/ হোম / আইন-আদালত
টাঙ্গাইলে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ গ্রেপ্তার তিন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ গ্রেপ্তার তিন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার তক্তারচালা গ্রামে অভিযান চালিয়ে ৪০ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়িকে গ্রেপ্তার‌ করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুক্রবার (১৭ জুন) রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার বড় কাঞ্চনপুর গ্রামের মো. জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে মো. রাইসুল ইসলাম(২৮), টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার হাটুভাঙ্গা চিতেশ্বরী গ্রামের মো. বাছেদ খানের ছেলে মো. উজ্জল খান (৩৩) ও শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার সন্যাসী ভিটা গ্রামের মৃত হাফিজুর রহমানের ছেলে মো. নয়ন হোসেন(২০)।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি দক্ষিণ) অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মো. দেলোয়ার হোসেন শনিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ডিবি দক্ষিণের একটি দল এস আই রাইজ উদ্দিন এর নেতৃত্বে সখীপুর উপজেলার তক্তারচালা গ্রামে অভিযান চালায়। অভিযানে ৪০ কেজি গাঁজা ও একটি মাইক্রোবাসসহ ওই তিন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। জব্দকৃত গাঁজার বাজার  মূল্য প্রায়  ৮ লাখ টাকা।

তিনি আরো জানান,গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে শনিবার(১৮ জুন) সখীপুর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. জুন ২০২২ ০৯:১৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পশুখাদ্য ব্যবসায়ীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পশুখাদ্য ব্যবসায়ীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে আদালতের আদেশ অমান্য করায় পশুখাদ্য ব্যবসায়ী নজরুল ইসলামকে ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শুক্রবার (১৭ জুন) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আলম এ আদেশ দেন।

ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের মৃত আবদুল গণির ছেলে।

এর আগে গত ৬ জুন ওই ব্যবসায়ীকে বিষাক্ত পশুখাদ্য তুলা বিক্রির দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় একই সঙ্গে প্রায় দুই টন বিষাক্ত তুলা পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এছাড়াও ওই ব্যবসায়ীর চারটি স্টকে রাখা তুলার গুদাম সিলগালা করে দেয় আদালত।

আদালত সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার জামতলা এলাকায় রোজা এন্টারপ্রাইজের মালিক নজরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে পোশাক কারখানার পরিত্যক্ত ঝুট বা কাপড়ের অংশ দিয়ে তৈরি করা তুলা বিকল্প গোখাদ্য বিক্রি করে আসছিল। তিনি উপজেলাজুড়ে খুচরা ও পাইকারী বিক্রি করতো।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা আলম জানান, গত ৬ জুন বিষাক্ত পশুখাদ্য তুলা বিক্রির অপরাধে ওই ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও প্রায় দুই টন তুলা পুড়ানো হয়। তার স্টকে রাখা বিষাক্ত তুলার চারটি গুদাম সিলগালা করে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে তুলা নষ্ট বা পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু ওই ব্যবসায়ী গোপনে গুদামের তালা ভেঙ্গে তুলা অন্যত্র সরিয়ে ফেলে। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে শুক্রবার বিকেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে এর সত্যতা পায় আদালত। ফলে ওই ব্যবসায়ীকে সরকারি আদেশ অমান্য করায় ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. জুন ২০২২ ০১:৪৫:এএম ৪ বছর আগে
শেষ মুহূর্তে টাঙ্গাইলের আরও দুই ইউপির নির্বাচন স্থগিত - Ekotar Kantho

শেষ মুহূর্তে টাঙ্গাইলের আরও দুই ইউপির নির্বাচন স্থগিত

একতার কণ্ঠঃ শেষ মুহূর্তে এসে টাঙ্গাইলের আরও দুটি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। এ ইউনিয়ন দুটি হচ্ছে গোপালপুর উপজেলার হেমনগর এবং মধুপুর উপজেলার ফুলবাগচালা।

নবম ধাপে এই দুটি ইউনিয়নসহ বুধবার(১৫ জুন) জেলার ২২টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের কথা ছিল। এর আগে রোববার(১২ জুন) মধুপুরের অরণখোলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন স্থগিত করা হয়।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এ এইচ এম কামরুল হাসান জানান, গোপালপুরের হেমনগর ইউনিয়নের সীমানাসংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে এক ব্যক্তি উচ্চ আদালতে রিট করেন। ওই রিটের শুনানিতে ইউনিয়ন দুটির নির্বাচন স্থগিতের আদেশ দেন আদালত। আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন হেমনগর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন স্থগিত করে। সেই সঙ্গে ভোটার তালিকা নিয়ে কিছু জটিলতা থাকায় স্থগিত করা হয়েছে ফুলবাগচালা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন।

বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জেলা নির্বাচন অফিস।

এর আগে আওয়ামী লীগের এক নেতা নৌকায় যাঁরা ভোট দেবেন না, তাঁদের ভোটকেন্দ্রে আসতে নিষেধ করে বক্তৃতা দেওয়ায় এবং নানা হুমকি দেওয়ায় মধুপুরের অরণখোলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. জুন ২০২২ ০৫:০০:এএম ৪ বছর আগে
মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা : কারাগারেই থাকছেন মেয়র মুক্তি - Ekotar Kantho

মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা : কারাগারেই থাকছেন মেয়র মুক্তি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত থাকবে বলে আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে তার জামিন বিষয়ে রুল তিন সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্ট বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক মেয়র মুক্তিকে কারাগারেই থাকতে হচ্ছে।

সোমবার (১৩ জুন) সকালে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।
আদালতে মুক্তির পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত দেবনাথ।

এর আগে গত ২৮ এপ্রিল ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। একইসঙ্গে মামলাটি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

গত ২৭ এপ্রিল এই মামলায় সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে জামিন দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার কাজলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে হাইকোর্টের জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ মুক্তিকে জামিন দেন। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারি তার অন্তর্বর্তী জামিন বাতিল হয়। এরপর হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন মুক্তি।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি নিহত হন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদ। তার গুলিবিদ্ধ লাশ কলেজপাড়ার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্ট মাসে গোয়েন্দা পুলিশ আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করে। আদালতে এ দুই আসামির দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যার সঙ্গে জড়িত সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খান রানা। তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন এবং ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে।

পরে অভিযুক্তরা আত্মগোপনে চলে যান। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তার অপর তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিন পেয়ে মুক্ত আছেন। তাদের অপর দুই ভাই আত্মগোপনে রয়েছে।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. জুন ২০২২ ০৭:০৩:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৬ লাখ টাকার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৬ লাখ টাকার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১

একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে ২ হাজার ৩৮০ ইয়াবাসহ গৌরাঙ্গ গোস্বামী নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩ এর সদস্যরা। শনিবার (১১ জুন) রাতে মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই বড়টেকি উত্তরা স্পিনিং মিল সংলগ্ন হানিফ কাউন্টারের সামনে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত গৌরাঙ্গ গোস্বামী সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার গাড়ামাসী গ্রামের লব গোস্বামীর ছেলে।

রবিবার (১২ জুন) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩ এর কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জব্দকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। এসময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মির্জাপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। মাদকবিরোধী এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানায় র‌্যাব।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. জুন ২০২২ ১২:০১:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পরীক্ষায় ছুরি নিয়ে প্রবেশ;স্কুলছাত্র বহিষ্কার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পরীক্ষায় ছুরি নিয়ে প্রবেশ;স্কুলছাত্র বহিষ্কার

একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পরীক্ষার হলে ছুরি নিয়ে প্রবেশ করায় অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রকে বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রোববার (১২ জুন) সকালে উপজেলা সদরের সরকারি এসকে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই বিদ্যালয়ে অর্ধবার্ষিকী পরীক্ষা চলছে। রোববার ছিল অষ্টম শ্রেণির বিশ্বপরিচয় পরীক্ষা। ওই ছাত্র প্যান্টের পকেটে ছুরি নিয়ে ৫ নম্বর কক্ষে প্রবেশ করে। এ সময় পরীক্ষার কক্ষে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষিকা আলো রানী পোদ্দারের সন্দেহ হলে তিনি পকেট থেকে ছুরিটি বের করেন।

ওই শিক্ষিকা বিষয়টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম খানকে জানান। পরে প্রধান শিক্ষক বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. হাফিজুর রহমানকে জানান। ইউএনও অভিযুক্ত ছাত্রের অভিভাবকের অঙ্গীকারনামা রেখে তাকে বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের নির্দেশ দেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম খান জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে অভিযুক্ত ছাত্রের অভিভাবকের কাছ থেকে অঙ্গীকারনামা নিয়ে তাকে বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. জুন ২০২২ ১০:১২:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ; দুই যুবক  গ্রেফতার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ; দুই যুবক গ্রেফতার

একতার কন্ঠ: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে প্রেমের সম্পর্কের জেরে কলেজছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় কলেজছাত্রীর মা ভূঞাপুর থানায় অভিযোগ দিলে রুবেল (২৫) ও তার সহযোগী ওসমান গনিকে (৩৩) গ্রেফতার করে পুলিশ।

অভিযুক্ত রুবেল উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের খড়ক গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে ও তার সহযোগী ওসমান গনি একই গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে। রুবেল এক সন্তানের জনক। ধর্ষণের শিকার ওই মেয়েটি স্থানীয় একটি কলেজের ছাত্রী।

জানা যায়, রুবেলের সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় হয় কলেজছাত্রীর। ফেসবুকে নিয়মিত চলত কথাবার্তা। পরে দেখা-সাক্ষাৎ করে তারা। এভাবেই গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। পরে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে কলেজছাত্রী। এ সময়ে কৌশলে ভিডিও ধারণ করে রুবেল। পরে সেই ভিডিও ফেসুবকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় রুবেল। পরে তার কথামতো কাউকে না জানিয়ে কলেজছাত্রী চলে যায় চট্টগ্রামে। পরে সেখানে একটি ভাড়া বাসায় থাকত তারা।

এদিকে কলেজছাত্রী পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানেন না পরিবার। পরে মেয়েকে বাড়িতে না পেয়ে আত্মীয়স্বজনদের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করেন। গত ৩০ মে নিখোঁজ হয়েছে উল্লেখ করে ওই ছাত্রীর মা ৫ জুন ভূঞাপুর থানায় একটি জিডি করেন। তারপর রুবেলের মোবাইল নাম্বারের সূত্র ধরে অভিযান চালায় ভূঞাপুর থানার পুলিশ।

অভিযান চালিয়ে গত বুধবার(৮ জুন) চট্টগ্রামের একটি বাসা থেকে অভিযুক্ত রুবেল ও তার সহযোগী ওসমানকে গ্রেপ্তার করেন। সেইসঙ্গে কলেজছাত্রীকেও উদ্ধার করে পুলিশ। পরে বৃহস্পতিবার (৯জুন)রাতে রুবেলের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন ছাত্রীর মা।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ ( ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত যুবক কলেজছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করে এবং ভিডিও ধারণ করে। সেই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাকে নিয়ে চট্টগ্রামে চলে যায়। সেখানেও ধর্ষণের শিকার হয় কলেজছাত্রী। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত বখাটে রুবেল ও তার সহযোগী ওসমানকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

তিনি আরো জানান, গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত রুবেল ও তার সহযোগীকে শুক্রবার(১০ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তার ফোনে ওই মেয়েটিসহ একাধিক মেয়েদের নানা ধরনের ছবি পাওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শনিবার আদালতের কাছে রিমান্ড চাওয়া হবে। এছাড়া মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জুন ২০২২ ০১:২৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ পাঁচ মাদক ব্যবসায়ী আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ পাঁচ মাদক ব্যবসায়ী আটক

একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ পাঁচ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব। বুধবার (০৮ জুন) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান ও স্কোয়াড কমান্ডার এএসপি মোঃ এরশাদুর রহমান এর নেতৃত্বে সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের পশ্চিম পাশে রাস্তার ওপর অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব । এসময় ১৬ কেজি ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ পাঁচ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলো, ইউনিয়নের নরসিংহপুর গ্রামের তায়েজ উদ্দিনের ছেলে শাহীন আলম (৩৪), উত্তর হুগড়া গ্রামের আয়নালের ছেলে কালাচান (২৭), চর হুগড়ার মকতেল মিয়ার ছেলে মনির হোসেন (২৪), রফিকুল ইসলামের ছেলে খোরশেদ আলম(২৩) ও সাতানি হুগড়া গ্রামের মৃত আব্দুল হালিমের ছেলে হাসান আলী (১৮)।

এ ব্যাপারে , র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান বলেন, আটককৃত আসামীগণ জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার কার করে তারা মাদকদ্রব্য গাঁজা অবৈধভাবে জেলার সদর উপজেলার সহ বিভিন্ন উপজেলায় মাদক সেবীদের নিকট তাদের চাহিদা অনুযায়ী বিক্রি করে আসছিলো তারা।

তিনি আরো বলেন, আটককৃত আসামী ও পলাতক আসামীর বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৫:৩৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা: ৩ জনের ফাঁসি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা: ৩ জনের ফাঁসি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে গণধষর্ণের পর হত্যার দায়ে তিনজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন। একই মামলায় আরেক আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৯ জুন) দুপুরে এ রায় ঘোষণা করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- জেলার গোপালপুর উপজেলার ভেঙ্গুলা গ্রামের মৃত নগেন চন্দ্র দাসের ছেলে শ্রী কৃষ্ণ দাস, ধনবাড়ী উপজেলার ইসপিঞ্জাপুর গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে সৌরভ আহমেদ হৃদয় ও একই গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে মিজানুর রহমান। এছাড়া একই গ্রামের মেহেদী হাসান টিটুকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

টাঙ্গাইল আদালতের পরিদর্শক তানভীর আহমেদ জানান, ওই স্কুলছাত্রী ২০২১ সালের ২ আগস্ট বাড়ি থেকে নানির বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরে তাকে কোথাও না পেয়ে ৪ আগস্ট গোপালপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে যান বাবা। পরে থানা থেকে তাকে জানানো হয়, মেয়ের একটি ছবি নিয়ে আসতে হবে। এ কথা শুনে ছবি আনতে বাড়ি চলে যান তিনি। ওইদিন ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের ভূঞাপুর যমুনা নদীর পাড়ে বস্তাবন্দি একটি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ময়নাতদন্তের পর নিহতের কোনো পরিচয় না পাওয়ায় ওই দিনই বেওয়ারিশ হিসেবে মরদেহটি উপজেলার ছাব্বিশা কবরস্থানে দাফন করা হয়। পরে পুলিশের কাছ থেকে খবর পেয়ে ছবি দেখে স্বজনরা উদ্ধার হওয়া মরদেহটি স্কুলছাত্রীর বলে শনাক্ত করে পরিবারের লোকজন। পরে নিহতের বাবা বাদী হয়ে ৬ আগস্ট ভূঞাপুর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন।

মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই) হস্তান্তর করা হয়। পরে তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে গণধর্ষণ ও হত্যার সঙ্গে জড়িত শ্রী কৃষ্ণ দাস, সৌরভ আহমেদ হৃদয়, মিজানুর রহমান ও মেহেদী হাসান টিটুর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। আদালত সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে তিনজনের ফাঁসি ও একজনকে খালাস দেন। রায় ঘোষণার পর আসামিদের জেলা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. জুন ২০২২ ১০:২০:পিএম ৪ বছর আগে
ব্যবসায়ী হত্যায় একজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন - Ekotar Kantho

ব্যবসায়ী হত্যায় একজনের আমৃত্যু কারাদণ্ড, ৪ জনের যাবজ্জীবন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান ভূইয়াকে হত্যার দায়ে একজনকে আমৃত্যু ও চার জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (৮ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মাসুদ পারভেজ এ রায় ঘোষণা করেন। আমৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত রেজাউল ইসলাম রেজা ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামানের ভায়রা। তিনি দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের শামছু মিয়ার ছেলে।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলো—রেজাউলের স্ত্রী আলো বেগম, বাসাইল উপজেলার খাটোরা গ্রামের মৃত নাসিম উদ্দিনের ছেলে লাল মিয়া, যশিহাটি গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে রেজভী ও দেলদুয়ার উপজেলার ডুবাইল গ্রামের ফজল মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেন।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি পিপি মনিরুল ইসলাম খান জানান, বাসাইল উপজেলার কাউলজানী গ্রামের আবু বক্কর ভূইয়ার ছেলে মনিরুজ্জামান ২০১০ সালের ১২ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ হন। তিন দিন পর পার্শ্ববর্তী মহেশখালী গ্রামের জমির আইল থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর নিহতের বাবা আবু বক্কর ভূইয়া অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে বাসাইল থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তে হত্যাকাণ্ডে মনিরুজ্জামানের ভায়রা রেজাউল ও শ্যালিকা আলো বেগমসহ দণ্ডিতদের জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে।

তিনি আরও জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাসাইল থানার তৎকালীন উপ-রিদর্শক (এসআই) শ্যামল দত্ত ২০১১ সালের ৩০ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। আসামিদের মধ্যে আলমগীর, আলো বেগম ও লাল মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। রেজাউল ও রেজভী জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকে পলাতক।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. জুন ২০২২ ০২:১৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কলেজ ছাত্রী সুনিকা হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কলেজ ছাত্রী সুনিকা হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে কলেজ ছাত্রী সুনিকা খাতুনের হত্যার বিচার চেয়ে মানববন্ধন করেছেন তার সহপাঠীরা।

মঙ্গলবার (৭ জুন ) দুপুরে উপজেলার হেমনগর ডিগ্রী কলেজের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়।

এতে কলেজের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী, নিহত সুনিকার পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী অংশগ্রহণ করেন।

মনববন্ধনে হেমনগর ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম, প্রভাষক সোহেল রানা, আজমত হোসেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য মাহবুব হাসান টুটুল, কলেজ শাখা ছাত্র লীগের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শাকিল আহমেদ, ইউনিয়ন ছাত্র লীগের সাবেক সম্পাদক সবুজ আহমেদ, সুনিকার বাবা দুলাল হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

বক্তারা সুনিকার হত্যাকারী তার স্বামী সুমনের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি কার্যকরের দাবি জানান।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২০ এপ্রিল হেমনগর ডিগ্রি কলেজর শিক্ষার্থী সুনিকার সঙ্গে সুমনের বিয়ে হয়। সুনিকা সুমনের দ্বিতীয় স্ত্রী হওয়ায় তাদের সংসার প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ হতো। গত ২১ মে টাঙ্গাইলের গোপালপুরের নতুন শিমলা পাড়া গ্রামের শ্বশুর বাড়িতে এসে স্ত্রী সুনিকা খাতুনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তার স্বামী সুমন (৩১)। ঘটনার পর সুনিকার বাবা গোপালপুর থানায় মেয়ের স্বামী সুমনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ে করেন। এরপরই পুলিশ সুমনকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. জুন ২০২২ ০২:২৯:এএম ৪ বছর আগে
কারাগারে মায়ের মৃত্যু, বিচারের দাবি তিন সন্তানের - Ekotar Kantho

কারাগারে মায়ের মৃত্যু, বিচারের দাবি তিন সন্তানের

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল কারাগারে সুচিকিৎসার অভাবে নাদীয়া জাহান শেলী নামে এক নারী কয়েদীর মৃত্যুর অভিযোগ তুলেছেন পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় জেল সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ডেপুটি জেলারসহ অজ্ঞাতনামা অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন মৃতের স্বামী মো. মিনহাজ উদ্দিন।

মঙ্গলবার (৩১ মে) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে আসামিদের বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন ওই কয়েদীর পরিবার।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ওই নারীর মেয়ে সোনালী আক্তার বলেন, তার মা নাদীয়া জাহান শেলী ডায়াবেটিক ও কিডনি রোগে আক্রান্ত ছিলেন। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সখীপুর আমলী আদালতে চলমান সি.আর ৩১১/২০২১ এর মামলায় তিনি ছিলেন ২নং আসামি। ৪ এপ্রিল অসুস্থ অবস্থায় তার মা অন্য একটি মামলায় সখীপুর আমলি আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন। জামিনের জন্য আদালতে শারীরিক অসুস্থতার সকল প্রতিবেদন (রিপোর্ট) দাখিল করার পরও বিচারক তাকে কারাগারে পাঠান। নাদীয়া জাহান শেলী অসুস্থ হওয়ায় তার সুচিকিৎসার জন্য জেল সুপারকে নির্দেশ দেন বিচারক।

কিন্তু জেল সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ডেপুটি জেলারসহ অজ্ঞাতনামা অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তার চিকিৎসার সু ব্যবস্থা না করে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে তাকে সাধারণ কয়েদী হিসেবে জেনারেল ওয়ার্ডে রাখেন। চিকিৎসা না পেয়ে তিনি কারাগারে খুবই কষ্ট করেছেন। অবশেষে গত ৮ এপ্রিল রাতে তিনি (শেলী) চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুবরণ করেন।

সোনালী আরও জানান, ১৯ এপ্রিল তার বাবা মিনহাজ উদ্দিন বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট টাঙ্গাইল সদর থানা আমলী আদালতে বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইনের ১০৪(খ)/১০৯ ধারায় মামলা করেন। বিচারক এই অবহেলিত হত্যা মামলার বিষয়ে তার আদেশে উল্লেখ করেন ‘আসামিগণ উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী হওয়ায় এবং অভিযোগের গভীরতা বিবেচনায় মামলার ঘটনার বিষয়ে পুলিশ বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা দ্বারা তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হলে ন্যায় বিচার নিশ্চিত হবে বলে আদালত মনে করেন।’ সার্বিক পর্যালোচনায় টাঙ্গাইল পুলিশ সুপারকে মামলার ঘটনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ পূর্বক তদন্ত করে প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের জন্য নির্দেশ দেন।

সংবাদ সম্মেলনে তার পাঁচ বছরের যমজ দুই ভাই হাসান ও হোসাইন উপস্থিত ছিল।

সোনালী আক্তার বলেন, আমার মা খুব অসুস্থ ছিলেন। তারপরও জেল সুপার তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেননি। জেল সুপার আদালতের নির্দেশকে অমান্য করেছেন। আমরা তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করি।

এ বিষয়ে জেলা সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, কারাগারের দুজন চিকিৎসক নাদীয়া জাহান শেলীর সুচিকিৎসার দায়িত্বে ছিলেন। কারাগারে তাকে সুচিকিৎসাই দেওয়া হয়েছে। তিনি মারা যাওয়ার পর সকল প্রকার আইনি পক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মরদেহ নেওয়ার সময় তাদের কোনো অভিযোগ ছিলো না। এরপরও তারা চিকিৎসার অভাবে ওই কয়েদীর মৃত্যু হয়েছে দাবি করে আমাদের বিরুদ্ধে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট টাঙ্গাইল সদর থানা আমলি আদালতে বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইনের ১০৪(খ)/১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলার বিষয়ে পুলিশ সুপার নিজেই তদন্ত করছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. জুন ২০২২ ০৬:১৩:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।