/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে শরীরে আগুন জ্বালিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শরীরে আগুন জ্বালিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ঘরোয়া ভাবে শালিসি বৈঠক শেষে সোমা আক্তার (১৯) নামের এক গৃহবধূ শরীরে আগুন জ্বালিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।  বুধবার(১২ জানুয়ারী) ভোর রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানায় তার স্বজনরা। উপজেলার বোয়ালী পশ্চিমপাড়া গ্রামে ওই গায়ে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি ঘটেছে। নিহত সোমা আক্তার ওই এলাকার এরশাদ মিয়ার স্ত্রী।

তবে  আত্মহত্যা নয় আগুন জ্বালিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবী করেছেন নিহত সোমার মা পারভীন আক্তার। এ ঘটনায় কেউ থানায় অভিযোগ করে নাই  বলে জানিয়েছে সখীপুর থানা পুলিশ।

এলাকাবাসী জানায়, পারিবারিকভাবে বনাবনি না হওয়ায় গত শনিবার(৮ জানুয়ারী) দুপুরে এরশাদের বাড়িতে একটি শালিসি বৈঠক হয়। তার কিছুক্ষণ পর বাড়ির উঠোনে দাঁড়িয়ে সোমা নিজেই শরীরে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। এ ঘটনার চার দিন পর চিকিৎসারত অবস্থায় সে মারা যায়।

ওই এলাকার স্থানীয় ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম জানায়, মেয়েটা নিজেই শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। আমি তখন ওই বাড়ির রান্না ঘরের পাশে ছিলাম। শালিসি বৈঠকের কথা জিজ্ঞাস করলে তিনি বলেন আমি ঢাকায় যাচ্ছি। সন্ধ্যায় সব বলবো বলে ফোন কেটে দেয়।

মেয়ের মা পারভীন আক্তার বলেন, আমার মেয়েকে আগুন দিয়ে পুড়ার সময় মেয়ে কাইন্দ্যা কাইন্দ্যা কইছে আমারে বাঁচাও, কেউ এক কলসি পানি নিয়ে আসো। কিন্তু কেউ পানি নিয়ে এগিয়ে আসে নাই। এর আগেও আমার মেয়েকে লোহার প্যারাক (রড) দিয়ে শ্যাক দিতো। কত কইছি তোরে নিয়া যামুগা, আমার ম্যায়ায় (মেয়ে) কইছে একটা বাচ্ছা হইছে, আমি এখান থেকে যামুনা। কিন্তু পাশান স্বামী, শ্বশুর মিলে আমার মেয়েকে আগুন ধরিয়ে পুইড়া মারছে। আমি এর বিচার চাই।

মেয়ের মা পারভীন আক্তার আরও জানায়, প্রায় চার বছর আগে মির্জাপুর উপজেলার গয়রামপুর গ্রামের নইমুদ্দিনের মেয়ে সোমা আক্তারের সাথে সখীপুর উপজেলার বোয়ালীা পশ্চিমপাড়া ্এলাকার সোমেশ আলীর ছেলে এরশাদ মিয়ার সাথে বিয়ে হয়। এর আগেও এরশাদ একটি বিয়ে করেছিলেন। আর এ ঘটনা আমরা বিয়ে পরে জানি। সেই ঘরে একটি ১৫ বছরের মেয়ে আছে। সেই সংসার নিয়েও মামলা চলছে।

সখীপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) এ.কে সাইদুল হক ভূ্ইঁয়া বলেন, আগুনে পুড়ে এক গৃহ বধূর মৃত্যু হয়েছে বলে শুনেছি কিন্তু  কেউ থানায় লিখিত ভাবে অভিযোগ করেনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. জানুয়ারী ২০২২ ০১:১৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পাকুল্যা এলাকায় সোমবার(১০ জানুয়ারী) দিনগত রাতে অভিযান চালিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে মো. লুৎফুর রহমান(৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

গ্রেপ্তারকৃত মো. লুৎফুর রহমান মির্জাপুরের চিতেশ্বরী গ্রামের মো. মাইনুল হকের ছেলে। তিনি একটি ওষুধ কোম্পানীতে চাকুরিরত।

র‌্যাব-১২ জানায়, ওষুধ কোম্পানীতে চাকুরির সুবাদে মো. লুৎফুর রহমান জনৈক মহিলার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে। প্রেমের এক পর্যায়ে তিনি ওই নারীকে ফুসলিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে এবং তা গোপনে মোবাইলে ভিডিও ধারণ ও ছবি তুলে রাখে। পরে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রায় ২০ লাখ টাকা ও ১৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার হাতিয়ে নেয় এবং ধর্ষণ করে। মো. লুৎফুর রহমান ওই নারীকে নানা সময়ে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন স্থানে ডেকে নেয়। এতে ওই নারী মানসিকভাবে চাপের মুখে পড়ে। এক পর্যায়ে ওই নারী টাঙ্গাইল র‌্যাব কার্যালয়ে অভিযোগ করেন।

র‌্যাব-১২ আরও জানায়, অভিযোগ পেয়ে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি টিম তদন্তে নামে। তারা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে পাকুল্যা থেকে মো. লুৎফুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।

এ সময় তার কাছে থাকা ভিডিও ও ছবি জব্দ করা হয়। মো. লুফুর রহমান প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে ওই নারীকে ধর্ষণ ও টাকা হাতিয়ে নেওয়ার কথা স্বীকার করেছে।

এ বিষয়ে মির্জাপুর থানায় পর্ণোগ্রাফি আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জানুয়ারী ২০২২ ১০:০৩:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মানববন্ধন ও প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মানববন্ধন ও প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কৃষক মেছের আলী ও কৃষিবিদ মো. দুলাল মিয়ার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার(৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মির্জাপুরের সিংজুরী গ্রামের দুলাল মিয়া।

লিখিত বক্তব্যে দুলাল মিয়া বলেন, উপজেলার সিংজুরী গ্রামে আশুতোশ সরকার, গৌড় সরকার, নুরুল ইসলামসহ গ্রামের একাধিক ব্যক্তি একটি সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে তুলেছেন। চক্রটি স্থানীয় মেছের আলীর মতো অসহায় ব্যক্তিদের জায়গা জমি দখল, ধান চুরি, চাঁদাবাজিসহ নানা ধরনের অপকর্ম লিপ্ত রয়েছে। তাদের এই অপকর্ম প্রতিবাদ করায় ওই গ্রামের মেছের আলী ও তার পরিবারকে মসজিদে নামাজ পড়া, সমাজে কোরবানি ও তার মুদি দোকান বন্ধ করাসহ দীর্ঘদিন ধরে এক ঘরে করে রেখেছেন আমাদের পরিবারকে। এ ব্যাপারে মেছের আলী একাধিক মামলা করেছেন। এছাড়া মেছের আলী এসব অপকর্মের প্রতিকার চেয়ে গত ২০ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার মহাপরিচালকের বরারর একটি লিখিত আবেদন করেছে।

তিনি আরো বলেন, আমি একজন মৃত্তিকা বিজ্ঞানী ও কৃষিবিদ। আমি এসব অপকর্মমের প্রতিবাদ করায় আমাকে হুমকি দিচ্ছে। এ চক্রটি বিভিন্ন ধরনের মিথ্যাচার করছে। আমি নিরীহ গ্রামবাসীর পাশে দাঁড়ানোয় তাদের রোষানলের শিকার হয়েছি। মেছের আলীর মামলা এবং লিখিত আবেদনে ভিত হয়ে আশুতোশ সরকার ও তার সহযোগিরা গত ২২ ডিসেম্বর একটি মানববন্ধন করে। মানববন্ধনে আমার এবং মেছের আলী ও শুকুর আলীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্য দেয়া হয়। পরে সেটি বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ চক্রের হাত থেকে গ্রামকে রক্ষা করার জন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ভুক্তভোগী মেছের আলী, সুকুর আলী, আনোয়ারা বেগম প্রমুখ।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. ডিসেম্বর ২০২১ ১২:১৬:এএম ৫ বছর আগে
দাইন্যা ইউনিয়নে নির্বাচন পরবর্তী সহিংতার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন - Ekotar Kantho

দাইন্যা ইউনিয়নে নির্বাচন পরবর্তী সহিংতার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান লাভলু মিয়া লাবু নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার অভিযোগ তুলেছেন। বুধবার(২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি নানা অভিযোগ করেন। সেই সাথে সহিংসতা বন্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছেন। এসময় চেয়ারম্যান লাভলু মিয়ার সাথে কয়েকজন ভুক্তভোগী অনুসারী উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে লাভলু মিয়া লাবু লিখিত বক্তব্যে জানান, নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আফজাল হোসেনের কাছে তিনি পরাজিত হন। জয়লাভ করেই আফজাল হোসেন ও তার বাহিনী এলাকায় চাঁদা দাবি, কর্মী-সমর্থকদের ঘরবাড়ি -ভাংচুর সন্ত্রাসী কর্মকা- করছেন। যার প্রমাণাদী রয়েছে। তার কর্মী ফতেপুর গ্রামের আব্দুল মালেক, মিথিল, আজাহার উদ্দিন, আলিশাকান্দা গ্রামের আব্দুল হাকিম, ইউনুস আলী, আব্দুল মানিককে সন্ত্রাসী বাহিনী পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে। তাদের চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। গুরুতর একজনকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে। এদিকে ফতেপুর, আলিশাকান্দা, বিন্যাফৈর ও চারাবাড়ি গ্রামে কয়েকজন কর্মী-সমর্থকরা বাড়িতে থাকতে পারছে না। ইউনিয়নে সাধারণ মানুষও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এছাড়া নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগও তুলেন তিনি।

লাভলু মিয়া লাবু আরো বলেন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হলে আমি জনগণের ভোটে বিজয়ী হতাম। এলাকায় সহিংসতা চাই না। জনগণের শান্তি চাই। নির্বাচনের পর সহিংসতার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। আমরা নির্বাচন ও এসপি অফিসে লিখিত আবেদন দিয়েছি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দাইন্যা ইউনিয়ন নিকাহ রেজিস্ট্রার কাজী আব্দুল লতিফ, গিয়াস, আনোয়ার, রফিকুল, আব্দুল লতিফসহ গ্রাম ছাড়া বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থক।

সংবাদ সম্মেলনে আনিত অভিযোগ প্রসঙ্গে  নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন বলেন, আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং ভিত্তিহীন। আমার জনপ্রিয়তায় পরাজিত হয়ে লাভলু মিয়া তাল-বেতাল হয়ে গেছেন। আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার সকল ষড়যন্ত্র তিনি শুরু থেকেই করছেন এবং এখনও চালাচ্ছেন। এটা পুলিশ প্রশাসন এবং এলাকাবাসী সবাই অবগত আছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. ডিসেম্বর ২০২১ ০৩:২২:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার(২৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে নয়টায় উপজেলার এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার কাছ খেকে ডাকাতির সরঞ্জামসহ তিনটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। বুধবার(২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত মাসুদ রানা (৪০) উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার বানিয়াবাড়ি এলাকার আবু তাহেরের ছেলে ও এলেঙ্গা পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল আজিজের আপন ভাগ্নে।

কালিহাতী থানার উপ-পরিদর্শক রাজু আহমেদ বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত মাসুদ রানার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি ও মোটরসাকেল ছিনতাইয়ের একাধিক মামলা রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. ডিসেম্বর ২০২১ ০২:০৫:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১১২ বস্তা চাল জব্দ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১১২ বস্তা চাল জব্দ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ১০ টাকা কেজির ১১২ বস্তা চাল জব্দ করা হয়েছে।মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নগদা শিমলা বাজারের চাল ব্যবসায়ী বিপ্লব হোসেনের বাড়ি ও আয়নাল হকের দোকান থেকে বস্তাগুলো উদ্ধার করেন।

জানা যায়, চাল ব্যবসায়ী বিপ্লব হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে প্রথমে ৩০ কেজি ওজনের ৭০ বস্তা ও ৫০ কেজি ওজনের ১৬ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। পরে একই বাজারের আরেক চাল ব্যবসায়ী আয়নাল হোসেনের দোকানে অভিযান চালিয়ে ৫০ কেজি ওজনের আরও ২৬ বস্তা চাল জব্দ করা হয়। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান।

এ বিষয়ে গোপালপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাদিয়া ইসলাম সীমা বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির বিপুল পরিমাণ চাল জব্দ করেছি। নিয়মিত মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরিচালিত উদ্ধার অভিযানে পুলিশ সদস্য, প্রশাসনের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. ডিসেম্বর ২০২১ ০২:৫৯:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিনামূল্যের ১০ হাজার পাঠ্যবই গায়েব - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিনামূল্যের ১০ হাজার পাঠ্যবই গায়েব

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০ হাজার বিনামূল্যের পাঠ্যবই গায়েব হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে অনেক শিক্ষার্থী পহেলা জানুয়ারি ‘বই উৎসব’ থেকে বঞ্চিত হবেন বলে শিক্ষকরা মনে করছেন।

পাঠ্যপুস্তক গায়েব হওয়ার অভিযোগে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মর্জিনা পারভীনকে গত ২৩ ডিসেম্বর শো’কজ করেন টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল আজিজ।

জানা যায়, উপজেলার ৬১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেনি পর্যন্ত ৩৫ হাজার পাঠ্যবইয়ের চাহিদা পাঠানো হয়। গত ৮ ডিসেম্বর পরিবহন ঠিকাদার সোহেল রানা গোপালপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মর্জিনা পারভীনকে চালানমূলে ওই সব বই বুঝিয়ে দেন। কিন্তু শিক্ষা অফিসার গ্রহনকৃত বই উপজেলা পরিষদের স্টোর রুমে না রেখে নিজ দায়িত্বে স্থানীয় সূতি সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে রেখে দেন।

সেখানে রাতের বেলা কোনো পাহারার ব্যবস্থা ছিলনা। গত ২২ ডিসেম্বর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বই বুঝিয়ে দেওয়ার সময় বই গায়েব হওয়ার ঘটনাটি ধরা পড়ে। দেখা যায় পঞ্চম শ্রেনির প্রাথমিক বিজ্ঞান ৪ হাজার ৯৫০ কপি এবং ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা ৫ হাজার ৫০ সহ মোট ১০ হাজার কপি বই গায়েব হয়ে গেছে।

গোপালপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক কল্যাণ সমিতির সভাপতি আব্দুল করিম জানান, সকল পাঠ্যবই চালানমূলে ঠিকাদারের কাছ থেকে বুঝে নেন প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মর্জিনা পারভীন। বই সংরক্ষণ রাখার কক্ষের চাবিও ছিল তার নিকট। তাহলে এসব পাঠ্য বই কিভাবে হাওয়া হয়ে গেলো তা নিয়ে তিনি এখন ধোঁয়াশা সৃষ্টি করছেন। বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনসহ এমনকি থানা পুলিশকেও জানানো হয়নি।

পাঠ্যসপুস্তক গায়েব হওয়া নিয়ে পরিবহন ঠিকাদার সোহেল রানাজানান, চালানে স্বাক্ষর নিয়ে সকল পাঠ্যবই উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। নিজেরা বই গায়েব করে এখন তাকে দোষারোপ করা হচ্ছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মর্জিনা পারভীন জানান, ঠিকাদার বই কম দিয়েছে। অতগুলো বই এক সঙ্গে গুণে নেওয়া তার পক্ষে সম্ভব ছিলনা। চালান বুঝে নেওয়ার সময় তিনি তড়িঘড়ি দস্তখত করেছেন। জানতেন না ঠিকাদার ফাঁকি দিচ্ছেন। এখন বিকল্পভাবে নানাস্থান থেকে এসব বই সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছেন ।

গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন জানান, বই গায়েব হওয়ার মতো চাঞ্চল্যকর ঘটনায় উপজেলা শিক্ষা অফিস তাদের কিছুই জানায়নি। পুলিশ নিজ উদ্যোগে বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পারভেজ মল্লিক জানান, বই গায়েব হওয়ার খবরটি তিনি সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) শুনেছেন। খোঁজ খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. ডিসেম্বর ২০২১ ০৮:৫২:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে দুই জনের জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে দুই জনের জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অনুষ্ঠিত চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে দুই জনকে আর্থিক জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে ভূঞাপুর উপজেলার চর পাথাইলকান্দি এলাকায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান খন্দকারের নেতৃত্বে জরিমানা করা হয়।

ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুর রহমান খন্দকার জানান, সকাল থেকে ভূঞাপুর এলাকায় তিনি নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করছিলেন। চর পাথাইলকান্দি এলাকায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে মোটরসাইকেল চালানোর কারণে দুই জনকে ৫০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়। নির্বাচন লঙ্ঘন আইন অনুযায়ী তাদের জরিমানা করা হয়। নির্বাচন চলাকালীন সময়ে কেউ আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে তাকেই আইনের আওতায় আনার কথা জানান তিনি।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচ এম কামরুল হাসান জানান, ‘সকাল ৮টা থেকে জেলার তিনটি উপজেলার ২১ টি ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। নির্বাচনে ৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ৮জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৮জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ৬ জন করে পুলিশ এবং সাধারণ কেন্দ্রে ৫ জন করে পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। একইসাথে প্রতিটি কেন্দ্রে ১৮জন করে আনসার সদস্যও দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া প্রতিটি উপজেলায় র‌্যাব এবং ডিবির টিমও কাজ করছেন। আশা করছি বিগত সময়ের মতো এবারও নির্বাচন সুষ্ঠু হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. ডিসেম্বর ২০২১ ০২:২১:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কারচুপির অভিযোগে ২ স্বতন্ত্র প্রার্থীর ভোট বর্জন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কারচুপির অভিযোগে ২ স্বতন্ত্র প্রার্থীর ভোট বর্জন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জাল ভোট দেওয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে ভোট বর্জন করেছেন টাঙ্গাইলের দুটি ইউনিয়নের দুই স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী।

তারা হচ্ছেন ভূয়াপুরের গোবিন্দাসী ইউনিয়নের আমিনুল ইসলাম আমিন (বিদ্রোহী আওয়ামী লীগ) এবং ঘাটাইলের দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের রফিকুল ইসলাম খান (বিএনপি)।

আমিনুল ইসলাম আমিন বলেন, সকালের দিকে সুষ্ঠু ভোট হলেও পরাজিত হওয়ার আশংকায় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারদের সহায়তায় বহিরাগতদের নিয়ে জোরপূর্বক ভোট দেওয়া, কেন্দ্র দখল, প্রভাববিস্তার করে নৌকা মার্কায় ভোট নেওয়া হয়েছে। অনিয়মের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ম্যাজিস্ট্রেট, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটানিং অফিসার নাজমা সুলতানা বলেন, এ ব্যাপারে তারা কোনো লিখিত অভিযোগ পাননি। পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এর আগে ঘাটাইলের দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খান ভোটের আগের রাত থেকেই নৌকা মার্কা প্রার্থীর লোকজনের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তার এজেন্টদের মারধর, ভোটকেন্দ্র হতে এজেন্টদের বের করে দেওয়া, কেন্দ্র দখল এবং জাল ভোটের অভিযোগ এনে দুপুর ১২টার দিকে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. ডিসেম্বর ২০২১ ১২:১১:এএম ৫ বছর আগে
কালিহাতীতে মাদ্রাসা ছাত্রীকে উত্যক্ত, দেড় লাখ টাকায় রফার অভিযোগ - Ekotar Kantho

কালিহাতীতে মাদ্রাসা ছাত্রীকে উত্যক্ত, দেড় লাখ টাকায় রফার অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার চিনামুড়ায় মাদ্রাসা ছাত্রীকে চুমু খাওয়া, বুকে জড়িয়ে ধরা, গোসলের সময় অঙ্গ-ভঙ্গি করে উত্যক্ত করার ঘটনায় দেড়লাখ টাকায় রফার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় মাতাব্বরদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন স্থানীয় কাউন্সিলর মতিয়ার রহমান খান বাবলু।

শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে স্থানীয় মাতাব্বরদের উপস্থিতিতে চিনামুড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক শালিসী বৈঠকে এ রফা হয়।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, উপজেলার চিনামুড়া গ্রামে রওজাতুল জান্নাত মহিলা মাদ্রাসায় পড়–য়া পঞ্চম শ্রেনীর এক ছাত্রীকে উত্যক্ত করে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠতা পরিচালক তোফাজ্জল হোসেন ওরফে তুলা মুন্সী। ঘটনাটি মাদ্রাসাছাত্রী তার মাকে জানায়। একপর্যায়ে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পরে স্বার্থন্বেষী একটি মহল ঘটনা ধামাচাপা দিতে ছাত্রীর পরিবারকে চাপসৃষ্টি করে। মাদ্রাসা ছাত্রীর পরিবার অসহায় ও দুর্বল হওয়ায় শালিসী বৈঠকে তাদের কথা মেনে নেওয়া ছাড়া আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারেননি। শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে এলেঙ্গা পৌর মেয়র নুর- এ-আলম সিদ্দিকীর উপস্থিতিতে দেড়লাখ টাকায় রফা করেন ছবদের কমিশনার ও স্থানীয় গুটিকয়েকজন মাতাব্বর।

পৌর কাউন্সিলর বাবলু খাঁন বলেন, শালিসে অভিযুক্ত মাদ্রাসা পরিচালক তোফাজ্জল হোসেনকে দেড়লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সেইসাথে মাদ্রাসাটিও বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত তোফাজ্জল হোসেনের সাথে যোযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় একাধীক মাতাব্বররা জানান, শিক্ষক জাতীর মেরুদন্ড তাদের দ্ধারা ছাত্রীকে উত্যক্ত’র ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা আরও জানান, অভিযুক্তকে আইনের আওতায় না দিয়ে জরিমানার বিষয়টি নিয়ে গ্রামবাসী ক্ষুব্ধ।

এ বিষয়ে এলেঙ্গা পৌরসভার মেয়র নুর-এ-আলম সিদ্দিকী মুঠোফোনে বলেন, মাদ্রাসার পরিচালক ওই ছাত্রীকে নানাভাবে উত্যক্ত ও যৌন নির্যাতন করায় তাকে শালিসী বৈঠকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বের আলম জানান, আমি বিষয়টি জানিনা, জেনে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. ডিসেম্বর ২০২১ ০১:৫০:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এগারো বছর বয়সী স্কুল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র‌্যাব-১২) ।শুক্রবার(২৪ ডিসেম্বর) ভোরে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের পারদিঘী গ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়ির একটি তালাবদ্ধ ঘর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত মোহাম্মদ অনিকের (১৯) বাড়ি উপজেলার দক্ষিণ পোষ্টকামুরী গ্রামে এবং পেশায় একজন শ্রমিক।

জানা যায়, গত ১৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ুয়া শিক্ষার্থীকে তার বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণ করে অনিক। পরে শিক্ষার্থীর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে পালিয়ে যায় অনিক।

ঘটনার পরদিন শিক্ষার্থীর মা মির্জাপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। স্থানীয়  র‌্যাব ক্যাম্পে লিখিত অভিযোগও দেন তিনি।

র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লেঃ কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি জানান, ‘বার বার স্থান পরিবর্তন করায় অনিককে ধরতে পারছিল না আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। পরে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে, তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।’

তিনি আরো জানান, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে অনিক।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. ডিসেম্বর ২০২১ ১২:৫৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অপহৃত মাদ্রাসা শিক্ষক উদ্ধার, ৩ অপহরণকারী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অপহৃত মাদ্রাসা শিক্ষক উদ্ধার, ৩ অপহরণকারী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের সাবালিয়া তানযীমুল উম্মাহ মাদ্রাসার অপহৃত শিক্ষক মো. খায়রুল ইসলাম(৩৮) বুধবার(২২ ডিসেম্বর) উদ্ধার ও তিন অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

গ্রেপ্তারকৃত অপহরণকারীরা হচ্ছেন- টাঙ্গাইল শহরের পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়ার মৃত আব্দুল খালেক মিয়ার ছেলে মো. রুবেল মিয়া(৩৩), মো. আ. রাজ্জাক মৃধার ছেলে মো. শাওন মৃধা(২৫) ও কচুয়াডাঙ্গার নূর মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. আব্দুল আল মামুন(২০)।

জানা যায়, সাবালিয়া তানযীমুল উম্মাহ মাদ্রাসার শিক্ষক মো. খায়রুল ইসলামকে গত ২১ ডিসেম্বর দিনগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনের মাইক্রো স্ট্যান্ড থেকে একদল সন্ত্রাসী অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরিবারের পক্ষ থেকে ওই শিক্ষককে উদ্ধারের জন্য র‌্যাব-১২’র সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডারের কাছে আবেদন করা হয়।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি চৌকষ দল অভিযানে নামে। তারা গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে জানতে পারে- অপহরণকারীরা বার বার স্থান বদল করছে এবং পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপন আদায়ের চেষ্টা করছে।

সর্বশেষ টাঙ্গাইল শহরের আকুরটাকুর পাড়ায় অপহরণকারীদের অবস্থান জানতে পেরে ওই শিক্ষকের পরিবারের সহায়তায় মুক্তিপনের টাকা নিয়ে দেন-দরকার করতে থাকে। অপহরণকারীরা র‌্যাবের তৎপরতা টের পেয়ে ২২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় ওই শিক্ষককে রাবনা বাইপাসে ফেলে পালিয়ে যায়।

এক পর্যায়ে বিকাশের মাধ্যমে দুই লাখ টাকা পাঠানোর জন্য রাজি হয়ে র‌্যাব দল ফাঁদ পাতে। র‌্যাবের ‘বিকাশ ফাঁদে’র কারণেই তিন অপহরণকারীকে র‌্যাব গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

অপহৃত মাদ্রাসা শিক্ষক মো. খায়রুল ইসলাম র‌্যাবকে জানান, সন্ত্রাসীরা তাকে অপহরণ করে এক নারীর সঙ্গে অশ্লীল ভিডিও ও ছবি তুলে রাখে এবং মুক্তিপন দাবি করে। মুক্তিপনের টাকা না দিলে এবং পুলিশকে জানালে ওই অশ্লীল ভিডিও ও ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখায়।

র‌্যাব-১২’র সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ভিকটিমের পরিবারের আবেদনের ভিত্তিতে তারা আভিযানিক তৎপরতা শুরু করেন এবং বিকাশের ফাঁদে ফেলে তিন অপহরণকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে ভিকটিমের সঙ্গে জড়িয়ে এক নারীর অশ্লীল ভিডিও ও ছবি উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে ভিকটিম মো. খায়রুল ইসলাম বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. ডিসেম্বর ২০২১ ০১:২৫:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।