/ হোম / রাজনীতি
টাঙ্গাইলে নৌকার প্রচার মিছিলে গুলি, আহত ৩ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নৌকার প্রচার মিছিলে গুলি, আহত ৩

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী মিছিলে আওয়ামী লীগ দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেনের সমর্থকের গুলিতে যুবলীগ নেতাসহ তিনজন আহত হয়েছেন।

রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) দিনগত রাত ১১টার দিকে সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধরা হলেন- বাঘিল ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান রোকন, কর্মী সিয়াম ও রোকন মিয়া। তাদের মধ্যে রোকনুজ্জামানের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

ওই আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মামুনুর রশিদ জানান, রাতে বাঘিলে নৌকার পক্ষে তার সমর্থকরা মিছিল বের করে। এসময় বর্তমান এমপি ছানোয়ার হোসেনের সমর্থকরা মিছিলে অতর্কিত গুলি চালায়। এতে ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। তাদের টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন জানান, রাত ১১টি ৩০ মিনিটে নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে কেন মিছিল করা হয়েছে? নৌকার পক্ষের লোকজন ঈগলের অফিস ভাংচুর করে এই নাটক সাজিয়েছে।

তিনি আরও জানান, ঘটনায় যারা আহত হয়েছে, তারা কেউ যুগনি এলাকার লোক নয়। এরা সবাই বহিরাগত। ঈগলের অফিস রাতে ভাঙচুর করার সাথে সাথেই সদর থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। আশা করি, সুষ্ঠ তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা বের হয়ে আসবে।

সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লোকমান হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থীর দুই সমর্থককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে টাঙ্গাইল-৫ আসনে এমপি নির্বাচিত হন ছানোয়ার হোসেন। তবে এবার তাকে সরিয়ে ওই আসনে মামুনুর রশিদকে নৌকার মাঝি করেছে আওয়ামী লীগ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. ডিসেম্বর ২০২৩ ০৭:৫৬:পিএম ২ বছর আগে
অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে সংশয়ে টাঙ্গাইল সদরের প্রার্থীরা - Ekotar Kantho

অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে সংশয়ে টাঙ্গাইল সদরের প্রার্থীরা

একতার কণ্ঠঃ অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা। নির্বাচনে অংশ নেওয়া জাতীয়পার্টি, স্বতন্ত্রসহ অন্যান্য দলের প্রার্থীরা এ সংশয় প্রকাশ করেছেন।

শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) দিনব্যাপি টাঙ্গাইল পৌরসভা মিলনায়তনে কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটর্স ওয়ার্ল্ড (সম্মিলিত মানবাধিকার বিশ্ব) টাঙ্গাইল জেলা ইউনিট আয়োজিত পরিচিতি ও এক মঞ্চে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের প্রার্থীদের ভাবনা নিয়ে আলোচনা সভায় এ সংশয় প্রকাশ করেন তাঁরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র ও সংগঠণের উপদেষ্টা এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর। উদ্বোধক ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সংগঠণের উপদেষ্টা এডভোকেট জাফর আহমেদ।

কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটর্স ওয়ার্ল্ড (সম্মিলিত মানবাধিকার বিশ্ব) টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের সভাপতি আরিফুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম আল মামুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠণের কার্যকরী সভাপতি মোহাম্মদ আরিফ উর রহমান টগর।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে অংশ নেওয়া জাতীয়পার্টি, স্বতন্ত্রসহ অন্যান্য দলের প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় বাঁধা, কর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, পোস্টার ছিঁড়ে ফেলাসহ অফিস ভেঙে ফেলার তীব্র সমালোচনা করেন। জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বরাবর দফায় দফায় অভিযোগের পরও এক পেশে নির্বাচনী পদ্ধতির কোন উন্নতি না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন তাঁরা।

প্রধানমন্ত্রী ও নির্বাচন কমিশনের দেওয়া প্রতিশ্রুতির ভোটারদের সম্পৃক্ততা ও অবাধ সুষ্ঠু ও প্রভাবমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা।

এ সময় জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, কেটলী প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এড্ভোকেট খন্দকার আহসান হাবীব, মাথাল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ সিদ্দিকী, পাটের আঁশ প্রতীকের তৃণমূল বিএনপি প্রার্থী আলহাজ্ব মো. শরিফুজ্জামান খান মহব্বত, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি মনোনীত একতারা প্রতীকের প্রার্থী মো. হাসরত খান ভাসানী, আওয়ামীলীগের বর্তমান সংসদ সদস্য ও দ্বাদশ নির্বাচনের ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেনের পক্ষে বিদ্যুৎ ও বিএনএম মনোনীত নোঙর প্রতীকের প্রার্থী মেজর (অবঃ) তৌহিদ চাকলাদারের পক্ষে ছোট ভাই মো. তৌসিফুর রহমান চাকলাদার উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটর্স ওয়ার্ল্ড (সম্মিলিত মানবাধিকার বিশ্ব) নবগঠিত টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রিক ও অনলাইন মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

পবিত্র কোরআন তেলওয়াত, গীতাপাঠ ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বর্ণিল অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা। ফুল দিয়ে বরণ করাসহ শেষে নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রার্থীদের স্ব স্ব প্রতীকের ক্রেস্ট উপহার দেয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:৫২:এএম ২ বছর আগে
‌বিএনপি দেশে অরাজকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চাচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

‌বিএনপি দেশে অরাজকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চাচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বিএন‌পি চাচ্ছে আগামী নির্বাচন যাতে ভালো ভাবে না হয়। দেশে অরাজকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। তাই তারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়। আমরা গোপালগঞ্জের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অতীতেও ভোট দিয়েছি, আগামী দিনেও ভোটর উপস্থিতি দেখিয়েও প্রমাণ করব।

শনিবার (২৩ ডি‌সেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের মধুপুরে উপজেলা আওয়ামীলী‌গ আয়োজিত কর্মী সমাবেশে কৃ‌ষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী ব‌লেন, অতী‌তে গোপালগ‌ঞ্জের সঙ্গে পাল্লা দি‌য়ে মধুপু‌রে নৌকায় ভোট দেওয়া হ‌য়ে‌ছিল। এবারও গোপালগঞ্জের মত নৌকায় ভোট দি‌য়ে দে‌খি‌য়ে দি‌তে হ‌বে প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনা‌কে। এই মধুপুর শেখ হাসিনার মধুপুর, এই মধুপুর আওয়ামী লীগের মধুপুর, এই মধুপুর বঙ্গবন্ধুর মধুপুর।

তিনি আরও বলেন, যত ষড়যন্ত্রই হোক, সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে মধুপুরের জনগণ আবারও দেখাবে এখানে আওয়ামী লীগ কত শক্তিশালী।

উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইয়াকুব আলীর সভাপতিত্বে কর্মী সমা‌বে‌শে বক্তব্য রাখেন, উপ‌জেলা আওয়ামী লী‌গের সহ-সভাপতি বাপ্পু সিদ্দিকী, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান, যুগ্ম সম্পাদক ডা. মীর ফরহাদুল আলম মনি, সাদিকুল ইসলাম সাদিক, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ আহমদ নাসির, যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক খন্দকার আলমগীর হোসেন শিমুল প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:৫১:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নির্বাচন বর্জনের ডাক দিয়ে বিএনপি’র লিফলেট বিতরণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নির্বাচন বর্জনের ডাক দিয়ে বিএনপি’র লিফলেট বিতরণ

একতার কণ্ঠঃ আগামী ৭ জানুয়ারি আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনে বিএনপি নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত করতে লিফলেট বিতরণ করেছে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপি।

শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে মির্জাপুর পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় উপজেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ মিয়ার নেতৃত্বে প্রায় ঘন্টাব্যাপী এই লিফলেট বিতরণ করা হয়।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এস.এম মহসীন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আলী আজম সিদ্দিকী, সাংগঠনিক সম্পাদক রমজান আলী, উপজেলা যুবদলের তিন যুগ্ম-আহবায়ক ফজলুর রহমান, মো. ফরিদ মিয়া, মনিরুজ্জামান মনির, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ওয়াজেদ মৃধা, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আরিফুল ইসলাম স্বপন, পৌর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি লাভলু সিদ্দিকী, পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক ইমরান সিদ্দিকী, সদস্য সচিব সিয়াম আহমেদসহ অনেকেই।

লিফলেট বিতরণের সময় উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র নেতারা উপস্থিত জনগণকে আগামী ৭ জানুয়ারি সংসদ নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান। পাশাপাশি অসহযোগ আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন নিশ্চিত করতে বিএনপি’র নেতা-কর্মীসহ সকলকে রাজপথে নেমে আসার আহবান জানান।

বিতরণকৃত লিফলেটে ভোট গ্রহণে নিযুক্ত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে বিরত থাকা, জনগণকে সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা, বিদ্যুৎ বিল প্রদানে বিরতসহ সকল প্রকার ব্যাংক লেনদেন যথাসম্ভব এড়িয়ে চলার কথা লেখা রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. ডিসেম্বর ২০২৩ ০৩:৫২:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভোট যুদ্ধে তিন নারী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভোট যুদ্ধে তিন নারী

একতার কণ্ঠঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি অংশ নিচ্ছে স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও। এ ভোটের লড়াইয়ে প্রস্তুত নারী প্রার্থীরাও। তবে নির্ধারিত নারী আসনে নয় বরং পুরুষদের পাশাপাশি প্রতিযোগিতা করেই নির্বাচিত হতে চান টাঙ্গাইলের তিন নারী প্রার্থী, হতে চান সংসদ সদস্য। এ নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তাঁরা।

তাঁরা বিজয়ী হয়ে সন্ত্রাস, মাদক, বৈষম্যমুক্ত সুন্দর সমাজ গড়তে চান। তিনটি আসনে ওই তিন প্রার্থীর বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় রয়েছেন হেভিওয়েট প্রার্থীসহ ১৯ জন পুরুষ প্রার্থী।

টাঙ্গাইলের আটটি আসনের মধ্যে তিনটি আসনে তিন নারী প্রার্থী ভোট লড়াইয়ে মাঠে নেমেছেন। তারা হলেন- টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে স্বতন্ত্র (ঈগল) প্রতীকের প্রার্থী সারওয়াত সিরাজ শুক্লা, টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেস (ডাব) প্রতীকের প্রার্থী রুপা রায় চৌধুরী ও টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে তৃণমূল বিএনপি’র (সোনালী আঁশ) প্রতীকের প্রার্থী পারুল।

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের প্রার্থী উপজেলার বেতডোবা গ্রামের সারওয়াত সিরাজ শুক্লা সাবেক মন্ত্রী এবং স্বাধীনতার ইসতেহার পাঠক শাহাজাহান সিরাজের মেয়ে। শুক্লা সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী। তাঁর বাবা শাহাজাহান সিরাজ আওয়ামী লীগ, জাসদ, গণফোরাম, বিএনপি, তিনি যখন যে দল করেছেন তার অনুসারীরা সেই দলেই ঠাই নিয়েছেন। তাঁর মৃত্যুর পরও রয়ে গেছে অনেক ভক্ত। শাজাহান সিরাজের অনুসারীদের সাথে নিয়ে সারওয়াত সিরাজ শুক্লা নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন।

ঈগল প্রতীকের প্রার্থী সারওয়াত সিরাজ শুক্লা বলেন, আমার বাবা শাহজাহান সিরাজের পাশে যেভাবে কালিহাতীবাসী দাঁড়িয়েছেন আমার পাশেও সেভাবেই থাকবেন। আমি অবশ্যই কালিহাতীকে মাদক, সন্ত্রাস, বৈষম্যমুক্ত, সুন্দর অনন্য উচ্চতার একটি উপজেলা গড়ার জন্য কাজ করবো। আমি বিজয়ী হলে সবার আগে শিশু ও নারীদের জন্য একটি হাসপাতাল করবো। আমি শতভাগ আশাবাদী ভোট দিয়ে কালিহাতীর জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে।

তাঁর বিপরীতে হেভিওয়েট প্রার্থী আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী স্বতন্ত্র (ট্রাক) প্রতীকের প্রার্থী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আওয়ামী লীগের মনোনীত (নৌকা) প্রতীকের প্রার্থী মোজহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু, জাকের পার্টির (গোলাপ ফুল) প্রতীকের প্রার্থী মোন্তাজ আলী, জাতীয় পার্টির (লাঙ্গল) প্রতীকের প্রার্থী লিয়াকত আলী, তৃণমূল বিএনপির (সোনীল আঁশ) প্রতীকের শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (একতারা) প্রতীকের প্রার্থী শুকুর মামুদ ও জাতীয় পার্টি-জেপি (বাইসাইকেল) প্রতীকের প্রার্থী সাদেক সিদ্দিকী ভোট যুদ্ধে রয়েছেন।

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৫৫৬ জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮৯২, নারী ভোটার ১ লাখ ৭৫ হাজার ৬৬২, তৃতীয় লিঙ্গ ২ জন।

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন রুপা রায় চৌধুরী। তিনি একজন গৃহীনী। মির্জাপুরের বাগজান গ্রামের অনিল মৈশালের মেয়ে ও হিমাংশু শেখর রায় চন্দনের স্ত্রী তিনি। সর্বমহলে পরিচিত এই নারীর নির্বাচন করা হলো একমাত্র নেশা। তিনি এর আগে একবার ইউনিয়ন পরিষদে ও দুইবার জাতীয় সংসদ এবং একবার উপনির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। প্রতিবার জামানত হারানো এই নারী এবারও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।

ডাব প্রতীকের প্রার্থী রুপা রায় চৌধুরী বলেন, জনগণের সেবা করা আমার ইচ্ছা। আমার বিশ্বাস, জনগণ একবার না একবার আমাকে সেবা করার সুযোগ দিবেই। আমি বিজয়ী হলে মির্জাপুরকে স্মার্ট উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবো। সুষ্ঠু ও নিরপক্ষ নির্বাচন হলে আমি আশাবাদী বিপুল ভোটে বিজয়ী হবো।

এ আসনে তার বিপরীতে প্রার্থী বর্তমান এমপি ও আওয়ামী লীগের মনোনীত (নৌকা) প্রতীকের প্রার্থী খান আহমেদ শুভ, তিনবারের উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র (ট্রাক) প্রতীকের প্রার্থী মীর এনায়েত হোসেন মন্টু, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের (গামছা) প্রতীকের প্রার্থী আরমান হোসেন তালুকদার, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি (হাতুড়ী) প্রতীকের প্রার্থী গোলাম নওজব চৌধুরী, জাতীয় পার্টির (লাঙ্গল) প্রতীকের প্রার্থী জহিরুল ইসলাম জহির, জাকের পার্টির (গোলাপ ফুল) প্রতীকের প্রার্থী মোক্তার হোসেন ও জাসদ (মশাল) প্রতীকের প্রার্থী মঞ্জুর রহমান মজনু ভোট যুদ্ধে রয়েছেন।

টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৪৩২ জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮০ হাজার ২০৬, নারী ভোটার ১ লাখ ৭৮ হাজার ২২০, তৃতীয় লিঙ্গ ৬ জন।

টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে তৃণমূল বিএনপি’র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে নাম লিখিয়েছেন পারুল। কালিহাতী উপজেলার গোলড়া গ্রামের গৃহীনী পারুল লোকমান হোসেনের স্ত্রী। তিনি সখীপুর-বাসাইলে অপরিচিত এক নাম। এই আসনে তাকে চেনেন এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়। তারপরও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন তিনি।

সোনালী আঁশ প্রতীকের প্রার্থী পারুল বলেন, আমি অন্যায়, অবিচার, দুর্নীতি দূর করে দুই উপজেলাকে সুন্দর করে সাজাতে প্রার্থী হয়েছি। দুই উপজেলার জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করলে মানবকল্যাণে নিবেদিত থাকবো।

এ আসনের হেভিওয়েট প্রার্থী কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি (গামছা) প্রতীকের প্রার্থী বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম, সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের মনোনীত (নৌকা) প্রতীকের প্রার্থী অনুপম শাহজাহান জয়, জাতীয় পার্টির (লাঙ্গল) প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম, বিকল্পধারা বাংলাদেশ (কুলা) প্রতীকের প্রার্থী আবুল হাশেম ও বাংলাদেশ কংগ্রেস (ডাব) প্রতীকের প্রার্থী মোস্তফা কামাল।

টাঙ্গাইল-৮ বাসাইল- সখীপুর আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৯০ হাজার ১০ জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮২, নারী ভোটার ১ লাখ ৯৬ হাজার ৩৪, তৃতীয় লিঙ্গ ৪ জন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:৩১:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দুই এমপি প্রার্থীকে শোকজ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুই এমপি প্রার্থীকে শোকজ

একতার কণ্ঠঃ আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত ‘নৌকা’ প্রতীকের প্রার্থী তানভীর হাসান ছোট মনির ও স্বতন্ত্র ‘ঈগল’ প্রতীকের প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছেন ওই আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু তার নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ করার জন্য ভূঞাপুর পৌর শহরের দারোগ আলী সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় ডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্স কার্যালয়ে সৌজন্যে সাক্ষাতের জন্য বসেন। এসময় তার প্রচারণার সংবাদ শুনে আওয়ামী লীগ মনোনীত ‘নৌকা’ প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থিত কর্মীরা ওই কার্যালয়ে হামলা চালায় এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে অফিসের জানালার গ্লাস ভেঙে যায়। এছাড়াও অফিসের নিচে থাকা মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার দিন বিকালেই প্রধান নির্বাচন কমিশন টাঙ্গাইল বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু। তার অভিযোগ আমলে নিয়ে নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ছোট মনিরকে বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা ৩০মিনিটে নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি টাঙ্গাইল কার্যালয়ে স্বশরীরে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

অপরদিকে, গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন লিখিত অভিযোগ করেন যে- মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুর সমর্থিতরা ঝাওয়াইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অফিসে প্রবেশ করে বঙ্গবন্ধুর ছবি, আসবাবপত্র ভাঙচুর ও কেন্দ্র খরচের টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেন। এই অভিযোগ আমলে নিয়ে বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি টাঙ্গাইল কার্যালয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুকে স্বশরীরে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম বলেন, গোপালপুর ভূঞাপুরে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী তানভীর হাসান ছোট মনির ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু এই দুই প্রার্থীর কাছে ব্যাখা চেয়ে বৃহস্পতিবার তলব করা হয়েছে। এই নির্বাচনী এলাকায় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ ও র‌্যাব মোতায়েন করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:০৫:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে যথাযথ মর্যাদায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যথাযথ মর্যাদায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে শহিদ বেদিতে প্রথমে রাষ্ট্র ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের পক্ষে জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান।

এরপর জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে সিভিল সার্জন ডা. মিনহাজ উদ্দিন মিয়া, টাঙ্গাইল পৌরসভার পক্ষে মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, উপজেলা পরিষদের পক্ষে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ শ্রদ্ধা জানান।

এরপর জেলা সদর পানির ট্যাংক সংলগ্ন বধ্যভূমি ও শহরের শহিদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের শহিদ বেদিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

শেষে শহিদ বুদ্ধিজীবী, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত ও দেশের কল্যাণে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:১০:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. হাদিউজ্জামান সোহেলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৩ ডিসেম্বর)বিকেলে টাঙ্গাইল শহর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) লোকমান হোসেন জানান, বিএনপি নেতা হাদিউজ্জামান সোহেল নিয়মিত মামলার এজাহারভুক্ত আসামী ছিলেন। বুধবার বিকেলে তাকে শহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার(১৪ ডিসেম্বর) সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলীকে পুলিশ গ্রেপ্তারের পর উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি মো. হাদিউজ্জামান সোহেলকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দায়িত্ব দেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:২৫:এএম ২ বছর আগে
পদ ফিরে পেলেন মির্জাপুর পৌর বিএনপি’র সভাপতি হযরত আলী - Ekotar Kantho

পদ ফিরে পেলেন মির্জাপুর পৌর বিএনপি’র সভাপতি হযরত আলী

একতার কণ্ঠঃ বিএনপি’র চলমান আন্দোলন কর্মসূচীতে ভূমিকা না রাখার অভিযোগে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌর বিএনপি’র সভাপতি হযরত আলী মিঞাকে পৌর বিএনপি’র সভাপতি পদ থেকে পরিবর্তনের ৪দিন পর হযরতকে পুনরায় স্বপদে বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় বিএনপি।

রবিবার (১০ ডিসেম্বর) বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি বিএনপির ভ্যারিফাইড ফেসবুক আইডি থেকে প্রচার করা হয়েছে।

তবে রিজভী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে হযরত আলী মিঞাকে অসুস্থ থাকায় তাকে অব্যাহতি দিয়ে সিনিয়র সহ-সভাপতি আলী আজম সিদ্দিকীকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয়েছিলো উল্লেখ করা হলেও গত ৬ ডিসেম্বর বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. তাইফুল ইসলাম টিপু স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে হযরত আলী মিঞাকে আন্দোলন কর্মসূচীতে ভূমিকা না রাখার কথা উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে হয়রত আলী মিঞাকে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি। তবে আলী আজম সিদ্দিকী জানান ,ফেসবুকে আমি এরকম একটি বিজ্ঞপ্তি দেখেছি। দলের কেউ আমাকে এ ব্যাপারে অবগত করেনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:৫০:এএম ২ বছর আগে
বর্ণাঢ্য আয়োজনে টাঙ্গাইল হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপন - Ekotar Kantho

বর্ণাঢ্য আয়োজনে টাঙ্গাইল হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপন

একতার কণ্ঠঃ বর্ণাঢ্য কর্মসূচি আয়োজনের মধ্যে দিয়ে টাঙ্গাইল হানাদার মুক্ত দিবস উদযাপন করা হয়েছে।

১১ ডিসেম্বর সোমবার সকালে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে টাঙ্গাইল পৌরসভার উদ্যোগে দিনব্যাপি বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

দিনের কর্মসূচি উদ্বোধন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক।

কর্মসূচির মধ্যে ছিলো সূর্যদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন,বেলুন উড়ানো, কবুতর উন্মুক্ত করণসহ আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

দিবসটি উপলক্ষে সকালে শহরের শহীদস্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন গুরত্বপুর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুূনরায় শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান গিয়ে শেষ হয়।

এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ওলিউজ্জামান, পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন,সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টুসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শহরের বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রী ও সর্বস্তরের জনগণ সাধারণ উপস্থিত ছিলো।

এছাড়াও দিনটি উপলক্ষে বিকালে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

টাঙ্গাইল হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে জেলা আওয়ামী লীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠন বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচির আয়োজন করে।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে টাঙ্গাইলের সূর্য সন্তানেরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে টাঙ্গাইল মুক্ত করেন। এইদিন রাতে সদর উপজেলার পশ্চিমে অবস্থিত পোড়াবাড়ি দিয়ে কাদেরিয়া বাহিনীর কমান্ডার আব্দুর রাজ্জাক ভোলা(বর্তমানে কৃষিমন্ত্রী) সহযোদ্ধাদের নিয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেন।

খুব ভোরে পুর্ব দিক দিয়ে শহরে প্রবেশ করেন কমান্ডার বায়েজিত আলম ও খন্দকার আনোয়ার হোসেন, দক্ষিন দিক দিয়ে আসেন ব্রিগেডিয়ার ফজলুর রহমান। আর উত্তর দিক থেকে ময়মনসিংহ সড়ক দিয়ে বীরদর্পে সাজোয়া বহর নিয়ে শহরে প্রবেশ করেন কাদিরিয়া বাহিনীর কমান্ডার বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী। এসময় সার্কিট হাউজে থাকা ৫’হাজার পাক বাহিনীর পরাজিত সদস্যরা কাদের সিদ্দিকীর কাছে আত্মসর্মপণ করেন। মুক্ত হয় টাঙ্গাইল। পরে সাধারণ জনগন রাস্তায় নেমে এসে বিজয় উল্লাসে টাঙ্গাইল শহরকে প্রকম্পিত করে তোলে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. ডিসেম্বর ২০২৩ ১২:২১:এএম ২ বছর আগে
মনোনয়ন বৈধ, ভোটের মাঠে লড়বেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ঠান্ডু - Ekotar Kantho

মনোনয়ন বৈধ, ভোটের মাঠে লড়বেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ঠান্ডু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-২(ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুর মনোনয়নপত্র আপিলে বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

রবিবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানী ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে আপিলের শুনানিতে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু বিকালে নিজেই এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আপিলে মনোনয়নপত্র বৈধ বলে প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছি। কোনো ষড়যন্ত্র কাজে আসেনি। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হলে জয়লাভ করব। ভূঞাপুর-গোপালপুর উপজেলার জনগণ আমার পাশে রয়েছে।

গত ২ ডিসেম্বর টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে স্বাক্ষর জটিলতার কারণ দেখিয়ে ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুর মনোনয়নপত্র বাতিল করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম। পরে নিয়মানুযায়ী নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন তিনি। সেই আপিলেই তার মনোনয়নকে বৈধ ঘোষণা দিল নির্বাচন কমিশন।

গত ৩০ নভেম্বর ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. বেলাল হোসেনের কাছে টাঙ্গাইল-২ আসনে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি।

প্রকাশ, ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও উপজেলা পরিষদের ৩ বারের নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান। তিনি টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসন থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নের আশায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর গোপালপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগের বরাবর আবেদন করেন। পরে ৩ অক্টোবর স্থানীয় সরকার বিভাগ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ শূন্য ঘোষণা করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:৪৭:এএম ২ বছর আগে
বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চাইলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে:ইসি মো. আলমগীর - Ekotar Kantho

বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চাইলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে:ইসি মো. আলমগীর

একতার কণ্ঠঃ নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেছেন, নির্বাচনে প্রয়োজনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে। অতীতের মতো সেনাবাহিনী ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে। আমরা এখনো সিদ্ধান্ত নেইনি। অতীতের জাতীয় নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন ছিলো। এবার সেনাবাহিনী মোতায়েনের সম্ভাবনা বেশি রয়েছে। তবে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি।

বৃহস্পতিবার( ৭ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি নির্বাচনে আসার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের যে পর্যন্ত সুযোগ ছিলো তা বলেছি। এ মুহুর্তে কোন সুযোগ আছে বলে আমাদের আইন অনুযায়ী দেখছি না। যদিও তারপরে কেউ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে চায়, সেক্ষেত্রে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখতে হবে। আমরা যা কিছু করি না কেন তা সংবিধানের আলোকে করতে হবে।

তিনি বলেন, বিদেশীরা কখনোই আমাদের চাপ দেয়নি। আমাদের এ ধরনের চাপ দেয়ার রাইট তাদের নেই। আমাদের প্রতি কারও কোন চাপ নেই। শান্তিপূর্ণ অবাধ নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন অন্য সবাইকে চাপ দিয়ে বেড়াচ্ছেন। নির্বাচনে গতকাল পর্যন্ত ৮২ জন বিদেশী পর্যবেক্ষকের আসার তালিকা পেয়েছি। ৪৬ জন বিদেশী সাংবাদিক আসবেন। নির্বাচনে একটি নীতিমালা রয়েছে। সে নীতিমালা সকল সাংবাদিকদের অনুসরন করতে হবে।

ইউএনও এবং ওসিদের বদলীর ব্যাপারে তিনি বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ আমাদের সাথে সংলাপ করেছেন। সেখানে তাদের অভিযোগ ছিলো সরকার প্রশাসনকে সাজিয়ে গুছিয়ে তাদের মতো করে নিয়েছেন। সরকারের অনুকুলে তারা কাজ করেন। এ অবস্থায় প্রশাসনে পরিবর্তন করতে হবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অভিমত ছিলো।

জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত মত বিনিময় সভায় টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মতিয়ূর রহমানসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. ডিসেম্বর ২০২৩ ১০:৪৯:পিএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।