একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে দুই ইটভাটার মালিককে তিন লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার বহেড়াতৈল ও কাকড়াজান ইউনিয়নের পলাশতলী এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট , উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয়া সুলতানা ওই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। এ সময় পলাশতলী এলাকার মেসার্স মিতালী ব্রিক্সকে ২ লাখ এবং বহেড়াতৈলের পূবালী ইটভাটার মালিককে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জাকিয়া সুলতানা জানান, কৃষি জমির মাটি দিয়ে এবং কাঠ পুড়ে ইট তৈরির অভিযোগে ওই দুই ইটভাটার মালিককে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এ সময় টাঙ্গাইল পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিপ্লব চন্দ্র সূত্রধরসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ আহমেদের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনকারীদের অর্থের জোগান দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন সখীপুরের হাবিবুর রহমান খান (২৬)। হাবিবুর সখীপুর উপজেলার দারিপাকা গ্রামের মতিয়ার রহমান খানের ছেলে।
সোমবার (২৪ জানুয়ারি) ও মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে হাবিবুর রহমান খানসহ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল। পরে মঙ্গলবার(২৫ জানুযারি) বিকালে তাদের সিলেটে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
এ সময় একই অভিযোগে গ্রেফতা হওয়া সাবেক শিক্ষার্থীরা হলেন- বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানাধীন লক্ষ্মীকোলা গ্রামের মঈন উদ্দিনের ছেলে রেজা নুর মঈন (৩১), খুলনা জেলার সোনাডাঙ্গার মিজানুর রহমানের ছেলে এ এফ এম নাজমুল সাকিব (৩২), ঢাকা মিরপুরের মাজার রোডের এ কে এম মোশাররফের ছেলে এ কে এম মারুফ হোসেন (২৭) ও কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানাধীন নিয়ামতপুর গ্রামের সাদিকুল ইসলামের ছেলে ফয়সল আহমেদ (২৭)।
এদের মধ্যে সাবেক শিক্ষার্থী নাজমুস সাকিব করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। বুধবার (২৬ জানুয়ারি) বিকালে তাকে সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ছাড়া বাকি চার সাবেক শিক্ষার্থীকে সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
এ আন্দোলনে অর্থ সহায়তা দেওয়ার অভিযোগে আটক সাবেক পাঁচ শিক্ষার্থীসহ অজ্ঞাত ১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন জালালাবাদ থানায় সিলেট জেলা তাঁতী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুজাত লায়েক আহমদ।
সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার আশরাফ উল্যাহ তাহের জানান, শাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের টাকা যোগান দেওয়ার অভিযোগে সিআইডির একটি টিম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের আটক করেছে বলে শুনেছি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য আটকদের সিলেটে নিয়ে আসছে সিআইডির একটি দল। এর বাইরে এখনই কোনও মন্তব্য করতে পারছি না।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মাস্ক না পরার অপরাধে ৮ জনকে অর্থদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে শহরের নিরালা মোড়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ওই ৮ জনকে মাস্ক না পরার অপরাধে ২ হাজার ১০০ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রানুয়ারা খাতুন।
এসময় ৫ শতাধিক পথচারীদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করা হয়।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রানুয়ারা খাতুন বলেন, সরকার ঘোষিত করোনা ভাইরাসে মাস্ক ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন। সকলকে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরন করতে হবে। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
জানা যায়, দেশে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বাস্থ্যবিধি মানতে নির্দেশনা দেয় সরকার। স্বাস্ব্য বিধি না মেনে চললে মাস্ক বিহিন চলাচল করলে ভ্র্যম্যমান আদালত পরিচালনা নির্দেশ প্রদান করেছে সরকার।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর এলাকার সন্তোষ বাগবাড়ির একটি পুকুর থেকে শামসুল হক খান(৫৭) নামের এক আসবাবপত্র ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ।সোমবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন।
নিহত শামছুল হক ওই এলাকার মৃত রশিদ খানের ছেলে।
নিহতের বড় ভাই হাবিবুর রহমান খান বলেন, আমার ভাইয়ের কাছ থেকে এক ব্যক্তি দুই লাখ টাকা ধার নিয়েছিলো। ওই পাওনা টাকা দাবি করলে তাকে বিভিন্ন সময় হুমকি দিতো। আমরা ধারণা করছি ওই ব্যক্তিই আমার ভাইকে হত্যা করেছে।
নিহতের মেয়ে শিউলি বেগম বলেন, সন্তোষ ঘোষবাড়ী এলাকার নুরুল ইসলাম নামে এক কাঠমিস্ত্রি আমার বাবার কাছ থেকে টাকা ধার নিয়েছিলো। সে এমন ঘটনা ঘটাতে পারে।
টাঙ্গাইল পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর খালেদা আক্তার স্বপ্না বলেন, পুকুর পাড়ে রক্ত পরে রয়েছে। এটি হত্যাকাণ্ড। তদন্ত সাপেক্ষে আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, মরদেহ মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। লাশটি ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠনো হয়েছে ।তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সন্দেহজনক নূরুল নামে একজনকে আটক করা হয়েছে
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আশেকপুর বাইপাসে সোমবার(২৪ জানুয়ারি) ভোরে অভিযান চালিয়ে ১৮৪ বোতল নিষিদ্ধ ভারতীয় ফেন্সিডিলসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। এ সময় ফেন্সিডিল বহনকারী একটি ট্রাকও জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছেন- কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার বাহির মাদী গ্রামের হেরেশ মন্ডলের ছেলে আপিনু রহমান(২৫) ও একই গ্রামের হারান মন্ডলের ছেলে মিঠুন মন্ডল(১৯)।
সোমবার(২৪ জানুয়ারি) দুপুরে র্যাব এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, র্যাব-১২, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সিনিয়র এএসপি আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে আশেকপুর বাইপাসে জয় গোপাল মিষ্টান্ন ভান্ডারের পাশে অভিযান চালিয়ে ব্যক্তিদ্বয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছে ১৮৪ বোতল ফেন্সিডিল, নগদ তিন হাজার টাকা ও তিনটি সিমকার্ড এবং ফেন্সিডিল বহনকারী ট্রাক জব্দ করা হয়। জব্দকৃত ফেন্সিডিলের দাম প্রায় ১ লাখ ৮৪ হাজার টাকা।
র্যাব আরো জানায়,তারা দীর্ঘদিন যাবত মাদক কারবারের সাথে জড়িত। গ্রেপ্তারকৃতদের নামে টাঙ্গাইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গোপালপুরে মারধর করে হ্যান্ডকাপসহ পুলিশের কাছ থেকে আসামী ছিনতাই করা হয়। হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন, থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সালাউদ্দিন ও শফিকুল এবং পুলিশ সদস্য মাখন সূত্রধর। শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের ভুটিয়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে হ্যান্ডকাপসহ আসামীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী রিপন (৩৮) চিলাবাড়ি গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে এবং মিজানুর রহমান (৪০) ভুটিয়া গ্রামের মৃত ইনতাজ আলীর ছেলে। শনিবার (২২ জানুয়ারি) দুইজনকে টাঙ্গাইলে কোর্টে প্রেরণ করেছে থানা পুলিশ।
জানা যায়, আসামী রিপনের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও অপহরণ মামলায় ওয়ারেন্ট ছিল। পরে গোপালপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সালাউদ্দিন ও শফিকুল ও পুলিশ সদস্য মাখন আসামী ধরতে শুক্রবার রাতে ধোপাকান্দি ইউনিয়নের ভুটিয়া এলাকায় যান। এসময় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী রিপনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় ধোপাকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকার মনোনীত প্রার্থী সিরাজুল ইসলামের ভাই মিজানুর রহমান তার লোকজন নিয়ে পুলিশের উপর হামলা চালায়। এসময় পুলিশদের মারধর করে হ্যান্ডকাপসহ আসামী ছিনিয়ে নেয় তারা।
পরে পুলিশ আহত হওয়ার ঘটনায় ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পুনরায় হ্যান্ডকাপসহ আসামী রিপনকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় হামলায় নেতৃত্ব দেয়া মিজানুরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এদিকে হামলায় আহত ৩ পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
গোপালপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মোশারফ হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পুলিশ আসামীকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসার সময় মিজানুর ও তার লোকজন পুলিশের উপর হামলা চালায়। এসময় হামলায় ৩ পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে হ্যান্ডকাপসহ আসামী রিপন ও মিজানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মিজান ধোপাকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী সিরাজুল ইসলামের ভাই। সে মাদকসেবী হিসেবে এলাকায় পরিচিত।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ৪ কেজি গাঁজা সহ মো. জহুরুল ইসলাম (৪০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ। শুক্রবার(২১ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নের পালপাড়া নিজ বাড়ী থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত জহুরুল ওই ইউনিয়নের মো. জব্বার মিয়ার ছেলে। এ বিষয়ে নাগরপুর থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাগরপুর থানা পুলিশ উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নের পালপাড়াস্থ জহুরুলের বাড়ীতে অভিযান চালায়। তার বসত ঘর তল্লাশি করে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় জহুরুল পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে আটক করে।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ( ওসি) সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, গয়হাটা ইউনিয়নের পালপাড়া থেকে ৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী জহুরুল নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নাগরপুর থানায় তার বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, শনিবার(২২ জানুয়ারি) সকালে গ্রেপ্তারকৃত জহিরুলকে টাঙ্গাইল কোর্টে প্রেরন করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ফেনসিডিল পাচারের দায়ে দুই মাদক কারবারিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১৭ জনিুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মাসুদ পারভেজ এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হচ্ছেন- পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের মৃত নুর মোহাম্মদ সিকদারের ছেলে মো. দুলাল (৪০) ও একই উপজেলার দুমকি সাতানি গ্রামের মান্নান হাওলাদারের ছেলে রিপন (২৬)।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান জানান, ২০১৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল টাঙ্গাইল শহর বাইপাস সড়কের কান্দিলা এলাকায় উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকাগামী একটি মাইক্রোবাসে তল্লাশি চালায়।
এসময় ওই মাইক্রোবাসের আরোহী দণ্ডপ্রাপ্ত দুইজনের কাছ থেকে ৬০০ বোতল নিষিদ্ধ ফেনসিডিল উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক শাহীনুল কবির বাদী হয়ে ওই দুইজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।পরে তাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। মামলায় নয়জন সাক্ষীর মধ্যে ছয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. দুলাল জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। রায় ঘোষণার পর অপর আসামি রিপনকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা মামলার রায়ে স্বামীকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার(১৩ জানুয়ারী) বিকেলে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক বেগম খালেদা ইয়াসমিন আসামীর অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষনা করেন। শাহাদাৎ হোসেন জামিনে মুক্তি পেয়ে আত্মগোপনে চলে গেছেন।
মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আসামী হলেন টাঙ্গাইলের সদর উপজেলা চৌবাড়িয়া গ্রামের ওমর আলীর ছেলে শাহাদাৎ হোসেন।
টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিশেষ পিপি আলী আহমেদ জানান, ২০০২ সালে দন্ডিত আসামী শাহাদাৎ হোসেনের সাথে সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের আউলটিয়া গ্রামের জাহারা খাতুনের সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের ৩ থেকে ৪ মাস পরে ১০ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করে শাহাদাৎ। জাহারা খাতুনের পরিবার যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় শাহাদাৎ স্ত্রীকে নির্যাতন করেন। পরে ২০০২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর শাহাদাৎ শুশুর বাড়িতে যায়। সেখানে রাতে খাওয়া দাওয়া শেষে স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ির একটি কক্ষে ঘুমাতে যায়। পরের দিন ভোরে বাড়ির লোকজন ঘুম থেকে উঠে তাদের ঘরের দরজা খোলা দেখে সেখানে যায়। কিন্তু ঘরের ভিতরে কাউকে না পেয়ে বাড়ির আশপাশে খোঁজাখুজি শুরু করে। বাড়ির দক্ষিণ পাশে একটি পুকুরে জাহারা খাতুনের লাশ ভেসে থাকতে দেখে। এলাকাবাসী থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। লাশের শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়।
পরে নিহতের ভাই ইউনুস আলী বাদী হয়ে সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলায় চিকিৎসক ও আইওসহ মোট ৯ জন স্বাক্ষী স্বাক্ষ্য প্রদান করেন।
আসামী পক্ষের মামলা পরিচালনা করেন এডভোকেট আইয়ুব আলী। তিনি জানান,এ রায়ের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কৃষক মেছের আলী ও কৃষিবিদ মো. দুলাল মিয়ার বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও পত্রিকায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার(৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মির্জাপুরের সিংজুরী গ্রামের দুলাল মিয়া।
লিখিত বক্তব্যে দুলাল মিয়া বলেন, উপজেলার সিংজুরী গ্রামে আশুতোশ সরকার, গৌড় সরকার, নুরুল ইসলামসহ গ্রামের একাধিক ব্যক্তি একটি সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে তুলেছেন। চক্রটি স্থানীয় মেছের আলীর মতো অসহায় ব্যক্তিদের জায়গা জমি দখল, ধান চুরি, চাঁদাবাজিসহ নানা ধরনের অপকর্ম লিপ্ত রয়েছে। তাদের এই অপকর্ম প্রতিবাদ করায় ওই গ্রামের মেছের আলী ও তার পরিবারকে মসজিদে নামাজ পড়া, সমাজে কোরবানি ও তার মুদি দোকান বন্ধ করাসহ দীর্ঘদিন ধরে এক ঘরে করে রেখেছেন আমাদের পরিবারকে। এ ব্যাপারে মেছের আলী একাধিক মামলা করেছেন। এছাড়া মেছের আলী এসব অপকর্মের প্রতিকার চেয়ে গত ২০ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার মহাপরিচালকের বরারর একটি লিখিত আবেদন করেছে।
তিনি আরো বলেন, আমি একজন মৃত্তিকা বিজ্ঞানী ও কৃষিবিদ। আমি এসব অপকর্মমের প্রতিবাদ করায় আমাকে হুমকি দিচ্ছে। এ চক্রটি বিভিন্ন ধরনের মিথ্যাচার করছে। আমি নিরীহ গ্রামবাসীর পাশে দাঁড়ানোয় তাদের রোষানলের শিকার হয়েছি। মেছের আলীর মামলা এবং লিখিত আবেদনে ভিত হয়ে আশুতোশ সরকার ও তার সহযোগিরা গত ২২ ডিসেম্বর একটি মানববন্ধন করে। মানববন্ধনে আমার এবং মেছের আলী ও শুকুর আলীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্য দেয়া হয়। পরে সেটি বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এ চক্রের হাত থেকে গ্রামকে রক্ষা করার জন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ভুক্তভোগী মেছের আলী, সুকুর আলী, আনোয়ারা বেগম প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ আগামি ৫ জানুয়ারি (বুধবার) ৫ম ধাপে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার চারটি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ইউনিয়নগুলো হচ্ছে, কাউলজানি, ফুলকি, কাঞ্চনপুর ও হাবলা।
ফুলকি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. আ. করিম তালুকদারের বিরুদ্ধে নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন আচরণবিধি ভঙ্গ করে স্থানীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে বিভিন্ন নির্বাচনী জনসভায় ভোট চাচ্ছেন। এমনই অভিযোগ করেছেন ওই ইউনিয়নের অন্যান্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা।
জানা গেছে, বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) দিনব্যাপী ফুলকি ইউনিয়নের জশিহাটী, ময়থা, তিরঞ্চ ও আইসড়া বাজারে নৌকার প্রার্থী মো. আ. করিম তালুকদারের নির্বাচনী জনসভার আয়োজন করা হয়। উক্ত জনসভাগুলোতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের)। তিনি প্রতিটি নির্বাচনী জনসভায় নৌকা প্রার্থীর পক্ষে ভোট চান। এসময় তিনি নৌকা প্রার্থীকে বিজয়ী করলে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের উন্নয়ন করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন। যা নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত আচরণবিধির ২(১৪) ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
এবিষয়ে ফুলকি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম বাবুল (মোটরসাইকেল), শামসুল আলম বিজু (আনারস) বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ফুলকি ইউনিয়নের বুধবার দিনব্যাপী ময়থা নতুন বাজার, আইসড়া, জশিহাটি ও তিরঞ্চ এলাকায় জনসভা করে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নৌকার পক্ষে ভোট চান। যা নির্বাচন আচরণবিধির ২(১৪) ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
তারা আরো জানান, বিষয়টি মৌখিকভাবে বাসাইল উপজেলা নির্বাচন কমিশনারকে অবহিত করা হয়েছে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখিপুর) আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এর মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি কলটি রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন কমিশনার এএইচএম কামরুল ইসলাম জানান, আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার(২৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে নয়টায় উপজেলার এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এসময় তার কাছ খেকে ডাকাতির সরঞ্জামসহ তিনটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। বুধবার(২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত মাসুদ রানা (৪০) উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার বানিয়াবাড়ি এলাকার আবু তাহেরের ছেলে ও এলেঙ্গা পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল আজিজের আপন ভাগ্নে।
কালিহাতী থানার উপ-পরিদর্শক রাজু আহমেদ বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত মাসুদ রানার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি ও মোটরসাকেল ছিনতাইয়ের একাধিক মামলা রয়েছে।