একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় দুইদিনে ৪৯টি ক্লিনিক সিলগালা করা হয়েছে। এছাড়াও আরও কয়েকটিকে জরিমানা করা হয়েছে।
শনিবার (২৮ মে) ও রোববার (২৯ মে) দিনব্যাপী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলাসহ বিভিন্ন উপজেলায় স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, দুইদিনে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১২টি, গোপালপুরে ১১টি, ধনবাড়ীতে ছয়টি, মির্জাপুর পাঁচটি, মধুপুর ও ভুঞাপুরে চারটি করে, নাপরপুর ও ঘাটাইলে তিনটি করে ও সখীপুরে একটি সিলগালা করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রানুআরা খাতুন জানান, বৈধ কাগজপত্র না থাকায় শহরের স্বদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, পদ্মা ক্লিনিক, আমানত ক্লিনিক অ্যান্ড হসপিটাল, আশেকপুর চক্ষু হাসপাতাল, করটিয়া এলাকার রোকেয়া ক্লিনিক, মিতালী ক্লিনিক এবং ডিজিটাল ক্লিনিককে অনুমোদন না থাকায় সিলগালা করা হয়েছে। এছাড়াও দুই দিনে কমফোর্ট হসপিটাল ও ডিজি ল্যাবের মালিককে ৩০ হাজার টাকা করে, দি সিটি হাসপাতালের মালিককে ২০ হাজার টাকা এবং সাবালিয়া এলাকার খিদমা স্পেশালাইস্ট হসপিটালকে ৫০ হাজার টাকা আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বলেন, বৈধ কাগজপত্র না থাকায় দুইদিনের অভিযানে টাঙ্গাইল সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় ৪৯টি ক্লিনিক সিলগালা করা হয়েছে। এছাড়াও আরও কয়েকটিকে জরিমানা করা হয়েছে। যাদের বৈধ কাগজপত্র নেই, সে বিষয়েও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে খাদিজা আক্তার (২২) নামের এক প্রবাসীর স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (২৯ মে) সকালে উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের কুটুরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত খাদিজার ২ বছরের এক ছেলে সন্তান রয়েছে।
জানা যায়, কোকডহরা ইউনিয়নের কুটুরিয়া গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে সৌদি প্রবাসী আবু হানিফের সাথে প্রায় ৪ বছর পূর্বে পার্শ্ববর্তী বলধী গ্রামের আব্দুল খালেকের মেয়ে খাদিজার বিয়ে হয়। তার স্বামী আবু হানিফ দেশে ছুটি কাটিয়ে দু’মাস পূর্বে পুনরায় সৌদী চলে যান। তারপর থেকেই শশুর-শাশুড়ী খাদিজাকে বিভিন্নভাবে অত্যাচার করে আসছিল বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিবার। গত দু’দিন আগে শাশুড়ি ও খাদিজার সাথে শাশুড়ীর স্বর্ণের চেইন হারানো নিয়ে নিয়ে ঝগড়া হয়। পরে রোববার সকালে স্টোক করেছে বলে খাদিজাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় তার শশুর-শাশুড়ী। এসময় চিকিৎসক মৃত খাদিজার গলায় চিহ্ন দেখে শাশুড়ি হালিমনকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন ফাঁসি দিয়েছে।
নিহত খাদিজার ভাই শফিকুল ইসলাম বলেন, খাদিজাকে হত্যা করে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গিয়ে তার শাশুড়ি হালিমন আমাদের জানায় সে অসুস্থ্য। পরে জানতে পারি পুলিশ খাদিজার লাশ থানায় নিয়ে গেছে।
খাদিজার বাবা খালেক বলেন, আমার মেয়ে খাদিজাকে তার শশুর-শাশুড়ী হত্যা করে আত্মহত্যা বলে প্রচার চালাচ্ছে। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করেছি। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।
অন্যদিকে, শাশুড়ী হালিমনের দাবী গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে খাদিজা। তাকে বাঁচাতে ফাঁস থেকে নামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ফাতেমা জানান, রাতের শিফটের ডাক্তার সকালেও ডিউটি করেছেন। খাদিজা নামে এক গৃহবধুকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিল। ওটা ব্রড ডেড, হ্যাংগিং কেস চিহ্ন পাওয়া গেছে। পুলিশ এসে লাশ নিয়ে গেছে। পোস্টমর্টেমের পর মূল বিষয় জানা যাবে।
এ বিষয়ে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সংবাদ পাওয়ার পর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দ্বিতীয়দিনের অভিযানে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ৫টি ক্লিনিক সিলগালা করা হয়েছে। এছাড়াও ১৫দিনের সময় দিয়ে একটি ক্লিনিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এর আগে শনিবার (২৮ মে) প্রথমদিনের অভিযানে ডিজিল্যাব ক্লিনিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসহ রোববার (২৯ মে) পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছিল। সময়সীমা শেষ হওয়ায় আজ সেটি সিলগালা করা হয়েছে।
রোববার (২৯ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনায় টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ভ্রাম্যামাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ।
জানা যায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক সুপারভিশন ও মনিটরিং বিষয়ে সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক সারাদেশের ন্যায় টাঙ্গাইলে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠা অনিবন্ধিত ক্লিনিক বন্ধে অভিযান শুরু করে প্রশাসন। অভিযানের দ্বিতীয়দিনে সকাল সাড়ে এগারোটা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে বৈধ কোন কাগজপত্র না থাকায় তাৎক্ষনিত বন্ধ ঘোষণা করে চারটি ক্লিনিক সিলগালা করা হয়। এছাড়া একটি হাসপাতাল মালিককে ৫০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সিলগালাকৃত ক্লিনিকগুলো হলো, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়ার রোকেয়া ক্লিনিক, করটিয়া ডিজিটাল ক্লিনিক ও মিতালী ক্লিনিক ও টাঙ্গাইল পৌর শহরের আশেকপুর চক্ষু হাসপাতাল। এছাড়া ১৫দিনের সময় দিয়ে খিদমা স্পেশালাইজড হাসপাতালকে ৫০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রানুয়ারা খাতুন জানান, যথাযথ আইন অনুসরণ না করে পরিচালিত হওয়ায় শহরের আশেকপুর চক্ষু হাসপাতাল, করটিয়ার মিতালি ক্লিনিক, ডিজিটাল ক্লিনিক, নিউ রোকেয়া ক্লিনিক সিলগালা করা হয়েছে। এছাড়া শহরের খিদমা হাসপাতালকে ৫০ হাজার জরিমানা করা হয়েছে। বৈধ, অনুমোদনহীন ও যথাযথ আইন অনুসরণ না করে পরিচালিত সকল প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি। এছাড়া শনিবার পরিচালিত অভিযানে ডিজিল্যাবে সিজারিয়ান রোগী থাকায় ৩০হাজার জরিমানা করে রোবার দুপুর পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছিল। আজ সেটিও সিলগালা করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রানুয়ারা খাতুনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ শরিফুল ইসলাম ও জেলা সিভিল সার্জন অফিসের কর্মকর্তারা।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের সখীপুরে বাসচাপায় আব্দুল করিম (৫০)নামে এক পথচারীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার( ২৯ মে) সকালে সখীপুর-সাগরদিঘী আঞ্চলিক সড়কের পেট্রোল পাম্প এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ বাদল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহত আঃ করিম উপজেলার কচুয়া ৭নং ওয়ার্ডের মৃত একিন আলীর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার সকালে সিএনজি থেকে নেমে কচুয়া পেট্টোল পাম্প এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় সখীপুর থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় বাসটি আটক করা হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় আঃ করিমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় বাসটিকে জব্দ করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে অবৈধভাবে গড়ে উঠা ক্লিনিক বন্ধ করতে অভিযান শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।
শনিবার (২৮ মে) সকাল থেকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রানুআরা খাতুনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। দুপুর ১২টা পর্যন্ত অভিযানে কোন বৈধ কাগপত্র না থাকায় চারটি ক্লিনিক সিলগালা ও দুইটি ক্লিনিক মালিককে জরিমানা করা হয়েছে।
সিলগালাকৃত ক্লিনিকগুলো হচ্ছে, স্বদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ডিজি ল্যাব, পদ্মা ক্লিনিক, আমানত ক্লিনিক অ্যান্ড হসপিটাল।
এছাড়া দি সিটি ক্লিনিকে ২০ হাজার টাকা এবং কমফোর্ড হাসাপাতালকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রানুআরা খাতুন জানান, কোন বৈধ কাগপত্র না থাকায় এখন পর্যন্ত ৪টি ক্লিনিক সিলগালা করা হয়েছে। অভিযান এখনো চলছে। অভিযান শেষ হওয়ার পর বিস্তারিত বলা যাবে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে ৩ হাজার ৬০১ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র্যাব। শুক্রবার (২৭মে)ভোরে সদর উপজেলার পিচুরিয়া গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটককৃত মাদক কারবারি উপজেলার পিচুরিয়া গ্রামের আব্দুল আজিজ মিয়ার ছেলে আলম মিয়া (৪৫)।
উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এ সময় একটি মোবাইল ফোন জব্দ করে র্যাব।
শুক্রবার (২৭ মে)দুপুরে র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আটককৃত মাদকদ্রব্য ইয়াবা অবৈধভাবে সংগ্রহ করে টাঙ্গাইল জেলাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীদের নিকট তার চাহিদা অনুযায়ী বিক্রি করে আসছিলো। আটককৃত মাদক কারবারি আলম মিয়ার বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় ২০১৮ সালের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এর ৩৬ (১) এর ১০ (খ) ধারায় মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মা ক্লিনিক এন্ড হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতিসহ নবজাতক মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর ক্লিনিকের ডাক্তার, নার্স, কতৃপক্ষ সহ সবাই পলাতক রয়েছে।
মৃত লাইলী বেগম (৩০) উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের খানুরবাড়ি গ্রামের আতোয়ার হোসেনের স্ত্রী।
বুধবার (২৫ মে ) রাতে ভুঞাপুর বাজারস্থ অনুমোদনবিহীন মা ক্লিনিক এন্ড হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, লাইলী বেগমের প্রস্রব যন্ত্রণা হলে তার স্বজনরা ভুঞাপুর স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসক রোগীকে টাঙ্গাইল রেফার্ড করেন। এতে সেখানে থাকা ক্লিনিকের দালাল শামছুর খপ্পরে। পরে দালালের কথামত মা ক্লিনিক এন্ড হাসপাতালে নিয়ে যায়। ক্লিনিকের অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যায়। পরে ওই ক্লিনিকে সার্জারি চিকিৎসক ও ভুঞাপুর স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার এনামুল হক সোহেল ও অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক ডা. আল মামুন অস্ত্রপ্রচার শুরু করেন। পরে এক পর্যায়ে রোগী অপারেশন টেবিলেই মারা যায়। পরে স্বজনদের না জানিয়ে লাশ অ্যাম্বুলেন্সে উঠিয়ে টাঙ্গাইলে পাঠিয়ে দেয়ার সময় স্বজন ও স্থানীয়রা বাঁধা দেয়।
রোগীর স্বজনরা জানান, প্রস্রব যন্ত্রণা শুরু হলে সরকারি হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে দালালের খপ্পরে পরে ক্লিনিকে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা দুই ঘন্টা ধরে অপারেশন থিয়েটারে রাখে। পরে রোগী মারা গেলে ক্লিনিকের সামনে রেখে চিকিৎসক, নার্স ও মালিকরা পালিয়ে যায়।
ভুঞাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. আল মামুন বলেন, মা ক্লিনিকে আনার পর তার উচ্চ রক্ত চাপ (পেসার ) দেখা দেয়। পরে অপারেশনের আগেই রোগী বমি করার পরই মারা যায়।
ভুঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ক্লিনিকে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে ক্লিনিকের চিকিৎসক, নার্স ও মালিকরা পালিয়ে গেছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে প্রেমিকাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় মাধব চন্দ্র পাল (৩৩) নামে এক যুবকের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৫ মে) দুপুরে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাউদ হাসান এই রায় দেন। মাধব চন্দ্র পাল টাঙ্গাইল পৌরসভার এনায়েতপুর এলাকার সুশীল চন্দ্র পালের ছেলে।
টাঙ্গাইলের সরকারি কৌসুলি (পিপি) এস আকবর খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নবম শেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে মাধব পালের। একপর্যায়ে ওই ছাত্রীকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। এতে ক্ষোভে ঘুমের ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই স্কুলছাত্রী।
চিকিৎসার পর সুস্থ হলে স্থানীয় সালিশ বৈঠকের পর মাধবের সঙ্গে তার বিয়ের দিন ধার্য হয়। বিয়ের তারিখ ঠিক হওয়ার পরে ওই ছাত্রীকে ফোনে মাধব জানান, তিনি চাপে পড়ে বিয়েতে রাজি হয়েছেন। বিয়ের পর তাকে শান্তিতে থাকতে দেবেন না। ওই ছাত্রীকে আত্মহত্যা করতে বলেন তিনি।
মাধবের কাছ থেকে ফোন পাওয়ার পর ওই স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনার পর ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মাধব, তার বাবা সুশীল পাল, মা আলো রানী পালসহ নয় জনকে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার অরণখোলা ইউনিয়নের জলছত্র এলাকায় অভিযান চালিয়ে মঙ্গলবার(২৪ মে) ভোরে ২৮ বোতল বিদেশি মদ সহ জলছত্র এলাকার মৃত নিহার দফোর ছেলে তুষার রেমা(৩৫) নামে এক আদিবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি- দক্ষিণ)।
টাঙ্গাইল পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি) দক্ষিণের অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেনের নির্দেশে ডিবির একটি দল মধুপুরের জলছত্র এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে ২৮ বোতল বিদেশি মদ সহ তুষার রেমাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সূত্র আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত তুষার রেমা চোরাই পথে বিদেশি মদ সংগ্রহ করে মাদকসেবীদের কাছে সরবরাহ করছিল।
এ বিষয়ে মধুপুর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইল শহরের দেওলা এলাকায় রিনা আক্তার মায়াকে আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় স্বামী ওয়াহেদুল ইসলাম প্রান্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার(২৪ মে) দুপুরে তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে সপর্দ করলে টাঙ্গাইল সদর আমলী আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রট সামছুল আলম একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করন। তথ্যটি নিশ্চিত করেছে আদালত পরিদর্শক মা. তানভীর আহম্মদ।
এ ঘটনায় নিহত কলেজ ছাত্রীর পিতা কালিহাতী উপজলার মহেলা গ্রামের মো. হাবেল উদ্দিন বাদী হয়ে রোববার(২২ম) রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ।
প্রকাশ, নিহতের বাবা হাবিল উদ্দিন জানান,গত দেড় বছর আগে শহরের বিশ্বাসবেতকা মুন্সিপাড়া এলাকার সামাল খাঁনর ছেলে ওয়াহেদুল ইসলাম প্রান্তর সাথে রিনা আক্তার মায়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে শাররীক ও মানুষিকভাব নির্যাতন করত। এ বিষয়ে মেয়ের বাবা হাবিল উদ্দিন মেয়ের জামাতার বাবার কাছে অভিযাগ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে দেওলার ভাড়াটিয়া বাসায় যায়। বাসা ফাঁকা পেয়ে মায়ার উপর চড়াও হয় শান্ত। ধস্তাধস্তির একপর্যায় মায়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে মায়ার মরদেহ গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফ্যানর সাথে ঝুলিয়ে রেখে ডাকচিৎকার করেন স্বামী। প্রতিবশীরা পুলিশকে খবর দিলে মরদহ উদ্ধার করে এবং স্বামী প্রান্তকে আটক করে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা সল্লা সমবায় উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুকান্ত কুমার সুত্রধরকে লাঞ্ছিত করেছে স্থানীয় বখাটে শিশির।এঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (১৯ মে) দুপুরে সল্লা সমবায় উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বখাটে শিশিরের বিচারের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে কালিহাতী উপজেলার সল্লায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে বিদ্যালযের শিক্ষার্থীরা।
এসময় মহাসড়কের দুইপাশে ১৫ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে কালিহাতী থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শিক্ষার্থীরা সকল প্রকার ক্লাশ-পরীক্ষা বর্জন করে ২৪ ঘন্টার মধ্যে শিশিরকে গ্রেফতার করা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন।
জান যায়, বিদ্যালয়ের ইংরেজি সহকারী শিক্ষক সুশান্ত কুমার সূত্রধর ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় বৃহস্পতিবার সকালে বখাটে শিশির স্কুল প্রাঙনে প্রবেশ করে তাকে শারিরীকভাবে লাঞ্ছিত করে পালিয়ে যায়। শিশির সল্লা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আবু নাসিরের ছেলে। এদিকে শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনা শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে পরলে তারা একত্রিত হয়ে মহাসড়ক অবরোধ করেন। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আলীম জানান, বিদ্যালয়ে যাওয়া আসার সময় মাঝে মধ্যেই এই বখাটে শিশির ছাত্রীদের উত্যক্ত করে।তিনি শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
বখাটে শিশিরের শাস্তির আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা বাড়িতে চলে যায়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছাদেক আলী মোল্লা জানান, শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে শিক্ষকদের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বখাটে শিশিরের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, শিক্ষক অভিযোগ দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের বাসাইলে চাচির গোসলের নগ্ন ভিডিও ধারণ করে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী বাসাইল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মান্দারজানি গ্রামের জামাল মিয়ার ছেলে শরিফুল ইসলাম শরীফ (২৮) কৌশলে তার চাচির গোসলের নগ্ন ভিডিও ধারণ করে। পরে ওই ভিডিও হৃদয় খান নামে একটি ইমো আইডি থেকে তার সৌদি প্রবাসী চাচাকে পাঠায়। দুই লাখ টাকা না দিলে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে ভাইরাল করে দেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়। বিষয়টি তিনি তার স্ত্রীকে জানান। পরে স্ত্রী বাদী হয়ে বাসাইল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারীর গোসলখানাটি অভিযুক্ত শরীফের ঘরের উত্তর পাশে অবস্থিত। ভুক্তভোগী ওই নারীর গোসলখানা দরজাবিহীন। ছবিটির ফ্রেম বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ছবিটি অভিযুক্ত শরীফের ঘর থেকে তোলা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শরীফের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে চুরিসহ নানা অপকর্মে জড়িত থাকায় এলাকায় একাধিক গ্রাম সালিশ হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারী বলেন, শরিফ ইতোপূর্বে আমার ঘরে ঢুকে খাবারের সাথে বিষজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে আমাদের সবাইকে মেরে ফেলারও চেষ্টা করেছিল। শুধু ভাতিজা বলে এতদিন সকল অত্যাচার সহ্য করেছি। আমি ওর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
এ বিষয়ে সৌদি প্রবাসী মুঠোফোনে বলেন, যে ইমো আইডি হৃদয় খান থেকে আমাকে ভিডিওটি পাঠানো হয়েছে ওই একই আইডি থেকে আমার ভাতিজা শরীফ আমার সাথে যোগাযোগ করেছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম শরীফ বলেন, আমাদের বাড়িতে পুলিশ এসেছিল। আমি পুলিশকে আমার মোবাইল ফোন দিয়ে দিয়েছি। আমার চাচির সাথে এমন কাজ করতে পারি না। অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেও তিনি দাবি করেন।
বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগটি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।