/ হোম / আইন-আদালত
আরিফের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

আরিফের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে চাঞ্চল্যকর কলেজ ছাত্র আরিফ মিয়া (২১) হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ আগস্ট) সকালে উপজেলার মূল ফটকের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন নিহতর পরিবার ও এলাকাবাসী।

আরিফের লাশ সামনে রেখে স্বজনরা খুনি জাহাঙ্গীরসহ যারা জড়িত তাদের ফাঁসির দাবী করেন। মানববন্ধনে নিহতের পিতা হোসেন মিয়া, নিহতের বোন ও সহপাঠীরা বক্তব্য দেন। আরিফের লাশ নিয়ে নাগরপুর সদর বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করে এলাকাবাসী।

মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল শেষে নাগরপুর সরকারি কলেজ মাঠে নিহত আরিফের জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা নামাজ শেষে সামাজিক কবর স্থানে দাফন সম্পর্ণ করা হয়।

উল্লেখ্যঃ- ০৮ আগস্ট উপজেলার নঙ্গীনা বাড়ি থেকে জাহাঙ্গীর আরিফকে মোটরসাইকেলসহ টাঙ্গাইল নিয়ে যায়। ১৯ আগস্ট মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লী ব্রীজের নিচ থেকে আরিফের লাশ উদ্বার করে পুলিশ।

শুধুমাত্র একটি মোটরবাইকের জন্য নিজ চাচাতো ভাইয়ের হাতে নৃশংস ভাবে প্রাণ দিতে হলো অনার্স প্রথম বর্ষের মেধাবি ছাত্র আরিফকে।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে ভিকটিমের চাচাতো ভাই উপজেলার নঙ্গিনা বাড়ি গ্রামের দারোগ আলীর ছেলে জাহাঙ্গীরকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশের জিজ্ঞাসা বাদে ঘাতক জাহাঙ্গীর হত্যার দায় স্বীকার করে।

তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিত্বে শুক্রবার বিকেলে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লী ব্রীজের নিচ থেকে তার লাশ উদ্বার করা হয়। পরে লাশটি সাটুরিয়া থানায় নেয়া হয়। এদিকে লুন্ঠিত মোটরসাইকেলসহ অপর আসামী দেলদুয়ার উপজেলার দুল্লা গ্রামের মোকছেদুর রহমানের ছেলে হাবিজুর রহমান রনিকে (৩৩) পুলিশ গ্রেফতার করে।

অপর দিকে ছেলে হত্যার খবর শুনে ওই পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজাড়িতে সেখান কার আকাশ বাতাস ভারি হয়ে উঠে। শোকে নির্বাক বাবা মা কোন কথাই বলতে পারছেন না।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. অগাস্ট ২০২২ ০২:০৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চোলাই মদসহ আটক ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চোলাই মদসহ আটক ১

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ৫০ লিটার দেশীয় চোলাই মদ সহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব। শুক্রবার (১৯ আগস্ট)সকালে পৌর শহরের কান্দাপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটককৃতর নাম সুরুজ রবি দাস (৫০)। সে শহরের কান্দাপাড়া এলাকার মৃত কার্তিক রবিদাসের ছেলে।

শুক্রবার সকালে র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার এএসপি এরশাদুর রহমান প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুরুজ রবি দাসকে ৫০ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ হাতেনাতে আটক করা হয়।যার বাজার মূল্য ১৫ হাজার টাকা।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়,আটককৃত সুরুজ রবি দাস বহুদিন ধরে মাদক দ্রব্য দেশীয় চোলাই মদ অবৈধভাবে সংগ্রহ করে টাঙ্গাইল জেলার সদর থানাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন মাদক কারবারি ও মাদকসেবীদের নিকট বিক্রি করে আসছিল।তার বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. অগাস্ট ২০২২ ০৭:৪২:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী, দুলাভাই আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী, দুলাভাই আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় ধর্ষণে এক স্কুলছাত্রী (১২) সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। এ ঘটনায় তার দুলাভাই সবুজ মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) রাতে শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

বুধবার (১৭ আগস্ট) সকালে মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহফুজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আটককৃত সবুজ মিয়া ঘাটাইল উপজেলার গর্জনা গ্রামের শামছুল হকের ছেলে।

জানা গেছে, আটককৃত সুবজ প্রায় দেড় বছর আগে বিয়ে করেন। প্রায় সাত মাস আগে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন তিনি। এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকায় শ্যালিকাকে ধর্ষণ করে সবুজ। পরে ভয় দেখিয়ে এভাবে তাকে আরো চার থেকে পাঁচ বার ধর্ষণ করে। এতে ভুক্তভোগী শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হলেও বাড়ির লোকজন টের পাননি।

এদিকে ভুক্তভোগী শিশুটি অসুস্থ হলে, পরিবারের সদস্যরা অসুস্থতার কারণ জানতে চাইলে দুলাভাই সবুজ তাকে ধর্ষণ করেছে বলে জানায়। পরে পরিবারের লোকজন কৌশলে সবুজকে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে আনেন। এর আগে ভুক্তভোগীর বাবা সবুজের বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। পরে রাতে পুলিশ শ্বশুরবাড়ি থেকে সবুজকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে মির্জাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহফুজ জানান, এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়ে সবুজকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শ্যালিকাকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন তিনি। বুধবার সকালে ভুক্তভোগী শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।

তিনি আরো জানান,একই সঙ্গে সবুজকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. অগাস্ট ২০২২ ১২:১৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে হাজতির মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে হাজতির মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে ওয়াসিম মল্লিক নামের(৩৫) এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) ভোরে জেলা কারাগার থেকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেল সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন।

মৃত ওয়াসিম মল্লিক টাঙ্গাইলের নাগপুর উপজেলার খাসপাইকাল গ্রামের মৃত সেকান্দার আলীর ছেলে।

জেলা কারাগার সুত্রে জানা গেছে, মৃত ওয়াসিম মল্লিক ২০২১ সালের ২১ জুলাই তার সৎভাইয়ের দায়ের করা মারপিটের মামলায় অসুস্থ অবস্থায় কারাগারে আসেন। কারাভোগকালীন অবস্থায় লিভার জনিত সমস্যায় কারা হাসাপাতাল , টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ও উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) ভোরে হাজতি ওয়াসিম অসুস্থ হয়ে পড়লে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।

টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের পক্ষে জেনারেল হাসপাতালে মৃত্যুর তদন্ত করতে আসা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দীপ ভৌমিক জানান, মৃত হাজতি ওয়সিমের শরীরে কোন ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে শারীরিক অসুস্থতার কারনে তার মৃত্যু হয়েছে।

জেল সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, হাজতি ওয়াসিম কারাগারে আসার পর থেকেই অসুস্থ ছিলেন। ইতোপুর্বে ১৭ জুলাই সে লিভার জনিত রোগে অসুস্থ হয়ে পড়লে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জের মাধ্যমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। গত ১০ অক্টোবর চিকিৎসা শেষে টাঙ্গাইল কারাগারে প্রত্যাবর্তন করে হাজতি ওয়াসিম। মঙ্গলবার ভোরে ফজরের নামাজের পর হাজতি ওয়াসিম অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ওয়ার্ড থেকে কারা হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অচেতন হয়ে পড়লে কারা সার্জনের পরামর্শে দ্রুত টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরিক্ষা-নিরীক্ষার পরে তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

তিনি আরও জানান, মৃত হাজতির দেহের সুরতহাল রিপোর্ট প্রনোয়ণসহ ময়না তদন্ত কার্য সম্পাদনের নিমিত্তে ও একটি অপমৃত্যুও মামলা রুজু করার জন্য টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জকে লিখিত অনুরোধ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. অগাস্ট ২০২২ ০২:০৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সিজান (১৫) নামের নবম শ্রেনীর এক ছাত্রের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৩ আগস্ট) ভোরে কালিহাতী পৌরসভার পূর্ব বেতডোবা নিজ বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত সিজান পূর্ব বেতডোবা গ্রামের হারুন অর রশিদের ছেলে ও কালিহাতী আর এস সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্র।

স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিনের ন্যায় শনিবার (১৩ আগস্ট) ভোরে সিজানের দাদা ফজরের নামাজ শেষে সিজানকে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার জন্য ডাক দেয়। বার-বার ডাক-চিৎকারেও সাড়া না দেওয়ায় সিজানের দাদা দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে দেখে সিজান মশারির কাপড় দিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে আছে।

পরে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সিজানের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এ বিষয়ে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, ঘটনাস্থল থেকে স্কুল ছাত্রের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অগাস্ট ২০২২ ১১:৫৩:পিএম ৪ বছর আগে
জুলাই পর্যন্ত নির্যাতনের শিকার ১১৯ সাংবাদিক, টিআইবির উদ্বেগ - Ekotar Kantho

জুলাই পর্যন্ত নির্যাতনের শিকার ১১৯ সাংবাদিক, টিআইবির উদ্বেগ

একতার কণ্ঠঃ অনিয়ম-দুর্নীতির সংবাদ সংগ্রহকালে সাংবাদিকদের ওপর ধারাবাহিক হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। একই সঙ্গে এসব হামলার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।

আইন ও শালিস কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই পর্যন্ত ১১৯ জন সাংবাদিক নানামুখী হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩৮ জন পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে হামলার এবং ১৯ জন প্রকাশিত সংবাদের জেরে মামলার শিকার হয়েছেন। এসব ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হলেও বাস্তব অর্থে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিচার শেষ হয় না বলে মনে করে টিআইবি।

বুধবার (১০ আগস্ট) টিআইবি থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনিয়ম ও দুর্নীতির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সম্প্রতি ধারাবাহিকভাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং ক্ষমতার অপব্যবহার, হামলা-মামলা ও বিচারহীনতার ও মাধ্যমে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের চলমান প্রক্রিয়ার অপপ্রয়াসের অব্যাহত প্রবণতা।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, যখন দেশের মানুষ প্রভাবশালী ও ক্ষমতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিবাজদের অর্থপাচার এবং নানাবিধ দুর্নীতির কারণে বহুমুখী সংকট মোকাবিলা করছে। তখন দুর্নীতির তথ্য উদঘাটন ও প্রকাশের জন্য সাংবাদিকদের ওপর ধারাবাহিক হামলা কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা নয়। বিশেষ করে, অতিসম্প্রতি চিকিৎসাসহ বিভিন্ন জনসেবা প্রদানকারী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য সংগ্রহকালে বেশ কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেল ও পত্রিকার সাংবাদিকদের ওপর নৃশংস হামলার ঘটনায় স্পষ্ট যে, দুর্নীতিবাজরা কতটা বেপরোয়া, ক্ষমতাধর এবং সংঘবদ্ধ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তো বটেই, রাষ্ট্রীয় কোন কর্তৃপক্ষকেই তারা পরোয়া করে না। এই বেপরোয়া আচরণ প্রমাণ করে, কোন না কোন প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় তারা সুরক্ষা ও দায়মুক্তি পেয়ে থাকে।

তিনি বলেন, নিয়মিত বিরতিতে সাংবাদিক নির্যাতন এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে হামলা-মামলার ঘটনা ঘটলেও, কঠোর আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে যথোপযুক্ত শাস্তির দৃষ্টান্ত কার্যত অনুপস্থিত, যা নিয়ে আমরা দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছি।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘদিন ধরে বিরাজমান অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহকালে ঢাকা ও বরিশালে অন্তত তিনজন টেলিভিশন সাংবাদিকের ওপর সংঘবদ্ধ ভয়াবহ হামলা এ খাতে শক্তিশালী সিন্ডিকেট এবং তাদের সুরক্ষাদাতাদের বেপরোয়া দৌরাত্মের প্রমাণ দেয়, যা টিআইবির বিভিন্ন গবেষণা এবং গণমাধ্যমের বিভিন্ন প্রতিবেদনেও উঠে এসেছে।

ধারাবাহিক হামলা সাংবাদিকদের মনোবল ভেঙে দিয়ে দুর্নীতির তথ্য প্রকাশে বাধা সৃষ্টির সুগভীর ও সংঘবদ্ধ অপকৌশল কিনা? এমন প্রশ্ন তুলে নির্বাহী পরিচালক বলেন, বিশ্ব দায়মুক্তি সূচক-২০২১ অনুযায়ী সাংবাদিকদের নিরাপত্তাহীনতায় বাংলাদেশের দশম অবস্থান লজ্জাজনকভাবে দেশে সাংবাদিকতার প্রকট ঝুঁকির দৃষ্টান্ত। বিশ্বমুক্ত গণমাধ্যম সূচক ২০২২ অনুযায়ী ১০ ধাপ পিছিয়ে ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের ১৬২তম অবস্থানও প্রমাণ করে যে, সাংবাদিকতা এদেশে ধারাবাহিকভাবেই কঠিন হয়ে উঠছে। তাই সাংবাদিকদের সুরক্ষায় অবিলম্বে বিশেষ আইন প্রণয়ন এবং তার কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অগাস্ট ২০২২ ০৩:১৯:এএম ৪ বছর আগে
শিহাব হত্যা মামলা : চার আসামির আত্মসমর্পণ, জামিন নামঞ্জুর - Ekotar Kantho

শিহাব হত্যা মামলা : চার আসামির আত্মসমর্পণ, জামিন নামঞ্জুর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বহুল আলোচিত স্কুল ছাত্র শিহাব হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত চার আসামি আত্মসমর্পণ করেছেন।

বুধবার (১০ আগস্ট) বিকালে টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ এর আদালতে তারা আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন।

পরে বিচারক উভয় পক্ষের আইনজীবীর যুক্তিতর্ক শোনার পর বিজ্ঞ বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠিয়ে দেন।

বাদি পক্ষের আইনজীবী মো. রাসেল রানা আত্মসমর্পণ ও জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আত্মসমর্পণকারী আসামিরা হলেন- মামলার ২ নং আসামি বিপ্লব (৩০), ৩ নং আসামি আশরাফ (৩০), ৪ নং আসামি মাসুম (৪০) ও ৬ নং আসামি বিজন (৪০)।

আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এডভোকেট শরিফুল ইসলাম রিপন।

আত্মসর্মপণের আগে মামলার এজাহারভূক্ত আসামি বিজন জানান, আমরা এতোদিন নিয়মিত স্কুলে গিয়েছি, ক্লাস নিয়েছি।

তিনি আরো জানান, পরে গত ১ আগস্ট উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন নেই। বুধবার (১০ আগস্ট) টাঙ্গাইলে আত্মসমর্পণ করে জামিন চেয়েছি।

নিহত শিহাবের বাবা ইলিয়াস হোসেন বলেন, পুলিশ সৃষ্টির রিপনের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে, তাই আর কোন আসামি গ্রেপ্তার করে নাই। আল্লাহর ইশারায় তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।

উল্লেখ্য, গত ২০ জুন শহরের সুপারি বাগান এলাকায় সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক ভবনের সাত তলা থেকে শিহাব মিয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়।

শুরু থেকেই শিশুটিকে হত্যার অভিযোগ তুলে আসছিল তার পরিবার। এঘটনায় প্রাথমিক পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়।

ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশের পর রবিবার বিকালে র‌্যাব সাতজন শিক্ষক ও ডিবি দুইজন শিক্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে।

পরে র‌্যাব তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ কোনও তথ্য না পাওয়ায় তাদের সাতজনকে ছেড়ে দেয়।

পরে ২৭ জুন নিহত শিহাবের মা বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় ৬ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার আসামিরা হচ্ছেন- সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক শিক্ষক আবু বক্কর, বিপ্লব, আশরাফ, মাসুদ, মতিন ও বিজন।

পুলিশ মামলার আগে শিক্ষক নাসির ও আবু বক্করকে আটক করলেও মামলায় নাসিরের নাম না থাকায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অগাস্ট ২০২২ ০১:১৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে পূর্ণিমা সূত্রধর (১৮) নামের এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। গলায় শাড়ি কাপড় পেঁচানাে অবস্থায় ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে দেলদুয়ার থানা পুলিশ।

শনিবার (৬ আগস্ট) বিকালে উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের পিরােজপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।

গৃহবধুর স্বামী নিলয় সূত্রধর ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে দাবি করলেও পূর্ণিমার বাবা মনােরঞ্জন সূত্রধরের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তাই গৃহবধূ পূর্ণিমার মৃত্যু নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ধোঁয়াশা।

জানা যায়, কালিহাতী উপজেলার পোষনা গ্রামের মনােরঞ্জন সূত্রধরের মেয়ে পূর্ণিমা সূত্রধরের ছয় মাস পূর্বে বিয়ে হয় দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের পিরােজপুর গ্রামের ছানু সূত্রধরের ছেলে নিলয় সূত্রধরে সাথে। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন অজুহাতে স্বামী নিলয় পূর্ণিমাকে নির্যাতন করতাে। ঘটনার তিন দিন আগেও স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে এই গৃহবধূ বাবার বাড়ি চলে যায়।

শুক্রবার ( ৫ আগস্ট) স্বামী নিলয় তার স্ত্রীকে নিজ বাড়ি পিরােজপুরে নিয়ে আসে। শনিবার সন্ধ্যায় গলায় শাড়ি কাপড় পেঁচানো অবস্থায় ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পূর্ণিমার বাবা মনােরঞ্জন সূত্রধর জানান, ঘটনার তিন দিন আগে স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে পূর্ণিমা আমার বাড়ি চলে আসে। শুক্রবার স্বামী নিলয় এসে পূর্ণিমাকে তাদের বাড়ি নিয়ে যায়, যাওয়ার সময় পূর্ণিমা বারবার বলছিল “বাবা আমাকে ওখানে পাঠাইও না” পরে আমি মেয়েকে বুঝিয়ে স্বামীর বাড়িতে পাঠাই।

তিনি আরো জানান, নিলয় ও তার পরিবারের লােকজন আমার মেয়ের গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঘরের ভিতর ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছে।

দেলদুয়ার থানার উপ-পরিদর্শক মােঃ মামুন মিয়া জানান, শনিবার সন্ধ্যায় শাড়ি কাপড় দিয়ে গলায় পেঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধূ পূর্ণিমার লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে ওই গৃহবধূর বাবা ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছেন।

তিনি আরো জানান, থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। রবিবার (৭ আগস্ট) ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানাে হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে বুঝা যাবে ঘটনাটি হত্যা না,আত্মহত্যা ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. অগাস্ট ২০২২ ০১:৫৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সাথে এক লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (৭ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন এ রায়ের আদেশ দেন।

দন্ডিত ওই যুবকের নাম রবিন মিয়া (২৬)। সে সখীপুর উপজেলার সদরের গজারচালা এলাকার শাহজাহান মিয়ার ছেলে।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এই মামলার অন্য আসামি দীপ্তি আক্তারকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সহকারী সরকারি কৌশুলী মোহাম্মদ আব্দুল কদ্দুস জানান, ২০১৬ সালের ৭ জুলাই সখীপুরের একটি মাদ্রাসার দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে রবিন তাদের বাড়িতে কৌশলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ওই দিনই ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর মা বাদি হয়ে সখীপুর থানায় ৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দেলোয়ার হোসেন ওই বছরের ১ সেপ্টেম্বর রবিন মিয়া ও দীপ্তি আক্তারের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। রায় ঘোষণার সময় রবিন মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

পরে তাকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. অগাস্ট ২০২২ ০৯:২৬:পিএম ৪ বছর আগে
চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি রাজা মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) ভোরে টাঙ্গাইল শহরের নতুন বাস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রাজা মিয়ার বাড়ি কালিহাতী উপজেলার বল্লা গ্রামে। তার বাবার নাম হারুন অর রশিদ। তিনি টাঙ্গাইল শহরের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার এ তথ‌্য নিশ্চিত করে জানান, ঈগল পরিবহনের যে বাসটি ডাকাতের কবলে পড়ে, সেই বাসের চালককে সরিয়ে দিয়ে রাজা চালকের সিট দখল করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এ ঘটনায় কে কে জড়িত ছিলো রাজা আমাদের জানিয়েছে।

তিনি আরো জানান, মধুপুরে বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনার পর থেকে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে পুলিশ। ভোরে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাতে কুষ্টিয়া থেকে ঈগল পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ২৪ থেকে ২৫ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ‌্যে রওনা দেয়। গভীর রাতে সিরাজগঞ্জ পৌঁছালে সেখান থেকে একদল ডাকাত যাত্রীবেসে ওই বাসে ওঠে। বাসটি বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার পর যাত্রীবেশে থাকা ওই তরুণ দল অস্ত্রের মুখে যাত্রীদের বেঁধে ফেলে। কয়েক মিনিটের মধ্যে যাত্রীদের কাছ থেকে মোবাইল, নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নেয়। এরপর এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণ করে তারা। বাসটি বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে তিন ঘণ্টার মতো নিয়ন্ত্রণে রাখে। পরে পথ পরিবর্তন করে টাঙ্গাইল ময়মনসিংহ সড়কের মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়া জামে মসজিদের পাশে বালির স্তূপে বাসটি উল্টিয়ে ডাকাত দল পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় বাসের এক যাত্রী বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে টাঙ্গাইলের মধুপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অগাস্ট ২০২২ ০৬:৫৩:পিএম ৪ বছর আগে
চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণ ঘটনায় মধুপুর থানায় মামলা - Ekotar Kantho

চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণ ঘটনায় মধুপুর থানায় মামলা

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। এই অভিযোগে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মধুপুর থানায় মামলা করেছেন বাসের এক যাত্রী।

মধুপুর থানায় বুধবার(৩ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে এই মামলা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন।

তিনি জানান, কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা ঈগল পরিবহনের বাসে মঙ্গলবার গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটেছে বলে যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন। ২৪ থেকে ২৫ জন যাত্রী ছিলেন তাতে।

যাত্রীদের বরাতে ওসি বলেন, ‘বাসটি সিরাজগঞ্জের কাছাকাছি দিবারাত্রি হোটেলে রাতের খাবারের জন্য বিরতি দেয়। রাত দেড়টার দিকে আবার যাত্রা শুরু করে। পথে কাঁধে ব্যাগ বহনকরা ১০ থেকে ১২ জন তরুণ ওঠেন।

‘বাসটি বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার পর ওই তরুণরা অস্ত্রের মুখে একে একে সব যাত্রীদের বেঁধে ফেলে। কয়েক মিনিটের মধ্যে সবার কাছ থেকে মোবাইল ফোন, টাকা ও গয়না লুট করে নেয়। এরপর এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণ করে।’

ওসি অভিযোগের বরাতে আরও জানান, বাসটি বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে ওই দলটি। পরে পথ বদলে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়া জামে মসজিদের পাশে বালির ডিবিতে বাসটি উল্টিয়ে তারা পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে ঈগল পরিবহনের ব্যবস্থাপক আয়নাল হোসেন থানায় আসেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারদের বেঁধে রেখে যাত্রীদের কাছে যা যা ছিল সব নিয়ে গেছে ডাকাতরা।’

ওসি মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন আরো জানান, ধর্ষণের অভিযোগ করা নারীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অগাস্ট ২০২২ ০৫:১৭:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নদ থেকে নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নদ থেকে নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বৈরান নদ থেকে ভাসমান অবস্থায় রামেশ্বর চন্দ্র সূত্রধর (৭০) নামের এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার  করেছে পুলিশ।

মৃত রামেশ্বর চন্দ্র সূত্রধর পৌর এলাকার হাটবৈরান গ্রামের বাসিন্দা ।

পরিবার সুত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) বিকাল থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন । নিখোঁজ থাকায় পরিবারের পক্ষ থেকে গোপালপুর থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করা হয়েছিল।

এলাকাবাসী জানায়, মঙ্গলবার (২ আগস্ট) দিবাগত রাতে‌ বৈরান নদে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন এলাকাবাসী।গোপালপুর থানার পুলিশ বুধবার (৩ আগস্ট) সকালে মরদেহটি উদ্ধার করে।এসময় রামেশ্বর চন্দ্র সূত্রধরের স্বজনরা লাশটি শনাক্ত করেন ।

স্থানীয় হাটবৈরান গ্রামের বাসিন্দা মো. আব্দুল বাসেত জানান, বিগত দুইদিন থেকে এলাকাবাসী বৈরান নদের মাঝখানে ভাসমান বস্তু দেখতে পায়, মরদেহ দৃশ্যমান হলে লোকজন পুলিশে খবর দেয়।

রামেশ্বরের ছেলে সাধন চন্দ্র সুত্রধর জানান, গত বৃহস্পতিবার কাজ শেষে বাড়ি ফেরার সময় তার বাবা নিখোঁজ হন, লাশ ফুলে যাওয়ায় শনাক্ত করতে অসুবিধা হলেও হাতেের আংটি ও হাত পায়ের গড়ন দেখে সবাই মিলে শনাক্ত করেছি এটাই বাবার লাশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী অভিযোগ জানাবেন।

এ বিষয়ে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন জানান, রামেশ্বর চন্দ্র সুত্রধর নিখোঁজ হওয়ার পর তার স্বজনরা এসে থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অগাস্ট ২০২২ ০৩:০৭:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।