/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ

একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগে ফারুক নামে এক ব্যক্তি ও তার সহযোগী বিশালকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।রোববার (৮ মে) ভোরে সিরাজগঞ্জ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

জানা গেছে, গত ৫ মে (বৃহস্পতিবার) সকালে ওই ছাত্রী দাদাবাড়ি যাওয়ার পথে অপহরণের পর ধর্ষণ করে বখাটেরা। এ ঘটনায় ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ৭ মে (শনিবার) সকালে ভূঞাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করলে পুলিশ ফারুক ও তার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত ফারুক ভূঞাপুর উপজেলার বানিয়াবাড়ি গ্রামের নাজমুল প্রধানের ছেলে এবং মো. বিশাল সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার হোসেনপুর উত্তরপাড়া গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে।

মামলা ও স্কুলছাত্রীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, মেয়েটি স্কুলে যাওয়ার আসার পথে ফারুক বিভিন্ন সময়ে প্রেমের প্রস্তাব ও নানাভাবে উত্যক্ত করত। প্রতিবাদ করলে তুলে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হতো তাকে। গত ৫ মে (বৃহস্পতিবার) ঈদের তৃতীয় দিন সকালে সকালে স্কুলছাত্রী একা তার দাদার বাড়ি যাচ্ছিল। এ সময় তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় ফারুক। সে প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ফারুক তার দলবল নিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায় মেয়েটিকে। এরপর নৌকাযোগে প্রথমে সিরাজগঞ্জের তার এক বন্ধুর বাসায় নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে ফারুক। তারপর সেখান থেকে ফারুক তার খালার বাসায় নিয়ে ফের ধর্ষণের পর শারীরিক নির্যাতন করে বিয়ের চাপ সৃষ্টি করে। এতকিছুর পরও বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তার এক সহযোগী অপহরণকারীর বাড়িতে সন্ধ্যার দিকে স্কুলছাত্রীকে নিয়ে আসে ফারুক ও তার অন্যান্য সহযোগীরা।

এরপর এ বিষয়টি মেয়েটির বাবা জানতে পেরে ওইদিন রাতেই ফারুকের বন্ধুর বাড়ি থেকে আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় মাতব্বরদের সঙ্গে নিয়ে স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করেন। পরে শনিবার সকালে মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে ফারুককে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরে এসআই ফাহিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সিরাজগঞ্জ থেকে প্রধান অভিযুক্ত ফারুক ও তার সহযোগী বিশালকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফাহিম ফয়সাল বলেন, অভিযুক্ত প্রধান আসামি ফারুক ও তার সহযোগী বিশালকে সিরাজগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. মে ২০২২ ০৭:১০:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ঘাস কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৬ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ঘাস কাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৬

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে গরুর ঘাস কাটাকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ১ জন নিহত ও ৬ জন আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে কালিহাতী উপজেলার বাংড়া ইউনিয়নের ঝাটিবাড়ী গ্রামে।

স্থানীয়রা জানান, গরুর ঘাস কাটাকে কেন্দ্র করে তিন দিন আগে ঝাটিবাড়ী গ্রামের আঃ করিম ও একই গ্রামের স্বপেনের ছেলে ইকবাল ও মিলনের সাথে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে গত সোমবার (২ মে) রাত ৮টার দিকে স্বপেন ও তার ছেলেরা পার্শ্ববর্তী ধুনাইল গ্রামের শাজাহানের নেতৃত্বে ঝাটিবাড়ী গ্রামের আঃ করিমের বাড়ীতে হামলা চালায়। হামলায় আঃ করিম, তাজিম উদ্দিন,কাজিম উদ্দিন, ফজলুল হক,রুস্তম, শাজাহান ও দেলোয়ার সহ উভয় পক্ষের ৭ জন আহত হয়।

আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ৫ জনকে ভর্তি করে এবং রুস্তম ও শাজাহানকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে মঙ্গলবার (৩ মে) রাত সাড়ে ৭ টায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুস্তমের মৃত্যু হয়।

কালিহাতী থানার ওসি মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, এঘটনায় সোমবার রাতেই থানায় মামলা হয়েছে । নিহতের লাশ ময়নাতদন্ত করার পর স্বজনদের নিকট লাশ হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. মে ২০২২ ০৮:২৮:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে ইউপি সদস্য উধাও - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে ইউপি সদস্য উধাও

একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে ইউপি সদস্য উধাও হয়েছেন।

গত শনিবার (২৩ এপ্রিল) উপজেলার দেওলী ইউনিয়নের ঝুনকাই গ্রামে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দেওলী ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ড সদস্য ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মো. লিটন মন্ডল দীর্ঘ দিন যাবত ঝুনকাই গ্রামের সৌদি প্রবাসী জামাল মিয়ার স্ত্রী রোজিনার সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলেন। কিছুদিন পর জামাল মিয়া বাড়ি আসার কথা রয়েছে। কিন্তু তিনি আসার আগেই লিটন মন্ডল ওই প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও হয়ে যায়। লিটন মন্ডল ও রোজিনার মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে।

প্রবাসী জামালের মা বলেন, লিটন মন্ডল ফুঁসলিয়ে সম্পর্ক করে আমার ছেলের বউকে নিয়ে পালিয়ে গেছে। ১২ বছর বয়সের আমার নাতনি লজ্জায় ঘরের বাইরে বের হচ্ছে না, শুধু কাঁদছে।

তিনি আরো বলেন, লিটন মন্ডল এলাকায় ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে নানা অপকর্ম করে বেড়ায়। তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পায় না। আমি এর বিচার চাই।

এ ব্যপারে দেওলী ইউপি চেয়ারম্যান দেওয়ান তাহমিনা হক বলেন, এমন ঘটনায় আমরা লজ্জিত ও বিব্রত হচ্ছি। বিভিন্ন সংস্থা থেকে মোবাইল ফোনে মেম্বার লিটন সম্পর্কে জানতে চাচ্ছে।

এ ব্যাপারে দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আমি বিষয়টি জেনেছি। তবে এখনও কোনো অভিযোগ পায়নি, পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. এপ্রিল ২০২২ ১০:০৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চাচার ধর্ষণের শিকার শিশু ভাতিজি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চাচার ধর্ষণের শিকার শিশু ভাতিজি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে জোরপূর্বক ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ৪র্থ শ্রেণির এক শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে চাচার বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কয়েড়া গ্রামের পশ্চিমপাড়া এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় লম্পট চাচাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

অভিযুক্ত চাচার নাম মো. আব্বাস (২৫)। তিনি পেশায় কাঠমিস্ত্রী এবং জয়নালের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, শিশুটির মা-বাবাসহ বাড়িতে কেউ ছিল না। প্রকৃতির ডাকে মেয়েটি সাড়া দিতে বাথরুমে গেলে হঠাৎ আব্বাস বাথরুমে প্রবেশ করে জোরপূর্বক ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় শিশুটির ডাক-চিৎকারে লোকজন এগিয়ে গেলে আব্বাস পালিয়ে যায়। পরে মেয়েটির মা বাড়িতে এসে ঘটনা শুনে স্থানীয় ও জনপ্রতিনিধিদের অবগত করে আব্বাসের বিরুদ্ধে মেয়েটির মা ভূঞাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন । সম্পর্কে আব্বাস মেয়েটির চাচা।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদুল ইসলাম জানান, শিশুটির মা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) বিকালে মামলা দায়ের করার পরেই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আব্বাসকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আব্বাসকে শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইল জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে এবং শিশুটিকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. এপ্রিল ২০২২ ১০:১৩:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বেতনের দাবিতে মহাসড়কে শ্রমিক অবরোধ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বেতনের দাবিতে মহাসড়কে শ্রমিক অবরোধ

একতার কণ্ঠঃ বেতন-বোনাসের দাবিতে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার গোড়াইয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক অবরোধ করেছে নাহিদ কটনমিলের শ্রমিকরা।

বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে অবরোধ শুরু হয়। এতে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সড়কের দুইপাশে প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়। ঈদে ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

শ্রমিকরা জানান, শ্রমিকদের ঈদের বোনাস না দিয়ে শুধু অর্ধেক বেতন দিতে চায় কারখানার মালিক। এ কারণে শ্রমিকরা ক্ষিপ্ত হয়ে ভাংচুর শুরু করে। একপর্যায়ে বিক্ষুদ্ধ শ্রমিকরা মহাসড়কের অবস্থান নেয়। তবে পরে পুলিশের আশ্বাসে তারা অবরোধ তুলে নেয়।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলম চাঁদ জানান, শ্রমিকরা তাদের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। পরে তাদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নেয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. এপ্রিল ২০২২ ০৩:৪৭:এএম ৪ বছর আগে
মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা: টাঙ্গাইলের সাবেক মেয়র মুক্তির জামিন - Ekotar Kantho

মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা: টাঙ্গাইলের সাবেক মেয়র মুক্তির জামিন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বুধবার(২৭ এপ্রিল) বিকেলে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আরো পড়ুনঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের চাপ

আদালতে মুক্তির পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আমিনুল ইসলাম।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ মুক্তিকে জামিন দেন। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারি তার অন্তবর্তী জামিন বাতিল হয়। এরপর হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন মুক্তি।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি নিহত হন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদ। তার গুলিবিদ্ধ লাশ কলেজপাড়ার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে।

আদালতে এই দুই আসামির দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যার সঙ্গে জড়িত সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা। তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন এবং ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে।

পরে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তার অপর তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিন পেয়ে মুক্ত আছেন। তাদের অপর দুই ভাই আত্মগোপনে রয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. এপ্রিল ২০২২ ১২:২৬:এএম ৪ বছর আগে
ফ্যান পড়ে নয় সন্তানদের হত্যা করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন মা - Ekotar Kantho

ফ্যান পড়ে নয় সন্তানদের হত্যা করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন মা

একতার কণ্ঠঃ পারিবারিক কলহের জেরে দুই সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যার চেষ্টা করেন মা। চিকিৎসারত অবস্থায় পুলিশের কাছে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার।

রোববার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইলের ভুঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের ১ নং পূর্ণবাসন এলাকা থেকে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে মা সাহিদা বেগম।

জেলার পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে সাহিদা বেগম তাঁর দুই শিশু সন্তানকে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে তিনি নিজে চলন্ত ফ্যানের সঙ্গে কাটা পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এ জন্য নিহত দুই শিশুর শরীরের কোন আঘাতের চিহ্ন নেই।’

মোহাম্মদ কায়সার আরও বলেন, ‘সাহিদা বেগম হাসপাতালের পুলিশের কাছে নিজে হত্যা করার ঘটনা স্বীকার করেন। বর্তমানে তিনি পুলিশ পাহারায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। সাহিদা বেগমের স্বামীর তেমন কোনো সম্পদ নেই। সাহিদা বেগমের স্বামীর ভাই ও ভাবি মানসিকভাবে যন্ত্রণা করতো। তাঁদের মধ্যে এক সপ্তাহ আগেও ঝগড়া হয়েছিলো। এর ফলে সাহিদা আশঙ্কা করছিলেন তাঁর ভাই ও ভাবি তাদের সন্তানকে মেরে ফেলবেন। এই আশঙ্কা থেকেই সাহিদা তাঁর দুই ছেলেকে হত্যা করে নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা করে।’

এর আগে স্থানীয়রা জানান, রোববার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে ঘরের ভেতরে দুই শিশু মৃত অবস্থায় ও তাদের মা আহত অবস্থায় পড়ে ছিলেন। ঘরের সিলিং ফ্যান পড়ে থাকায় ধারণা করা হয়, শিশুদের ওপর ফ্যান পড়ে মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. এপ্রিল ২০২২ ০২:৪৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পিকআপ চাপায় শিশু নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পিকআপ চাপায় শিশু নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রাস্তা পার হতে গিয়ে মায়ের কোলে যাওয়ার সময় পিকআপের চাপায় তোয়া মনি (৫) নামে এক শিশু নিহতহ হয়েছে।

রবিবার (২৪ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার পুংলী-বালিয়াটা আঞ্চলিক সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

তোয়া মনি উপজেলার সহেদেবপুর ইউনিয়নের বানিয়াফৈর গ্রামের খালপাড় এলাকার শহিদুল ইসলাম মেয়ে।

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, রাস্তার পাশেই শিশুটির বাড়ি। শিশুটি মা রাস্তার ওপারে কাজ করছিল। পথিমধ্যে শিশুটি দৌঁড়ে রাস্তার উপর দিয়ে তার মায়ের কোলে যাচ্ছিল।

এসময় শিশুটি যখন তার মায়ের কাছে পৌঁছবে তখনি হঠাৎ বেপরোয়া দ্রুত গতির একটি পিকআপের নিচে চাপায় পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই শিশুটির মৃত্যু হয়।

এ বিষয়টি কালিহাতী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার আলী নিশ্চিত করে জানান, নিহতের ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. এপ্রিল ২০২২ ০২:০০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ডিবি পুলিশ সেজে ৬ লাখ টাকা লুটের ঘটনায় আটক ৫ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ডিবি পুলিশ সেজে ৬ লাখ টাকা লুটের ঘটনায় আটক ৫

একতার  কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ভুয়া ডিবি পুলিশ সেজে ৬ লাখ টাকা লুট কাণ্ডে চক্রের পাঁচ সদস্যকে আটক করা হয়েছে।শুক্রবার (২২ এপ্রিল) সকালে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

এদের মধ্যে রবিউল করিম সুলভ (৩০) ও মাসুম বিল্লা ওরফে মুন্না (২৮) কে গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা থেকে আটক করা হয়। এ ছাড়া ইউসুব কাজী (৭০) ও জাকির হোসেন বাবু (৩৩) কে সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানা এলাকা থেকে এবং নাটোর জেলার লালপুর থানা এলাকা থেকে সেলিম মিয়া (৩৬) কে আটক করা হয়।

এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, গত ১০ এপ্রিল কালিহাতীর এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন শামছুল হক কলেজের সামনে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে চক্রটি বিকাশ এর ডিএসও পদে চাকরিরত রাসেল মিয়ার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। তাকে জোরপূর্বক একটি সাদা রংয়ের মাইক্রোবাসে তুলে এলোপাথাড়ি মারধর করে তার কাছে থাকা নগদ ৬ লাখ টাকা লুট করে নেয়। পরবর্তীতে তাকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা বাইপাস এলাকায় গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখে চলে যায় তারা। পরে রাসেল গত ১৯ এপ্রিল কালিহাতী থানায় মামলা দায়ের করেন।

তিনি আরও জানান, ঘটনাটি চাঞ্চল্যকর হওয়ায় কালিহাতী থানা পুলিশ ও টাঙ্গাইল ডিবি পুলিশের সমন্বয়ে একটি টিম গঠন করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে ভুয়া ডিবি পুলিশ চক্রের ৫ সদস্যকে বিভিন্ন স্থান থেকে আটক করা হয়। এসময় নগদ দুই লাখ টাকা, দুই সেট ডিবি পুলিশের পোশাক, এক জোড়া হ্যান্ডক্যাপ, একটি সিগন্যাল লাইট, একটি ওয়্যারলেস সেট ও বিভিন্ন ব্যান্ডের তিনটি মোবাইল জব্দ করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে চারজন ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে দোষ স্বীকার করে বৃহস্পতিবার( ২১ এপ্রিল) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবাববন্দি দিয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. এপ্রিল ২০২২ ১০:৩২:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সেচপাম্পের ঘরে শ্রমিকের লাশ, হত্যার পর গুমের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সেচপাম্পের ঘরে শ্রমিকের লাশ, হত্যার পর গুমের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে সেচপাম্পের ঘর থেকে লাল মিয়া (৪৫) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) রাতে উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের সেহরাইল মাটির খাদ এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

পরিবারের দাবি, সেহরাইলে মাটির খাদে ট্যাফেট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হওয়ার পর লাশ গুমের উদ্দেশ্যে ওই সেচপাম্পের ঘরে রাখা হয়।

নিহত লাল মিয়া উপজেলার কাউলজানীর মহেষখালী গ্রামের গটু মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের সেহরাইল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে ট্যাফেট্রাক্টরের মাধ্যমে একটি চক্র বিক্রি করে আসছে। ওই খাদে লাল মিয়া শ্রমিকের কাজে নিয়োজিত ছিল। সকাল থেকে খাদের পাশে সড়কে লাল মিয়া পানি দিচ্ছিল।

পরে দুপুর থেকে লাল মিয়া নিখোঁজ হয়। এর পর খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না। সন্ধ্যায় সেচপাম্পের শ্রমিক ঘরে গিয়ে তার লাশটি দেখতে পান। এর পর পুলিশ গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নিহতের ছোট ভাই আব্দুল খালেক বলেন, আমার ভাই দীর্ঘদিন ধরে সেহরাইলে মাটির খাদে শ্রমিকের কাজ করছিলেন। দুপুরে সেখানে কলিয়া গ্রামের মজিবর রহমান নামে এক ব্যক্তির ট্রাফেট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হয়ে আমার ভাই মারা যান। পরে লাশটি গুমের উদ্দেশ্যে তারা সেচপাম্পের ঘরে রেখে দেয়। রাত হলে হয়তো লাশটি অনত্র ফেলে দিত।

তিনি আরও বলেন, দুপুরে আমার ভাতিজা খাদে গিয়ে তাকে দেখতে পায়নি। পরে ভাতিজা সেখান থেকে বাড়িতে চলে আসে। সন্ধ্যায় সেচপাম্পের ঘরে তার লাশ পাওয়া যায়। দুপুরে এ ঘটনার পর পরই মাটির খাদটি বন্ধ করে তারা সেখান থেকে চলে যায়। এখনও ওই ট্রাফেট্রাক্টরটি সড়কের পাশে পড়ে আছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমার ভাই হত্যার বিচার চাই। এ ঘটনায় মামলা করা হবে।

বাসাইল থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নিহতের লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২০ এপ্রিল) সকালে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুৎস্পর্শ হয়ে লোকটি মারা যেতে পারে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. এপ্রিল ২০২২ ০২:২৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রতারক চক্রের সদস্য গ্রেফতার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রতারক চক্রের সদস্য গ্রেফতার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নকল জন্ম নিবন্ধন সনদ ও জাতীয় সংসদ সদস্যদের নাম ও জাল স্বাক্ষর সম্মিলিত ডিও লেটার দিয়ে প্রতারণা চালানো চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১২এর সদস্যরা।

মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) দিনগত রাতে টাঙ্গাইল পৌরসভার বিশ্বাস বেতকা (কুমুদিনী কলেজগেট) এলাকার নওশীন ফটোকপি এন্ড কম্পিউটার দোকান ঘরে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত শোয়েব খান (৩০) ঘাটাইল উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের মো. নাজিম উদ্দিন খানের ছেলে।

মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে প্রেসবিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এর কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান।

প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় , গ্রেফতারকৃত আসামী বহুদিন ধরে তার তৈরী বিভিন্ন সরকারী অফিস ও অফিসের কর্মকর্তাদের সীল মোহর ও জাল স্বাক্ষর করে বিভিন্ন লোকজনদের নকল জন্ম নিবন্ধন সনদ ও জাতীয় সংসদ সদস্য মহোদয়দের নাম ও জাল স্বাক্ষর সম্মিলিত ডিও লেটার প্রদান করে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ২৭টি বিভিন্ন সরকারী অফিস ও অফিসের কর্মকর্তাদের সীল মোহর, জাতীয় সংসদ সদস্য মহোদয়দের নাম ও জাল স্বাক্ষর সম্মিলিত ২০টি ডিও লেটার এবং বিভিন্ন লোকজনদের ৮০টি নকল জন্ম নিবন্ধন সনদ জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃত প্রতারক সাক্ষীদের সম্মুখে জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, সে বহুদিন ধরে তার তৈরী উল্লেখিত সীল মোহর ও জাল স্বাক্ষর করে বিভিন্ন লোকজনদের নকল জন্ম নিবন্ধন সনদ ও জাতীয় সংসদ সদস্য মহোদয়দের নাম ও জাল স্বাক্ষর সম্মিলিত ডিও লেটার প্রদান করে বিভিন্ন লোকজনের নিকট হতে প্রতারনার মাধ্যমে বিপুল টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

তার বিরুদ্ধের টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. এপ্রিল ২০২২ ০২:২৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইউপি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারি হিসেবে পরিচিত শাকিল ইয়াবাসহ গ্রেফতার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইউপি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারি হিসেবে পরিচিত শাকিল ইয়াবাসহ গ্রেফতার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে অভিযান চালিয়ে শাকিল খান (১৮) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এসময় তার কাছ থেকে ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।বুধবার (১৩ এপ্রিল) রাতে উপজেলার অর্জুনা উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে থেকে তাকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে প্রবাসী স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে গৃহবধূর আত্মহত্যা

শাকিল উপজেলার অর্জুনা এলাকার অটোরিকশা চালক দুলাল খানের ছেলে। তিনি অর্জুনা ইউপি চেয়ারম্যান দিদারুল আলমের ব্যক্তিগত সহকারি হিসেবে এলাকায় পরিচিত।

বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে ভূঞাপুর থানা অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন

স্থানীয়রা জানান, চেয়ারম্যানের সাথে থেকে শাকিল দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসা করছিল। সম্প্রতি অর্জূনা উচ্চ বিদ্যালয়ে মাস্টার রোলে শাকিলের দপ্তরি চাকরি হয়। কিন্তু বিদ্যালয়ের বই বিক্রি ও সিমেন্ট চুরির দায়ে তাকে বহিস্কার করা হয়েছে। এছাড়া সে অর্জুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দিদারুল আলম খান মাহবুবের ব্যক্তিগত সহকারী ছিল।

অর্জুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দিদারুল আলম খান মাহবুব জানান, ফারুক নামের এক ইয়াবা ব্যবসায়ী তাকে দুই হাজার টাকার বিনিময়ে ইয়াবাগুলো অন্য একজনকে দিতে বলেছিল বলে জানতে পেরেছি। পরে ইয়াবাসহ শাকিলকে গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তবে সে আমার ব্যক্তিগত কোন সহকারি নয়।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপ-পরিদর্শক (এস.আই) মনির বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইয়াবাসহ শাকিলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শাকিল অর্জুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের লোক বলে এলাকায় বিভিন্ন ধরণের অপকর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিল।

তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে ভূঞাপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) সকালে তাকে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. এপ্রিল ২০২২ ০৪:৩৬:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।