একতার কণ্ঠঃ সংক্ষিপ্ত আকারে অনাড়ম্বর ভাবে টাঙ্গাইলে পৃথকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র ৪৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের সিলমি পার্টি সেন্টার ও সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
শহরের রেজিস্ট্রি পাড়ায় অবস্থিত সিলমি পার্টি সেন্টারে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক এড. আহমেদ আযমের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামিল শাহিনসহ জেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ।
অপরদিকে, জেলা সদর রোডে অবস্থিত সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারে জেলা বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ছাইদুল হক ছাদুর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন সাবেক জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জিয়াউল হক শাহিন, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক প্রমুখ।
এসময় বক্তারা বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক। তার নিজ হাতে গড়ে তোলা রাজনৈতিক সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র আজ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। ১৯৭৮ সালের এই দিনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা আজ এগিয়ে চলেছি।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি দেশের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে এবং আগামীতেও করে যাবে।
পরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আত্মার শান্তি কামনা করে এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে সংক্ষিপ্ত আকারে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন বিষয়ে জারি করা রুল খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি ফাতেমা নজীবের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালতে জামিনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এস এম শাহজাহান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ।
পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ জানান, আসামি সহিদুর ছয় বছর পলাতক ছিলেন। আর বিচারিক আদালতে মামলাটির বিচারকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তাই এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আদালত তার জামিন প্রশ্নে জারি করা রুলটি খারিজ করে দিয়েছেন।
এর আগে ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়ার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুই জনকে গ্রেফতার করে। আদালতে এ দুজনের দেওয়া স্বীকারোক্তিতে হত্যার সঙ্গে তৎকালীন সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা, তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। এরপর অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান।
২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে গোয়েন্দা পুলিশ আদালতে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তার অপর তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান।
এদিকে দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থাকার পর ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর সহিদুর রহমান খান মুক্তি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ গত ১০ ফেব্রুয়ারি মুক্তিকে জামিন দেন। কিন্তু ২৮ ফেব্রুয়ারি তার অন্তর্বর্তীকালীন জামিন বাতিল করা হয়। এরপর মুক্তি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন।
পরে ২০২১ সালের ২৭ এপ্রিল ওই মামলায় মুক্তিকে জামিন দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে হাইকোর্টের জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। পরে আপিল বিভাগ রুলটি নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্টকে সময় বেধে দেন। এর ধারাবাহিকতায় শুনানি শেষে রুলটি খারিজ করলেন হাইকোর্ট।
প্রসঙ্গত, আসামি রানা ও মুক্তির বাবা আতাউর রহমান খান টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) বর্তমান আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সরকারি ভাবে উপজেলা পর্যায়ে খোলা বাজারে চাল ও আটা বিক্রির কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার(১ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের বটতলা মোড়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মুহম্মদ আতাউল গণি
এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ডক্টর মুহম্মদ আতাউল গণি জানান, চাল আমদানি খরচ ৩৬ থেকে ৩৭ টাকা হলেও ভর্তুকি মূল্যে বিক্রি হবে।
ওএমএসে মানসম্পন্ন চাল বিক্রি হবে জানিয়ে তিনি আরো ও জানান, বর্তমানে সরকারি পর্যায়ে চালের মজুত সর্বকালের সর্ববৃহৎ। পচার মতো চাল গোডাউনে নেই। মজুতকৃত চাল মানসম্পন্ন, ফলে মানুষ খাবে।ওএমএস যাতে সঠিকভাবে পরিচালিত হয়, সেজন্য উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে টিম গঠন করা হয়েছে। এ ছাড়া অবৈধ মজুতদার চিহ্নিত করতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ও জরিমানা করার জন্যও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এসময় টাঙ্গাইল পৌর মেয়র সিরাজুল হক আলমগীর ,পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রানুয়ারা খাতুন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন ।
উল্লেখ্য,টাঙ্গাইলের ৫২ টি ডিলারের মাধ্যমে এই খাদ্যপণ্য বিক্রি বিক্রি করা হবে। যেখানে প্রতি কেজি চাল ও আটা যথাক্রমে ৩০ টাকা ও ১৮ টাকা দরে পাওয়া যাবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের চারটি প্রাচীন রেইনট্রি কড়ই গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীর ব্যানারে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে কর্তনকৃত একটি গাছকে ঘিরে ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
এই মানববন্ধনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী ছাডাও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের পক্ষে ফাতেমা রহমান বিথী, মিনারুল ইসলাম,কানিজ ফাতেমা মিম, আবিদ হাসান তুষার, আতাউল ইসলাম তূর্য,টাঙ্গাইলের সাধারণ নাগরিকের পক্ষে হেমায়েত হোসেন হিমু ও সাম্য রহমান বক্তব্য রাখে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কোনরকম যৌক্তিক কারণ ছাড়াই পৌর উদ্যানের প্রাচীন এই গাছগুলো কাটা হচ্ছে। পৌর কর্তৃপক্ষ ইতিপূর্বে বেশ কয়েকটি উদ্যানের জায়গায় মার্কেট নির্মাণ করেছে। এবার লাখো শহীদের স্মৃতি বিজড়িত শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের একের পর এক প্রাচীন বৃক্ষ কাটা হচ্ছে। এটা কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। অবিলম্বে এই গাছ কাটা বন্ধ করতে হবে, পুনরায় উদ্যানে নতুন করে বৃক্ষরোপণ করতে হবে।
বক্তারা আরো বলেন, টাঙ্গাইল শহরের যানজট নিরসন, রাস্তাঘাট প্রশস্ত করন, নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির পরিবর্তে, পৌর মেয়র কেবল দোকান বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত আছেন।
মানববন্ধনে টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান রক্ষায় আট দফা দাবি জানানো হয়।
দাবি গুলো হচ্ছে:-
উদ্যানকে তার আগের রুপে ফিরিয়ে দিতে হবে তার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে নতুন করে বৃক্ষরোপণ।
যদি কোনো চারা গাছ মারা যায় সেখানে নতুন করে গাছ লাগাতে হবে।
গাছের যত্ন এবং তদারকির জন্য কিছু কর্মী নিয়োগ বাধ্যতামূলক করতে হবে যাতে তারা সকাল বিকাল সেগুলোর যত্ন নিতে পারে।
উদ্যান নিরিবিলি বসার স্থান এখানে মানুষের বসার ব্যবস্থা করতে হবে।
অবৈধভাবে দোকান পাট ব্যবসা বন্ধ করতে হবে।
উদ্যানের পরিবেশ যেন ভারসাম্যহীন এবং নোংরা না হয়ে পড়ে সে বিষয়ে প্রতি কঠোর নির্দেশনা প্রদান করতে হবে।প্রয়োজনীয় ডাস্টবিন রাখার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে হবে।
অবৈধ ভাবে আর একটি গাছ তো দূরের কথা গাছের ডালও কাটা যাবে না।
পার্কিং থাকা সত্যেও অবৈধ এবং ভারী যানবাহন পার্কিং নিষিদ্ধ করতে হবে
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে গ্রাম্য সালিশের জেরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী শিফাতকে(১৩) হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে মির্জাপুর থানা পুলিশ।
বুধবার(৩১ আগস্ট) দুপুরে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।
এ বিষয়ে মাসুদ করিম আরো জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত দুজন ছাড়াও আরও কয়েকজন অংশ নিয়েছিল বলে জানা গেছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
তিনি জানান, নিহত শিফাতের বাবা ওই রাতেই পূর্ব শত্রুতার বিষয়টি উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মির্জাপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রতিবেশী তালেবকে আটক করে পুলিশ।
পরে তার দেওয়া তথ্য অনুসারে একই উপজেলার কাটরা গ্রামের মেহতাবকে (১৮) আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মেহতাব ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছেন। অপরদিকে তালেব সিদ্দিকীকে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হচ্ছে।
প্রকাশ, কয়েক সপ্তাহ আগে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে মির্জাপুরের ভাদগ্রাম ইউনিয়নের গোরাইল গ্রামের শহিদ মিয়ার ছেলে সিফাতকে মারধর করে হাত ভেঙে দেয় একই গ্রামের তালেব সিদ্দিকী (৬৫) ও তার নাতি হিরণ (২৫)। এ ঘটনায় গ্রাম্য সালিশে তালেব সিদ্দিকীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও তার নাতি হিরণকে ১০টি জুতার বাড়ি মারা হয়।
এরপর গত সোমবার (২৯ আগস্ট)দিনগত রাতে ত্রিমোহিনী মাঝিপাড়া এলাকার একটি ক্ষেতে সিফাতের মরদেহ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
নিহত শিফাতের বাবা ওই রাতেই পূর্ব শত্রুতার বিষয়টি উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মির্জাপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
নিহত সিফাত উপজেলার ভাদগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল দক্ষিনপাড়ার শহিদ মিয়ার ছেলে ও মির্জাপুর সদরের আফাজ উদ্দিন দারুল উলুম দাখিল মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।
একতার কণ্ঠঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম মঙ্গলবার(৩০শে আগস্ট) দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং জিয়ারত করেন।
কবর জিয়ারত শেষে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু আওয়ামী লীগের নয় সারা বাংলাদেশ সকল জনগণের।বঙ্গবন্ধু আমার রাজনৈতিক পিতা তাই পিতার কবর জিয়ারত করতে এসেছি। জাতির পিতার কবর যখন অযত্নে অবহেলিত ছিল তখন আমি কবর পরিস্কার করে ছিলাম। তখন পরিস্কার করার কেউ ছিল না।এখন অনেক নেতা গজিয়েছে তখন তারা ছিল না।আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ পরিবারের সকল শহীদদের আল্লাহতালা বেহেশত নসিব করুক। জাতির পিতার পরিবার সহ বাংলাদেশের সকল মানুষের কল্যান কামনা করছি।
এসময় পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও দলের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বীর প্রতিক, যুগ্ম-সম্পাদক প্রিন্সিপাল ইকবাল সিদ্দিকী, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার,
শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী, টাঙ্গাইল জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি এডভোকেট রফিকুল ইসলাম সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য ১৯৯৯ সনে আওয়ামীলীগ ছাড়ার পরও প্রতি বছর একাধিকবার তিনি বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করতে যান। কিন্তু করোনার কারণে ২০২০-২১ সালে সেখানে যেতে পারেন নি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইালের নাগরপুরে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে জুলহাস মিয়া (৩৮) নামের এক গরু ব্যবসায়ীকে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা।অজ্ঞাত দূর্বৃত্তরা হত্যার পর তার মরদেহ বাড়ীর ডোবায় ফেলে রেখে যায়।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন ঘটনার সত্যাতা স্বীকার করেন।
সোমবার(২৯ আগস্ট) রাতে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের সারাংপুর উত্তর পাড়া গ্রামে নৃশংস এ হত্যাকান্ডটি ঘটে। নিহত জুলহাস ওই গ্রামের মৃত বারেক মিয়ার ছেলে ।
মঙ্গলবার(৩০ আগস্ট) সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলের ডোবা থেকে জুলহাসের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে।
জুলহাসের স্ত্রী মারুফা বেগম জানান, সোমবার রাত ১১টার দিকে রাতের খাবার খেয়ে জুলহাস ঘুমের প্রস্ততি নেয়। এ সময় মোবাইল ফোন পেয়ে বাড়ী থেকে বের হয়ে যায় সে। তারপর আর রাতে বাড়ী ফেরেনি। পরদিন সকালে মৃতের স্বজরা তার লাশ বাড়ীর পাশের ডোবায় পরে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, নিহতের লাশের প্রাথমিক সুরতহাল রিপোট শেষ করে লাশ উদ্বার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।
তিনি আরো জানান,সঠিক তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সিফাত মিয়া (১৩) নামে এক মাদরাসা ছাত্রকে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার (২৯ আগস্ট) দিনগত রাত ১২টার দিকে মির্জাপুর পৌর এলাকার ত্রিমোহন মাঝিপাড়া এলাকার একটি ধনচা খেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের এক প্রতিবেশীকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত সিফাত উপজেলার ভাদগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল দক্ষিনপাড়ার শহিদ মিয়ার ছেলে ও মির্জাপুর সদরের আফাজ উদ্দিন দারুল উলুম দাখিল মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।
মঙ্গলবার(৩০ আগস্ট)সকালে পুলিশ লাশটি ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানান, সোমবার(২৯ আগস্ট) বিকেলে সিফাত একই গ্রামের বাসিন্দা তার বন্ধু নুরুল আমিনকে নিয়ে মির্জাপুর রেলক্রসিং এলাকায় চটপটি খাচ্ছিলো।
এ সময় দুটি ছেলে এসে কানে কানে সিফাতকে কিছু বলে ডেকে নিয়ে যায়।
এদিকে সন্ধা হলেও সিফাত বাড়ি না ফেরায় তার বাবা মুঠোফোনে বার বার ফোন দেন। কিন্তু রিসিভ না করায় তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েন। পরে সিফাতের বন্ধু নুরুল আমিনকে ফোন দিলে সে জানায়, সন্ধ্যায় রেলক্রসিং এলাকা থেকে সিফাতের দুই বন্ধু তাকে ডেকে নিয়ে গেছে। গভীর রাত পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় অনেক খোঁজাখুজির পর রাত বারোটার দিকে ত্রিমোহন মাঝিপাড়ার একটি ধনচা খেতে তার মরদেহ পরে থাকতে দেখেন। পরে থানা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
সিফাতকে তার পরনের বেল্ট খুলে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া তার মুখে আঘাতের চিহ্ন ও পায়ূপথে একটি ধনচা ঢুকানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে সোমবার রাতেই সিফাতের বাবা শহিদ মিয়া মির্জাপুর থানা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
শহিদ মিয়া জানান, গত এক মাস আগে তুচ্ছ ঘটনায় পাশের বাড়ির তালে সিদ্দিকী ও তার নাতি হিরন (২৭) মিলে সিফাতকে বেধরক মারপিট করে তার হাত ভেঙে দেয়। এ ঘটনায় গ্রাম্য শালিসে তালে সিদ্দিকী ও তার নাতিকে দশ হাজার টাকা জরিমানা ও দশটি জুতার বাড়ি মারা হয়। সেই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে তার ছেলেকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। রাতেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ সিফাতের প্রতিবেশী তালে সিদ্দিকীকে আটক করেছে।
মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে। সিফাত হত্যাকরীদের গ্রেপ্তারে জোর চেষ্টা চলছে।
একতার কণ্ঠঃ সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, দেশে একটি খেলা এখন সময়ের অপেক্ষা। আর সেই খেলা হবে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে অসাম্প্রদায়িক শক্তির এবং মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির। একাত্তর, পঁচাত্তর এবং একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার খুনিরা সবাই এক। ওরা দেশে আবার খুনোখুনির খেলা শুরু করেছে।
সোমবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যার টাঙ্গাইলের গোপালপুরে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আসামিদের ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকরের দাবিতে গোপালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্থানীয় সরকারি সূতি ভিএম পাইলট হাই স্কুল মাঠে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
শামীম ওসমান বলেন, বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার সৈনিকরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। তারাও খেলায় নামবে। সেই চূড়ান্ত খেলায় খুনিরা পরাস্ত হবে। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ আবারও জয়লাভ করবে।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা শুধু দেশের সম্পদ নয়, আগামী প্রজন্মের জন্য আইডল। তিনি হেরে গেলে বাংলাদেশ পথ হারাবে। বাংলাদেশের পরিস্থিতি হবে আফগানিস্তানের চেয়েও ভয়াবহ। আমাদের সামনে এই যে মরণপণ খেলা অপেক্ষা করছে সেটির জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে। সবাইকে মাঠে নেমে খেলতে হবে। আর খেলায় খুনিরা নিশ্চিত হেরে যাবে।
উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক আব্দুল মোমেন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খান এমপি।
বক্তৃতা করেন স্থানীয় এমপি ছোট মনির, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত শিকদার, আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশীদ, আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার সুরুজ প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ৭ বছরে শিশু ফাতিমাকে হত্যা করেছে মা হাওয়া বেগম। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে মারা যাওয়ার নাটক সাজায় মা হাওয়া। রাগের মাথায় সে ফাতিমার গলা টিপে ধরে মেঝেতে ফেলে দিয়ে বাইরে চলে যায়। পরে ঘরে এসে মৃত্যু হয়েছে ভেবে গলায় গামছা পেঁচিয়ে রেখে আশপাশের লোকজন ডেকে আনে।
স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
পুলিশ ও আদালতের কাছে এমনটাই স্বীকার করেছে হাওয়া বেগম। হাওয়া বেগমের জবানবন্দি রেকর্ড করেন টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ফারজানা হাসনাত।
এদিকে ঘটনার দিন পুলিশ শিশুটির মা হাওয়া বেগমকে মৃত্যুর বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কথায় গরমিল পাওয়া যায়। পরে সে নিজ সন্তানকে হত্যার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করে এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভূঞাপুর থানার এসআই মো. আরফান খান জানান, নিজ সন্তান ফাতিমাকে হত্যার বিষয়ে মা হাওয়া বেগম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ফারজানা হাসনাত তার জবানবন্দি গ্রহণ করেন।বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার(২৩ আগষ্ট) সন্ধ্যায় ভূঞাপুর উপজেলার নিকলাদড়ি পাড়া গ্রামে মা হাওয়া বেগম কর্তৃক এ হত্যার ঘটনা ঘটে। পরে খেলার ছলে গামছা পেঁচিয়ে ফাতিমার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রচার করা হয়। ফাতিমা ওই গ্রামের দুলাল হোসেনের মেয়ে। তার তিন মেয়ের মধ্যে ফতিমা সবার ছোট ছিলো।
স্থানীয় একটি ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করে সংসার চালান দুলাল হোসেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় দুই অটোচালকের মৃত্যু হয়েছে।
রোববার ( ২৮ আগস্ট) রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চরপাড়া বাইপাস এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহতরা হলেন- পুষ্টকামুরী সওদাগরপাড়া গ্রামের মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে জুয়েল মিয়া ও পুষ্টকামুরী পূর্বপাড়া গ্রামের ওয়াসি উদ্দিনের ছেলে আতিক।
নিহতদের পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহত দুইজনই পেশায় অটোচালক ছিলেন। তারা একটি নষ্ট অটো মেরামত করে বাড়ি ফেরার পথে পুষ্টকামুরী চরপাড়া বাইপাস পার হওয়ার সময় পেছন দিক থেকে একটি বাস তাদের অটোরিকশাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলে আতিক ও মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেয়ার পথে জুয়েলের মৃত্যু হয়।
গোড়াই হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মোল্লা টুটুল জানান, ঘটনাস্থল থেকে বাসটি আটক করার গেলেও চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছেন। নিহতের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে সোমবার (২৯ আগস্ট) দুপুরের নিহতদের লাশ দাফনের প্রাক্কালে তাদের পরিবারে শোকের মাতম বইছিলো। দুজনই বিবাহিত ছিলেন। তাদের স্ত্রী সন্তানদের আহাজারিতে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় নিহতদের বাড়িতে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের নলুয়া বাছেদ খান উচ্চবিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মী (দারোয়ান) আরিফ মিয়াকে (২৪) সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা খানম রবিবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় আরিফের বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অভিযুক্তি আরিফ উক্ত বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে টিকটক ভিডিও করতে বাধ্য করায়, এমন অভিযোগের প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় তাকে বরখাস্ত করা হলো।
সম্প্রতি, ওই নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে এক ছাত্রীর বিদ্যালয় অঙ্গনে করা টিকটক ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় আরিফের বিচার দাবি করে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দেন।
রবিবার জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা খানম এ ঘটনার তদন্তে এসে সত্যতা পেয়ে দারোয়ানকে বরখাস্তের জন্য নির্দেশ দেন।
অভিযোগ ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, পাবনা জেলার বাসিন্দা আরিফ মিয়া প্রায় পাঁচ বছর ধরে উপজেলার নলুয়া বাছেদ খান উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। সেই পরিচয়ে বছরখানেক আগে ওই বিদ্যালয়ে নিরাপত্তারক্ষী (দারোয়ান) পদে চাকরি নেন আরিফ। মাস ছয়েক ধরে আরিফের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করাসহ কিছু ছাত্রীর সঙ্গে টিকটক ভিডিও করার অভিযোগ ওঠে। সম্প্রতি বিদ্যালয়ের ইউনিফর্ম পরা ছাত্রীর সঙ্গে আরিফের একটি টিকটক ভিডিও ভাইরাল হয়।
এ ঘটনায় ওই উচ্চবিদ্যালয়ের বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রধান শিক্ষকের কাছে মৌখিকভাবে অভিযোগ দিলেও আরিফ প্রধান শিক্ষকের বাসায় ভাড়া থাকায় তিনি অভিযোগটি আমলে নেননি বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে তারা বাধ্য হয়ে ইউএনওর কার্যালয়ে গিয়ে আরিফের বিচার দাবি করে একটি লিখিত অভিযোগ দেন।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মফিজুল ইসলামকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
রবিবার দুপুরে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লায়লা খানম হঠাৎ বিদ্যালয় পরিদর্শনে আসেন। তিনি ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে এ ঘটনার সত্যতা খুঁজে পান। তিনি দারোয়ান আরিফকে সাময়িক বরখাস্ত করার জন্য ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিকে নির্দেশ দেন।
বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও স্থানীয় যাদবপুর ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান জানান, ইতিমধ্যে দারোয়ান আরিফকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।
আরিফের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এর পূর্বে আরিফ মুঠো ফোনে বলেছিলেন, ‘একজন মেয়ের অনুরোধে আমি টিকটকে অংশ নিয়েছি। পরবর্তী সময়ে ওই ভিডিওটি ভাইরাল হয়। এখন মেয়েটির সম্মান রক্ষা করতে গিয়ে মেয়েটি আমাকে ফাঁসাচ্ছে। আমি কোনো ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করিনি। আমি প্রধান শিক্ষকের বাসায় ভাড়া থাকি। এটাই আমার কাল হয়েছে।