/ হোম / অপরাধ
টাঙ্গাইলে মামার হাতে ভাগ্নি খুন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মামার হাতে ভাগ্নি খুন

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পূর্ব শত্রুতার জেরে মামার হাতে ভাগ্নি খুন হয়েছেন।

শুক্রবার (২৩ জুন) ভোর রাতে উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের মুরাইদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ঘাতক মামা সুমন মিয়া সহ আরও দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত তুলিন (৫) ঘাটাইল উপজেলার একই গ্রামের সোহেল মিয়ার মেয়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক পূর্ব শত্রুতার জেরে এমন ঘটনা ঘটেছে। নিহত তুলিনের বাড়ি এবং নানার বাড়ি পাশাপাশি। মাঝে মাধ্যেই তুলিন তার নানার বাড়িতে মামা মামীর কাছে থাকতো। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তুলিন তার মামা মামীর কাছে থাকতে যায়। রাত গভীর হলে তুলিনের মামা সুমন তার দুলাভাইকে ( শিশু তুলির বাবাকে) ফোন করে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে তার মেয়েকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়। শুক্রবার সকালে তুলিনকে খুজতে তার বাবা-মা তুলিনের মামার বাড়ি যায়। এসময় তুলিনের মামা ও পরিবারের অন্যান্য লোকজন নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় এলাকাবাসী তুলিনের মামা সুমন মিয়া, স্ত্রী সুমাইয়া ও নানী মরিয়মকে আটক করে। পরে স্বজন ও এলাকাবাসী পুলিশে খবর দিলে সুমনের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির পানির ট্যাংকি থেকে তুলির লাশ উদ্ধার করে।এ ঘটনায় এলাকায় শোকের মাতম বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন জানান,সুমন তার ভাগ্নিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। এ ঘটনায় সুমন, তার মা মরিয়ম বেগম এবং স্ত্রী সুমাইয়া বেগমকে আটক করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি । থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. জুন ২০২৩ ০১:২০:এএম ৩ বছর আগে
কুদরত এলাহির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানে হাইকোর্টের নির্দেশ - Ekotar Kantho

কুদরত এলাহির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানে হাইকোর্টের নির্দেশ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা সমবায় ব্যাংকের সভাপতি কুদরত ই এলাহি খানের বিরুদ্ধে ব্যাংকটির ১১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী তিন মাসের মধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশনকে বিষয়টি অনুসন্ধান করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ জুন) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ মামুন মাহবুব, ব্যারিস্টার অনীক আর হক, অ্যাডভোকেট রাফসান আলভী, ব্যারিস্টার শেখ মো. সামিউল ইসলাম জুয়েল। দুদকের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সাজ্জাদ হোসেন।

শুনানিতে আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব বলেন, কুদরত ই এলাহী খান একজন টাউট, রাজনৈতিক প্রভাব ও পেশিশক্তি ব্যবহার করে অন্যের সম্পত্তি বেআইনিভাবে দখলদার। তাছাড়া তিনি আইনজীবী না হয়েও মামলার দালাল হিসেবে পরিচিত। চুক্তির মাধ্যমে আদালতের আদেশ পাওয়ার ঘোষণা দিয়ে থাকেন। পিটিশনার ব্যারিস্টার এম আশরাফুল ইসলামকে এর আগে তিনি হুমকিও দিয়েছেন। তিনি গর্ব করে বলে থাকেন, অনেক ব্যারিস্টার, আইনজীবী এমনকি বিচারকদের পকেটে রাখেন। এর আগে তার এসব কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন পত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে।
এর আগে টাঙ্গাইলের বাসিন্দা ব্যারিস্টার মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম, রাহেলা জাকির টাঙ্গাইল জেলা সমবায় ব্যাংকের সভাপতি কুদরত ই এলাহি খানের বিরুদ্ধে ব্যাংকটির ১১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন। বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে এ রিট দায়ের করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, টাঙ্গাইল জেলা সমবায় ব্যাংকের সভাপতি কুদরত ই এলাহি খানের বিরুদ্ধে ব্যাংকটির ১১ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠলেও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না সমবায় অধিদপ্তর। স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি দুর্নীতির বিষয়টি আমলে নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে তাগিদ দিয়েছে। অডিট রিপোর্টে ১১ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
তারপরও লুটপাটকৃত অর্থ আদায়ের কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে বহুতল ব্যাংক মার্কেট নির্মাণ এবং বিক্রি বন্ধের আদেশ তুলে দিয়ে নতুন করে দুর্নীতির আরও সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, টাঙ্গাইল সমবায় ব্যাংকের সভাপতি পদে ২০১৫ সালে মেয়াদ শেষ হয়েছে কুদরতের। কমিটির মেয়াদ শেষে অ্যাডহক কমিটি গঠন করে নির্বাচনও দেওয়া হয়। মনোনয়ন বিক্রি নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে গোলযোগ সৃষ্টি হলে নির্বাচন স্থগিত এবং অ্যাডহক কমিটির বৈধতা নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা করেন কুদরত। সেই মামলায় নির্বাচন স্থগিতের আদেশ দেন উচ্চ আদালত। মামলার রায়ের সুযোগ নিয়ে ১০ বছর ধরে সভাপতি পদে বহাল তবিয়তে আছেন কুদরত।

টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকের নিজস্ব শূন্য দশমিক ৮১ একর জায়গার ওপর একটি দ্বিতল মার্কেট ভবনে ১৫৫ জন ব্যবসায়ীকে দোকান বরাদ্দ দেয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘদিন ওই ১৫৫ জন ব্যবসায়ী বরাদ্দকৃত দোকানে ব্যবসা-বাণিজ্য করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। অভিযোগ আছে, টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকের সভাপতি কুদরতের সঙ্গে সখ্য করে পারস্পরিক যোগসাজশে সমবায় ব্যাংকের তহবিল তছরুপ করাসহ মার্কেট ভবন নির্মাণের নামে ১১ কোটি টাকা আত্মসাতের সুযোগ করে দেন সমবায় অধিদপ্তরের কিছু অসাধু কর্মকর্তা।
অধিদপ্তরের একটি সূত্র জানায়, কুদরতকে ব্যবহার করে অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্তাব্যক্তিরা নানা সুবিধা নিয়েছেন, নতুন করে আরও সুবিধা নিতে মার্কেটের ৪, ৫ ও ৬ তলার দোকান বিক্রির আদেশ দিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কুদরত ই এলাহি তার পরিষদকে পাশ কাটিয়ে চাচাতো বোনজামাই দিদারুল ইসলামকে দিয়ে সমবায় ব্যাংকের একটি ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করছেন।
সূত্র আরও জানায়, গত ৫ মাসে এ হিসাব থেকে কুদরত প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা উত্তোলন করেছেন। আইন লঙ্ঘন করে দিদারকে সই করার ক্ষমতা দেওয়ায় লেনদেন করতে জবাবদিহি করতে হয় না সভাপতিকে। বিষয়টি স্বীকারও করেন হিসাবরক্ষক দিদার। তিনি বলেন, আমাকে সই করার ক্ষমতা দিয়েছেন চেয়ারম্যান, এ বিষয়ে আপনি তার কাছ থেকে জেনে নিলে ভালো হয়।

এছাড়া সর্বশেষ অডিট রিপোর্ট পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কুদরত সভাপতি হিসেবে সমবায় ব্যাংকের তহবিল থেকে ঠিকাদারকে ধার দিয়েছেন ৬ কোটি ৮৫ হাজার ৬৩৪ টাকা। অথচ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সমবায় ব্যাংকের কাছে ৫ বছর আগের পাওনা এখনো বুঝে পায়নি।

এ বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী বলেন, কুদরত সাহেব আমার ৫ বছর আগের পাওনাই দিচ্ছেন না, হাওলাত দেবেন কেন? আমার কাজের টাকা আদায়ের জন্য আমি বারবার তাগাদা দিলেও নানা টালবাহানা করছেন চেয়ারম্যান।

অডিট রিপোর্ট সূত্রে আরও জানা যায়, বিভিন্নভাবে মামলা পরিচালনার জন্য কুদরত ই এলাহি আইনজীবীর খরচ হিসাবে ৩ কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন। এ অবিশ্বাস্য লেনদেন নিয়ে সমবায় কর্মকর্তারাও প্রশ্ন তুলেছেন। তবে এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না স্থানীয় অফিসের কর্মকর্তারা।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. জুন ২০২৩ ০৬:১১:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে হাতুড়ি পেটা  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় যুবককে হাতুড়ি পেটা 

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় নাছির মিয়া (১৮) নামে এক যুবককে হাতুড়ি পেটা করে গুরুতর আহত করা হয়েছে। বর্তমানে আহত ওই যুবক উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি আছে।

রোববার(১৮ জুন) দুপুরে উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের আটিয়া চালা গ্রামের কুমের পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

হামলার শিকার নাছির উপজেলার আটিয়া ইউনিয়নের আটিয়া গ্রামের কালু মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় দেলদুয়ার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

আহতের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, প্রায় তিন মাস পুর্বে আটিয়া শাহনশাহী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানের দিন বিদ্যালয়ের গেটে দাঁড়িয়ে কয়েকজন যুবক ছাত্রীদের ইভটিজিং করছিলো। বিদ্যালয়টি নাছিরের বাড়ির পার্শ্ববর্তী হওয়ায় নাছির ওই যুবকদের চলে যেতে বলে। তারা চলে যেতে না চাইলে একপর্যায়ে যুবকদের তার সাথে বাকবিতন্ডা হয়।

এরই জের ধরে রোববার দুপুরে নাছির মিয়া ওই যুবকদের এলাকায় রাজমিস্ত্রীর সহযোগিতা হিসেবে কাজে গেলে তারা অতর্কিতভাবে হাতুড়ি ,ক্রিকেটস্ট্যাম্প ও লাঠিশোঠা নিয়ে নাছিরের উপর হামলা চালায়। তারা হাতুড়ি দিয়ে নাছিরের পায়ের নখ থেতলে দেয়। এছাড়া নাছিরের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে। হাতুড়ির আঘাতে নাছিরের ডান হাত ভেঙে গেছে। এ সময় নাছিরের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দেলদুয়ার স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

নাছিরের পিতা কালু মিয়া জানান, নাছির রাজ মিস্ত্রির সহযোগী হিসেবে কাজ করে। রোববার সকালে নাছির ওই এলাকায় কাজ করতে যায়। দুপুরে লোক মারফত জানতে পারি আটিয়া চালা গ্রামের সাজেদুল ইসলাম (২০), আসিফ(১৭), শিপন মিয়া(১৮) ও হিঙ্গানগর গ্রামের শিহাব(১৮) মিলে আমার ছেলেকে পুর্বের ঘটনার জের ধরে হাতুড়ি ও ক্রিকেটস্ট্যাম্প দিয়ে বেধড়ক পিটিয়েছে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে।

তিনি আরও বলেন, ওই যুবকেরা ইভটিজিং ও মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধমুলক কর্মকান্ডে জড়িত। হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দাবি করছি।

আটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাত হোসেন জানান, বিষয়টি আমি জেনেছি। ঘটনাটি মীমাংসার জন্য স্থানীয় দুই মেম্বারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যতদ্রুত সম্ভব বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হবে।

এ বিষয়ে দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাছির উদ্দিন মৃধা জানান, আহত নাছির মিয়ার পিতা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ভিকটিমকে আমি দেখেছি। বিষয়টি তদন্ত করার জন্য উপ-পরিদর্শক মনোয়ার হোসেনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত রির্পোট পাওয়া সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. জুন ২০২৩ ০২:৩৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় স্ত্রীর যাবজ্জীবন, স্বামীর ৪ বছরের কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় স্ত্রীর যাবজ্জীবন, স্বামীর ৪ বছরের কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় স্ত্রী লিলি বেগম (৪০) নামে এক নারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জারিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

অপরদিকে, একই মামলায় স্বামী বকুল সিকদারকে ৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। আসামিদের অনুপস্থিতিতে এ রায় দেন তিনি।

বৃহস্পতিবার(৮ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মো. মোস্তফা শাহারিয়ার খান এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত লিলি বেগম টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সিংগুরিয়া গ্রামের বকুল সিকদারের স্ত্রী। অপর দণ্ডপ্রাপ্ত বকুল সিকদার একই এলাকার মৃত কালু সিকদারের ছেলে।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর খান জানান, ২০১৫ সালের ২৮ নভেম্বর স্ত্রী লিলি বেগম ও তার স্বামী বকুল সিকদারকে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার সিংগুরিয়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। সেই সময় স্ত্রী লিলির কাছ থেকে ৩০ গ্রাম এবং স্বামী বকুলের কাছ থেকে ১৫ গ্রাম হেরোইন জব্দ করা হয়।

তিনি আরোও জানান, এ ঘটনায় ওইদিনই তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. মাহবুবুর রহমান বাদি হয়ে ঘাটাইল থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে উপ-পরিদর্শক প্রবীর চন্দ্র সরকার লিপি ও বকুলের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. জুন ২০২৩ ০৩:১১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে গাজি রহমান (৬০) নামে এক বৃদ্ধার বিরুদ্ধে ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার (৮ জুন) সকাল ৯ টার দিকে উপজেলার দিঘর ইউনিয়নের কাশতলা চুংলিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

গাজি ঐ ইউনিয়নের মশাজান এলাকার বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন নারিকেল ব্যাবসায়ী।

এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে মেয়েটির পরিবার ও এলাকাবাসী।

এলাকাবাসী ও ভিকটিমের বাবা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে গাজি তার পাশের গ্রামের জাকের ভাইয়ের বাড়ীতে পান খেতে যান। একই পীরের মুরীদ হওয়ায় তাদের দুই জনের মধ্যে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। মাঝে মধ্যেই যাতায়ত করতেন ঐ বাড়ীতে। মেয়ের বাবা মাহিন্দা চালক সকালেই গাড়ি নিয়ে বের হয়ে যান। এ সময় শুধু মেয়ে ও মেয়ের মা বাড়ীতে ছিলেন। তারা ঘরে সবজি কাটতে ছিলেন।
এ সময় পান খেতে চান ঐ বৃদ্ধা। মেয়ের মা পান বানাতে যান অন্য ঘরে যায়। সেই সুযোগে অভিযুক্ত গাজি মেয়েকে একা পেয়ে মুখ চেপে ধরে ধর্ষন চেষ্টা করে। মেয়ের চিৎকার শুনে মেয়ের মা ঐ বৃদ্ধাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করলে বৃদ্ধা দৌড়ে পালিয়ে যান । মেয়েটি স্থানীয় একটি স্কুলের ৪র্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী। ভিকটিমের মা বাবা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
ঘটনার পর পরেই ঐ এলাকার কিছু বিক্ষুব্দ যুবক অভিযুক্ত গাজির বাড়ী ভাংচুর করার চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্তনে আনেন।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত গাজির বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত গাজি ঘরে তালা লাগিয়ে পলাতক রয়েছেন।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. জুন ২০২৩ ০১:১৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শিশু বলাৎকারের অভিযোগে সাবেক ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শিশু বলাৎকারের অভিযোগে সাবেক ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার 

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে হত্যার ভয় দেখিয়ে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযোগের প্রেক্ষিতে আনোয়ার হোসেন (৪৫) নামে এক সাবেক ইউপি সদস্যকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৬ জুন) দুপুরে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের গোবিন্দাসী এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ভূঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুম্মান খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য ও কুকাদাইর গ্রামের হাছেন আলী তালুকদারের ছোট ছেলে।

জানা গেছে, গত ২০ মে রাত ১ টায় গোবিন্দাসী টি-রোড এলাকার একটি গরুর খামারে ওই শিশুকে ডেকে নেন অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেন। পরে তাকে হত্যার ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক হাত-মুখ চেপে ধরে বলাৎকার করে। এসময় শিশুটির ডাক-চিৎকার শুনে খামারের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এক বাক প্রতিবন্ধী এগিয়ে এসে ডাকাডাকি করলে খামারে থাকা অন্য শ্রমিকরা শিশুটিকে উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে আসার আগেই আনোয়ার পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বলেন, আমি ঘটনাটি জানতাম না। কয়েক দিন পর জানতে পারলাম আমার ছেলের সাথে আনোয়ার মেম্বার অনৈতিক কাজ করেছে। মঙ্গলবার সকালে ভূঞাপুর থানায় এসে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করি। এই নেক্কারজনক ঘটনায় নরপশুর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম বলেন, বলাৎকারের শিকার হওয়া শিশুটির বাবা বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সকালে গোবিন্দাসী এলাকা থেকে সাবেক ওই ইউপি সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে বিকালে টাঙ্গাইল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. জুন ২০২৩ ০১:৪৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নারীসহ ৪ মানব পাচারকারী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নারীসহ ৪ মানব পাচারকারী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে এক নারীসহ মানবপাচারকারী চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঘাটাইল থানার পুলিশ।

রবিবার(৪ জুন) দিনগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলা সদরের ঝড়কা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে পতিতাবৃত্তি করতে বাধ্য করার অপরাধে সক্রিয় মানব পাচারকারী চক্রের ওই চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন পৌরসভার চান্দশী গ্রামের আতাব আলীর ছেলে সোহেল মিয়া (৩২) ও আবু সাইদের ছেলে গোলাপ মিয়া (৩০), বীরঘাটাইল গ্রামের শাহজাহান সরকারের ছেলে সজিব মিয়া (৩৫) ও দেউপাড়া ইউনিয়নের তালতলা গ্রামের জিটু মিয়ার স্ত্রী শিল্পী আক্তার (৩৬)।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, উপজেলার ঝড়কা বাজারের দক্ষিণ পাশে শিল্পী আক্তারের ভাড়া বাসায় অসামাজিক কার্যকলাপ হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখতে পায় দুটি মোটরসাইকেলযোগে কয়েকজন লোকজন চলে যাচ্ছেন। তাদেরকে থামতে বললে তারা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন।পরে অঞ্জনা নামে এক নারীসহ চারজনকে আটক করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে অঞ্জনা জানান, শিল্পী আক্তার তার পরিচিত। তিন বছর আগে একই কোম্পানিতে চাকরির সুবাদে তাদের পরিচয় হয়। প্রতিনিয়ত তাদের মোবাইলে যোগাযোগ ছিল।

নতুন চাকরি দেওয়ার কথা বলে ফোন করে রবিবার শিল্পী তাকে ঘাটাইলে ঝড়কা এলাকায় তার বাসায় আসতে বলেন। ওইদিন বিকেলে তিনি ঢাকা থেকে ঝড়কা আসেন। রবিবার দিবাগত রাতে অঞ্জনাকে পতিতাবৃত্তিসহ অসামাজিক কাজে লিপ্ত কারার জন্য সোহেল মিয়া, গোলাপ মিয়া ও সজিব মিয়ার হাতে তুলে দেন শিল্পী। অঞ্জনাকে অসামাজিক কাজ করতে তারা চাপ প্রয়োগ করেন।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয় আসামিরা একটি মানব পাচার চক্রের সক্রিয় সদস্য।
টাঙ্গাইল, জামালপুর, ময়মনসিংহ, সিরাজগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থকে ভাগ্য বিড়ম্বনা অসহায় মেয়েদের কৌশলে ফুসলিয়ে এনে তাদের দিয়ে পতিতাবৃত্তি করানো হতো। উল্লেখিত আসামিরা মেয়েদের বিভিন্ন প্রলোভনে নিয়ে এসে পতিতাবৃত্তি করাতে বাধ্য করেন।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ লোকমান হোসেন বলেন, ‘এ ঘটানায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের আদালতের মাধ্যমে জেলে পাঠানো হয়েছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. জুন ২০২৩ ০২:৪৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলের মধুপুর যেন অনলাইন স্ক্যামিংয়ের ‘স্বর্গরাজ্য’ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের মধুপুর যেন অনলাইন স্ক্যামিংয়ের ‘স্বর্গরাজ্য’

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের নামে নিষিদ্ধ অনলাইন স্ক্যামিং ব্যবসার ভয়াল থাবা দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে জেলার মধুপুর উপজেলা এখন স্ক্যামারদের স্বর্গরাজ্য।

এসব সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রকে সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন।

অনলাইন ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে দেশে যেমন রেমিট্যান্স আসে, তেমনি লাখো যুবকের কর্মসংস্থান হয়। তাই সরকার এ বৈধ পেশাকে নানাভাবে উৎসাহিত করে চলেছে। কিন্তু স্ক্যামিং অনলাইনে একটি প্রতারণামূলক অবৈধ ব্যবসা। টিনএজার পর্নো, অ্যাডাল্ট সাইট এবং ডেটিং সাইট নিয়ে স্ক্যামাররা কাজ করে থাকে। এটি এক ধরনের অন্ধকার জগতের ব্যবসা। আর এ পেশায় যৌনতা নিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।

স্থানীয়রা জানায়, মধুপুর উপজেলায় প্রায় পাঁচ হাজার কিশোর ও তরুণ নিষিদ্ধ অনলাইন স্ক্যামিংয়ে জড়িত। সাইবার অপরাধের মাধ্যমে ডলার আয়ের ধান্ধায় এখন স্কুল-কলেজের ছাত্রীরা এমনকি গৃহবধূরাও এতে যুক্ত হচ্ছেন। এই স্ক্যামিং যেমন নব্য ধনকুবের তৈরি করছে, তেমনি মাদক, জুয়াসহ নানা সামাজিক ব্যাধি মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে।

এ বিষয়ে আইটি বিশেষজ্ঞ তৌফিক-ই- হাসেম শরীফ জানান, স্ক্যামাররা সাধারণত আমেরিকান মডেল, পর্নোস্টার বা এসকর্টদের নগ্ন ছবি, ভিডিও বা নানা তথ্য ওয়েবসাইট থেকে কৌশলে হাতিয়ে নিয়ে অ্যাডাল্ট ডেটিং সাইটে আইপি হাইড করে পোস্ট দেয়। এরপর টেক্সট নাউ নামের ভার্চুয়াল নাম্বার সার্ভিসের মাধ্যমে স্ক্যামাররা এসকর্ট সেজে হাজির হয়। যাদের এসকর্ট সার্ভিস দরকার সেই গ্রাহকরা নক করলে এসকর্ট সাজা স্ক্যামাররা ব্যক্তিগত সময় কাটানোর জন্য গ্রাহকের সঙ্গে ডলার নিয়ে দর কষাকষি শুরু করে। নগ্ন ছবি ও ভিডিও শেয়ারের পরেও অনেক গ্রাহক ভিডিও বা ভয়েস কলে রিয়েল পার্সন ভেরিফাই করতে চায়। রোবট সফটওয়্যার দিয়ে ভয়েস বা ভিডিও কল ভেরিফিকেশনেও গ্রাহকরা সন্তুষ্ট না হলে ভাড়াটে নারীদের হাজির করে স্ক্যামাররা। এসব নারীরা স্বল্প আলোতে ন্যুড হয়ে গ্রাহকদের প্রলুব্ধ করে। এরপর গ্রাহকের কাছ থেকে কিছু ডলার অ্যাডভান্স নিয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। স্ক্যামাররা এসব ডলার রিসিভ করে বিভিন্ন ক্যাশ অ্যাপ, কার্ড বা বিট কয়েনের মাধ্যমে। এরপর বিশেষ কায়দায় ডিজিটাল পেমেন্ট সার্ভিসের অ্যাকাউন্ট খুলে ডলার বিট কয়েনে কনভার্ট করে বাংলাদেশি টাকায় রুপান্তর করে।

মধুপুরের একজন স্ক্যামার জানান, অভিজ্ঞ স্ক্যামাররা গ্রাহকদের সঙ্গে চ্যাট করে ব্যক্তিগত তথ্য, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, এসএসএস উইথ সেলফি সংগ্রহের পর বিশেষ কায়দায় গ্রাহকের ক্রেডিট কার্ডের সমুদয় ডলার হাতিয়ে নেয়।

স্ক্যামার রনি সরকার জানান, ডেটিং স্ক্যাম ছাড়াও স্ক্যামাররা আমেরিকায় সম্পত্তি কেনা-বেচা, বাড়ি ভাড়া বা রিয়েল এস্টেট সাইটে গিয়ে ক্রেগলিস্ট অর্গানাইজেশনের আইপি হাইড করে লোভনীয় তথ্যে পোস্ট দেয়। আর একই কায়দায় অ্যাডভান্স ডলার নিয়ে কেটে পড়ে তারা। আমেরিকার জনপ্রিয় ক্লাসিফায়েড সাইট ব্যাকপেইজ ডটকমের আদলে মধুপুরের স্ক্যামাররা ক্লাসিফায়েড ডেটিং সাইট তৈরি করে প্রতারণামূলকভাবে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

তিনি আরও জানান, টু ব্যাকপেইজ ডটকম, ব্যাকলিস্ট টোয়েন্টিফোর ডটকম এবং স্কিপ দ্য গেইমস ডটকম নামের সাইটগুলোর মালিক মধুপুরের কয়েকজন স্ক্যামার। এরা এখন শত শত কোটি টাকার মালিক।

সম্প্রতি উপজেলা প্রশাসন মধুপুর পৌরশহরের নয়াপাড়া ও মাস্টারপাড়া মহল্লায় অভিযান চালিয়ে পর্নো ও ডেটিং সাইট ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে একজন স্ক্যামারকে ১২ লাখ টাকা আয় করার প্রমাণ পান।

মধুপুর ছাড়াও ঘাটাইল, গোপালপুর, ধনবাড়ী, কালিহাতী ও ভূঞাপুরেও ছড়িয়ে পড়েছে এই স্ক্যামিং ব্যবসা। মধুপুরের একটি বেসরকারি আর্কিটেক্ট কনসালটেন্টের তথ্যে দেখা যায়, দেড় বছরে মধুপুর উপজেলায় তিন শতাধিক বহুতল ভবন নির্মিত হয়েছে, যার প্রায় সবগুলোই স্ক্যামিং পার্টির।

স্থানীয়ভাবে স্ক্যামারদের বলা হয় নেট ব্যবসায়ী। দুই বছর আগে যারা রিকশা চালাতেন, ইটভাটায় কাজ করতেন, তার এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা এখন নিজেদের বহুতল ভবনে বসবাস করেন। দামি গাড়িতে চড়েন। অনেকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, শোরুম ও কারখানাও গড়ে তুলেছেন।

বি জেড এম গ্রাফিক্সের কর্ণধার প্রযুক্তিবিদ আপেল মাহমুদ জানান, স্ক্যামারদের এখনি থামাতে না পারলে ফ্রিল্যান্সিং পেশার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে। আস্থার সংকটে পড়ে এ শিল্প ধ্বংস হবে। ফরেনাররা তখন কাজ দেবে না।

মধুপুরের ফ্রিল্যান্সার ও ওয়েব ডেভেলপার সবুজ মিয়া জানান, তার প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে যারা ফাইভার থেকে ভালো আয় করছিলেন, তারাও কু-মতলবে স্ক্যামিংয়ে চলে যাওয়ায় তার প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যায়।

মধুপুরের নকরেক আইটির কর্ণধার সুবীর নকরেক জানান, যেখানে বৈধ ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে প্রচুর আয় করা যায়, সেখানে স্ক্যামিংয়ের মতো প্রতারণামূলক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হওয়ার কোনো যুক্তি নেই। এতে দেশের ইমেজ ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এর একটি নেগেটিভ রেজাল্ট আসবে শিগগিরই।

শোলাকুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলী জানান, অনলাইন স্ক্যামিংয়ের টাকা এখন হাওয়ায় উড়ছে। এক শ্রেণির কিশোর ও যুবকের হাতে অঢেল অর্থ আসায় মাদক, জুয়াসহ নানা অসামাজিক কাজ বেড়ে গেছে। এর ফলে সমাজে ভারসাম্যহীনতা দেখা দিয়েছে।

মধুপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মুরাদ হোসেন জানান, এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধে পুলিশ কাজ করেছে।

মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শামীমা ইয়াসমিন পরিস্থিতির সত্যতা স্বীকার করে জানান, অবৈধ স্ক্যামিং ব্যবসার কাঁচা টাকা ভয়াবহ মাদকের প্রসার ঘটাচ্ছে। ছেলেমেয়েরা স্কুলে না গিয়ে প্রতারণা ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ৬ জন স্ক্যামারকে আটক করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। কিছু ভবন সিলগালা এবং স্ক্যামারদের যেন বাড়ি ভাড়া না দেওয়া হয়, সেজন্য অনেক ভবন মালিককে সতর্ক করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জুন ২০২৩ ০৩:২৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে মাকে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মেয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে মাকে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে নিজ ঘর থেকে রিয়া মনি মীম (১৬) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ জুন) রাতে উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের নলিন তালুকদারপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মীম ওই এলাকার গোলাম কিবরিয়া রিপন তালুকদারের মেয়ে। সে স্থানীয় নলিন আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এবছর এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। এ ঘটনায় তার মাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নিহত মীমের মা সালমা বেগম (৪০) মেয়েকে শারীরিক ও মানুষিক নির্যাতন করতেন। এ নিয়ে বাড়িতে প্রায়ই মা-মেয়ের সঙ্গে ঝগড়া হত। বৃহস্পতিবার ঝগড়ার পর বিকেলে মীমের মা তার বাবার বাড়ি ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা গ্রামে চলে যায়। সেখান থেকে তার ছোট বোন শারমিনকে (১৯) সঙ্গে নিয়ে রাতেই বাড়ি ফেরেন। রাত ১২টার দিকে ঘরে মীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতের বাবা গোলাম কিবরিয়া রিপন তালুকদার বলেন, গভীর রাতে শ্যালিকা শারমিন আমাকে মোবাইল ফোনে জানায় মীম গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে। রাতেই মীমের ঝুলন্ত মরদেহ নামিয়েছে তার মা ও খালা। পরে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে তারা মীমের মৃতদেহ বাড়িতে নিয়ে আসার পর পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

গোপালপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক সুরতহালে মরদেহের গলায় আঘাতের চিহ্ন এবং নাক-মুখ দিয়ে ফেনা ও রক্ত পড়তে দেখা গেছে। লাশের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিহতের মাকে অসুস্থ অবস্থায় এনে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সুস্থ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. জুন ২০২৩ ০৩:৪৩:এএম ৩ বছর আগে
ভূঞাপুর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সেলিমকে কুপিয়ে আহত - Ekotar Kantho

ভূঞাপুর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সেলিমকে কুপিয়ে আহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে আওয়ামী যুবলীগ নেতা আক্তারুজ্জামান সেলিমকে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় আরও দুইজনকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

হামলার শিকার আক্তারুজ্জামান সেলিম উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

আহত দুইজনের মধ্যে একজন হলেন, ভূঞাপুর পৌরসভার ঘাটান্দি এলাকার আলতাফ হোসেনের ছেলে রতন তালুকদার। অপরজনের পরিচয় জানা যায়নি।

মঙ্গলবার (৩০ মে) রাত ৮ টার দিকে ভূঞাপুর-বঙ্গবন্ধু সেতু আঞ্চলিক মহাসড়কের ভূঞাপুর পৌরসভার ফসলান্দি মোড়ের কলেজ গেট নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, মঙ্গলবার (৩০ মে) বিকালে রেললাইন ক্রসিংয়ের পাশে ভূঞাপুর লিংকরোড বাইপাস সড়ক উদ্বোধন অনুষ্ঠান ছিল। সেই অনুষ্ঠান থেকে রাতে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান সেলিম ফেরার পথে হামলার শিকার হন ও কুপিয়ে জখম করা হয় তাকে।

এসময় বাধা দেওয়ায় তার সাথে থাকা রতন সহ আরও একজনকে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক আক্তারুজ্জামান সেলিমকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন।

এ ঘটনায় ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, দুর্বৃত্তদের হামলায় উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সেলিম আহত হয়েছে জানতে পেরেছি এবং চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কারা এ ঘটনাটি ঘটিয়েছে তাৎক্ষণিক জানা যায়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. মে ২০২৩ ০৪:৩৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাদক বিক্রির দায়ে নারীর যাবজ্জীবন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাদক বিক্রির দায়ে নারীর যাবজ্জীবন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মাদক বিক্রির দায়ে লিপি বেগম নামে এক নারীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৩০ মে) টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মোস্তফা শাহরিয়ার খান ওই রায় দেন।

দন্ডিত লিপি আক্তার মির্জাপুর উপজেলার পুষ্টকামুরী সওদাগর পাড়ার তোফাজ্জল হোসেনের স্ত্রী।

আদালতের সরকারি কৌঁশুলী এস আকবর খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কৌঁশুলী এস আকবর খান জানান, ২০২২ সালের ৬ মার্চ টাঙ্গাইল মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. আহসান হাবীব ১০০ গ্রাম হেরোইন ও হেরোইন বিক্রির দুই লাখ ১৯ হাজার টাকাসহ লিপি আক্তারকে (৩৬) গ্রেপ্তার করেন। পরে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের পূর্বক তাকে মির্জাপুর থানায় সোপর্দ করা হয়। মঙ্গলবার ওই মামলার রায়ের দিন ধার্য ছিল। আদালত উভয় পক্ষের শুনানী শেষে লিপি আক্তারকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদন্ডের আদেশ দেন।

তিনি জানান, মামলা চলাকালে লিপি আক্তার কারাগার থেকে একাধিকবার জামিন আবেদন করলেও প্রতিবারই আদালত না মঞ্জুর করেন। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা সাধারণত এত অল্প সময়ে শেষ হয়না। আদালতের সদিচ্ছা ও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা থাকায় মাত্র এক বছরের মধ্যে মামলার রায় ঘোষণা করা সম্ভব হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. মে ২০২৩ ০৩:৪১:এএম ৩ বছর আগে
বাসাইলে কিশোর গ্যাংয়ের হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১ - Ekotar Kantho

বাসাইলে কিশোর গ্যাংয়ের হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে কিশোর গ্যাংয়ের হামলার ঘটনায় আকাশ (১৯) নামের এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৯ মে) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান।

গ্রেপ্তারকৃত আকাশ উপজেলার কাজিরাপাড়া গ্রামের মাহফুজের ছেলে। হামলার শিকার আহনাব শাহরিয়ার নাবিল চ্যানেল আইয়ের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ও বাসাইল প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা মুসলিম উদ্দিন আহমেদের ছেলে।

নাবিল বাসাইল সরকারি গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে চলমান এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।

বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলার পর একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

প্রকাশ, হামলার শিকার নাবিল রোববার (২৮ মে) দুপুরে বাসাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে কৃষিশিক্ষা পরীক্ষা শেষ করে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে তার নিজ বিদ্যালয় বাসাইল সরকারি গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের দিকে যাচ্ছিল। এসময় বাসাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থানের সামনে পৌঁছালে আগে থেকেই উৎপেতে থাকা ১০-১৫ জনের কিশোর গ্যাংয়ের একটি সংঘবদ্ধ দল নাবিলের পথরোধ করে। একপর্যায়ে কাঠ ও বাঁশের লাঠি দিয়ে নাবিলকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এ সময় নাবিলকে সেখান থেকে অপহরণের উদ্দেশ্যে মোটরসাইলেকে ওঠানোর চেষ্টা করে। নাবিলের ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে কিশোরগ্যাংয়ের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এ সময় নাবিলের এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্রসহ সকল কাগজ ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা। পরে নাবিলকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। নাবিল বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় নাবিলের বাবা মুসলিম উদ্দিন আহমেদ বাদি হয়ে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য আকাশসহ অজ্ঞাত ১০-১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. মে ২০২৩ ০৩:৩২:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।