একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ১০ বছরের শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশু কন্যাকে ধর্ষণকারী কৃষ্ণ চন্দ্র দাসকে(৫৫) গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। সোমবার (২৫ জুলাই) বিকেলে দেলদুয়ার উপজেলার দেউলী গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা।
অভিযুক্ত কৃষ্ণ চন্দ্র দাস নাগরপুর উপজেলার বেকরা ইউনিয়নের ভোর বাজার গ্রামের মৃত জিতেন্দ্র চন্দ্র দাস এর ছেলে।
শুক্রবার (২২ জুলাই) দুপুরে উপজেলার বেকড়া ইউনিয়নের ভোর বাজারে এ ধর্ষনের ঘটনাটি ঘটে।
এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী। তার বাবা চা বিক্রি করে কোন রকম সংসার চালায়। প্রতিদিন দুপুরে মেয়েকে দোকানে বসিয়ে রেখে বাড়ীতে খাবার খেতে যায়। শুক্রবার মেয়েকে রেখে জুমার নামাজ আদায় করতে যান তিনি। পরে নামাজ আদায় করতে গেলে কৃষ্ণ দাস নিজ দোকান থেকে বের হয়ে ওই চা দোকানে আসে।নামাজের সময় বাজারে লোকজন না থাকায় কৃষ্ণ দাস শিশু মেয়েটিকে ডেকে তার দোকানের ভিতর নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে সুকৌশলে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা নাগরপুর থানার এসআই মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান, শিশুটিকে ধর্ষণকারী আসামি কৃষ্ণ চন্দ্র দাসকে সোমবার দেলদুয়ার উপজেলার দেউলী থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান,প্রাথমিক জিজ্ঞেসাবাদে আসামি কৃষ্ণ চন্দ্র দাস শিশুটিকে ধর্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেছে। আসামিকে আদালতে মাধ্যমে মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) টাংগাইল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
প্রকাশ, ঘটনার পর ধর্ষককে গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে এলাকাবাসী
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার চেচুয়াজানী গ্রামের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী ১০ বছরের শিশুকে বড়ই খাওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ মামলার রায়ে এক জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল।
টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন সোমবার(২৫ জুলাই) দুপুরে এই রায় ঘোষনা করেন।
সেই সাথে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ১ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।
দন্ডিত ব্যক্তি নাগরপুর উপজেলার চেচুয়াজানী গ্রামের মৃত নয়ান আলীর ছেলে লিয়াকত আলী (৫৮)।
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের এপিপি মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস জানান, ২০১৫ সালের ২১ মার্চ বিকেল ৩ টার দিকে চেচুয়াজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্রী ১০ বছরের ওই শিশু বাড়ির পাশে খেলা করছিল। পরে একই গ্রামের দন্ডিত আসামী লিয়াকত আলী বড়ই খাওয়ার লোভ দেখিয়ে নিজ বসত ঘরে নিয়ে গিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ঘটনার কথা কাউকে বললে প্রাণে মেরে ফেলার ভয়ভীতি প্রদর্শণ করে ভিকটিমকে ঘর থেকে বের করে দেয়। পরদিন ভিকটিম বাড়ীর লোকদের ঘটনার বিষয় জানায়। ধর্ষিত শিশুর পিতা প্রতিবন্ধি হওয়ায় পরে তার দাদা ২০১৫ সনের ২ এপ্রিল নাগরপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।
পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাগরপুর থানার এসআই মো: আব্দুল হক তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ১৩ জুলাই আসামী লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, চিকিৎসকসহ মোট ৮ জন আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন।
আসামীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এডভোকেট আব্দুর রাজ্জাক।
একতা কন্ঠ: জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলে প্রতিপক্ষের হামলায় মোহাম্মদ আলী (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার (২৪ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের ছোট বৈন্যাফৈর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মোহাম্মদ আলী ওই গ্রামের মৃত নগর আলীর ছেলে।
দাইন্যা ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন জানান, প্রাচীর তোলাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের সঙ্গে নিহতেে সাথে তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা করে।
তিনি আরও জানান, পরে সাথে সাথে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন মোহাম্মদ আলী। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে । আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং ময়নাতদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) রানুয়ারা খাতুনের ছবি ব্যবহার করে ফেসবুক আইডি খুলে টাকা দাবি করা যুবককে আটক করেছে সদর থানার পুলিশ। এ ঘটনায় শুক্রবার(২২ জুলাই) রাতে টাঙ্গাইল থানায় একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করেন ইউএনওর অফিসের জারীকারক মো. চাঁন মামুদ । পরে সদর থানার পুলিশ টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলার ভারড়া গ্রামের রকমত আলীর ছেলে বিজয় খানকে মির্জাপুর থেকে গ্রেপ্তার করে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ইশরাত জাহান সিনথিয়া নামের ফেসবুক আইডি তৈরী করে তাতে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুনের ছবি ব্যবহার করে প্রতারক বিজয় খান আইডিটি ব্যবহার করে আসছিল। ফেসবুকের তালিকায় থানা বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিকাশ নম্বরের মাধ্যমে বিভিন্ন পরিমানের অর্থ দাবিপূর্বক আদায করে আসছিলেন তিনি। বিষটি ইউএনও জানতে পেরে নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে তার নাম ব্যবহারকারী কারো সাথে অবৈধ অর্থ লেনদেন করতে নিষেধ করে পোষ্ট করেন। এক পর্যায়ে ইশরাত জাহান সিনথিয়া নামীয় ফেসবুক আইডি বন্ধু তালিকা থাকা কয়েক জনের নিকট টাকা দাবি করেন ওই প্রতারক যুবক। বিষটি পুলিশকে অবগত করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে পরকীয়া প্রেমিকাকে সন্তুষ্ট করতে না পারায় ওড়না দিয়ে মুখ চেপে ধরে খুন করা হয় প্রেমিক শফিকুল ইসলামকে। পরে তার মরদেহ বস্তায় ভরে পাশের ব্রিজের নিচে ফেলে দেওয়া হয়। পরকীয়া প্রেমিকা মোরশেদা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব তথ্য জানান।
মোরশেদা আক্তার (৩৩) নাগরপুর উপজেলার পাকুটিয়া ইউনিয়নের মানড়া নয়াপাড়া গ্রামের সিঙ্গাপুর প্রবাসী বাবুল হোসেনের স্ত্রী।
বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) দুপুরে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মোরশেদার দেবর বারেক ও ভাসুর ফুলচানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
স্বীকারোক্তিতে মোরশেদা জানান, প্রতিবেশি মৃত সমেশ আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম (৪৫) নানা রোগে জর্জরিত। তার স্বামী বাবুল হোসেন ১ বছর ধরে সিঙ্গাপুরে চাকুরি করছেন।
সম্প্রতি শফিকুল সুসম্পর্কের (পরকীয়ার) জের ধরে তার সাথে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। পরকীয়ার সম্পর্ক থাকাকালে অসুস্থতার কারণে শফিকুল কখনোই মোরশেদাকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি।
সোমবার (১৮ জুলাই) বিকালে শফিকুল আবারও মোরশেদা আক্তারের বাড়িতে যান। ওই সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে শফিকুল ইসলাম তার পরকীয়া প্রেমিকা মোরশেদা আক্তারের সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চায়।
এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাগবিতন্ডার এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। বাড়ির টিউবওয়েলের কাছে ধস্তাধস্তির সময় মোরশেদা তার পড়নের ওড়না দিয়ে শফিকুলের মুখ চেপে ধরেন।
এ সময় শফিকুল টিউবওয়েলের পাকা মেঝেতে পড়ে গুরুতর আহত হন। ওড়না দিয়ে মুখ চেপে ধরে রাখায় শফিকুলের মৃত্যু হয়। পরে তার মরদেহ পাশের টয়লেটে লুকিয়ে রাখে। পরে মোরশেদা বিষয়টি তার দেবর বারেক ও ভাসুর ফুলচানকে জানায়।
এরপর তারা মরদেহ লুকানোর সিদ্ধান্ত নেয়। ওইদিনই রাত প্রায় ১২ টার দিকে মরদেহটি চটের বস্তায় ভরে বারেকের অটোরিকশায় উঠিয়ে গ্রামের ব্রিজের নিচে ফেলে দিয়ে চলে যায়।
বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন।
প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) সকালে নাগরপুর উপজেলার মানড়া নয়াপাড়া গ্রামের ব্রিজের নিচ থেকে পুলিশ অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহটি শফিকুল ইসলামের বলে তার স্ত্রী মোছা. রাহেলা বেগম সনাক্ত করেন এবং নিজে বাদী হয়ে নাগরপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুনের নির্দেশনায় এসআই মনোয়ার হোসেন ওই ঘটনার তদন্ত করেন। উন্নত তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ও সনাতন পদ্ধতির পুলিশি কৌশল ব্যবহার করে এসআই মনোয়ার হোসেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে ওই ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেন। একই সাথে বাকি অভিযুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তার করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অবৈধভাবে অ্যাসিড বিক্রির দায়ে তিন জনকে তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের অ্যাসিড অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক জেলা ও দায়রা জজ ফাহমিদা কাদের ওই রায় দেন।
রায়ে দণ্ডিত প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাস করে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। টাঙ্গাইলের সরকারি কৌশুলি (পিপি) এস আকবর খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডিতরা হচ্ছেন- টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের পাছ বেথৈর গ্রামের আনন্দ দত্তের ছেলে অনন্ত দত্ত, একই গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে আব্দুল লতিফ এবং করটিয়া ইউনিয়নের নগরজালফৈ গ্রামের কাদের মিয়ার ছেলে চান মিয়া।
পিপি এস আকবর খান জানান, ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন(র্যাব) এর একটি টহল দল শহরের ছয়আনী বাজারের অনামিকা জুয়েলার্সের সামনে থেকে ৩৫ কেজি নাইট্রিক অ্যাসিডসহ দণ্ডিত তিনজনকে আটক করে।
তারা সেখানে অবৈধভাবে অ্যাসিড বিক্রি করছিলেন। আটকের পর তারা অ্যাসিড বিক্রির বৈধ লাইসেন্স দেখাতে ব্যর্থ হন। পরে র্যাবের উপ-সহকারী পরিচালক মো. নাজিম উদ্দিন বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত শেষে টাঙ্গাইল সদর থানার উপ-পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর ওই তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলায় ১১ জনকে সাক্ষী করা হয়। রায় ঘোষণার পর আদালতে উপস্থিত দণ্ডিত তিন জনকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চার বোতল বিয়ারসহ এক যুবকের আটক করেছে র্যাব। রবিবার (১৭ জুলাই) বিকেলে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার আকুর টাকুর পাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটককৃত যুবক সদর উপজেলার আকুর টাকুর পাড়ার মো. আজাদের ছেলে মো. পিয়াস (২২)।
র্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার এএসপি মো. এরশাদুর রহমান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিকেল পৌনে ছয়টার দিকে পৌর এলাকার আকুর টাকুর পাড়ায় অভিযান পরিচালনা করলে বিন্দুবাসিনী গার্লস স্কুলের পাশ থেকে চার বোতল বিয়ার ও ২ হাজার টাকাসহ পিয়াসকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
তিনি আরো জানান, আটককৃত পিয়াস দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক দ্রব্য বিয়ার অবৈধভাবে সংগ্রহ পূর্বক বিভিন্ন মাদক সেবীদের নিকট বিক্রয় করে আসছিল।। তার বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সল্লা গ্রামে অভিযান চালিয়ে পাঁচ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মো. শাহীন আলম নামে এক বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের(ডিবি-দক্ষিণ)অফিসার ইনচার্জ মো. দেলোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃত মো. শাহীন আলম(৪০) কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের কদিম হামজানী গ্রামের মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে।
গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, গোপনে সংবাদ পেয়ে ডিবি দক্ষিণের এসআই মো. নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কালিহাতী উপজেলার সল্লা গ্রামের একটি টেইলার্সের দোকানের ভেতর অভিযান চালায়।
অভিযানে পাঁচ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মো. শাহীন আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়। জব্দকৃত ইয়াবা ট্যাবলেটের মূল্য প্রায় ১৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা।
তিনি আরও জানান, সল্লা গ্রামের জনৈক বিল্লাল হোসেনের বাড়ি ভাড়া নিয়ে মো. শাহীন আলম টেইলার্স চালানোর আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা বিক্রি করছিল। তার বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে কালিহাতী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে থানা দেলদুয়ার থান পুলিশ। বুধবার(১৩ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের নাটিয়াপাড়া নাসির গ্লাস ইন্ডাস্ট্রিজের পাশে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের ঢাল থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আরমান আলী জানান, এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে ঢাকা- টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশটি পানিতে অর্ধডুবন্ত অবস্থায় ছিল। ধারনা করা হচ্ছে, মঙ্গলবার ভোড় ৪টার পরে পানিতে ডুবে যুবকটি মারা গেছেন। সে সনাতন ধর্মাবলম্বী বলে মনে হয়েছে। লাশের পড়নে ব্লু রঙের একটি ট্রাউজার ছিল। ময়না তদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আসল ঘটনা জানা যাবে। থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে সিরাজগঞ্জের এসআই পরিবহণ বাসের ধাক্কায় অটোরিক্সার দুইযাত্রী খালা ও ভাগ্নি মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত সেই ঘাতক বাস চালককে আটক করেছে র্যাব-১২।
আটক চালক নাজমুল হাসান (২৫) সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার জানপুর গ্রামের মো. হাসমত আলীর ছেলে। মঙ্গলবার বিকেলে দূর্ঘটনা কবলিত বাসসহ চালককে মির্জাপুর উপজেলার পাকুল্লা থেকে আটক করা হয়।
বুধবার (১৩ জুলাই)দুপুরে র্যাব-১২ এর সিপিসি ৩ এর কোম্পানী কমান্ডার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মঙ্গলবার দুপুরে সিএনজি চালিত অটোরিক্সায় এলেঙ্গা থেকে গাজিপুরের দিকে যাচ্ছিলেন চারজন। এ সময় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার রাবনা বাইপাস এলাকায় বেপরোয়া গতির এস আই পরিবহণের একটি বাসের ধাক্কায় সিএনজির দুই যাত্রী খালা-ভাগ্নি নিহত ও ২ জন গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় নিহতরা হলেন নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলা কাঠুয়াজারি গ্রামের কুদ্দুসের মেয়ে মৌসুমি ও তার ভাগ্নি জামালপুর জেলার চেকি মারি গ্রামের রেজাউল এর মেয়ে রিয়া মনি।
তিনি আরও জানান, যাত্রীবাহী সিএনজিকে ধাক্কা দেওয়ার পর ঘাতক চালক বেপরোয়া গতিতে বাসটি নিয়ে পালিয়ে যায়। সংবাদ পেয়ে র্যাবের একটি আভিযানিক দল ঘাতক চালক ও বাসটিকে আটক করার জন্য বাসটির পিছু ধাওয়া করে। একপর্যায় মির্জাপুর উপজেলা পাকুল্লা এলাকা থেকে ঘাতক চালক নাজমুল হাসান (২৫) আটক করতে সক্ষম হয় র্যাব। আটক চালক নাজমুল হাসান সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার জানপুর
গ্রামের মো. হাসমত আলীর ছেলে।
রাতেই ঘাতক বাস চালকের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় ধারা-সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ১০৫/৯৮ ধারায় দায়ের করে র্যাব। বুধবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট ঘাতক চালক নাজমুল হাসান (২৫) কে সুস্থ্য অবস্থায় পরবর্তীতে প্রয়োজনীয়
আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের বেলটিয়াবাড়ী নামক স্থানে বুধবার(১৩ জুলাই) দুপুরে অভিযান চালিয়ে ৫০ বোতল ফেনসিডিল সহ মো. রাজিব আলী নামে এক যুবককে আটক করেছে র্যাব। র্যাব-১২ প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আটককৃত মো. রাজিব আলী(২৫) নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া উপজেলার চকমাহাপুর গ্রামের মো. নুরনবী মন্ডলের ছেলে।
র্যাব-১২ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামানের নেতৃত্বে একদল র্যাব সদস্য বেলটিয়াবাড়ীস্থ টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের সামনে অভিযান চালায়। অভিযানে ৫০ বোতল ফেনসিডিল(মূল্য প্রায় ৫০ হাজার টাকা), একটি মোটরসাইকেল ও নগদ একহাজার ৪৭০টাকা সহ মো. রাজিব আলীকে আটক করা হয়।
র্যাব-১২ আরও জানায়, আটককৃত মো. রাজিব আলীর নামে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের পূর্বক টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ এবার শিহাবের পরিবারের সদস্যদের ঈদ আনন্দ নেই। শিহাব এর এই পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার সাথে সাথে শিহাবের পরিবারের ঈদ আনন্দ বিদায় নিয়েছে।
রোববার(১০ জুলাই) ঈদের দিন শিহাবের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, সন্তান ও নাতির কথা মনে করে বারান্দায় বিলাপ করে কাঁদছেন শিহাবের মা ও দাদি।

কাঁদতে কাঁদতেই শিহাবের মা আসমা বেগম বলেন, ‘৩ বছর আগে একবার দেশে আসছিল শিহাবের বাপে। সেবারেই শিহাবের সঙ্গে ওর বাপের শেষ দেখা। গত কোরবানির ঈদে শিহাব ফোনে বাপেরে কইছিল যে সে একটা বড় গরু কোরবানি দিতে চায়। সেজন্য এইবার ওর বাপে আগেই ট্যাকা পাঠায়া দিছিলো। এইবার আমার শিহাব নাই, আমাগো ঈদও নাই।’
এই ঘটনায় গত ২৭ জুন আসমা বেগম সৃষ্টি স্কুলের ৬ আবাসিক শিক্ষককে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

শিহাবের মৃত্যুর পরের দিনই সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরে আসেন শিহাবের প্রবাসী বাবা ইলিয়াস হোসেন। তার অভিযোগ, শুরু থেকেই সৃষ্টি স্কুলের প্রভাবশালী মালিকপক্ষ তদন্তকাজে প্রভাব খাটাচ্ছে।
এদিকে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করে তাদের শাস্তির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে শিহাবের সহপাঠী, সৃষ্টি স্কুলের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং টাঙ্গাইলের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। দাবি আদায়ে আমরা এবার কঠোর আন্দোলনে নামব।’
মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে তদন্তকারী কর্মকর্তা টাঙ্গাইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দেলোয়ার হোসেন জানান, মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘তদন্ত চলছে। প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।’