গাইল জেলায় বেপরোয়া মোটরসাইকেলের গতি একের পর এক স্কুল ও কলেজ ছাত্রের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে। এ ব্যাপারে সচেতন মহল ও অভিভাবকগণ সড়ক ও মহাসড়কে স্কুল-কলেজের মোটরসাইকেল আরোহী ছাত্রদের চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপের জোর দাবি জানিয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০১:০৫:এএম ৪ বছর আগে
সখীপুরে বেত ‍বাগানে দেখা মিলল চিতাবাঘের, আতঙ্কে এলাকাবাসী - Ekotar Kantho

সখীপুরে বেত ‍বাগানে দেখা মিলল চিতাবাঘের, আতঙ্কে এলাকাবাসী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার হতেয়া বেত বাগানে চিতাবাঘের সন্ধান মিলেছে। শনিবার (১০সেপ্টেম্বর) বিকেলে এ চিতাবাঘ বেতবাগানের মধ‍্যে একটি সুরু রাস্তায় বসে থাকা অবস্থায় দেখতে পান এলাকাবাসী।হতেয়া বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মুহূর্তের মধ্যে ওই চিতাবাঘের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সুদৃষ্টি কামনা করছে।

হতেয়া গ্রামের আব্দুল রাজ্জাক জানান, কিছুদিন যাবৎ এলাকার অনেকেই দেখেছেন বেতবাগানে চিতাবাঘ। এলাকায় ব‍্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে। আতঙ্ক এড়াতে উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছি।

হতেয়া বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ জানান , উপজেলার হতেয়া এলাকায় চিতাবাঘের বিচরণ প্রায় তিন মাসের। এলাকার জনসাধারণের সর্তকতা অবলম্বন করে চলাচলের জন‍্য অনুরোধ করেছি এবং বেতবাগানে জনসাধারণকে প্রবেশ নিষেধ করেছি।

হাতীবান্ধা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন জানান, শনিবার বিকেলে কিছু শ্রমিক বেতকাটতে বাগানে গেলে চিতাবাঘ দেখতে পান। ভয়ে চিৎকার করে ‍বাগান থেকে বের হয়ে আসে। এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বনবিভাগের রেঞ্জা কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানিয়েছি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারজানা আলম জানান, বেতবাগানে চিতাবাঘের বিষয়টি দ্রুত ব‍্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:০৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার আরেক আসামির কারা হেফাজতে মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলার আরেক আসামির কারা হেফাজতে মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আরও এক আসামির কারা হেফাজতে মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার(৯ সেপ্টেম্বর) রাতে হৃদরোগজনিত সমস্যার কারণে তার মৃত্যু হয়।

শনিবার(১০ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আসামির নাম মো. সমীর মিঞা (৪২)। তিনি শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার মৃত তফিজ উদ্দিনের ছেলে।

তিনি ফারুক হত্যা মামলায় ২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর থেকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে আটক ছিলেন।

জেল সুপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-মামুন জানান, শনিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে সমীর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে কারা চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরো জানান,সমীর হৃদরোগজনিত সমস্যার কারণে ইতোপূর্বে একাধিকবার চিকিৎসা নিয়েছেন। শনিবার সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে যথানিয়মে লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে গত বছরের ১ সেপ্টেম্বর ফারুক আহমদ হত্যা মামলার আরেক আসামি আনিসুল ইসলাম রাজা (৪২) কারা হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ মরদেহ তার কলেজপাড়া বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৭:১৬:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাদক উদ্ধারে টানা ৭ বারের প্রথম ডিবি ওসি দেলওয়ার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাদক উদ্ধারে টানা ৭ বারের প্রথম ডিবি ওসি দেলওয়ার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে টানা সাত বারের মতো মাদক উদ্ধারে জেলায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি দক্ষিণ) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. দেলওয়ার হোসেন।

মাদক উদ্ধারে জেলায় প্রথম স্থান অর্জন করায় বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) কাজী নুসরাত এদীব লুনা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীনসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়,এ বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত জেলায় প্রথম ক্রিস্টাল মেথ আইসসহ বিভিন্ন মাদক উদ্ধার ও আসামী গ্রেপ্তারে বিশেষ ভূমিকা রাখায় জেলায় প্রথম স্থান অর্জন করেছেন ওসি দেলওয়ার।

এছাড়াও তার নেতৃত্বে ১৮২ টি অভিযানে ১২৬ টি মামলা হয়েছে। এসব ঘটনায় দুুই কোটি ১৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকার মাদক উদ্ধার ও ২০৮ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে মো. দেলওয়ার হোসেন তার প্রতিক্রিয়ায় জানান, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারের নির্দেশে টাঙ্গাইলে দায়িত্ব পালন করছি। এসআই নুরুজ্জামান ও এসআই রাইজ উদ্দিনসহ অন্যান্য সদস্যদের সাথে নিয়ে মাদক উদ্ধার ও আসামী গ্রেপ্তার করছি। সকলের সহযোগিতা সামনের দিনে আরও ভাল কাজ করতে চাই।

উল্লেখ্য, মো. দেলওয়ার হোসেন ১৯৯০ সালে এসআই পদে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। এরপর তিনি খুলনা, কুষ্টিয়া, যশোর, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্ব পালন করেছেন। সিলেটে দায়িত্ব পালনকালে জেলায় চারবার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হন। সর্বশেষ তিনি গাজীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৪:২৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সনাতন ধর্মাবলম্বী ছাত্রীকে নিয়ে পালালেন মাদ্রাসা শিক্ষক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সনাতন ধর্মাবলম্বী ছাত্রীকে নিয়ে পালালেন মাদ্রাসা শিক্ষক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের এক স্কুলছাত্রীকে নানা প্রলোভন ও ফুসলিয়ে নিয়ে পালিয়েছে আবু সামা (৩৫) নামে এক মাদরাসা শিক্ষক।

এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে ভূঞাপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে পলাতক শিক্ষক আবু সামার বড় ভাই ও সহযোগী আব্দুর রাজ্জাক ওরফে মোতালেবকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ থানায় নিয়ে এসেছে।

আবু সামা উপজেলার ধুবলিয়া এলাকায় খালেক নুরানী মাদরাসার শিক্ষক এবং উপজেলার ধুবলিয়া গ্রামের মৃত আরজু মিয়ার ছেলে।

জানা গেছে, উপজেলার ধুবলিয়া গ্রামের শিক্ষক আবু সামা ওই গ্রামের খালেক নুরানী মাদরাসায় শিক্ষকতার কারণে ধুবলিয়া বাজারের একটি ওষুধের দোকানের পিছনে গণিত বিষয়ে টিউশনি করতো। এতে সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের ওই ছাত্রী আবু সামারের কাছে গণিতের প্রাইভেট পড়তো।

গত দুই মাস ধরে আবু সামার কাছে প্রাইভেট পড়তো সে। এই সুযোগে আবু সামা প্রথম থেকেই ছাত্রীকে কু-নজরে দেখার পাশাপাশি প্রেম প্রস্তাব দেয়। পরে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে মেয়েটিকে নিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর তাদের আর কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়রা জানান, শিক্ষক আবু সামার পরিবার ও তার ভাই রাজ্জাক জামায়াতের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। কি কারণে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মেয়েটিকে সে প্রলোভন দেখিয়ে তাকে নিয়ে পালিয়েছে গেছে জানা যায়নি। বিষয়টি মিমাংসার জন্য ওই সংখ্যালঘু পরিবারটিকে চাপ দিচ্ছে।

ওই মেয়েটির বাবা জানান, সন্ধ্যার পর থেকে মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছি না। শিক্ষক আবু সামার কাছে প্রাইভেট পড়ানোর সুযোগে সে আমার মেয়েকে ফুসলিয়ে ভাগিয়ে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় থানায় বৃহস্পতিবার রাতে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। পুলিশ তার ভাইকে ধরেছে বলে জেনেছি। এখন পর্যন্ত আমার মেয়ের কোন খোঁজ পাচ্ছি না।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্তের বড় ভাই সহযোগী রাজ্জাককে জিজ্ঞাসাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আইগত বিষয় প্রক্রিয়াধীন এবং মেয়েটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:৪৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মায়ের সাক্ষীতে ছেলের কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মায়ের সাক্ষীতে ছেলের কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মা ও ভাইদের সাক্ষীতে এক চিহ্নিত মাদকসেবীকে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার সিলিমপুর বাজারে আদালত বসিয়ে এ সাজা দেওয়া হয়। আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আলম।

সাজা পাওয়া ওই ব্যক্তির নাম ছানোয়ার হোসেন (৩২)। সে উপজেলার ছিলিমপুর গ্রামের মৃত ওসমান গণির ছেলে। তার মা রহিমা বেগম ছেলের বিরুদ্ধে আদালতের কাছে সাক্ষ্য দেন।

সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান জানান, ছানোয়ার হোসেন এলাকার একজন চিহ্নিত মাদকসেবী। মা, ভাই ও স্ত্রী সবাই সানোয়ারের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ ছিল। বুধবার ছানোয়ার গাঁজা খেয়ে উপজেলার সিলিমপুর বাজারে মাতলামি করছিল। এ সময় ওই বাজারের লোকজন উপজেলা প্রশাসন ও থানাকে জানালে ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই বাজারে গিয়ে ছানোয়ারকে মাতলামি করা অবস্থায় খুঁজে পায়।

তিনি আরো জানান, সানোয়ার হোসেনের মা রহিমা বেগম (৬০),দুই ভাই আইয়ুব আলী ও মোতালেব সানোয়ারকে একজন মাদকসেবী বলে আদালতের কাছে সাক্ষ্য দেন। আদালত তাকে মাদক সেবন ও নিয়ন্ত্রণ আইনে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন। এছাড়াও ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও তিন মাসের সাজা দেয়।

সানোয়ারের মা রহিমা বেগম জানান, তার ছেলেকে মাদক কেনার টাকা না দেওয়া হলে সে আমাদের মারধর করে। ঘরের বেড়ার টিন খুলে বিক্রি করে সেই টাকা দিয়ে সে মাদক কিনে সেবন করে। বাড়ি থেকে কখনো গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে তা বিক্রি করে মাদক সেবন করে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারজানা আলম জানান, মাদক সেবন অবস্থায় ধরে উপস্থিত সাক্ষ্যগণের মোকাবেলায় সানোয়ারকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও তিন মাসের সাজা দেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:০৫:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।