একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চাঞ্চল্যকর নবজাতক শিশু হত্যা মামলায় মা-মেয়ে কে গ্রেপ্তার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ।রবিবার(৩০ জানুয়ারি) দিনভর অভিযান চালিয়ে উপজেলার বেকড়া ইউনিয়নের উত্তরপাড়া থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ওই গ্রামের ছনির মোল্লার স্ত্রী হাফিজা (৩৮) ও মেয়ে সোনিয়া (১৮)। তাদের বিরুদ্ধে নাগরপুর থানায় শিশু হত্যা মামলা রুজু করে টাঙ্গাইল বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে নাগরপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) সরকার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান,স্বাস্ব্য কমপ্লেক্সের ড্রেন থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধারের পর সোনিয়াসহ তার পরিবারের লোকজনদের নবজাত শিশুর মৃত্যুর বিষয়ে জানার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মা-মেয়ে ঘটনার সত্যতা শিকার করায় তাদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দিয়ে টাঙ্গাইল জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, উপজেলার বেকড়া ইউনিয়নের বেকড়া উত্তরপাড়া গ্রামের ছনির মোল্লার কুমারী মেয়ে (১৮)। শনিবার রাত সাড়ে দশটায় দিকে পেট ব্যাথা নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়। ভোর রাতে ওই মেয়ে ও তার মা কমপ্লেক্সে টয়লেটে দীর্ঘ সময় অবস্থান করে একটি কন্যা সন্তান জম্ম দেন। এ সময় হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগীরা টয়লেটে শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান। প্রায় দুই ঘন্টা পর মা ও মেয়ে বের হয়ে সিটে আসে। রবিবার সকালে ডাক্তার নিয়মিত রোগী পরিদর্শন শেষে ওই মেয়েকে ছাড়পত্র দেন ডা.কাজল পোদ্দার।
একই দিন সকাল আনুমানিক নয়টার দিকে দুজন পথ শিশু হাসপাতালের ড্রেনে নবজাতক শিশুটি দেখে লোকজন ডাকে। পরে হাসপাতাল কতৃপক্ষসহ আশ পাশের লোকজন জড়ো হয়ে নাগরপুর থানায় খবর দিলে পুলিশ নবজাত শিশুটির লাশ উদ্বার করে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে এক অজ্ঞাত যুবকের (৪৫) লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। রবিবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের কালিদাস কলতান বিদ্যা নিকেতন এলাকার শফিক মেম্বারের পরিত্যক্ত ঘরের পেছন থেকে ওই লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে স্থানীয় এলাকাবাসী ওই লাশ পরে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
কালিদাস বাজারের গ্রাম্য চিকিৎসক রিপন মিয়া বলেন, ওই অজ্ঞাত ব্যাক্তিকে পাগল বেশে গত কয়েকদিন ধরে এ এলাকা দিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।
সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনিরুজ্জামান জানান, সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কালিদাস এলাকা থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অপমৃত্যুর একটি মামলা দায়ের করা হবে। তবে লাশের পরিচয় এখনো মিলেনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের জেলা সদর রোড়ে অবস্থিত বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে’র বিরুদ্ধে এক নারীকে প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে রিমা রায় (৩১) নামের ওই নারী টাঙ্গাইল সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।রবিবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রিমা রায় শহরের আকুর টাকুরপাড়া ছোট কালিবাড়ী এলাকার স্বপন দাসের মেয়ে।
রিমা রায়ের অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২১ জানুয়ারি বিকেলে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজের রাস্তায় হাঁটতে বের হন রিমা রায়। এ সময় অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে (৪৭) ও টুকু দেসহ (৪০) অজ্ঞাত কয়েকজন তাকে অকথ্য অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। তারা এসিডে চেহারা বিকৃত করে দেওয়ার হুমকিও দেয় রিমা রায়কে। খুন করে ফেলা হবে বলেও হুমকি দেয়।
রিমা রায় অভিযোগে উল্লেখ করেন, বিবাদিরা যে কোন সময় তার ও তার ছেলের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে।
রিমা রায় বলেন, কিছুদিন আগে শহরের ছোট কালিবাড়ি মন্দির কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এসময় অনিয়মের মাধ্যমে মন্দির কমিটি গঠনের পেছনে আনন্দ মোহন দে’র হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। আমিও বক্তব্য রাখি মানববন্ধনে। আর এটাই কাল হয়ে দাঁড়ায়।
তিনি আরো বলেন, আমি তো কোন অন্যায় আচরণ করিনি। আমি শুধু বলেছিলাম- মন্দির-মসজিদ নিয়ে কেন রাজনীতি হবে। মন্দির-মসজিদ হলো প্রার্থণার জায়গা, শান্তির জায়গা। আর এ কথা বলার জন্যেই আমাকে হুমকি দিয়েছে আনন্দ মোহন দে।
এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে বলেন, আমি শুনেছি মেয়েটি একটি লিখিত অভিযোগ নাকি দিয়েছে। সে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় আমার প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করতো। সে আমার সরাসরি ছাত্রী ছিল। তার অভিযোগগুলো সত্য নয়। সম্পুর্ণ ভিত্তিহীন। আমিও তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
এ ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহেল বলেন, ছোট কালিবাড়ী এলাকার একটি মন্দিরের কমিটি নিয়ে পুরাতন ও নতুন দুই পক্ষের বিরোধ চলছে। আমি এ বিষয়ে ওই এলাকায় গিয়ে খোঁজ খবর নিয়ে এসেছি। তদন্ত চলছে। তবে দুই পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করছে। মূলত মন্দির কমিটি নিয়েই মূল সমস্যা দেখা দিয়েছে।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, ৩ দিন আগে ওই নারী বাদি হয়ে একটি লিখিত আবেদন দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় ব্রিজের ভাঙা পাটাতনে ধাক্কা লেগে এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছেন। নিহতের নাম মশিউর রহমান (৪০)।শনিবার( ২৯ জানুয়ারি) রাতে গোপালপুর-পিংনা সড়কের ঝাওয়াইল বেইলি ব্রিজে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মশিউর রহমানের বাড়ি ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার তিমিরকাঠি গ্রামে। তিনি অনির্বাণ মেডিসিনাল ইন্ডাস্ট্রিজের মধুপুর উপজেলার বিক্রয় প্রতিনিধি ছিলেন। মশিউর মধুপুর পৌর শহরের কলেজপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
মশিউরের সহকর্মী আশিক বিল্লাহ জানান, গোপালপুর উপজেলার ঝাওয়াইল বাজারের কয়েকটি ওষুধের দোকান থেকে পাওনা টাকা নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে মধুপুর ফিরছিলেন মশিউর। পথে ঝাওয়াইল বেইলি ব্রিজের ভাঙা পাটাতনের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে পড়ে যান তিনি।স্থানীয়রা উদ্ধার করে গোপালপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, এর আগেও ওই ব্রিজের ভাঙা পাটাতনের কারণে দুর্ঘটনায় অনেকের মৃত্যু হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় দৈনিক নয়া দিগন্তের কর্মকর্তা মাসুদ রানা নিহত হয়েছেন। রবিবার(৩০ জানুয়ারি) বিকালে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে তার মোটরসাইকেলকে একটি গাড়ি ধাক্কা দিলে তিনি ঘটনাস্থলে নিহত হন।
নিহত মাসুদ রানা দৈনিক নয়া দিগন্তে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (মার্কেটিং) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৩৪ বছর। তার মা, স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মাসুদ রানা তার বগুড়াস্থ বাড়ি থেকে নিজের মোটরসাইকেল যোগে ঢাকায় কর্মস্থলে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের কদিম ধল্যা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ওভারপাসে তার মোটরসাইকেলকে একটি বাস ধাক্কা দেয় তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। ধাক্কা দেয়া গাড়িটি তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা যায়নি। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে মির্জাপুরের গোড়াই হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাসেম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নিহতের পরিবারের লোকজনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় সদ্য ভূমিষ্ঠ এক শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশের ড্রেন থেকে গলাকাটা অবস্থায় ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নাগরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনোয়ার হোসেন জানান, সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশের ড্রেন থেকে গলাকাটা অবস্থায় ১২ ঘণ্টা বয়সী এক কন্যা শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে রাতের কোনো এক সময় হাসপাতালেই শিশুটির জন্ম হয়েছে।
নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রোকনুজ্জামান খান জানান, শনিবার (২৯ জানুয়ারী) রাতে এক তরুণী হাসপাতালে পেটে ব্যথা নিয়ে ভর্তি হন। ভোরের দিকে ওই তরুণী বাথরুমে দীর্ঘক্ষণ সময় কাটান। এরপর বাথরুম থেকে বের হওয়ার পর ওই তরুণীর আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে উদ্ধার হওয়া মৃত শিশুটি ওই তরুণীর।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের সোনালিয়া দক্ষিনপাড়া এলাকায় টিউবওয়েলের পানি খেয়ে তিন পরিবারের ১২ সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অসুস্থ পরিবারের অভিযোগ, চোর চক্রের সদস্যরা বাড়িতে চুরি করার উদ্দেশ্যে টিউবওয়েলের পানিতে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়েছে। অসুস্থ ব্যক্তিরা হলেন, ওই গ্রামের জামাল উদ্দিন, তার স্ত্রী নুরিয়া বেগম ও জাহেদা বেগম, আলাল ফকির, তার ছেলে আরিফ মিয়া ও ছেলের স্ত্রী সুবর্না বেগম, আলালের মেয়ে সেলিনা বেগম, আনু মিয়া ও তার স্ত্রী নাজমা বেগম, শিউলী বেগম, রনি মিয়া ও তার স্ত্রী শিলা বেগম।
অসুস্থ শিলা বেগম বলেন, বৃহস্পতিবার(২৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১ টার দিকে টিউবওয়েলের পানি খাই। কিছুক্ষণ পর আমি চারিদিকে অন্ধকার দেখতে শুরু করি। এরপর আমি কখন ঘুমিয়ে পড়েছি কিছুই জানি না। শুক্রবার(২৮ জানুয়ারি) সকালে আরও যারা টিউবওয়েলের পানি খেয়েছে তাদের সবারই একই অবস্থা। আমাদের টিউবওয়েলসহ পাশের বাড়ির আরও দুটি টিউবওয়েলে ওই নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশানো হয়েছে। শুক্রবার সারাদিন আমরা সকলেই ঘুম পেরেছি। এখনও সবাই অসুস্থ। আমরা ধারণা করছি, চোর চক্র এমন কাজ করেছে।
শিউলী বেগম বলেন, টিউবওয়েলের পানি দিয়ে বানানো রুটি খেয়ে আমিও অসুস্থ হয়েছি। নিজেকে মাতাল মাতাল মনে হচ্ছে। আমরা সকলেই স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হওয়ার চেষ্টা করছি।
অসুস্থ রনি মিয়া বলেন, শনিবার(২৯ জানুয়ারি) ভোর রাতে চোর এসে আমার ঘরের টিন কাটছিলো। আমার এক আত্মীয় টের পাওয়ায় হৈ চৈ শুরু করে। পরে চোর পালিয়ে যায়। চোর চক্রটি টিউবওয়েলের পানিতে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে আমাদের বাড়িতে চুরি করতে চেয়েছিলো।
হাবলা ইউনিয়নের সোনালিয়া দক্ষিণপাড়ার ইউপি সদস্য পলাশ মিয়া বলেন, ইতোপূর্বেও সোনালিয়া দক্ষিণপাড়া টিউবওয়েলের পানিতে নেশা মিশিয়ে একটি বাড়িতে চুরি করা হয়েছিলো।গত বৃহস্পতিবার সোনালিয়া দক্ষিণপাড়ায় একই ঘটনা ঘটেছে। তবে চুরি করতে পারেনি। এ ঘটনায় ১২ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছে বলে জানতে পেরেছি।
বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনুর রশিদ বলেন, এ ব্যাপারে কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বাসাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার( ইউএনও) নাহিদা পারভীন( বলেন, বিষয়টি আমি জেনেছি। থানার ওসিকে অবগত করা হয়েছে। তিনি প্রয়োজনীয় আইনগত প্রদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর শহরের কান্দাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮০ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। শনিবার (২৯ জানুয়ারি) ভোরে ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- টাঙ্গাইল পৌর শহরের পারদিঘুলিয়ার আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. জহিরুল ইসলাম (৪৩) ও সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী ইউনিয়নের বড় বেলতা মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত কুদ্দুসের ছেলে আব্দুল জব্বার (৪০)।
শনিবার দুপুরে র্যাব এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিকে জানায়, র্যাব-১২ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে একদল র্যাব টাঙ্গাইল পৌর শহরের বেবীস্ট্যান্ড সংলগ্ন কান্দাপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়।এসময় অভিযানে ৮০ লিটার চোলাই মদসহ জহিরুল ও জব্বারকে গ্রেফতার করা হয়। এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে একটি কলাবাগান থেকে মারুফ হোসেন (১৪) নামের এক মাদরাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৮ জানুয়ারী) সকালে উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের সরাবাড়ি এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজহারুল ইসলাম সরকার।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, মারুফ পার্শ্ববর্তী সখিপুর উপজেলার কাকরাজান ইউনিয়নের গড়বাড়ি গ্রামের ফারুক হোসেনের ছেলে। সে কালিহাতী উপজেলার রৌহা হাফিজিয়া মাদরাসায় লেখাপড়া করতো। তার নানার বাড়ি ঘাটাইল উপজেলার দেওপাড়া গ্রামে। মাদরাসা বন্ধ থাকায় বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারী) দুপুরে তার বড়ভাই অটোচালক বাবর আলীর সঙ্গে অটোরিক্সা নিয়ে ঘাটাইলের দেওপাড়া গ্রামে নানার বাড়িতে বেড়াতে যান। দেওপাড়া বাজার থেকে দুই ভাই মিলে কলা কেনেন। ছোট ভাইকে অটোরিক্সায় রেখে বড়ভাই বাবর আলী মামার বাড়িতে কলা রেখে আসতে যায়। পরে বাজারে ফিরে বাবর আলী অটোরিকশা ও তার ভাইকে দেখতে না পেয়ে বাজারেই অপেক্ষা করতে থাকেন। বাবর আলী ভাবেন, মারুফ হয়তো অটোরিকশাটি নিয়ে কোথাও ঘুরতে গেছে। দীর্ঘ সময়ে মারুফ ফিরে না আসায় গভীর রাত পর্যন্ত খোঁজাখুঁজি করেন বড়ভাই।
রসুলপুর ইউপি সদস্য নূরুল ইসলাম জানান, শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে স্থানীয়রা সরাবাড়ি এলাকায় একটি কলা বাগানের ভেতরে অজ্ঞাত শিশুর লাশ গলায় চাদর পেঁচানো অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে মারুফের বড় ভাই বাবর আলী ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি শনাক্ত করেন।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এ ঘটনায় মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন। রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের সন্তোষ বাগবাড়ী এলাকার ফার্নিচার ব্যবসায়ী শামসুল হকের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। বৃহস্পতিবার(২৭ জানুয়ারি) সকালে প্রেসক্লাবের সামনে বাগবাড়ী এলাকাবাসী ওই মানববন্ধনের আয়োজন করে।
এতে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল পৌরসভার কাউন্সিলর সাহিদুল হক স্বপন ও রকি হায়দার, সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ আলী , টাঙ্গাইলে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন ,পূর্ব শত্রুতার জেরে শামসুল হককে হত্যা করা হয়েছে। এটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি করছি। হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার না হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেওয়া হয় মানববন্ধন থেকে।
প্রসঙ্গত, গত রোববার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন শামসুল হক। পরদিন সোমবার সন্ধায় তার বাড়ির সামনের পুকুর থেকে ভাসমান অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে নিহতের ভাই এডভোকেট শামীম আল মামুন বাদি হয়ে অজ্ঞাতদের আসামী করে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে দুই ইটভাটার মালিককে তিন লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার বহেড়াতৈল ও কাকড়াজান ইউনিয়নের পলাশতলী এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট , উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয়া সুলতানা ওই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় পলাশতলী এলাকার মেসার্স মিতালী ব্রিক্সকে ২ লাখ এবং বহেড়াতৈলের পূবালী ইটভাটার মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সুলতানা জানান, কৃষি জমির মাটি দিয়ে এবং কাঠ পুড়ে ইট তৈরির অভিযোগে ওই দুই ইটভাটার মালিককে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এ সময় টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিপ্লব চন্দ্র সূত্রধরসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনকারীদের অর্থের জোগান দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন সখীপুরের হাবিবুর রহমান খান (২৬)। হাবিবুর সখীপুর উপজেলার দারিপাকা গ্রামের মতিয়ার রহমান খানের ছেলে।
সোমবার (২৪ জানুয়ারি) ও মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে হাবিবুর রহমান খানসহ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল। পরে মঙ্গলবার(২৫ জানুযারি) বিকালে তাদের সিলেটে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এ সময় একই অভিযোগে গ্রেফতা হওয়া সাবেক শিক্ষার্থীরা হলেন- বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানাধীন লক্ষ্মীকোলা গ্রামের মঈন উদ্দিনের ছেলে রেজা নুর মঈন (৩১), খুলনা জেলার সোনাডাঙ্গার মিজানুর রহমানের ছেলে এ এফ এম নাজমুল সাকিব (৩২), ঢাকা মিরপুরের মাজার রোডের এ কে এম মোশাররফের ছেলে এ কে এম মারুফ হোসেন (২৭) ও কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানাধীন নিয়ামতপুর গ্রামের সাদিকুল ইসলামের ছেলে ফয়সল আহমেদ (২৭)।
এদের মধ্যে সাবেক শিক্ষার্থী নাজমুস সাকিব করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। বুধবার (২৬ জানুয়ারি) বিকালে তাকে সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ছাড়া বাকি চার সাবেক শিক্ষার্থীকে সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
এ আন্দোলনে অর্থ সহায়তা দেওয়ার অভিযোগে আটক সাবেক পাঁচ শিক্ষার্থীসহ অজ্ঞাত ১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন জালালাবাদ থানায় সিলেট জেলা তাঁতী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজাত লায়েক আহমদ।
সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার আশরাফ উল্যাহ তাহের জানান, শাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের টাকা যোগান দেওয়ার অভিযোগে সিআইডির একটি টিম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের আটক করেছে বলে শুনেছি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য আটকদের সিলেটে নিয়ে আসছে সিআইডির একটি দল। এর বাইরে এখনই কোনও মন্তব্য করতে পারছি না।