/ হোম / ভূঞাপুর
টাঙ্গাইলে সনাতন ধর্মাবলম্বী ছাত্রীকে নিয়ে পালালেন মাদ্রাসা শিক্ষক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সনাতন ধর্মাবলম্বী ছাত্রীকে নিয়ে পালালেন মাদ্রাসা শিক্ষক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের এক স্কুলছাত্রীকে নানা প্রলোভন ও ফুসলিয়ে নিয়ে পালিয়েছে আবু সামা (৩৫) নামে এক মাদরাসা শিক্ষক।

এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাতে ভূঞাপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে পলাতক শিক্ষক আবু সামার বড় ভাই ও সহযোগী আব্দুর রাজ্জাক ওরফে মোতালেবকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ থানায় নিয়ে এসেছে।

আবু সামা উপজেলার ধুবলিয়া এলাকায় খালেক নুরানী মাদরাসার শিক্ষক এবং উপজেলার ধুবলিয়া গ্রামের মৃত আরজু মিয়ার ছেলে।

জানা গেছে, উপজেলার ধুবলিয়া গ্রামের শিক্ষক আবু সামা ওই গ্রামের খালেক নুরানী মাদরাসায় শিক্ষকতার কারণে ধুবলিয়া বাজারের একটি ওষুধের দোকানের পিছনে গণিত বিষয়ে টিউশনি করতো। এতে সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের ওই ছাত্রী আবু সামারের কাছে গণিতের প্রাইভেট পড়তো।

গত দুই মাস ধরে আবু সামার কাছে প্রাইভেট পড়তো সে। এই সুযোগে আবু সামা প্রথম থেকেই ছাত্রীকে কু-নজরে দেখার পাশাপাশি প্রেম প্রস্তাব দেয়। পরে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে মেয়েটিকে নিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর তাদের আর কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়রা জানান, শিক্ষক আবু সামার পরিবার ও তার ভাই রাজ্জাক জামায়াতের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। কি কারণে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মেয়েটিকে সে প্রলোভন দেখিয়ে তাকে নিয়ে পালিয়েছে গেছে জানা যায়নি। বিষয়টি মিমাংসার জন্য ওই সংখ্যালঘু পরিবারটিকে চাপ দিচ্ছে।

ওই মেয়েটির বাবা জানান, সন্ধ্যার পর থেকে মেয়েকে খুঁজে পাচ্ছি না। শিক্ষক আবু সামার কাছে প্রাইভেট পড়ানোর সুযোগে সে আমার মেয়েকে ফুসলিয়ে ভাগিয়ে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় থানায় বৃহস্পতিবার রাতে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। পুলিশ তার ভাইকে ধরেছে বলে জেনেছি। এখন পর্যন্ত আমার মেয়ের কোন খোঁজ পাচ্ছি না।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযুক্তের বড় ভাই সহযোগী রাজ্জাককে জিজ্ঞাসাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আইগত বিষয় প্রক্রিয়াধীন এবং মেয়েটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:৪৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শিশু ফাতিমাকে হত্যার পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজায় মা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শিশু ফাতিমাকে হত্যার পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজায় মা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ৭ বছরে শিশু ফাতিমাকে হত্যা করেছে মা হাওয়া বেগম। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে মারা যাওয়ার নাটক সাজায় মা হাওয়া। রাগের মাথায় সে ফাতিমার গলা টিপে ধরে মেঝেতে ফেলে দিয়ে বাইরে চলে যায়। পরে ঘরে এসে মৃত্যু হয়েছে ভেবে গলায় গামছা পেঁচিয়ে রেখে আশপাশের লোকজন ডেকে আনে।

স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।

পুলিশ ও আদালতের কাছে এমনটাই স্বীকার করেছে হাওয়া বেগম। হাওয়া বেগমের জবানবন্দি রেকর্ড করেন টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ফারজানা হাসনাত।

এদিকে ঘটনার দিন পুলিশ শিশুটির মা হাওয়া বেগমকে মৃত্যুর বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কথায় গরমিল পাওয়া যায়। পরে সে নিজ সন্তানকে হত্যার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করে এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। ।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভূঞাপুর থানার এসআই মো. আরফান খান জানান, নিজ সন্তান ফাতিমাকে হত্যার বিষয়ে মা হাওয়া বেগম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক ফারজানা হাসনাত তার জবানবন্দি গ্রহণ করেন।বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার(২৩ আগষ্ট) সন্ধ্যায় ভূঞাপুর উপজেলার নিকলাদড়ি পাড়া গ্রামে মা হাওয়া বেগম কর্তৃক এ হত্যার ঘটনা ঘটে। পরে খেলার ছলে গামছা পেঁচিয়ে ফাতিমার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রচার করা হয়। ফাতিমা ওই গ্রামের দুলাল হোসেনের মেয়ে। তার তিন মেয়ের মধ্যে ফতিমা সবার ছোট ছিলো।

স্থানীয় একটি ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করে সংসার চালান দুলাল হোসেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. অগাস্ট ২০২২ ০৮:৪২:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গলায় ফাঁস লেগে প্রথম শ্রেণীর ছাত্রীর মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গলায় ফাঁস লেগে প্রথম শ্রেণীর ছাত্রীর মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে গামছা দিয়ে খেলতে গিয়ে গলায় ফাঁস লেগে প্রাণ গেলো ৭ বছরের শিশু ফাতিমার।

মঙ্গলবার (২৩ আগষ্ট) সন্ধ্যায় মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের দড়িপাড়া নিকলা গ্রামে।

ফাতিমা ওই গ্রামের দুলাল হোসেনের মেয়ে। সে স্থানীয় দড়িপাড়া নিকলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফাতিমা ঘরের মধ্যে গামছা দিয়ে খেলছিল। এ সময় শিশুটির মা হাওয়া বেগম রান্নার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। পরে তিনি ঘরে গিয়ে দেখেন তার মেয়ে গামছাসহ ঝুলে রয়েছে। সেখান থেকে দ্রুত নামিয়ে শিশুটিকে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।তিন বোনের মধ্যে ফাতিমা ছিল সবার ছোট। তার বাবা দুলাল হোসেন স্থানীয় ইটভাটার শ্রমিক। এ ঘটনায় পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, লাশ উদ্ধার করে মঙ্গলবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. অগাস্ট ২০২২ ০১:৪৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছাগলের গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে শতাধিক পেঁপে গাছ কর্তন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছাগলের গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে শতাধিক পেঁপে গাছ কর্তন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ছাগলে গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বে সাগর আকন্দের পেঁপে বাগানের শতাধিক গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী শাহিদা বেগমের বিরুদ্ধে। শনিবার (২০ আগস্ট) সকালে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় থানায় মৌখিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে কেটে ফেলা পেঁপে বাগান পরিদর্শন করেছেন ভূঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. লিটন মিয়া।

জানা গেছে, পশ্চিম ভূঞাপুরে ২৫ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে পেঁপে ও কলা গাছের বাগান করেছিলেন কৃষি উদ্যোক্তা সাগর আকন্দ। ইতোমধ্যে বাগানের প্রত্যেকটি গাছে পেঁপে ধরেছিল। এতে কয়েক লাখ টাকার পেঁপে বিক্রির স্বপ্ন দেখেছিলেন সাগর।

সাগর আকন্দ বলেন, ‘প্রতিবেশী শাহিদার ছাগল প্রতিদিন বাগানে প্রবেশ করে বিভিন্ন গাছের চারা খেয়ে ফেলত। বিষয়টি ছাগলের মালিককে জানানো হলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে বাগানের পাশেই ছাগল চড়াত।’

তিনি আরও বলেন, ‘শনিবার সকালে ছাগল বাগানে প্রবেশ করে এবং বেশ কয়েকটি পেঁপে, কলা ও বেগুন গাছ নষ্ট করে ফেলে। পরে ছাগলটি আটকে রাখলে ওই নারী ক্ষিপ্ত হয়ে পেঁপে ও কলা গাছগুলো কেটে ফেলে।’

সাগরের বাবা লাল মিয়া আকন্দ বলেন, ‘সাগর নারায়ণগঞ্জে একটি জাহাজ কোম্পানিতে চাকরি করতো। করোনাকালে তার চাকরি চলে গেলে বাড়িতে চলে আসে। পরবর্তীতে ৬০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ২৫ শতাংশ জমি লিজ নিয়ে সবজি বাগান শুরু করে। গাছগুলো কেটে ফেলায় ছেলেটি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে।’

ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম জানান ‘মৌখিকভাবে জানানোর পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।’

উপজেলা কৃষি অফিসার মো. হুমায়ূন কবির জানান, ‘বিষয়টি শুনেছি। সরেজমিনে গিয়ে প্রশাসনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অগাস্ট ২০২২ ০১:১৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে উঠানে খেলছিল শিশু, ঘরে বাবার আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে উঠানে খেলছিল শিশু, ঘরে বাবার আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ বাড়ির উঠানে খেলাধুলা করছিল দশ বছরের শিশু ছেলে মাইনুদ্দিন। তার মা ও বড় ভাই গিয়েছিল বাজারে। এর ফাঁকে গোসল শেষে ঘরের-দরজা জানালা বন্ধ করে রুমের ভেতরে ধর্ন্নার সাথে গলায় রশি বেঁধে ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেন বাবা।

মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) বিকালে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের সারপলশিয়া গ্রামে আব্দুল মজিদের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সেনাবাহিনীর সিভিল সদস্যের নাম ছাইদুল ইসলাম (৩৭)। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদ নগর উপজেলার পীর কাশিমপুর। সে মৃত বশির আহমেদের ছেলে।

তিনি উপজেলার বঙ্গবন্ধু সেতু ক্যান্টনমেন্টের ১১ আরই ব্যাটালিয়নের জাহাজ স্টাফ ও সিভিল ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং সারপলিয়া গ্রামের আব্দুল মজিদ মিয়ার বাসা ভাড়া নিয়ে স্ত্রী ও দুই ছেলে সন্তান নিয়ে ভাড়া থাকতেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাজার থেকে আসা সেনাবাহিনীর সিভিল সদস্যের স্ত্রী ও তার বড় ছেলে হাসান বাড়িতে এসে দেখতে পায় তার ছোট ভাই মাইনুদ্দিন কান্না করছে। এ সময় ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ দেখে তার বাবাকে ডাকা-ডাকি করতে থাকে।

এক পর্যায়ে জানালার ফাঁক দিয়ে দেখে হাসানের বাবা ছাইদুল ইসলাম ঘরের ধন্নার সাথে ফাঁসিতে ঝুলে আছেন। পরে ডাক-চিৎকার করলে আশপাশের লোকজনকে ছুটে আসে এবং সেনাবাহিনী ও পুলিশকে খবর দেয়।

এদিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সেনাবাহিনীর সিভিল সদস্য ও জাহাজের স্টাফ ছাইদুল ইসলাম প্রায় ৩ বছর ধরে পাইলসের সমস্যায় ভুগছিলেন। হয়তো বা সেই কারণে আত্মহত্যা করতে পারেন। তবে, পারিবারিকভাবে কোন কলহ বা দ্বন্দ্ব ছিল না।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফরিদুল ইসলাত জানান, আত্মহত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসা হয়েছে। কি কারণে আত্মহত্যা করেছেন তা জানা যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অগাস্ট ২০২২ ০৩:২৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে রান্না ঘরে চুলায় ভাতের পাতিল রেখেই গলায় ফাঁস দিয়ে মোছা: রেনু বেগম (৪৯) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) সকালে উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের ভারই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মোছা: রেনু বেগম একই গ্রামের  রহিজ উদ্দিনের স্ত্রী।

স্থানীয়রা জানায়, রেনু বেগম ৪ বছর ধরে মানুষিক রোগে ভুগছিলেন। সোমবার (৮ আগস্ট) রহিজের বোনের মৃত্যুতে জানাজায় গিয়েছিল রহিজ ও তার দুই ছেলে এবং মেয়ে। কিন্তু রহিজের স্ত্রী না গিয়ে একাই বাড়িতে ছিলেন।পরে মঙ্গলবার সকালে ঘরের ধণ্নার সাথে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেন।

নিহতের মা জানান, মেয়েটি মানুষিকভাবে ভারসাম্যহীন রোগী ছিল। মাঝে মধ্যে নিজের শরীরে নিজেই আঘাত করতো।

তিনি আরো জানান, এ নিয়ে চিকিৎসা করাতে চাইলেও সে চিকিৎসা করতে চাইতেন না। মঙ্গলবার সকালে রান্না ঘরে ভাত রান্না করছিল। একপর্যায়ে চুলায় ভাতের পাতিল রেখেই পরিবারের লোকজনদের চোঁখ ফাঁকি দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে রেনু।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি আইনিভাবে প্রক্রিয়াধীন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অগাস্ট ২০২২ ০৩:১০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ১০ বোতল ফেনসিডিলসহ এক যুবক গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ১০ বোতল ফেনসিডিলসহ এক যুবক গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীর তীরবর্তী এলাকা থেকে স্কুলব্যাগে রাখা ১০ বোতল নিষিদ্ধ ফেনসিডিলসহ শাকিল হোসেন(৩০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) বিকালে উপজেলার জগৎপুরা উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে যমুনা নদীর অংশে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত শাকিল হোসেন ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার ভবানী ডাঙ্গা গ্রামের মো. খতিব আলীর ছেলে।

ভূঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এএসআই মঞ্জুরুল হাসান ও কাজল কুমারকে সঙ্গে নিয়ে উপজেলার জগৎপুরা উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে যমুনা নদীর তীরবর্তী অংশে অভিযান চালানো হয়। এসময় তার ব্যবহৃত স্কুলব্যাগ থেকে ১০ বোতল ফেনসিডিলসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. জুলাই ২০২২ ০২:০১:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পিকনিক শেষে নদীতে নেমে যুবক নিখোঁজ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পিকনিক শেষে নদীতে নেমে যুবক নিখোঁজ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে পিকনিক শেষে যমুনা নদীতে গোসলে নেমে মো. শরিফ (২০) নামের এক যুবক নিখোঁজ হয়েছেন।

সোমবার (১১ জুলাই) রাতে ওই যুবক নিখোঁজ হন। মঙ্গলবার (১২ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজ শরিফ উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের মেঘারপটল গ্রামের ফরহাদ হোসেনের ছেলে।

গাবসারা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শাহ আলম আকন্দ শাপলা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সোমবার দুপুরে কয়েকজন বন্ধু মিলে যমুনা নদীতে নৌকাযোগে পিকনিকে যান। পিকনিক শেষে রাতে তারা বাড়ি ফিরছিলেন। পথে চরাঞ্চলের ভদ্রশিমুল এলাকায় পৌঁছালে পিকনিকের নৌকা দাঁড় করিয়ে শরিফ ও তার বন্ধুরা নদীর পানিতে গোসলে করতে নামে।
গোসল শেষে শরিফের অন্যান্য বন্ধুরা নৌকায় উঠে এলেও শরিফ ওঠেননি। পরে তার বন্ধুরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে সন্ধান না পেয়ে তার পরিবারের লোকজনকে বিষয়টি জানান। পরিবারের লোকজনও ঘটনাস্থলে এসে খোঁজাখুঁজি করেন।

চেয়ারম্যান শাপলা আরও বলেন, ঘটনা সোমবার বিকেলের হলেও আজ সকালে নিখোঁজ যুবকের স্বজনদের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেরেছি। তার সন্ধানের চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, নিখোঁজ যুবকের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে। স্থানীয় লোকজনদের সহযোগিতায় ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. জুলাই ২০২২ ১১:৩০:পিএম ৪ বছর আগে
বন্যার্তদের মাঝে ‘টাংগাইল ব্লাড ফাউন্ডেশনের’ ত্রাণ বিতরণ - Ekotar Kantho

বন্যার্তদের মাঝে ‘টাংগাইল ব্লাড ফাউন্ডেশনের’ ত্রাণ বিতরণ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বন্যা কবলিতদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে সামাজিক সংগঠন ‘টাংগাইল ব্লাড ফাউন্ডেশন’।শুক্রবার (১ জুলাই ) সকালে ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের বন্যাকবলিত প্রায় শতাধিক পরিবারে মাঝে ওই ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, টাংগাইল ব্লাড ফাউন্ডেশন এর উপদেষ্টা শাকিব শামসাদ,ফাউন্ডেশন এর সভাপতি মোঃ রাতুল মিয়া,উদ্যোক্তা মোঃ আসিফ রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, অনিক চন্দ্র শীল,সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাছির মন্ডল জিসান,
ব্লাড বিষয়ক সম্পাদক রবিউল ইসলাম, উপ-ক্রীড়া ও স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল মিয়া সহ ফাউন্ডেশনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

বিতরণ অনুষ্ঠানে সামাজিক সংগঠন টাংগাইল ব্লাড ফাউন্ডেশন এর উপদেষ্টা শাকিব শামসাদ বলেন, অসহায়, দুঃস্থ ও প্রতিবন্ধী মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব বোধ থেকে দীর্ঘ কয়েকবছর ধরে তিনি ও প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মোঃ রাতুল মিয়া সহ সংগঠনের সদস্যবৃন্দ গরিব দুঃখী, অসহায়, মানুষদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রায় শতাধিক পরিবারের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হলো।
তিনি আরো বলেন,তারা চেষ্টা করেছেন অসহায় মানুষের দুঃখগুলো ভাগ করে নিয়ে তাদের মুখে একটু হাসি ফোটাতে। মানুষের জন্য মানবতার এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আরো জানান।

পরে অতিথিবৃন্দ শতাধিক বন্যার্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে:চিড়া,মুড়ি,চিনি,স্যালাইন,ঔষধ সহ নানা নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. জুলাই ২০২২ ০৮:৪৪:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে যমুনার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যমুনার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ১২ ঘণ্টায় পানি বৃদ্ধি পেয়েছে ১০ সেন্টিমিটার। এ ছাড়াও সমানতালে বৃদ্ধি পাচ্ছে অন্যান্য নদ-নদীর পানিও।

শনিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ভূঞাপুর, টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতী উপজেলার কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে তলিয়ে গেছে হাজার হাজার একর জমির পাট, আউশ ধান, তিল, বাদামসহ বিভিন্ন ফসল। তবে পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ভূঞাপুর, কালিহাতী ও টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কয়েকটি এলাকায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, শনিবার সন্ধ্যায় যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। জেলায় যমুনাসহ সবকটি নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় জেলার বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতির দিকে যাচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. জুন ২০২২ ০৬:৩১:পিএম ৪ বছর আগে
মহানবী (সা.)-কে অবমাননা প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে বিক্ষোভ - Ekotar Kantho

মহানবী (সা.)-কে অবমাননা প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে বিক্ষোভ

একতার কণ্ঠঃ মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে ভারতের ক্ষমতাসীন দলের (বিজেপি’র) মুখপাত্র নূপুর শর্মা ও তার সহযোগী নবীন কুমার জিন্দালের অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেছে সেচ্ছাসেবী সংগঠন আল-কারীমু মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশন ও স্থানীয় মুসল্লিরা।

শনিবার (১১ জুন) বিকালে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব-ভূঞাপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের সিরাজকান্দি বাজারে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে। এরপর বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব গোল চত্বর হয়ে মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিলটি বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেল স্টেশনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংগঠনের নেতা ও স্থানীয় মসজিদের ইমামসহ অন্যরা বক্তব্য শেষে পুনরায় ওই স্থানে গিয়ে মিছিল সমাপ্ত করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- আল-কারীমু মানব কল্যাণ সংগঠনের পরিচালক সেলিম রেজা পলাশ, সহ-উপদেষ্টা সহিদুল তালুকদার, সভাপতি হুমায়ন কবির, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল খান, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা আব্দুল মান্নান, সহ-ধর্ম বিষয়ক মাওলানা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসাইন, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক সোনা মিয়া মন্ডল, পলশিয়া জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আব্দুল কাদের -সহ সংগঠনের অন্য সদস্য এবং স্থানীয় মুসল্লিরা।

এদিকে, দুপুরে উপজেলার নিকরাইল শমসের ফকির ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীসহ ছাত্র ও যুব সমাজসহ স্থানীয় মুসল্লিরাও কলেজের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে শিক্ষার্থীরা নিকরাইল বাজার এবং জোকারচর সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে। পরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের জোকারচর বাসস্ট্যান্ড প্রায় ১০-১৫ মিনিট সময় অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করে শিক্ষার্থীসহ ছাত্র ও যুবসমাজ।

বিক্ষোভে মিছিলে ‘ভারতীয় পণ্য, বয়কট, বয়কট’, ‘বিশ্ব নবীর অপমান, সইবে না রে মুসলমান’, ‘নূপুর শর্মার বিচার চাই’-সহ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। পরে মহাসড়কে কিছুটা যানজট সৃষ্টি হলে তারা অবরোধ থেকে সরে গিয়ে জোকারচর রেললাইনের পাশে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভা করে।

এ সময় বক্তব্য দেন- নিকরাইল শমসের ফকির ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী মোমিন, জুয়েল, রফিক ও মামুনসহ অন্যরা।

বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, যেকোনো ধর্মের মনিষী বা নেতারা শ্রদ্ধার পাত্র। তাদের নিয়ে অযথা কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য অবশ্যই নিচু মানসিকতার কাজ। হযরত মুহাম্মদ (সা.) ও হযরত আয়েশা (রা.)-কে নিয়ে ভারতের বিজেপি নেত্রী যে মন্তব্য করেছেন এটি অত্যন্ত গর্হিত। আমরা এ ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একইসঙ্গে তার বিচারের দাবি করছি। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. জুন ২০২২ ০৩:২২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ; দুই যুবক  গ্রেফতার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ; দুই যুবক গ্রেফতার

একতার কন্ঠ: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে প্রেমের সম্পর্কের জেরে কলেজছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় কলেজছাত্রীর মা ভূঞাপুর থানায় অভিযোগ দিলে রুবেল (২৫) ও তার সহযোগী ওসমান গনিকে (৩৩) গ্রেফতার করে পুলিশ।

অভিযুক্ত রুবেল উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের খড়ক গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে ও তার সহযোগী ওসমান গনি একই গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে। রুবেল এক সন্তানের জনক। ধর্ষণের শিকার ওই মেয়েটি স্থানীয় একটি কলেজের ছাত্রী।

জানা যায়, রুবেলের সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় হয় কলেজছাত্রীর। ফেসবুকে নিয়মিত চলত কথাবার্তা। পরে দেখা-সাক্ষাৎ করে তারা। এভাবেই গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। পরে শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে কলেজছাত্রী। এ সময়ে কৌশলে ভিডিও ধারণ করে রুবেল। পরে সেই ভিডিও ফেসুবকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় রুবেল। পরে তার কথামতো কাউকে না জানিয়ে কলেজছাত্রী চলে যায় চট্টগ্রামে। পরে সেখানে একটি ভাড়া বাসায় থাকত তারা।

এদিকে কলেজছাত্রী পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানেন না পরিবার। পরে মেয়েকে বাড়িতে না পেয়ে আত্মীয়স্বজনদের বাড়িতে খোঁজাখুঁজি করেন। গত ৩০ মে নিখোঁজ হয়েছে উল্লেখ করে ওই ছাত্রীর মা ৫ জুন ভূঞাপুর থানায় একটি জিডি করেন। তারপর রুবেলের মোবাইল নাম্বারের সূত্র ধরে অভিযান চালায় ভূঞাপুর থানার পুলিশ।

অভিযান চালিয়ে গত বুধবার(৮ জুন) চট্টগ্রামের একটি বাসা থেকে অভিযুক্ত রুবেল ও তার সহযোগী ওসমানকে গ্রেপ্তার করেন। সেইসঙ্গে কলেজছাত্রীকেও উদ্ধার করে পুলিশ। পরে বৃহস্পতিবার (৯জুন)রাতে রুবেলের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন ছাত্রীর মা।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ ( ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত যুবক কলেজছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করে এবং ভিডিও ধারণ করে। সেই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাকে নিয়ে চট্টগ্রামে চলে যায়। সেখানেও ধর্ষণের শিকার হয় কলেজছাত্রী। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত বখাটে রুবেল ও তার সহযোগী ওসমানকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

তিনি আরো জানান, গ্রেফতারকৃত অভিযুক্ত রুবেল ও তার সহযোগীকে শুক্রবার(১০ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তার ফোনে ওই মেয়েটিসহ একাধিক মেয়েদের নানা ধরনের ছবি পাওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শনিবার আদালতের কাছে রিমান্ড চাওয়া হবে। এছাড়া মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. জুন ২০২২ ০১:২৪:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।