একতার কণ্ঠঃ নির্বাচন পরবর্তী হামলা ও ভাঙচুরের মামলায় টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের সদ্য নির্বাচিত এমপি ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর ৬ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করা হয়। এ সময় মহাসড়কের প্রায় ৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে জনগণের চরম ভোগান্তি হয়েছে।
মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে মহাসড়ক অবরোধ ও থানার সামনে অবস্থান নেন নেতাকর্মীরা।
পরে কাদের সিদ্দিকীর মধ্যস্থতায় পুলিশ প্রশাসনের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে ৩ ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নিলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। তবে এ ঘটনায় কালিহাতী উপজেলা জুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
লতিফ সিদ্দিকীর কর্মীরা হলেন, বাংড়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান হাসরত আলী, ঘুনী গ্রামের পিন্টু, কস্তুরিপাাড়ার খোকা, সাতুটিয়া গ্রামের হৃদয়, রতনগঞ্জ গ্রামের লাট মিয়া ও মনির সওদাগর। ৪ জন বাদে এজাহারভূক্ত লাট মিয়া ও মনির সওদাগরকে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানায়, রবিবার (৭ জানুয়ারি) নির্বাচনের দিন কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল কাইয়ুম বিপ্লবের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সোমবার (৮ জানুয়ারি) থানায় মামলা দায়ের করেন বিপ্লব। সোমবার রাতে এ মামলার এজাহারভুক্ত দু’জনসহ ছয়জনকে আটক করে পুলিশ। তাঁরা সবাই লতিফ সিদ্দিকীর কর্মী ও সমর্থক।
আটককৃত অনুসারীদের মুক্তির দাবিতে লতিফ সিদ্দিকী প্রায় হাজার কর্মী সমর্থকদের নিয়ে মঙ্গলবার দুপুর ১২ টার দিকে কালিহাতী থানার সামনে আসেন। এ সময় তিনি আটককৃত কর্মীদের ছেড়ে দিতে বলেন। পুলিশ তাঁদের ছেড়ে না দেওয়ায় লতিফ সিদ্দিকী ও তার কমী সমর্থকরা থানার সামনে মহাসড়কে বসে অবরোধ শুরু করেন। এ সময় উপজেলার বিভিন্নস্থান থেকে তাঁর কর্মীসমর্থকরা এসে তাঁর সঙ্গে যোগ দেন।
লতিফ সিদ্দিকী ও তার কর্মী সমর্থকরা মহাসড়কে বসে প্রতিবাদ জানান এবং গ্রেপ্তারকৃতদের দ্রুত মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কালিহাতী থানা পুলিশ ও টাঙ্গাইল পুলিস লাইন থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শরফুদ্দিনসহ পুলিশের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তারা নবনির্বাচিত এমপি লতিফ সিদ্দিকীকে অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহারের অনুরোধ করেন। জবাবে লতিফ সিদ্দিকী বলেন, ‘যে পর্যন্ত আমার আটককৃত কর্মীদের মুক্তি না দেওয়া হবে ততক্ষণ পর্যন্ত এ অবরোধ চলবেই।’
নবনির্বাচিত এমপি লতিফ সিদ্দিকী আরও বলেন, ‘আমার কর্মীদের বিনা অপরাধে থানায় আটক করে রাখা হয়েছে। তাদের বিনাশর্তে মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত এখানে থেকে যাবো না।’
লতিফ সিদ্দিকীর কালিহাতী থানা ঘেরাও ও মহাসড়ক অবরোধের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন ছোট ভাই কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদের সিদ্দিকী। এরপর কাদের সিদ্দিকী থানার ভিতরে প্রবেশ করে পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনায় বসেন।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘পুলিশের সঙ্গে আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয়েছে যাদের এই মামলার এজাহারে নাম না থাকা আটক ৪ জন কর্মীকে তাৎক্ষণিক মুক্তি এবং এজাহারে নাম থাকা দুইজন কর্মীকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হবে।’
এ সিদ্ধান্ত শুনে কাদের সিদ্দিকীর অনুরোধে লতিফ সিদ্দিকী তার কর্মী সমর্থকদের নিয়ে কালিহাতী থানা ও মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এ ঘটনার খবর পেয়ে আওয়ামী লীগের মনোনীত পরাজিত প্রার্থী মোজাহারুল ইসলাম তালুকদার তার নেতাকর্মীদের নিয়ে থানার দিকে যেতে থাকেন। সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ দুই পক্ষের মধ্যে অবস্থান নিয়ে তাদেরকে অন্যত্র সরিয়ে দেয়।
নৌকার প্রার্থী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম তালুকদার সাংবাদিকদের বলেন, ‘নির্বাচনে জয়লাভের পর থেকেই লতিফ সিদ্দিকীর কর্মী সমর্থকরা আওয়ামী লীগের লোকজনের ওপর হামলা-ভাঙচুর করছে ও হুমকি-ধামকি দিতেছে। বীরবাসিন্দায় মারধর ও কোকডহরায় আওয়ামী লীগের অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। সেইসাথে পুলিশ প্রশাসনের উপর আমাদের আস্থা আছে। আশা করি কালিহাতীর শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তারা যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন। এ ধরনের হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড চললে জনগণকে সাথে নিয়ে আওয়ামী লীগ উপযুক্ত জবাব দিবে।’
লতিফ সিদ্দিকীর কর্মী ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম ও ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব আলী জানান, নির্বাচনে জয়লাভ করার পর থেকে লতিফ সিদ্দিকীর কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা হামলা চালাচ্ছে। হাট-বাজারে বের হলেই কর্মীদের মারপিট করা হচ্ছে। এসব কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের নির্দেশে করা হলেও তিনি প্রকাশ্যে আসছেন না। তার কথা মতো কালিহাতীতে এসব হচ্ছে।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ফারুক বলেন, ‘রবিবার নির্বাচনের দিন কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল কাইয়ুমের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের মামলায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অন্য ৪ জনকে আটক করা হয়নি। আইন তার নিজস্ব গতিতেই চলবে।’
উল্লেখ্য, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের বহিস্কৃত সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। স্বতন্ত্র (ট্রাক) প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে তিনি ৭০ হাজার ৯৪০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকার প্রার্থী মোজাহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৭৫ ভোট।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়িতে আওয়ামী লীগের অফিস দুধ দিয়ে ধুয়ে নৌকার প্রার্থীর ব্যানার খুলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ব্যানার সাঁটানোর অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, পোড়াবাড়ি বাজারে আওয়ামী লীগের অফিসে নৌকার প্রার্থী এডভোকেট মামুন-অর-রশিদের ব্যানার খুলে ঈগলের প্রার্থী ছানোয়ার হোসেনের ব্যানার লাগিয়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম।
এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থীর নেতাকর্মীরা নৌকার কর্মী ও অনুসারীদের বাড়ি ঘরে হামলাসহ হুমকি দিচ্ছেন। এর প্রতিবাদ জানিয়ে মঙ্গলবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সদর আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী এডভোকেট মামুন-অর-রশিদ।
সংবাদ সম্মেলনে মামুন-অর-রশিদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে সদর আসনে নৌকার মনোনয়ন দিয়েছিলেন। কিন্তু স্বতন্ত্র প্রার্থী ছানোয়ার হোসেন কালো টাকা ছড়িয়ে তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে নৌকার নেতাকর্মীদের হুমকি ধামকি দিয়ে তার পক্ষে কাজ করিয়েছেন। তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে আমার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হুমকি ধামকি দিয়ে যাচ্ছেন। আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী বর্তমানে বাড়িছাড়া। আমি এর প্রতিবাদ জানাই।
তিনি বলেন, পোড়াবাড়ি আওয়ামী লীগ কার্যালয় দুধ দিয়ে ধুয়ে আমার ব্যানারের পরিবর্তে সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ব্যানার লাগিয়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম। গালা ইউনিয়নের সূত্রধরপাড়ায় সাধন চন্দ্র, ঘারিন্দা ইউনিয়নে বড়রিয়া গ্রামের স্বাধীন, মগড়ার চৌরাকররা গ্রামের স্বাধীন, মাজেদুর, শামীমসহ নৌকার অসংখ্য নেতাকর্মীকে হুমকি ও মারধর করছেন এমপি ছানোয়ারের নেতাকর্মীরা। এসব ঘটনায় পৃথক পৃথকভাবে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তাদের শাস্তি দাবি করছি।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা, উপ-দপ্তর সম্পাদক আনন্দ মোহন দে, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক বদিউজ্জামান ফারুক, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শামীমা আক্তার, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এলেন মল্লিক, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এহসানুল ইসলাম আজাদ, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক বলেন, জহিরুল স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচন করেছেন। তাতে কোনো আপত্তি নেই। আওয়ামী লীগের কার্যালয় তিনি দুধ দিয়ে ধুয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ছবি লাগানোর কারণে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পোড়াবাড়ী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম বলেন, আমি ঈগলের নির্বাচন করেছি। তবে অফিস দুধ দিয়ে পরিষ্কার করিনি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে।
টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন বলেন, আমার কোনো সন্ত্রাসী বাহিনী ও কালো টাকা নেই। কোনো প্রকার কালো টাকা ছড়াইনি। নৌকার প্রার্থী কালো টাকা ছড়ানোর কারণে আমি ভোট কম পেয়েছি। তা না হলে আমি আরও অনেক বেশি ভোট পেতাম।
একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, নৌকার বাইরে ট্রাক, ছাতি, ঈগল এগুলো কোন মার্কা না। টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে নৌকা ছাড়া অন্য কোন মার্কার অস্তিৃত্ব নেই। ঐতিহ্যবাহী কালিহাতীর মানুষ সারা জীবন আওয়ামী লীগ, নৌকা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিল। আসন্ন নির্বাচনেও তারা বিপুল ভোটে নৌকাকে বিজয়ী করবে। শেখ হাসিনার উন্নয়নের অগ্রগতি অব্যাহত রাখবে।
বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার এলেঙ্গা সরকারি শামসুল হক কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত বিশাল এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি একথা বলেন। জনসভায়প্রায় ১০ হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে পুরো মাঠ কানায় কানায় ভরে উঠে।
মন্ত্রী আরো বলেন, এই নৌকা মাওলানা ভাসানীর নৌকা, বঙ্গবন্ধুর নৌকা, শেখ হাসিনার নৌকা, উন্নয়নের নৌকা। কোন ষড়যন্ত্রের দিকে না তাকিয়ে নৌকাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে হবে। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে দেখেছি, অনেক সূর্য ও নক্ষত্রের পতন হয়েছে। আমরা দেখেছি অনেক বড় বড় নেতা মশাল নিয়ে আলোকিত করতে চেয়েছে , কেউ কেউ নীতি আদর্শ বিসর্জন দিয়ে ধানের শীষ নিয়েও নির্বাচন করেছেন। কিন্তু তারা কেউই জনগণের মন জয় করতে পারে নাই। দেশের শান্তি ও উন্নয়ন চাইলে হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবাই মিলে শান্তিতে থাকতে হলে নৌকার কোন বিকল্প নাই। আবার যদি জামায়াত-শিবির তাদের ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে নৌকাকে পরাজিত করতে পারে, তাহলে দেশের মানুষের ভাগ্যে আবার দুর্দশা নেমে আসবে।
ড. রাজ্জাক জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা হাত তুলে শপথ নিন নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে প্রার্থী মোজহারুল ইসলাম তালুকদারকে এমপি নির্বাচিত করে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করবেন।
এলেঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন তুলার সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আশরাফুজ্জামান স্মৃতি ও আনিসুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুভাষ সাহা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন মোল্লা, কালিহাতী পৌর মেয়র নুরন্নবী সরকার, দশকিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক ভূইয়া, গোহালিয়াবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাই আকন্দ, সল্লা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলীম, নারান্দিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদ তালুকদার, দুর্গাপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন প্রামাণিক, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহআলম মোল্লা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক আব্দুল লতিফ মোল্লা ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মনির প্রমূখ।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, এই নির্বাচন আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন নিয়ে প্রতিযোগিতা রয়েছে। কোনো ষড়যন্ত্রই এই নির্বাচনে আঘাত করতে পারবে না। জনগণই মোকাবেলা করবে এবং জনগণই প্রতিরোধ করবে। অত্যন্ত উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে সকলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে সফলভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
আগামী ৩ জানুয়ারি ভাচ্যুয়ালি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টাঙ্গাইলের পৌর উদ্যানে জনসভায় যুক্ত হওয়ার প্রস্তুতি কার্যক্রম শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেলে পরিদর্শনকালে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, এবার বাংলাদেশের মানুষ হরতাল অবরোধ ভুলে গেছে। ২০১৪ ও ২৩ সালের মধ্যে অনেক অনেক পার্থক্য রয়েছে। এবার তারা নির্বাচনের দিন কোন সন্ত্রাস করতে পারবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, নির্বাচন কমিশনের অনেক নির্দেশনা রয়েছে। সকল মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে নির্বাচন সুষ্ঠু এবং সুন্দর হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, টাঙ্গাইলে ৮টি আসনই নৌকা জয়যুক্ত হবে। টাঙ্গাইলকে সাংস্কৃতিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের এমপি, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত (নৌকা) প্রতীকের প্রার্থী মামুন অর রশিদ, টাঙ্গাইল-৩ আসনের আওয়ামী লীগের মনোনীত (নৌকা) প্রতীকের প্রার্থী ডা. কামরুল হাসান খান, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের জনপ্রিয় সদস্য নিহত বীরমুক্তিযোদ্ধা শহীদ ফারুক আহমদের স্ত্রী নাহার আহমদ ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
শুক্রবার(২৯ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ১১টার দিকে শহরের কলেজপাড়ার নিজ বাসায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন তিনি।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। তিনি দুই ছেলে, এক মেয়ে সহ আত্মীয়-স্বজন ও বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তার অকাল মৃত্যুতে টাঙ্গাইলের রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) বাদ যোহর টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থান জামে মসজিদে মরহুমার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা নামাজে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, টাঙ্গাইল সদর-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন, বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্যসহ আওয়ামীলীগ ও এর সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাকর্মী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং মরহুমার আত্মীয়-স্বজনরা অংশগ্রহণ করেন। পরে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেনের প্রচারণায় আনুষ্ঠানিকভাবে নামলেন জেলা, পৌর ও যুব মহিলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা।
এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল শহরের পার-দিঘুলিয়ায় অবস্থিত ছানোয়ার হোসেনের রাজনৈতিক কার্যালয় ‘তৃণমূল ভবনে’ সভার আয়োজন করে জেলা ও পৌর মহিলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেন।
টাঙ্গাইল জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌসী আক্তার রুনুর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন- জেলা যুব মহিলালীগের সাধারণ সম্পাদক নাজমুজ সালেহীন, শহর মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লাভলী তালুকদার, সাংগঠণিক সম্পাদক ডা. তাসলিমা খায়ের প্রমুখ।
জেলা মহিলালীগের সহ-সভাপতি মাহমুদা শেলীর সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা মহিলালীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক আসমা হোসাইন মলি, নাসরিনসহ শহর মহিলা আওয়ামীলীগের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় দুই শতাধিক মহিলা নেতাকর্মীরা।
সভায় বক্তারা বলেন, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি। তিনি আমাদের রাজনৈতিক নেতা ও অভিভাবক। টানা দুইবার তিনি এ আসনের আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ও নির্বাচিত সংসদ সদস্য। এ কারণে আমরা উনার নির্বাচনী প্রচারণায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করছি। আমাদের বিশ্বাস এবারও তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার মুখ উজ্জল করবেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী মিছিলে আওয়ামী লীগ দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেনের সমর্থকের গুলিতে যুবলীগ নেতাসহ তিনজন আহত হয়েছেন।
রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) দিনগত রাত ১১টার দিকে সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধরা হলেন- বাঘিল ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান রোকন, কর্মী সিয়াম ও রোকন মিয়া। তাদের মধ্যে রোকনুজ্জামানের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
ওই আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মামুনুর রশিদ জানান, রাতে বাঘিলে নৌকার পক্ষে তার সমর্থকরা মিছিল বের করে। এসময় বর্তমান এমপি ছানোয়ার হোসেনের সমর্থকরা মিছিলে অতর্কিত গুলি চালায়। এতে ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। তাদের টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন জানান, রাত ১১টি ৩০ মিনিটে নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গ করে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে কেন মিছিল করা হয়েছে? নৌকার পক্ষের লোকজন ঈগলের অফিস ভাংচুর করে এই নাটক সাজিয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনায় যারা আহত হয়েছে, তারা কেউ যুগনি এলাকার লোক নয়। এরা সবাই বহিরাগত। ঈগলের অফিস রাতে ভাঙচুর করার সাথে সাথেই সদর থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। আশা করি, সুষ্ঠ তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা বের হয়ে আসবে।
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) লোকমান হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থীর দুই সমর্থককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে টাঙ্গাইল-৫ আসনে এমপি নির্বাচিত হন ছানোয়ার হোসেন। তবে এবার তাকে সরিয়ে ওই আসনে মামুনুর রশিদকে নৌকার মাঝি করেছে আওয়ামী লীগ।
একতার কণ্ঠঃ অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা। নির্বাচনে অংশ নেওয়া জাতীয়পার্টি, স্বতন্ত্রসহ অন্যান্য দলের প্রার্থীরা এ সংশয় প্রকাশ করেছেন।
শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) দিনব্যাপি টাঙ্গাইল পৌরসভা মিলনায়তনে কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটর্স ওয়ার্ল্ড (সম্মিলিত মানবাধিকার বিশ্ব) টাঙ্গাইল জেলা ইউনিট আয়োজিত পরিচিতি ও এক মঞ্চে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের প্রার্থীদের ভাবনা নিয়ে আলোচনা সভায় এ সংশয় প্রকাশ করেন তাঁরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র ও সংগঠণের উপদেষ্টা এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর। উদ্বোধক ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সংগঠণের উপদেষ্টা এডভোকেট জাফর আহমেদ।
কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটর্স ওয়ার্ল্ড (সম্মিলিত মানবাধিকার বিশ্ব) টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের সভাপতি আরিফুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম আল মামুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠণের কার্যকরী সভাপতি মোহাম্মদ আরিফ উর রহমান টগর।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে অংশ নেওয়া জাতীয়পার্টি, স্বতন্ত্রসহ অন্যান্য দলের প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় বাঁধা, কর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, পোস্টার ছিঁড়ে ফেলাসহ অফিস ভেঙে ফেলার তীব্র সমালোচনা করেন। জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বরাবর দফায় দফায় অভিযোগের পরও এক পেশে নির্বাচনী পদ্ধতির কোন উন্নতি না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন তাঁরা।
প্রধানমন্ত্রী ও নির্বাচন কমিশনের দেওয়া প্রতিশ্রুতির ভোটারদের সম্পৃক্ততা ও অবাধ সুষ্ঠু ও প্রভাবমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা।
এ সময় জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, কেটলী প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এড্ভোকেট খন্দকার আহসান হাবীব, মাথাল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ সিদ্দিকী, পাটের আঁশ প্রতীকের তৃণমূল বিএনপি প্রার্থী আলহাজ্ব মো. শরিফুজ্জামান খান মহব্বত, বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি মনোনীত একতারা প্রতীকের প্রার্থী মো. হাসরত খান ভাসানী, আওয়ামীলীগের বর্তমান সংসদ সদস্য ও দ্বাদশ নির্বাচনের ঈগল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব মো. ছানোয়ার হোসেনের পক্ষে বিদ্যুৎ ও বিএনএম মনোনীত নোঙর প্রতীকের প্রার্থী মেজর (অবঃ) তৌহিদ চাকলাদারের পক্ষে ছোট ভাই মো. তৌসিফুর রহমান চাকলাদার উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে কম্বাইন্ড হিউম্যান রাইটর্স ওয়ার্ল্ড (সম্মিলিত মানবাধিকার বিশ্ব) নবগঠিত টাঙ্গাইল জেলা ইউনিটের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রিক ও অনলাইন মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
পবিত্র কোরআন তেলওয়াত, গীতাপাঠ ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বর্ণিল অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা। ফুল দিয়ে বরণ করাসহ শেষে নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রার্থীদের স্ব স্ব প্রতীকের ক্রেস্ট উপহার দেয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বিএনপি চাচ্ছে আগামী নির্বাচন যাতে ভালো ভাবে না হয়। দেশে অরাজকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। তাই তারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়। আমরা গোপালগঞ্জের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অতীতেও ভোট দিয়েছি, আগামী দিনেও ভোটর উপস্থিতি দেখিয়েও প্রমাণ করব।
শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের মধুপুরে উপজেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত কর্মী সমাবেশে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, অতীতে গোপালগঞ্জের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মধুপুরে নৌকায় ভোট দেওয়া হয়েছিল। এবারও গোপালগঞ্জের মত নৌকায় ভোট দিয়ে দেখিয়ে দিতে হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। এই মধুপুর শেখ হাসিনার মধুপুর, এই মধুপুর আওয়ামী লীগের মধুপুর, এই মধুপুর বঙ্গবন্ধুর মধুপুর।
তিনি আরও বলেন, যত ষড়যন্ত্রই হোক, সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে মধুপুরের জনগণ আবারও দেখাবে এখানে আওয়ামী লীগ কত শক্তিশালী।
উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইয়াকুব আলীর সভাপতিত্বে কর্মী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বাপ্পু সিদ্দিকী, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান, যুগ্ম সম্পাদক ডা. মীর ফরহাদুল আলম মনি, সাদিকুল ইসলাম সাদিক, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ভাইস চেয়ারম্যান শরীফ আহমদ নাসির, যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক খন্দকার আলমগীর হোসেন শিমুল প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ আগামী ৭ জানুয়ারি আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন ও অসহযোগ আন্দোলনে বিএনপি নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত করতে লিফলেট বিতরণ করেছে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা ও পৌর বিএনপি।
শুক্রবার (২২ ডিসেম্বর) সকালে মির্জাপুর পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় উপজেলা বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ মিয়ার নেতৃত্বে প্রায় ঘন্টাব্যাপী এই লিফলেট বিতরণ করা হয়।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এস.এম মহসীন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আলী আজম সিদ্দিকী, সাংগঠনিক সম্পাদক রমজান আলী, উপজেলা যুবদলের তিন যুগ্ম-আহবায়ক ফজলুর রহমান, মো. ফরিদ মিয়া, মনিরুজ্জামান মনির, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ওয়াজেদ মৃধা, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আরিফুল ইসলাম স্বপন, পৌর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি লাভলু সিদ্দিকী, পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক ইমরান সিদ্দিকী, সদস্য সচিব সিয়াম আহমেদসহ অনেকেই।
লিফলেট বিতরণের সময় উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র নেতারা উপস্থিত জনগণকে আগামী ৭ জানুয়ারি সংসদ নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার জন্য আহ্বান জানান। পাশাপাশি অসহযোগ আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারের পতন নিশ্চিত করতে বিএনপি’র নেতা-কর্মীসহ সকলকে রাজপথে নেমে আসার আহবান জানান।
বিতরণকৃত লিফলেটে ভোট গ্রহণে নিযুক্ত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে বিরত থাকা, জনগণকে সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা, বিদ্যুৎ বিল প্রদানে বিরতসহ সকল প্রকার ব্যাংক লেনদেন যথাসম্ভব এড়িয়ে চলার কথা লেখা রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি অংশ নিচ্ছে স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও। এ ভোটের লড়াইয়ে প্রস্তুত নারী প্রার্থীরাও। তবে নির্ধারিত নারী আসনে নয় বরং পুরুষদের পাশাপাশি প্রতিযোগিতা করেই নির্বাচিত হতে চান টাঙ্গাইলের তিন নারী প্রার্থী, হতে চান সংসদ সদস্য। এ নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তাঁরা।
তাঁরা বিজয়ী হয়ে সন্ত্রাস, মাদক, বৈষম্যমুক্ত সুন্দর সমাজ গড়তে চান। তিনটি আসনে ওই তিন প্রার্থীর বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বীতায় রয়েছেন হেভিওয়েট প্রার্থীসহ ১৯ জন পুরুষ প্রার্থী।
টাঙ্গাইলের আটটি আসনের মধ্যে তিনটি আসনে তিন নারী প্রার্থী ভোট লড়াইয়ে মাঠে নেমেছেন। তারা হলেন- টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে স্বতন্ত্র (ঈগল) প্রতীকের প্রার্থী সারওয়াত সিরাজ শুক্লা, টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেস (ডাব) প্রতীকের প্রার্থী রুপা রায় চৌধুরী ও টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে তৃণমূল বিএনপি’র (সোনালী আঁশ) প্রতীকের প্রার্থী পারুল।
টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের প্রার্থী উপজেলার বেতডোবা গ্রামের সারওয়াত সিরাজ শুক্লা সাবেক মন্ত্রী এবং স্বাধীনতার ইসতেহার পাঠক শাহাজাহান সিরাজের মেয়ে। শুক্লা সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী। তাঁর বাবা শাহাজাহান সিরাজ আওয়ামী লীগ, জাসদ, গণফোরাম, বিএনপি, তিনি যখন যে দল করেছেন তার অনুসারীরা সেই দলেই ঠাই নিয়েছেন। তাঁর মৃত্যুর পরও রয়ে গেছে অনেক ভক্ত। শাজাহান সিরাজের অনুসারীদের সাথে নিয়ে সারওয়াত সিরাজ শুক্লা নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন।
ঈগল প্রতীকের প্রার্থী সারওয়াত সিরাজ শুক্লা বলেন, আমার বাবা শাহজাহান সিরাজের পাশে যেভাবে কালিহাতীবাসী দাঁড়িয়েছেন আমার পাশেও সেভাবেই থাকবেন। আমি অবশ্যই কালিহাতীকে মাদক, সন্ত্রাস, বৈষম্যমুক্ত, সুন্দর অনন্য উচ্চতার একটি উপজেলা গড়ার জন্য কাজ করবো। আমি বিজয়ী হলে সবার আগে শিশু ও নারীদের জন্য একটি হাসপাতাল করবো। আমি শতভাগ আশাবাদী ভোট দিয়ে কালিহাতীর জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে।
তাঁর বিপরীতে হেভিওয়েট প্রার্থী আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী স্বতন্ত্র (ট্রাক) প্রতীকের প্রার্থী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আওয়ামী লীগের মনোনীত (নৌকা) প্রতীকের প্রার্থী মোজহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু, জাকের পার্টির (গোলাপ ফুল) প্রতীকের প্রার্থী মোন্তাজ আলী, জাতীয় পার্টির (লাঙ্গল) প্রতীকের প্রার্থী লিয়াকত আলী, তৃণমূল বিএনপির (সোনীল আঁশ) প্রতীকের শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (একতারা) প্রতীকের প্রার্থী শুকুর মামুদ ও জাতীয় পার্টি-জেপি (বাইসাইকেল) প্রতীকের প্রার্থী সাদেক সিদ্দিকী ভোট যুদ্ধে রয়েছেন।
টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৫৫৬ জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮৯২, নারী ভোটার ১ লাখ ৭৫ হাজার ৬৬২, তৃতীয় লিঙ্গ ২ জন।
টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন রুপা রায় চৌধুরী। তিনি একজন গৃহীনী। মির্জাপুরের বাগজান গ্রামের অনিল মৈশালের মেয়ে ও হিমাংশু শেখর রায় চন্দনের স্ত্রী তিনি। সর্বমহলে পরিচিত এই নারীর নির্বাচন করা হলো একমাত্র নেশা। তিনি এর আগে একবার ইউনিয়ন পরিষদে ও দুইবার জাতীয় সংসদ এবং একবার উপনির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। প্রতিবার জামানত হারানো এই নারী এবারও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
ডাব প্রতীকের প্রার্থী রুপা রায় চৌধুরী বলেন, জনগণের সেবা করা আমার ইচ্ছা। আমার বিশ্বাস, জনগণ একবার না একবার আমাকে সেবা করার সুযোগ দিবেই। আমি বিজয়ী হলে মির্জাপুরকে স্মার্ট উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবো। সুষ্ঠু ও নিরপক্ষ নির্বাচন হলে আমি আশাবাদী বিপুল ভোটে বিজয়ী হবো।
এ আসনে তার বিপরীতে প্রার্থী বর্তমান এমপি ও আওয়ামী লীগের মনোনীত (নৌকা) প্রতীকের প্রার্থী খান আহমেদ শুভ, তিনবারের উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও স্বতন্ত্র (ট্রাক) প্রতীকের প্রার্থী মীর এনায়েত হোসেন মন্টু, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের (গামছা) প্রতীকের প্রার্থী আরমান হোসেন তালুকদার, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি (হাতুড়ী) প্রতীকের প্রার্থী গোলাম নওজব চৌধুরী, জাতীয় পার্টির (লাঙ্গল) প্রতীকের প্রার্থী জহিরুল ইসলাম জহির, জাকের পার্টির (গোলাপ ফুল) প্রতীকের প্রার্থী মোক্তার হোসেন ও জাসদ (মশাল) প্রতীকের প্রার্থী মঞ্জুর রহমান মজনু ভোট যুদ্ধে রয়েছেন।
টাঙ্গাইল-৭ মির্জাপুর আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৪৩২ জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮০ হাজার ২০৬, নারী ভোটার ১ লাখ ৭৮ হাজার ২২০, তৃতীয় লিঙ্গ ৬ জন।
টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে তৃণমূল বিএনপি’র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে নাম লিখিয়েছেন পারুল। কালিহাতী উপজেলার গোলড়া গ্রামের গৃহীনী পারুল লোকমান হোসেনের স্ত্রী। তিনি সখীপুর-বাসাইলে অপরিচিত এক নাম। এই আসনে তাকে চেনেন এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দায়। তারপরও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন তিনি।
সোনালী আঁশ প্রতীকের প্রার্থী পারুল বলেন, আমি অন্যায়, অবিচার, দুর্নীতি দূর করে দুই উপজেলাকে সুন্দর করে সাজাতে প্রার্থী হয়েছি। দুই উপজেলার জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করলে মানবকল্যাণে নিবেদিত থাকবো।
এ আসনের হেভিওয়েট প্রার্থী কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি (গামছা) প্রতীকের প্রার্থী বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম, সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের মনোনীত (নৌকা) প্রতীকের প্রার্থী অনুপম শাহজাহান জয়, জাতীয় পার্টির (লাঙ্গল) প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম, বিকল্পধারা বাংলাদেশ (কুলা) প্রতীকের প্রার্থী আবুল হাশেম ও বাংলাদেশ কংগ্রেস (ডাব) প্রতীকের প্রার্থী মোস্তফা কামাল।
টাঙ্গাইল-৮ বাসাইল- সখীপুর আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৯০ হাজার ১০ জন। পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮২, নারী ভোটার ১ লাখ ৯৬ হাজার ৩৪, তৃতীয় লিঙ্গ ৪ জন।
একতার কণ্ঠঃ আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত ‘নৌকা’ প্রতীকের প্রার্থী তানভীর হাসান ছোট মনির ও স্বতন্ত্র ‘ঈগল’ প্রতীকের প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছেন ওই আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি।
জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু তার নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ করার জন্য ভূঞাপুর পৌর শহরের দারোগ আলী সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় ডেল্টা লাইফ ইন্সুরেন্স কার্যালয়ে সৌজন্যে সাক্ষাতের জন্য বসেন। এসময় তার প্রচারণার সংবাদ শুনে আওয়ামী লীগ মনোনীত ‘নৌকা’ প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থিত কর্মীরা ওই কার্যালয়ে হামলা চালায় এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে অফিসের জানালার গ্লাস ভেঙে যায়। এছাড়াও অফিসের নিচে থাকা মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এরই প্রেক্ষিতে ঘটনার দিন বিকালেই প্রধান নির্বাচন কমিশন টাঙ্গাইল বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু। তার অভিযোগ আমলে নিয়ে নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ছোট মনিরকে বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা ৩০মিনিটে নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি টাঙ্গাইল কার্যালয়ে স্বশরীরে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
অপরদিকে, গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন লিখিত অভিযোগ করেন যে- মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুর সমর্থিতরা ঝাওয়াইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অফিসে প্রবেশ করে বঙ্গবন্ধুর ছবি, আসবাবপত্র ভাঙচুর ও কেন্দ্র খরচের টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করেন। এই অভিযোগ আমলে নিয়ে বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি টাঙ্গাইল কার্যালয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুকে স্বশরীরে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম বলেন, গোপালপুর ভূঞাপুরে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী তানভীর হাসান ছোট মনির ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুছ ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু এই দুই প্রার্থীর কাছে ব্যাখা চেয়ে বৃহস্পতিবার তলব করা হয়েছে। এই নির্বাচনী এলাকায় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়েছে।