/ হোম / আইন-আদালত
টাঙ্গাইলে বিএনপির ৪৯ নেতাকর্মী কারাগারে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিএনপির ৪৯ নেতাকর্মী কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের মামলায় সখীপুর উপজেলা বিএনপির ৪৯ জন নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

রবিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সখীপুর) আমলী আদালতে ৫৯ নেতাকর্মী আত্মসমর্পণ করেন। এ সময় বিচারক ফারজানা হাছানাত ১০ জনের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন এবং ৪৯ নেতাকর্মীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আটককৃতরা হলেন— উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে অংশ নেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর মেয়ে কুঁড়ি সিদ্দিকী। ওই নির্বাচনের আগে ২০ ডিসেম্বর রাতে সখীপুর উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের বড়চওনা এলাকায় টহলরত পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। এ সময় সখীপুর থানা পুলিশ বাদী হয়ে ১৯৬ জনের নামে মামলা দায়ের করে। পরে তদন্ত শেষে ওই মামলায় ১২৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।

আসামিপক্ষের আইনজীবী এসএম ফায়জুর রহমান বলেন, ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণা ঠেকাতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত, হয়রানিমূলক, গায়েবি ও মিথ্যা মামলাটি দায়ের করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০২:৩৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে প্রায় অর্ধশতাধিক অবৈধ স্থানপা উচ্ছেদ করেছে। রবিবার(১৩ ফেব্রয়ারি) বিকালে টাঙ্গাইল শহরের জেলা সদর রোডে ওই অবৈধ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।  এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান।

এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান জানান,  টাঙ্গাইল পৌর শহরে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন ধরণের অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট। এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন ও পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ইতিপূর্বে অবৈধ দখলকারীদের চূড়ান্ত নোটিশ দেয়া হয়।  রবিবার বিকেলে ওইসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

এ সময়  টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর,সহকারী পুলিশ সুপার (এসএএফ) আবদুল্লাহ আল ইমরান, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) খাইরুল ইসলাম, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০২:০৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বালুরঘাট দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ,  আটক ১০ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বালুরঘাট দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আটক ১০

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে যমুনা নদী খনন প্রকল্পের কাজ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কালিহাতী থানা পুলিশ ১০ জনকে আটক করেছে।

শনিবার(১২ ফেব্রয়ারি) দুপুরে উপজেলার গোহালিয়াবাড়ি ইউনিয়নের জোকারচর গ্রামে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মাসুদ-নুরুল ইসলাম মেম্বার ও সাবেক মেম্বার সুলতান গ্রুপের মধ্যে ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে সুলতান গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মাসুদ-নুরুল ইসলামের বালুরঘাটে অতর্কিত হামলা চালায়। পরে মাসুদ গ্রুপের লোকজনও পাল্টা হামলা চালায়। এসময় দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ চলে। সংঘর্ষের এক পর্যায়ে সাবেক মেম্বার সুলতান ও তার ভাইয়ের বাড়িতে ভাঙচুর চালায় মাসুদ গ্রুপের লোকজন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।পুলিশ দুই গ্রুপের ১০ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে সাবেক মেম্বার সুলতান জানায়, জোকারচর এলাকার মাসুদ সরকার ও নুরুল ইসলাম মেম্বারের লোকজন আমার এবং আমার ভাইয়ের বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর করে। আমার ঘরের ভিতরে থাকা আলমারি ভেঙে নগদ ১৫ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। আমি সরকারের কাছে এর বিচার চাই।

অপরদিকে মাসুদ সরকার অভিযোগ করে বলেন, বালুর ঘাটে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সুলতান মেম্বারের লোকজন আমাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। আর নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনা একটি সাজানো নাটক।

কালিহাতীর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান,জোকারচর এলাকায় বালুরঘাট দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় দুই গ্রুপের ১০ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০১:০৩:এএম ৪ বছর আগে
অবশেষে জামিন পেলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র মুক্তি - Ekotar Kantho

অবশেষে জামিন পেলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র মুক্তি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় শর্ত সাপেক্ষে টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান মুক্তির অন্তবর্তী কালীন জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রথম অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ তার জামিন মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি মনিরুল ইসলাম।

অতিরিক্ত পিপি মনিরুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক হত্যা মামলার স্বাক্ষ্য গ্রহণের দিন ছিল। ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেয়া চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিউলী রাণী দাসের সাক্ষ্য গ্রহণ ছিল। তবে স্বাক্ষী আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় আসামী পক্ষের আইনজীবীরা সুচিকিৎসার দাবিতে আসামীর জামিন আবেদন করেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি মনিরুল ইসলাম ও বাদি পক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জামিনের বিরোধিতা করেন। পরে বিচারক শর্ত সাপেক্ষে মুক্তিকে অন্তবর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন। জামিন মঞ্জুরের সময় মুক্তি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এই মামলার পরবর্তী তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি।

সহিদুর রহমান খান মুক্তি টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ভাই ও বাবা আতাউর রহমান খান একই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়ার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এ হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে আনিসুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলী নামের দুজনকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। আদালতে দেওয়া ওই দুজনের স্বীকারোক্তিতে হত্যার সঙ্গে তৎকালীন ঘাটাইল আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা, তাঁর তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। মুক্তি অভিযুক্ত হওয়ার পর দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থাকার পর ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর তিনি টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। তাঁর অন্য দুই ভাই ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা এখনো পলাতক রয়েছেন।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ১১:৪২:পিএম ৪ বছর আগে
প্রেমিকার অন্যত্র বি‌য়ে,  ঢাবি শিক্ষার্থী টাঙ্গাইলের প্রিতমের আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

প্রেমিকার অন্যত্র বি‌য়ে, ঢাবি শিক্ষার্থী টাঙ্গাইলের প্রিতমের আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপু‌রে প্রেমিকার অন্যত্র বি‌য়ে হ‌য়ে যাওয়ায় প্রিতম কুমার সিংহ আকাশ (২১) নামে ঢাকা বিশ্ব‌বিদ‌্যাল‌য়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থী আত্মহত‌্যা ক‌রে‌ছেন। রোববার (০৬ ফেব্রুয়া‌রি) দিবাগত রাত ১টার দিকে তিনি বিষপান করেন। পরে ময়মন‌সিংহ মে‌ডি‌কেল ক‌লে‌জ হাসপাতা‌লে নেওয়ার প‌থে তার মৃত্যু।

প্রিতম কুমার সিংহ আকাশ মধুপুর পৌরসভায় সাথী সি‌নেমা হল রো‌ডের পা‌র্শ্বের উত্তম কুমার সিং‌হের ছে‌লে। তিনি ঢাবির চারুকলা বিভা‌গের স্নাতক (সম্মা‌ন) শেষ ব‌র্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গে‌ছে, টাঙ্গাইলের কুমু‌দিনী সরকারি ম‌হিলা ক‌লে‌জের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল প্রিতমের। সম্প্রতি মেয়েটির অ‌ন‌্যত্র বি‌য়ে হ‌য়ে যায়। প্রেমিকা‌কে হারানোর বেদনা ও ক্ষোভে রোববার(৬ ফেব্রয়ারি) রাতে নিজ বাড়িতে ইঁদু‌র মারার বিষপান করে আত্মহত‌্যার চেষ্টা ক‌রেন প্রিতম। এতে তিনি অসুস্থ‌ হ‌য়ে পড়‌লে প্রথ‌মে তাকে মধুপুর উপ‌জেলা স্বাস্থ‌্য কম‌প্লে‌ক্স ভ‌র্তি ক‌রে। প‌রে তার শা‌রীরিক অবস্থার অবন‌তি হ‌লে উন্নত চি‌কিৎসার জন‌্য ময়মন‌সিংহ মে‌ডি‌কেল কলেজ হাসপাতা‌লে নেওয়ার প‌থে তার মৃত‌্যু হয়। প‌রে সোমবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) বি‌কে‌লে টাঙ্গাইলের রানিদিনমনি মহাশ্মশান ঘা‌টে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

মধুপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়া‌র্ডের কাউন্সিলর বাবলু আকন্দ বলেন, প্রেমঘ‌টিত কার‌ণে প্রিতম আত্মহত‌্যা ক‌রে‌ছেন ব‌লে জানতে পে‌রে‌ছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০২:২৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ১ হাজার ৩ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ১ হাজার ৩ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ১ হাজার ৩ পিস ইয়াবাসহ  মোঃ জলিল(৩৫) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।রবিবার( ৬ ফেব্রয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের কালিহাতীর রাজাবাড়ী গ্রাম  থেকে  তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রবিবার বিকেলে র‌্যাব-১২ সিপিসি-৩ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্যটি নিশ্চিত  করেছে।

গ্রেপ্তারকৃত মোঃ জলিল রাজাবাড়ী গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব জানায়,  গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২, সিপিসি-৩, টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন (জি), (পিপিএম), (বিএন) এর নেতৃত্বে  কালিহাতী উপজেলার রাজাবাড়ী গ্রামে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়কের রেলক্রসিং এর উত্তর পাশে অভিয়ান চালিয়ে মোঃ জলিল নামের এক মাদকব্যবসায়ীকে ১ হাজার ৩ পিস ইয়াবা সহ গ্রেপ্তার করা হয়।  সে রাজাবাড়ী গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব আরো জানায়, জব্দকৃত ইয়াবার বাজার মূল্য প্রায়  ৩ লাখ ৯ শত টাকা। গ্রেপ্তারকৃত জলিলের বিরুদ্ধের কালিহাতি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের  করা হয়েছে।

 

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০১:৫০:এএম ৪ বছর আগে
ভূঞাপুরের সংঘর্ষের মামলায় অজ্ঞাত আসামি ৮শ - Ekotar Kantho

ভূঞাপুরের সংঘর্ষের মামলায় অজ্ঞাত আসামি ৮শ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বালুমহাল দখল নিয়ে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছে । শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল ওহাব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ওসি জানান, গত ৩ জানুয়ারি ভূঞাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম বাদি হয়ে ৫৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৮শ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। এদিকে মামলা দায়েরের পর থেকেই এলাকায় গ্রেপ্তার আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এ কারণে অনেক পুরুষ এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে রয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের বাগানবাড়ি এলাকায় বালু মহাল দখল করতে যায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মুহাম্মদ আব্দুল মতিন সরকার ও তার লোকজন। খবর পেয়ে বাধা দেয় বর্তমান নিকরাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বহিস্কৃত ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল হক মাসুদের সমর্থকরা। এসময় পুলিশের উপস্থিতিতেই দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এতে প্রতিপক্ষকে প্রতিহত করতে ৪ রাউন্ড গুলিও করা হয়। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ১০ জন আহত হন।

ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওহাব জানান, সংঘর্ষের সময় গুলি করার কোন ঘটনা ঘটেছে কিনা সেটা তদন্ত হচ্ছে। সংঘর্ষের সময়ের ভিডিও দেখে আসামি শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ঘটনায় বালু ঘাট ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০১:৩০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে তিন ইটভাটায় ১৩ লাখ টাকা জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে তিন ইটভাটায় ১৩ লাখ টাকা জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৫ টি ইট ভাটায় অভিযান চালিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। অভিযানে ৩ টি ইটভাটার মালিককে ১৩ লাখ টাকা জরিমানা এবং ২ টি ইটভাটার বিভিন্ন অবকাঠামো ভেঙ্গে দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় স্থাপিত ইট ভাটায় অভিযান পরিচালনা করে পরিবেশ অধিদপ্তর। অভিযানে নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়জুন্নেছা আক্তার।

অভিযানে উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নে এস কে এস ব্রিকসকে ৩ লাখ, সহবতপুর ইউনিয়নের আমিন ব্রিকসকে ৫ লাখ আর মেসার্স প্যাসিফিক ব্রিকসকে ৫ লাখ টাকাসহ মোট ১৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়াও গয়হাটা ইউনিয়নের মেসার্স তাজ ব্রিকস আর সহবতপুর ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা ব্রিকস ইটভাটার বিভিন্ন অবকাঠামো ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়জুন্নেছা আক্তার বলেন, ইটভাটায় যে মাটি ব্যবহার করা হবে সেটার জন্য জেলা প্রশাসকের অনুমিত নিতে হয়। এছাড়াও ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইনের বিভিন্ন ধারা অনুযায়ী ইটভাটার মালিকদের জরিমানা করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানে প্রসিকিউটির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক বিপ্লব কুমার সূত্রধর। এ সময় জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক তাপস চন্দ্র পালসহ পুলিশ ও নাগরপুর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ১২:৩২:এএম ৪ বছর আগে
মেজর সিনহা হত্যা মামলাঃ ওসি প্রদীপ ও লিয়াকত আলীর মৃত্যুদণ্ড - Ekotar Kantho

মেজর সিনহা হত্যা মামলাঃ ওসি প্রদীপ ও লিয়াকত আলীর মৃত্যুদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক মো. লিয়াকত আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার(৩১ জানুয়ারি) কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল ওই রায় ঘোষণা করেন।

নিহত মেজর(অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান

রায়ে টেকনাফ থানার এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত এবং কনস্টেবল রুবেল শর্মা ও সাগর দেবের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। এ ছাড়া কক্সবাজারের বাহারছড়ার মারিশবুনিয়া গ্রামের মো. নুরুল আমিন, মোহাম্মদ আইয়াজ ও মো. নিজাম উদ্দিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বাকি সাতজন আসামি খালাস পেয়েছেন।

২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ৯টায় কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের বাহারছড়া তদন্তকেন্দ্রের তৎকালীন কর্মকর্তা পরিদর্শক লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন সিনহা মো. রাশেদ খান। তাঁর সঙ্গে থাকা সাহেদুল ইসলামকে (সিফাত) পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এরপর সিনহা যেখানে ছিলেন, সেই নীলিমা রিসোর্টে ঢুকে তাঁর ভিডিও দলের দুই সদস্য শিপ্রা দেবনাথ ও তাহসিন রিফাত নুরকে আটক করে। পরে তাহসিনকে ছেড়ে দিলেও শিপ্রা ও সিফাতকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। এই দুজন পরে জামিনে মুক্তি পান।

ছেলের হত্যার রায় শুনতে সিনহার মা নাসিমা আক্তার কক্সবাজারে আসেন। মামলার বাদী ও সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার ভাই সিনহা হত্যা মামলায় রায় শুনতে সকালে মাকে নিয়ে আমরা উত্তরার বাসা থেকে রওনা হই। এখন আমরা কক্সবাজারে।’

সিনহা হত্যা মামলার ১৫ জন আসামির ছবি

সিনহা হত্যায় মামলা চারটি

সিনহা হত্যার ঘটনায় মোট চারটি মামলা হয়েছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি মামলা করে। এর মধ্যে দুটি মামলা হয় টেকনাফ থানায়, একটি রামু থানায়। তিনটি মামলার দুটি মাদক রাখার অভিযোগে এবং একটি পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে।

এ ঘটনায় হত্যা মামলাটি করেন সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। ওই বছরের ৫ আগস্ট আদালতে করা ওই মামলায় তিনি টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ পুলিশের ৯ সদস্যকে আসামি করেন।

চারটি মামলারই তদন্তের দায়িত্ব পায় র‌্যাব। পরে র‌্যাব এ ঘটনায় প্রদীপ কুমার দাশ, লিয়াকত আলীসহ ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের ১১ জন পুলিশ সদস্য ও ৩ জন গ্রামবাসী। পুলিশের করা তিনটি মামলার তদন্তে উত্থাপিত অভিযোগের কোনো সত্যতা না পাওয়ায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে র‌্যাব। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. খাইরুল ইসলাম বলেন, ওসি প্রদীপ কুমার দাশের পূর্বপরিকল্পনায় আসামিরা মেজর (অব.) সিনহাকে গুলি করে হত্যা করেন।

গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ১৫ জনকে আসামি করে কক্সবাজার আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় র‍্যাব। গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে ১২ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন । তবে ওসি প্রদীপ ও কনস্টেবল রুবেল শর্মা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি। এর আগে আসামিদের তিন দফায় ১২ থেকে ১৫ দিন রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল।

গত বছরের ২৭ জুন প্রদীপসহ ১৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এই মামলার বিচার শুরু হয়।

অভিযোগপত্রে থাকা ৮৩ সাক্ষীর মধ্যে ৬৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। ১২ জানুয়ারি যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. ফেব্রুয়ারী ২০২২ ০৬:৩৬:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চাঞ্চল্যকর নবজাতক শিশু হত্যা মামলায় মা-মেয়ে গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চাঞ্চল্যকর নবজাতক শিশু হত্যা মামলায় মা-মেয়ে গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চাঞ্চল্যকর নবজাতক শিশু হত্যা মামলায় মা-মেয়ে কে গ্রেপ্তার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ।রবিবার(৩০ জানুয়ারি) দিনভর অভিযান চালিয়ে উপজেলার বেকড়া ইউনিয়নের উত্তরপাড়া থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ওই গ্রামের ছনির মোল্লার স্ত্রী হাফিজা (৩৮) ও মেয়ে সোনিয়া (১৮)। তাদের বিরুদ্ধে নাগরপুর থানায় শিশু হত্যা মামলা রুজু করে টাঙ্গাইল বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে নাগরপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) সরকার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান,স্বাস্ব্য কমপ্লেক্সের ড্রেন থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধারের পর সোনিয়াসহ তার পরিবারের লোকজনদের নবজাত শিশুর মৃত্যুর বিষয়ে জানার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মা-মেয়ে ঘটনার সত্যতা শিকার করায় তাদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দিয়ে টাঙ্গাইল জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, উপজেলার বেকড়া ইউনিয়নের বেকড়া উত্তরপাড়া গ্রামের ছনির মোল্লার কুমারী মেয়ে (১৮)। শনিবার রাত সাড়ে দশটায় দিকে পেট ব্যাথা নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়। ভোর রাতে ওই মেয়ে ও তার মা কমপ্লেক্সে টয়লেটে দীর্ঘ সময় অবস্থান করে একটি কন্যা সন্তান জম্ম দেন। এ সময় হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগীরা টয়লেটে শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান। প্রায় দুই ঘন্টা পর মা ও মেয়ে বের হয়ে সিটে আসে। রবিবার সকালে ডাক্তার নিয়মিত রোগী পরিদর্শন শেষে ওই মেয়েকে ছাড়পত্র দেন ডা.কাজল পোদ্দার।

একই দিন সকাল আনুমানিক নয়টার দিকে দুজন পথ শিশু হাসপাতালের ড্রেনে নবজাতক শিশুটি দেখে লোকজন ডাকে। পরে হাসপাতাল কতৃপক্ষসহ আশ পাশের লোকজন জড়ো হয়ে নাগরপুর থানায় খবর দিলে পুলিশ নবজাত শিশুটির লাশ উদ্বার করে।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. জানুয়ারী ২০২২ ১১:৩৩:পিএম ৪ বছর আগে
বিবেকানন্দের অধ্যক্ষের ভয়ে থানায় গেলেন রিমা রায় - Ekotar Kantho

বিবেকানন্দের অধ্যক্ষের ভয়ে থানায় গেলেন রিমা রায়

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের  জেলা সদর রোড়ে অবস্থিত বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে’র বিরুদ্ধে এক নারীকে প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে রিমা রায় (৩১) নামের ওই নারী টাঙ্গাইল সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।রবিবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রিমা রায় শহরের আকুর টাকুরপাড়া ছোট কালিবাড়ী এলাকার স্বপন দাসের মেয়ে।

রিমা রায়ের অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২১ জানুয়ারি বিকেলে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজের রাস্তায় হাঁটতে বের হন রিমা রায়। এ সময় অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে (৪৭) ও টুকু দেসহ (৪০) অজ্ঞাত কয়েকজন তাকে অকথ্য অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। তারা এসিডে চেহারা বিকৃত করে দেওয়ার হুমকিও দেয় রিমা রায়কে। খুন করে ফেলা হবে বলেও হুমকি দেয়।

রিমা রায় অভিযোগে উল্লেখ করেন, বিবাদিরা যে কোন সময় তার ও তার ছেলের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে।

রিমা রায় বলেন, কিছুদিন আগে শহরের ছোট কালিবাড়ি মন্দির কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এসময় অনিয়মের মাধ্যমে মন্দির কমিটি গঠনের পেছনে আনন্দ মোহন দে’র হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।  আমিও বক্তব্য রাখি মানববন্ধনে। আর এটাই কাল হয়ে দাঁড়ায়।

তিনি আরো বলেন, আমি তো কোন অন্যায় আচরণ করিনি। আমি শুধু বলেছিলাম- মন্দির-মসজিদ নিয়ে কেন রাজনীতি হবে। মন্দির-মসজিদ হলো প্রার্থণার জায়গা, শান্তির জায়গা। আর এ কথা বলার জন্যেই আমাকে হুমকি দিয়েছে আনন্দ মোহন দে।

এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে বলেন, আমি শুনেছি মেয়েটি একটি লিখিত অভিযোগ নাকি দিয়েছে। সে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় আমার প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করতো। সে আমার সরাসরি ছাত্রী ছিল। তার অভিযোগগুলো সত্য নয়। সম্পুর্ণ ভিত্তিহীন। আমিও তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

এ ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহেল বলেন, ছোট কালিবাড়ী এলাকার একটি মন্দিরের কমিটি নিয়ে পুরাতন ও নতুন দুই পক্ষের বিরোধ চলছে। আমি এ বিষয়ে ওই এলাকায় গিয়ে খোঁজ খবর নিয়ে এসেছি। তদন্ত চলছে। তবে দুই পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করছে। মূলত মন্দির কমিটি নিয়েই মূল সমস্যা দেখা দিয়েছে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, ৩ দিন আগে ওই নারী বাদি হয়ে একটি লিখিত আবেদন দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. জানুয়ারী ২০২২ ০১:৫৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৮০ লিটার চোলাই মদসহ গ্রেপ্তার ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৮০ লিটার চোলাই মদসহ গ্রেপ্তার ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর শহরের কান্দাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮০ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। শনিবার (২৯ জানুয়ারি) ভোরে ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- টাঙ্গাইল পৌর শহরের পারদিঘুলিয়ার আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. জহিরুল ইসলাম (৪৩) ও সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী ইউনিয়নের বড় বেলতা মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত কুদ্দুসের ছেলে আব্দুল জব্বার (৪০)।

শনিবার দুপুরে র‌্যাব এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিকে জানায়, র‌্যাব-১২ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে একদল র‌্যাব টাঙ্গাইল পৌর শহরের বেবীস্ট্যান্ড সংলগ্ন কান্দাপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়।এসময় অভিযানে ৮০ লিটার চোলাই মদসহ জহিরুল ও জব্বারকে গ্রেফতার করা হয়। এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. জানুয়ারী ২০২২ ১২:৩২:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।