একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার(২৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে নয়টায় উপজেলার এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার কাছ খেকে ডাকাতির সরঞ্জামসহ তিনটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। বুধবার(২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত মাসুদ রানা (৪০) উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার বানিয়াবাড়ি এলাকার আবু তাহেরের ছেলে ও এলেঙ্গা পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল আজিজের আপন ভাগ্নে।
কালিহাতী থানার উপ-পরিদর্শক রাজু আহমেদ বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত মাসুদ রানার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি ও মোটরসাকেল ছিনতাইয়ের একাধিক মামলা রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা কেজির ১১২ বস্তা চাল জব্দ করা হয়েছে।মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নগদা শিমলা বাজারের চাল ব্যবসায়ী বিপ্লব হোসেনের বাড়ি ও আয়নাল হকের দোকান থেকে বস্তাগুলো উদ্ধার করেন।
জানা যায়, চাল ব্যবসায়ী বিপ্লব হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে প্রথমে ৩০ কেজি ওজনের ৭০ বস্তা ও ৫০ কেজি ওজনের ১৬ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। পরে একই বাজারের আরেক চাল ব্যবসায়ী আয়নাল হোসেনের দোকানে অভিযান চালিয়ে ৫০ কেজি ওজনের আরও ২৬ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে গোপালপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া ইসলাম সীমা বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির বিপুল পরিমাণ চাল জব্দ করেছি। নিয়মিত মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পরিচালিত উদ্ধার অভিযানে পুলিশ সদস্য, প্রশাসনের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০ হাজার বিনামূল্যের পাঠ্যবই গায়েব হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে অনেক শিক্ষার্থী পহেলা জানুয়ারি ‘বই উৎসব’ থেকে বঞ্চিত হবেন বলে শিক্ষকরা মনে করছেন।
পাঠ্যপুস্তক গায়েব হওয়ার অভিযোগে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মর্জিনা পারভীনকে গত ২৩ ডিসেম্বর শো’কজ করেন টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল আজিজ।
জানা যায়, উপজেলার ৬১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেনি পর্যন্ত ৩৫ হাজার পাঠ্যবইয়ের চাহিদা পাঠানো হয়। গত ৮ ডিসেম্বর পরিবহন ঠিকাদার সোহেল রানা গোপালপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মর্জিনা পারভীনকে চালানমূলে ওই সব বই বুঝিয়ে দেন। কিন্তু শিক্ষা অফিসার গ্রহনকৃত বই উপজেলা পরিষদের স্টোর রুমে না রেখে নিজ দায়িত্বে স্থানীয় সূতি সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে রেখে দেন।
সেখানে রাতের বেলা কোনো পাহারার ব্যবস্থা ছিলনা। গত ২২ ডিসেম্বর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বই বুঝিয়ে দেওয়ার সময় বই গায়েব হওয়ার ঘটনাটি ধরা পড়ে। দেখা যায় পঞ্চম শ্রেনির প্রাথমিক বিজ্ঞান ৪ হাজার ৯৫০ কপি এবং ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা ৫ হাজার ৫০ সহ মোট ১০ হাজার কপি বই গায়েব হয়ে গেছে।
গোপালপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক কল্যাণ সমিতির সভাপতি আব্দুল করিম জানান, সকল পাঠ্যবই চালানমূলে ঠিকাদারের কাছ থেকে বুঝে নেন প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মর্জিনা পারভীন। বই সংরক্ষণ রাখার কক্ষের চাবিও ছিল তার নিকট। তাহলে এসব পাঠ্য বই কিভাবে হাওয়া হয়ে গেলো তা নিয়ে তিনি এখন ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছেন। বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনসহ এমনকি থানা পুলিশকেও জানানো হয়নি।
পাঠ্যসপুস্তক গায়েব হওয়া নিয়ে পরিবহন ঠিকাদার সোহেল রানাজানান, চালানে স্বাক্ষর নিয়ে সকল পাঠ্যবই উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। নিজেরা বই গায়েব করে এখন তাকে দোষারোপ করা হচ্ছে।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার মর্জিনা পারভীন জানান, ঠিকাদার বই কম দিয়েছে। অতগুলো বই এক সঙ্গে গুণে নেওয়া তার পক্ষে সম্ভব ছিলনা। চালান বুঝে নেওয়ার সময় তিনি তড়িঘড়ি দস্তখত করেছেন। জানতেন না ঠিকাদার ফাঁকি দিচ্ছেন। এখন বিকল্পভাবে নানাস্থান থেকে এসব বই সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছেন ।
গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন জানান, বই গায়েব হওয়ার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনায় উপজেলা শিক্ষা অফিস তাদের কিছুই জানায়নি। পুলিশ নিজ উদ্যোগে বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ মল্লিক জানান, বই গায়েব হওয়ার খবরটি তিনি সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) শুনেছেন। খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অনুষ্ঠিত চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে দুই জনকে আর্থিক জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে ভূঞাপুর উপজেলার চর পাথাইলকান্দি এলাকায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান খন্দকারের নেতৃত্বে জরিমানা করা হয়।
ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান খন্দকার জানান, সকাল থেকে ভূঞাপুর এলাকায় তিনি নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করছিলেন। চর পাথাইলকান্দি এলাকায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে মোটরসাইকেল চালানোর কারণে দুই জনকে ৫০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়। নির্বাচন লঙ্ঘন আইন অনুযায়ী তাদের জরিমানা করা হয়। নির্বাচন চলাকালীন সময়ে কেউ আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে তাকেই আইনের আওতায় আনার কথা জানান তিনি।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচ এম কামরুল হাসান জানান, ‘সকাল ৮টা থেকে জেলার তিনটি উপজেলার ২১ টি ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। নির্বাচনে ৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ৮জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৮জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ৬ জন করে পুলিশ এবং সাধারণ কেন্দ্রে ৫ জন করে পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। একইসাথে প্রতিটি কেন্দ্রে ১৮জন করে আনসার সদস্যও দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া প্রতিটি উপজেলায় র্যাব এবং ডিবির টিমও কাজ করছেন। আশা করছি বিগত সময়ের মতো এবারও নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জাল ভোট দেওয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে ভোট বর্জন করেছেন টাঙ্গাইলের দুটি ইউনিয়নের দুই স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী।
তারা হচ্ছেন ভূয়াপুরের গোবিন্দাসী ইউনিয়নের আমিনুল ইসলাম আমিন (বিদ্রোহী আওয়ামী লীগ) এবং ঘাটাইলের দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের রফিকুল ইসলাম খান (বিএনপি)।
আমিনুল ইসলাম আমিন বলেন, সকালের দিকে সুষ্ঠু ভোট হলেও পরাজিত হওয়ার আশংকায় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারদের সহায়তায় বহিরাগতদের নিয়ে জোরপূর্বক ভোট দেওয়া, কেন্দ্র দখল, প্রভাববিস্তার করে নৌকা মার্কায় ভোট নেওয়া হয়েছে। অনিয়মের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ম্যাজিস্ট্রেট, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটানিং অফিসার নাজমা সুলতানা বলেন, এ ব্যাপারে তারা কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এর আগে ঘাটাইলের দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খান ভোটের আগের রাত থেকেই নৌকা মার্কা প্রার্থীর লোকজনের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তার এজেন্টদের মারধর, ভোটকেন্দ্র হতে এজেন্টদের বের করে দেওয়া, কেন্দ্র দখল এবং জাল ভোটের অভিযোগ এনে দুপুর ১২টার দিকে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার চিনামুড়ায় মাদ্রাসা ছাত্রীকে চুমু খাওয়া, বুকে জড়িয়ে ধরা, গোসলের সময় অঙ্গ-ভঙ্গি করে উত্যক্ত করার ঘটনায় দেড়লাখ টাকায় রফার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় মাতাব্বরদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন স্থানীয় কাউন্সিলর মতিয়ার রহমান খান বাবলু।
শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে স্থানীয় মাতাব্বরদের উপস্থিতিতে চিনামুড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক শালিসী বৈঠকে এ রফা হয়।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, উপজেলার চিনামুড়া গ্রামে রওজাতুল জান্নাত মহিলা মাদ্রাসায় পড়–য়া পঞ্চম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে উত্যক্ত করে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠতা পরিচালক তোফাজ্জল হোসেন ওরফে তুলা মুন্সী। ঘটনাটি মাদ্রাসাছাত্রী তার মাকে জানায়। একপর্যায়ে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পরে স্বার্থন্বেষী একটি মহল ঘটনা ধামাচাপা দিতে ছাত্রীর পরিবারকে চাপসৃষ্টি করে। মাদ্রাসা ছাত্রীর পরিবার অসহায় ও দুর্বল হওয়ায় শালিসী বৈঠকে তাদের কথা মেনে নেওয়া ছাড়া আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারেননি। শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে এলেঙ্গা পৌর মেয়র নুর- এ-আলম সিদ্দিকীর উপস্থিতিতে দেড়লাখ টাকায় রফা করেন ছবদের কমিশনার ও স্থানীয় গুটিকয়েকজন মাতাব্বর।
পৌর কাউন্সিলর বাবলু খাঁন বলেন, শালিসে অভিযুক্ত মাদ্রাসা পরিচালক তোফাজ্জল হোসেনকে দেড়লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সেইসাথে মাদ্রাসাটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত তোফাজ্জল হোসেনের সাথে যোযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় একাধীক মাতাব্বররা জানান, শিক্ষক জাতীর মেরুদন্ড তাদের দ্ধারা ছাত্রীকে উত্যক্ত’র ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা আরও জানান, অভিযুক্তকে আইনের আওতায় না দিয়ে জরিমানার বিষয়টি নিয়ে গ্রামবাসী ক্ষুব্ধ।
এ বিষয়ে এলেঙ্গা পৌরসভার মেয়র নুর-এ-আলম সিদ্দিকী মুঠোফোনে বলেন, মাদ্রাসার পরিচালক ওই ছাত্রীকে নানাভাবে উত্যক্ত ও যৌন নির্যাতন করায় তাকে শালিসী বৈঠকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বের আলম জানান, আমি বিষয়টি জানিনা, জেনে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এগারো বছর বয়সী স্কুল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র্যাব-১২) ।শুক্রবার(২৪ ডিসেম্বর) ভোরে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের পারদিঘী গ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়ির একটি তালাবদ্ধ ঘর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত মোহাম্মদ অনিকের (১৯) বাড়ি উপজেলার দক্ষিণ পোষ্টকামুরী গ্রামে এবং পেশায় একজন শ্রমিক।
জানা যায়, গত ১৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ুয়া শিক্ষার্থীকে তার বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণ করে অনিক। পরে শিক্ষার্থীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে পালিয়ে যায় অনিক।
ঘটনার পরদিন শিক্ষার্থীর মা মির্জাপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। স্থানীয় র্যাব ক্যাম্পে লিখিত অভিযোগও দেন তিনি।
র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লেঃ কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি জানান, ‘বার বার স্থান পরিবর্তন করায় অনিককে ধরতে পারছিল না আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। পরে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে, তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।’
তিনি আরো জানান, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে অনিক।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের সাবালিয়া তানযীমুল উম্মাহ মাদ্রাসার অপহৃত শিক্ষক মো. খায়রুল ইসলাম(৩৮) বুধবার(২২ ডিসেম্বর) উদ্ধার ও তিন অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গ্রেপ্তারকৃত অপহরণকারীরা হচ্ছেন- টাঙ্গাইল শহরের পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়ার মৃত আব্দুল খালেক মিয়ার ছেলে মো. রুবেল মিয়া(৩৩), মো. আ. রাজ্জাক মৃধার ছেলে মো. শাওন মৃধা(২৫) ও কচুয়াডাঙ্গার নূর মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. আব্দুল আল মামুন(২০)।
জানা যায়, সাবালিয়া তানযীমুল উম্মাহ মাদ্রাসার শিক্ষক মো. খায়রুল ইসলামকে গত ২১ ডিসেম্বর দিনগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের মাইক্রো স্ট্যান্ড থেকে একদল সন্ত্রাসী অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরিবারের পক্ষ থেকে ওই শিক্ষককে উদ্ধারের জন্য র্যাব-১২’র সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডারের কাছে আবেদন করা হয়।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে র্যাবের একটি চৌকষ দল অভিযানে নামে। তারা গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে জানতে পারে- অপহরণকারীরা বার বার স্থান বদল করছে এবং পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপন আদায়ের চেষ্টা করছে।
সর্বশেষ টাঙ্গাইল শহরের আকুরটাকুর পাড়ায় অপহরণকারীদের অবস্থান জানতে পেরে ওই শিক্ষকের পরিবারের সহায়তায় মুক্তিপনের টাকা নিয়ে দেন-দরকার করতে থাকে। অপহরণকারীরা র্যাবের তৎপরতা টের পেয়ে ২২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় ওই শিক্ষককে রাবনা বাইপাসে ফেলে পালিয়ে যায়।
এক পর্যায়ে বিকাশের মাধ্যমে দুই লাখ টাকা পাঠানোর জন্য রাজি হয়ে র্যাব দল ফাঁদ পাতে। র্যাবের ‘বিকাশ ফাঁদে’র কারণেই তিন অপহরণকারীকে র্যাব গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
অপহৃত মাদ্রাসা শিক্ষক মো. খায়রুল ইসলাম র্যাবকে জানান, সন্ত্রাসীরা তাকে অপহরণ করে এক নারীর সঙ্গে অশ্লীল ভিডিও ও ছবি তুলে রাখে এবং মুক্তিপন দাবি করে। মুক্তিপনের টাকা না দিলে এবং পুলিশকে জানালে ওই অশ্লীল ভিডিও ও ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখায়।
র্যাব-১২’র সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ভিকটিমের পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে তারা আভিযানিক তৎপরতা শুরু করেন এবং বিকাশের ফাঁদে ফেলে তিন অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে ভিকটিমের সঙ্গে জড়িয়ে এক নারীর অশ্লীল ভিডিও ও ছবি উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে ভিকটিম মো. খায়রুল ইসলাম বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হামলা, দোকানপাট ও ইউনিয়ন পরিষদ ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে গ্রাম পুলিশের সদস্যসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার পাচটিকড়ির এলাকার লোকেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এই ঘটনা ঘটে। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
লোকেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ ফজল হক বলেন, নৌকার প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শরিফ হোসেনসহ কয়েকজন ইউনিয়ন পরিষদের সামনে বসেছিল। এসময় স্বতন্ত্র আনারস প্রতীকের প্রার্থীর লাঠি সোটা নিয়ে একটি মিছিল পরিষদের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। পরে হঠাৎ করেই মিছিলে থাকা লোকজন চেয়ারম্যানের ও পরিষদে হামলা চালায়। এছাড়া পাশের বেশ কিছু দোকানপাটও ভাঙচুর করা হয়। পরে পরিষদের সামনে থাকা মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। এসময় তাদের বাঁধা দিলে গ্রাম পুলিশদের উপর হামলা করে এবং ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। এতে গ্রাম পুলিশ ফারুক আহত হয়।
তিনি আরো বলেন, ঘটনার সাথে সাথে পুলিশ ও প্রশাসনকে জানানো হলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
হামলায় আহত গ্রাম পুলিশ সদস্য ফারুক জানায়, পরিষদে হামলা ঠেকাতে গিয়ে আহত হই। তবে এতো বড় ঘটনা তবুও কোন প্রশাসন আসেনি।

লোকেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও নৌকার প্রার্থী মোহাম্মদ শরিফ হোসেন বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী শহিদুল হক মিলনের লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে মিছিল করে পরিষদে হামলা করে। এতে গ্রাম পুলিশসহ কয়েকজন আহত হয়েছে। এছাড়া একটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দিয়েছে এবং আরো দুইটি সাইকেল ভাঙচুর করেছে। এঘটনায় বারবার ফোন করলেও থানার পুলিশ রিসিভ করেননি।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আজহারুল ইসলাম বলেন, স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তিনি জানান, আরও সংঘর্ষের ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে গোলাম রাব্বি (২৪) নামে এক যুবকের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২২ নভেম্বর) সকালে উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের ভাতগ্রাম পশ্চিমপাড়া এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
গোলাম রাব্বি উপজেলার জামুর্কী ইউনিয়নের পাকুল্যা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মোকছেদ মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, রাব্বি পেশায় অটোরিকশা চালক। মঙ্গলবার (২১ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ৯টার দিকে পাকুল্যা বাসস্ট্যান্ড থেকে তিনজন যাত্রী নিয়ে মির্জাপুরের বরাটি গ্রামের উদ্দেশে হন। এরপর রাতে তিনি বাড়িতে ফেরেননি। সকালে ভাতগ্রাম পশ্চিমপাড়া গ্রামে রাস্তার পাশে ডোবায় একটি মরদেহ দেখতে পান এলাকাবাসী। খবর পেয়ে মির্জাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন। মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন থানায় এসে রাব্বির পরিচয় নিশ্চিত করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মির্জাপুর থানা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মজিবুর রহমান জানান, অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশে যাত্রীবেশে তিনজন ছিনতাইকারী অটোরিকশাটি ভাড়া করে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তারা নির্জন এলাকায় তাকে হত্যার পর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনাস্থলটি পরিদর্শন করেন মির্জাপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এসএম মনসুর মুসা, মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ রিজাউল হক দিপু, টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের সদস্যরা (পিবিআই)।
মির্জাপুর থানার ওসি শেখ রিজাউল হক দিপু জানান, আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ঘটনার পাঁচ দিনের মধ্যে চাঞ্চল্যকর ক্লু-লেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বুধবার(২২ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল পিবিআই এর পুলিশ সুপার সিরাজ আল মাসুদ এক প্রেস বিফিং এর মাধ্যমে ওই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, উপজেলার আজগনা ইউনিয়নের ঘাগড়া এলাকার একটি কলাবাগানে গত ১৭ ডিসেম্বর অজ্ঞাত এক মহিলার অর্ধগলিত লাশ পাওয়া যায়। পরে পিবিআই টাঙ্গাইল জেলা এই হত্যা মামলাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে তথ্য প্রযুক্তি ও বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকারী নিহতের স্বামী মো: ওয়াসীমকে সনাক্ত করে এবং তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী মো: ওয়াসিম দিনাজপুর জেলার খানসামা থানার ডাঙ্গারপাড়া এলাকার ইছাহক এর ছেলে।
এসময় ওয়াসিম জানায়, ২০১৯ সালে মোহাম্মদপুর ঢাকা উদ্যানের পাশে একটি ইট ভাটায় কাজ করার সময় নাজমা বেগমের সাথে পরিচয় হয়। সে ভোলা জেলার লালমহন থানার দেবীর চর বেরীবাঁধ হাওলাদার বাড়ী এলাকার আব্দুর রহমানের মেয়ে। নাজমা ওই ইট ভাটায় বাবুর্চির কাজ করতো।
ইট ভাটায় কাজ করার সময় নাজমার সাথে ওয়াসিমের প্রেমের সর্ম্পক গড়ে ওঠে। পরে ২০২০ সালে করোনা মহামারীর কারণে ইট ভাটার কাজ বন্ধ হয়ে যায়। তখন ওয়াসিম নিজ এলাকা দিনাজপুর চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একথা শুনে নাজমা ওয়াসিমকে ঢাকা উদ্যানে দেখা করার কথা বলে। পরে নাজমার ভাড়া করা বসায় নিয়ে যায়। সেখানে নাজমা ও তার লোকজন জোরপূর্বক ওয়াসিমের সাথে নাজমার বিয়ে পড়ায় এবং তিন লক্ষ টাকা দেনমোহর ধার্য্য করে।
পরবর্তীতে চলতি বছরের ১১ ডিসেম্বর মির্জাপুর ইট ভাটায় নাজমা বেগম ওয়াসিমের সাথে দেখা করতে আসে। পরে সেখানে দুই জনের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকটির এক পর্যায়ে নাজমা তাকে দেনমোহরের তিন লক্ষ টাকা ও ডিভোর্স চায় তা না হলে মামলা করার ভয় দেখায়।
এ নিয়ে দুই জনের মধ্যে আরো ঝগড়া হয়। পরে ইট ভাটার পাশে কলাবাগানে ওয়াসিম নাজমার গলায় থাকা উড়না দিয়ে গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং লাশ গুম করার জন্য কলাবাগানের ভিতর মাটি চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে পদে চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের উপর হামলা ও নির্যাতন করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে নৌকা প্রার্থীর বিরুদ্ধে।
রবিবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়। হুগড়া ইউনিয়নবাসীর ব্যানারে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ওই ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নূর এ আলম তুহিন। তিনি জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অপর নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা নিজে নেতৃত্ব দিয়ে তার কর্মী সমর্থকদের উপর বিভিন্ন সময় হামলা, নির্যাতন করছেন। তার হামলার শিকার হয়ে অন্তত আটজন গুরুতর আহত হয়েছেন। মৈশা গ্রামের তোফাজ্জলকে বেধড়ক পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেয়া হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনি এখন ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হামলার শিকার হয়ে আরেকজনের মাথার খুলি ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে পড়েছিল। তাকেও ঢাকায় চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তিনি এখন চোখে দেখতে পান না এবং তার স্মৃতিশক্তি নষ্ট হয়ে গেছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ ডিসেম্বর চরহুগড়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছয় বছরের শিশুপুত্রকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। এতে তার মাথা ফেটে যায়। এছাড়াও আরো অনেককে নানাভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে। এভাবে ভোটারদের মধ্যে ভয়-ভীতি সৃষ্টি করা হচ্ছে।
এসব অভিযোগ জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় ও নির্বাচন অফিসে লিখিত আবেদন করা হয়েছে বলে জানান মো. নূর এ আলম তুহিন। একই সাথে নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার জন্য পরিবেশ সৃষ্টি করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ারও সহায়তা চেয়েছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোর্শেদ আলম দুলাল, শেরপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ (অবঃ) আব্দুর রাজ্জাক, সরকারি এম এম আলী কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক শামসুল হুদা, টাঙ্গাইল জেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও হাবিব কাদের উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামীম আল মামুন জুয়েল, টাঙ্গাইল পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মির্জা রনি আহম্মেদ রিংকু, ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মৈশা গ্রামের তোফাজ্জলের মা নূর জাহানসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।