একতার কণ্ঠঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান টাঙ্গাইলের সাবেক ছাত্রনেতা মুরাদ সিদ্দিকী। এ উপলক্ষে তিনি টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।
রবিবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় অফিসের নির্বাচনী সেল থেকে এ দুটি আসনের মনোনয়নপত্র ক্রয় করে তার প্রতিনিধি দল।
টাঙ্গাইলের আলোচিত সিদ্দিকী পরিবারের সন্তান মুরাদ সিদ্দিকী কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম এবং সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর ছোট ভাই। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হবে।
এ অবস্থায় মুরাদ সিদ্দিকী টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কিনেছেন- এমন খবরে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
জানা যায়, বিগত ১৯৯৯ সালে কাদের সিদ্দিকী আওয়ামী লীগ ছেড়ে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ নামে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন। মুরাদ সিদ্দিকী তখন তার ভাই কাদের সিদ্দিকীর সাথে দলে যোগ দেন। বিগত ২০০১ ও ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। এরপর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের রাজনীতি থেকে সরে আসেন। বিগত ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করে উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়ে পরাজিত হন।
মূলত ২০০৯ সাল থেকে মুরাদ সিদ্দিকী আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। বিগত ২০১৫ সালে মুরাদ সিদ্দিকীর অনুসারী টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র জামিলুর রহমান মিরনসহ অনেকেই আওয়ামী লীগে যোগ দেন। তাঁরা পরবর্তী সময়ে জেলা আওয়ামী লীগে পদ-পদবিও পান। কিন্তু মুরাদ সিদ্দিকী যোগ দিতে ব্যর্থ হন। দলে ঢুকতে না পারলেও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ এবং দলীয় কার্যালয়ে মুরাদ সিদ্দিকী নিয়মিত যাতায়াত করেন। বিগত ২০২২ সালের ৭ নভেম্বর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রায় দশ হাজার নেতাকর্মী নিয়ে অংশগ্রহণ করেন।
এ ব্যাপারে মুরাদ সিদ্দিকী বলেন, আমার রক্তে আওয়ামী লীগ, আমি আওয়ামী পরিবারের সন্তান। আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আদর্শের সৈনিক। আমি জননেত্রী শেখ হাসিনার একজন ক্ষুদ্র কর্মী। রাজনীতি করি মানুষের কল্যাণে। এবার দুটি আসনে দলের কাছে মনোনয়ন চেয়েছি। সদর আসনে রয়েছে আমার নিজস্ব ভোট ব্যাংক ও কালিহাতী আমার পৈত্রিক নিবাস। সাধারণ মানুষ আমাকে ভালোবেসে এমপি হিসেবে দেখতে চায়। দল আমাকে যে কোন আসন থেকে নৌকা দিলে দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে আসনটি উপহার দিব। দল যদি আমাকে যে দায়িত্ব দিবে সেটা নিষ্ঠার সাথে শতভাগ পালন করবো।
একতার কণ্ঠঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেছেন, আমরা আমেরিকায় বাস করি না বাংলাদেশে বাস করি। আমেরিকা স্যাংশন দিবে এই ভয়ে আমরা বিয়ে করবো না বউ তালাক দিবো, মেয়ের বিয়ে হবে না ছেলের বিয়ে করাবো এটা চিন্তা ভাবনা করা উচিত না। এটা জাতীয় পার্টির জিএম কাদের জীবনের একটি শ্রেষ্ঠ ভুল কথা বলেছেন। এটাও বলবো আমেরিকার রাষ্ট্রদূতের বাংলাদেশে এত দৌঁড়াদৌড়ি ভালো না। এটা তার দেশের ইলেকশন না, ইলেকশন আমাদের দেশের।
শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) সকালে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৭তম ওফাত দিবস উপলক্ষে তার মাজারে শ্রদ্ধা জানানোর পর তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।
তফসিল নিয়ে বঙ্গবীর বলেন, নির্বাচনী তফসিল ঘোষনা হয়েছে এটা নিয়ে অনেকে খুশি না। আমি নিজেও খুশি না। কিন্তু তার পরেও বলবো একটি গণতান্ত্রিক দেশে পাঁচ বছর পরপর অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ প্রভাব মুক্ত নির্বাচন হওয়া দরকার, বঙ্গবন্ধু নিজে বলেছে সকল প্রকার প্রভাব মুক্ত নির্বাচন করতে হবে। আমি বলবো এখন সরকার নাই, এখন সরকার নির্বাচন কমিশন। ইচ্ছে স্বাধীন যেনো কোন কিছু না করা হয়। গতবারের মতো ভোটারবিহীন ভোট হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ও সব থেকে বেশি ক্ষতি হবে বাংলাদেশের আর তার থেকে বেশি ক্ষতি হবে আমার বোন শেখ হাসিনার।
বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম আরও বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনেই কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ মনোনয়ন দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছে।
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক বন্ধ রাখায় তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা করেন বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম।
তিনি এ বিষয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উচিত এই ভাসানীর মাজার সকলের জন্য উম্মুক্ত রাখা। সকলেই যেনো ভাসানী হুজুরের মাজার জিয়ারত করতে পারে।
এসময় কাদের সিদ্দিকীর সাথে উপস্থিত ছিলেন সখীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সানোয়ার হোসেন সজীব, ভাসানীর নাতি হাসরত খান ভাসানীসহ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।
একতার কণ্ঠঃ:টাঙ্গাইলে ঘারিন্দা রেল স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে আগুন দেওয়ার ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, নাশকতার জন্য ট্রেনে আগুন দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল ঘারিন্দা স্টেশনে গিয়ে আগুন লাগা টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেন পরিদর্শন করেছে পুলিশ ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
এর আগে রাত ৩টার দিকে দাঁড়িয়ে থাকার ট্রেনে আগুন ধরিয়ে দেয় দুষ্কৃতিকারীরা। যদিও এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।
ঘারিন্দা স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে পঞ্চগড়গামী একটি ট্রেন স্টেশনে থাকায় কমিউটার ট্রেনটি দেখা যাচ্ছিল না। পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেন স্টেশন ত্যাগ করার পরেই আগুনের ধোয়া দেখতে পায় স্টেশনে থাকা রেল কর্তৃপক্ষ। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়ার পর প্রায় ৩০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
টাঙ্গাইল রেলস্টেশনের বুকিং মাস্টার সেলিম জানান, বুধবার সকাল সাতটা থেকে টাঙ্গাইল ঘারিন্দা রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে ছিল টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনটি। বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক তিনটার দিকে দুর্বৃত্তরা এতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ট্রেনের দুটি বগি পুরোপুরি ও একটি বগির আংশিক পুড়ে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার ইদ্রিস আলী জানান, আগুনের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ৩০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছি। এ সময় ট্রেনের দুইটি বগির সিট, ফ্যানসহ পুরোপুরি নষ্ট হয়েছে। এ ছাড়া একটি বগির আংশিক ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি নাশকতা।
পাকশী রেলওয়ে বিভাগীয় মহাব্যবস্থাপক শাহ সুফি নূর মোহাম্মদ জানান, এ ঘটনায় তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি পরিকল্পিত নাশকতা।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, নাশকতা করার জন্য ট্রেনে আগুন দেওয়া হয়েছে। কয়েকদিন যাবৎ অবরোধ চলছে। অবরোধে নাশকতা এড়াতে আগে থেকেই আনসার পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় নিয়োজিত ছিল। বুধবার দিবাগত রাতে দুষ্কৃতিকারীরা ট্রেনে আগুন দিয়েছে। এতে দুইটি বগি পুরোপুরি পুড়ে গেছে এবং একটি বগির আংশিক ক্ষতি হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এটি একটি নাশকতা। এই ব্যাপারে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ মামলা করবে। আমরাও বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল রেলওয়ে স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা কমিউটার ট্রেনে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (১৫ নভেম্বর) দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। এতে ট্রেনের দুটি বগি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে টাঙ্গাইল থেকে ঢাকাগামী কমিউটার ট্রেনটিতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ ইদ্রিচ বলেন, রাত ৩টার দিকে খবর পেয়ে স্টেশনে গিয়ে ট্রেনের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। ট্রেনের ইঞ্জিনের কাছাকাছি দুটি বগি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কমিউটার ট্রেনটি টাঙ্গাইল টু ঢাকা অভিমুখে স্টেশনে দাঁড়িয়ে ছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, রাত ৩টায় পঞ্চগড় থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেন টাঙ্গাইল স্টেশন ত্যাগ করার পর আগুন লাগে। আগুনের সূত্রপাত তদন্ত শেষে জানা যাবে।
ঘারিন্দা রেলস্টেশনের বুকিংমাস্টার সেলিম মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাত ৩টার দিকে ঘারিন্দা রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনটির তিনটি বগিতে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট গিয়ে এক ঘণ্টার মতো চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কে বা কারা আগুন দিয়েছে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি কেউই।
একতার কণ্ঠঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হওয়ায় স্বাগত মিছিল করেছে টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
বুধবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার কর্তৃক তফসিল ঘোষণার পর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে থেকে টাঙ্গাইল শহর ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে স্বাগত মিছিলটি বের হয়।
মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনায়ায় মেইন রোডে অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।
মিছিলে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের এমপি, সহ-সভাপতি ছানোয়ার হোসেন এমপি, আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, নাহার আহমেদ, শাহজাহান আনছারী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু, দপ্তর সম্পাদক খোরশেদ আলম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ মাহম্মুদ তারেক পুলু, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শামীমা আক্তার, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক, জেলা যুবলীগের সভাপতি মাসুদ পারভেজ, সাধারণ সম্পাদক আবু সায়েম তালুকদার বিপ্লব, মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌসী আক্তার রুনু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মির্জা মুক্তি আক্তার প্রমুখ।
এসময় জেলা, উপজেলা, শহর ও বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও তার ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ লায়ন ফেরদৌস আলম ফিরোজ উচ্চ বিদ্যালয় ও লায়ন ফেরদৌস আলম ফিরোজ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা লায়ন ফেরদৌস আলম ফিরোজ ও কালিহাতী-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, কুৎসা রটনা, অপপ্রচার ও মানহানিকর বক্তব্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম তালুদারের কুশপুত্তলিকা দাহ করে তাকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করেছে দুইটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।
মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের গান্ধিনা ফিরোজ নগরে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানদ্বয়ের শিক্ষার্থীরা গান্ধিনা বাজারে এ প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে।
এসময় শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারী ও স্থানীয়রা।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, লায়ন ফেরদৌস আলম ফিরোজ কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান কবির, প্রভাষক আবু কাউসার, লায়ন ফেরদৌস আলম ফিরোজ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান জামাল প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম তালুকদারের মিথ্যাচার, কুৎসা রটনা, অপপ্রচার ও মানহানিকর বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান। শেষে মোজহারুল ইসলাম তালুকদারের কুশপুত্তলিকা দাহ করে তাকে কালিহাতীর নাগবাড়ি ইউনিয়নে অবাঞ্চিত ঘোষনা করে দুইটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।
উল্লেখ্য,গত রবিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম তালুকদার স্থানীয় সংসদ সদস্য হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী ও লায়ন ফেরদৌস আলম ফিরোজের বিরুদ্ধে নানা ধরনের দূর্নীতির বিষয়ে বক্তব্য দেন।
সেই বক্তব্যের জেরে লায়ন ফেরদৌস আলম ফিরোজ কলেজ ও উচ্চ বিদ্যালয়ের সকল ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক ও সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী এবংলায়ন ফেরদৌস আলম ফিরোজের সমর্থকরা এর প্রতিবাদ জানায়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জামায়াত ও শিবিরের ঝটিকা মিছিল ছত্রভঙ্গ করেছে পুলিশ। সোমবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে শহরের রেজিস্ট্রিপাড়া এলাকায় অবরোধ সমর্থনে জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা ঝটিকা মিছিল বের করে।

মিছিলটি রেজিস্ট্রিপাড়া এলাকার শাহীন স্কুলের সামনে পৌঁছালে পুলিশের ধাওয়ায় তা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ সময় ব্যানারসহ নেতাকর্মীরা এলোপাথাড়ি দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। মিছিল পরিবর্তিতে জামায়াত শিবিরের কোন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়নি।
জেলা জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাদের পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস ছালাম মিয়া জানান, হয়তোবা কেউ মিছিল করতে পারে। তবে মিছিলে পুলিশ ধাওয়া দিয়েছে এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ছিলিমপুর ইউনিয়নে ১৯৫২ সালে বরুহা উচ্চ বিদ্যালয়টি স্থাপিত হলেও এতদিন ছিল উন্নয়ন বঞ্চিত। সম্প্রতি নতুন পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির দায়িত্ব নেন শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ। দায়িত্ব নিয়েই তিনি বিদ্যালয়টির উন্নয়নে ব্যাপক প্রচেষ্টা শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয়টির সর্বাধুনিক ৪তলা একাডেমিক ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন।
এছাড়া বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পৃথক টয়লেট নির্মাণের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয় উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে।
ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠান উপলক্ষে রবিবার সকাল থেকেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে উপস্থিত ছিল বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
পরে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের উদ্যোগে বিদ্যালয় মাঠে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন এমপি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ছানোয়ার হোসেন এমপি বলেন, যে কোন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে নিয়মানুবর্তিতা। জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে নিয়মানুবর্তিতার কোন বিকল্প নেই। এই বিদ্যালয়ে ইতিমধ্যে শেখ রাসেল ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। রবিবার ৪তলা একাডেমিক ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হলো। আশা করি, এই বিদ্যালয় থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা ভালো ফলাফল করে জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব দেবে।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ফারুক হোসেন মানিক, সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা নবীন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার, ছিলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুজায়েত হোসেন মোল্লা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফ হোসেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা নাসরিন আক্তার।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিসহ ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করে
উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ছিলিমপুর ইউনিয়নের বরুহা উচ্চ বিদ্যালয়টি ১৯৫২ সালে ডা. আব্দুর রহমান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অবরোধ কর্মসূচি থেকে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ৬ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (৫ নভেম্বর) সকালে সদর উপজেলার করটিয়া বাইপাস এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
তারা হলেন, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব ও মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নাতি মাহমুদুল হক সানু, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ মাহবুবুল আলম শাতিল, জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব এম এ বাতেন, যুগ্ম আহ্বায়ক রাইসুল ইসলাম রুবেল, জেলা মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব মোস্তফা কামাল ও বিএনপি নেতা মো. সাদন।
এছাড়া শহর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহীন আকন্দকে টাঙ্গাইল পৌর শহরের পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়া এলাকার নিজ বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবু সালাম মিয়া জানান, গত ২৯ অক্টোবর টাঙ্গাইল সদর থানায় দায়েরকৃত একটি নাশকতার মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আদালতের মাধ্যমে তাদের টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, শনিবার (৪ নভেম্বর) রাত থেকে এ পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন থানায় ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা বিএনপি’র নেতাকর্মী কিনা বিষয়টি তার জানা নেই।
প্রসঙ্গত, মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নাতি মাহমুদুল হক সানু গত ২ বারের টাঙ্গাইল পৌরসভার নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এছাড়া তিনি মাওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
একতার কণ্ঠঃ তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করা হলে বোনের (প্রধানমন্ত্রী) কাছে সুপারিশ করার আশ্বাস দিয়েছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী (বীর উত্তম)।
শনিবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে পাইলট গভর্নমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় তিনি এমন কথা বলেন।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘ইংল্যান্ডে অবস্থান করছেন আমাদের তারেক রহমান। আমি সেদিনও বলেছি—আরে বাবা, তোমার মা বৃদ্ধ, যেকোনো সময় মারা যেতে পারেন। দেশে এসে তাঁকে সেবা করো। তোমাকে যদি গ্রেপ্তার করে, তাহলে বোনকে (প্রধানমন্ত্রী) আমি সুপারিশ করব, তাঁর মাকে সেবা করার জন্য যেতে দেন। সাহস আছে?’
তিনি আরও বলেন, ‘তিনি (তারেক) ইংল্যান্ডে বসে বসে ষড়যন্ত্র করছেন। বাঙালি ষড়যন্ত্র হজম করতে জানে। ইনশাআল্লাহ আমরা এই ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করব।’
বিএনপি’র উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে বীর উত্তম কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘বিএনপিতে কি মুসলমান নেই? ইসরায়েল ফিলিস্তিনের মুসলমান শিশু মারছে, বৃদ্ধ মারছে আর আমেরিকা বলছে—তারা যতক্ষণ পর্যন্ত গাজা উড়িয়ে দিতে না পারবে, ততক্ষণ পর্যন্ত ইসরায়েলের পক্ষে থাকবে। সেই পক্ষে বিএনপি?’
কাদের সিদ্দিকী আবারও প্রশ্ন করেন, ‘বিএনপিতে কি দুই-একজনও মুসলমান নেই? আমি তো মনে করি মুসলমান নেই।’
কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আমরা ৩০০ আসনে নির্বাচন করব। বোনকে (প্রধানমন্ত্রী) বলি—জনগণ যাতে ভোট দিতে পারে, সেই ব্যবস্থা করেন। নির্বাচনে বিএনপি আসলো কি আসলো না, এটা আমাদের দরকার নাই। আমেরিকার ভোট আমাদের দরকার নাই।’
নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘সেদিন দেখলাম নির্বাচন কমিশন চিঠি দিয়েছে, আপনারা দুজনে আমাদের সঙ্গে দেখা করেন।’ এ সময় ধমকের সুরে তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচন কমিশনার, রাজনৈতিক দল কি আপনার কাছে চাকরবাকর? রাজনৈতিক দল হচ্ছে আপনার কাছে মুনিব। দেশে সঠিক রাজনৈতিক দল না থাকলে, আপনার নির্বাচন কমিশন থাকবে না। যখন ইচ্ছা হলো ডেকে পাঠাবেন? তারা কি আপনার বেতনভোগী কর্মচারী? ডাকলে সম্মানের সঙ্গে যোগাযোগ করে ডাকতে হবে।’
সম্মেলনে কাদের সিদ্দিকীর বড় ভাই সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘বিরোধী দলের যারা আজকে ফুসফুস করছে, তারা কারা, কী তাদের পরিচয়, আমরা কি ভুলে গেছি? আমেরিকা ছাড়া তাদের গন্তব্য নেই। ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েল ইতিমধ্যে প্রায় ১০ হাজার শিশু-নারী হত্যা করেছে, আর বাইডেন বলছে—হামাসকে যতক্ষণ নির্মূল করা না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি হবে না। সেই আমেরিকার প্রতি যাদের আনুগত্য, তারা কারা?’
লতিফ সিদ্দিকী আরও বলেন, ‘তাদের বাপ-দাদারাও ওই আমেরিকার প্রতিই অনুগত ছিল। একাত্তরেও তারা আমাদের কাছে পরাজিত হয়েছে, আজও তারা পরাজিত হবে, তাতে কোনো সন্দেহ করি না।’
সম্মেলনে উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আব্দুস সবুর খানের সভাপতিত্বে সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কায়সার চৌধুরী, বেগম নাসরিন কাদের সিদ্দিকী, দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা (বীর প্রতীক), সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, কাদের সিদ্দিকীর সহোদর শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী, সংগীতশিল্পী নকুল কুমার বিশ্বাস, সখীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সানোয়ার হোসেন সজীব, যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক হাবিবুন্নবী সোহেল প্রমুখ বক্তব্য দেন।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, আজকে দেশে একটি রাজনৈতিক দল উন্মাদনা এবং আগুন সন্ত্রাস করছে৷ নির্বাচন করতে দিবে না, সংবিধান অনুযায়ী দেশ চলবে না৷ আমি মনে করি, তারা দেশের মঙ্গল ও কল্যাণ চায় না৷ তারা বিগত সময়ে যেভাবে আগুন দিয়েছিল তা বর্বরোচিত। আমরা দেখেছি ১৪ থেকে ১৫ সালে তারা গাড়ি পুড়িয়েছে, রেল লাইন তুলেছে, বিদ্যুতের লাইন কেটেছে এবং জীবন্ত মানুষকে গাড়িতে পুড়িয়েছে৷ ২৮ আগস্ট একই কায়দায় বর্বরোচিতভাবে পুলিশকে হত্যা করেছে৷
শুক্রবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার মুসুদ্দি উত্তর পাড়া গ্রামে খামারি মোবাইল অ্যাপের কার্যকারিতা যাচাই ও উচ্চ ফলনশীল আমন ধানের ফসল কর্তন ও কৃষক সমাবেশে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন৷
তিনি আরও বলেনে, আমরা যদি দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রাখতে চাই, তাহলে দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা দরকার৷ দেশে শান্তি দরকার এবং সুন্দর ও সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দরকার। সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যাপারে সরকার জাতির কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। বিএনপি আগুন সন্ত্রাস সহিংসতা পথ ছেড়ে, তারা আবার নির্বাচনে আসবে এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, বিএনপিকে ধরপাকড় করা হচ্ছে না। তাদের কর্মীদেরকে প্ররোচিত করা হচ্ছে আগুন সন্ত্রাস করার জন্য। সেটি কোন ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়৷ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব মানুষের জানমাল নিরাপত্তা দেওয়া। তাদের গাড়িগুলোর নিরাপত্তা দেওয়া। দোকানপাট খুলে ব্যবসা বাণিজ্যকে অব্যহত রাখা। দোকান বন্ধ থাকলে কর্মচারীরা না খেয়ে মারা যাবে। সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে । শান্তিপ্রিয় কোন বিএনপি নেতা-কমীদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না।
মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ ঘনবসতির দেশ। জমি কমে যাচ্ছে। ৭ কোটির মানুষ এখন ১৭ থেকে ১৮ কোটি৷ এই মানুষকে খাওয়াতে হলে আরও উন্নত জাতের ফলনশীল উৎপাদন করতে হবে৷ সে লক্ষ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী দুটি কাজ করছেন৷
কৃষি মন্ত্রালয়ের সচিব ওয়াহিদা আক্তারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ সাজ্জাদ, কৃষি মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব রহুল আমিন তালুকদার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মাসুদ করিম, বাংলাদেশ মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক জালাল উদ্দীন, বাংলাদেশের পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক আবদুল আউয়াল প্রমুখ৷
একতার কণ্ঠঃ:টাঙ্গাইলের গোপালপুরে সরকারের উন্নয়ন সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর)বিকালে গোপালপুরের সূতি ভি.এম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
একই সাথে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় স্থানীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- টাঙ্গাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখর প্রমুখ।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল মোমিনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আনিসুর রহমান আনিস, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রউফ চান মিয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার সুরুজ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহানুর রহমান সোহানসহ জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের সময় এতোটা উন্নয়ন হয়েছে যে সাধারণ মানুষ এখন আবার শেখ হাসিনা সরকারকে ক্ষমতায় চায় হরতাল অবরোধের নামে বিএনপি ও জামায়াত দেশ জুড়ে অগ্নিসন্ত্রাস, জ্বালাও পোড়াও, নৈরাজ্য এবং খুনখারাপি শুরু করেছে। সরকার গণতন্ত্র তথা নির্বাচন কার্যক্রমকে যেমন এগিয়ে নিয়ে যাবে তেমনি এ সব অপশক্তিকে শক্ত হাতে দমন করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি স্বচ্ছ ও অংশগ্রহনমূলক নির্বাচন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে আবার সরকার গঠন করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।