একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত স্বামী ও শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এর সদস্যরা।
দুই বছর পলাতক থাকার পর সোমবার (৫ ডিসেম্বর) ভোরে তাদের নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বিকেলে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর থানায় হস্তান্তর করে র্যাব।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাবা ও ছেলে হলেন মো. মজনু (৬১) ও ছেলে জহুরুল ইসলাম (৩১)। তাদের বাড়ি ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা গ্রামে।
বাবা ও ছেলেকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে দুপুরে র্যাব ১৪ এর ৩নং কোম্পানির অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানান, ২০১৬ সালের ২৩ নভেম্বর গ্রেপ্তারকৃত জহুরুল ইসলাম তার স্ত্রী তাছলিমা আক্তারকে (২৭) যমুনা নদীতে চুবিয়ে হত্যা করে। পরে তার লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। গৃহবধূকে হত্যা ও লাশ গুমে তাকে তার বাবা মজনু সহায়তা করে।
ঘটনার পর তাছলিমার বাবা বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ মজনু ও জহুরুলকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারের পর তারা দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তারা যৌতুক না দেওয়ায় তাছলিমাকে হত্যা করে লাশ গুম করার কথা স্বীকার করেছিলেন। সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ২০২০ সালের ৩১ আগস্ট তাদের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। মামলা চলাকালে জামিনপ্রাপ্ত হয়ে তারা পলাতক হন।
র্যাব আরো জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা জানিয়েছেন সাজা এড়াতে তারা উভয়ই নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার গোয়ালদি খান বাজার এলাকায় গরুর খামারে চাকরি নেন। সেখানে তারা পরিচয় গোপন করে থাকতেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে র্যাব সোমবার ভোরে তাদের সেখান থেকে গ্রেপ্তার করে। তাদের দুজনের নামে ভূঞাপুর থানায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। বিকেলে তাদের ভূঞাপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ যুবরত্ন সম্মাননা পেয়েছেন দ্বীপ এগ্রো ফার্মের প্রতিষ্ঠাতা আল-আলিন শোভন। প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলে নানা ধরণের ফল ও সবজি চাষে বিশেষ অবদান রাখায় তিনি এই সম্মাননা ক্রেস্ট পেয়েছেন।
শনিবার (২৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে টাঙ্গাইল জেলা যুব সমতি, ঢাকা আয়োজিত এক সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) সকালে সম্মাননা অর্জনের বিষয়টি আল-আমিন শোভন নিজেই এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন- আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। বিশেষ অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসেন সংসদ সদস্য ছোট মনির। তিনি আল-আমিন শোভনের হাতে সংসদ সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন। এসময় টাঙ্গাইল জেলা যুব সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, আল-আমিন শোভনের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়ন বলরামপুর। সে একজন কৃষি উদ্যোক্তা ও পেশায় সাংবাদিক। সে কৃষি উদ্যোক্তা ছাড়াও বেসরকারি টেলিভিশন আনন্দ টিভি’র টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এর পাশাপাশি ড্রাগনসহ বিভিন্ন ফল এবং সবজি চাষ করে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে যুবকদের মাঝে। কৃষি কাজে আল-আমিনের অভাবনীয় সাফল্যে অসংখ্য তরুণ ও যুবক তার কাজে অনুপ্রাণিত হয়ে স্বাবলম্বী হয়েছে। এছাড়া ফল ও সবজি চাষে আগ্রহী তরুণ ও যুবকদের নানাভাবে সহযোগিতা করে আসছেন তিনি।
একতার কণ্ঠঃ জমি বিরোধের জেরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে চাচাতো ভাইদের এলোপাথারি হামলা থেকে আরেক চাচাতো ভাই আব্দুর রাজ্জাককে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন বড় ভাই আব্দুল হামিদ (৪৫)।
শুক্রবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের খড়ক গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত হামিদ একই গ্রামের মৃত আক্তার হোসেনের ছেলে।
এ ঘটনায় শনিবার (২৬ নভেম্বর) রাতে নিহতের স্ত্রী শাহিনা বেগম ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করে ভূঞাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর ওই রাতেই প্রধান আসামি সাঈদের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৪০), আজিজুল (৩৫), সোনা মিয়া (৫০) এবং আলেয়া খাতুনকে (২৮) গ্রেফতার করে পুলিশ। রবিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে ভূঞাপুর থানা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সাঈদ-আজিজুলদের সাথে জমি নিয়ে নিহত হামিদের চাচাতো ভাই আব্দুল রাজ্জাকের বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে একাধিকবার গ্রাম্য সালিশ হয়। তারা সালিশ না মানলে একপর্যায়ে টাঙ্গাইল বিজ্ঞ আদালতে ১০৭ ধারা আইনে মামলা করেন নিহতের ভাই আব্দুর রাজ্জাক। আদালতের নোটিশ পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে শুক্রবার সকালে রাজ্জাকের উপর হামলা চালায়। এসময় রাজ্জাকের বড় ভাই হামিদ ও তার স্ত্রী এগিয়ে আসলে তাদের উপরও হামলা চালায়। এতে তারাও আহত হয়।
এরপর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তৃব্যরত চিকিৎসক টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করে। তারমধ্যে রাজ্জাকের ভাই হামিদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। পরে সেখানকার চিকিৎসক হামিদকে বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে মৃত ঘোষণা করে।
এ ঘটনায় ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, এজাহারের পর অভিযান চালিয়ে চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ।
তিনি আরো জানান, তাদের মধ্যে তিনজনকে শনিবার সকালে ও অপর আরেকজনকে রবিবার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আাসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত আছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভুঞাপুরে পরীক্ষায় দায়িত্বপালনরত অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহজামালের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের মনিরুজ্জামান বিএম কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। তিনি ভুঞাপুর উপজেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে এইচএসসির হিসাব বিজ্ঞান পরীক্ষায় দায়িত্ব পালন করছিলেন।
মনিরুজ্জামান বিএম কলেজের অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান বলেন, পরীক্ষা চলাকালীন শিক্ষা কর্মকর্তা শাহজামালসহ সেখানে দায়িত্বরত একজন চিকিৎসক ও শিক্ষকরা অফিস রুমে বসে ছিলাম। এমন সময় ওই শিক্ষা কর্মকর্তা হঠাৎ উঠে গিয়ে নিজেই মাথায় পানি দেন। এরপর তিনি মূর্ছা যান। দ্রুত তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. ইশরাত জাহান বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করার সময় তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের কাগমারীপাড়া শিয়ালকোল এলাকার গৃহবধু জহুরা বেগমকে হত্যার অভিযোগে তার স্বামীসহ তিন জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন নিহতের মেয়ে।
মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (ভূঞাপুর থানা) আমলী আদালতে তার মেয়ে মো. সেলিনা বেগম (৪১) বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি গ্রহণ করে আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে ভূঞাপুর থানার ওসিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন আদালত।
মামলায় নিহত গৃহবধুর স্বামী মো. বেল্লাল হোসেন তালুকদার, তার ছেলের স্ত্রী মোছা. আম্বিয়া বেগম ও ছেলের শ্বশুড় মো. আনছার আলী মন্ডলকে (৬৫) আসামী করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, বেল্লাহ হোসেন তালুকদারের জমি-জমা লিখে দেয়ার জন্য তার ছেলের স্ত্রী মোছা. আম্বিয়া খাতুন চাপ দিতেন। এক পর্যায়ে বেল্লাল হোসেন তালুকদার জমি লিখে দিতে চাইলে তার স্ত্রী বাঁধা দেয়।
পরে তার ছেলের স্ত্রী ও শ্বশুড় হত্যা করার পরিকল্পনা করেন। গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে জহুরা বেগমকে মারধর করে আসামীরা। এক পর্যায়ে জহুরা বেগমের মৃত্যু হয়।
মেয়ে খবর
মার মৃত্যুর খবর পেয়ে মামলার বাদী তার মেয়ে বাড়ি গিয়ে মায়ের লাশের শরীরে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন দেখে সন্দেহ হলে ৯৯৯ ফোন করে। পুলিশ গিয়ে ২৭ সেপ্টেম্বর লাশ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। পরে আসামীরা বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে গভীর রাতে ফিল্মি কায়দায় বিদ্যালয়ে ঢুকে প্রশ্ন চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছে দশম শ্রেণির এক ছাত্রী। শনিবার (২৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে ভূঞাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
পরে ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মহিউদ্দিন, সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহীম, শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন, মহিউদ্দিন ওরফে মনির এবং ওই ছাত্রীর মা বিদ্যালয়ে গিয়ে তাকে নিয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ওই ছাত্রী তার বান্ধবী ভূঞাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীসহ আরও দুই ছেলে বন্ধুর সহায়তায় এসএসসির টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র চুরি করার জন্য শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ভূঞাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দেয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করে। সে আগে থেকে বানানো তালার চাবি দিয়ে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে প্রবেশ করে একেক করে কয়েকটি আলমারির তালা ভাঙতে থাকে। এ সময় পাশের রুমে থাকা নাইটগার্ড ফজলু তালা ভাঙার শব্দ শুনে ভেতরে গিয়ে ওই ছাত্রীর হাতে ছুরি দেখতে পান। এ সময় ওই ছাত্রী নাইটগার্ডকে ফাঁসানোর ভয় দেখায়। একপর্যায়ে তাকে ছেড়ে দেওয়ার আশ্বাসে নাইটগার্ড বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লাল মাহমুদের বাসায় নিয়ে যান। পরে সেখানে মেয়েটি ঘটনার বিস্তারিত বলে। পরে মানবিক বিবেচনায় রাতেই প্রধান শিক্ষক ওই ছাত্রীর মা ও ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মহিউদ্দিনকে বিষয়টি জানালে তারা বিদ্যালয়ে এসে মেয়েটিকে নিয়ে যান।
ভূঞাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. লাল মাহমুদ জানান, প্রশ্নপত্র চুরি করে বিক্রির জন্য ছেলেদের পোশাক পড়ে গভীর রাতে বিদ্যালয়ের দেয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করে ওই ছাত্রী। তবে পূর্বেই ফিল্মি স্টাইলে বিদ্যালয়ের তালা-চাবির ছবি তুলে তালা খোলার জন্য আলাদা চাবি বানিয়ে কক্ষে প্রবেশ করে সে। পরে কক্ষের ভেতরে কয়েকটি আলমারির তালা নষ্ট করে। পরে নাইটগার্ড শব্দ পেয়ে ভেতরে গিয়ে তাকে ছুরিসহ হাতেনাতে আটক করে। সে আমাদের জানিয়েছে এসএসসির টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন চুরি করে বন্ধুদের কাছে বিক্রি করবে। পরে মানবিক কারণে তাকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও তার মাকে জানানো হলে তারা বিদ্যালয়ের এসে মেয়েকে নিয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, এই কাজে জড়িত থাকার দায়ে আমাদের বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে বিদ্যালয় থেকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মহীউদ্দিন বলেন, এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে প্রশ্ন চুরির ঘটনা জানি না। জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মোছা. ইশরাত জাহান বলেন, ঘটনাটি জেনেছি। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে এমপির সামনেই দুই পক্ষের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহতও হয় বলে জানিয়েছেন উপস্থিত নেতাকর্মীরা। এ ঘটনার পর উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভা স্থগিত করেছে জেলা থেকে আসা নেতৃবৃন্দ।
শনিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভায় এ ঘটনা ঘটে। এ খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

অন্যদিকে, দলীয় কার্যালয় বন্ধসহ পৌর শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। একইসাথে দু’পক্ষের নেতাকর্মীরা সভাস্থল ত্যাগ করে। এমপি ও মেয়র দুই পক্ষের অনাকাঙ্ক্ষিত বিশৃঙ্খলা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।
উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাকর্মী জানান, আগামী ৭ নভেম্বর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বর্ধিত সভা করে আসছেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভার আয়োজন করে ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ।
এ বর্ধিত সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র মাসুদুল হক মাসুদহ তার অনুসারী এবং বহিষ্কৃত নেতাকর্মীদের নিয়ে সভা শুরু করেন। সভা চলাকালীন স্থানীয় সংসদ সদস্য ছোট মনির অনুসারী উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ সভায় প্রবেশ করলে তার সামনে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের তর্কবিতর্ক হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে এমপি ও মেয়র পক্ষের নেতাকর্মীরা পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ ও মিছিল প্রদর্শন করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
এ ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র মাসুদুল হক মাসুদ জানান, আমরা আগামী ৭ নভেম্বর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে সামনে রেখে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভা শুরু করি। সভা শুরুকালে এমপি মহোদয় সভাস্থলে প্রবেশ করলে আমি তাকে বসতে আহ্বান জানাই।
তিনি আরও জানান, সে সময় তিনি না বসে আমাকে পাশ কাটিয়ে সভাস্থল ত্যাগ করাকালে তার সাথে আসা কিছু নেতাকর্মী হঠাৎ করে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। পরে আমরা সভাস্থল ত্যাগ করে চলে আসি।
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় উপজেলা ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রবেশ করলে বসার জায়গা না থাকায় সভাস্থলে কর্মীদের মাঝে ক্ষোভ থেকে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরে জেলার নেতৃবৃন্দ বর্ধিত সভা স্থগিত ঘোষণা করেন।
অপরদিকে, উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় দু’পক্ষের হাতাহাতির ঘটনায় ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেননি। এছাড়া ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে প্রাইভেট পড়তে এসে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরাঘুরি করতে গিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মো. লিটন (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ফলদা ইউনিয়নের ফলদা ঘোনাপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় মোটরসাইকেল চালকসহ তার দুই বন্ধু ও এক পথচারী গুরুতর আহত হয়েছে।
নিহত লিটন গোপালপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের জোতআতাউল্ল্যা গ্রামের আয়নাল হকের ছেলে ও ফলদা রামসুন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র।
আহত দুই বন্ধু একই গ্রামের জহির উদ্দিনের ছেলে মারুফ (১৫), খলিলুর রহমানের ছেলে শাওন (১৫) ও পথচারী ফলদা ঘোনাপাড়া হাজী আবুল হোসেনের ছেলে জয়নাল আবেদীন (৪৫)।
এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, সকালে বাড়ি থেকে তিনবন্ধু মোটরসাইকেল নিয়ে ওই এলাকায় একই স্কুল শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে আসে। তারা কোচিংয়ে বই রেখে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয়। পথিমধ্যে রাস্তায় এক পথচারীর সাথে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে গাছের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে চারজনই গুরুতর আহত হয়।
স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে আহত চার জনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে মোটরসাইকেল আরোহী স্কুল ছাত্র লিটনকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
তিনি আরো জানান, আশঙ্কাজনক অবস্থায় তার বন্ধু মারুফ ও পথচারীকে জয়নাল আবেদীনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। অপর সহপাঠী শাওন স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন। নিহত লিটনের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নতুন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেলেন পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর অতিরিক্ত আইজিপি খন্দকার গোলাম ফারুক।
রবিবার (২৩ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন উপসচিব হারুন-অর-রশীদ।
অতিরিক্ত আইজিপি খন্দকার গোলাম ফারুক পুলিশের ১২তম বিসিএস কর্মকর্তা। তাকে ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর অতিরিক্ত আইজিপি গ্রেড-২ পদে পদায়ন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এর আগে সারদা পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি, রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ ঝালকাঠি ও ঠাকুরগাঁও জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
খন্দকার গোলাম ফারুক ১৯৬৪ সালে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার ঘাটানদি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভুঞাপুর উপজেলার ভুঞাপুর-তারাকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কের অর্জুনা ইউনিয়নের তারাই কবরস্থানের পাশ থেকে মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) গভীর রাতে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় মালা(৩২) নামে এক নারীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে পুলিশ তাকে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
নিহত মালা বেগম উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের জগৎপুরা গ্রামের তারা খানের মেয়ে।
স্থানীয়রা জানান,রাতে কবরস্থানের পাশে সড়কে অচেতন ও রক্তাক্ত অবস্থায় ওই নারীকে পড়ে থাকতে দেখতে পায়। পরে পুলিশকে খবর দিলে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।
এ ব্যাপারে ভুঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) মাহমুদুল হক জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মুমুর্ষু অবস্থায় মালা বেগমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
ভুঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, নিহতের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে, তাকে হত্যার উদ্দেশ্য আঘাত করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ সুরতহাল শেষে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যমুনা নদীতে মা ইলিশ ধরার অপরাধে ১৪ জেলেকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় জেলেদের কাছ থেকে উদ্ধার করা এক লাখ মিটার জাল পুড়িয়ে দেয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী, নিকরাইল, গাবসারা ও অর্জুনা ইউনিয়নের যমুনা নদীতে অভিযান চালিয়ে ১৪ জেলেকে ইলিশ ধরার জালসহ আটক করা হয়।
পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. ইশরাত জাহান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেন।
অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত জেলেরা হলেন – শহীদ, শাহ আলম, আব্দুল হাকিম, আলিমুদ্দিন, সাইফুল, হযরত আলী, সাইফুল, আলমগীর, জসিম, মুঞ্জর আলী, সুরুজ্জামান, মজিদ, আব্দুল্লাহ ও কামরুল। তারা সবাই উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুদীপ ভট্টাচার্য্য জানান, সরকারি নির্দেশ অমান্য করে জেলেরা যমুনা নদীতে মা ইলিশ ধরছিল। খবর পেয়ে যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের সহায়তায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ইলিশ ধরার জালসহ ১৪ জেলেকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাদের অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এ সময় এক লাখ মিটার উদ্ধার হওয়া জাল পুড়িয়ে দেয়া হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের ঘটনায় দুই ভাইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় সোমবার (১০ অক্টোবর) রাতে উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের নলুয়া গ্রাম থেকে স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার ও মিরাজ ও সুমন নামের দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত ধর্ষক ভূঞাপুর পৌরসভার পলিশা গ্রামের হাসমত আলীর ছেলে ও টেপিবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মিরাজ এবং তার বড় ভাই সুমন (২২)।
শনিবার (৮ অক্টোবর) রাতে স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে চার জনের নামে ভুঞাপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
জানা গেছে, উপজেলার ওই স্কুলছাত্রীকে বিভিন্ন সময় উত্যক্ত করতো তারই সহপাঠী মিরাজ। এক পর্যায়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বড় ভাই সুমন, ভাবি লাবণ্য ও চাচা মনিরুজ্জামানের সহায়তায় তাকে রাস্তা থেকে শুক্রবার (৭ অক্টোবর) অপহরণ করা হয়।
এই ঘটনায় স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে চার জনের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা দায়ের করে। পুলিশ স্কুলছাত্রীসহ মিরাজ ও তার ভাই সুমনকে গ্রেপ্তার করে।
স্কুল শিক্ষার্থী জানায়, একই বিদ্যালয়ে পড়ার সুবাদে মিরাজ আমাকে বিভিন্ন সময় প্রেমের প্রস্তাব দিতো। শুক্রবার মিরাজ ও তার ভাইসহ সকলের সহায়তায় আমাকে প্রথমে গাজীপুরের টঙ্গী এবং পরে সাভার তাদের আত্মীয়ের বাড়িতে নিয়ে যায়। টঙ্গীতেই মিরাজের সাথে আমার বিয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকে এক সাথেই আমরা সাভার ও গাজীপুরে থেকেছি। পরে নলুয়াতে আসলে পুলিশ আমাদেরকে ধরে থানায় নিয়ে আসে।
স্কুল শিক্ষার্থীর মা জানান, নাবালিকা মেয়েটিকে ফুঁসলিয়ে অপহরণ করা হয়েছে। আমরা দরিদ্র পরিবার। পরে থানায় মামলা করলে পুলিশ অপহরণকারী মিরাজ ও তার ভাইকে গ্রেপ্তার করে এবং আমার মেয়েকে উদ্ধার করে। আসামিদের কঠোর শাস্তি দাবি করি।
ভূঞাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ জানান, থানায় মামলা দায়ের পর পুলিশ বিভিন্নস্থানে অভিযান পরিচালনা করে। অপহরণকারীরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মেয়েটিকে উদ্ধারসহ দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, মেয়েটিকে উদ্ধারসহ জড়িত দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওই স্কুল ছাত্রীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে ২২ ধারা জবানবন্দির জন্য টাঙ্গাইল কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, এদিকে গ্রেপ্তারকৃত দুই ভাইকে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।