/ হোম / আইন-আদালত
টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র রাহাত হত্যার রহস্য উদঘাটন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র রাহাত হত্যার রহস্য উদঘাটন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের স্কুল ছাত্র রাহাত(১৪) হত্যা রহস্য উদঘাটন করেছে র‌্যাব।শনিবার(২৬ মার্চ) দুপুরে র‌্যাব-১২ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার মো. এরশাদুর রহমান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে  ওই হত্যাকান্ডের বিস্তারিত গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে তুলে ধরেন।

র‌্যাব কমান্ডার মো. এরশাদুর রহমান জানান, বন্ধুকে এতিম বলায় জীবন দিতে হয় স্কুলছাত্র রাহাতকে (১৪)। শুক্রবার (২৫ মার্চ) রাতে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিহত রাহাতের বন্ধু বিপ্লব র‌্যাবের হাতে আটক হওয়ার পর হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়।

তিনি আরো জানান, রাহাত ও বিপ্লব দুই বন্ধু। তাদের বাড়িও পাশাপাশি। মঙ্গলবার (২২ মার্চ) রাতে বিপ্লব ও রাহাত কালিহাতী উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের কাগুজিপাড়া বাজারে বসে লুডু খেলছিল। এ সময় বিপব্লকে কয়েকবার রাহাত এতিম বলে সম্বোধন করে। এ কারণে রাহাতের ওপর ক্ষিপ্ত হয় বিপ্লব এবং রাহাতকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয় । পরে বিপ্লব বাজারের একটি দোকান থেকে ব্লেড ও সিগারেট কেনে। এরপর সে সিগারেট খাওয়ার কথা বলে রাহাতকে কাগুজিপাড়া এলাকার একটি পুকুর পাড়ে নিয়ে যায়। সিগারেট খাওয়া শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিপ্লব ব্লেড দিয়ে রাহাতের গলায় পোচ দেয়। এসময় রাহাত চিৎকার দিলে বিপ্লব মুখ চেপে ধরে আরও কয়েকবার পোচ দেয়। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে কাদা-মাটির মধ্যে রাহাতের মুখ চেপে ধরে। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর মরদেহ পাশের পুকুরে ফেলে দিয়ে রাহাতের মোবাইল ফোন নিয়ে বাড়িতে চলে যায় বিপ্লব। বাড়িতে গিয়ে সে গোসল করে এবং তার রক্তমাখা জামা-কাপড় ধুয়ে ফেলে।

তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের আরো জানান, শুক্রবার (২৫ মার্চ) তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে কালিহাতী থেকে বিপ্লবকে আটক করার পর র‌্যাবের কাছে সে এ হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ঘটনার বর্ণনা দেয়। পরে তার ঘর থেকে তার জামা-কাপড় ও নিহত রাহাতের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য, বুধবার (২৩ মার্চ) সকালে উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের কাগুজিপাড়া এলাকা থেকে রাহাতের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রাহাত বানিয়ারা গ্রামের শাহাদত হোসেনের ছেলে। সে বল্লা করোনেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেনীর ছাত্র ছিল। আটককৃত বিপ্লব বানিয়ারা গ্রামের নুবু মিয়ার ছেলে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. মার্চ ২০২২ ০৯:১০:পিএম ৪ বছর আগে
চাকরিতে যোগদানের আগেই প্রীতির বুক ছিদ্র করে বেরিয়ে গেলো ঘাতক বুলেট! - Ekotar Kantho

চাকরিতে যোগদানের আগেই প্রীতির বুক ছিদ্র করে বেরিয়ে গেলো ঘাতক বুলেট!

একতার কণ্ঠঃ রাজধানীর শাহজাহানপুরে বৃহস্পতিবার(২৪ মার্চ) রাত সোয়া ১০টার দিকে এলোপাতাড়ি গুলি করে আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপুকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। একই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে সামিয়া আফরান জামাল প্রীতি নামের এক কলেজছাত্রীও নিহত হন।

শুক্রবার(২৫ মার্চ) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিহত টিপু ও প্রীতির লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন ঢামেক ফরেনসিক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জান্নাতুন নাইম।

জানা গেছে, টিপুর শরীর থেকে সাতটি গুলি বের করা হয়েছে। আর প্রীতির শরীরে কোনো গুলি পাওয়া যায়নি। কারণ তার শরীরের এক দিক দিয়ে ঢুকে অন্যদিকে একটি গুলি বেরিয়ে গেছে।

প্রীতির লাশের সুরতাল করেন শাহজাহানপুর থানার এসআই তমা বিশ্বাস। সুরতহাল প্রতিবেদনে এসআই তমা উল্লেখ করেন, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে প্রীতি নিজের বাসা থেকে রিকশাযোগে বান্ধবীর সঙ্গে তাঁর বাসায় যাচ্ছিলেন। রাত আনুমানিক সোয়া ১০টার দিকে উত্তর শাহজাহানপুর সড়কে এলে দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি গুলি করে। এতে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রীতির বাম স্তনের ওপরে একটি ছিদ্র এবং পিঠের ডান পাশে মাঝ বরাবর একটি গোল চিহ্ন রয়েছে।

শুক্রবার (২৫ মার্চ) প্রীতির বান্ধবী সুমাইয়া গণমাধ্যমকে বলেন, প্রীতি তার মা-বাবা ও ছোট ভাইয়ের সঙ্গে পশ্চিম শান্তিবাগে ভাড়া বাসায় থাকতেন। তবে গত ৪ দিন সে খিলগাঁও তিলপা পাড়ায় আমার বাসায় ছিল। সেখান থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাসায় ফিরছিল। তবে, নিজের বাসার কাছে এসেও ফিরে আসতে হয় প্রীতিকে। বাসার কাছাকাছি গেলে প্রীতিকে তার মা হঠাৎ ফোন দিয়ে বলেছিলেন- চট্টগ্রাম থেকে প্রীতির মামা-মামী এসেছেন। সে যেন আজকেও আমার বাসায় থাকে। আগামীকাল যেন বাসায় যায়।

প্রীতিদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগরে। সেখানে যাতায়াত কম। বাবার চাকরিসূত্রে ঢাকায় থাকে তার পরিবার।

প্রীতির বাবা মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা সাধারণ পরিবারের নিরীহ মানুষ। আমার মেয়ের হত্যার ঘটনায় আমরা কোনো মামলা করব না। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। সাধারণ জীবনযাপন করি। কার বিরুদ্ধে মামলা করব? হয়তো এক্সিডেন্টলি ঘটনাটি ঘটে গেছে।আল্লাহ একজন আছেন, তিনিই দেখবেন।

তিনি আরো বলেন, মিরপুর-২ এ একটি কোম্পানির ফ্যাক্টরির প্রডাকশনে চাকরি করি। বেতন বেশি পাই না। অনেক কষ্টে মেয়ে প্রীতি ও ছেলে সোহায়েব জামাল সামি ও স্ত্রীকে নিয়ে পশ্চিম শান্তিবাগের একটি বাসায় ভাড়ায় থাকি।

জামাল উদ্দিন বলেন, প্রীতি বদরুন্নেসা কলেজে ইন্টারমিডিয়েটে পড়তো। পরিবারের অবস্থা বিবেচনা করে নিজে চাকরির চেষ্টা করছিল৷ ১৫ হাজার টাকায় একটা অফিসে চাকরি নিয়েছিল। সামনের মাসে জয়েন করার কথা ছিল মেয়েটার। কিন্তু সেটা আর হলো না।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. মার্চ ২০২২ ০৩:১৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৬৬৩ বস্তা চালসহ আটক ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৬৬৩ বস্তা চালসহ আটক ১

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অবৈধ মজুদ ও কালোবাজারীর খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি সরকারি ৬৬৩ বস্তা চাল, নগদ টাকা ও মোবাইল উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩। বৃহস্পতিবার(১৭ মার্চ) সকালে অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলার করটিয়া বাজারস্থ জমিদার বাড়ির পাশে শরৎ চন্দ্র সূত্রধরের গুদাম ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়।বৃহস্পতিবার দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে  র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩ ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার ও সহকারী পুলিশ সুপার এরশাদুর রহমান।

এসময় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল অবৈধ মজুদ ও কালোবাজারি করার অপরাধে শরৎ চন্দ্র সূত্রধরকে আটক করা হয় ।আটককৃত শরৎ চন্দ্র সূত্রধর(৬০) করটিয়া কলেজ পাড়া এলাকার সুবল চন্দ্র সূত্রধরের ছেলে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩ ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার ও সহকারী পুলিশ সুপার এরশাদুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর উপজেলার করটিয়া বাজারস্থ জমিদার বাড়ির পাশে শরৎ চন্দ্র সূত্রধরের গুদাম ঘরের ভিতরে কালোবাজারী ও মজুদধারী খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৬৬৩ বস্তা চাউল উদ্ধার হয় এবং ওই গুদাম ঘরের মালিক শরৎ চন্দ্র সূত্রধরকে আটক করা হয়।

তিনি আরো জানান, সরকার কর্তৃক ১০ টাকা মূল্যে গরীব দরিদ্রদের জন্যে সরবরাহকৃত চাল বেশী মুনাফা লাভের আশায় অবৈধভাবে সংগ্রহ করে মজুত করে বেশী দামে বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন লোকজনের নিকট বিক্রি করে আসছিল। আটককৃতের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন এর ২৫(১)/২৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মার্চ ২০২২ ০১:৪২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় এক যুবকের মৃত্যুদণ্ড হয়েছে।সোমবার(১৪ মার্চ) দুপুরে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ রায় দেন।

ধর্ষক ও হত্যাকারীর নাম মো.মাজেদুর রহমান (২৬)। সে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের মিরপুর মধ্য পাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ৯ অক্টোবরে বিকাল অনুমানিক ৫ টার দিকে মিরপুর মধ্যপাড়া গ্রামের মাজেদুর একই গ্রামের সাদেক আলীর ১২ বছরের মেয়ে শান্তা আক্তারকে ধর্ষণ করে। শিশুটি কাঁদতে থাকে এবং এ ঘটনা তার মা-বাবাকে জানাবে বলে। ধর্ষণের ঘটনা জানাজানির ভয়ে মাজেদুর মেয়েটিকে গলা টিপে ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে হত্যা করে। পরে পাশের একটি ঝোপে তার লাশ ফেলে লতাপাতা দিয়ে ঢেকে দেয়।

এদিকে শিশু শান্তাকে না পেয়ে তার মা-বাবা খোঁজাখুঁজি করে। সন্ধ্যার দিকে ওই গ্রামের এক ছোট্ট শিশু শান্তার বাবাকে জানায়, শান্তাকে সে মাজেদুরের সঙ্গে কুশাল বাগানে যেতে দেখেছিল। পরে সেখানে গিয়ে দেখে ঝোপের মাঝে শান্তার মৃত দেহ।

টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করলে মাজেদুর জানায়, শান্তাকে সে কুশাল খেতে ধর্ষন করার পর শান্তাকে ভয় দেখায় যে বলে দিলে মেরে ফেলবে। পরে শান্তা বলে দেওয়ার কথা বললে তাকে হত্যা করে।

এ ঘটনায় ওই দিনই শান্তার বড় ভাই সানি আলম বাদী হয়ে মাজেদুর কে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা করেন। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করেন মাজেদুর ।

রায় পেয়ে মামলার বাদী সানি আলম বলেন, আমি অনেকটাই সন্তুষ্ট এ রায়ে। দ্রুত এর কার্যকর হোক সেটাই এখন প্রত্যাশা আমাদের।

এবিষয়ে নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি আলী আহম্মেদ বলেন, দুই বছরের মাথায় এ ঘৃনিত অপরাধের রায় হয়েছে। আমরা রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. মার্চ ২০২২ ০৯:২৮:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চিকিৎসার নামে শারীরিক নির্যাতনে কিশোরের মৃত্যুর অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চিকিৎসার নামে শারীরিক নির্যাতনে কিশোরের মৃত্যুর অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে মাদকাসক্ত চিকিৎসাকেন্দ্রে শারীরিক নির্যাতনের কারণে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। উপজেলা সদরে অবস্থিত পূর্ণতা মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পরামর্শ কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনা হয়েছে।

নিহত ওই কিশোরের নাম সোহেল সিকদার (১৭)। সে উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের বীরঘাটাইল গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে।

এ ঘটনায়  শনিবার (১২ মার্চ) রাতে ওই কিশোরের বড় ভাই রুবেল সিকদার বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। রাতেই মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো কাজী ফজলে রাব্বি মিলকী, কামরুজ্জামান শোয়েব ও খন্দকার আতিকুর রহমান। অপর চার আসামি পলাতক রয়েছে।

নিহতের পারিবার সূত্রে জানা যায়, মাদকাসক্ত সোহেলকে চিকিৎসার জন্য তার পরিবার গত ৫ মার্চ তাকে উপজেলা সদরের ‘পূর্ণতা মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পরামর্শ কেন্দ্রে ভর্তি করান। ছয় মাসের চিকিৎসায় পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। আর সোহেলের চিকিৎসা বাবদ তারা ৪৮ হাজার টাকা দাবি করেন।

নিহতের বড় ভাই রুবেল (২৪) বলেন, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় পূর্ণতা মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পরামর্শ কেন্দ্র থেকে ফোন করে ছোট ভাই সোহেলকে নিয়ে আসতে বলা হয়। রাতেই তাকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। শনিবার সকালে তার শয়নকক্ষে সোহেলকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ থানায় নিয়ে যায়।

রুবেলের দাবি, তার ভাইয়ের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে ও সিগারেটের আগুনের পোড়া দাগও রয়েছে। মাদকাসক্তির চিকিৎসার নামে শারীরিক নির্যাতনের কারণেই সোহেলের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে পূর্ণতা মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পরামর্শ কেন্দ্রের পরিচালক কামরুজ্জামান শোয়েব জানান, সোহেলকে আমরা নিরাময় কেন্দ্র থেকে ছাড়পত্র দিয়ে তার পরিবারের কাছে দিয়ে দিই। বাড়িতেই তার মৃত্যু হয়। তাদের অভিযোগ সঠিক নয়।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আব্দুল হক জানান, এ ব্যাপারে সাতজনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রবিবার (১৩ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে রবিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান ও মামলার তদন্তকাজ চলমান রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. মার্চ ২০২২ ০২:৫১:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দুই যুদ্ধাপরাধী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুই যুদ্ধাপরাধী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ একাত্তরে বুদ্ধিজীবি হত্যা এবং গণহত্যার অভিযোগে আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইবুনাল বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার দুই যুদ্ধাপরাধীকে গ্রেপ্তার করেছে।আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের উপপরিচালক এবং তদন্তকারি কর্মকর্তা মতিউর রহমান খবরটি নিশ্চিত করেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন: উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের বেড়াডাকুরি গ্রামের মৃত সবুর মাস্টারের পুত্র মনিরুজ্জামান কোহিনূর এবং চাতুটিয়া গ্রামের মৃত শফি উদ্দীনের পুত্র আলমগীর হোসেন তালুকদার।

এদিকে ,এই দুই যুদ্ধাপরাধীকে গ্রেফতারের খবরে সর্বত্র স্বস্তির নিশ্বাস ফিরে আসে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর  kfফাঁসির দাবিতে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের উদ্যোগে গোপালপুর পৌরশহরে এক বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিল শেষে থানা ব্রীজ চত্বরে সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. মার্চ ২০২২ ০৮:২৫:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বসত বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বসত বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার বৈল্যা এলাকায় সহোদর ভাইয়ের জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বসতবাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পৌর এলাকার ২নং ওয়ার্ডের বৈল্যা এলাকায় মৃত হারান আলী মন্ডলের দুই ছেলে বড় ভাই বারি মিয়া ও ছোট ভাই মোকাদ্দেছ আলী বাড়ির সীমানা জটিলতা নিয়ে বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়। ওই দিন সন্ধ্যায় ৩০ থেকে ৩৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি লাঠি-সোটা সহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বারি মিঞার বসত বাড়িতে হামলা চালিয়ে বাড়ীর লোহার গেইট, প্রাইভেটকার ও বিল্ডিংয়ের জানালা ভাংচুর করে। পরে হামলাকারীরা বারী মিঞার পরিবারকে হত্যার হুমকি দেয়। এতে কমপক্ষে ২লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগি বারি মিয়া বলেন, দুই ভাই মিলে একত্রে বৈল্যা এলাকায় ২৮ শতাংশ জায়গা ক্রয় করে দীর্ঘ ২০ বছর যাবত আমি ছোট ভাইয়ের জায়গা দেখভাল করে আসছি। সীমানার দেড়ফুট জায়গা নিয়ে সামান্য ভুলবোঝাবুঝি সৃস্টি হলে স্থানীয় মাতাব্বর ও বোনেরা মিলে তাৎক্ষণিক মীমাংসা করে দেয়। সেই মীমাংসা না মেনে ছোট ভাই থানায় অভিযোগ দায়ের করে।
তিনি আরো বলেন, সন্ধ্যার দিকে ৩০ থেকে ৩৫ জন লোক এসে আমার বসত বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর করে। এসময় তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণে মারার হুমকি দেয়। এই ঘটনায় টাঙ্গাইল সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে আমি আমার পরিবার নিয়ে আতংকে আছি।

ছোট ভাই মোকাদ্দেছ আলী বলেন, বড় ভাই বাবার মত, আমি তার বাসায় হামলা করবো কেন? হামলা যখন ঘটে তখন আমি গ্রামের বাড়ি কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের চর হামজানিতে ছিলাম। তবে কারা এই ঘটনা ঘটাইছে তা আমি জানিনা।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভার ২ নং ওযার্ডের কাউন্সিলর ফরহাদ ইকবাল রুবেল জানান, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ভাবে আপোষ-মীমাংসা করে দিয়েছিলাম। কিন্তু বড় ভাই বারি মিঞা সিদ্ধান্ত না মানায় কথাকাটা ও ধস্তাধস্তি হয়। পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বড়ভাই বারি মিঞার বাড়ীতে হামলার ঘটনার বিষয়টি আমি শুনেছি। বিষয়টি স্থানীয় ভাবে মীমাংসার চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০৯:৩২:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হত্যার ভয় দেখিয়ে প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হত্যার ভয় দেখিয়ে প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায় এক প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে হত্যার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। এ ছাড়া ধর্ষণের বিষয়টি কাউকে জানালে সবাইকে মেরে ফেলা হবে বলেও তাদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। উপজেলার পাইস্কা ইউনিয়নে রোববার ( ২০ ফেব্রয়ারি) ওই ঘটনা ঘটেছে।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে ছেলেকে কাছে রাখতে না পেরে অভিমানে আত্মহত্যা

অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্ত হযরত আলী ব্যাপারীকে (৬০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চার সন্তানের পিতা হযরত আলী ওই গৃহবধূর প্রতিবেশী ও মৃত তমড় আলী ব্যাপারীর ছেলে।

ওই গৃহবধূর বাবা বলেন, ‘সপ্তাহ দুয়েক আগে রাতে বাড়ি ফেরার সময় আমার মেয়েকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে হত্যার হুমকি দিয়ে ধর্ষণ করে হযরত। বিষয়টি কাউকে বললে স্বামীসহ তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এই ঘটনার পর আমার মেয়ে অসুস্থ বোধ করলে হযরতের মামাতো ভাই সাদ্দাম হোসেন ও একই ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের ছোট ভাই আল মাহামুদ তাকে উপজেলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়। এরপর থেকে সাদ্দাম ও মাহামুদ টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে আমাদের সবাইকে হুমকি দিচ্ছে। আমরা এর বিচার চাই।’

এ ব্যাপারে আল মাহামুদের কাছে জানতে চাইলে তিনি কিছু জানেন না বলে জানান। সাদ্দাম হোসেন ব্যস্ত থাকার কথা বলে ফোন কেটে দেন।

ধনবাড়ী থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) চান মিয়া জানান, প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০৩:৪৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইল বার সমিতিতে আওয়ামী পরিষদের নিরঙ্কুশ বিজয় - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল বার সমিতিতে আওয়ামী পরিষদের নিরঙ্কুশ বিজয়

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ১১টি পদে জয়লাভ করেছে। ক্রীড়া সম্পাদক ও দুইটি নির্বাহী সদস্য পদ পেয়েছে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল।

বৃহস্পতিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন শেষে গভীর রাতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক ফল ঘোষণা করেন। আওয়ামী লীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের নির্বাচিতরা হলেন, সভাপতি আব্বাছ উদ্দিন আকন্দ, সহ-সভাপতি হোসেন জাহিদুল হাসান পতাবন, মাহবুব খালিদ তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কবির হোসেন উজ্জল, যুগ্ম-সম্পাদক মোহাম্মদ মাসুদুল হক রতন, লাইব্রেরি সম্পাদক ইলয়াস মিয়া, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এম এ রাজ্জাক রাজা, নির্বাহী সদস্যরা হলেন, জিনিয়া বকস, নাদিম উদ্দিন, মাহবুব মোর্শেদ রাশেল ও রাসেল রানা।

বিএনপি সমর্থিত প্যানেলের বিজয়ীরা হলেন, ক্রীড়া সম্পাদক সাদেকুল ইসলাম শাহীন, নির্বাহী সদস্য- মাসুদ রানা ও মালেক আদনান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ১২:৩৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইল সদর পুলিশ ফাঁড়িতে তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের হামলা, গ্রেপ্তার ৩ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল সদর পুলিশ ফাঁড়িতে তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের হামলা, গ্রেপ্তার ৩

একতার কণ্ঠঃ কন্যাসন্তানসহ এক তৃতীয়লিঙ্গের ব্যক্তিকে আটকের প্রতিবাদে টাঙ্গাইল সদর পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালিয়েছে তৃতীয়লিঙ্গের লোকজন।এ সময় তাদের আক্রমণে এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।বুধবার (১৬ ফেব্রয়ারি) রাতে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার এলজিইডি মোড়ে অবস্থিত সদর পুলিশ ফাঁড়িতে ওই হামলার ঘটনা ঘটে। এঘটনায় তিন তৃতীয়লিঙ্গের ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় যুবক নিহত

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনিকা নামের এক তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি কন্যাসন্তান নিয়ে সন্ধায় জামালপুর থেকে বাসযোগে ঢাকা যাচ্ছিলেন। এসময় বাসে থাকা অন্যান্য যাত্রীদের সন্দেহ হলে এক যাত্রী ‘৯৯৯’ এ ফোন নিয়ে বিষয়টি অবগত করেন। পরে টাঙ্গাইল সদর পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে ফাঁড়িতে নিয়ে আসে। আটকের খবরটি ছড়িয়ে পড়লে শহরের অন্যান্য তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিরা একত্রি হয়ে ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এসময় এক পুলিশ সদস্য আহত হন। এ ঘটনায় জড়িত তৃতীয় লিঙ্গের তিন ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

আটককৃত মনিকা জানান, তার বাড়ি জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার শেহরীপূর্বপাড়া গ্রামে। তিনি আগে কামরুজ্জামান হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ২০১০ সালে পারিবারিক ভাবে একই উপজেলার পপি খাতুন নামের এক নারীর সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের দুই বছর পর তাদের ঘরে একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। এরপর থেকেই তার শারীরিক পরিবর্তন হতে থাকে। এ কারণে তার স্ত্রী পপি খাতুন তাকে ছেড়ে তার চাচাতো ভাইকে বিয়ে করে অন্যত্র চলে যান। ২০১৮ সালে তিনি তৃতীয় লিঙ্গে পরিণত হয়ে তার নাম রাখেন মনিকা। এরপর থেকেই তিনি তার কন্যা সন্তানানকে লালন-পালন করছেন। তিনি গ্রামের বাড়ি জামালপুর থেকে তার মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন। এসময় টাঙ্গাইলের রাবনা বাইপাস এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।

Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল সদর ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক শামীম হোসেন বলেন, ‘মনিকা তার মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন। তার কোলে সন্তান দেখে বাসে থাকা অন্যান্য যাত্রীদের সন্দেহ হয়।এরপর এক নারী যাত্রী ৯৯৯এ ফোন করে জানায়। পরে তাকে শহরের রাবনা বাইপাস মোড় থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে ফাঁড়িতে নিয়ে আসা হয়। এ খবর পেয়ে অন্যান্য তৃতীয়লিঙ্গের ব্যক্তিরা একত্রিত হয়ে ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় তিনজন তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিকে আটক করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রেনে আসে।’

Ekotar Kantho

তিনি আরও জানান, মনিকা ওরফে কামরুজ্জামানের সাবেক স্ত্রী পপি খাতুনকে খবর দেয়া হয়েছিল। তিনি এসেছেন এবং তার সাথে কথা বলে জানা গেছে, এই সন্তান তাদেরই ঔরসজাত। তার স্বামীর শারীরিক পরিবর্তন হওয়ায় তিনি তাকে তালাক দিয়েছেন। এ কারণে তার সন্তানটি স্বামী মনিকা ওরফে কামরুজ্জামানের কাছেই থাকে। এজন্য মনিকাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। আর আটককৃতদের বিরুদ্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০৬:০১:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ গজারি কাঠ জব্দ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ গজারি কাঠ জব্দ

একতার কণ্ঠঃ সিনেমাটিক স্টাইলে অবৈধ পথে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ অবৈধ গজারি কাঠ জব্দ করেছে টাঙ্গাইল বন বিভাগ।রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সদর উপজেলার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাওইখোলা এলাকা থেকে ১৮০ পিস গজারি কাঠ জব্দ করে বন বিভাগ।

এ ব্যাপারে বন বিভাগের টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া স্টেশন অফিসার সোলাইমান হোসেন জানান, দিবাগত রাত ৩ টার দিকে মহাসড়ক দিয়ে ট্রাক ভর্তি কাঠ ঢাকার দিকে যাচ্ছিলো। এ সময় ট্রাকটিকে সিগনাল দিলে তারা না থামিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে তাদেরকে ধাওয়া করে  মহাসড়কের বাওইখোলা এলাকা থেকে ট্রাকটিকে আটক করা হয়।

তিনি আরো জানান,  এ সময় ঢাকা মেট্রো-ট ২২-২৮৪২ নাম্বার ট্রাকের চালক পালিয়ে যায়। পরে ট্রাকটি আটক করে বন বিভাগের প্র্রধান কার্যলয়ে নিয়ে আসা হয়। এ ব্যাপারে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ১০:১৩:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চোলাই মদসহ এক নারী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চোলাই মদসহ এক নারী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ৭৫ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। রোববার(১৩ ফেব্রয়ারি) রাতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার  করটিয়া  ইউনিয়নের করটিয়া গরুর হাটের উত্তর পাশ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারকৃতনারী উপজেলার করটিয়া এলাকার নরেশ রবিদাসের স্ত্রী জ্যোৎস্না রাণী দাস (৪০)।

র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জ্যোস্না রাণী দাসকে ২২ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের ৭৫ লিটার দেশীয় চোলাই মদ, একটি মোবাইল, একটি সিম কার্ডসহ হাতেনাতে আটক করে র‌্যাব।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানান হয়, সে  দীর্ঘদিন যাবৎ দেশীয় চোলাই মদ অবৈধভাবে সংগ্রহ করে টাঙ্গাইল  সদর থানাসহ অন্যান্য থানা এলাকায় বিক্রি করে আসছিলো। আটককৃত নারীর বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০৯:৩২:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।