একতার কণ্ঠঃ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক মো. লিয়াকত আলীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার(৩১ জানুয়ারি) কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল ওই রায় ঘোষণা করেন।

নিহত মেজর(অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান
রায়ে টেকনাফ থানার এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত এবং কনস্টেবল রুবেল শর্মা ও সাগর দেবের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। এ ছাড়া কক্সবাজারের বাহারছড়ার মারিশবুনিয়া গ্রামের মো. নুরুল আমিন, মোহাম্মদ আইয়াজ ও মো. নিজাম উদ্দিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বাকি সাতজন আসামি খালাস পেয়েছেন।
২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ৯টায় কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের বাহারছড়া তদন্তকেন্দ্রের তৎকালীন কর্মকর্তা পরিদর্শক লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন সিনহা মো. রাশেদ খান। তাঁর সঙ্গে থাকা সাহেদুল ইসলামকে (সিফাত) পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এরপর সিনহা যেখানে ছিলেন, সেই নীলিমা রিসোর্টে ঢুকে তাঁর ভিডিও দলের দুই সদস্য শিপ্রা দেবনাথ ও তাহসিন রিফাত নুরকে আটক করে। পরে তাহসিনকে ছেড়ে দিলেও শিপ্রা ও সিফাতকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। এই দুজন পরে জামিনে মুক্তি পান।
ছেলের হত্যার রায় শুনতে সিনহার মা নাসিমা আক্তার কক্সবাজারে আসেন। মামলার বাদী ও সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমার ভাই সিনহা হত্যা মামলায় রায় শুনতে সকালে মাকে নিয়ে আমরা উত্তরার বাসা থেকে রওনা হই। এখন আমরা কক্সবাজারে।’

সিনহা হত্যা মামলার ১৫ জন আসামির ছবি
সিনহা হত্যায় মামলা চারটি
সিনহা হত্যার ঘটনায় মোট চারটি মামলা হয়েছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি মামলা করে। এর মধ্যে দুটি মামলা হয় টেকনাফ থানায়, একটি রামু থানায়। তিনটি মামলার দুটি মাদক রাখার অভিযোগে এবং একটি পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে।
এ ঘটনায় হত্যা মামলাটি করেন সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। ওই বছরের ৫ আগস্ট আদালতে করা ওই মামলায় তিনি টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ পুলিশের ৯ সদস্যকে আসামি করেন।
চারটি মামলারই তদন্তের দায়িত্ব পায় র্যাব। পরে র্যাব এ ঘটনায় প্রদীপ কুমার দাশ, লিয়াকত আলীসহ ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের ১১ জন পুলিশ সদস্য ও ৩ জন গ্রামবাসী। পুলিশের করা তিনটি মামলার তদন্তে উত্থাপিত অভিযোগের কোনো সত্যতা না পাওয়ায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে র্যাব। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. খাইরুল ইসলাম বলেন, ওসি প্রদীপ কুমার দাশের পূর্বপরিকল্পনায় আসামিরা মেজর (অব.) সিনহাকে গুলি করে হত্যা করেন।
গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ১৫ জনকে আসামি করে কক্সবাজার আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় র্যাব। গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে ১২ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন । তবে ওসি প্রদীপ ও কনস্টেবল রুবেল শর্মা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেননি। এর আগে আসামিদের তিন দফায় ১২ থেকে ১৫ দিন রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল।
গত বছরের ২৭ জুন প্রদীপসহ ১৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এই মামলার বিচার শুরু হয়।
অভিযোগপত্রে থাকা ৮৩ সাক্ষীর মধ্যে ৬৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। ১২ জানুয়ারি যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে আদালত রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চাঞ্চল্যকর নবজাতক শিশু হত্যা মামলায় মা-মেয়ে কে গ্রেপ্তার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ।রবিবার(৩০ জানুয়ারি) দিনভর অভিযান চালিয়ে উপজেলার বেকড়া ইউনিয়নের উত্তরপাড়া থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, ওই গ্রামের ছনির মোল্লার স্ত্রী হাফিজা (৩৮) ও মেয়ে সোনিয়া (১৮)। তাদের বিরুদ্ধে নাগরপুর থানায় শিশু হত্যা মামলা রুজু করে টাঙ্গাইল বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে নাগরপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) সরকার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান,স্বাস্ব্য কমপ্লেক্সের ড্রেন থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধারের পর সোনিয়াসহ তার পরিবারের লোকজনদের নবজাত শিশুর মৃত্যুর বিষয়ে জানার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মা-মেয়ে ঘটনার সত্যতা শিকার করায় তাদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দিয়ে টাঙ্গাইল জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, উপজেলার বেকড়া ইউনিয়নের বেকড়া উত্তরপাড়া গ্রামের ছনির মোল্লার কুমারী মেয়ে (১৮)। শনিবার রাত সাড়ে দশটায় দিকে পেট ব্যাথা নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়। ভোর রাতে ওই মেয়ে ও তার মা কমপ্লেক্সে টয়লেটে দীর্ঘ সময় অবস্থান করে একটি কন্যা সন্তান জম্ম দেন। এ সময় হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগীরা টয়লেটে শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান। প্রায় দুই ঘন্টা পর মা ও মেয়ে বের হয়ে সিটে আসে। রবিবার সকালে ডাক্তার নিয়মিত রোগী পরিদর্শন শেষে ওই মেয়েকে ছাড়পত্র দেন ডা.কাজল পোদ্দার।
একই দিন সকাল আনুমানিক নয়টার দিকে দুজন পথ শিশু হাসপাতালের ড্রেনে নবজাতক শিশুটি দেখে লোকজন ডাকে। পরে হাসপাতাল কতৃপক্ষসহ আশ পাশের লোকজন জড়ো হয়ে নাগরপুর থানায় খবর দিলে পুলিশ নবজাত শিশুটির লাশ উদ্বার করে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের জেলা সদর রোড়ে অবস্থিত বিবেকানন্দ স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে’র বিরুদ্ধে এক নারীকে প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।এ ঘটনায় নিরাপত্তা চেয়ে রিমা রায় (৩১) নামের ওই নারী টাঙ্গাইল সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।রবিবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রিমা রায় শহরের আকুর টাকুরপাড়া ছোট কালিবাড়ী এলাকার স্বপন দাসের মেয়ে।
রিমা রায়ের অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২১ জানুয়ারি বিকেলে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজের রাস্তায় হাঁটতে বের হন রিমা রায়। এ সময় অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে (৪৭) ও টুকু দেসহ (৪০) অজ্ঞাত কয়েকজন তাকে অকথ্য অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। তারা এসিডে চেহারা বিকৃত করে দেওয়ার হুমকিও দেয় রিমা রায়কে। খুন করে ফেলা হবে বলেও হুমকি দেয়।
রিমা রায় অভিযোগে উল্লেখ করেন, বিবাদিরা যে কোন সময় তার ও তার ছেলের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে।
রিমা রায় বলেন, কিছুদিন আগে শহরের ছোট কালিবাড়ি মন্দির কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এসময় অনিয়মের মাধ্যমে মন্দির কমিটি গঠনের পেছনে আনন্দ মোহন দে’র হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। আমিও বক্তব্য রাখি মানববন্ধনে। আর এটাই কাল হয়ে দাঁড়ায়।
তিনি আরো বলেন, আমি তো কোন অন্যায় আচরণ করিনি। আমি শুধু বলেছিলাম- মন্দির-মসজিদ নিয়ে কেন রাজনীতি হবে। মন্দির-মসজিদ হলো প্রার্থণার জায়গা, শান্তির জায়গা। আর এ কথা বলার জন্যেই আমাকে হুমকি দিয়েছে আনন্দ মোহন দে।
এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে বলেন, আমি শুনেছি মেয়েটি একটি লিখিত অভিযোগ নাকি দিয়েছে। সে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় আমার প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করতো। সে আমার সরাসরি ছাত্রী ছিল। তার অভিযোগগুলো সত্য নয়। সম্পুর্ণ ভিত্তিহীন। আমিও তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
এ ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহেল বলেন, ছোট কালিবাড়ী এলাকার একটি মন্দিরের কমিটি নিয়ে পুরাতন ও নতুন দুই পক্ষের বিরোধ চলছে। আমি এ বিষয়ে ওই এলাকায় গিয়ে খোঁজ খবর নিয়ে এসেছি। তদন্ত চলছে। তবে দুই পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করছে। মূলত মন্দির কমিটি নিয়েই মূল সমস্যা দেখা দিয়েছে।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, ৩ দিন আগে ওই নারী বাদি হয়ে একটি লিখিত আবেদন দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর শহরের কান্দাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮০ লিটার দেশীয় চোলাই মদসহ দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। শনিবার (২৯ জানুয়ারি) ভোরে ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- টাঙ্গাইল পৌর শহরের পারদিঘুলিয়ার আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. জহিরুল ইসলাম (৪৩) ও সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী ইউনিয়নের বড় বেলতা মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত কুদ্দুসের ছেলে আব্দুল জব্বার (৪০)।
শনিবার দুপুরে র্যাব এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিকে জানায়, র্যাব-১২ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানী কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে একদল র্যাব টাঙ্গাইল পৌর শহরের বেবীস্ট্যান্ড সংলগ্ন কান্দাপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়।এসময় অভিযানে ৮০ লিটার চোলাই মদসহ জহিরুল ও জব্বারকে গ্রেফতার করা হয়। এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানায় তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে দুই ইটভাটার মালিককে তিন লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার বহেড়াতৈল ও কাকড়াজান ইউনিয়নের পলাশতলী এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট , উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয়া সুলতানা ওই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় পলাশতলী এলাকার মেসার্স মিতালী ব্রিক্সকে ২ লাখ এবং বহেড়াতৈলের পূবালী ইটভাটার মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সুলতানা জানান, কৃষি জমির মাটি দিয়ে এবং কাঠ পুড়ে ইট তৈরির অভিযোগে ওই দুই ইটভাটার মালিককে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এ সময় টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিপ্লব চন্দ্র সূত্রধরসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনকারীদের অর্থের জোগান দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন সখীপুরের হাবিবুর রহমান খান (২৬)। হাবিবুর সখীপুর উপজেলার দারিপাকা গ্রামের মতিয়ার রহমান খানের ছেলে।
সোমবার (২৪ জানুয়ারি) ও মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে হাবিবুর রহমান খানসহ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল। পরে মঙ্গলবার(২৫ জানুযারি) বিকালে তাদের সিলেটে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এ সময় একই অভিযোগে গ্রেফতা হওয়া সাবেক শিক্ষার্থীরা হলেন- বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানাধীন লক্ষ্মীকোলা গ্রামের মঈন উদ্দিনের ছেলে রেজা নুর মঈন (৩১), খুলনা জেলার সোনাডাঙ্গার মিজানুর রহমানের ছেলে এ এফ এম নাজমুল সাকিব (৩২), ঢাকা মিরপুরের মাজার রোডের এ কে এম মোশাররফের ছেলে এ কে এম মারুফ হোসেন (২৭) ও কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানাধীন নিয়ামতপুর গ্রামের সাদিকুল ইসলামের ছেলে ফয়সল আহমেদ (২৭)।
এদের মধ্যে সাবেক শিক্ষার্থী নাজমুস সাকিব করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। বুধবার (২৬ জানুয়ারি) বিকালে তাকে সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ছাড়া বাকি চার সাবেক শিক্ষার্থীকে সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
এ আন্দোলনে অর্থ সহায়তা দেওয়ার অভিযোগে আটক সাবেক পাঁচ শিক্ষার্থীসহ অজ্ঞাত ১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন জালালাবাদ থানায় সিলেট জেলা তাঁতী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজাত লায়েক আহমদ।
সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার আশরাফ উল্যাহ তাহের জানান, শাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের টাকা যোগান দেওয়ার অভিযোগে সিআইডির একটি টিম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের আটক করেছে বলে শুনেছি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য আটকদের সিলেটে নিয়ে আসছে সিআইডির একটি দল। এর বাইরে এখনই কোনও মন্তব্য করতে পারছি না।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মাস্ক না পরার অপরাধে ৮ জনকে অর্থদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে শহরের নিরালা মোড়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ওই ৮ জনকে মাস্ক না পরার অপরাধে ২ হাজার ১০০ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রানুয়ারা খাতুন।
এসময় ৫ শতাধিক পথচারীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করা হয়।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রানুয়ারা খাতুন বলেন, সরকার ঘোষিত করোনা ভাইরাসে মাস্ক ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন। সকলকে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরন করতে হবে। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
জানা যায়, দেশে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বাস্থ্যবিধি মানতে নির্দেশনা দেয় সরকার। স্বাস্ব্য বিধি না মেনে চললে মাস্ক বিহিন চলাচল করলে ভ্র্যম্যমান আদালত পরিচালনা নির্দেশ প্রদান করেছে সরকার।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর এলাকার সন্তোষ বাগবাড়ির একটি পুকুর থেকে শামসুল হক খান(৫৭) নামের এক আসবাবপত্র ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ।সোমবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন।
নিহত শামছুল হক ওই এলাকার মৃত রশিদ খানের ছেলে।
নিহতের বড় ভাই হাবিবুর রহমান খান বলেন, আমার ভাইয়ের কাছ থেকে এক ব্যক্তি দুই লাখ টাকা ধার নিয়েছিলো। ওই পাওনা টাকা দাবি করলে তাকে বিভিন্ন সময় হুমকি দিতো। আমরা ধারণা করছি ওই ব্যক্তিই আমার ভাইকে হত্যা করেছে।
নিহতের মেয়ে শিউলি বেগম বলেন, সন্তোষ ঘোষবাড়ী এলাকার নুরুল ইসলাম নামে এক কাঠমিস্ত্রি আমার বাবার কাছ থেকে টাকা ধার নিয়েছিলো। সে এমন ঘটনা ঘটাতে পারে।
টাঙ্গাইল পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর খালেদা আক্তার স্বপ্না বলেন, পুকুর পাড়ে রক্ত পরে রয়েছে। এটি হত্যাকাণ্ড। তদন্ত সাপেক্ষে আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, মরদেহ মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশটি ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠনো হয়েছে ।তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সন্দেহজনক নূরুল নামে একজনকে আটক করা হয়েছে
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আশেকপুর বাইপাসে সোমবার(২৪ জানুয়ারি) ভোরে অভিযান চালিয়ে ১৮৪ বোতল নিষিদ্ধ ভারতীয় ফেন্সিডিলসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। এ সময় ফেন্সিডিল বহনকারী একটি ট্রাকও জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার বাহির মাদী গ্রামের হেরেশ মন্ডলের ছেলে আপিনু রহমান(২৫) ও একই গ্রামের হারান মন্ডলের ছেলে মিঠুন মন্ডল(১৯)।
সোমবার(২৪ জানুয়ারি) দুপুরে র্যাব এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, র্যাব-১২, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সিনিয়র এএসপি আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে আশেকপুর বাইপাসে জয় গোপাল মিষ্টান্ন ভান্ডারের পাশে অভিযান চালিয়ে ব্যক্তিদ্বয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছে ১৮৪ বোতল ফেন্সিডিল, নগদ তিন হাজার টাকা ও তিনটি সিমকার্ড এবং ফেন্সিডিল বহনকারী ট্রাক জব্দ করা হয়। জব্দকৃত ফেন্সিডিলের দাম প্রায় ১ লাখ ৮৪ হাজার টাকা।
র্যাব আরো জানায়,তারা দীর্ঘদিন যাবত মাদক কারবারের সাথে জড়িত। গ্রেপ্তারকৃতদের নামে টাঙ্গাইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গোপালপুরে মারধর করে হ্যান্ডকাপসহ পুলিশের কাছ থেকে আসামী ছিনতাই করা হয়। হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন, থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সালাউদ্দিন ও শফিকুল এবং পুলিশ সদস্য মাখন সূত্রধর। শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের ভুটিয়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে হ্যান্ডকাপসহ আসামীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী রিপন (৩৮) চিলাবাড়ি গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে এবং মিজানুর রহমান (৪০) ভুটিয়া গ্রামের মৃত ইনতাজ আলীর ছেলে। শনিবার (২২ জানুয়ারি) দুইজনকে টাঙ্গাইলে কোর্টে প্রেরণ করেছে থানা পুলিশ।
জানা যায়, আসামী রিপনের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও অপহরণ মামলায় ওয়ারেন্ট ছিল। পরে গোপালপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সালাউদ্দিন ও শফিকুল ও পুলিশ সদস্য মাখন আসামী ধরতে শুক্রবার রাতে ধোপাকান্দি ইউনিয়নের ভুটিয়া এলাকায় যান। এসময় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী রিপনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় ধোপাকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকার মনোনীত প্রার্থী সিরাজুল ইসলামের ভাই মিজানুর রহমান তার লোকজন নিয়ে পুলিশের উপর হামলা চালায়। এসময় পুলিশদের মারধর করে হ্যান্ডকাপসহ আসামী ছিনিয়ে নেয় তারা।
পরে পুলিশ আহত হওয়ার ঘটনায় ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পুনরায় হ্যান্ডকাপসহ আসামী রিপনকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় হামলায় নেতৃত্ব দেয়া মিজানুরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এদিকে হামলায় আহত ৩ পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
গোপালপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মোশারফ হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পুলিশ আসামীকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসার সময় মিজানুর ও তার লোকজন পুলিশের উপর হামলা চালায়। এসময় হামলায় ৩ পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে হ্যান্ডকাপসহ আসামী রিপন ও মিজানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মিজান ধোপাকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী সিরাজুল ইসলামের ভাই। সে মাদকসেবী হিসেবে এলাকায় পরিচিত।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ৪ কেজি গাঁজা সহ মো. জহুরুল ইসলাম (৪০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ। শুক্রবার(২১ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নের পালপাড়া নিজ বাড়ী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত জহুরুল ওই ইউনিয়নের মো. জব্বার মিয়ার ছেলে। এ বিষয়ে নাগরপুর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাগরপুর থানা পুলিশ উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নের পালপাড়াস্থ জহুরুলের বাড়ীতে অভিযান চালায়। তার বসত ঘর তল্লাশি করে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় জহুরুল পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে আটক করে।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ( ওসি) সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গয়হাটা ইউনিয়নের পালপাড়া থেকে ৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী জহুরুল নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নাগরপুর থানায় তার বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, শনিবার(২২ জানুয়ারি) সকালে গ্রেপ্তারকৃত জহিরুলকে টাঙ্গাইল কোর্টে প্রেরন করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ফেনসিডিল পাচারের দায়ে দুই মাদক কারবারিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১৭ জনিুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মাসুদ পারভেজ এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হচ্ছেন- পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মদ সিকদারের ছেলে মো. দুলাল (৪০) ও একই উপজেলার দুমকি সাতানি গ্রামের মান্নান হাওলাদারের ছেলে রিপন (২৬)।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান জানান, ২০১৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল টাঙ্গাইল শহর বাইপাস সড়কের কান্দিলা এলাকায় উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকাগামী একটি মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালায়।
এসময় ওই মাইক্রোবাসের আরোহী দণ্ডপ্রাপ্ত দুইজনের কাছ থেকে ৬০০ বোতল নিষিদ্ধ ফেনসিডিল উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক শাহীনুল কবির বাদী হয়ে ওই দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।পরে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। মামলায় নয়জন সাক্ষীর মধ্যে ছয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. দুলাল জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। রায় ঘোষণার পর অপর আসামি রিপনকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।