/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে অটো চোর সন্দেহে জনতার হাতে আটক ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অটো চোর সন্দেহে জনতার হাতে আটক ১

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে অটো রিকশা চোর সন্দেহে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।

শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত ভোর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে কালিহাতী পৌরসভার সালেংকা পূর্ব পাড়া গ্রামের সপ্না বেগমের বাড়িতে।

আটককৃত ওই ব্যক্তি মির্জাপুর উপজেলার মৃত জয়নালের ছেলে শাকিল (২৫)।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত প্রায় ৩ টা ৩০ মিনিটের দিকে সালেংকা পূর্ব পাড়া গ্রামের টিপু নামের এক ব্যক্তি ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে রাস্তায় বের হলে পাশের সপ্না বেগমের বাড়ির গেইট খোলা দেখে এবং বাড়ির ভিতরে বড় শব্দ শুনতে পান। পরে এগিয়ে গিয়ে দেখে একজন ওই বাড়িতে থাকা একটি অটোরিকশার তালা ভাঙার চেষ্টা করছে, অপরজন রাস্তায় দাঁড়িয়ে এদিক সেদিক উঁকি দিচ্ছেন। পরে দুইজনের মধ্য থেকে উঁকি দেওয়া শাকিল নামের একজনকে ধরে আশেপাশের লোকজন ডাকাডাকি করলে ভিতরে থাকা অপরজন দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে আশপাশের লোকজন এসে তাকে আটক করে গাছের সাথে বেঁধে রেখে সকালে স্থানীয় কাউন্সিলর সোহেল রানাকে খবর দেয়। পরে কাউন্সিলর এসে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে আটককৃত ওই ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে যায়।

কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, অটো চোর সন্দেহে স্থানীয়রা একজনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে থানায় নিয়ে আসে। যাচাই বাছাই সাপেক্ষে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৩ আগস্ট একই বাড়ি থেকে একই গ্রামের জহের আলীর ছেলে সাইফুলের অটো চুরি হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০১:৪৯:এএম ৪ বছর আগে
হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের অপমান সহ্য করতে না পেরে সালমানের আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের অপমান সহ্য করতে না পেরে সালমানের আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে তুচ্ছ ঘটনায় হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করায় ডিএম সালমান (১৬) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থী বিষপানে আত্মহত্যা করেছে। শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে এ ঘটনা ঘটে

নিহত সালমান উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের কুড়াতলী গ্রামের শামসুল দেওয়ানের ছেলে। সে গল্লী জনতা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

স্বজনরা জানান, সালমানের বন্ধু চুকুরিয়া গ্রামের আলামীন একই এলাকার শফিকের দোকানে তাকে সঙ্গে নিয়ে বিকাশের মাধ্যমে কিছু টাকা লেনদেন করে। আলামীন পরে টাকা দেয়ার কথা থাকলেও সে টাকা না দিয়ে গা ঢাকা দেয়। বুধবার (৩১ আগস্ট) সকালে শফিক সালমানের কাছে টাকা দাবি করে। এতে সালমান টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। ওইদিন বিকেলে শফিক সালমানকে ডেকে এলাকার মাতব্বর সেকেন্দার সিকদারের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে সেকেন্দার, সাইফুল, লতিফ, শফিক সালমানকে কয়েক ঘণ্টা আটকে রেখে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। রাতের কোনো একসময় সালমান ওই এলাকার মামুন তালুকদার নামে এক ব্যক্তিকে মোবাইল ফোনে কল করে তাকে উদ্ধার করতে বলে। মামুন রাতেই তাকে উদ্ধার করে তার কাছে রাখে।’

বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) ভোর ৬টার দিকে সালমান বাড়ি ফিরে ইঁদুরের বিষ পান করে। বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে আবার মামুনের সঙ্গে দেখা হলে সে বিষ পান করেছে বলে জানায়। পরে তাকে প্রথমে উপজেলার জামুর্কী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে সালমানের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে।

সালমানের মামাতো ভাই জামুর্কী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক উজ্জ্বল হোসেন খান বলেন, ‘সদা হাস্যোজ্জ্বল ও বিনয়ী সালমানকে যারা মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে, তাদের উপযুক্ত বিচারের মাধ্যমে শাস্তি দাবি করছি।’

মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু সাইদ বলেন, কুমুদিনী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে খবর পেয়ে সালমানের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরিবার অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৮:২৯:পিএম ৪ বছর আগে
পুলিশি বাঁধায় টাঙ্গাইলে বিএনপি’র বিক্ষোভ পন্ড - Ekotar Kantho

পুলিশি বাঁধায় টাঙ্গাইলে বিএনপি’র বিক্ষোভ পন্ড

একতার কণ্ঠঃ নারায়ণগঞ্জে মহানগর যুবদল নেতা শাওন সর্দার হত্যার প্রতিবাদে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ পুলিশি বাঁধার মুখে পন্ড হয়ে গেছে।

শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের বেপারীপাড়া সরকারি শিশু পরিবার (বালক) এর সামনে থেকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে শান্তিকুঞ্জ মোড়ে পৌঁছালে পুলিশি বাঁধা মুখে পড়ে। পরে সেখানেই সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শুরু করলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনী মাইক বন্ধ করে দেয়। ফলে সমাবেশ পন্ড হয়ে যায়।

এই  সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন, এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, যুগ্ম-আহবায়ক আতাউর রহমান জিন্নাহ, আবুল কাশেম, প্রমূখ।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন,সদর উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আজগর আলী, সদস্য সচিব আব্দুর রউফ, শহর বিএনপির আহবায়ক মেহেদী হাসান আলীম, যুগ্ম আহবায়ক শাহীন আকন্দ, সদস্য সচিব এজাজুল হক সবুজ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি তারিকুল ইসলাম ঝলকসহ বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।

এই বিক্ষোভ সমাবেশকে কেন্দ্র করে শনিবার সকাল থেকেই শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে জেলা বিএনপি তাদের নির্ধারিত স্থানে সভা সমাবেশ করতে পারেনি।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. সেপ্টেম্বর ২০২২ ১০:৫২:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাসের ধাক্কায় নির্বাচন কর্মকর্তার স্ত্রীসহ নিহত ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাসের ধাক্কায় নির্বাচন কর্মকর্তার স্ত্রীসহ নিহত ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাসের ধাক্কায় উপ‌জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার স্ত্রীসহ দুইজন নিহত হ‌য়ে‌ছেন।

শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের সদর উপজেলার রাবনা বাইপাস এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।এ ঘটনায় আরও দুইজন আহত হ‌য়ে‌ছেন।

নিহতরা হ‌লেন- ঘাটাইল উপ‌জেলার হ‌রিপুর গ্রা‌মের বাসিন্দা ও কি‌শোরগঞ্জের পাকু‌ন্দিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাখাওয়াত হো‌সেনের স্ত্রী নুসরাত জাহান হিমু (৩০) ও গোপালপুর উপ‌জেলার চরচ‌তিলা মাদরাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও উত্তর বিলডোবা গ্রামের মৃত নঈম আলী মন্ডলের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৫৫)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গে‌ছে, হিমু তার শাশু‌ড়ি‌ ফ‌রিদা বেগমকে চি‌কিৎসক দেখা‌নোর জন‌্য ঘাটাইল থে‌কে অটোরিকশাযো‌গে টাঙ্গাইল যা‌চ্ছি‌লেন। অপর‌দি‌কে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সাইফুল ইসলামও চি‌কিৎসক দেখা‌তে যা‌চ্ছি‌লেন। তা‌দের অটোরিকশাটি ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহসড়‌কের রাবনা বাইপাস এলাকায় পৌঁছালে উত্তরবঙ্গগামী একটি যাত্রীবা‌হী বাস সেটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থ‌লেই সাইফু‌লের মৃত্যু হয়।

এ সময় গুরুতর আহত হন হিমু ও তার শাশু‌ড়ি ফ‌রিদাসহ তিনজন। প‌রে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনা‌রেল হাসপাতা‌লে ভ‌র্তি ক‌রেন। হিমুর শা‌রীরিক অবস্থার অবন‌তি হ‌লে উন্নত চি‌কিৎসার জন‌্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। প‌রে ঢাকার নেওয়ার প‌থে হিমুর মৃত্যু হয়।

নিহত হিমুর চাচা আলতাব হো‌সেন জানান, বৃহস্প‌তিবার(১ সেপ্টেম্বর) হিমু পাকু‌ন্দিয়া থে‌কে তার শ্বশুর বা‌ড়ি‌তে এসে‌ছে। শুক্রবার শাশু‌ড়ি‌কে চি‌কিৎসক দেখা‌তে ‌গি‌য়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলো।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. নবীন জানান, ঘাটাইল থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে টাঙ্গাইল যাচ্ছিল। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা গাইবান্ধাগামী বাসের সঙ্গে অটোরিকশাটির ধাক্কা লাগে। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. সেপ্টেম্বর ২০২২ ১১:০০:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পৃথক পৃথক ভাবে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পৃথক পৃথক ভাবে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

একতার কণ্ঠঃ সংক্ষিপ্ত আকারে অনাড়ম্বর ভাবে টাঙ্গাইলে পৃথকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ৪৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের সিলমি পার্টি সেন্টার ও সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

শহরের রেজিস্ট্রি পাড়ায় অবস্থিত সিলমি পার্টি সেন্টারে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক এড. আহমেদ আযমের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামিল শাহিনসহ জেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ।

অপরদিকে, জেলা সদর রোডে অবস্থিত সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারে জেলা বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল হক ছাদুর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সাবেক জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জিয়াউল হক শাহিন, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক প্রমুখ।

 

এসময় বক্তারা বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক। তার নিজ হাতে গড়ে তোলা রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র আজ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। ১৯৭৮ সালের এই দিনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা আজ এগিয়ে চলেছি।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি দেশের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং আগামীতেও করে যাবে।

পরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আত্মার শান্তি কামনা করে এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে সংক্ষিপ্ত আকারে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:০৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলের সাবেক মেয়র মুক্তির জামিন বিষয়ে রুল খারিজ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের সাবেক মেয়র মুক্তির জামিন বিষয়ে রুল খারিজ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন বিষয়ে জারি করা রুল খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি ফাতেমা নজীবের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে জামিনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এস এম শাহজাহান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ।

পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ জানান, আসামি সহিদুর ছয় বছর পলাতক ছিলেন। আর বিচারিক আদালতে মামলাটির বিচারকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তাই এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আদালত তার জামিন প্রশ্নে জারি করা রুলটি খারিজ করে দিয়েছেন।

এর আগে ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়ার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুই জনকে গ্রেফতার করে। আদালতে এ দুজনের দেওয়া স্বীকারোক্তিতে হত্যার সঙ্গে তৎকালীন সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা, তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। এরপর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান।

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে গোয়েন্দা পুলিশ আদালতে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তার অপর তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান।

এদিকে দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থাকার পর ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর সহিদুর রহমান খান মুক্তি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ গত ১০ ফেব্রুয়ারি মুক্তিকে জামিন দেন। কিন্তু ২৮ ফেব্রুয়ারি তার অন্তর্বর্তীকালীন জামিন বাতিল করা হয়। এরপর মুক্তি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

পরে ২০২১ সালের ২৭ এপ্রিল ওই মামলায় মুক্তিকে জামিন দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে হাইকোর্টের জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। পরে আপিল বিভাগ রুলটি নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্টকে সময় বেধে দেন। এর ধারাবাহিকতায় শুনানি শেষে রুলটি খারিজ করলেন হাইকোর্ট।

প্রসঙ্গত, আসামি রানা ও মুক্তির বাবা আতাউর রহমান খান টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) বর্তমান আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২:১৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে খোলা বাজারে চাল ও আটা বিক্রির কার্যক্রম শুরু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে খোলা বাজারে চাল ও আটা বিক্রির কার্যক্রম শুরু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সরকারি ভাবে উপজেলা পর্যায়ে খোলা বাজারে চাল ও আটা বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার(১ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের বটতলা মোড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মুহম্মদ আতাউল গণি

এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ডক্টর মুহম্মদ আতাউল গণি জানান, চাল আমদানি খরচ ৩৬ থেকে ৩৭ টাকা হলেও ভর্তুকি মূল্যে বিক্রি হবে।
ওএমএসে মানসম্পন্ন চাল বিক্রি হবে জানিয়ে তিনি আরো ও জানান, বর্তমানে সরকারি পর্যায়ে চালের মজুত সর্বকালের সর্ববৃহৎ। পচার মতো চাল গোডাউনে নেই। মজুতকৃত চাল মানসম্পন্ন, ফলে মানুষ খাবে।ওএমএস যাতে সঠিকভাবে পরিচালিত হয়, সেজন্য উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে টিম গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া অবৈধ মজুতদার চিহ্নিত করতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ও জরিমানা করার জন্যও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এসময় টাঙ্গাইল পৌর মেয়র সিরাজুল হক আলমগীর ,পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রানুয়ারা খাতুন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন ।

উল্লেখ্য,টাঙ্গাইলের ৫২ টি ডিলারের মাধ্যমে এই খাদ্যপণ্য বিক্রি বিক্রি করা হবে। যেখানে প্রতি কেজি চাল ও আটা যথাক্রমে ৩০ টাকা ও ১৮ টাকা দরে পাওয়া যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. সেপ্টেম্বর ২০২২ ১২:৫৬:এএম ৪ বছর আগে
শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের চারটি প্রাচীন রেইনট্রি কড়ই গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীর ব্যানারে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে কর্তনকৃত একটি গাছকে ঘিরে ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

এই মানববন্ধনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী ছাডাও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষে ফাতেমা রহমান বিথী, মিনারুল ইসলাম,কানিজ ফাতেমা মিম, আবিদ হাসান তুষার, আতাউল ইসলাম তূর্য,টাঙ্গাইলের সাধারণ নাগরিকের পক্ষে হেমায়েত হোসেন হিমু ও সাম্য রহমান বক্তব্য রাখে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কোনরকম যৌক্তিক কারণ ছাড়াই পৌর উদ্যানের প্রাচীন এই গাছগুলো কাটা হচ্ছে। পৌর কর্তৃপক্ষ ইতিপূর্বে বেশ কয়েকটি উদ্যানের জায়গায় মার্কেট নির্মাণ করেছে। এবার লাখো শহীদের স্মৃতি বিজড়িত শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের একের পর এক প্রাচীন বৃক্ষ কাটা হচ্ছে। এটা কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। অবিলম্বে এই গাছ কাটা বন্ধ করতে হবে, পুনরায় উদ্যানে নতুন করে বৃক্ষরোপণ করতে হবে। ‌

বক্তারা আরো বলেন, টাঙ্গাইল শহরের যানজট নিরসন, রাস্তাঘাট প্রশস্ত করন, নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির পরিবর্তে, পৌর মেয়র কেবল দোকান বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত আছেন।

মানববন্ধনে টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান রক্ষায় আট দফা দাবি জানানো হয়।

দাবি গুলো হচ্ছে:-

উদ্যানকে তার আগের রুপে ফিরিয়ে দিতে হবে তার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে নতুন করে বৃক্ষরোপণ।

যদি কোনো চারা গাছ মারা যায় সেখানে নতুন করে গাছ লাগাতে হবে।

গাছের যত্ন এবং তদারকির জন্য কিছু কর্মী নিয়োগ বাধ্যতামূলক করতে হবে যাতে তারা সকাল বিকাল সেগুলোর যত্ন নিতে পারে।

উদ্যান নিরিবিলি বসার স্থান এখানে মানুষের বসার ব্যবস্থা করতে হবে।

অবৈধভাবে দোকান পাট ব্যবসা বন্ধ করতে হবে।
উদ্যানের পরিবেশ যেন ভারসাম্যহীন এবং নোংরা না হয়ে পড়ে সে বিষয়ে প্রতি কঠোর নির্দেশনা প্রদান করতে হবে।প্রয়োজনীয় ডাস্টবিন রাখার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে।

অবৈধ ভাবে আর একটি গাছ তো দূরের কথা গাছের ডালও কাটা যাবে না।

পার্কিং থাকা সত্যেও অবৈধ এবং ভারী যানবাহন পার্কিং নিষিদ্ধ করতে হবে

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৯:৪০:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে গ্রাম্য সালিশের জেরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী শিফাতকে(১৩) হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে মির্জাপুর থানা পুলিশ।

বুধবার(৩১ আগস্ট) দুপুরে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।

এ বিষয়ে মাসুদ করিম আরো জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত দুজন ছাড়াও আরও কয়েকজন অংশ নিয়েছিল বলে জানা গেছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

তিনি জানান, নিহত শিফাতের বাবা ওই রাতেই পূর্ব শত্রুতার বিষয়টি উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মির্জাপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রতিবেশী তালেবকে আটক করে পুলিশ।
পরে তার দেওয়া তথ্য অনুসারে একই উপজেলার কাটরা গ্রামের মেহতাবকে (১৮) আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত মেহতাব ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছেন। অপরদিকে তালেব সিদ্দিকীকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হচ্ছে।

প্রকাশ, কয়েক সপ্তাহ আগে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে মির্জাপুরের ভাদগ্রাম ইউনিয়নের গোরাইল গ্রামের শহিদ মিয়ার ছেলে সিফাতকে মারধর করে হাত ভেঙে দেয় একই গ্রামের তালেব সিদ্দিকী (৬৫) ও তার নাতি হিরণ (২৫)। এ ঘটনায় গ্রাম্য সালিশে তালেব সিদ্দিকীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও তার নাতি হিরণকে ১০টি জুতার বাড়ি মারা হয়।

এরপর গত সোমবার (২৯ আগস্ট)দিনগত রাতে ত্রিমোহিনী মাঝিপাড়া এলাকার একটি ক্ষেতে সিফাতের মরদেহ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

নিহত শিফাতের বাবা ওই রাতেই পূর্ব শত্রুতার বিষয়টি উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মির্জাপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

নিহত সিফাত উপজেলার ভাদগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল দক্ষিনপাড়ার শহিদ মিয়ার ছেলে ও মির্জাপুর সদরের আফাজ উদ্দিন দারুল উলুম দাখিল মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:৪৫:এএম ৪ বছর আগে
বঙ্গবন্ধু সারা বাংলাদেশের সকল জনগনের:বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

বঙ্গবন্ধু সারা বাংলাদেশের সকল জনগনের:বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী

একতার কণ্ঠঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম মঙ্গলবার(৩০শে আগস্ট) দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং জিয়ারত করেন।

কবর জিয়ারত শেষে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু আওয়ামী লীগের নয় সারা বাংলাদেশ সকল জনগণের।বঙ্গবন্ধু আমার রাজনৈতিক পিতা তাই পিতার কবর জিয়ারত করতে এসেছি। জাতির পিতার কবর যখন অযত্নে অবহেলিত ছিল তখন আমি কবর পরিস্কার করে ছিলাম। তখন পরিস্কার করার কেউ ছিল না।এখন অনেক নেতা গজিয়েছে তখন তারা ছিল না।আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ পরিবারের সকল শহীদদের আল্লাহতালা বেহেশত নসিব করুক। জাতির পিতার পরিবার সহ বাংলাদেশের সকল মানুষের কল্যান কামনা করছি।

এসময় পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও দলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বীর প্রতিক, যুগ্ম-সম্পাদক প্রিন্সিপাল ইকবাল সিদ্দিকী, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার,
শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী, টাঙ্গাইল জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি এডভোকেট রফিকুল ইসলাম সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য ১৯৯৯ সনে আওয়ামীলীগ ছাড়ার পরও প্রতি বছর একাধিকবার তিনি বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করতে যান। কিন্তু করোনার কারণে ২০২০-২১ সালে সেখানে যেতে পারেন নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. অগাস্ট ২০২২ ০১:৫০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ফোনে ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ীকে হত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ফোনে ডেকে নিয়ে ব্যবসায়ীকে হত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইালের নাগরপুরে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে জুলহাস মিয়া (৩৮) নামের এক গরু ব্যবসায়ীকে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা।অজ্ঞাত দূর্বৃত্তরা হত্যার পর তার মরদেহ বাড়ীর ডোবায় ফেলে রেখে যায়।

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন ঘটনার সত্যাতা স্বীকার করেন।

সোমবার(২৯ আগস্ট) রাতে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের সারাংপুর উত্তর পাড়া গ্রামে নৃশংস এ হত্যাকান্ডটি ঘটে। নিহত জুলহাস ওই গ্রামের মৃত বারেক মিয়ার ছেলে ।

মঙ্গলবার(৩০ আগস্ট) সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলের ডোবা থেকে জুলহাসের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে।

জুলহাসের স্ত্রী মারুফা বেগম জানান, সোমবার রাত ১১টার দিকে রাতের খাবার খেয়ে জুলহাস ঘুমের প্রস্ততি নেয়। এ সময় মোবাইল ফোন পেয়ে বাড়ী থেকে বের হয়ে যায় সে। তারপর আর রাতে বাড়ী ফেরেনি। পরদিন সকালে মৃতের স্বজরা তার লাশ বাড়ীর পাশের ডোবায় পরে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।

নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, নিহতের লাশের প্রাথমিক সুরতহাল রিপোট শেষ করে লাশ উদ্বার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।

তিনি আরো জানান,সঠিক তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অগাস্ট ২০২২ ১০:৪৬:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাদরাসা ছাত্রকে ডেকে নিয়ে হত্যা: আটক ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাদরাসা ছাত্রকে ডেকে নিয়ে হত্যা: আটক ১

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সিফাত মিয়া (১৩) নামে এক মাদরাসা ছাত্রকে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার (২৯ আগস্ট) দিনগত রাত ১২টার দিকে মির্জাপুর পৌর এলাকার ত্রিমোহন মাঝিপাড়া এলাকার একটি ধনচা খেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের এক প্রতিবেশীকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত সিফাত উপজেলার ভাদগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল দক্ষিনপাড়ার শহিদ মিয়ার ছেলে ও মির্জাপুর সদরের আফাজ উদ্দিন দারুল উলুম দাখিল মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।

মঙ্গলবার(৩০ আগস্ট)সকালে পুলিশ লাশটি ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানান, সোমবার(২৯ আগস্ট) বিকেলে সিফাত একই গ্রামের বাসিন্দা তার বন্ধু নুরুল আমিনকে নিয়ে মির্জাপুর রেলক্রসিং এলাকায় চটপটি খাচ্ছিলো।
এ সময় দুটি ছেলে এসে কানে কানে সিফাতকে কিছু বলে ডেকে নিয়ে যায়।
এদিকে সন্ধা হলেও সিফাত বাড়ি না ফেরায় তার বাবা মুঠোফোনে বার বার ফোন দেন। কিন্তু রিসিভ না করায় তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েন। পরে সিফাতের বন্ধু নুরুল আমিনকে ফোন দিলে সে জানায়, সন্ধ্যায় রেলক্রসিং এলাকা থেকে সিফাতের দুই বন্ধু তাকে ডেকে নিয়ে গেছে। গভীর রাত পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় অনেক খোঁজাখুজির পর রাত বারোটার দিকে ত্রিমোহন মাঝিপাড়ার একটি ধনচা খেতে তার মরদেহ পরে থাকতে দেখেন। পরে থানা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
সিফাতকে তার পরনের বেল্ট খুলে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া তার মুখে আঘাতের চিহ্ন ও পায়ূপথে একটি ধনচা ঢুকানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে সোমবার রাতেই সিফাতের বাবা শহিদ মিয়া মির্জাপুর থানা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

শহিদ মিয়া জানান, গত এক মাস আগে তুচ্ছ ঘটনায় পাশের বাড়ির তালে সিদ্দিকী ও তার নাতি হিরন (২৭) মিলে সিফাতকে বেধরক মারপিট করে তার হাত ভেঙে দেয়। এ ঘটনায় গ্রাম্য শালিসে তালে সিদ্দিকী ও তার নাতিকে দশ হাজার টাকা জরিমানা ও দশটি জুতার বাড়ি মারা হয়। সেই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে তার ছেলেকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। রাতেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ সিফাতের প্রতিবেশী তালে সিদ্দিকীকে আটক করেছে।

মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে। সিফাত হত্যাকরীদের গ্রেপ্তারে জোর চেষ্টা চলছে।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অগাস্ট ২০২২ ০৮:৪৬:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।