/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে সাংবাদিকদের মাঝে অনুদানের চেক প্রদান - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সাংবাদিকদের মাঝে অনুদানের চেক প্রদান

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সাংবাদিকদের মাঝে করোনাকালীন সময়ে সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে প্রণোদনার(দ্বিতীয় পর্যায়) চেক বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (১০ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ওই চেক সাংবাদিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক(সার্বিক) আমনুল ইসলামের সভাপতিত্বে চেক প্রদান অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা, সহকারী কমিশনার দ্বীপ ভৌমিক প্রমুখ।

এ সময় টাঙ্গাইল সদর ও মির্জাপুর উপজেলার ২২ জন সাংবাদিককে করোনাকালীন প্রণোদনার ১০ হাজার টাকা মূল্যমানের চেক প্রদান করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অগাস্ট ২০২২ ০২:৩৬:এএম ৪ বছর আগে
শিহাব হত্যা মামলা : চার আসামির আত্মসমর্পণ, জামিন নামঞ্জুর - Ekotar Kantho

শিহাব হত্যা মামলা : চার আসামির আত্মসমর্পণ, জামিন নামঞ্জুর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বহুল আলোচিত স্কুল ছাত্র শিহাব হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত চার আসামি আত্মসমর্পণ করেছেন।

বুধবার (১০ আগস্ট) বিকালে টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ এর আদালতে তারা আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন।

পরে বিচারক উভয় পক্ষের আইনজীবীর যুক্তিতর্ক শোনার পর বিজ্ঞ বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠিয়ে দেন।

বাদি পক্ষের আইনজীবী মো. রাসেল রানা আত্মসমর্পণ ও জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আত্মসমর্পণকারী আসামিরা হলেন- মামলার ২ নং আসামি বিপ্লব (৩০), ৩ নং আসামি আশরাফ (৩০), ৪ নং আসামি মাসুম (৪০) ও ৬ নং আসামি বিজন (৪০)।

আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এডভোকেট শরিফুল ইসলাম রিপন।

আত্মসর্মপণের আগে মামলার এজাহারভূক্ত আসামি বিজন জানান, আমরা এতোদিন নিয়মিত স্কুলে গিয়েছি, ক্লাস নিয়েছি।

তিনি আরো জানান, পরে গত ১ আগস্ট উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন নেই। বুধবার (১০ আগস্ট) টাঙ্গাইলে আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়েছি।

নিহত শিহাবের বাবা ইলিয়াস হোসেন বলেন, পুলিশ সৃষ্টির রিপনের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে, তাই আর কোন আসামি গ্রেপ্তার করে নাই। আল্লাহর ইশারায় তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ২০ জুন শহরের সুপারি বাগান এলাকায় সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক ভবনের সাত তলা থেকে শিহাব মিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়।

শুরু থেকেই শিশুটিকে হত্যার অভিযোগ তুলে আসছিল তার পরিবার। এঘটনায় প্রাথমিক পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশের পর রবিবার বিকালে র‌্যাব সাতজন শিক্ষক ও ডিবি দুইজন শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে।

পরে র‌্যাব তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ কোনও তথ্য না পাওয়ায় তাদের সাতজনকে ছেড়ে দেয়।

পরে ২৭ জুন নিহত শিহাবের মা বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় ৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হচ্ছেন- সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক শিক্ষক আবু বক্কর, বিপ্লব, আশরাফ, মাসুদ, মতিন ও বিজন।

পুলিশ মামলার আগে শিক্ষক নাসির ও আবু বক্করকে আটক করলেও মামলায় নাসিরের নাম না থাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অগাস্ট ২০২২ ০১:১৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে উঠানে খেলছিল শিশু, ঘরে বাবার আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে উঠানে খেলছিল শিশু, ঘরে বাবার আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ বাড়ির উঠানে খেলাধুলা করছিল দশ বছরের শিশু ছেলে মাইনুদ্দিন। তার মা ও বড় ভাই গিয়েছিল বাজারে। এর ফাঁকে গোসল শেষে ঘরের-দরজা জানালা বন্ধ করে রুমের ভেতরে ধর্ন্নার সাথে গলায় রশি বেঁধে ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেন বাবা।

মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) বিকালে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের সারপলশিয়া গ্রামে আব্দুল মজিদের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সেনাবাহিনীর সিভিল সদস্যের নাম ছাইদুল ইসলাম (৩৭)। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদ নগর উপজেলার পীর কাশিমপুর। সে মৃত বশির আহমেদের ছেলে।

তিনি উপজেলার বঙ্গবন্ধু সেতু ক্যান্টনমেন্টের ১১ আরই ব্যাটালিয়নের জাহাজ স্টাফ ও সিভিল ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং সারপলিয়া গ্রামের আব্দুল মজিদ মিয়ার বাসা ভাড়া নিয়ে স্ত্রী ও দুই ছেলে সন্তান নিয়ে ভাড়া থাকতেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাজার থেকে আসা সেনাবাহিনীর সিভিল সদস্যের স্ত্রী ও তার বড় ছেলে হাসান বাড়িতে এসে দেখতে পায় তার ছোট ভাই মাইনুদ্দিন কান্না করছে। এ সময় ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ দেখে তার বাবাকে ডাকা-ডাকি করতে থাকে।

এক পর্যায়ে জানালার ফাঁক দিয়ে দেখে হাসানের বাবা ছাইদুল ইসলাম ঘরের ধন্নার সাথে ফাঁসিতে ঝুলে আছেন। পরে ডাক-চিৎকার করলে আশপাশের লোকজনকে ছুটে আসে এবং সেনাবাহিনী ও পুলিশকে খবর দেয়।

এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সেনাবাহিনীর সিভিল সদস্য ও জাহাজের স্টাফ ছাইদুল ইসলাম প্রায় ৩ বছর ধরে পাইলসের সমস্যায় ভুগছিলেন। হয়তো বা সেই কারণে আত্মহত্যা করতে পারেন। তবে, পারিবারিকভাবে কোন কলহ বা দ্বন্দ্ব ছিল না।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফরিদুল ইসলাত জানান, আত্মহত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসা হয়েছে। কি কারণে আত্মহত্যা করেছেন তা জানা যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অগাস্ট ২০২২ ০৩:২৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে রান্না ঘরে চুলায় ভাতের পাতিল রেখেই গলায় ফাঁস দিয়ে মোছা: রেনু বেগম (৪৯) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) সকালে উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের ভারই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মোছা: রেনু বেগম একই গ্রামের  রহিজ উদ্দিনের স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানায়, রেনু বেগম ৪ বছর ধরে মানুষিক রোগে ভুগছিলেন। সোমবার (৮ আগস্ট) রহিজের বোনের মৃত্যুতে জানাজায় গিয়েছিল রহিজ ও তার দুই ছেলে এবং মেয়ে। কিন্তু রহিজের স্ত্রী না গিয়ে একাই বাড়িতে ছিলেন।পরে মঙ্গলবার সকালে ঘরের ধণ্নার সাথে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেন।

নিহতের মা জানান, মেয়েটি মানুষিকভাবে ভারসাম্যহীন রোগী ছিল। মাঝে মধ্যে নিজের শরীরে নিজেই আঘাত করতো।

তিনি আরো জানান, এ নিয়ে চিকিৎসা করাতে চাইলেও সে চিকিৎসা করতে চাইতেন না। মঙ্গলবার সকালে রান্না ঘরে ভাত রান্না করছিল। একপর্যায়ে চুলায় ভাতের পাতিল রেখেই পরিবারের লোকজনদের চোঁখ ফাঁকি দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে রেনু।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি আইনিভাবে প্রক্রিয়াধীন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অগাস্ট ২০২২ ০৩:১০:এএম ৪ বছর আগে
প্রেমের টানে টাঙ্গাইলে এসে সুখে সংসার করছেন নেপালি তরুণী - Ekotar Kantho

প্রেমের টানে টাঙ্গাইলে এসে সুখে সংসার করছেন নেপালি তরুণী

একতার কণ্ঠঃ প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে সুখের সংসার পেতেছেন নেপালি তরুণী সানজু কুমারী খাত্রী। বাঙালিদের মতোই এখন তার চলাফেরা, খাবার ও পোশাক। এমনকি বাংলা ভাষায় সাবলীলভাবে কথাও বলছেন তিনি।

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের গৃহবধূ সানজু স্বামী-সংসারের জন্য ছেড়েছেন পরিবার-পরিজন এবং ধর্ম। বিয়ের সময় ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারী নেপালি তরুণীর বর্তমান নাম খাদিজা আক্তার। স্বামী প্রবাসে থাকায় শ্বশুর-শাশুড়ি আর একমাত্র শিশুকন্যাকে নিয়েই কাটছে তার সময়।

স্থানীয়রা জানান, ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি নেপালি ওই তরুণী টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ুন আলীর মালয়েশিয়া প্রবাসী পুত্র নাজমুল ইসলামের কাছে ছুটে আসেন। সম্প্রতি ওই বাড়িতে গিয়ে প্রেম ও সংসার জীবন নিয়ে কথা হয় সানজুর সঙ্গে। এ সময় সুখেই সংসার করছেন বলে জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, আমার বাড়ি নেপালের কাঠমান্ডু শহরে। বাবার নাম দমর বাহাদুর খাত্রী। তিন বোনের মধ্যে আমি দ্বিতীয়। তবে বাংলাদেশি যুবককে বিয়ে করে ধর্ম পরিবর্তন করে এখন আমার নাম খাদিজা আক্তার।

নাজমুলের সঙ্গে প্রেম ও বিয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় একই কোম্পানিতে কাজ করার সময় নাজমুলের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে আমাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় তিন বছর প্রেমের সম্পর্কের পর ২০১৯ সালের শেষের দিকে মালয়েশিয়া থেকে আমি নিজ দেশে ফিরি। পরে নাজমুলও বাংলাদেশে ফেরেন। এরপর নামজুল তার এক আত্মীয়কে নিয়ে নেপালে আমার বাড়িতে এসে পরিবারের কাছে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। পরিবারকে রাজি করিয়ে ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি আমাকে নিয়ে বাংলাদেশে ফেরে নাজমুল। পরে টাঙ্গাইলে আদালতের মাধ্যমে কোর্ট ম্যারেজসহ স্থানীয় নিকাহ রেজিস্ট্রার দিয়ে বিবাহ সম্পন্ন করা হয়। ওই সময় আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করি। আমার নতুন নাম খাদিজা আক্তার।

তিনি আরও জানান, বিয়ের কিছু দিন পর তিনি নিজ দেশে ফিরে যান। সেখানে কিছু দিন থাকার পর আবার স্বামীর কাছে বাংলাদেশে চলে আসেন। কিছু দিন সংসারের পর নাজমুল মা-বাবার কাছে তাকে রেখে ফিরে যান মালয়েশিয়ায়।

সানজু বলেন, স্বামী মালয়েশিয়া যাওয়ার পর থেকে শ্বশুর-শাশুড়ি, ননদ ও একমাত্র মেয়ে তাসফিয়া ইসলাম নূরকে নিয়েই সময় কাটছে। এছাড়া নেপালে আমার মা ও দুই বোনসহ আত্মীয়-স্বজন রয়েছে। তাদের সঙ্গেও নিয়মিত ভিডিও কলে কথা হয়।

সানজুর শ্বশুর হুমায়ুন আলী বলেন, ‘নেপালি মেয়েকে পুত্রবধূ হিসেবে পেয়ে আমি আনন্দিত। আমার ছেলের বউ এখন বাংলায় কথা বলতে পারে। বাঙালি মেয়েদের মতোই তার চলাফেরা। নেপালে তার মা ও দুই বোন রয়েছে। তাদের সঙ্গে আমরাও নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। তার কোনও সমস্যা হচ্ছে না। সবকিছু স্বাভাবিকভাবেই চলছে। তবে মজার বিষয় হলো, বিয়ের দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও তাকে দেখার জন্য অনেকেই বাড়িতে আসেন।’

মোবাইল ফোনে কথা হয় নাজমুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘সানজুকে স্ত্রী হিসেবে পেয়ে আমি অনেক খুশি। সে এখন আপাদমস্তক বাঙালি। এছাড়া কোরআন পড়ে, পর্দা করে। বাঙালি নারীদের মতোই সংসার সামলাচ্ছে। আমরা একমাত্র মেয়েকে নিয়ে সামনের দিনের স্বপ্ন বুনছি।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অগাস্ট ২০২২ ০৬:০৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলের রতনের ডাকাতি কান্ডে হতবাক এলাকাবাসী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের রতনের ডাকাতি কান্ডে হতবাক এলাকাবাসী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে গভীর রাতে চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার মূলহোতা রতন হোসেনের (২১) বাড়ি টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার কুড়ালিয়া ইউনিয়নের ধলপুর গ্রামে। তারা দুই ভাই। তার মা-বাবার মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়েছে অনেক আগে।

বাবা মজিবর রহমানের সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর তার মা বাবুল নামে আরেকজনকে বিয়ে করেন। পরে তারা দুই ভাই ঢাকায় চলে যান। ঢাকায় গিয়ে রতন জড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে। তবে তার বাবা মজিবর রহমানের বাড়ি একই উপজেলার আলোকদিয়া এলাকায়।

স্থানীয়রা জানান, ডাকাত দলের মূলহোতা রতন হোসেন ঢাকায় থাকার সুবাদে মাঝে মধ্যে তার মায়ের বাড়ি ধলপুর আসতেন। তবে তাদের সম্পর্কে এলাকাবাসী কিছুই জানত না। তারাও এলাকায় গিয়ে কিছু দিনের জন্য থেকে আবার ঢাকায় চলে যেত। রতন এখন পর্যন্ত বিয়ে করেননি বলে জানে এলাকাবাসী। এই বয়সে সে এতো বড় ঘটনা ঘটাতে পারে সেটা ভাবা যায় না। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরই তার মাসহ বাড়ির সবাই এলাকা থেকে পালিয়েছেন।

মধুপুর উপজেলার কুড়ালিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের সদস্য ও ধলপুর গ্রামের বাসিন্দা হেলাল উদ্দিন জানান, রতন ও তার ভাই আগের পক্ষের মজিবর রহমানের ছেলে। তার মা বেলী বেগম মজিবরের সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর বাবুল নামে একজনকে বিয়ে করে ধলপুর এলাকায় থাকেন।

তিনি আরো জানান, পরের ঘরে বেলীর একটি মেয়ে রয়েছে। তবে রতন ও তার ভাই এলাকায় থাকে না। তারা ঢাকায় থাকে, মাঝে মধ্যে এলাকায় আসে। এর মধ্যে গত তিন মাসে রতন ধলপুর এসে ভোটার হয়েছে। এখনো তার আইডি কার্ড আসেনি। সে আমাদের এলাকাতেই ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনার মূল আসামি এটা ভাবা যায় না। এই ঘটনা শুনে এলাকার মানুষজনও হতবাক হয়েছে। তাদের বাড়ির লোকজন সকালেই বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছে বলে জেনেছি।

এদিকে চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী রতন হোসেনসহ ডাকাত দলের ১০ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১। রোববার (৭ আগস্ট) ঢাকা, গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (৮ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অগাস্ট ২০২২ ০২:২২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভাতিজার দায়ের কোপে চাচা খুন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভাতিজার দায়ের কোপে চাচা খুন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ভাতিজাদের দায়ের কোপে চাচা ফালা মিয়া (৫৫) খুন হয়েছেন। সোমবার ( ৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার হাতীবান্ধা গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

এ সময় নিহত ফালু মিয়ার স্ত্রী ও ছেলেসহ চারজন গুরুতর আহত হয়। ফালু মিয়া ওই গ্রামের মৃত: চান মিয়ার ছেলে। আহতদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন ফালু মিয়ার স্ত্রী আজীরন (৫০) ছেলে রিপন (২৫) বিয়াই মোংলা (৫০) ও তার স্ত্রী হালিমা (৪৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত ফালু মিয়া ও তার ভাই বাবর আলীর সঙ্গে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সোমবার সকালে বাবর আলীর ছেলে জাফর ও নাজিমের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী দা শাবল নিয়ে ফালুর বাড়িতে হামলা চালায়। তারা দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে বাবর আলী ও অন্যদের গুরুতর আহত করে। তাদের চিৎকারে আশেপাশের লোক এগিয়ে এলে তারা চলে যায়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর ফালু মিয়া মৃত্যুবর করে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আমির হোসেন জানান, ফালু ও তার সহোদর ভাই বাবর আলীর সঙ্গে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ রয়েছে। একাধিক মামলাও চলছে।

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে ফালু মিয়া খুন হয়েছেন। মামলার প্রস্তুতি চলছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অগাস্ট ২০২২ ০২:৫৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মদিনে শ্রদ্ধা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মদিনে শ্রদ্ধা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন সহযাত্রী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার প্রতিকৃতিত্বে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে।

সোমবার (৮ আগস্ট) সকালে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সামনে জনসেবা চত্বরে প্রথমে জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি শ্রদ্ধা জানান।

এরপর টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, পৌরসভার পক্ষে মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, জেলা পরিষদের পক্ষে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার ফরহাদ আহমদ, স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, উপজেলা পরিষদের পক্ষে চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা শ্রদ্ধা জানান।

পরে বঙ্গবন্ধু ও মঙ্গমাতার আত্মার মাগফেরাতসহ প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা ও দেশের কল্যাণে দোয়া করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. অগাস্ট ২০২২ ০৮:৪৮:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে পূর্ণিমা সূত্রধর (১৮) নামের এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। গলায় শাড়ি কাপড় পেঁচানাে অবস্থায় ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে দেলদুয়ার থানা পুলিশ।

শনিবার (৬ আগস্ট) বিকালে উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের পিরােজপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।

গৃহবধুর স্বামী নিলয় সূত্রধর ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে দাবি করলেও পূর্ণিমার বাবা মনােরঞ্জন সূত্রধরের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তাই গৃহবধূ পূর্ণিমার মৃত্যু নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ধোঁয়াশা।

জানা যায়, কালিহাতী উপজেলার পোষনা গ্রামের মনােরঞ্জন সূত্রধরের মেয়ে পূর্ণিমা সূত্রধরের ছয় মাস পূর্বে বিয়ে হয় দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের পিরােজপুর গ্রামের ছানু সূত্রধরের ছেলে নিলয় সূত্রধরে সাথে। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন অজুহাতে স্বামী নিলয় পূর্ণিমাকে নির্যাতন করতাে। ঘটনার তিন দিন আগেও স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে এই গৃহবধূ বাবার বাড়ি চলে যায়।

শুক্রবার ( ৫ আগস্ট) স্বামী নিলয় তার স্ত্রীকে নিজ বাড়ি পিরােজপুরে নিয়ে আসে। শনিবার সন্ধ্যায় গলায় শাড়ি কাপড় পেঁচানো অবস্থায় ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পূর্ণিমার বাবা মনােরঞ্জন সূত্রধর জানান, ঘটনার তিন দিন আগে স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে পূর্ণিমা আমার বাড়ি চলে আসে। শুক্রবার স্বামী নিলয় এসে পূর্ণিমাকে তাদের বাড়ি নিয়ে যায়, যাওয়ার সময় পূর্ণিমা বারবার বলছিল “বাবা আমাকে ওখানে পাঠাইও না” পরে আমি মেয়েকে বুঝিয়ে স্বামীর বাড়িতে পাঠাই।

তিনি আরো জানান, নিলয় ও তার পরিবারের লােকজন আমার মেয়ের গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঘরের ভিতর ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছে।

দেলদুয়ার থানার উপ-পরিদর্শক মােঃ মামুন মিয়া জানান, শনিবার সন্ধ্যায় শাড়ি কাপড় দিয়ে গলায় পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধূ পূর্ণিমার লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে ওই গৃহবধূর বাবা ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছেন।

তিনি আরো জানান, থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। রবিবার (৭ আগস্ট) ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানাে হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে বুঝা যাবে ঘটনাটি হত্যা না,আত্মহত্যা ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. অগাস্ট ২০২২ ০১:৫৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সাথে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (৭ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ রায়ের আদেশ দেন।

দন্ডিত ওই যুবকের নাম রবিন মিয়া (২৬)। সে সখীপুর উপজেলার সদরের গজারচালা এলাকার শাহজাহান মিয়ার ছেলে।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এই মামলার অন্য আসামি দীপ্তি আক্তারকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সহকারী সরকারি কৌশুলী মোহাম্মদ আব্দুল কদ্দুস জানান, ২০১৬ সালের ৭ জুলাই সখীপুরের একটি মাদ্রাসার দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে রবিন তাদের বাড়িতে কৌশলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ওই দিনই ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর মা বাদি হয়ে সখীপুর থানায় ৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দেলোয়ার হোসেন ওই বছরের ১ সেপ্টেম্বর রবিন মিয়া ও দীপ্তি আক্তারের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। রায় ঘোষণার সময় রবিন মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

পরে তাকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. অগাস্ট ২০২২ ০৯:২৬:পিএম ৪ বছর আগে
জ্বালানী তেলের মুল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিএনপির বিক্ষোভ - Ekotar Kantho

জ্বালানী তেলের মুল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিএনপির বিক্ষোভ

একতার কণ্ঠঃ হঠাৎ জ্বালানী তেলের মুল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে টাংগাইল জেলা বিএনপি।

শনিবার (৬ আগস্ট) বিকালে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে খন্ড খন্ড মিছিল টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে এসে জড়ো হয়। পরে সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহরের শহীদস্মৃতি পৌরউদ্যানের সামনে গিয়ে শেষ হয়।সেখানেই বিক্ষোভ সমাবেশ করে বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বক্তব্য রাখেন, নবগঠিত জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন, যুগ্ম আহবায়ক এড. ফরহাদ ইকবাল।

সমাবেশে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কাশেম, সদস্য মেহেদী হাসান আলীম, আজগর আলী, ইজাজুল হক সবুজ, নিলুফার ইয়াসমিন খান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ, জেলা যুব দলের সদস্য সচিব তৌহিদুল ইসলাম বাবু প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া সমাবেশে নবগঠিত জেলা কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্তিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. অগাস্ট ২০২২ ০২:০২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর সাইট চিফ অফিসার নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর সাইট চিফ অফিসার নিহত

একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধুসেতু মহাসড়কে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নির্মানাধীন বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর ওটিজি কম্পানির সাইট চিফ অফিসার শাহ আব্দুল মঈন(৩৫) নিহত হয়েছেন। বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শনিবার (৬ আগস্ট) সকালে বঙ্গবন্ধুসেতু পূর্ব রেল স্টেশন  গোল চত্বর এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

শাহ আব্দুল মঈন নর‌সিং‌দীর পলাশ উপ‌জেলার চর সিন্দুর এলাকার শাহ মো‌মেনের ছেলে। তি‌নি নি‌র্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর সাইট চিফ ই‌ঞ্জি‌নিয়ার হি‌সে‌বে কর্মরত ছি‌লেন।

পুলিশ জানায়, সকালে বঙ্গবন্ধুসেতু পূর্ব রেল স্টেশন এলাকায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় পড়ে যান শাহ আব্দুল মঈন। এ সময় পেছন থেকে একটি গাড়ি তাকে চাপা দেয়। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, নিহতের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. অগাস্ট ২০২২ ০৬:৫৮:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।