/ হোম / ভূঞাপুর
টাঙ্গাইলে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে তরুণীর অনশণ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বিয়ের দাবিতে পরকীয়া প্রেমিক আল-আমিনের (২৩) বাড়িতে দু’দিন ধরে অনশণ করছে এক তরুণী।

এদিকে তরুণী বাড়িতে আসার বিষয়টি টের পেয়ে প্রেমিক ও তার পরিবারের লোকজন বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়।

রবিবার (২ এপ্রিল) বিকেল থেকে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের বাগবাড়ি গ্রামে ওই তরুণীকে অনশণ করতে দেখা গেছে।

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রেমিকাকে একাধিকবার ধর্ষণের পর সম্পর্কের কথা অস্বীকার করছেন প্রেমিক। এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানায় অভিযোগ দিতে গেলে পুলিশ অভিযোগ না নিলে কোর্টের শরণাপন্ন হন বলে জানায় ওই তরুণী।

অভিযুক্ত প্রেমিক আল-আমিন গোবিন্দাসী ইউনিয়নের বাগবাড়ি গ্রামের মো. বাদশার ছেলে।

অনশনরত প্রেমিকা জানায়, প্রায় তিন বছর আগে বাগবাড়ি গ্রামের জহির তালুকদারের ছেলে মো. বেলালের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের দু’বছরের মাথায় শ্বশুরবাড়ি আসা যাওয়ার পথে আল-আমিনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তার প্রেমের ফাঁদে ফেলে। আল-আমিন একদিন আমাকে বাড়িতে থেকে নিয়ে জামালপুরে সে যেখানে চাকরি করে সেখানে ৩/৪ দিন রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এরপর বাড়িতে এসে বিয়ে করবে বলে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে নামিয়ে রেখে চলে যায়। তারপর থেকে সে আমার ফোন ধরছে না। বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে আল-আমিন ফোনে হত্যার হুমকি দিয়ে যোগাযোগ একেবারে বন্ধ করে দেয়।

তিনি আরও বলেন, আল-আমিনের সঙ্গে আমার সম্পর্কের কথা জানার পর স্বামীর সঙ্গে আমার ডিভোর্স হয়ে যায়। পরে বাধ্য হয়েই বিয়ের দাবিতে আল-আমিনের বাড়িতে আসি। এই দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাবো। দাবি মেনে না নিলে প্রেমিকের বাড়িতেই ফাঁসি দিয়ে মারা যাবেন বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, বিয়ের দাবিতে একটি তরুণী অনশন করছে শুনেছি। এটা তার একান্তই ব্যক্তিগত ব্যাপার। এ বিষয়ে আমাদের কাছে কোন অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. এপ্রিল ২০২৩ ০২:৩৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাসি ইফতার ও মেয়াদ উত্তীর্ণ খাদ্য বিক্রির অভিযোগে অর্থদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাসি ইফতার ও মেয়াদ উত্তীর্ণ খাদ্য বিক্রির অভিযোগে অর্থদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মেয়াদ উত্তীর্ণ খাদ্য ও বাসী ইফতার সামগ্রী সংরক্ষণ করে বিক্রি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান-খাবার হোটল গুলোতে মূল্য তালিকা না থাকার অপরাধে ৪ হোটেল মালিক এবং ব্যবসায়ীকে ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়।

রবিবার (২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১ টা থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব এলাকার পাথাইলকান্দি বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিপ্তর টাঙ্গাইলের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সিকদার শাহীনুর আলমের নেতৃত্বে তদারকিমূলক এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জরিমানাপ্রাপ্ত হোটেল ও দোকানগুলো হচ্ছে-
মেসার্স বিসমিল্লাহ হোটেলকে ৫ হাজার টাকা, মেসার্স মৌচাক মিষ্টিঘরকে ২ হাজার। মূল্য তালিকা না থাকায় মেসার্স ভাই ভাই ব্রয়লারকে ৩ হাজার ও মেসার্স রুবেল পোল্ট্রি হাউজকে ৩ হাজার টাকা প্রশাসনিক ব্যবস্থায় জরিমানা ধার্য ও তাৎক্ষণিকভাবে আদায় করা হয়।

এ ব্যাপারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিপ্তরের টাঙ্গাইলের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সিকদার শাহীনুর আলম জানান, রমজান মাস উপলক্ষে হাট-বাজারগুলো নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ভূঞাপুর উপজেলার পাথাইলকান্দি বাজারেও তদারকির অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ফ্রীজে রেখে বাসি ইফতার, মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য বিক্রি করা ও মূল্য তালিকা প্রদর্শন না থাকার অপরাধে ৪ হোটেল ও ব্যবসায়ীকে ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, অভিযানে সকলকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন- ২০০৯ অনুসারে ভোক্তা অধিকার বিরোধী কার্যাকলাপ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়। এছাড়া ব্যবসায়ীদের ক্রয়-বিক্রয়ের রশিদ সংরক্ষণ, মূল্য তালিকা প্রদর্শন করতে জনসচেতনতার বৃদ্ধির লক্ষে হ্যান্ড মাইকে প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। ভোক্তা অধিকারের এ ধরণের তদারকি অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. এপ্রিল ২০২৩ ০২:৩৮:এএম ৩ বছর আগে
যমুনায় গোসলে নেমে দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু - Ekotar Kantho

যমুনায় গোসলে নেমে দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে গোসল করতে নেমে দুই স্কুলছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের খানুরবাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোবিন্দাসী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. দুলাল হোসেন চকদার।

নিহত স্কুলছাত্ররা হলো-উপ‌জেলার কষ্টাপাড়া গ্রা‌মের সুভাষ পা‌লের ছে‌লে সুজয় পাল (১৬) ও র‌ঞ্জিত পা‌লের ছে‌লে লিখন পাল (১২)।

সুজয় গো‌বিন্দাসী উচ্চ বিদ‌্যাল‌য়ের ১০ শ্রেণি ও লিখন ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন। তারা সম্পর্কে চাচাতো ভাই।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, সুজয় ও লিখনসহ ৬ থেকে ৭ জন বন্ধু মিলে বেলা ১২টার দিকে বাড়ির পাশে যমুনা নদীতে গোসল করতে যায়। নদীতে নেমে তারা পানিতে ডুব খেলা করছিল। এক পর্যায়ে বড় ভাই সুজয় নদীর গভীরে গিয়ে পানিতে ডুবতে শুরু করে। এ সময় সুজয়ের চাচাতো ভাই লিখন তাকে উদ্ধার করতে গে‌লে সেও পা‌নি‌তে ডুবে যায়। তখন বাকী বন্ধুদের ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা আহতাবস্থায় দুই চাচাতো ভাই‌কে নদী থে‌কে উদ্ধার ক‌রে উপ‌জেলা স্বাস্থ‌্য কম‌প্লে‌ক্সে নি‌য়ে আসলে সেখানে কর্তব্যরত চি‌কিৎসক তা‌দের মৃত ঘোষণা ক‌রেন।

এ বিষয়ে উপ‌জেলা স্বাস্থ‌্য কম‌প্লে‌ক্সের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. সুমাইয়া জান্নাত জানান,, দুইজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তাদের মৃত‌্যু হ‌য়।

এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ভূঞাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পুলিশ পাঠানো হয়। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরো জানান,মরদেহের সুরতহাল শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. মার্চ ২০২৩ ১১:৩৩:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শ্রেণিকক্ষ ঘুরে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিলেন ইউএনও - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শ্রেণিকক্ষ ঘুরে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিলেন ইউএনও

একতার কণ্ঠঃ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মানোন্নয়নের লক্ষে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম দেখতে বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. বেলাল হোসেন।

মঙ্গলবার (২১ মার্চ) দিনব্যাপি উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে বের হন তিনি। পরিদর্শনের শুরুতে সকাল সাড়ে ১১ টায় উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের নিকলা দড়িপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন।

এসময় বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষ, বঙ্গবন্ধু কর্ণার, শেখ রাসেল কর্ণার, লাইব্রেরী, শিক্ষা উপকরণ ও বিদ্যালয় আঙিনায় ফুলের বাগান পরিদর্শন ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। তারপর পাশের নিকলা উচ্চ বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ পরিদর্শনের এক পর্যায়ে নবম ও দশম শ্রেণির শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেন। সেখানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় শেষে উচ্চতর গণিত বিষয়ের ত্রিকোনমিতির উপর ক্লাস নেন ইউএনও বেলাল হোসেন।

এসময় ইউএনওকে দেখে শিক্ষার্থীরা আনন্দে মেতে উঠে এবং ইউএনওর বক্তব্য ছাত্র-ছাত্রীরা শুনেন।

শিক্ষার্থী জ্যোতি, সাইমা, রায়হান ও হাসান আলী জানান, স্কুলের স্যার আমাদের গণিত ক্লাস নিচ্ছিলেন। এসময় হঠাৎ করেই ইউএনও স্যার ক্লাসে প্রবেশ করেন। পরে স্যার আমাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় শেষে উচ্চতর গণিত বিষয়ের ত্রিকোনমিতির বিষয়ের উপর ক্লাস নেন। স্যার সুন্দরভাবে ক্লাস নিয়েছেন। আমরা অনেক কিছু শিখতে পেরেছি।

এরপর দুপুরে ইউএনও বেলাল হোসেন উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের মাটিকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গোবিন্দাসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। সেখানেও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং শিক্ষা ও পড়াশোনা মান-উন্নয়নে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

এর আগে মাটিকাটা স্কুলের পাশে গড়ে ওঠা দোকানপাটে যাতে বখাটে যুবকরা আড্ডা না দিতে পারে সে ব্যাপারেও দোকানীদের কঠোর নির্দেশ দেন তিনি।

এসময় বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার এম.জি মাহমুদ ইজদানী, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মাহবুবুর রহমান ও রেজাউল ইসলাম, ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, অর্থ সম্পাদক কামাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক ফরমান শেখ প্রমূখ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বেলাল হোসেন জানান, সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণের লক্ষে জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার স্যারের নির্দেশনায় সকলকে নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ নিয়মিত পরিদর্শন করে যাচ্ছি।

তিনি আরো জানান, পরিদর্শনকালে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষাদান কার্যক্রম, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্ণারসহ বিভিন্ন উদ্ভাবনী উদ্যোগ আমাকে মুগ্ধ করেছে। ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক ও অভিভাবকসহ সকলকে অনুপ্রাণিত করার মাধ্যমে উপজেলার শিক্ষাক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসার লক্ষ্যে আমরা নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. মার্চ ২০২৩ ০৩:২৩:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ১০ লাখ টাকা ছিনতাই নাটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ১০ লাখ টাকা ছিনতাই নাটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ১০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের নাটক সাজায় জনতা ব্যাংকের গ্রাহক আব্দুল মালেক।

অভিযোগ রয়েছে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলণ করে সিঁড়ি দিয়ে নিচতলায় নামার সময় ১০ লাখ টাকা ছিনতাই হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

রবিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে ভূঞাপুর জনতা ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা উত্তোলণ করে টাকা ছিনতাই হয়েছে বলে দাবি করে পুলিশে অভিযোগ দেন ঘাটাইল উপজেলার মনোহারা গ্রামের মৃত ইনছান আলীর ছেলে আব্দুল মালেক।

তার অভিযোগের পর পুলিশ ছিনতাই হওয়া টাকা উদ্ধারে অভিযান চালায়। তবে টাকার মালিক আব্দুল মালেকের কথাবার্তায় অসংগতি ও ছিনতাইস্থল ভূঞাপুর মৌরিন সুপার মাকের্টে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে পুলিশ এর কোন সত্যতা পায়নি। পরে পুলিশ মালেককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ঘটনাটি সাজানো বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করে।

পুলিশ মালেকের দেয়া তথ্যমতে ওইদিন রাতে ভূঞাপুর পৌরসভার ঘাটান্দির গনেশ মোড় এলাকায় তার মেয়ে রানীর ভাড়াবাসা থেকে টাকাগুলো উদ্ধার করে। এরপর সোমবার (২০ মার্চ) দুপুরে উদ্ধার হওয়া ১০ লাখ টাকা গ্রাহক আব্দুল মালেকের হিসাব নম্বরে জমা করা হয়।

জনতা ব্যাংকের ম্যানেজার লুৎফর রহমান জানান, ব্যাংকের সিড়ির নিচ থেকে টাকা ছিনতাই ছিল সাজানো নাটক। ওই গ্রাহক তার প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য এমন ঘটনার জন্ম দিয়েছেন। এতে ব্যাংকের সুনাম ক্ষুন্ন করেছেন তিনি।

ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ঘাটাইল উপজেলার আথাইলশিমুল এলাকার শাহআলম নামের একজনকে ফাঁসাতে জনতা ব্যাংকের গ্রাহক আব্দুল মালেক ১০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের নাটক করেছিলেন। তবে বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে ছিনতাই হওয়ার ঘটনাটি সত্য প্রমাণিত না হওয়ায় টাকার মালিক আব্দুল মালেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে মালেক ছিনতাইয়ের ঘটনাটি সাজানো নাটক বলে স্বীকার করেন। পরে মালেকের দেয়া তথ্যেমতে তারই মেয়ে রানীর ভাড়াবাসা থেকে টাকাগুলো উদ্ধার করে জনতা ব্যাংক ভূঞাপুর শাখায় জমা করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, মিথ্যাতথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. মার্চ ২০২৩ ০১:০০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হাইব্রিড সূর্যমুখী চাষে আগ্রহ বাড়ছে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হাইব্রিড সূর্যমুখী চাষে আগ্রহ বাড়ছে

একতার কণ্ঠঃ কম খরচে অধিক ফলন হয় সূর্যমুখীর। তেল জাতীয় এ বীজ চাষ ভালো হওয়ায় সূর্যমুখীর হাসিতে হাসছে টাঙ্গাইলের কৃষক এবং গ্রাম-বাংলার ফসলি জমি। ভোর হলেই মিষ্টি সোনা রোদে ঝলমল করে উঠে সূর্যমুখী ফুলগুলো। দেখে মনে হয় সবুজ পাতার আড়াল থেকে মুখ উঁচু করে হাসছে সূর্যমুখী। সূর্যমুখী দেখতে কিছুটা সূর্যের মতো। সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে বলে এ ফুলের নাম সূর্যমুখী ফুল। সূর্যমুখীর বাগানে প্রায় প্রতিদিন চলে প্রজাপতি আর মৌ-মাছির মেলা। নয়ন জুড়ানো এ দৃশ্যে খুশি কৃষক, তেমনি মোহিত করছে ফুলপ্রেমী মানুষকে।

সূর্যমুখী শুধু দেখতেই সুন্দর নয়, এর রয়েছে অনেক গুণাগুণ। বাজারেও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। কৃষি প্রণোদনার আওতায় টাঙ্গাইলে চাষ হয়েছে তেলজাতীয় ফসল এই সূর্যমুখী। আবহাওয়া অনূকুলে থাকায় গতবারের ন্যায় এবারও সূর্যমুখীর ফলন ভালো হয়েছে এ জেলায়। এতে খুশি চাষিরাও। তা ছাড়া বর্তমানে আকাঁশ ছোয়া তেলের দাম বৃদ্ধিতে ভোজ্য তেলের চাহিদাও পূরণ করবে এ হাইব্রিড জাতের সূর্যমুখী। তাই কম খরচে ভালো ফলন হওয়ায় দিন দিন সূর্যমুখী চাষে ব্যাপক আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের।

টাঙ্গাইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ২৩০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আরও ১২ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে সূর্যমুখী। এনিয়ে জেলায় মোট ২৪২ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে। ১২টি উপজেলার মধ্যে- টাঙ্গাইল সদরে ৪৫, বাসাইলে ৩৫, কালিহাতী ২০, ঘাটাইলে ১৫, নাগরপুরে ১৫, মির্জাপুরে ১৫, মধুপুরে ২০, ভূঞাপুরে ২০, গোপালপুরে ১২, সখীপুরে ১২, দেলদুয়ারে ১৫ ও ধনবাড়ীতে ১৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ করা হয়।

গোপালপুর পৌরসভার ভূয়ারপাড়া এলাকার বয়োবৃদ্ধ নূরুল ইসলাম, তুলা মিয়া, হাসমত আলী, রাশিদা, জমিলা, রত্নাসহ অনেকেই জানান, জবরদখল হওয়া ১০ একর জমি উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসন। সেখানে সূর্যমুখী চাষ করা হয়েছে। আরও দখলে খাকা জমিগুলো স্থানীয় প্রভাবশালীদের জবরদখলে থাকায় উদ্ধার করতে পারেনি।

ভূঞাপুর উপজেলার গাড়াবাড়ি এলাকার চাষি মুশফিকুর রহমান বলেন, উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতায় ১০ শতাংশ জমিতে সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছি। প্রতিদিন বিকেল বেলায় আমার জমিতে ফোটা সূর্যমুখী ফুল দেখার জন্য দূর-দূরান্ত হতে অনেক দর্শনার্থীরা দেখতে আসত। সূর্যমুখী ফুলের সঙ্গে ছবি তুলে সময় কাটান বিনোদনপ্রেমীরা। তা দেখে আমার আনন্দ লাগে। তা ছাড়া আমাকে দেখে এলাকার অনেক কৃষকরা সূর্যমুখী ফুলের চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এ বছর সূর্যমুখী চাষে ভালো সফলতা আসবে এবং অনেক লাভবান হতে পারব বলে আশা করছি।

সূর্যমুখীর মাঠে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও বিনোদনপ্রেমীরা ভিড় করেছেন সূর্যমুখীর মাঠে। সূর্যমুখী ফুলের সঙ্গে কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ভিডিও করছে। স্থানীয় কৃষকরা চাষিদের সঙ্গে কথা বলে সূর্যমুখী চাষের জন্য নানা ধরনের পরামর্শ নিচ্ছেন। এ ছাড়া স্থানীয় কৃষি বিভাগ কৃষকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করছে।

টাঙ্গাইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক আহ্সানুল হক বাশার বলেন, চলতি মৌসুমে জেলার ২৩০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আরও ১২ হেক্টর জমি বেশি হওয়ায় জেলায় মোট ২৪২ হেক্টর জমিতে সূর্যমূখীর চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ১৪ হেক্টর বেশি। প্রণোদনার আওতায় বিনামূল্যে সূর্যমুখীর বীজ ও সার দেওয়া হয়েছিল। গত বছর ৪৩৫ মেট্রিকটন সূর্যমুখীর বীজের ফলন পেলেও এ বছর ২৪২ হেক্টর জমি থেকে ৪৪২ মেট্রিকটন সূর্যমুখীর বীজের ফলন পাব বলে আশা করছি।

তিনি আরও জানান, এ বছর জেলায় সূর্যমুখী বেশিরভাগই চাষ করা হাইব্রিড জাতের এবং বাংলাদেশ গবেষণাগার থেকে বারি-১৪ সূর্যমুখীর উৎপাদন বেশি হয়। আর তেলের পরিমাণও বেশি থাকে। সব দিক বিবেচনা করে তেলের চাহিদা পূরণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ডাক দিয়েছেন যে, আমাদের দেশীয় তেল স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে হবে। সে লক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রীর দিক-নির্দেশনায় আমরা টাঙ্গাইলে কাজ করে যাচ্ছি এবং সরিষার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত তেল জাতীয় সূর্যমুখীর চাষ বৃদ্ধির প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. মার্চ ২০২৩ ০১:১০:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ডাব চুরির ঘটনায় মাকে অপমান; ফাঁসিতে জীবন দিল স্কুলছাত্র - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ডাব চুরির ঘটনায় মাকে অপমান; ফাঁসিতে জীবন দিল স্কুলছাত্র

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে গাছের ডাব খাওয়াকে কেন্দ্র করে মারধর ও মাকে অপমান করায় তা সহ্য করতে না পেরে ক্ষোভে-দুঃখে ও অপমানে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে বাথরুমে ফাঁসি দিয়ে আবির (১৪) নামে এক স্কুলছাত্র আত্মহত্যা করেছে।

আবির ভূঞাপুর উপজেলার অজুর্না ইউনিয়নের কুঠিবয়ড়া গ্রামের বাদশা মন্ডলের ছেলে। সে স্থানীয় ঘাটান্দি আলহাজ্ব হায়দার আলী মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্র।

মঙ্গলবার(৭ মার্চ) দুপুর ৩ টার দিকে ভূঞাপুর পৌর এলাকার ঘাটান্দি সোনিয়া হাসপাতালের পাশে একটি ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ভূঞাপুর থানা পুলিশ। সে ঘাটান্দি এলাকায় পরিবারের সাথে ভাড়া বাসায় থাকতো।

স্বজন ও প্রতিবেশীরা জানান, সোমবার রাতে মাকে নিয়ে ঘাটাইল উপজেলার যদুরপাড়া গ্রামের তার নানা সুজ্জত আলীর বাড়িতে যায়। পরে ৮-১০ জন বন্ধু মিলে ডাকনাপটল গ্রামে ওয়াজ মাহফিল শুনতে গিয়ে সিংগুরিয়া গ্রামের ডাঃ ওয়াজেদ’র বাড়ির গাছের ডাব খাওয়ার জন্য যায় এবং আবির গাছে ওঠে।

একপর্যায়ে আশপাশের লোকজন বিষয়টি টের পেলে তাদের ধাওয়া করে ও বন্ধুরা পালিয়ে যায়। সেসময় আবির গাছে থাকা অবস্থায় পালাতে না পারায় স্থানীয়রা তাকে ধরে মারধর ও লাঞ্ছিত করে। এরপর আবিরের মাকে ডেকে নিয়ে তাকে চুরির অপবাদ দিয়ে মাকেও অপমান করে। পরে আবিরকে বাসায় নিয়ে আসে তার মা।

এ ঘটনার পর মঙ্গলবার সকালে আবিরের মা ও তার বড় ভাই নিজ কর্মস্থলে চলে যায়। দুপুরের দিকে তার মা বাড়িতে এসে আবিরকে ডাকতে থাকে এবং বাথরুমের দরজা ধাক্কা দিয়ে দেখতে পায় ভেতর থেকে আটকানো। পরে তার বড় ছেলেকে ফোন করলে সে বন্ধুদের নিয়ে এসে বাথরুমের দরজা ভেঙে আবিরের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়।

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, দুপুরে স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে আবির নামে ওই স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনগত বিষয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. মার্চ ২০২৩ ০২:০৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্র জাহিদ হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্র জাহিদ হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ৬ষ্ঠ শ্রেণির স্কুল ছাত্রকে গলাকেটে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।

রবিবার (৫ মার্চ) সকাল ১১টায় উপজেলার বলরামপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন- বলরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সাইফুল ইসলাম লোটন, প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমান, সদস্য মিনহাজ, শিক্ষার্থী আ. মান্নান ও ফাতেমা, এলাকাবাসীর পক্ষে শাহীন মিয়া ও ইউপি সদস্য বিপ্লব প্রমুখ।

এ সময় বক্তরা সাতদিনের মধ্যে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করে হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবি করেন।এছাড়া শিক্ষার্থীরা ক্লাস কার্যক্রম বর্জন করে হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে।

উল্লেখ্য, গত ১ মার্চ সন্ধ্যার দিকে বাড়তি আয়ের আশায় শারীরিক প্রতিবন্ধী বাবার ব্যাটারি চালিত ভ্যানগাড়ি নিয়ে বের হয় জাহিদ।এর পর আর বাড়ি ফেরেনি সে। এ দিনগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভূঞাপুর-গোপালপুর সড়কের পাশে ঘাটাইল উপজেলার পাঁচটিকড়ী দক্ষিণপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছ থেকে ভূঞাপুর উপজেলার বলরামপুর গ্রামের সুজন তালুকদারের ছেলে জাহিদের (১৪) গলাকাটা মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। তবে ভ্যান গাড়িটি পাওয়া যায়নি। সে ভূঞাপুর উপজেলার বলরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম জানান, আমরা হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে অনেকটা অগ্রসর হয়েছি। আশা করছি, দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হবো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. মার্চ ২০২৩ ০১:২১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বালুবাহী ট্রাকের চাকায় পৃষ্ট হয়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বালুবাহী ট্রাকের চাকায় পৃষ্ট হয়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বালুবাহী ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছে । এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে আরো একজন।

রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ভুয়াপুর-তারাকান্দি আঞ্চলিক সড়কের উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের গুলিপেঁচা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মোটরসাইকেল আরোহীর নাম টিটু খন্দকার (৩৮) সে উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের ভেঙ্গুলা গ্রামের মোস্তফা খন্দকারের ছেলে।

এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন নুরুল ইসলাম (৬০) । সে উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের ঘোড়ামারা গ্রামের মহির উদ্দিনের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রবিবার বিকালে দুইজন আরোহীসহ মোটরসাইকেলটি ভুয়াপুর থেকে গোপালপুরের দিকে যাচ্ছিল। অপরদিকে বালুবাহী ট্রাকটি নলিন বাজার থেকে ভুয়াপুরে যাচ্ছিল।

ভুয়াপুর-তারাকান্দি আঞ্চলিক সড়কের উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের গুলিপেঁচা এলাকায় পৌছালে মোটরসাইকেল ও বালুবাহী ট্রাকটির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী টিটু খন্দকারের মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা গুরুতর আহত মোটরসাইকেলের অপর আরোহী নুরুল ইসলামকে উদ্ধার করে প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে।

হেমনগর পুলিশ ফাঁড়ির তদন্ত কর্মকর্তা মাহফুজুর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বালুবাহী ঘাতক ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক পলাতক রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০২:৪৬:এএম ৩ বছর আগে
ভূঞাপুরে এমপি ও মেয়র সমর্থকদের পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ - Ekotar Kantho

ভূঞাপুরে এমপি ও মেয়র সমর্থকদের পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মঙ্গলবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে এমপি ও মেয়র সমর্থকদের পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে।

এদিকে আওয়ামী লীগের বিবাদমান দুইগ্রুপের পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ কর্মসুচীকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনিরের সমর্থকরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি উপজেলা পরিষদ চত্ত্বর থেকে শুরু হয়ে তারাকান্দি সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

মিছিলে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম বাবু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি সৈয়দ মাসুদুল হক টুটু, গোবিন্দাসী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দুলাল হোসেন চকদার, অর্জুনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুব খান, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য আজহারুল ইসলাম আজহার, নিকরাইল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন সরকার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আরজুুসহ উপজেলা ছাত্রলীগ,আওয়ামী যুবলীগ, কৃষকলীগের নেতৃকর্মীরা।

পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাসুদুল হক মাসুদকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বহিস্কারের দাবী করেন।

অপরদিকে, বেলা ১২টায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র মাসুদুল হক মাসুদের সমর্থকরা পৌরসভা থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে তারাকান্দি সড়ক হয়ে উপজেলা পরিষদ এলাকায় যাওয়ার পথে পুলিশ তাদের বাঁধা দেয়। পরে নেতাকর্মীরা অগ্রনী ব্যাংকের সামনে সংক্ষিপ্ত পথসভা করেন।

এসময় পথসভা ও বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন- আ.লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নিকরাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুল হক মাসুদ, জেলা পরিষদের সদস্য খায়রুল ইসলাম তালুকদার বাবলু, গোবিন্দাসী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম আমিন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল বাছেদ মন্ডল, অলোয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম বাদলসহ স্থানীয় ছাত্রলীগ, আওয়ামী যুবলীগ, কৃষকলীগের নেতৃকর্মীরা।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে ভুঞাপুর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়রের উপর হামলার সঠিক বিচার না হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুশিয়ারি দেন।

এ প্রসঙ্গে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদুল ইসলাম (পিপিএম) জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। দু’পক্ষের বিক্ষোভ মিছিল শেষে তাদেরকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

উল্লেখ্য, সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে ভুঞাপুর-গোপালপুর আসনে আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও ভুঞাপুর পৌরসভার মেয়র মাসুদুল হক মাসুদ গোপালপুরের আলমনগর এলাকায় উপজেলা আওয়ামী লীগকে অবহিত না করে শীতবস্ত্র ও লিফলেট বিতরণ করার অভিযোগে বাঁধা ও হামলা করে স্থানীয় এমপি অনুসারী উপজেলা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগের নেতা-কর্মীরা। পরে মেয়রের গাড়ি বহরের কয়েকটি গাড়ি ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে তারা। এতে সাংবাদিকসহ ১৫জন আহত হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০২:৩৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে এমপি সমর্থকদের হামলায় সাংবাদিকসহ ১২ জন আহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে এমপি সমর্থকদের হামলায় সাংবাদিকসহ ১২ জন আহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে কম্বল বিতরণ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন ভূঞাপুর পৌরসভার মেয়র ও টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের এমপি প্রার্থী মাসুদুল হক মাসুদ। তার গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়।

দুটি প্রাইভেটকার ও ১০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে হামলাকারীরা।এসময় হামলার ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে আহত হন বেশ কয়েকজন সাংবাদিক।

পরে হামলাকারীরা ফাঁকা গুলি ও বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায়।এ হামলার ঘটনায় সাংবাদিকসহ ১২জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

আহত সাংবাদিকরা হলেন, নিউজ পোর্টাল ঢাকা পোস্টের জেলা প্রতিনিধি অভিজিৎ ঘোষ, ডিবিসি টেলিভিশনের ক্যামেরা পারসন আশিকুর রহমান ও ঢাকা প্রকাশের জেলা প্রতিনিধি ফরমান শেখ।

সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার আলমনগর বোর্ড বাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলার শিকার ভূঞাপুর পৌরসভার মেয়রের দাবি, স্থানীয় সংসদ সদস্য এমপি তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনিরের সমর্থকরা এ হামলা চালিয়েছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড দেশবাসীকে জানাতে লিফলেট ও কম্বল বিতরণ করতে যাচ্ছিলাম। এসময় স্থানীয় এমপি ছোট মনিরের নির্দেশে তার ক্যাডার বাহিনী আমাদের উপর হামলা চালায়। হামলায় নেতৃত্ব দেন গোপালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম তালুকদার সুরুজ।

হামলায় আহত সাংবাদিক ফরমান শেখ জানান, ভূঞাপুর পৌরসভার মেয়র মাসুদুল হক মাসুদ গোপালপুরের কম্বল ও সরকারের উন্নয়নমূলক লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠান কভার করছিলাম আমরা কয়েকজন সাংবাদিক। এসময় অতর্কিত হামলা চালানো হয়। ঘটনার ভিডিও ধারণ করায় তিনজন সাংবাদিকদের উপর হামলা চালানো হয়।

গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন বলেন, হামলার ঘটনার খবর শুনে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। দুইপক্ষকে দুই দিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।

টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর- গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির বলেন, ‘বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। উপজেলা আওয়ামী লীগকে না জানিয়ে ভূঞাপুরের মেয়রের এইভাবে কম্বল বিতরণ করা ঠিক হয়নি।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ১১:৩৮:পিএম ৩ বছর আগে
যমুনায় জেলের জালে ৫৫ কেজি ওজনের বাঘাইর, ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি! - Ekotar Kantho

যমুনায় জেলের জালে ৫৫ কেজি ওজনের বাঘাইর, ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি!

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের যমুনা নদীতে এক জেলের জালে ৫৫ কেজি ওজনের একটি বাঘাইর মাছ ধরা পড়েছে। বাঘাইড়টি ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।

শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভূঞাপুর উপজেলার যমুনা নদী অংশ থেকে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি এলাকার সুনীল নামে এক জেলের জালে আটকা পড়ে ওই বাঘাইর মাছটি।

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার গোবিন্দাসী বাজারে বাঘাইর মাছটি তোলা হয়। পরে বাজারে তোলা মাত্রই স্থানীয় উৎসুক জনতা মাছটি এক নজর দেখতে ভিড় জমায়। এসময় মাছটি কেনার জন্য অনেক ক্রেতা দাম কাষাকষি করেন। দুপুরে মধুপুরের সাগর নামে এক ব্যবসায়ী বাঘাইর মাছটি ৭৫ হাজার টাকায় কিনে নেন।

জানা যায়, প্রথমে ওই বাঘাইর মাছটি বাজারে তোলেন সুনীল নামের ওই জেলে। এ সময় ওই মাছটি গোবিন্দাসী বাজারের স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী বাবলু হাওলাদার মাছটি কেনেন। পরে বাবলু হাওলাদার মাছটি ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। এছাড়াও আরও ছোট-বড় বেশ কয়েকটি বাঘাইর মাছও বাজারে তোলা হয়।

স্থানীয় আমিনুল ইসলামসহ অনেকে জানান, এত বড় বাঘাইর মাছ এরআগে কখনো দেখেনি। যমুনা নদীতে সুনীল নামে জেলের জালে ধরা পরেছে মাছটি। সকালে মাছটি গোবিন্দাসী বাজারে তোলা হলে এক নজর দেখতে অসংখ্য লোকজন ভিড় করেন। দাম কষাকষির একপর্যায়ে ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।

জেলে সুনীল জানান, যমুনা নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করি। প্রতিদিনের ন্যায় শুক্রবার রাতে আমরা কয়েকজন জেলে নদীতে জাল ফেলি। পরে রাতের শেষ ভাগে বাঘাইর মাছটি জালে ধরে পড়ে। এত বড় বাঘাইর মাছ এরআগে কখনো জালে ধরে পরেনি। আমি প্রথম জালে এত বড় বাঘাইর মাছ ধরেছি।

এ বিষয়ে বাঘাইর মাছটির ক্রেতা সাগর জানান, গোবিন্দাসী মাছ বাজারে অনেক লোকে ভিড় দেখে এগিয়ে যাই।

বিশাল আকৃতির বাঘাইর। মাছটি দেখে কিনতে ইচ্ছে হল। এসময় অনেকেই মাছটির দাম করছিলেন। বিক্রেতা লাখ টাকা চাইলে পরে একপর্যায়ে ৫৫ কেজি ওজনের বাঘাইরটি আমি ৭৫ হাজার টাকায় কিনে নেই।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০১:৩০:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।