একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের এমপি পদে মোহাম্মদ হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী কোন কর্তৃত্ববলে বহাল আছেন, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও এমপি পদে মোহাম্মদ হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারীসহ সংশ্লিষ্ট ১০ জনকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
রিটকারীর পক্ষের আইনজীবী মো. বুরহান খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (৩১ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
আদালতে মঙ্গলবার রিটের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলী। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. বুরহান খান।
অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম জি সারোয়ার পায়েল, ইশিতা পারভীন ও আশিকুল হক।
টাঙ্গাইল-৪ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। তাকে দল থেকে বহিষ্কারের পর ২০১৭ সালে ওই আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে খান সোহেল হাজারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো এমপি হন তিনি।
আইনজীবী মো. বুরহান খান জানান, হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতায় গড়মিল আছে উল্লেখ করে গত বছরের ২৫ জুলাই স্পিকার বরাবর মোখলেছুর রহমান চিঠি দেন। ওই চিঠিতে বিতর্কের বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশনে পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছিল। সেটি নিষ্পত্তি না করায় তিনি হাইকোর্টে রিট করেছেন। আবেদনে রিটটি নিষ্পত্তির নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল।
২০২১ সালের ১৭ নভেম্বর ওই রিট খারিজ করেন হাইকোর্টের অন্য একটি বেঞ্চ। এবার তার সংসদ সদস্য বাতিল চেয়ে আরও একটি রিট করা হয়। ওই রিটের শুনানি নিয়ে আজ এ রুল জারি করেন আদালত।
রিটের বিষয়ে আইনজীবী মো. বুরহান খান জানান, এবার পিটিশনার সরাসরি কোয়ারেন্ট নিয়েছেন। আমরা যেটা বলি, তার এমপির যে পোস্ট, সেটা কোন অথরিটির বলে (কর্তৃত্ববলে), এটা চ্যালেঞ্জ করে কোয়ারেন্ট করা হয়। কোর্ট এনিয়ে রুল ইস্যু করেছেন।’
তিনি আরো জানান, ‘আদালতে রিট আবেদনটি করেছিলেন আমার চেম্বারের জুনিয়র অ্যাডভোকেট মাহফুজ চৌধুরী বাপন। আর সিনিয়র কাউন্সিলর হিসেবে ছিলেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী।’
সংবাদ সূত্র – Jagonews24.com
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলের আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডিত ব্যক্তির নাম মো. হাসমত আলী (৪২)।বাবা ছামেদ আলীকে হত্যার দায়ে মঙ্গলবার (৩১ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ ফাহমিদা কাদের এ রায় দেন।
দণ্ডিত হাসমত ঘাটাইল উপজেলার রামদেবপুর হেংগারচালা গ্রামের ছামেদ আলীর ছেলে।
টাঙ্গাইলের সরকারি কৌশুলী (পিপি) এস আকবর খান জানান, হাসমত ২০২০ সালের ১৭ অক্টোবর রাত ৯ টার দিকে তার বাবার কাছে নেশার জন্য টাকা চায়। তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করলে হাসমত তাকে পেটাতে শুরু করে। এসময় হাসমতের মা হাসনা বেগম এগিয়ে এলে তাকেও ধাওয়া করে। পরে বাড়িতে থাকা কোদাল দিয়ে ছামেদ আলীর গলা, মাথা ও ঘাড়ে আঘাত করে। এতে ঘরের মধ্যেই তার মৃত্যু হয়। পরে মা হাসনা বেগমকে কোপাতে গেলে এলাকার লোকজন এসে হাসমতকে ধরে ফেলে। রাতেই তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। পরদিন হাসমতের মা বাদি হয়ে ঘাটাইল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় তদন্ত শেষে ঘাটাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফুল হাসান ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে হাসমত আলী জেল হাজতে ছিলেন। মঙ্গলবার তাকে আদালতে আনা হয়। রায় ঘোষণার পর তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়।
একতার কণ্ঠঃ নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) এক সদস্যের পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন টাঙ্গাইলের জেলা ও দায়রা জজ আদালত।
সোমবার (৩০ মে) বিকেলে জেলা ও দায়রা জজ ফাহমিদা কাদের এ আদেশ দেন। রায়ে দণ্ডিত ব্যক্তিকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও পাঁচ মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
দণ্ডিত সুমন আকন্দ (৪০) বরিশাল জেলার কোতোয়ালি থানার কাওয়ার চর গ্রামের মকবুল আকন্দের ছেলে।
টাঙ্গাইল আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, ২০১৯ সালের ৩১ আগস্ট র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) টাঙ্গাইল শহরতলীর নগরজলফৈ এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করে। সুমন আকন্দ ওই চেকপোস্টের কাছে আসার পর তাকে তল্লাশির জন্য র্যাব সদস্যরা সংকেত দেন। এসময় তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে র্যাব তাকে আটক করে। তার ব্যাগ থেকে চারটি জিহাদি বই, একটি স্টিলের ছুরি, চাকু, লোহার বাটালসহ কিছু দেশীয় অস্ত্র ও মেকানিক্যাল যন্ত্রপাতি উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জেএমবির সদস্য বলে স্বীকার করেন। তিনি ঢাকার রামপুরা এলাকায় অবস্থান করে জঙ্গিবাদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। নাশকতার উদ্দেশ্যে টাঙ্গাইল এসেছিলেন বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানান।
ওইদিনই র্যাব-১২ এর সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের তৎকালীন কোম্পানির উপ-সহকারী পরিচালক নাজিম উদ্দিন বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সুমন আকন্দকে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে টাঙ্গাইল সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী ২০২০ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিত সুমন আকন্দকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠ :টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় কাশেম আলী নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (৩০ মে) দুপুরে টাঙ্গাইলের দ্বিতীয় অতিরিক্ত দায়রা জজ মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এ রায় দেন। রায়ে দন্ডিত ব্যক্তিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও চারমাস সশ্রম করাদন্ডে দন্ডিত করা হয়েছে।
দন্ডিত মোহাম্মদ কাশেম আলী (৩৫)বাসাইল উপজেলার করটিয়াপাড়া গ্রামের আজিজুল মিয়ার ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইলের সরকারি কৌশুলী (পিপি) এস আকবর খান।
তিনি জানান, দন্ডিত কাশেম আলী ২০০৭ সালের ৮ জুন তাদের এলাকার আলী আজমসহ আরও কয়েকজন একই উপজেলার ময়থা গ্রামে তুলা মিয়ার জমিতে মাটি কাটতে যান। সেখানে দন্ডিত কাশেম আলী পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আলী আজমকে (২৬) মারপিট করে এবং উপরে তুলে আছড়ে ফেলে। এতে আজম গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় প্রথমে তাকে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছে ও পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে পরদিন উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১৮ জুন তার মৃত্যু হয়। ওই দিনই আলী আজমের স্ত্রী চায়না বেগম বাদি হয়ে বাসাইল থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে বাসাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুলতান আহমেদ ২০০৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
মামলার ১৫জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহন শেষে এই রায় দেওয়া হয়। রায় ঘোষনার সময় দন্ডিত কাশেম আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় দুইদিনে ৪৯টি ক্লিনিক সিলগালা করা হয়েছে। এছাড়াও আরও কয়েকটিকে জরিমানা করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ মে) ও রোববার (২৯ মে) দিনব্যাপী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলাসহ বিভিন্ন উপজেলায় স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, দুইদিনে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১২টি, গোপালপুরে ১১টি, ধনবাড়ীতে ছয়টি, মির্জাপুর পাঁচটি, মধুপুর ও ভুঞাপুরে চারটি করে, নাপরপুর ও ঘাটাইলে তিনটি করে ও সখীপুরে একটি সিলগালা করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রানুআরা খাতুন জানান, বৈধ কাগজপত্র না থাকায় শহরের স্বদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, পদ্মা ক্লিনিক, আমানত ক্লিনিক অ্যান্ড হসপিটাল, আশেকপুর চক্ষু হাসপাতাল, করটিয়া এলাকার রোকেয়া ক্লিনিক, মিতালী ক্লিনিক এবং ডিজিটাল ক্লিনিককে অনুমোদন না থাকায় সিলগালা করা হয়েছে। এছাড়াও দুই দিনে কমফোর্ট হসপিটাল ও ডিজি ল্যাবের মালিককে ৩০ হাজার টাকা করে, দি সিটি হাসপাতালের মালিককে ২০ হাজার টাকা এবং সাবালিয়া এলাকার খিদমা স্পেশালাইস্ট হসপিটালকে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বলেন, বৈধ কাগজপত্র না থাকায় দুইদিনের অভিযানে টাঙ্গাইল সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় ৪৯টি ক্লিনিক সিলগালা করা হয়েছে। এছাড়াও আরও কয়েকটিকে জরিমানা করা হয়েছে। যাদের বৈধ কাগজপত্র নেই, সে বিষয়েও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে খাদিজা আক্তার (২২) নামের এক প্রবাসীর স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (২৯ মে) সকালে উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের কুটুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত খাদিজার ২ বছরের এক ছেলে সন্তান রয়েছে।
জানা যায়, কোকডহরা ইউনিয়নের কুটুরিয়া গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে সৌদি প্রবাসী আবু হানিফের সাথে প্রায় ৪ বছর পূর্বে পার্শ্ববর্তী বলধী গ্রামের আব্দুল খালেকের মেয়ে খাদিজার বিয়ে হয়। তার স্বামী আবু হানিফ দেশে ছুটি কাটিয়ে দু’মাস পূর্বে পুনরায় সৌদী চলে যান। তারপর থেকেই শশুর-শাশুড়ী খাদিজাকে বিভিন্নভাবে অত্যাচার করে আসছিল বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিবার। গত দু’দিন আগে শাশুড়ি ও খাদিজার সাথে শাশুড়ীর স্বর্ণের চেইন হারানো নিয়ে নিয়ে ঝগড়া হয়। পরে রোববার সকালে স্টোক করেছে বলে খাদিজাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় তার শশুর-শাশুড়ী। এসময় চিকিৎসক মৃত খাদিজার গলায় চিহ্ন দেখে শাশুড়ি হালিমনকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন ফাঁসি দিয়েছে।
নিহত খাদিজার ভাই শফিকুল ইসলাম বলেন, খাদিজাকে হত্যা করে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গিয়ে তার শাশুড়ি হালিমন আমাদের জানায় সে অসুস্থ্য। পরে জানতে পারি পুলিশ খাদিজার লাশ থানায় নিয়ে গেছে।
খাদিজার বাবা খালেক বলেন, আমার মেয়ে খাদিজাকে তার শশুর-শাশুড়ী হত্যা করে আত্মহত্যা বলে প্রচার চালাচ্ছে। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করেছি। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।
অন্যদিকে, শাশুড়ী হালিমনের দাবী গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে খাদিজা। তাকে বাঁচাতে ফাঁস থেকে নামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ফাতেমা জানান, রাতের শিফটের ডাক্তার সকালেও ডিউটি করেছেন। খাদিজা নামে এক গৃহবধুকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। ওটা ব্রড ডেড, হ্যাংগিং কেস চিহ্ন পাওয়া গেছে। পুলিশ এসে লাশ নিয়ে গেছে। পোস্টমর্টেমের পর মূল বিষয় জানা যাবে।
এ বিষয়ে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সংবাদ পাওয়ার পর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দ্বিতীয়দিনের অভিযানে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ৫টি ক্লিনিক সিলগালা করা হয়েছে। এছাড়াও ১৫দিনের সময় দিয়ে একটি ক্লিনিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এর আগে শনিবার (২৮ মে) প্রথমদিনের অভিযানে ডিজিল্যাব ক্লিনিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসহ রোববার (২৯ মে) পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছিল। সময়সীমা শেষ হওয়ায় আজ সেটি সিলগালা করা হয়েছে।
রোববার (২৯ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ভ্রাম্যামাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ।
জানা যায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক সুপারভিশন ও মনিটরিং বিষয়ে সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক সারাদেশের ন্যায় টাঙ্গাইলে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠা অনিবন্ধিত ক্লিনিক বন্ধে অভিযান শুরু করে প্রশাসন। অভিযানের দ্বিতীয়দিনে সকাল সাড়ে এগারোটা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে বৈধ কোন কাগজপত্র না থাকায় তাৎক্ষনিত বন্ধ ঘোষণা করে চারটি ক্লিনিক সিলগালা করা হয়। এছাড়া একটি হাসপাতাল মালিককে ৫০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সিলগালাকৃত ক্লিনিকগুলো হলো, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়ার রোকেয়া ক্লিনিক, করটিয়া ডিজিটাল ক্লিনিক ও মিতালী ক্লিনিক ও টাঙ্গাইল পৌর শহরের আশেকপুর চক্ষু হাসপাতাল। এছাড়া ১৫দিনের সময় দিয়ে খিদমা স্পেশালাইজড হাসপাতালকে ৫০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রানুয়ারা খাতুন জানান, যথাযথ আইন অনুসরণ না করে পরিচালিত হওয়ায় শহরের আশেকপুর চক্ষু হাসপাতাল, করটিয়ার মিতালি ক্লিনিক, ডিজিটাল ক্লিনিক, নিউ রোকেয়া ক্লিনিক সিলগালা করা হয়েছে। এছাড়া শহরের খিদমা হাসপাতালকে ৫০ হাজার জরিমানা করা হয়েছে। বৈধ, অনুমোদনহীন ও যথাযথ আইন অনুসরণ না করে পরিচালিত সকল প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি। এছাড়া শনিবার পরিচালিত অভিযানে ডিজিল্যাবে সিজারিয়ান রোগী থাকায় ৩০হাজার জরিমানা করে রোবার দুপুর পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছিল। আজ সেটিও সিলগালা করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রানুয়ারা খাতুনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ শরিফুল ইসলাম ও জেলা সিভিল সার্জন অফিসের কর্মকর্তারা।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের সখীপুরে বাসচাপায় আব্দুল করিম (৫০)নামে এক পথচারীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার( ২৯ মে) সকালে সখীপুর-সাগরদিঘী আঞ্চলিক সড়কের পেট্রোল পাম্প এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ বাদল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহত আঃ করিম উপজেলার কচুয়া ৭নং ওয়ার্ডের মৃত একিন আলীর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার সকালে সিএনজি থেকে নেমে কচুয়া পেট্টোল পাম্প এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় সখীপুর থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় বাসটি আটক করা হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় আঃ করিমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় বাসটিকে জব্দ করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে অবৈধভাবে গড়ে উঠা ক্লিনিক বন্ধ করতে অভিযান শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।
শনিবার (২৮ মে) সকাল থেকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রানুআরা খাতুনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দুপুর ১২টা পর্যন্ত অভিযানে কোন বৈধ কাগপত্র না থাকায় চারটি ক্লিনিক সিলগালা ও দুইটি ক্লিনিক মালিককে জরিমানা করা হয়েছে।
সিলগালাকৃত ক্লিনিকগুলো হচ্ছে, স্বদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ডিজি ল্যাব, পদ্মা ক্লিনিক, আমানত ক্লিনিক অ্যান্ড হসপিটাল।
এছাড়া দি সিটি ক্লিনিকে ২০ হাজার টাকা এবং কমফোর্ড হাসাপাতালকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রানুআরা খাতুন জানান, কোন বৈধ কাগপত্র না থাকায় এখন পর্যন্ত ৪টি ক্লিনিক সিলগালা করা হয়েছে। অভিযান এখনো চলছে। অভিযান শেষ হওয়ার পর বিস্তারিত বলা যাবে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে ৩ হাজার ৬০১ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র্যাব। শুক্রবার (২৭মে)ভোরে সদর উপজেলার পিচুরিয়া গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটককৃত মাদক কারবারি উপজেলার পিচুরিয়া গ্রামের আব্দুল আজিজ মিয়ার ছেলে আলম মিয়া (৪৫)।
উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এ সময় একটি মোবাইল ফোন জব্দ করে র্যাব।
শুক্রবার (২৭ মে)দুপুরে র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আটককৃত মাদকদ্রব্য ইয়াবা অবৈধভাবে সংগ্রহ করে টাঙ্গাইল জেলাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের নিকট তার চাহিদা অনুযায়ী বিক্রি করে আসছিলো। আটককৃত মাদক কারবারি আলম মিয়ার বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় ২০১৮ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এর ৩৬ (১) এর ১০ (খ) ধারায় মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মা ক্লিনিক এন্ড হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতিসহ নবজাতক মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর ক্লিনিকের ডাক্তার, নার্স, কতৃপক্ষ সহ সবাই পলাতক রয়েছে।
মৃত লাইলী বেগম (৩০) উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের খানুরবাড়ি গ্রামের আতোয়ার হোসেনের স্ত্রী।
বুধবার (২৫ মে ) রাতে ভুঞাপুর বাজারস্থ অনুমোদনবিহীন মা ক্লিনিক এন্ড হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, লাইলী বেগমের প্রস্রব যন্ত্রণা হলে তার স্বজনরা ভুঞাপুর স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসক রোগীকে টাঙ্গাইল রেফার্ড করেন। এতে সেখানে থাকা ক্লিনিকের দালাল শামছুর খপ্পরে। পরে দালালের কথামত মা ক্লিনিক এন্ড হাসপাতালে নিয়ে যায়। ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যায়। পরে ওই ক্লিনিকে সার্জারি চিকিৎসক ও ভুঞাপুর স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার এনামুল হক সোহেল ও অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক ডা. আল মামুন অস্ত্রপ্রচার শুরু করেন। পরে এক পর্যায়ে রোগী অপারেশন টেবিলেই মারা যায়। পরে স্বজনদের না জানিয়ে লাশ অ্যাম্বুলেন্সে উঠিয়ে টাঙ্গাইলে পাঠিয়ে দেয়ার সময় স্বজন ও স্থানীয়রা বাঁধা দেয়।
রোগীর স্বজনরা জানান, প্রস্রব যন্ত্রণা শুরু হলে সরকারি হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে দালালের খপ্পরে পরে ক্লিনিকে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা দুই ঘন্টা ধরে অপারেশন থিয়েটারে রাখে। পরে রোগী মারা গেলে ক্লিনিকের সামনে রেখে চিকিৎসক, নার্স ও মালিকরা পালিয়ে যায়।
ভুঞাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. আল মামুন বলেন, মা ক্লিনিকে আনার পর তার উচ্চ রক্ত চাপ (পেসার ) দেখা দেয়। পরে অপারেশনের আগেই রোগী বমি করার পরই মারা যায়।
ভুঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ক্লিনিকে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে ক্লিনিকের চিকিৎসক, নার্স ও মালিকরা পালিয়ে গেছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে প্রেমিকাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মাধব চন্দ্র পাল (৩৩) নামে এক যুবকের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৫ মে) দুপুরে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাউদ হাসান এই রায় দেন। মাধব চন্দ্র পাল টাঙ্গাইল পৌরসভার এনায়েতপুর এলাকার সুশীল চন্দ্র পালের ছেলে।
টাঙ্গাইলের সরকারি কৌসুলি (পিপি) এস আকবর খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নবম শেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে মাধব পালের। একপর্যায়ে ওই ছাত্রীকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। এতে ক্ষোভে ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই স্কুলছাত্রী।
চিকিৎসার পর সুস্থ হলে স্থানীয় সালিশ বৈঠকের পর মাধবের সঙ্গে তার বিয়ের দিন ধার্য হয়। বিয়ের তারিখ ঠিক হওয়ার পরে ওই ছাত্রীকে ফোনে মাধব জানান, তিনি চাপে পড়ে বিয়েতে রাজি হয়েছেন। বিয়ের পর তাকে শান্তিতে থাকতে দেবেন না। ওই ছাত্রীকে আত্মহত্যা করতে বলেন তিনি।
মাধবের কাছ থেকে ফোন পাওয়ার পর ওই স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনার পর ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মাধব, তার বাবা সুশীল পাল, মা আলো রানী পালসহ নয় জনকে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন।