একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলে গাছের পাতার দাম এখন ৩ হাজার টাকা। শুনতে অবাক লাগলেও এমনটাই দাবি স্থানীয়দের। রীতিমতো রশিদ দিয়ে টাকা নেয়ার কথা স্বীকারও করেছেন বনকর্মীরা। তাদের দাবি, বনের দেখভালে ব্যবহার করা হয় এই অর্থ। তবে এই বিষয়ে কিছুই জানেন না টাঙ্গাইলের বন কর্মকর্তা।
ফাল্গুন-চৈত্র মাসে গাছের ঝরা পাতার স্তুপ জমে মধুপুর বনাঞ্চলে, যা কুড়িয়ে জ্বালানির কাজ চলে স্থানীয়দের। কেউ আবার কুড়ানো পাতা বিক্রি করে রোজগার করেন। কিন্তু এতে বাধ সেধেছেন রেঞ্জ কর্মকর্তারা। দোখলা রেঞ্জে শুকনো পাতার জন্য প্রতিজনের কাছ থেকে ৩ হাজার টাকা করে নিচ্ছেন তারা।
অভিযোগ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে পাওয়া যায়নি দোখলা রেঞ্জ কর্মকর্তাকে। তবে রশিদ দিয়ে টাকা নেয়ার কথা স্বীকার করছেন এক বনকর্মী। তার দাবি, বনরক্ষায় খরচ হয় এই অর্থ।
এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে কিছুই জানা নেই বলে দাবি বিভাগীয় বন কর্মকর্তার। টাঙ্গাইল বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো সাজ্জাদুজ্জামান বলেন, এমন কোনো অভিযোগ থাকলে এ বিষয়ে আমরা তদন্ত করবো।
প্রসঙ্গত, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮২ সালে বনের ৮৪ হাজার ৩৬৬ হেক্টর জায়গাকে মধুপুর ও ভাওয়াল নামে দু’টি জাতীয় উদ্যান ঘোষণা করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সন্ত্রাসীদের অপকর্মের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার(১২ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মৃত্তিকা বিজ্ঞানী ও কৃষিবিদ দুলাল মিয়া বলেন, টাংগাইলের মির্জাপুর উপজেলার সিংজুরী গ্রামের আশুতোষ সরকার, গৌড় চন্দ্র সরকার এবং নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে স্থানীয় ভাতগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম ও ইউপি মেম্বার নাজিম উদ্দিন সহকারে একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্র গড়ে উঠেছে যা,দেশব্যাপী সাংগঠনিক আকারে বিরাজমান।এই সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্রের অন্যান্য সদস্যরা হচ্ছে সিংজুরী গ্রামে দুলাল সিকদার, সানোয়ার হোসেন, রতন বিশ্বাস, রফিক মিয়া, বাচ্চু মিয়া, বাদশা মিয়া, লাভলী বেগম, বাছিরণ বেগম, শিপ্রা বিশ্বাস, সন্তোষ সরকার, সন্তোষ সরকার বিএসসি, মনীন্দ্রনাথ সরকার,দীনেশ সরকার, শদু মিয়া, পরীক্ষিত সরকার, করুনা সরকার, শামছুল আলম, চাঁন মিয়া খানসামা, বাবুল খানসামা, আব্দুর রহমান প্রমুখ।
তিনি লিখিত বক্তব্যে আরো বলেন,এই সকল সন্ত্রাসীরা নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী একজন আরেকজনের সহিত আত্মীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ, কিছু সংখ্যক আত্মীয়তার সূত্র ধরে অন্য গ্রাম থেকে সিংজুরী গ্রামে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস করছে। সমাজ ও নৈতিকতা বিরোধী কাজের জন্য ইতোপূর্বে এদের অনেকের বিরুদ্ধে একাধিক গ্রাম্য সালিস হয়েছে, অনেকের বিরুদ্ধে হত্যাসহ বিভিন্ন ধরনের মামলা রয়েছে।
এমনকি এদের অনেকে অবৈধ ড্রেজার ব্যবসার সাথে জড়িত। এই সব ব্যক্তিগণ একাধিক অসৎ উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে স্থানীয় নিরীহ কৃষক ও মুদি দোকানদার মেছের আলীর জমি বেআইনীভাবে স্থানীয় রতন বিশ্বাস কে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য বাধ্য করতে মেছের আলীসহ আমাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করে আসছে। ক্রয়সূত্রে রেজিস্ট্রি দলিলমূলে বিগত ২৭ বছর যাবত ভোগদখলরত অবস্থায় মেছের আলী বাদী হয়ে ২০২১ সালে ৪ মার্চ ও ৩১ মার্চ ভূমি বিষয়ে ১৪৪ ধারা ও ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করলে বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক দখলাবস্থা বজায় রাখার আদেশ হয় এবং ২০২১ সালের ২৪ এপ্রিল মির্জাপুর থানা কর্তৃক শান্তি শৃংখলা বজায় রাখার নোটিশ জারী করা হয়। মেছের আলীর দায়েরকৃত ১১৫/২১ নং ঘোষণামূলক মোকদ্দমায় বাদীপক্ষে মেছের আলীর দীর্ঘকাল ব্যাপী ভোগদখল বিদ্যমান মর্মে ২০২১ সালের ২৮ অক্টোম্বর তারিখে বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক স্থিতিবস্থা আদেশ হয়। সন্ত্রাসীরা রতন বিশ্বাস কে বাদী করিয়ে ২০২১ সালের ২৪ মার্চ হুমকির একটা মিথ্যা মামলা দায়ের করায়, উক্ত মামলায় গত ১৪/০২/২০২২ ইং তারিখে মেছের আলী সহ চারজন অব্যাহতি পেয়েছে।
বিজ্ঞ আদালতের আদেশ এবং মির্জাপুর থানার নোটিশ অমান্য করে ২০২১ সালে ধারাবাহিকভাবে সন্ত্রাসীরা সংঘবদ্ধভাবে ষড়যন্ত্র, অবৈধ সমাবেশ, হুমকি, দোকান ভাংচুর ও দোকানবন্ধ, একঘরে করণ, ঈদের নামাজ ও কোরবানী নিষিদ্ধকরণ, চুরি, ডাকাতি, চাদাদাবী, হামলা, মিথ্যাচার, অপপ্রচার ও মানববন্ধনের নামে মিথ্যাচার,সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, শতভাগ মিথ্যা তথ্য সংবাদপত্রে প্রকাশিত করা সহ বহুমুখী অপরাধ করে আসছে। বর্তমানে সন্ত্রাসীদের ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে, তাদের অপকৌশল কিছুটা পরিবর্তিত হয়েছে। পাঁচবারের সকল তদন্তে মেছের আলীর দাবি ও অভিযোগের সত্যতা মিলে, নামজারী ও তদন্ত প্রতিবেদনসহ ভূমি বিষয়ক কর্মকর্তার চারটি প্রতিবেদন ও চারটি মামলায় বিজ্ঞ আদালতের আদেশ মেছের আলীর পক্ষে। থানার দুটি তদেেন্ত আসামীরা তাদের অপকর্মের স্বীকারোক্তি প্রদান করে আপোস মীমাংসার অজুহাতে আসামীরা ষড়যন্ত্র করে ধারাবাহিক অপরাধ করেছে।
তিনি আরো বলেন,সন্ত্রাসীদের অপকর্ম, মিথ্যাচার ও প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে গত ৩০ ডিসেম্বর, ২০২১ তারিখে টাংগাইল প্রেসক্লাবে ভূক্তভোগী পরিবারের পক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে আমি বিবৃতি প্রদান করি যার সংবাদ বিভিন্ন পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলে প্রচারিত ও প্রকাশিত হয়। উক্ত সংবাদ সম্মেলন ও প্রকাশিত খবরের ভিত্তিতে সন্ত্রাসীরা হুমকি দেয় যে তারা মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে পরবর্তী উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ করবে। প্রয়োজনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাবে ২ মে, ২০২১ থেকে বন্ধ মুদি দোকানের ডিসেম্বর, ২০২১ পর্যন্ত ভাড়া পরিশোধ করেও নিরুপায় হয়ে সিংজুরী নতুন ব্রিজ সংলগ্ন ভূমিতে মেছের আলী দোকান চালু করে, গত ০৩ জানুয়ারী রাতে সন্ত্রাসীরা উক্ত দোকানে থাকা সামগ্রী ভাংচুর করে। গত ৫ জানুয়ারী র্যাব, মহাপরিচালক বরাবর মেছের আলী আবেদন করেন।
মেছের আলীর জমিতে যাতে কোনো কৃষি শ্রমিক, ট্রাক্টর প্রবেশ করতে না পারে সেমর্মে আসামীরা এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। আমিসহ মেছের আলী ও তার পরিবার, আত্মীয়স্বজন কে হয়রানী করার জন্য আসামীরা নিয়মিত ষড়যন্ত্র করছে, হুমকি প্রদান করছে, ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। মির্জাপুর থানায় আপোস মীমাংসার মাধ্যমে রতন বিশ্বাস কে জমির দখল বুঝিয়ে দেবে, অন্যথায় হয়রানীমূলক মামলা দেওয়া হবে মর্মে সন্ত্রাসীদের পক্ষ হতে হুমকি দেয়া হচ্ছে।
মির্জাপুর থানায় মেছের আলী কর্তৃক দায়েরকৃত অভিযোগের ভিত্তিতে আসামীদের বিরুদ্ধে মির্জাপুর থানা কর্তৃক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন মর্মে গত ২৩ ফেব্রয়ারি দ্বিতীয় বারের মতো মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করা হয়েছে।
নিরুপায় ও অসহায় হয়ে মেছের আলী এসবের প্রতিকার চেয়ে গত ২৮ ফেব্রয়ারি দ্বিতীয়বার মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ ও মহাপরিচালক, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তর বাংলাদেশ বরাবর আবেদন করেছেন। এছাড়াও সরকারের দায়িত্বশীল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সংস্থা প্রধান বরাবর মেছের আলী একাধিক আবেদন করেছেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, এই সন্ত্রাসীরা বিশেষ অপকৌশল হিসেবে হিন্দু ইজম, হিন্দু আধিপত্য ও সংখ্যা লঘু আইনের প্রচার ঘটিয়ে সিংজুরী নাট মন্দিরে নিয়মিত মিটিং করে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে পারিপার্শ্বিক সব তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ধারাবাহিকভাবে বহুমুখী অপরাধ করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন, ভুক্তভোগী মেছের আলী, তার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও ছেলে শুকুর আলী।
একতার কণ্ঠঃ একাত্তরে বুদ্ধিজীবি হত্যা এবং গণহত্যার অভিযোগে আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইবুনাল বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার দুই যুদ্ধাপরাধীকে গ্রেপ্তার করেছে।আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের উপপরিচালক এবং তদন্তকারি কর্মকর্তা মতিউর রহমান খবরটি নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন: উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের বেড়াডাকুরি গ্রামের মৃত সবুর মাস্টারের পুত্র মনিরুজ্জামান কোহিনূর এবং চাতুটিয়া গ্রামের মৃত শফি উদ্দীনের পুত্র আলমগীর হোসেন তালুকদার।
এদিকে ,এই দুই যুদ্ধাপরাধীকে গ্রেফতারের খবরে সর্বত্র স্বস্তির নিশ্বাস ফিরে আসে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর kfফাঁসির দাবিতে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে গোপালপুর পৌরশহরে এক বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিল শেষে থানা ব্রীজ চত্বরে সমাবেশ অনুষ্ঠিত
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার বৈল্যা এলাকায় সহোদর ভাইয়ের জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বসতবাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পৌর এলাকার ২নং ওয়ার্ডের বৈল্যা এলাকায় মৃত হারান আলী মন্ডলের দুই ছেলে বড় ভাই বারি মিয়া ও ছোট ভাই মোকাদ্দেছ আলী বাড়ির সীমানা জটিলতা নিয়ে বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়। ওই দিন সন্ধ্যায় ৩০ থেকে ৩৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি লাঠি-সোটা সহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বারি মিঞার বসত বাড়িতে হামলা চালিয়ে বাড়ীর লোহার গেইট, প্রাইভেটকার ও বিল্ডিংয়ের জানালা ভাংচুর করে। পরে হামলাকারীরা বারী মিঞার পরিবারকে হত্যার হুমকি দেয়। এতে কমপক্ষে ২লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগি বারি মিয়া বলেন, দুই ভাই মিলে একত্রে বৈল্যা এলাকায় ২৮ শতাংশ জায়গা ক্রয় করে দীর্ঘ ২০ বছর যাবত আমি ছোট ভাইয়ের জায়গা দেখভাল করে আসছি। সীমানার দেড়ফুট জায়গা নিয়ে সামান্য ভুলবোঝাবুঝি সৃস্টি হলে স্থানীয় মাতাব্বর ও বোনেরা মিলে তাৎক্ষণিক মীমাংসা করে দেয়। সেই মীমাংসা না মেনে ছোট ভাই থানায় অভিযোগ দায়ের করে।
তিনি আরো বলেন, সন্ধ্যার দিকে ৩০ থেকে ৩৫ জন লোক এসে আমার বসত বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর করে। এসময় তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণে মারার হুমকি দেয়। এই ঘটনায় টাঙ্গাইল সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে আমি আমার পরিবার নিয়ে আতংকে আছি।
ছোট ভাই মোকাদ্দেছ আলী বলেন, বড় ভাই বাবার মত, আমি তার বাসায় হামলা করবো কেন? হামলা যখন ঘটে তখন আমি গ্রামের বাড়ি কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের চর হামজানিতে ছিলাম। তবে কারা এই ঘটনা ঘটাইছে তা আমি জানিনা।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভার ২ নং ওযার্ডের কাউন্সিলর ফরহাদ ইকবাল রুবেল জানান, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ভাবে আপোষ-মীমাংসা করে দিয়েছিলাম। কিন্তু বড় ভাই বারি মিঞা সিদ্ধান্ত না মানায় কথাকাটা ও ধস্তাধস্তি হয়। পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বড়ভাই বারি মিঞার বাড়ীতে হামলার ঘটনার বিষয়টি আমি শুনেছি। বিষয়টি স্থানীয় ভাবে মীমাংসার চেষ্টা চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ৪০ কেজি গাঁজাসহ ৬ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র্যাব। বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার রাজাবাড়ী এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে র্যাব।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে দশম শ্রেণির স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা
আটককৃতরা হলেনঃ- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলার বাটামাতা হাসিমপুর গ্রামের তারু মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়া (২৪), একই উপজেলার বিজয় নগর গ্রামের সেলিম মিয়ার ছেলে রাকিবুর রহমান (১৯), একই উপজেলার শাহপুর গ্রামের আঃ মুন্নাফের ছেলে ফারুক হোসেন (৩৫), একই উপজেলার খারপাড়া গ্রামের আঃ রহমানের ছেলে খলিল মিয়া (৩২), ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার আকাবপুর গ্রামের মন মিয়ার ছেলে জসিম উদ্দিন (২৫), কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলার ধলা গ্রামের আঃ হাকিম মেম্বারের ছেলে পাপন হোসেন (২৮)।
এসময় ৬ লাখ টাকা মূল্যের ৪০ কেজি গাঁজা, একটি প্রাইভেটকার, ১টি মাইক্রো, ৬টি মোবাইল এবং নগদ ১৯ হাজার টাকাসহ তাদের হাতেনাতে আটক করে র্যাব।
অপরদিকে, টাঙ্গাইলের সদরে ১ হাজার ৩ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র্যাব। মঙ্গলবার(২২ ফেব্রয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার রাবনা বাইপাস এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেনঃ- পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার মানিক নগর গ্রামের দুলাল হোসেনের ছেলে মিজানুর রহমান ওরফে ছানা (৩৬) ও একই গ্রামের আবেদ আলীর ছেলে রায়হান উদ্দিন (৩৫)।

এসময় ৩ লাখ টাকা মূল্যের ১ হাজার ৩ পিস ইয়াবা, একটি প্রাইভেটকার, ৪টি মোবাইল এবং নগদ ৩ হাজার টাকাসহ তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়।
র্যাব-১২, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন বুধবার(২৩ ফেব্রয়ারি) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, আটককৃতরা দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক দ্রব্য ইয়াবা ও গাঁজা অবৈধভাবে সংগ্রহ করে টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন থানাসহ অন্যান্য থানা এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে সরবরাহ করে আসছিলো। তাদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতী থানায় পৃথক পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে মিতানুর রহমান প্রভা (১৫) নামে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের কুঠিবয়ড়া গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে।
নিহত মিতানুর রহমান প্রভা কুঠিবয়ড়া গ্রামের মো: খলিলুর রহমানের মেয়ে। সে স্থানীয় অর্জুনা মহসিন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
প্রভার চাচা আলীম মোল্লা বলেন, মেয়েটির মা টাঙ্গাইল শিক্ষকদের প্রশিক্ষণে ছিল। সে ঘরের নিজ রুমে একাই ছিল এবং ল্যাপটপ চালাচ্ছিল। পরে ডাকতে ডাকতে প্রভার খোঁজ নিতে গিয়ে তার কোন সাড়া শব্দ নেই। পরে ঘরে ঢুকে দেখি ঘরের ধরনার সাথে গলায় ওড়না পেঁছানো অবস্থায় ঝুলে আছে প্রভা।
অর্জুনা ইউপি চেয়ারম্যান দিদারুল আলম খান মাহবুব বলেন, আত্মহত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। পরে হাসপাতালে নেয়া হলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন ।
তিনি আরও বলেন- সে স্থানীয় একটি স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, হয়তো প্রেমঘটিত কারণে আত্মহত্যা করতে পারে।
এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানা অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আব্দুল ওহাব জানান, মরদেহ হাসপাতাল থেকে থানায় আনা হয়েছে। এ ব্যাপারে মেয়ের মামার মৌখিক অভিযোগ পেয়েছি। আত্মহত্যার বিষয়ে তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তে রিপোর্ট পেলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায় এক প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে হত্যার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। এ ছাড়া ধর্ষণের বিষয়টি কাউকে জানালে সবাইকে মেরে ফেলা হবে বলেও তাদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। উপজেলার পাইস্কা ইউনিয়নে রোববার ( ২০ ফেব্রয়ারি) ওই ঘটনা ঘটেছে।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে ছেলেকে কাছে রাখতে না পেরে অভিমানে আত্মহত্যা
অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্ত হযরত আলী ব্যাপারীকে (৬০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চার সন্তানের পিতা হযরত আলী ওই গৃহবধূর প্রতিবেশী ও মৃত তমড় আলী ব্যাপারীর ছেলে।
ওই গৃহবধূর বাবা বলেন, ‘সপ্তাহ দুয়েক আগে রাতে বাড়ি ফেরার সময় আমার মেয়েকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে হত্যার হুমকি দিয়ে ধর্ষণ করে হযরত। বিষয়টি কাউকে বললে স্বামীসহ তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এই ঘটনার পর আমার মেয়ে অসুস্থ বোধ করলে হযরতের মামাতো ভাই সাদ্দাম হোসেন ও একই ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের ছোট ভাই আল মাহামুদ তাকে উপজেলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়। এরপর থেকে সাদ্দাম ও মাহামুদ টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আমাদের সবাইকে হুমকি দিচ্ছে। আমরা এর বিচার চাই।’
এ ব্যাপারে আল মাহামুদের কাছে জানতে চাইলে তিনি কিছু জানেন না বলে জানান। সাদ্দাম হোসেন ব্যস্ত থাকার কথা বলে ফোন কেটে দেন।
ধনবাড়ী থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) চান মিয়া জানান, প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ আল-আমীন (৪০) ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক পাশ করেন। ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ইকবাল খানের বড় ছেলে তিনি।
বিয়ে করেছিলেন একই উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের তালতলা গ্রামের ইউসুফ আলীর মেয়ে শিলাকে। সম্প্রতি তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে।
আশরাফুল নামে তাদের দুই বছরের এক ছেলে রয়েছে। কিন্তু স্ত্রী শিলার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সন্তানকে কাছে রাখতে না পেরে হতাশায় ভুগছিলেন তিনি।
এই হতাশা থেকে বিষপান করে আত্মহত্যা করেন আল-আমীন। শনিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে ঘাটাইল থানা পুলিশ মরদেহ নিহতের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।
এর আগের দিন শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে আল-আমীন বিষপান করেন। প্রথমে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি মারা যান। একটি চিরকুট লিখে যান তার ছোট ভাই মাহমুদের কাছে। সেই চিরকুটে আত্মহত্যার কারণ লিখে যান আমীন।
চিরকুটটির হুবহু তুলে ধরা হলো: ‘ভাই আমার জীবন আর চালাই নিতে পারছিনারে ভাই। প্রতিটি মুহূর্ত যন্ত্রণার। মাহমুদ, অনেক ভালোবাসি ভাই তোকে। আমাকে মাফ করে দিস। আমার সংসারটা শিলার বাবা, মা আর ওর ভাই নাহিদ নষ্ট করে দিছে। আমার কলিজা টুকরাকেও নিয়ে গেছে ওরা। ভাই, প্রতিদিনের এই যন্ত্রণা কষ্ট থেকে এটা ছাড়া উপায় ছিলনা। ভাই আমার অসহায়ত্ব আর চোখের পানিও ওদের কাছে হাসি তামাশার মনে হয়েছে। ভাই বাবুকে দেখে রাখিস। আর পারলাম না ভাই। একটু একটু করে মরার চেয়ে একেবারেই মরে যাওয়া ভালো। তাও যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাব। আমার আব্বা মাকে মাফ করে দিতে বইলো ভাই। আল-আমীন ১৭/২/২২’।
আল-আমীনের হাতে লেখা চিরকুট
আর সেই সুইসাইড নোটটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের আইডি থেকে পোস্ট করেছেন মাহমুদ।
মাহমুদের চাচা আবুল খায়ের খান বলেন, আল-আমীনের বিবাহ বিচ্ছেদের সময় ছেলে আশরাফুলকে স্ত্রী (শিলা) নিয়ে যাওয়ার কারণে আমিন মানুষিকভাবে ভেঙে পড়ে।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি আত্মহত্যা। মরদেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ কন্যাসন্তানসহ এক তৃতীয়লিঙ্গের ব্যক্তিকে আটকের প্রতিবাদে টাঙ্গাইল সদর পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালিয়েছে তৃতীয়লিঙ্গের লোকজন।এ সময় তাদের আক্রমণে এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।বুধবার (১৬ ফেব্রয়ারি) রাতে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার এলজিইডি মোড়ে অবস্থিত সদর পুলিশ ফাঁড়িতে ওই হামলার ঘটনা ঘটে। এঘটনায় তিন তৃতীয়লিঙ্গের ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় যুবক নিহত
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনিকা নামের এক তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি কন্যাসন্তান নিয়ে সন্ধায় জামালপুর থেকে বাসযোগে ঢাকা যাচ্ছিলেন। এসময় বাসে থাকা অন্যান্য যাত্রীদের সন্দেহ হলে এক যাত্রী ‘৯৯৯’ এ ফোন নিয়ে বিষয়টি অবগত করেন। পরে টাঙ্গাইল সদর পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে ফাঁড়িতে নিয়ে আসে। আটকের খবরটি ছড়িয়ে পড়লে শহরের অন্যান্য তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিরা একত্রি হয়ে ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এসময় এক পুলিশ সদস্য আহত হন। এ ঘটনায় জড়িত তৃতীয় লিঙ্গের তিন ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
আটককৃত মনিকা জানান, তার বাড়ি জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার শেহরীপূর্বপাড়া গ্রামে। তিনি আগে কামরুজ্জামান হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০১০ সালে পারিবারিক ভাবে একই উপজেলার পপি খাতুন নামের এক নারীর সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের দুই বছর পর তাদের ঘরে একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। এরপর থেকেই তার শারীরিক পরিবর্তন হতে থাকে। এ কারণে তার স্ত্রী পপি খাতুন তাকে ছেড়ে তার চাচাতো ভাইকে বিয়ে করে অন্যত্র চলে যান। ২০১৮ সালে তিনি তৃতীয় লিঙ্গে পরিণত হয়ে তার নাম রাখেন মনিকা। এরপর থেকেই তিনি তার কন্যা সন্তানানকে লালন-পালন করছেন। তিনি গ্রামের বাড়ি জামালপুর থেকে তার মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন। এসময় টাঙ্গাইলের রাবনা বাইপাস এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।

টাঙ্গাইল সদর ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক শামীম হোসেন বলেন, ‘মনিকা তার মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন। তার কোলে সন্তান দেখে বাসে থাকা অন্যান্য যাত্রীদের সন্দেহ হয়।এরপর এক নারী যাত্রী ৯৯৯এ ফোন করে জানায়। পরে তাকে শহরের রাবনা বাইপাস মোড় থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে ফাঁড়িতে নিয়ে আসা হয়। এ খবর পেয়ে অন্যান্য তৃতীয়লিঙ্গের ব্যক্তিরা একত্রিত হয়ে ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় তিনজন তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিকে আটক করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রেনে আসে।’

তিনি আরও জানান, মনিকা ওরফে কামরুজ্জামানের সাবেক স্ত্রী পপি খাতুনকে খবর দেয়া হয়েছিল। তিনি এসেছেন এবং তার সাথে কথা বলে জানা গেছে, এই সন্তান তাদেরই ঔরসজাত। তার স্বামীর শারীরিক পরিবর্তন হওয়ায় তিনি তাকে তালাক দিয়েছেন। এ কারণে তার সন্তানটি স্বামী মনিকা ওরফে কামরুজ্জামানের কাছেই থাকে। এজন্য মনিকাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। আর আটককৃতদের বিরুদ্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অপহরণ হওয়া ব্যবসায়ী মো. মশিউর রহমান খান মুরাদকে (৩৫) উদ্ধার করেছে র্যাব। এ সময় অপহরণকারী চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইল কালেক্টরেট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় এন্ড কলেজ সংলগ্ন জেলা সদর মাঠে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। দুপুরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১২-এর ৩ নম্বর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন টাঙ্গাইল পৌর শহরের দেওলা এলাকার মজিদ খানের ছেলে ওয়াসীম খান (৪৫), মৃত. আ. ছালামের ছেলে মো. হাবিবুল কবির জনি (৪৮), মো. শাহজাহান ফারুকের ছেলে মেহেদী হাসান শিশির (৩০) ও কোদালিয়া এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে মো. জুয়েল (৩৫)।
এর আগে সোমবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১২টার দিকে মশিউর রহমানকে অপহরণ করা হয়।
আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে চোলাই মদসহ এক নারী গ্রেপ্তার
র্যাব-১২-এর ৩ নম্বর কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, সোমবার রাতে শহরের কোদালিয়া এলাকা থেকে অস্ত্রের মুখে একদল সন্ত্রাসী মশিউর রহমাকে অপহরণ করে। পরে অপরহণকারীরা ব্যবসায়ীর পরিবারের কাছে মুক্তিপন হিসেবে দুই লাখ টাকা দাবি করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বড় ভাই টাঙ্গাইল র্যাব অফিসে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করে র্যাব। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোরে টাঙ্গাইল কালেক্টরেট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় এন্ড কলেজ সংলগ্ন জেলা সদর মাঠ থেকে অপহৃতকে উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয় অপহরণ চক্রের ৪ সদস্যকে।
তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় মশিউর রহমান টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় একটি মামলা করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ সিনেমাটিক স্টাইলে অবৈধ পথে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ অবৈধ গজারি কাঠ জব্দ করেছে টাঙ্গাইল বন বিভাগ।রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সদর উপজেলার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাওইখোলা এলাকা থেকে ১৮০ পিস গজারি কাঠ জব্দ করে বন বিভাগ।
এ ব্যাপারে বন বিভাগের টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া স্টেশন অফিসার সোলাইমান হোসেন জানান, দিবাগত রাত ৩ টার দিকে মহাসড়ক দিয়ে ট্রাক ভর্তি কাঠ ঢাকার দিকে যাচ্ছিলো। এ সময় ট্রাকটিকে সিগনাল দিলে তারা না থামিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে তাদেরকে ধাওয়া করে মহাসড়কের বাওইখোলা এলাকা থেকে ট্রাকটিকে আটক করা হয়।
তিনি আরো জানান, এ সময় ঢাকা মেট্রো-ট ২২-২৮৪২ নাম্বার ট্রাকের চালক পালিয়ে যায়। পরে ট্রাকটি আটক করে বন বিভাগের প্র্রধান কার্যলয়ে নিয়ে আসা হয়। এ ব্যাপারে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ৭৫ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। রোববার(১৩ ফেব্রয়ারি) রাতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের করটিয়া গরুর হাটের উত্তর পাশ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারকৃতনারী উপজেলার করটিয়া এলাকার নরেশ রবিদাসের স্ত্রী জ্যোৎস্না রাণী দাস (৪০)।
র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জ্যোস্না রাণী দাসকে ২২ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের ৭৫ লিটার দেশীয় চোলাই মদ, একটি মোবাইল, একটি সিম কার্ডসহ হাতেনাতে আটক করে র্যাব।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানান হয়, সে দীর্ঘদিন যাবৎ দেশীয় চোলাই মদ অবৈধভাবে সংগ্রহ করে টাঙ্গাইল সদর থানাসহ অন্যান্য থানা এলাকায় বিক্রি করে আসছিলো। আটককৃত নারীর বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।