একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সাথে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
রবিবার (৭ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ রায়ের আদেশ দেন।
দন্ডিত ওই যুবকের নাম রবিন মিয়া (২৬)। সে সখীপুর উপজেলার সদরের গজারচালা এলাকার শাহজাহান মিয়ার ছেলে।
অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এই মামলার অন্য আসামি দীপ্তি আক্তারকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সহকারী সরকারি কৌশুলী মোহাম্মদ আব্দুল কদ্দুস জানান, ২০১৬ সালের ৭ জুলাই সখীপুরের একটি মাদ্রাসার দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে রবিন তাদের বাড়িতে কৌশলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ওই দিনই ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর মা বাদি হয়ে সখীপুর থানায় ৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দেলোয়ার হোসেন ওই বছরের ১ সেপ্টেম্বর রবিন মিয়া ও দীপ্তি আক্তারের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। রায় ঘোষণার সময় রবিন মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
পরে তাকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি রাজা মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) ভোরে টাঙ্গাইল শহরের নতুন বাস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাজা মিয়ার বাড়ি কালিহাতী উপজেলার বল্লা গ্রামে। তার বাবার নাম হারুন অর রশিদ। তিনি টাঙ্গাইল শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, ঈগল পরিবহনের যে বাসটি ডাকাতের কবলে পড়ে, সেই বাসের চালককে সরিয়ে দিয়ে রাজা চালকের সিট দখল করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এ ঘটনায় কে কে জড়িত ছিলো রাজা আমাদের জানিয়েছে।
তিনি আরো জানান, মধুপুরে বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে পুলিশ। ভোরে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাতে কুষ্টিয়া থেকে ঈগল পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ২৪ থেকে ২৫ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। গভীর রাতে সিরাজগঞ্জ পৌঁছালে সেখান থেকে একদল ডাকাত যাত্রীবেসে ওই বাসে ওঠে। বাসটি বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার পর যাত্রীবেশে থাকা ওই তরুণ দল অস্ত্রের মুখে যাত্রীদের বেঁধে ফেলে। কয়েক মিনিটের মধ্যে যাত্রীদের কাছ থেকে মোবাইল, নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নেয়। এরপর এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণ করে তারা। বাসটি বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে তিন ঘণ্টার মতো নিয়ন্ত্রণে রাখে। পরে পথ পরিবর্তন করে টাঙ্গাইল ময়মনসিংহ সড়কের মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়া জামে মসজিদের পাশে বালির স্তূপে বাসটি উল্টিয়ে ডাকাত দল পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় বাসের এক যাত্রী বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে টাঙ্গাইলের মধুপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। এই অভিযোগে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মধুপুর থানায় মামলা করেছেন বাসের এক যাত্রী।
মধুপুর থানায় বুধবার(৩ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে এই মামলা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন।
তিনি জানান, কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা ঈগল পরিবহনের বাসে মঙ্গলবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন। ২৪ থেকে ২৫ জন যাত্রী ছিলেন তাতে।
যাত্রীদের বরাতে ওসি বলেন, ‘বাসটি সিরাজগঞ্জের কাছাকাছি দিবারাত্রি হোটেলে রাতের খাবারের জন্য বিরতি দেয়। রাত দেড়টার দিকে আবার যাত্রা শুরু করে। পথে কাঁধে ব্যাগ বহনকরা ১০ থেকে ১২ জন তরুণ ওঠেন।
‘বাসটি বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার পর ওই তরুণরা অস্ত্রের মুখে একে একে সব যাত্রীদের বেঁধে ফেলে। কয়েক মিনিটের মধ্যে সবার কাছ থেকে মোবাইল ফোন, টাকা ও গয়না লুট করে নেয়। এরপর এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণ করে।’
ওসি অভিযোগের বরাতে আরও জানান, বাসটি বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে ওই দলটি। পরে পথ বদলে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়া জামে মসজিদের পাশে বালির ডিবিতে বাসটি উল্টিয়ে তারা পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে ঈগল পরিবহনের ব্যবস্থাপক আয়নাল হোসেন থানায় আসেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারদের বেঁধে রেখে যাত্রীদের কাছে যা যা ছিল সব নিয়ে গেছে ডাকাতরা।’
ওসি মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন আরো জানান, ধর্ষণের অভিযোগ করা নারীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বৈরান নদ থেকে ভাসমান অবস্থায় রামেশ্বর চন্দ্র সূত্রধর (৭০) নামের এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মৃত রামেশ্বর চন্দ্র সূত্রধর পৌর এলাকার হাটবৈরান গ্রামের বাসিন্দা ।
পরিবার সুত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) বিকাল থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন । নিখোঁজ থাকায় পরিবারের পক্ষ থেকে গোপালপুর থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করা হয়েছিল।
এলাকাবাসী জানায়, মঙ্গলবার (২ আগস্ট) দিবাগত রাতে বৈরান নদে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন এলাকাবাসী।গোপালপুর থানার পুলিশ বুধবার (৩ আগস্ট) সকালে মরদেহটি উদ্ধার করে।এসময় রামেশ্বর চন্দ্র সূত্রধরের স্বজনরা লাশটি শনাক্ত করেন ।
স্থানীয় হাটবৈরান গ্রামের বাসিন্দা মো. আব্দুল বাসেত জানান, বিগত দুইদিন থেকে এলাকাবাসী বৈরান নদের মাঝখানে ভাসমান বস্তু দেখতে পায়, মরদেহ দৃশ্যমান হলে লোকজন পুলিশে খবর দেয়।
রামেশ্বরের ছেলে সাধন চন্দ্র সুত্রধর জানান, গত বৃহস্পতিবার কাজ শেষে বাড়ি ফেরার সময় তার বাবা নিখোঁজ হন, লাশ ফুলে যাওয়ায় শনাক্ত করতে অসুবিধা হলেও হাতেের আংটি ও হাত পায়ের গড়ন দেখে সবাই মিলে শনাক্ত করেছি এটাই বাবার লাশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী অভিযোগ জানাবেন।
এ বিষয়ে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন জানান, রামেশ্বর চন্দ্র সুত্রধর নিখোঁজ হওয়ার পর তার স্বজনরা এসে থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার একটি মাদ্রাসার তিনজন ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করায় দুই যুবককে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (৩ আগস্ট)বিকালে তাদের তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের হামিদপুর গ্রামের মাহমুদুল হাসান (২১) ও একই ইউনিয়নের তৈলধারা গ্রামের নাজমুল (১৯)।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (ইউএনও) প্রকৌশলী ফারজানা আলম।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, উপজেলার একটি মাদ্রাসার তিনজন ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার অপরাধে “নারীর শ্লীলতাহানীর উদ্দেশ্যে কথা ও অঙ্গভঙ্গি করার অপরাধে” দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ৫০৯ ধারা অনুযায়ী দুই যুবককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
একই অপরাধে অভিযুক্ত আরেক কিশোর, অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মুচলেখা দিয়ে তাকে তার অভিভাবকের হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে কবিরাজের ভূত তাড়ানোর চিকিৎসায় তাসলিমা আক্তার (২৩) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার ( ২ আগস্ট) বিকেলে ওই গৃহবধূ মারা যান।
মৃত তাসলিমা উপজেলার যাদবপুর গ্রামের মোতালেব হোসেনের মেয়ে। এ ঘটনায় আপাতত অস্বাভাবিক মৃত্যুর (ইউডি) মামলা নিয়েছে সখীপুর থানা-পুলিশ।
তবে গৃহবধূর পরিবারের লোকজন কবিরাজ আসমান আলীকেই দায়ী করছেন। অভিযুক্ত কবিরাজ উপজেলার বেড়বাড়ি গ্রামের তাহের আলী কবিরাজের ছেলে।
সোমবার ভূত তাড়ানোর উদ্দেশ্যে চুন ও পেঁয়াজের রসমিশ্রিত তরল দ্রব্য নাক দিয়ে ঢোকালে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই গৃহবধূ।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল গ্রামের রাসেল আহমেদের সঙ্গে তাসলিমার বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তিনি মানসিক রোগে ভুগছিলেন। তাসলিমা সম্প্রতি বাবার বাড়িতে এলে পরিবারের লোকজন তাঁকে পার্শ্ববর্তী গ্রামের আসমান কবিরাজের কাছে নিয়ে যান। তাসলিমার ওপর ভূতের আছর পড়েছে দাবি করে বেশ কয়েক দিন ধরেই ঝাড়-ফুঁক করছিলেন ওই কবিরাজ। সোমবার একপর্যায়ে ওই কবিরাজ গৃহবধূর নাক দিয়ে পেঁয়াজের রস, চুনসহ বিভিন্ন গাছের রস ঢেলে দেন। এতে তাসলিমা অচেতন হয়ে পড়েন। পরদিন মঙ্গলবার তিনি মারা যান।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আলতাফ হোসেন বলেন, কবিরাজি চিকিৎসারত অবস্থায় ওই গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।
মৃত গৃহবধূর বাবা মোতালেব হোসেন বলেন, ‘আমার মেয়ে কিছুটা মানসিকভাবে দুর্বল থাকলেও মারা যাবে এ রকম অবস্থা ছিল না। কবিরাজের ভুল চিকিৎসার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।’
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান , মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে । ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারী জুয়েল সিদ্দিকীর (৫০) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২ আগস্ট) বিকেলে পৌর এলাকার কলেজ মোড়ে নিজ বাসা “খাজা প্লাজা” থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
জুয়েলের পরিবার জানায়, মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে জুয়েলকে বাসায় রেখে তার স্ত্রী ছেলেকে নিয়ে স্কুলে যান। ছেলের স্কুল শেষে বাসায় ফিরলে জুয়েলের রুমের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ দেখতে পান তিনি। ঘরের দরজায় বার বার কড়া নাড়লেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া-শব্দ পাওয়া যায়নি। এক ঘণ্টা চেষ্টার পর দরজা ভেঙে মা-ছেলে ঘরে ঢুকে জুয়েলের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে জুয়েলের লাশ উদ্ধার করে।
এ প্রসঙ্গে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার জানান, এ পর্যন্ত জুয়েলের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের সাতবিলা গ্রামে ভিমরুলের কামড়ে রহিম বাদশা (৫০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ আগস্ট) সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
রহিম দিঘলকান্দি ইউনিয়নের সাতবিলা গ্রামের মৃত হোসেন আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (১ আগস্ট) বিকালে রহিম বাদশা গ্রামের পাশে বাঁশ ঝাড়ে বাঁশ কাটতে যায়। সেখানে ভিমরুলের ঝাঁক তাকে আক্রমণ করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়। পরে স্বজনরা তাকে কালিহতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
সেখানে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাদিন অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
একতার কণ্ঠঃ জ্বালানি তেল,গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি ও বিদ্যুতের নজিরবিহীন লোডশোডিংয়ের প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে নিজেদের মধ্যে হট্রগোল হয়েছে। পরে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে পুলিশ।
রবিবার(৩১ জুলাই) সকালে শহরের ভিক্টোরিয়া রোডস্থ জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন-আহবায়ক হাসানুজ্জামিল শাহিনের সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কবি আব্দুল হাই শিকদার।
এতে প্রধান বক্তা ছিলেন ঢাকা বিভাগীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটো, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, যুগ্ম-আহবায়ক কাজী শাফিকুর রহমান লিটন, দেওয়ান শফিকুল ইসলাম, অমল ব্যানার্জী প্রমুখ।
এসময় বিএনপির অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বিচ্ছিন্ন ঘটনা সম্পর্কে বিএনপির নেতারা বলেন, সমাবেশকে বানচাল করতে কিছু পদবঞ্চিত নেতারা অতর্কিত হামলা চালানোর চেষ্টা করে পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে পুলিশ । পরে আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে সমাবেশ সম্পন্ন করি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীর এলেঙ্গায় বাংলার মেলা সংস্থা (বিএমএস) নামক এক এনজিও অফিস থেকে পারভেজ (২৩) নামের এক মাঠ সংগঠকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (৩১ জুলাই) সকালে কালিহাতী উপজেলা এলেঙ্গা শাখা বাংলার মেলা সংস্থা (বিএমএস) অফিসের দ্বিতীয় তলার একটি রুম থেকে ওই সংগঠকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত পারভেজ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হিরাকোটা গ্রামের বাহর আলীর ছেলে।
তিনি বাংলার মেলা সংস্থার মাঠ সংগঠক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
বাংলার মেলার কর্মীরা জানান, প্রতিদিন রাতে পারভেজ কাজ শেষে অফিস রুমে ঘুমান। রবিবার সকালে অফিসে অন্য কর্মীরা তাকে ডাকাডাকি করেন। কিন্তু কোনও সাড়া না পেয়ে রুমের জানালা দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে তার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেন।
এ বিষয়ে কালিহাতী থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষ, মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরে বিশ্বাস বেতকা ধোপাপাড়া এলাকায় আবু সাইদ (৩৫) নামে এক যুবক খুন হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্ত্রী হৃদয় বানু পালিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) দুপুরে তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিষয়টি টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন নিশ্চিত করেছেন।
নিহত আবু সাইদ সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের তারটিয়া গ্রামের ওমর আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, আবু সাইদ তার প্রথম ঘরের স্ত্রী সন্তান রেখে হৃদয় বানুকে বিয়ে করেন। হৃদয় বানুরও এর আগে বিয়ে হয়েছিলো। ছয় মাস আগে শহরের বিশ্বাস বেতকা ধোপাপাড়া এলাকায় তারা দুজনে বাসা ভাড়া নেন। সেখানেই হৃদয় বানু থাকতেন। মাঝে মাঝে আবু সাইদ তার কাছে যেতেন। বৃহস্পতিবার সকালে শিশুর কান্নার শব্দ শুনে স্থানীয়রা তাদের ঘরে যায়। এ সময় ঘরে আবু সাইদের লাশ দেখে তারাই পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। লাশের পাশে সাত মাসের একটি মেয়ে শিশু কান্না করছিলো।
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান ,প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সাইদকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্ত্রী পলাতক রয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।
একতার কণ্ঠঃ চেক জালিয়াতির মামলায় টাঙ্গাইল শহরের জেলা সদর রোডে (বটতলা) অবস্থিত বিবেকানন্দ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের করণিক আনোয়ার পারভেজকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২৭ জুলাই) রাতে বিবেকানন্দ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আনোয়ার পারভেজ পৌর শহরের দেওলা এলাকার বাসিন্দা।
অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে জানান, শহরের সাবালিয়া এলাকার এক ব্যক্তির কাছ থেকে চার লাখ টাকা ধার নেন করণিক আনোয়ার। পরে ওই ব্যক্তির টাকা পরিশোধের জন্য তাকে একটি চেক দেন আনোয়ার। পরিশোধের নির্দিষ্ট তারিখে তার অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকায় আনোয়ার পারভেজের নামে একটি ডিজ-অনার মামলা করেন ওই ব্যক্তি। ওই মামলায় রোববার(২৪ জুলাই) আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন