/ হোম / আইন-আদালত
টাঙ্গাইলে সেচপাম্পের ঘরে শ্রমিকের লাশ, হত্যার পর গুমের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সেচপাম্পের ঘরে শ্রমিকের লাশ, হত্যার পর গুমের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে সেচপাম্পের ঘর থেকে লাল মিয়া (৪৫) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) রাতে উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের সেহরাইল মাটির খাদ এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

পরিবারের দাবি, সেহরাইলে মাটির খাদে ট্যাফেট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হওয়ার পর লাশ গুমের উদ্দেশ্যে ওই সেচপাম্পের ঘরে রাখা হয়।

নিহত লাল মিয়া উপজেলার কাউলজানীর মহেষখালী গ্রামের গটু মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের সেহরাইল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে ট্যাফেট্রাক্টরের মাধ্যমে একটি চক্র বিক্রি করে আসছে। ওই খাদে লাল মিয়া শ্রমিকের কাজে নিয়োজিত ছিল। সকাল থেকে খাদের পাশে সড়কে লাল মিয়া পানি দিচ্ছিল।

পরে দুপুর থেকে লাল মিয়া নিখোঁজ হয়। এর পর খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না। সন্ধ্যায় সেচপাম্পের শ্রমিক ঘরে গিয়ে তার লাশটি দেখতে পান। এর পর পুলিশ গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

নিহতের ছোট ভাই আব্দুল খালেক বলেন, আমার ভাই দীর্ঘদিন ধরে সেহরাইলে মাটির খাদে শ্রমিকের কাজ করছিলেন। দুপুরে সেখানে কলিয়া গ্রামের মজিবর রহমান নামে এক ব্যক্তির ট্রাফেট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হয়ে আমার ভাই মারা যান। পরে লাশটি গুমের উদ্দেশ্যে তারা সেচপাম্পের ঘরে রেখে দেয়। রাত হলে হয়তো লাশটি অনত্র ফেলে দিত।

তিনি আরও বলেন, দুপুরে আমার ভাতিজা খাদে গিয়ে তাকে দেখতে পায়নি। পরে ভাতিজা সেখান থেকে বাড়িতে চলে আসে। সন্ধ্যায় সেচপাম্পের ঘরে তার লাশ পাওয়া যায়। দুপুরে এ ঘটনার পর পরই মাটির খাদটি বন্ধ করে তারা সেখান থেকে চলে যায়। এখনও ওই ট্রাফেট্রাক্টরটি সড়কের পাশে পড়ে আছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আমার ভাই হত্যার বিচার চাই। এ ঘটনায় মামলা করা হবে।

বাসাইল থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নিহতের লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২০ এপ্রিল) সকালে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুৎস্পর্শ হয়ে লোকটি মারা যেতে পারে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. এপ্রিল ২০২২ ০২:২৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রতারক চক্রের সদস্য গ্রেফতার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রতারক চক্রের সদস্য গ্রেফতার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নকল জন্ম নিবন্ধন সনদ ও জাতীয় সংসদ সদস্যদের নাম ও জাল স্বাক্ষর সম্মিলিত ডিও লেটার দিয়ে প্রতারণা চালানো চক্রের এক সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১২এর সদস্যরা।

মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) দিনগত রাতে টাঙ্গাইল পৌরসভার বিশ্বাস বেতকা (কুমুদিনী কলেজগেট) এলাকার নওশীন ফটোকপি এন্ড কম্পিউটার দোকান ঘরে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত শোয়েব খান (৩০) ঘাটাইল উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের মো. নাজিম উদ্দিন খানের ছেলে।

মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে প্রেসবিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইল এর কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান।

প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয় , গ্রেফতারকৃত আসামী বহুদিন ধরে তার তৈরী বিভিন্ন সরকারী অফিস ও অফিসের কর্মকর্তাদের সীল মোহর ও জাল স্বাক্ষর করে বিভিন্ন লোকজনদের নকল জন্ম নিবন্ধন সনদ ও জাতীয় সংসদ সদস্য মহোদয়দের নাম ও জাল স্বাক্ষর সম্মিলিত ডিও লেটার প্রদান করে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ২৭টি বিভিন্ন সরকারী অফিস ও অফিসের কর্মকর্তাদের সীল মোহর, জাতীয় সংসদ সদস্য মহোদয়দের নাম ও জাল স্বাক্ষর সম্মিলিত ২০টি ডিও লেটার এবং বিভিন্ন লোকজনদের ৮০টি নকল জন্ম নিবন্ধন সনদ জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃত প্রতারক সাক্ষীদের সম্মুখে জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, সে বহুদিন ধরে তার তৈরী উল্লেখিত সীল মোহর ও জাল স্বাক্ষর করে বিভিন্ন লোকজনদের নকল জন্ম নিবন্ধন সনদ ও জাতীয় সংসদ সদস্য মহোদয়দের নাম ও জাল স্বাক্ষর সম্মিলিত ডিও লেটার প্রদান করে বিভিন্ন লোকজনের নিকট হতে প্রতারনার মাধ্যমে বিপুল টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।

তার বিরুদ্ধের টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. এপ্রিল ২০২২ ০২:২৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইউপি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারি হিসেবে পরিচিত শাকিল ইয়াবাসহ গ্রেফতার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইউপি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারি হিসেবে পরিচিত শাকিল ইয়াবাসহ গ্রেফতার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে অভিযান চালিয়ে শাকিল খান (১৮) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এসময় তার কাছ থেকে ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।বুধবার (১৩ এপ্রিল) রাতে উপজেলার অর্জুনা উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে থেকে তাকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে প্রবাসী স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে গৃহবধূর আত্মহত্যা

শাকিল উপজেলার অর্জুনা এলাকার অটোরিকশা চালক দুলাল খানের ছেলে। তিনি অর্জুনা ইউপি চেয়ারম্যান দিদারুল আলমের ব্যক্তিগত সহকারি হিসেবে এলাকায় পরিচিত।

বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে ভূঞাপুর থানা অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন

স্থানীয়রা জানান, চেয়ারম্যানের সাথে থেকে শাকিল দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসা করছিল। সম্প্রতি অর্জূনা উচ্চ বিদ্যালয়ে মাস্টার রোলে শাকিলের দপ্তরি চাকরি হয়। কিন্তু বিদ্যালয়ের বই বিক্রি ও সিমেন্ট চুরির দায়ে তাকে বহিস্কার করা হয়েছে। এছাড়া সে অর্জুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দিদারুল আলম খান মাহবুবের ব্যক্তিগত সহকারী ছিল।

অর্জুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দিদারুল আলম খান মাহবুব জানান, ফারুক নামের এক ইয়াবা ব্যবসায়ী তাকে দুই হাজার টাকার বিনিময়ে ইয়াবাগুলো অন্য একজনকে দিতে বলেছিল বলে জানতে পেরেছি। পরে ইয়াবাসহ শাকিলকে গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তবে সে আমার ব্যক্তিগত কোন সহকারি নয়।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপ-পরিদর্শক (এস.আই) মনির বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইয়াবাসহ শাকিলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শাকিল অর্জুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের লোক বলে এলাকায় বিভিন্ন ধরণের অপকর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিল।

তিনি আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে ভূঞাপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) সকালে তাকে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. এপ্রিল ২০২২ ০৪:৩৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইল কারাগারে নারী হাজতির মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল কারাগারে নারী হাজতির মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল কারাগারে নাদিরা জাহান শেলী (৪০) নামে এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার ( ৯ এপ্রিল) ভোর রাতে কারাগারে তাঁর মৃত্যু হয়।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে কলেজছাত্রের মৃত্যু

তিনি সখীপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মিনহাজের স্ত্রী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল জেল সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন।

জেল সুপার জানান, ‘গত সোমবার ৪২০ ধারায় প্রতারণা মামলায় সখীপুর থানা থেকে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।  শুক্রবার (৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত শেলী সুস্থ ছিলেন। রাত ৩টার সময় সবাই সাহরি খাওয়ার সময় ঘুম থেকে উঠলে তাঁর আশপাশের লোকজন শেলীকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পায়। পরে তাঁকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।’

জেল সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন আরও জানান, ‘ধারণা করা হচ্ছে-শেলী ঘুমের মধ্যে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. এপ্রিল ২০২২ ০৯:১৪:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধুকে গণধর্ষণের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধুকে গণধর্ষণের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের শহর গোপীনপুর বটতলী গ্রামের তিন যুবকের বিরুদ্ধে গৃহবধূকে গণধর্ষনের অভিযোগ উঠেছে।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে বালুরঘাটে ট্রাক কেড় নিল কিশোর হেলপারের প্রাণ

এ ঘটনায় টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইবুনাল আদালতে ২৯ মার্চ তিনজনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অভিযুক্তরা হচ্ছে, ধলাপাড়া ইউনিয়নের শহরগোপীনপুরের বটতলী গ্রামের মো. আব্দুল কাদেরের ছেলে মো. রুবেল মিয়া (২৭), একই এলাকার মো. হুমায়ুন কবীরের ছেলে মো. মনির মিয়া (২২) ও মোন্নাফ আলীর ছেলে মো. সাগর মিয়া (২১)।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ঘাটাইলের ধলাপাড়া ইউনিয়নে এক গৃহবধুকে দীর্ঘদিন যাবৎ উল্লেখিত ব্যক্তিরা কুপ্রস্তাব দিতো। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গৃহবধূকে অপহরণ করে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে এবং ধর্ষণের ভিডিও মোবাইলে ধারন করেন।

এ ঘটনা গৃহবধূ তার স্বামীকে জানালে সেই আক্রোশে মার্চ মাসের ২১ তারিখে রাতে বসতঘরে ঢুকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

পরে গৃহবধুকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ঘটনায় গৃহবধূর মামা মো. আাব্দুল হানিফ জানান, ধর্ষণকারীরা প্রভাবশালী হওয়ায় মামলা করেও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। বিভিন্ন সময় দালালদের মাধ্যমে মামলা মিমাংসার প্রস্তাবসহ হুমকি দিয়ে আসছেন।

ধলাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আবুল কাশেম জানান, ঘটনার বিষয়টি আমি জানি। অভিযুক্তরা ইতিপুর্বেও এধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে।

এসময় তিনি আরো জানান, তারা এতোটাই ভয়ঙ্কর প্রকৃতির যে, তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. এপ্রিল ২০২২ ০৩:৩০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নেশার টাকার জন্য স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নেশার টাকার জন্য স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে নেশার টাকার জন্য স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ।  বুধবার (৬ এপ্রিল) সকালে পৌর এলাকার তারা তালুকদারের বাসা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সুমাইয়া (২১) ভূঞাপুর পৌরসভার ঘাটান্দি এলাকার রুবেল হোসেনের স্ত্রী।

আটককৃত রুবেল ঘাটাইল উপজেলার গৌরিশ্বর গ্রামের শুক্কর আলীর ছেলে। সুমাইয়া গোপালপুর উপজেলার বরশিলা গ্রামের ইউসুফ আলীর মেয়ে।

স্থানীয়রা জানান, এক মাস আগে পৌর এলাকার ঘাটান্দির তারা তালুকদারের বাসা ভাড়া নেয় হোটেল শ্রমিক রুবেল হোসেন। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকত। স্ত্রী সুমাইয়া বাসা বাড়িতে কাজ করতেন এবং রুবেল শ্রমিকের কাজ করতেন। তাঁদের দেড় বছরের একটি কন্যা শিশু সন্তান রয়েছে।

নিহত সুমাইয়ার মা শারমীন বেগম জানান, রুবেল বিভিন্ন হোটেলে শ্রমিকের কাজ করতেন। তবে তিনি শ্রমিকের কাজ করে যে টাকা উপার্জন করে সে টাকা দিয়ে নেশা করতেন। এটা নিয়ে প্রতিনিয়ত স্বামীর সঙ্গে স্ত্রীর ঝগড়া হতো। মঙ্গলবার রাতে নেশা করার টাকার জন্য সুমাইয়াকে চাপ দেন রুবেল। পরে সুমাইয়া টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

বাসার মালিক তারা তালুকদার জানান, প্রতিনিয়ত তাঁদের দুজনের মধ্যে ঝগড়া লাগত। গভীর রাতে রুবেল ঘর থেকে বের হয়ে জানায় তাঁর স্ত্রী মারা গেছে। পরে আশপাশের লোকজনকে খবর দেওয়া হয়। সকালে পুলিশ এসে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে।

ভূঞাপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, সুমাইয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী রুবেলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। নিহতের শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. এপ্রিল ২০২২ ০২:৫৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে যুবকের কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে যুবকের কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় স্কুলপড়ুয়া এক ছাত্রীকে (১২) উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে এক যুবককে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার(৪ এপ্রিল) সকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সুলতানা ওই প্রবাসীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মো. লুৎফর রহমান (৩০)। সে উপজেলার কালিয়ান পাড়া গ্রামের করিম মিয়ার ছেলে। লুৎফর বিবাহিত হলেও বউ তাঁকে ছেড়ে চলে গেছেন।

উপজেলা প্রশাসন ও ওই ছাত্রীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, লুৎফর রহমান প্রায় বছর খানেক আগে সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফেরেন। বউ চলে যাওয়ায় সে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছেন। ষষ্ঠ শ্রেণিপড়ুয়া এক ছাত্রীকে বেশ কিছুদিন ধরে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করছিলেন লুৎফর। ওই মেয়েকে তাঁর কাছে বিয়ে না দিলে মেরে ফেলবেন বলে মেয়ের বাবাকে হুমকিও দেন। উত্ত্যক্ত করার বিষয়ে মেয়ের বাবা সোমবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে এ বিষয়ে একটি অভিযোগ দেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিশ লুৎফর রহমানকে  সকাল ১১টায় আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করেন। আদালত ঘটনার সত্যতার প্রমাণ পাওয়ায় লুৎফরকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। পুলিশ  বিকেলেই লুৎফরকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠিয়েছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সুলতানা বলেন, ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় ওই যুবককে এক বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. এপ্রিল ২০২২ ০৪:৪৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বন্ধুর হয়ে পরীক্ষা দিতে গিয়ে যুবক কারাগারে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বন্ধুর হয়ে পরীক্ষা দিতে গিয়ে যুবক কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বন্ধুর হয়ে (প্রক্সি) পরীক্ষা দিতে আসায় রায়হান কবির নামে এক যুবককে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে তাকে আটক করা হয়। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বাবলী শবনম অভিযুক্ত রায়হানকে এক বছরের কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা জরিমানা করেন। তিনি ওই কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী।

জানা গেছে, সকালে টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে টাঙ্গাইল শহরের অক্সফোর্ড কলেজ অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চতুর্থ সেমিস্টারের ড্রয়িং-২ (ক্যাড) বিষয়ের পরীক্ষা শুরু হয়। পরীক্ষা চলাকালীন প্রক্সি দিতে আসা রায়হান কবিরের প্রবেশপত্রে মূল পরীক্ষার্থীর ছবির মিল না পাওয়ায় ওই কক্ষে দায়িত্বরত শিক্ষক খাতাটি নিয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেনকে অবগত করেন। পরে রায়হানকে ওই কেন্দ্রের অধ্যক্ষের কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি জানান, টাঙ্গাইল শহরের অক্সফোর্ড কলেজ অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে অষ্টম পর্বে অধ্যয়নরত তার বন্ধু সায়েমের পরিবর্তে পরীক্ষা দিতে এসেছেন।

কেন্দ্র সচিব টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ বিএম আমিনুল ইসলাম বলেন, সায়েমের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া তাকে পরবর্তী তিন শিক্ষাবর্ষের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি না দিতে সুপারিশ করা হয়েছে।

ম্যাজিস্ট্রেট বাবলী শবনম বলেন, রায়হান কবির তার বন্ধু সায়েমের রেফার্ড পরীক্ষায় প্রক্সি দিতে টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে যান। পরে শিক্ষকরা তার প্রবেশপত্র ও কাগজপত্র যাচাই করলে রায়হান ভুয়া প্রমাণ হয়। তাকে এক বছরের জেল দেওয়া হয়েছে। এছাড়া দুইশ’ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. এপ্রিল ২০২২ ০২:১৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিপুল পরিমান গজারী কাঠ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিপুল পরিমান গজারী কাঠ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দুই ট্রাকে বহনকারী বিপুল পরিমান গজারী কাঠসহ ট্রাকের চালক ও হেলপারকে গ্রেপ্তার করেছে বন বিভাগ। বুধবার( ৩০ মার্চ) ভোরে সাগরদিঘী-হাটুভাঙ্গা গোড়াই সড়কের বোয়ালী ও মির্জাপুর-কামালপুর সড়কের কামালপুর এলাকায় টহলকালে গজারি কাঠ ও দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে, ঘাটাইলের সাগরদিঘী গ্রামের মৃত আ. কাদেরের ছেলে ট্রাক চালক মো. সেলিম ও ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার আনুহাতি গ্রামের সিদ্দিকের ছেলে ট্রাকের হেলপার মো. জুলহাস।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে বিএনপি’র গণ অনশন কর্মসুচী পালন

টাঙ্গাইল সদর রেঞ্জার মো. এমরান আলী জানান, ভোর রাত ৩ টায় মির্জাপুর-কামালপুর সড়কের উয়ার্সী এলাকায় টহলকালে গজারী বল্লী ভর্তি একটি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো- ট-১৫-৪৯২৭) থামাতে বললে চালক ট্রাকটি না থামিয়ে চলে যায়। পরে ওই ট্রাকের পিছু নিলে ট্রাকটি কামালপুর এলাকায় রাস্তার উপর রেখে চালক ও হেলপার পালিয়ে যায়। পরে ওই ট্রাক থেকে ২১০ টি গজারী বল্লী জব্দ করা হয়। এ সব গজারী বল্লীর কোন বৈধ কাগজপত্র ও কাঠের গায়ে কোন বৈধ হাতুড়ীর চিহ্ন নেই।

তিনি আরো জানান,  অপর দিকে ভোর ৬ টায় বোয়ালী এলাকায় অপর একটি ট্রাককে (ঢাকা মেট্রো ট-২০-৮২৬৬) থামানোর সংকেত দেয়া হয়। ট্রাকটি না থামিয়ে চালক সামনের দিকে অগ্রসর হয়। পরে ট্রাকের পিছু নিয়ে ট্রাকটির গতি রোধ করে থামানো হয়। পরে ওই ট্রাকে থাকা ৬৫ টুকরা গজারি কাঠের কোন কাগজপত্র না থাকায় চালক ও হেলপারকে আটক করা হয়। এছাড়াও কাঠ গুলো জব্দ করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা করে বুধবার (৩০ মার্চ) দুপুরে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. মার্চ ২০২২ ০৪:১৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্ত্রীর সাথে অভিমান করে প্রবাসীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রীর সাথে অভিমান করে প্রবাসীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে স্ত্রীর সাথে অভিমান করে গলায় ফাঁস দিয়ে সৌদি প্রবাসী রুবেল ( ২৫) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছে । মঙ্গলবার(২৯ মার্চ) সকালে উপজেলার বীরবাসিন্দা ইউনিয়েনর নয়াপাড়া গ্রামের নিজ বাড়ী থেকে লাশটি উদ্ধার করে কালিহাতী থানা পুলিশ।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বীরবাসিন্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছোহরাব আলী।

রুবেল ওই এলাকার সৌদি প্রবাসি সোলায়মানের বড় ছেলে।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে দখল ও দূষনে মৃত প্রায় লৌহজং নদী

ইউপি চেয়ারম্যান ছোহরাব আলী নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে জানান, তাঁরা পিতা-পুত্র একই সাথে সৌদি থাকেন। গত তিন মাস আগে দুজনই ছুটিতে আসেন। ছেলেকে বিয়ে করিয়ে সৌদি চলে যান বাবা সোলায়মান। দাম্পত্য জীবনে দুর্বলতা নিয়ে স্ত্রীর সাথে কলহে এক পর্যায়ে সোমবার রাতে আলাদা ঘরে গিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে মারা যায় সে।

কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, ময়নাতদন্ত শেষ পরিবারের নিকট মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. মার্চ ২০২২ ০৩:৩২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কালচার অফিসার রেদওয়ানা’র হত্যাকারীর ফাঁসি দাবী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কালচার অফিসার রেদওয়ানা’র হত্যাকারীর ফাঁসি দাবী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাবেক জেলা কালচারাল অফিসার খন্দকার রেদওয়ানা ইসলামের নৃশংস হত্যাকান্ডের একমাত্র আসামী স্বামী মিজানুর রহমানের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছে জেলা সাংস্কৃতিক কর্মী কল্যাণ সংস্থা।
সোমবার (২৮ মার্চ) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে জেলা সাংস্কৃতিক কর্মী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা সাংস্কৃতিক কল্যাণ সংস্থার সভাপতি জাকির হোসেন, প্রধান পরামর্শক এলেন মল্লিক, কার্যকরি সভাপতি বিপ্লব দত্ত পল্টন, পরামর্শক ফিরোজ আহমেদ বাচ্চু, সদস্য জহুরুল ইসলাম, মনোয়ারা বেগম, শাহনাজ সিদ্দিকী মুন্নী, ঝান্ডা চাকলাদার, কবি ডলি সিদ্দিকী প্রমুখ।

এ সময় বক্তারা সম্প্রতি সিআইডি পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া ঘাতক স্বামী দেলোয়ার হোসেন মিজানের দ্রুত ফাঁসির দাবি করেন। অন্যথায় মানববন্ধন থেকে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী দেন তারা।

আরো পড়ুনঃস্বাধীনতা দিবসে বিএনপি নেতা খন্দকার হাবিবের শ্রদ্ধা

টাঙ্গাইলের আদালতের পুলিশ পরিদর্শক তানবীর আহমেদ জানান, গত ১৩ মার্চ মির্জাপুর বঙ্গবন্ধু আমলী আদালতে আত্মসমর্পন করেন মিজানুর রহমান। আদালতের বিচারক বাদল কুমার চন্দ্র আসামীর জামিন নামঞ্জুর করে সিআইডি পুলিশের করা আবেদনে দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। দুইদিন শেষে পুনরায় রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। এ আবেদনে আবার তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সিআইডি’র পুলিশ পরিদর্শক মো. বাবর আলী জানান, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি উচ্চ আদালতে আত্মসমর্পন করেন টাঙ্গাইল জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাবেক জেলা কালচারাল অফিসার খন্দকার রেদওয়ানা ইসলাম হত্যাকান্ডের একমাত্র আসামী স্বামী দেলোয়ার হোসেন মিজান। এরপর উচ্চ আদালতের নির্দেশে ১৩ মার্চ মির্জাপুর বঙ্গবন্ধু আমলী আদালতে আত্মসমর্পন করেন তিনি। এরপর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবেদন করে সিআইডি। আবেদনে আসামীর দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। দুইদিনের রিমান্ড শেষে ২৪ মার্চ তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২২ মার্চ মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে কন্যাসন্তান জন্ম দেন রেদওয়ানা ইসলাম। ২৭ মার্চ বিকেলে হাসপাতালের দোতলার ১১ নম্বর কেবিন থেকে মুখে বালিশচাপা ও গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় রেদওয়ানা ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করে মির্জাপুর থানা পুলিশ। দাম্পত্য কলহের জেরে সন্তান প্রসবের ৫ দিন পর ২৭ মার্চ মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালের কেবিনে স্বামী মিজান রেদওয়ানাকে হত্যা করে পালিয়ে যায় বলে নিহতের পরিবারের দাবি।

এরপর ২৮ মার্চ নিহতের ছোট ভাই খন্দকার আরশাদুল আবিদ বাদি হয়ে রেদওয়ানার স্বামী মিজানকে আসামি করে মির্জাপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে অভিযুক্ত মিজানুর রহমান গা ঢাকা দেয়।

জেলা শিল্পকলা একাডেমি টাঙ্গাইলের সাবেক জেলা কালচারাল অফিসার নিহত খন্দকার রেদওয়ানা ইসলাম রংপুর সদর থানার ইসলামপুর হনুমানতলার মৃত খন্দকার রফিকুল ইসলামের মেয়ে।আসামী ও স্বামী দেলোয়ার হোসেন মিজান পাবনা সদর থানার হেমায়েতপুর চরভাঙ্গারিয়া গ্রামের মো. এলাহী মোল্লার ছেলে। তিনি স্যোশাল ইসলামী ব্যাংক ভোলা সদরের মহাজনপট্টি শাখায় কর্মরত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২২ ০২:৫০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ নেতার ওপর হামলা, পোস্ট মাস্টার গ্রেফতার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগ নেতার ওপর হামলা, পোস্ট মাস্টার গ্রেফতার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাব্বির হোসেনের ওপর হামলার ঘটনায় মিনহাজ উদ্দিন (৫০) নামের এক পোস্টমাস্টারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে মামলার আইও টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই মোরাদুজ্জামান এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। এরআগে শুক্রবার (২৫ মার্চ) তাকে গ্রেফতার করা হয়।

আরো পড়ুনঃ টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্র রাহাত হত্যার রহস্য উদঘাটন

গ্রেপ্তারকৃত  মিনহাজ উদ্দিন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি বাসাইল উপজেলা পোস্টমাস্টার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এরআগে একই মামলায় গত ২৩ মার্চ করটিয়া বেপারীপাড়া এলাকার দুলাল মিয়ার ছেলে মিরাজ (২০) কে গ্রেফতার করে পুলিশ। বর্তমানে দুইজনেই কারাগারে রয়েছে।

আহত ছাত্রলীগ নেতা সাব্বির হোসেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঢেলিকরটিয়া গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।

মামলা ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাব্বির হোসেন একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করেন। গত ১৫ মার্চ প্রতিদিনের ন্যায় সকালে সাব্বির হোসেন অফিসে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে ঢেলিকরটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে পৌঁছালে এলাকার  একদল দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সাব্বিরের ওপর এলোপাথাড়িভাবে আঘাত করে। এসময় তার মাথায়, হাত এবং পায়ে দেশীয় অস্ত্রের কোপের আঘাতে গুরুতর আহত হয়। তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তার ওপর পড়ে যায়। সাব্বিরের ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে ওই দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে সাব্বিরকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা সাব্বির হোসেনের মা সাফিয়া বেগম বাদি হয়ে ২১ মার্চ ১৩ জনকে আসামী করে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।

এদিকে, এ হামলার ঘটনার প্রতিবাদ ও অপরাধীদের গ্রেফতারের দাবিতে গত মঙ্গলবার (২২ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচির পালন করা হয়।

সাব্বির হোসেনের মা সাফিয়া বেগম বলেন, ‘আমার ছেলের ওপর বর্বরোচিত হামলার উপযুক্ত বিচার চাই। আমার ছেলেটি বিছানায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।’

টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই মোরাদুজ্জামান বলেন, ‘এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হামলা হয়েছে। আহত সাব্বিরের মা বাদী হয়ে ১৩ জনকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

টাঙ্গাইলের ডেপুটি পোস্টমাস্টার (জেনারেল) মোহাম্মদ ওমর ফারুক জানান ‘বাসাইল উপজেলা পোস্টমাস্টারকে গ্রেফতারের বিষয়টি শুনেছি। যদি কোনও কর্মচারি মামলাতেই পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার হয়, তাহলে সরকারি আইনে তাকে সাসপেন্ড করা হয়। অফিস খুললে তথ্য সংগ্রহ করে তাকে সাসপেন্ড করা হবে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. মার্চ ২০২২ ১২:৫৮:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।